পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
Part 1: English Literature Topics: 1. Periods of English Literature (Names and Time Period only) 2. Anglo-Saxon Period and Middle English Period. 3. Rennaissance Period [Elizabethan Period, Jacobean Period, Caroline Age, Commonwealth Period] [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] i) Important Writers: Geoffrey Chaucer, William Shakespeare, University Wits (Christopher Marlowe, Robert Greene, Thomas Nashe, Thomas Lodge, George Peele, John Lyly, Thomas Kyd), Ben Johnson, Metaphysical poet (John Donne, Henry Vaughan, Andrew Marvell, John Cleveland, Edmund Spenser, Sir Philip Sidney, Francis Bacon, Thomas Hobbes. ii) Other Writers: Thomas Moore, John Wycliffe, Sir Thomas Malory, Cavalier Poets (Richard Lovelace, Sir John Suckling, Robert Herrick, Thomas Carew), Nicholas Udall, Thomas Norton, Thomas Sackville, Caedmon, Cynewulf, Roger Bacon, William Langland, Alfred the Great, Venerable Bede, John Webster, Cyril Tourneur, Henry Vaughan, Jeremy Taylor. উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ইংরেজি সাহিত্যের উপর যেকোনো স্কলারের লেখা বই (যেমন - ইংরাজি সাহিত্যের ইতিহাস: শীতল ঘোষ), যেকোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] -------------------- পার্ট – ২: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
Find the odd man out.
  1. ক) Thomas Kyd
  2. খ) Christopher Marlowe
  3. গ) John Lyly
  4. ঘ) Jonathon Swift
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি মূলত University Wits এবং Period এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। 
- সে অনুযায়ী সঠিক উত্তর হচ্ছে - Joseph Addison
- Jonathon Swift হচ্ছেন The Neo- Classical Period তথা The Augustan age এর সাহিত্যিক।
- ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.

অন্যদিকে, 
• University Wits
- A group of young dramatists who wrote and performed in London towards the end of the 16th century.
- তাঁদের কে university wits বলা হত কারণ তাঁরা সকলেই Cambridge or Oxford university এর witty and talented শিক্ষার্থী ছিলেন। 
- University Wits রা হচ্ছেন - 
- Christopher Marlow
- Thomas Kyd 
- Robert Greene
- George Peele
- John Lyly 
- Thomas Lodge
• এরা সবাই The Renaissance Period তথা Elizabethan Age এর সাহিত্যিক।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
.
Find the odd man out.
  1. ক) Andrew Marvell
  2. খ) Henry Vaughan
  3. গ) John Donne
  4. ঘ) Ben Jonson
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লেখিত, John Donne, Andrew Marvell, এবং Henry Vaughan এই তিনজন হচ্ছেন English Literature এর বিখ্যাত Metaphysical Poets. 
- কিন্তু Ben Jonson, Metaphysical poet নন। তাই সঠিক উত্তর হবে - Ben Jonson.
-Metaphysical poet, any of the poets in 17th-century England who inclined to the personal and intellectual complexity and concentration that is displayed in the poetry of John Donne, the chief of the Metaphysicals.
- Others include Henry Vaughan, Andrew Marvell, John Cleveland, and Abraham Cowley as well as, to a lesser extent, George Herbert and Richard Crashaw.

অন্যদিকে,
Ben Jonson (1572-1637):
English Stuart dramatist, lyric poet, and literary critic.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
.
'The Seafarer' and 'The Wanderer' are the remarkable literary works of -
  1. ক) The Old English Period
  2. খ) The Middle English Period
  3. গ) Elizabethan Period
  4. ঘ) Jacobean Period
ব্যাখ্যা
• 'The Seafarer' and 'The Wandered' are the remarkable literary works of - The Old English Period.
The Old English Period started in 450 and ended in 1066 with the Norman Conquest.

• এই যুগের অন্যতম সাহিত্যকর্ম গুলো হচ্ছে - 
- The Seafarer
- The Husband's Message
- The Wife's Lament
- The Wanderer

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
.
Which of the following is the first English tragedy?
  1. ক) Beowulf
  2. খ) The wife's Lament
  3. গ) The Seafarer
  4. ঘ) Gorboduc
ব্যাখ্যা
• Gorboduc is the first English tragedy.
- It is written by Thomas Norton and Thomas Sackville.
- it takes as its subject Gorboduc, a mythical king of ancient Britain.
-It was first performed in 1561, it is the earliest English tragic play in blank verse.

