পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ [প্রাথমিকের ২য় ও ৩য় ধাপের জন্য] বাংলা পরীক্ষা – ২ টপিক: উপসর্গ, অনুসর্গ, বাক্য প্রকরণ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি, বাক্য রূপান্তর, সমাস, সন্ধি, কারক-বিভক্তি, দ্বিরুক্ত শব্দ, যতিচিহ্ন, শব্দার্থ, এক কথায় প্রকাশ এবং বাগধারা ও প্রবাদ প্রবচন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
'গরহাজির' শব্দের 'গর' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পুরোপুরি
  2. বিপরীত
  3. সম্পূর্ণ
  4. সংকোচন
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ:
- যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
- অজানা (অ+জানা), অভিযোগ (অভি+যোেগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের 'অ', 'অভি', 'বে' হলো উপসর্গ।
- অনেক সময়ে শব্দের শুরুতে একসঙ্গে একাধিক উপসর্গ বসতে পারে।
- যেমন, 'সম্প্রদান' শব্দে 'দান'-এর আগে 'সম্' এবং 'প্র' – এই দুটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে।
- উপসর্গের নিজের অর্থ নেই; কিন্তু নতুন নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এজন্য বলা হয় – উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে।

• নতুন শব্দ তৈরি করা উপসর্গের কাজ।
- যেমন - সম্+বাদ = সংবাদ, বি+বাদ = বিবাদ।
- 'বাদ' শব্দের সঙ্গে 'সম্' এবং 'বি' উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ 'সংবাদ' ও 'বিবাদ' তৈরি হলো।
- উপসর্গের আর একটি কাজ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা।

যেমন-
- সু+নজর = সুনজর ( সংকোচন);
- সম্+পূর্ণ = সম্পূর্ণ ( সম্প্রসারণ);
- গর+হাজির = গরহাজির (বিপরীত অর্থ) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. মধুর
  2. দৌহিত্র
  3. তিল
  4. কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• মৌলিক শব্দ: 
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, তিল, হাত, ফুল ইত্যাদি।

• অন্যদিকে: 
- দৌহিত্র, গায়ক, মধুর, কর্তব্য- শব্দটি একটি যৌগিক শব্দ। 

• যৌগিক শব্দ:
- যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।

যেমন-
- গায়ক (মূল শব্দ) - গৈ+অক (শব্দ গঠন অর্থ) - যে গান করে (অর্থ)।
- মধুর = মধু + র; অর্থ - মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- কর্তব্য= কৃ + তব্য; অর্থ- যা করা উচিত। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘রাত্রির তিনভাগ একত্রে' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?  
  1. ত্রিযামা
  2. মহানিশা
  3. পূর্বরাত্র
  4. পররাত্র
ব্যাখ্যা
- ‘রাত্রির তিনভাগ একত্রে' এর এক কথায় প্রকাশ ত্রিযামা।  

• অন্যদিকে: 
- রাত্রির প্রথম ভাগ = পূর্বরাত্র, 
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা, 
- রাত্রির শেষভাগ = পররাত্র, 

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:  
- দিনের সায় (অবসান) ভাগ = সায়াহ্ন, 
- প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন = প্রভাতকল্পা, 
- রাত্রিকালীন যুদ্ধ = সৌপ্তিক, 
- যার ঈহা (চেষ্টা) নেই = নিরীহ, 
- যার বেশবাস সংবৃত নয় = অসংবৃত, 
- যার অন্য কোনো উপায় নেই = অনন্যোপায়, 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘গরুরগাড়ি’ কোন সমাসের উদাহরণ? 
  1. কর্মধারয় সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• তৎপুরুষ সমাস: 
- সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

- সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা, 
- চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা, 

- বিভক্তি লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত, 
- ছেলেকে ভুলানাে = ছেলে-ভুলানাে, 

- কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লােপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ,
যেমন –
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি, 
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না। -  বাক্যে 'বোঁটা-আলগা' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
  2. অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
  3. অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি
  4. কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• কারক: 
- মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
- কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

• কারক ছয় প্রকার:
→ কর্তা কারক,
→ কর্ম কারক,
→ করণ কারক,
→ অপাদান কারক,
→ অধিকরণ কারক ও
→ সম্বন্ধ কারক।

• অপাদান কারক: 
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।

• অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ
- প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি: বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না।
- দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।
- ষষ্ঠী বা এর বিভিক্ত: যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধে হয়৷
- সপ্তমী বা এ বিভক্তি: বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)। 
.
'তীব্রতা বা সঠিকতা' বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে কোনটি তে?
  1. কালো কালো চেহারা
  2. ছোট ছোট ডাল
  3. গরম গরম জিলাপি 
  4. ভালো ভালো আম
ব্যাখ্যা
• 'গরম গরম জিলাপি'- দ্বিরুক্তি শব্দজুটি 'তীব্রতা বা সঠিকতা' বোঝায়। 

• অন্যদিকে, 
- 'ভালো ভালো আম' - আধিক্য বোঝাতে দ্বিরুক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 
- 'কালো কালো চেহারা' - 'সামান্যতা' বোঝাতে দ্বিরুক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।
- 'ছোট ছোট ডাল' - 'আধিক্য' বোঝাতে দ্বিরুক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 
================ 
• দ্বিরুক্ত শব্দ: 
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে।
- এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
- যেমন- 'আমার জ্বর জ্বর লাগছে।' অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯।
.
নিচের কোনটি ক্রিয়াজাত অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
  2. সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।
  3. কার কাছে গেলে জানা যাবে?
  4. মাথার উপরে নীল আকাশ।
ব্যাখ্যা
• অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
→ সাধারণ অনুসর্গ ও
→ ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

