পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) জব সল্যুশন

পরীক্ষাNTRCAতারিখ১ মার্চ, ২০২৪সময়55 minutes৯৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) পরীক্ষা - ২০১৩(স্কুল পর্যায়)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) জব সল্যুশন

NTRCA · ১ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট ?
  1. ক) কথ্য ভাষা
  2. খ) আঞ্চলিক ভাষা
  3. গ) সাধু ভাষা
  4. ঘ) চলিত ভাষা
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা  বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত।
- সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং  চলিত ভাষা সর্বসাধারণের জীবন-ঘনিষ্ঠ। ভাষার এই দ্বিধারিক প্রপঞ্চকে বলা হয় দ্বি-ভাষারীতি।
- সাধু ভাষার বাক্যরীতি অনেকটা সুনির্ধারিত। এ ভাষায়  তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। এতে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ প্রভৃতির রূপ মৌখিক ভাষার রূপ অপেক্ষা পূর্ণতর।
- সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।

অপরদিকে, 
- বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত ভাষারূপ হচ্ছে -চলিতরীতি/চলনরীতি। 
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনের চলিত রীতি পরিবর্তিত রুপ লাভ করে।
- চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে ?
  1. ক) ভারতীয় আর্য
  2. খ) সংস্কৃত
  3. গ) ইন্দো-ইউরোপীয়
  4. ঘ) বঙ্গ-কামরূপী
ব্যাখ্যা
• ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন, ভারতীয় ভাষা থেকেই বৈদিক এবং প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার সৃষ্টি।
- খ্রিষ্টপূর্ব আটশ অব্দে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকেই আদিম প্রাকৃত ভাষার সৃষ্টি।
- আনুমানিক দুইশ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দে এই ভাষা থেকেই গৌড়ীয় প্রাকৃত এবং আনুমানিক চারশ অব্দে গৌড়ী পাকৃত থেকে গৌড়ী অপভ্রংশের সৃষ্টি।
- জর্জ গ্রিয়ারসন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী মনে করেন মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড় অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গকামরূপী ভাষার মাধ্যমে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ভাষা স্বতন্ত্ররূপ পরিগ্রহ করে।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ড্যাশ
  2. খ) কোলন
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) হাইফেন
ব্যাখ্যা
- বিরাম চিহ্ন: বাক্য লেখার সময় যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে লেখক নিজের আনন্দ আবেগ, জিজ্ঞাসা প্রশ্ন ইত্যাদি প্রকাশ করেন এবং যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে ভাব প্রকাশের বিরতি বা সমাপ্তি ‍বুঝিয়ে থাকেন, সেই চিহ্নসমূহকে যতি বা বিরাম চিহ্ন বলে।
- বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ-চিহ্নের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ড্যাশ:
- যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে- ব্যবহৃত হয়-ড্যাশ বিরাম চিহ্ন।
এছাড়াও---
- কোনো কথার উদাহরণ, দৃষ্টান্ত বা বিন্তার বুঝাতে ব্যবহৃত হয়- ড্যাশ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি ভাব-সম্প্রসারণে হুবহু ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয় ?
  1. ক) তথ্য
  2. খ) উপমা
  3. গ) অলঙ্কার
  4. ঘ) মূল ছত্র
ব্যাখ্যা
কোনাে কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে।
- কবিতার বেলায় সেইসব পঙুক্তির ভাব-সম্প্রসারণ দরকার হয়, যেগুলাের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনাে বক্তব্য বা তত্ত্ব থাকে।
- অন্যদিকে গদ্যরচনার সেইসব বাক্য ভাব-সম্প্রসারণের জন্য ঠিক করা হয়, সাধারণত যা প্রবাদ বা প্রবচনের মর্যাদায় উন্নীত।

তাই ভাব-সম্প্রসারণে হুবহু মূল ছত্র ব্যবহার করা উচিত নয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোনটি ভাব-সম্প্রসারণের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) একাধিক অনুচ্ছেদ
  2. খ) বাক্যের পুনরাবৃত্তি
  3. গ) প্রবাদ-প্রবচনের ব্যবহার
  4. ঘ) অভিমত প্রদান
ব্যাখ্যা
• কোনো কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে। 

 ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রাখা প্রয়োজন:

- ভাব-সম্প্রসারণকে প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়: প্রথম অংশে ভাবের অর্থ, দ্বিতীয় অংশে ভাবের ব্যাখ্যা এবং তৃতীয় অংশে ভাবের তাৎপর্য।
- ভাব-সম্প্রসারণের এই অংশগুলোকে আলাদা তিনটি অনুচ্ছেদে উপস্থাপন করা যায়।
- ভাবের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তি দেখাতে হয়, উদাহরণ দিতে হয়, তুলনা করতে হয়।
- ভাব-সম্প্রসারণের বাক্যগুলো যাতে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার।
- প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
- ভাব-সম্প্রসারণে আলাদা কোনো শিরোনামের দরকার হয় না।
- মূল ভাবটি রূপক বা প্রতীকের আড়ালে থাকলে তাকে স্পষ্ট করতে হয়।
- ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে প্রদত্ত অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করতে হয় না।
- কমবেশি ২০০ শব্দ অথবা অনধিক ২০টি বাক্যের মধ্যে ভাব-সম্প্রসারণ সীমিত থাকা উচিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি ?
  1. ক) প্রাঞ্জলতা
  2. খ) সৃজনশীলতা
  3. গ) মননশীলতা
  4. ঘ) ভাষারীতির শুদ্ধতা
ব্যাখ্যা
কোনো কবিতা পদ্য রচনার মূল ভাব বা বক্তব্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করার নাম সারমর্ম বা সারাংশ।
- সারমর্ম এবং সারাংশ যথাসম্ভব সহজ ভাষায় এবং সরল বাক্যে লিখতে হবে। 
- বক্তব্যের বর্ণনায় মূল কথার বাইরে কোনো কথা লিখা যাবে না, বক্তব্যে কোনো প্রকার ছন্দ, অলঙ্কার, উপমা, রূপক, উদ্ধৃতির ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থাৎ, সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক - প্রাঞ্জলতা।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ। 
.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
  1. ক) তিনি স্বস্ত্রীক বিদেশে গিছেন।
  2. খ) শেষের কবিতা’একখানি উৎকৃষ্ট কাব্যগ্রন্থ।
  3. গ) সকল ছাত্রই অমনোযোগী নয়।
  4. ঘ) পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বাক্য - পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি।

অশুদ্ধ কাব্যগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
- তিনি সস্ত্রীক বিদেশে গিছেন।
- শেষের কবিতা’একখানি উৎকৃষ্ট উপন্যাস।
- সকল ছাত্র অমনোযোগী নয়।
.
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে কী বলে ?
  1. ক) চুক্তিপত্র
  2. খ) বায়নানামা
  3. গ) বাণিজ্যিকপত্র
  4. ঘ) দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে দলিলপত্র বলা হয়।

