পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮: বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) ও পরিবেশ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. বাংলাদেশ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি (Physiography of Bangladesh):
- ভূপ্রকৃতি দেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, বাণিজ্য, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূপ্রকৃতির প্রভাব অপরিসীম।
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ। 
- গঙ্গা নদী পশ্চিম, ব্রহ্মপুত্র নদ উত্তর, সুরমা ও কুশিয়ারানদী উত্তর-পূর্বদিক থেকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একযোগে সুবিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করেছে।

 • বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে।
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
”তিনবিঘা করিডোর” কোথায় অবস্থিত?
  1. কালীগঞ্জ
  2. হাতিবান্ধা
  3. পাটগ্রাম 
  4. আদিতমারী
ব্যাখ্যা

 তিনবিঘা করিডোর:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
- তবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১ ঘন্টা পর পর করিডোর দিয়ে বাংলাদেশীদের যাতায়াতের সুযোগ দেয়া হয়।
- অতঃপর করিডোর দিন- রাত খোলা রাখার জন্য দাবী উত্থাপিত হলে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ এপ্রিল থেকে তা সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট হতে সন্ধ্যা ৬ঃ৩০ পর্যন্ত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
-  ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: লালমনিরহাট জেলা ওয়েবসাইট।

.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ-
  1. মাউন্ট এলব্রাস
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
  3. মাউন্ট ডেনালি
  4. মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত, 
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উৎস: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

.
নিম্নের কোনটি সাম্প্রতিককালের ভূ-প্রকৃতির অন্তর্গত?
  1. প্লাবন সমভূমি
  2. পাহাড়
  3. মরুভূমি
  4. সোপান
ব্যাখ্যা

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
 - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে।
- সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। 
- সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ)ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ)নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
আফ্রিকার বৃহত্তম মিঠা পানির উৎস-
  1. সুপিরিয়র হ্রদ
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. বৈকাল হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা

• ভিক্টোরিয়া হ্রদ:
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ আফ্রিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির উৎস
- এই হ্রদটি কেনিয়া, তানজানিয়া এবং উগান্ডার মধ্যে অবস্থিত, যদিও তানজানিয়া সবচেয়ে বেশি জল ধারণ করে।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ বৃষ্টিপাত এবং নীল নদ সহ বেশ কয়েকটি নদী থেকে তার জল গ্রহণ করে। 
- এটি ২৬,৬০০ বর্গমাইল পৃষ্ঠভূমি জুড়ে বিস্তৃত, এর গভীরতম স্থানে এর গভীরতা ২৭২ ফুট এবং গড় গভীরতা ১৩০ ফুট। 
- এটি প্রায় ৬৬০ ঘনমাইল জল ধারণ করে।

এছাড়াও,
- বৈকাল হ্রদ: টি বিশ্বের গভীরতম হ্রদ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ হলো কাস্পিয়ান সাগর।
- উত্তর আমেরিকার সুপিরিয়র বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

.
কঠিন শিলা সমৃদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. গাইবান্ধা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

কঠিন শিলা  
- বাংলাদেশে রয়েছে প্রিক্যাম্ব্রিয়ান যুগীয় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্জ ডায়োরাইট, নিস প্রভৃতি কঠিন শিলার বিশাল মজুত। 
- জি.এস.বি দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া নামক স্থানে ভূ-পৃষ্ঠের ১৩২ মিটার থেকে ১৬০ মিটার গভীরতায় এ সকল কঠিন শিলার মজুত আবিষ্কার করে।
- এ শিলাসমূহের বিশুদ্ধ অবস্থায় আর.কিউ.ডি (Rock Quality Designation) ৬০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- উত্তর কোরিয়া সরকারের সহায়তায় এ খনির উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।

.
বাংলাদেশের কোথায় ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. টাঙ্গাইল 
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট 
ব্যাখ্যা

  • ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
চুনাপাথর কোন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিরামিক
  2. সিমেন্ট
  3. মৃৎশিল্প
  4. ইস্পাত 
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়
 - ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি জন্মলাভ করেছে।
- তৎকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৪″ব্যাস সম্পন্ন ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের পর ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। 
- কর্পোরেশন : বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়  : বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
- তিতাস অধিভূক্ত এলাকা : বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

উৎস: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, ওয়েবসাইট।