• সাধারণ অনুসর্গ: 
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।

যেমন -
- উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
- কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
- জন্য: হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
- দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
- বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।

• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ: 
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।

যেমন -
- করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
- থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
- দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
- ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
- বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২২)।
.
সঠিক প্রবাদ প্রবচন কোনটি?
  1. মশা মারতে বন্দুক দাগা।
  2. মুখে বুলি লম্বা, কাজে অষ্টরম্ভা।
  3. সস্তার দুই অবস্থা।
  4. হাতি ঘোড়া গেল তল, পিঁপড়া বলে কত জল।
ব্যাখ্যা
• সঠিক প্রবাদ প্রবচন - মুখে বুলি লম্বা, কাজে অষ্টরম্ভা। 

• অন্যান্য প্রবাদের সঠিক রূপ:
- মশা মারতে কামান দাগা। 
- সস্তার তিন অবস্থা।
- হাতি ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"হুঁকো-নাপিত বন্ধ করা" বাগধারাটির অর্থ -
  1. নেশা দূর করা
  2. বদ অভ্যাস দূর করা
  3. সমাজচ্যুত করা
  4. অত্যাচার করা
ব্যাখ্যা
• "হুঁকো-নাপিত বন্ধ করা" বাগধারাটির অর্থ - সমাজচ্যুত করা। 

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: 
- 'লগন চাঁদা' এর অর্থ  - ভাগ্যবান।
- 'ভুষণ্ডির কাক' এর অর্থ  - বিচক্ষণ ব্যক্তি।
- 'গয়ংগচ্ছ' বাগধারার অর্থ - 'ঢিলেমি।
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারা টির অর্থ - 'কদাচিৎ'।
- 'ইতর বিশেষ' বাগধারাটির অর্থ - পার্থক্য।
- 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ - তোষামোদকারী।
- ঢেঁকি অবতার বাগধারাটির অর্থ - নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক।
- 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ -  ভূমিকা।
- 'গোঁফ খেজুরে' বাগধরার অর্থ অত্যন্ত অলস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১০.
'চশমা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. তুর্কী
ব্যাখ্যা
• চশমা (বিশেষ্য)
- এটি ফারসি ভাষার শব্দ।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
- গ্রেপ্তারি,
- গ্রেফতার,
- দারোগা,
- খোয়াব,
- চেহারা,
- কাগজ,
- চাকর,
- চারপায়,
- ছয়লাপ, 
- লুঙ্গি,
- দারোয়ান,
- সাদা,
- আসমান,
- কাজি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায় - উক্ত বাক্যে 'পাগলে' কোন কারক?
  1. করণ কারক
  2. অপাদান কারক
  3. কর্ম কারক
  4. কর্তা কারক
ব্যাখ্যা
• কারক: 
- মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
- কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

• কারক ছয় প্রকার:
→ কর্তা কারক,
→ কর্ম কারক,
→ করণ কারক,
→ অপাদান কারক,
→ অধিকরণ কারক ও
→ সম্বন্ধ কারক।

• কর্তা কারক: 
- ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে।
- বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক।
- কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।

যেমন -
- আমরা নদীর ঘাট থেকে রিকশা নিয়েছিলাম।
- অনেকগুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিল।

- কর্তা কারকে কখনো কখনো -এ বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন
- পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ।
  2. চরিত্রহীন লোক পশ্বধম।
  3. তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
  4. একের লাঠি দশের বোঝা।
ব্যাখ্যা
• চরিত্রহীন লোক পশ্বধম।- বাক্যটি শুদ্ধ। 

• অন্যদিকে: 
- অশুদ্ধ বাক্য: মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ।
- শুদ্ধ রূপ: মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ!

- অশুদ্ধ বাক্য: তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
- শুদ্ধ রূপ: তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন।  

- অশুদ্ধ বাক্য: একের লাঠি দশের বোঝা। 
- শুদ্ধ রূপ: দশের লাঠি একের বোঝা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. প্রাণি
  2. প্রানি
  3. প্রাণী
  4. প্রানী
ব্যাখ্যা
• 'প্রাণী'- বানানটি শুদ্ধ। 

• কিছু বানানের শুদ্ধরূপ: 
- শিরশ্ছেদ, 
- আকাঙ্ক্ষা, 
- ন্যূনতম,
- অপরাহ্ণ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
১৪.
'পয়জার' শব্দের অর্থ কী?
  1. পায়জামা
  2. চশমা
  3. চাবি
  4. পাদুকা
ব্যাখ্যা
• পয়জার (বিশেষ্য)?:
- ফারসি শব্দ। 

অর্থ: 
- জুতা;
- পাদুকা (সখিনা বিবির পয়জারের বাড়ি আর খেতে পারিনে-জোবেদা; এখনই ঘর থেকে বেরিয়ে যা, নইলে পয়জার দিয়ে তোকে সোজা করব-শাহাদাত হোসেন)।
- পাপোশ।

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ও অভিগম্য অভিধান।