অন্যদিকে,
- চুক্তিপত্র বলতে আমরা বুঝি যে, বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে যদি নানাবিধ শর্তাবলী আরোপিত কোনো কাগজে দুই পক্ষের কোনো সম্মতি স্বরূপ কাজ নিযুক্ত হয় এবং তাতে আর্থিকভাবে লাভবান হবার দুই পক্ষের একটা রূপকাঠি দাঁড়ায় তাহলে সেই লেনদেনের লিখিত রূপই হলো চুক্তিপত্র

- কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান কোনো কিছু ভবিষ্যতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি বা ঐ বস্তুর মূল্য বাবদ আংশিক অর্থপ্রাপ্তির প্রদানের মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে বর্তমানে যে চুক্তি করা হয় তাকে বায়না পত্র বা বায়নানামা বলে।

- লিখিতভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য সংক্রান্ত কোন তথ্য আদান প্রদান করাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে। একটু ব্যাপক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বলতে পারি - দুই বা ততোধিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফরমায়েশ, ক্রয়-বিক্রয়, দেনা-পাওনা, অভিযোগ, আদায়-পরিশোধ ইত্যাদি কারবারি তথ্যগুলো যদি লিখিতভাবে আদান প্রদান করা হয় তবে তাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে।

উৎস: ব্যবসায় যোগাযোগ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
.
’নদের চাঁদ’ বাগধারাটির অর্থ কী ?
  1. ক) অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
  2. খ) অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
  3. গ) অদৃষ্টের পরিহাস
  4. ঘ) বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
’নদের চাঁদ’ বাগধারাটির অর্থ-অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা নিচে দেওয়া হলো:
যেমন:
অদৃষ্টের পরিহাস- ভাগ্যের বিড়ম্বনা।
ইতর বিশেষ-পার্থক্য বা প্রভেদ।
এলাহি কাণ্ড- বিরাট আয়োজন।
কংস মামা- নির্মম আত্মীয়।
গঙ্গা পাওয়া- মারা যাওয়া।
গৌরচন্দ্রিকা- ভূমিকা

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
’পোস্টাল কোড’ কী নির্দেশ করে ?
  1. ক) প্রাপকের এলাকা
  2. খ) ডাক বিভাগের নাম
  3. গ) পোস্ট অফিসের নাম
  4. ঘ) প্রেরকের এলাকা
ব্যাখ্যা
Cambridge Dictionary এর সংজ্ঞা অনুসারে 
Postal Code: a short series of letters and numbers that is part of an address, and shows exactly where a place is.

অর্থাৎ, পোস্টাল কোড একটি এলাকা সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করে যা মূলত প্রাপকের এলাকা নির্দেশ করে।
১১.
উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি ?
  1. ক) মুখচন্দ্র
  2. খ) ক্রোধানল
  3. গ) তুষারশুভ্র
  4. ঘ) মনমাঝি
ব্যাখ্যা
- উপমান কর্মধারয় সমাস : যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু।
- প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার
সঙ্গে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় উপমান।
উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে।
যেমন: ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ = ভ্রমরকৃষ্ণকেশ।
এখানে ভ্রমর উপমান এবং কেশ উপমেয়। কৃষ্ণত্ব হলো সাধারণ ধর্ম। সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশ্রভ্র
অরুণের ন্যায় রাঙা= অরুণরাঙা প্রভৃতি।
উপমান কর্মধারয় সমাসের আরও কয়েকটি উদাহরণ:
নিমতিতা, মিশকালো, বিড়ালতপস্বী, বজ্রকঠোর, ইস্পাতকঠিন, শশব্যস্ত, তুষারশীতল, কুসুমকোমল ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১২.
সমাসের রীতি কোন ভাষা হতে আগত ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) সংস্কৃত
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ইংরেজি
ব্যাখ্যা
সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
- পরস্পর অর্থ সঙ্গতিবিশিষ্ট দুই বা বহুপদের একপদে পরিণত হওয়াকে বলা হয় সমাস।
-সমাসের প্রকারভেদ:
বাংলা ব্যাকরণে সমাস ছয় প্রকার; যথা:
দ্বন্দ্ব সমাস, কর্মধারয় সমাস, তৎপুরুষ সমাস, দ্বিগু সমাস, অব্যয়ীভাব সমাস এবং বহুব্রীহি সমাস।

তথ্যসূত্র: ভাষা শিক্ষা,ড. হায়াত মাহমুদ
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান ?
  1. ক) নুনতম
  2. খ) ন্যুনতম
  3. গ) ন্যূনতম
  4. ঘ) নূন্যতম
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান-ন্যূনতম (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি-প্রত্যয়=ন্যূন+তমট
অর্থ:
সর্বনিম্ন, অল্পতা।

তথ্যসূত্র: আধুনিক বাংলা একাডিমি।
১৪.
সারাংশ লিখনে একাধিক অনুচ্ছেদ থাকা -
  1. ক) অপরিহার্য
  2. খ) বাঞ্ছনীয়
  3. গ) অপ্রয়োজনীয়
  4. ঘ) অসম্ভব
ব্যাখ্যা
• গদ্যরচনার অন্তর্নিহিত বক্তব্যকে সংক্ষেপে লেখার নাম সারাংশ, আর কাব্যভাষায় লেখা কোনো রচনার মূলভাবকে সংক্ষেপে লেখার নাম সারমর্ম।

সারাংশ ও সারমর্ম লেখার কিছু নিয়ম হলো:

ক. প্রদত্ত রচনার বিবরণ ও ভাবকে অনুসরণ করে সারাংশ ও সারমর্ম লিখতে হয়।
খ. অনধিক চার বাক্য বা চল্লিশ শব্দের মধ্যে সারাংশ ও সারমর্ম সীমিত রাখা দরকার।
গ. প্রদত্ত রচনার মূল কথা যাতে সারাংশ ও সারমর্মে বাদ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।
ঘ. সারমর্ম বা সারাংশ লেখার সময়ে উদাহরণ, উদ্ধৃতি, পরিসংখ্যান, তথ্য-উপাত্ত ইত্যাদি পুরোপুরি বাদ দিতে হয়।
ত. সারাংশ ও সারমর্মের ভাষায় কোনো ধরনের কাব্যধর্মিতা রাখা যায় না। ভাষা হতে হয় দ্ব্যর্থহীন ও আবেগবর্জিত।
চ. সারাংশ ও সারমর্মে পুনরাবৃত্তি পুরোপুরি বর্জনীয়।
ছ. সারাংশ বা সারমর্ম লেখার সময়ে নিজস্ব বক্তব্য, মন্তব্য বা মত প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই।


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
কোন ধরনের শব্দে কখনোই মূর্ধণ্য-ণ হবে না ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) বিদেশি
  3. গ) তদ্ভব
  4. ঘ) আঞ্চলিক
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধানঃ
• বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' বসে।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

বিদেশি শব্দে ‘ণ’ ব্যবহার হয় না — সবসময় ‘ন’ হয়। বাংলা ব্যাকরণে মূর্ধণ্য-ণ-এর ব্যবহার শুধুমাত্র তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দেই সীমাবদ্ধ। অন্য ধরনের শব্দে দন্ত্য-ন ব্যবহৃত হয়। নিচে বিস্তারিত:তৎসম (ক):
সংস্কৃত শব্দে মূর্ধণ্য-ণ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: প্রাণ, বাণী, ক্ষণিক।বিদেশি (খ):
বিদেশি শব্দে (ইংরেজি, আরবি, ফারসি ইত্যাদি) ণ ব্যবহার হয় না।
উদাহরণ: টেলিফোন (ফোনে "ন")।
তদ্ভব (গ) -
সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত শব্দে ণ-এর বদলে ন ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: অঘ্রান (সংস্কৃত "অগ্রহায়ণ" থেকে)।আঞ্চলিক (ঘ):
আঞ্চলিক বা কথ্য ভাষার শব্দেও ণ ব্যবহার হয় না।
উদাহরণ: কইন্যা (কন্যা)।সূত্র:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, "মূর্ধণ্য-ণ কেবল তৎসম শব্দেই প্রযোজ্য" (ড. হুমায়ুন আজাদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)।প্রশ্নটি রিয়েল জবের পরীক্ষায় আসছে বিধায় আমরা অধিক প্রচলিত উত্তর (খ) বিদেশি গ্রহণ করেছি।
১৬.
নিচের কোনটি পারিভাষিক শব্দ ?
  1. ক) মসজিদ
  2. খ) কাগজ-পত্র
  3. গ) দর-দালান
  4. ঘ) সমীকরণ
ব্যাখ্যা
'Eqation' শব্দের বাংলা পরিভাষা - সমীকরণ।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণপারিভাষিক শব্দ হলো:
'Invoice' এর বাংলা পারিভাষিক রূপ = চালান, প্রেরিতক-সূচি
'Edition' শব্দের পারিভাষিক অর্থ - সংস্করণ
'Appendix' শব্দের বাংলা পরিভাষা - পরিশিষ্ট
'Memorandum' শব্দের বাংলা পরিভাষা - স্মারকলিপি


উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
১৭.
’বারান্দা’ কোন ভাষা থেকে আগত ?
  1. ক) পর্তুগিজ
  2. খ) ওলন্দাজ
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) ইংরেজি
ব্যাখ্যা
আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী -
• বারান্দা (বিশেষ্য)
শব্দের উৎস - ফারসি শব্দ
অর্থ-ঘরসংলগ্ন ছাদযুক্ত বা ছাদহীন চত্বর, অলিন্দ, দাওয়া।

কিন্তু ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ অনুযায়ী -
• বারান্দা- পর্তুগীজ শব্দ

===========
বাংলা একাডেমী অভিধান অনুসারে,
অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর - ফারসি।

অপশনে ফারসি না থাকায়,
ড. হায়াৎ মামুদ রচিত ভাষা শিক্ষা বই অনুসারে, পর্তুগীজকে সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
১৮.
’পত্র’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী ?
  1. ক) বিনিময়
  2. খ) যোগাযোগ
  3. গ) চিহ্ন বা স্মারক
  4. ঘ) সংযোগ
ব্যাখ্যা
- পত্র (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ
- আভিধানিক অর্থ- চিহ্ন বা স্মারক, চিঠি, লিপি, দলিল ইত্যাদি।
- প্রকৃতি-প্রত্যয়=√পত+ত্র

তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৯.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ নয় ?
  1. ক) সমীচীন
  2. খ) সান্ত্বনা
  3. গ) মুমূর্ষু
  4. ঘ) ফটোষ্ট্যাট
ব্যাখ্যা
ফটোষ্ট্যাট বানানটি ভুল। এটি ইংরেজি শব্দ তাই এর সাথে ‘ষ‘ না হয়ে ‘স‘ হবে এর শুদ্ধ রুপ হবে- ফটোস্ট্যাট
ষ-ত্ব বিধানের নিয়মাবলী:
১। অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন—ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
২। ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন—অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ, প্রতিষেধক, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
৩। ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন—ঋষি, কৃষক।
৪। তৎসম শব্দে ‘র’ এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন—বর্ষা, ঘর্ষণ।
৫। ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যেমন—কষ্ট, কাষ্ঠ।
৬। কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন—ষড়ঋতু,, ভাষা, মানুষ, দ্বেষ, ভূষণ ।
৭। বিদেশি শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন—জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
’পাশ্চাত্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ -
  1. ক) প্রতীচ্য
  2. খ) প্রাচ্য
  3. গ) পশ্চিমা
  4. ঘ) পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
’পাশ্চাত্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ-প্রাচ্য
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
অনুরক্ত- বিরক্ত
অর্বাচীন-প্রাচীন
আসক্ত-বিরক্ত
তস্কর- সাধু
তাপ-শৈত্য
তামসিক- রাজসিক

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
’দর্শক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ -
  1. ক) দ + অক
  2. খ) দৃশ + ষ্ণক
  3. গ) দৃশ + অক
  4. ঘ) দৃ + শক্
ব্যাখ্যা
স্বরবর্ণ পরে থাকলে এ-ধ্বনির জায়গায় অয়্,
ঐ-ধ্বনির জায়গায় আয়,
ও-ধ্বনির জায়গায় অব্ এবং
ঔ- ধ্বনির জায়গায় আব্ হয়।পরবর্তী স্বরধ্বনি বানানে সন্ধিজাত য়্, ব্ কিংবা র্- এর সঙ্গে যুক্ত হয়।
এখানে,
- দৃশ+অক + দর্শক।


উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২.
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ ?
  1. ক) মাথা
  2. খ) ঢেঁকি
  3. গ) ভবন
  4. ঘ) কুচ্ছিত
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়।
এগুলোকে বলে অর্ধ - তৎসম শব্দ।
তৎসম মানে সংস্কৃত আর অর্ধ তৎসম মানে আধা সংস্কৃত।

কুচ্ছিত একটি অর্ধ তৎসম শব্দের উদাহরণ।
এটি মূলত সংস্কৃত কুৎসিত শব্দ থেকে এসেছে।

- জ্যোছনা, চেরাদ্দ, গিন্নী, কুচ্ছিত, বোষ্টম শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ যা এসেছে যথাক্রমে সংস্কৃত শব্দ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, কুৎসিত, বৈষ্ণব থেকে।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি। (২০১৯ সংস্করণ)
২৩.
’অম্বর’ এর প্রতিশব্দ কোনটি ?
  1. ক) পৃথিবী
  2. খ) জল
  3. গ) সমুদ্র
  4. ঘ) আকাশ
ব্যাখ্যা
অম্বর (বিশেষ্য)
সংস্কৃত শব্দ
প্রকৃতি-প্রত্যয়=অম্ব+√রা+অ
- অম্বর হচ্ছে আকাশ শব্দের সমার্থক।
- অম্বর ছাড়াও আকাশের আরো কিছু সমার্থক শব্দ নিচে দেওয়া হলো:
গগন, ব্যোম, অন্তরিক্ষ, শূন্য, দ্যুলোক, ছায়ালোক, অনন্ত, আসমান ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৪.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি ?
  1. ক) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  2. খ) চর্যাপদ
  3. গ) বৈষ্ণব পদাবলী
  4. ঘ) নাথ সাহিত্য
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল/ শ্রেষ্ঠ নিদর্শন - বৈষ্ণব পদাবলি।
• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য/ প্রথম নিদর্শন - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন


» মাহবুবুল আলম রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থে বৈষ্ণব পদাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে -
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম গৌরব বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য। রাধা- কৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে এই অমর কবিতাবলির সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে শ্রীচৈতন্যদের প্রচারিত বৈষ্ণব মতবাদের সম্প্রসারণে এর ব্যাপক বিকাশ।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল বৈষ্ণব পদাবলি।

» একই গ্রন্থে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সম্পর্কে বলা হয়েছে -
বৈষ্ণব মতবাদে গৃহীত রাধাকৃষ্ণের রূপকের বাইরে এ কাব্যের পরিচয়। বৈষ্ণব সাধনা ও ঐতিহ্যের বিরোধী এ কাব্য রুচিহীন গ্রাম্যতা, যৌনকামনা ও মিলনের বর্ণনায় অশ্লীল, সূক্ষ্ম ইন্দ্ৰিয়াতীত অনুভূতির ব্যঞ্জনার অভাব এ কাব্যকে করে তুলেছে বিতর্ক মুখর। তাই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে কাব্যটি অচিরেই ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করে।
পরবর্তী বৈষ্ণব ভাবধারা ও রসপর্যায়ের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আদর্শগত বিরোধ বিদ্যমান থাকায় কাব্যটি লোকসমাজে বিশেষ প্রচলিত ছিল না। ফলে এর ভাষায় পরিবর্তন ঘটতে পারে নি।
কাব্যটির প্রথম ও শেষাংশ খণ্ডিত ছিল বলে কাব্যের নাম ও কবির বিস্তৃত পরিচয় পাওয়া যায় নি। গ্রন্থের ভেতরে কবির ভণিতা থাকলেও কাব্যের নাম নেই।

» 'হুমায়ুন আজাদের ভাষায় - রাধা ও কৃষ্ণকে নিয়ে মধ্যযুগে সবচেয়ে সৌরভময় ফুল ফুটেছিলো৷ সে ফুলের নাম বৈষ্ণব কবিতা। বৈষ্ণব কবিতা বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। একে যদি আলোর সাথে তুলনা করি তাহলে বলবো মধ্যযুগে এমন আলো আর জ্বলে নি।


# তাই উপরোক্ত আলোচনা থেকে  বলা যায় মধ্য যুগের শ্রেষ্ঠ ফসল বা শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যাই বলা হোক না কেন উত্তর হবে - বৈষ্ণব পদাবলি
২৫.
নিচের কোনটি মিশ্র শব্দ ?
  1. ক) বেতার
  2. খ) হাটবাজার
  3. গ) হেড-মাস্টার
  4. ঘ) শাকসবজি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : খ ও ঘ
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

• কোনো কোনো সময় দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদৈত্ব সৃষ্টি হয়।

- ‘শাকসবজি’ একটি মিশ্র শব্দ
• বাংলা ভাষায় শাক শব্দটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ থেকে এসেছে এবং সবজি শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে এসেছে।


- 'হাটবাজার' একটি মিশ্র শব্দ।
হাট শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হট্ট> থেকে উৎপন্ন। অর্থাৎ এটি একটি তদ্ভব শব্দ
আর তদ্ভব শব্দগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ হিসাবে বিবেচিত হয়। অর্থ্যাৎ হাট শব্দটি বাংলা শব্দও বটে।
আবার, বাজার শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

• 'হাটবাজার' শব্দটি তদ্ভব/বাংলা ও ফারসি ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
২৬.
A paragraph must have ______
  1. ক) an object
  2. খ) a single idea or topic
  3. গ) topics
  4. ঘ) more that one para
ব্যাখ্যা
• Paragraph হচ্ছে সাধারণত কিছু বাক্যের একটি সমাহার তা একটি মূল বক্তব্যকে সম্প্রসারিত করে‌।
- একটি paragraph এ একটি মাত্র central idea/a single idea or topic থাকতে হবে।
- একাধিক central idea থাকলে তা কখনোই paragraph হয় না।
২৭.
আমার একটি কম্পিউটার আছে।
  1. ক) I have a computer.
  2. খ) I had a computer.
  3. গ) I has a computer
  4. ঘ) I am a computer.
ব্যাখ্যা
আমার একটি কম্পিউটার আছে - এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হবে - I have a computer.
২৮.
তেল পানিতে ভাসে।
  1. ক) Oil is floating in water
  2. খ) Oil floats over water.
  3. গ) Oil floats on water
  4. ঘ) Oil is floated on water.
ব্যাখ্যা
• তেল পানিতে ভাসে - এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছে - Oil floats on water.
- float অর্থ ভাসা এবং উপরে ভাসে বোঝাতে preposition হিসাবে on বসবে।
২৯.
আমি জানি সে কোথায় বাস করে।
  1. ক) I know where does he lives
  2. খ) I know where he is living.
  3. গ) I know where he live.
  4. ঘ) I know where he lives.
ব্যাখ্যা
• আমি জানি সে কোথায় বাস করে - এর সঠিক translations হচ্ছে - I know where he lives.

- এখানে I know হচ্ছে Principal Clause আর Where he lives হচ্ছে Know এর Object বিধায় Sub-ordinate Clause (Noun Clause).
- Sub-ordinate Clause সর্বদা Assertive Form এ বসে।
- অর্থাৎ Auxiliary Verb – Subject এর আগে বসবে না।
৩০.
ঢাকা কী জন্য বিখ্যাত ?
  1. ক) What is Dhaka famous for ?
  2. খ) Why Dhaka is famous ?
  3. গ) What is famous for ?
  4. ঘ) What for Dhaka is famous ?
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নবোধক বাক্যে subject-এর পূর্বে auxiliary verb বসে।
- তাই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক বাক্যটি হলো: What is Dhaka famous for?
৩১.
চক্ চক্ করলেই সোনা হয় না ।
  1. ক) All that gliter is not gold.
  2. খ) All that gliter is not gold.
  3. গ) All that glitters is not gold.
  4. ঘ) All that gliter is not gold.
ব্যাখ্যা
চক্ চক্ করলেই সোনা হয় না হচ্ছে একটি প্রবাদ প্রবচন। 
- এর সঠিক ইংরেজি proverb হচ্ছে - All that glitters is not gold.
৩২.
ছেলেটি হাড়ে হাড়ে দুষ্ট।
  1. ক) The boy is very wicked
  2. খ) The boy is naughty
  3. গ) The boy is wicked done to bone
  4. ঘ) The boy is wicked to the backbone
ব্যাখ্যা
• ছেলেটি হাড়ে হাড়ে দুষ্ট এর সঠিক ইংরেজি translation হচ্ছে - The boy is wicked to the backbone.
- wicked - পাজি; দুষ্টামিভরা / দুষ্ট।
- to the backbone - হাড়ে হাড়ে।
৩৩.
Faults are thick where love is thin .
  1. ক) ভালোবাসলে ত্রুটি দেখা যায় না।
  2. খ) ত্রুটি ভালোবাসার বিলীন হয়ে যায়।
  3. গ) যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।
  4. ঘ) ত্রুটি ও ভালোবাসা অভিন্ন।
ব্যাখ্যা
Faults are thick where love is thin is a proverb.
অর্থ: যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।

Source: Live MCQ Lecture
৩৪.
Pen through the line.
  1. ক) বাক্যটি কেটে দাও।
  2. খ) শব্দটি কেটে দাও।
  3. গ) ছত্রটি কেটে দাও।
  4. ঘ) ছত্রটি বদলে দাও।
ব্যাখ্যা
• কোন শব্দ বা বাক্য কেটে দেয়া বোঝাতে Pen through ব্যবহার হয়।
- Pen through the word-এর বাংলা হচ্ছে শব্দটি কেটে দাও।
- Pen through the line- ছত্রটি কেটে দাও।
৩৫.
It is a quarter to ten now.
  1. ক) এখন সোয়া দশটা বাজে।
  2. খ) এখন সাড়ে দশটা বাজে।
  3. গ) এখন পৌনে দশটা বাজে।
  4. ঘ) এখন দশটার কাছাকাছি।
ব্যাখ্যা
• ঘড়ির সময় পৌনে বুঝাতে ‘a quarter to’ ব্যবহৃত হয়।
- It is a quarter to ten now. - এখন পৌনে দশটা বাজে।
৩৬.
It is I who am your teacher.
  1. ক) আমি তোমার শিক্ষক।
  2. খ) আমিই তোমার শিক্ষক।
  3. গ) এটি আমি যে তোমার শিক্ষক।
  4. ঘ) এটি আমি যিনি তোমার শিক্ষক।
ব্যাখ্যা
• It is I who am your teacher এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হচ্ছে - আমিই তোমার শিক্ষক।
৩৭.
He is my nephew.
  1. সে আমার চাচি।
  2. সে আমার নতুন পরিচিত।
  3. সে আমার ভাতিজি।
  4. সে আমার ভাতিজা।
ব্যাখ্যা
• He is my nephew বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হচ্ছে - সে আমার ভাতিজা।
- Nephew - ভ্রাতুষ্পুত্র বা ভাগিনেয়/ ভাইয়ের ছেলে।
৩৮.
The sun rises in the east.
  1. ক) সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।
  2. খ) সূর্য পূর্ব দিকে অস্ত যায়।
  3. গ) সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত যায়।
  4. ঘ) সূর্য পূর্ব দিকে উঠছে।
ব্যাখ্যা
• The sun rises in the east - বাক্যটির অর্থ হচ্ছে - সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।।
- Rise - উঠা 
- East - পূর্ব দিক।
৩৯.
I know you. (Complex)
  1. ক) I know what you are.
  2. খ) I know who you are.
  3. গ) I know who are you.
  4. ঘ) I know what are you.
ব্যাখ্যা
• Complex sentence: 
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

• Subject + verb + object - যুক্ত simple sentence কে complex করার জন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে relative pronoun ‘who’ ব্যবহার করে subordinate clause তৈরি করতে হয়।
- সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - I know who you are.
৪০.
I must do this. (Negative)
  1. ক) I cannot but doing this.
  2. খ) I cannot help do this.
  3. গ) I must not do this.
  4. ঘ) I cannot help doing this.
ব্যাখ্যা
• Affirmative sentence এ must থাকলে negative করার সময় must এর পরিবর্তে cannot but/ Cannot help বসে।
- তবে Cannot but এরপর verb এর base form এবং cannot help এরপর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। 
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - I cannot but do this বা I cannot help doing this.
- যেহেতু প্রশ্নে I cannot help doing this রয়েছে তাই এটি সঠিক উত্তর হবে।
৪১.
He is the best boy in the class. (Positive)
  1. ক) He is a good boy in the class.
  2. খ) No other boy is so good as he.
  3. গ) No other boy in the class is as good as he.
  4. ঘ) He is better than any other boy.
ব্যাখ্যা
• One of the ছাড়া শুধু the + Superlative Degree থাকলে – positive degree করার নিয়ম হচ্ছে - 
- No other + Superlative degree এর পরের অংশ + Verb + So + Superlative degree এর Positive form + as + প্রদত্ত Sentence এর Subject
- সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - 
- No other boy in the class is as good as he.
৪২.
He has a cup of tea every day. (Interrogative)
  1. ক) Doesn't he have a cup of tea every day?
  2. খ) Doesn't he has a cup of tea every day?
  3. গ) Has he not have a cup o tea every day?
  4. ঘ) Hasn't the a cup of tea every day ?
ব্যাখ্যা
• Auxiliary verb বিহীন assertive sentence কে Interrogative sentence এ পরিণত করার নিয়ম - 
- প্রথমে don't/doesn't বসে
- প্রদত্ত subject বসে
- মূল verb বসে 
- বাকী অংশ + প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। 
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - Doesn't he have a cup of tea every day?
৪৩.
Would that I could fly in the sky ! (Assertive.)
  1. ক) I could fly in the sky.
  2. খ) I would fly in the sky.
  3. গ) I wish I could fly in the sky.
  4. ঘ) I wish I fly in the sky.
ব্যাখ্যা
Would that দিয়ে শুরু হওয়া exclamatory sentence কে Assertive sentence- এ রূপান্তর করার নিয়ম
- প্রথমে subject বসে 
- এরপর wish 
- would that বাদ যায় এবং এরপরের পুরা অংশ বসে।
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - I wish I could fly in the sky.
৪৪.
The tea is so hot that I cannot drink it. (Simple.)
  1. ক) The tea is too hot to drink it.
  2. খ) The tea is so hot to drink.
  3. গ) The tea is too hot for me to drink.
  4. ঘ) The tea is so hot for me to drink it.
ব্যাখ্যা
- So + adjective + that যুক্ত বাক্যের দুইটি clause এ ভিন্ন ভিন্ন subject থাকলে, simple করার সময় নিম্নোক্ত structure প্রযোজ্য হয় -
- Subject+ ‘to be’verb + too +adjective + for +object ( that এর পরের wordটির objectরূপ) + infinitive (এর পরে আর object হবেনা)
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - The tea is too hot for me to drink.
৪৫.
Noun form of 'Young' is ______
  1. ক) younger
  2. খ) youth
  3. গ) youngest
  4. ঘ) tender
ব্যাখ্যা
• Young (adjective) -  কমবয়সী; স্বল্পবয়স্ক; বৃদ্ধি বা সময়সীমার অগ্রবর্তী নয়; 
- এর Noun form হচ্ছে - youth (তারুণ্য; যৌবন)
৪৬.
Adjective form of 'Miser' is ______
  1. ক) miserly
  2. খ) miser
  3. গ) misery
  4. ঘ) misearly
ব্যাখ্যা
• Miser(noun) কৃপণ; অর্থ -পিশাচ; বখিল; কঞ্জুস।
- এর adjective form হচ্ছে - miserly - ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ।
৪৭.
Every man is potential. Here 'Every' is a/an ____
  1. ক) Noun
  2. খ) adjective
  3. গ) Pronoun
  4. ঘ) adverb
ব্যাখ্যা
• যে Word দ্বারা Noun বা Pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমান ও সংখ্যা বুঝায় তাকে Adjective বলে।
- এখানে 'Every' দ্বারা man এর সংখ্যা বোঝাচ্ছে।
- তাই Every এখানে adjective হবে।
৪৮.
The boy writes well. Here 'well' is a/an -
  1. ক) adjective
  2. খ) adverb
  3. গ) verb
  4. ঘ) noun
ব্যাখ্যা
• Adverb verb কে modify করে।
- উপরের বাক্যে well শব্দটি write verb-টিকে modify করেছে।
- Adverb যখন verb কে modify করে, তখন adverb সাধারণত verb এর পরে বসে৷
৪৯.
Noun form of 'know' is -
  1. ক) knowing
  2. খ) known
  3. গ) knowledge
  4. ঘ) unknown
ব্যাখ্যা
- Knowing এবং known- এই শব্দ দুটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এগুলোকে -ing যোগ করে এবং past participle form-এ এনে noun বানানো হচ্ছে।
- কিন্তু knowledge হল know-এর সবচেয়ে প্রচলিত noun রূপ।
- Oxford, Cambridge বা Merriam-Webster - dictionary এর Entry গুলোতে knowledge শব্দটি সরাসরি Noun হিসেবে অন্তর্ভূক্ত।
তাই, সঠিক উত্তর - Knowledge.
৫০.
'Beauty is truth'. Here ' Beauty' is -
  1. ক) a pronoun
  2. খ) an abstract noun
  3. গ) a common noun
  4. ঘ) a collective noun
ব্যাখ্যা
• 'Beauty is truth'. Here ' Beauty' is - an abstract noun.
- Abstract Noun: 
- যে Noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুনকে নির্দেশ করে, যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না, গন্ধ দ্বারা বা শ্রবন দ্বারা বোঝা যায় না কিন্তু কল্পনা দ্বারা বোঝা যায় তাদেরকে Abstract Noun বলে।
৫১.
A = {1, 2, 3}, B = {2, 3, 7} হলে, A ∩ B = কত ?
  1. ক) {2}
  2. খ) {2, 3}
  3. গ) {1, 2, 3, 7}
  4. ঘ) {3}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {1, 2, 3}, B = {2, 3, 7} হলে, A ∩ B = কত ?

সমাধান: 
A = {1, 2, 3}
B = {2, 3, 7} 

A ∩ B = {1, 2, 3} ∩ {2, 3, 7}  = {2, 3}
৫২.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ r হলে, বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত ?
  1. ক) πr2
  2. খ) πr2π
  3. গ) 2πr
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ r হলে, বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত ?

সমাধান: 
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
৫৩.
ΔABC এর ∠A = 45°, ∠B = 30°, হলে, ∠C  এর মান কত ?
  1. ক) 90°
  2. খ) 100°
  3. গ) 105°
  4. ঘ) 110°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ΔABC এর ∠A = 45°, ∠B = 30°, হলে, ∠C  এর মান কত ?

সমাধান: 
আমরা জানি
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = 180°
ΔABC এ
∠A +  ∠B +  ∠C = 180°
45° + 30° + ∠C = 180°
75° + ∠C = 180°
∠C = 180° - 75°
∠C = 105°
৫৪.
Sin(- θ) = কত ?
  1. ক) - Sinθ
  2. খ) Sinθ
  3. গ) ±Sinθ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Sin(- θ) = কত ?

সমাধান: 
Sin(- θ) = - Sinθ
৫৫.
১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘন্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে ?
  1. ক) ৫ ঘন্টা
  2. খ) ৭.৫ ঘন্টা
  3. গ) ৯ ঘন্টা
  4. ঘ) ৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে ?

সমাধান: 
১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায় 
১ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ × ১৫ ঘণ্টায় 
৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে (৩ × ১৫)/৫ ঘণ্টায়
= ৯ ঘণ্টায়
৫৬.
√3  সংখ্যাটি কোন ধরনের সংখ্যা ?
  1. ক) স্বাভাবিক সংখ্যা
  2. খ) পূর্ণ সংখ্যা
  3. গ) মূলদ সংখ্যা
  4. ঘ) অমূলদ সংখ্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √3 সংখ্যাটি কোন ধরনের সংখ্যা ?

সমাধান: 
যে সংখ্যাকে p/q  আকারে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়।
পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনাে স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা।
যেমন√2 = 1.414213..., √3 = 1.732 ..., √2 = 1.118..., ইত্যাদি অমূলদ সংখ্যা।
কোনাে অমূলদ সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় না।
৫৭.
রম্বসের ক্ষেত্রফল নিচের কোনটি ?
  1. ক) (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
  2. খ) ভূমি × উচ্চতা
  3. গ) (1/2) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
  4. ঘ) দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রম্বসের ক্ষেত্রফল নিচের কোনটি ?

সমাধান: 
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (1/2) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
৫৮.
x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে, xy এর মান কত ?
  1. ক) 60
  2. খ) 140
  3. গ) 35
  4. ঘ) 70
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে, xy এর মান কত ?

সমাধান: 
x + y = 12 
x - y = 2

আমরা জানি 
4xy  = (x + y)2 - (x - y)2
⇒ 4xy = 122 - 22
⇒ 4xy = 144 - 4
⇒ 4xy = 140
⇒ xy = 140/4
⇒ xy = 35
৫৯.
x2  - y2  + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক
  1. ক) x + y + 1
  2. খ) x - y
  3. গ) x + y - 1
  4. ঘ) x - y - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2  - y2  + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক

সমাধান: 
x2 - y2 + 2y - 1
= x2 - (y2 - 2y + 1)
= x2 - (y - 1)2
= {x + (y - 1)}{x - (y - 1)}
= (x + y - 1)(x - y + 1)
৬০.
দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর 199 হলে, বড় সংখ্যাটি কত ?
  1. ক) 70
  2. খ) 80
  3. গ) 90
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর 199 হলে, বড় সংখ্যাটি কত ?

সমাধান: 
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = x 
বড় সংখ্যাটি = x + 1

প্রশ্নমতে,
(x + 1)2 - x2 = 199
⇒ x2 + 2x + 1 - x2 = 199
⇒ 2x = 199 - 1
⇒ x = 198/2 = 99

∴ বড় সংখ্যাটি = 99 + 1 = 100
৬১.
Sinθ = 5/13 হলে, cosecθ = এর মান কত ?
  1. ক) 5/12
  2. খ) 12/5
  3. গ) 13/5
  4. ঘ) 5/13
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Sinθ = 5/13 হলে, cosecθ = এর মান কত ?

সমাধান: 
Sinθ = 5/13
1/Sinθ = 13/5
cosecθ = 13/5
৬২.
এর মান কত ?
  1. ক) 1/2
  2. খ) 1/3
  3. গ) 5
  4. ঘ) 1/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log551/3 এর মান কত ?

সমাধান: 
log551/3
=(1/3)log55
= (1/3) × 1
= ⅓
৬৩.
কোনো সংখ্যার 1/2 অংশের সাথে 6 যোগ করলে সংখ্যাটির 2/3 অংশ হবে। সংখ্যাটি কত ?
  1. ক) 53
  2. খ) 63
  3. গ) 36
  4. ঘ) 35
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সংখ্যার 1/2 অংশের সাথে 6 যোগ করলে সংখ্যাটির 2/3 অংশ হবে। সংখ্যাটি কত ?

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যাটি x

এখন 
(x/2) + 6 = 2x/3
বা, 6 = (2x/3) - (x/2)
বা, 6 = (4x - 3x)/6
বা, 6 = x/6
বা, x = 6 × 6
     x = 36
৬৪.
a + 1/a = 3 হলে a3 + 1/a3 এর মান কত ?
  1. ক) 16
  2. খ) 20
  3. গ) 48
  4. ঘ) 18
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + 1/a = 3 হলে a3 + 1/a3 এর মান কত ?

সমাধান: 
দেয়া আছে 
a + 1/a = 3

এখন 
a3 + 1/a3 = (a + 1/a)3 - 3.a.(1/a)(a + 1/a)
= 33  - 3 × 3 
= 27 - 9
= 18
৬৫.
কোনো ত্রিভুজের দুইটি কোণ 10° এবং 80° হলে ত্রিভুজটি হবে -
  1. ক) স্থুলকোণী
  2. খ) সমকোণী
  3. গ) সূক্ষ্মকোণী
  4. ঘ) সমবাহু ত্রিভুজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ত্রিভুজের দুইটি কোণ 10° এবং 80° হলে ত্রিভুজটি হবে -

সমাধান: 
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি হয় দুই সমকোণ।
ত্রিভুজটির তৃতীয় কোণের পরিমাণ = 180° - (10° + 80°) = 90°,
অর্থাৎ ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভূজ।
৬৬.
1 + 2 + 3 + _______________ + n = কত ?
  1. ক) n(n + 1)/2
  2. খ) n2(n + 1)2 / 4
  3. গ) n2
  4. ঘ) {n(n + 1) (n + 2)}/6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 2 + 3 + _______________ + n = কত ?

সমাধান: 
n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + 1)/2 
1 + 2 + 3 + _______________ + n = n(n + 1)/2
৬৭.
2x + 7  = 4x + 2  হলে, x এর মান কত ?
  1. ক) 0
  2. খ) 2
  3. গ) 3
  4. ঘ) - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  2x + 7 = 4x + 2 হলে, x এর মান কত ?

সমাধান: 
2x + 7 = 4x + 2
2x + 7 = (22)x + 2
2x +  7 = 22x + 4
x + 7 = 2x + 4
2x - x = 7 - 4
x = 3
৬৮.
x : y এর ব্যস্তানুপাত হবে -
  1. ক) y : x
  2. খ) y : 1/x
  3. গ) √x : √y
  4. ঘ) 1/x : 1/y
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x : y এর ব্যস্তানুপাত হবে -

সমাধান : 
সরল অনুপাতের পূর্ব রাশিকে উত্তর রাশি এবং উত্তর রাশিকে পূর্ব রাশি করে প্রাপ্ত অনুপাতকে পূর্বের অনুপাতের ব্যস্ত অনুপাত বলে ।

সুতরাং x : y এর ব্যস্তানুপাত বা বিপরীত অনুপাত হবে = y : x
৬৯.
নিচের কোনটি সঠিক ?
  1. ক) Sec2θ = 1 + tan2θ 
  2. খ) Sec2θ = 1tan2θ
  3. গ) tanθ = cosθ/sinθ
  4. ঘ) Sin2θ - cos2θ = 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সঠিক ?

সমাধান : 
আমরা জানি 
sec2θ - tan2θ = 1
sec2θ = 1 + tan2θ
৭০.
নিচের কোনটি রাশির গড় নির্দেশ করে ?
  1. ক) রাশির সমষ্টি × রাশির সংখ্যা
  2. খ) রাশির সমষ্টি / রাশির সংখ্যা
  3. গ) রাশির সংখ্যা / রাশির সমষ্টি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি রাশির গড় নির্দেশ করে ?

সমাধান : 
রাশির গড় = রাশির সমষ্টি/রাশির সংখ্যা
৭১.
am/n = কত ?
  1. ক) man
  2. খ) nam
  3. গ)
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা
am/n = কত ?

সমাধান : 
am/n =
৭২.
a ≠0 হলে (a -1) -1 এর সঠিক মান কত -
  1. ক) a2
  2. খ) a -1
  3. গ) a -2
  4. ঘ) a
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a ≠0 হলে (a -1) -1 এর সঠিক মান কত -

সমাধান : 
 (a -1) -1 = (1/a)- 1 = 1/(1/a) = 1 × a/1 = a
৭৩.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২ বার ঘোরে। চাকাটি পাঁচ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘোরে ?
  1. ক) ৩৬০°
  2. খ) ৩০০°
  3. গ) ১৮০°
  4. ঘ) ৩০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২ বার ঘোরে। চাকাটি পাঁচ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘোরে ?

সমাধান : 
সমাধান: 
চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে  ১২ বার 
চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে  ১২/৬০ বার 
 চাকাটি ৫ সেকেন্ডে ঘুরে  ১২ × ৫/৬০ বার 
= ১ বার 

চাকাটি ১ বার ঘুরে অতিক্রম করে ৩৬০°
৭৪.
১৪৪ কোন সংখ্যার ৪০% ?
  1. ক) ৩৫০
  2. খ) ২৬০
  3. গ) ৩৬০
  4. ঘ) ৩৭০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৪৪ কোন সংখ্যার ৪০% ?

সমাধান : 
মনেকরি 
সংখ্যাটি = ক 
এখন 
ক এর ৪০% = ১৪৪
৪০ক/১০০ = ১৪৪
৪০ক = ১৪৪ × ১০০
ক = (১৪৪ × ১০০)/৪০
ক = ৩৬০
৭৫.
শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে ১ বছরের সুদ আসলের ১/৫ অংশ হবে ?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ২০%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে ১ বছরের সুদ আসলের ১/৫ অংশ হবে ?

সমাধান : 
আসল P = ৫ক  টাকা,
সুদ I = ৫ক এর ১/৫ = ক টাকা
সময় n = ১ বছর,
মুনাফার হার r = ?

আমরা জানি 
I = Pnr
বা, r = I/Pn
বা, r = {ক/(৫ক × ১)} × ১০০%
বা, r = ২০%
৭৬.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা কোনটি ?
  1. ক) তেঁতুলিয়া
  2. খ) পাটগ্রাম
  3. গ) হালুয়াঘাট
  4. ঘ) তাহিরপুর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৭৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি ?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ভুটান
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) সেনেগাল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।

প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

সূত্রঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।
৭৮.
তামাবিল কোথায় অবস্থিত ?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমামত্মবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী বাজার।

সূত্র: সিলেট জেলার ওয়েবসাইট
৭৯.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ বাক্য কে পাঠ করান?
  1. ক) এম হোসেন আলী
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আল স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। উল্লেখ্য, শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন - আব্দুল মান্নান এম.এন.এ।
এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৮০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল ?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১২ টি
  4. ঘ) ১৩ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি
৮১.
‘লেডি উইথ দি ল্যাম্প’ কার উপাধি ?
  1. ক) সরোজিনী নাইডু
  2. খ) ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল
  3. গ) মাদার তেরেসা
  4. ঘ) যামিনী রায়
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে 'লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প' বলা হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি জড়িত। যুদ্ধটি ১৮৫৩ সালের অক্টোবর মাসে থেকে ১৮৫৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি.কম
৮২.
জাতিসংঘের উদ্যোগে কবে থেকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় ?
  1. ক) ১৯৯০ সাল
  2. খ) ১৯৯১ সাল
  3. গ) ১৯৯২ সাল
  4. ঘ) ১৯৯৩ সাল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ১৯৭৩ সাল।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

১৯৭২ সালে ৫ জুন জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭৩ সাল থেকে ৫ জুনকে প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস: 
- ৫ জুন : বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন - বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর : বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ : বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল : বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
- ১১ জুলাই : বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কে ?
  1. ক) কামরুল হাসান
  2. খ) মূর্তজা বশীর
  3. গ) কাইয়ুম চৌধুরী
  4. ঘ) রফিকুন্নবী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি রয়েছে তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৪.
ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম কী ?
  1. ক) সিসমোগ্রাফ
  2. খ) ক্রেসকোগ্রাফ
  3. গ) ক্রোনোমিটার
  4. ঘ) ফ্যাদোমিটার
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ। 
• ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র - রিখটার স্কেল। 

উল্লেখ্য,
- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটাই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- সিসমােগ্রাফ ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।
- অপরদিকে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলের মাধ্যমে।
-------------
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- ক্রোনোমিটার (Chronometer) - সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৫.
একজন সাধারণ মানুষের দেহে কত টুকরা হাড় থাকে ?
  1. ক) ২০৫
  2. খ) ২০৬
  3. গ) ২০৭
  4. ঘ) ২০৮
ব্যাখ্যা
অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।

- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৮৬.
মৌমাছি পালন সম্পর্কিত বিদ্যা কোনটি ?
  1. ক) এপিকালচার
  2. খ) সেরিকালচার
  3. গ) পিসিকালচার
  4. ঘ) হরটিকালচার
ব্যাখ্যা
- মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে।
প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি নিয়ে মৌচাকের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পালন করাই হলো মৌমাছি চাষ।

রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার;
মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার।
মৌমাছির চাষ - এপিকালচার,
রেশমের চাষ - সেরিকালচার,
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার,
পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার,
সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার।

[সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
৮৭.
পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কোনটি ?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) নাইট্রাস গ্যাস
ব্যাখ্যা
- যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ বলা হয়।
- গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী হলো কার্বন-ডাই-অক্সাইড

এছাড়া অন্যান্য গ্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- মিথেন
- জলীয়বাষ্প
- নাইট্রাস অক্সাইড
- ওজোন
- হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাস প্রভৃতি।

- এসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৮৮.
কোনো দেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য মোট ভূমির শতকরা কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন ?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৩৫
  4. ঘ) ৪০
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
তবে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
কোন উপাদানের ঘাটতি থেকে ডায়বেটিস রোগ হয়?
  1. ক) হিমোগ্লোবিন
  2. খ) বিলিরুবিন
  3. গ) ইনসুলিন
  4. ঘ) গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
- বহুমূত্র রোগ, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯০.
ভূমিকম্পের দেশ কোনটি ?
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) থাইল্যান্ড
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের দেশ বলা হয় জাপানকে।
- অবস্থান ও গঠনগত কারণে পৃথিবীর সর্বত্র ভূমিকম্পের প্রবণতা সমান নয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বাহিরের দিকের সীমানা বরাবর অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা সর্বাধিক।
- এ অঞ্চলে অবস্থিত জাপান, চিলি, ফিলিপাইন, আলাস্কা, অ্যালিউশান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি সর্বাধিক ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা।

(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯১.
কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিশ্বাস নেয় ?
  1. ক) হাঙর
  2. খ) শুশুক
  3. গ) জেলি ফিস
  4. ঘ) পটকা মাছ
ব্যাখ্যা
ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে।
পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই।

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 
- This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

Source: uk.whales.org
৯২.
কোন ডালের সঙ্গে ল্যাথারিজম রোগের সম্পর্ক আছে ?
  1. ক) মসুর
  2. খ) খেসারি
  3. গ) ছোলা
  4. ঘ) মুগ
ব্যাখ্যা
অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। 

- বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে।
- এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।
- পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি।
- ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে  পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে।
- মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে।
- Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৯৩.
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি ?
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
এগুলো হলো -
১. শর্করা,
২. আমিষ,
৩. ভিটামিন,
৪. খনিজ লবণ,
৫. চর্বি ও
৬. পানি।

সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪.
নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানবদেহের কোন অঙ্গ ?
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) যকৃৎ
  3. গ) পিওথলি
  4. ঘ) হৃৎপিন্ড
ব্যাখ্যা
• নিউমোনিয়া ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগের নাম।
• অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে।
• নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ।
• এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে।

তথ্যসূত্র:- সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা কোনটি ?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস।
সম্ভবত প্রচলিত উত্তর লৌহ। কিন্তু, লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
যেহেতু, প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। পাশপাশি সকল তথ্য দেয়া হল।
----------
লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷



যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।

উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি
৯৬.
টেলিফোনের জনক কে ?
  1. ক) আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল
  2. খ) মার্টিন কুপার
  3. গ) হাওয়ার্ড আইকেন
  4. ঘ) টমাস আলভা এডিসন
ব্যাখ্যা
- আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন ও মাইক্রোফোন আবিষ্কার করেন।
- টমাস আলফা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।
- হাওয়ার্ড আইকেন কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- মার্টিন কুপার সেলুলার মোবাইল ফোন আবিষ্কার করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৯৭.
বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার সীমানায় নদীর নাম কী ?
  1. ক) সাংগু নদী
  2. খ) শংখ নদী
  3. গ) নাফ নদী
  4. ঘ) মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা
নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার।
এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
উৎপত্তিস্থল থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।

উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।
৯৮.
মানুষের মধ্যে ক্রোমোজমের সংখ্যা কত ?
  1. ক) ২২ জোড়া
  2. খ) ২৩ জোড়া
  3. গ) ২৪ জোড়া
  4. ঘ) ২৫ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৯৯.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থা কোনটি ?
  1. ক) ইউসেফ
  2. খ) ইউনেস্কো
  3. গ) আঙ্কটাড
  4. ঘ) ইউএনডিপি
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০০.
কোন ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয় ?
  1. ক) ভিটামিন-এ
  2. খ) ভিটামিন-বি
  3. গ) ভিটামিন-সি
  4. ঘ) ভিটামিন-ডি
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।

অন্যদিকে,
- ভিটামিন-বি১ (B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
- ভিটামিন-সি (C) এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়;
- ভিটামিন-ডি (D) এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।