Source: Britannica.
.
কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের আবহাওয়ার সামগ্রিক গড় অবস্থা -
  1. ক) বারিপাত
  2. খ) বায়ুর আর্দ্রতা
  3. গ) বারিপাত
  4. ঘ) জলবায়ু
ব্যাখ্যা
• আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি উপাদানের গড় অবস্থা অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমন্ডলের উপাদানসমূহের গড় অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া।

জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের আবহাওয়ার সামগ্রিক গড় অবস্থা।
- সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির উদারহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) ভবনধ্বস
  2. খ) রাসায়নিক বিস্ফোরণ
  3. গ) নিপাহ ভাইরাস
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ অবক্ষয়ের দরুন বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বিশ্ববাসী।বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের দুর্যোগ ও দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা হয়েছে। যথা- প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ, মানব সৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ এবং জৈবিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ (Natural Disaster Risk Environment): বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির মধ্যে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, ভূমিধস, ভূমিকম্প ও বজ্রপাত প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 

• মানব সৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি (Human made Disaster Risk): বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পে প্রায় দুর্ঘটনা হয়। ২০১৯ সালে ঢাকায় চকবাজার এলাকায় রাসায়নিক বিস্ফোরণে ৭০ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৯ সালে সারাদেশে ভবনধ্বসে ২৬ জন মানুষ মারা যায়।

• জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকি (Biological Disaster): সম্প্রতির কোভিড-১৯ সহ বিগত বছরগুলোতে যেমন ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৭ সালে ব্রার্ড ফ্লু, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্ভূক্ত । এছাড়াও ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু নিপাহ, জিকা ভাইরাসের আক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্গত।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আইসোহাইট কী?
  1. ক) ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
  2. খ) সমুদ্রের সম লবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানের সংযোগকারী রেখা
  3. গ) ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
  4. ঘ) ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
ব্যাখ্যা
• আইসোহাইট: ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
• আইসোহেলাইন: সমুদ্রের সম লবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানের সংযোগকারী রেখা।
• আইসোথার্ম: ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা। 
• আইসোবার: ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা। 

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে কোন ধরনের বন্যা দেখা যায়?
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) উপকূলীয় বন্যা
  3. গ) বৃষ্টিজনিত বন্যা
  4. ঘ) নদীসৃষ্ট বন্যা
ব্যাখ্যা
• উপকূলীয় বন্যা (Coastal Flood ):
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূল রেখা প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সংলগ্ন এলাকাতে উপকূলীয় বন্যা দেখা যায়।
- বঙ্গোপসাগরের অগভীর মহাসোপান, বঙ্গোপসাগরে পূর্ব অংশের ফানেল ও মোচাকৃতির উপকূল রেখার কারণে ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছাসের উচ্চতা (সর্বোচ্চ ১০-১৫ মিটার) অধিক হওয়ার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা হয়।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায ভয়াবহ বন্যা হয় ।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বন্যাকালীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিচের কোনটি?
  1. ক) গাছ লাগানো
  2. খ) টিউবওয়েল স্থাপন করা
  3. গ) আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া
  4. ঘ) আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা
ব্যাখ্যা
বন্যা পূর্ব ব্যবস্থাপনা (Pre- Flood Management): 
ক. বনায়ন (Forestation): বিশেষ করে বন্যা প্রবণ এলাকায় বাড়ির চারপাশে কড়ই গাছসহ অন্যান্য গাছ লাগানো যেতে পারে।
খ. বসত বাটি (Settlement): বন্যা প্রবণ এলাকায় ঘরের মেঝে উঁচু করা, সম্ভব হলে ইট সিমেন্ট এর পাকা ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে। 
গ. বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য (Pure Water and Food): বন্যার পানিতে টিউবওয়েল যাতে না ডুবে এমন স্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করা উচিত। বন্যার সময় বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, গুড় প্রভৃতি শুকনো খাবার মজুদ রাখতে হবে। নিরাপদ স্থানে ফসলের বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।
ঘ. সম্পদ (Property): গবাদি পশু, মূল্যবান সম্পদ বন্যার পূর্বে মূল্যবান স্থানে সরিয়ে রাখতে হবে।
ঙ. আশ্রয়কেন্দ্র (Shelter): বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবর্তী মহিলা এবং মেয়েদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

বন্যাকালীন ব্যবস্থাপনা (During Flood Management): 
ক. আশ্রয় (Shelter): বন্যার সময় নিকটস্থ উঁচু স্থান, বাঁধে অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হবে। 
খ. বিশুদ্ধ পানি (Pure Water): পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বা ফিটকিরি বা ফুটিয়ে অথবা টিউবওয়েলের পানি পান করতে হবে।
গ. সুরক্ষা (Safety): কার্বলিক এসিড মিশ্রিত সাবান টুকরা ঘরের চারকোণে রাখলে সাপ ঢুকবে না।
ঘ. ত্রাণ (Relief): সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ত্রাণসামগ্রী যা পাওয়া যায় তা দিয়ে অভাব মিটাতে হবে এবং ত্রাণ প্রদানকারীদের সহায়তা প্রদান করতে হবে।

বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনা (Post Flood Management): বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনাসমূহ নিম্নরূপ:
ক. বন্যার পরপরই পানি বাহিত বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন টাইফয়েড, ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে তাই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা দেওয়া যেতে পারে।
খ. বন্যার পানি সরে যাওয়ার সাথে সাথে নিজের বসতবাটিতে ফিরে যেতে হবে এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য করতে হবে বা পূনঃনির্মাণ করা যাবে।
গ. স্বল্প সময়ে উৎপাদন যোগ্য ফসল চাষ, বাড়িতে শাক সবজি ফলানো, পুকুর ডোবায় মাছ সংগ্রহ অর্থাৎ জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে।
 
সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা কী নামে পরিচিত?
  1. ক) শিশিরাঙ্ক
  2. খ) আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  3. গ) তুল্য আর্দ্রতা
  4. ঘ) কুয়াশা
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ পদ্ধতি: বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য সংখ্যাতাত্ত্বিক মানে প্রকাশের ক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতি উলে-খয্যেগ্য। এগুলো হলো-

• আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative Humidity):
- নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প উপস্থিত থাকে তার পরিমাণকে বলা হয় বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা দ্বারা বায়ুর চাপ বা তাপমাত্রার কোনো তারতম্য ঘটে না বরং তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতাও বাড়তে থাকে।
- এ কারণেই আপেক্ষিক আর্দ্রতার মান জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া সাপেক্ষে তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে বৃদ্ধি পায়।
- সাধারণত বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প উপস্থিত থাকে তার মান গ্রাম/কিলোগ্রামে প্রকাশ করা যায়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এই মান একক আয়তনের বায়ুর মধ্যে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণকে বুঝায়।
- যেমন- এক কিলোগ্রাম বায়ুতে এক গ্রাম জলীয়বাষ্প আছে ।

• তুল্য আর্দ্রতা (Absolute Humidity):
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগ্রাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে ঐ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।

 • তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক (Dew Point) বলে।
- শিশিরাঙ্কের চেয়ে কম তাপমাত্রার বায়ুস্থ জলীয়বাষ্প শিশির (Dew) হিসেবে জমে যেতে পারে।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
জলীয়বাষ্প যখন বায়ুস্তরের ভাসমান ধূলিকণাকে আশ্রয় করে ঘনীভূত হয়ে ধোঁয়ার আকারে ভাসতে থাকে তখন তাকে কী বলে?
  1. ক) শিশিরাংক
  2. খ) বায়ুর আর্দ্রতা
  3. গ) বায়ুর প্রবাহ
  4. ঘ) কুয়াশা
ব্যাখ্যা
• কুয়াশা: জলীয়বাষ্প যখন বায়ুস্তরের ভাসমান ধূলিকণাকে আশ্রয় করে ঘনীভূত হয়ে ধোঁয়ার আকারে ভাসতে থাকে তখন তাকে কুয়াশা বলে।

• কুয়াশার বৈশিষ্ট্য: বায়ুর তাপমাত্রা শিশিরাংকের নিচে নেমে গেলে কুয়াশা সৃষ্টি হয়। বায়ুমন্ডলের বিকিরণ, তাপ পরিবহন এবং শীতল ও উষ্ণ বায়ুর সংমিশ্রণের ফলে কুয়াশা সৃষ্টি হয়। কুয়াশা মানবজীবনে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রকার প্রভাব বিস্তার করে । যেমন-

১। সামুদ্রিক জাহাজ, উড়োজাহাজ, সড়কপথে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়।
২। কুয়াশার জলকণা ভূ-পৃষ্ঠের বিকীর্ণ তাপকে শোষণ করে বায়ুকে উষ্ণ রাখে। তবে শীতপ্রধান দেশে কুয়াশা জন্য শস্যের ক্ষতি হয়।
৩। কুয়াশা ঘন হয়ে ইলশেগুড়ির মত জলকণা বর্ষণ হলে তাকে বলা হয় কুঞ্জঝটিকা।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. ক) ২০২০-২০২৫
  2. খ) ২০২১-২০২৫
  3. গ) ২০২২-২০২৬
  4. ঘ) ২০২৩-২০২৭
ব্যাখ্যা
• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনপিডিএম) ২০২১-২০২৫ (National Plan for Disaster Management, NPDM,2021-2025) দুর্যোগ বিষয়ক বাংলাদেশের ভিশন, মিশন এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পদ্ধতির দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনার এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পরিচালিত কৌশলগত পরিকল্পনা।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
উঁচু মেঘের উচ্চতা সাধারণত কত মিটার উচ্চতায় উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ১,০০০ মিটার হতে ২,০০০ মিটার
  2. খ) ২,০০০ মিটার হতে ৪,০০০ মিটার
  3. গ) ৪,০০০ মিটার হতে ৬,০০০ মিটার
  4. ঘ) ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• বায়ুতে ভাসমান জলীয়বাষ্প কোনো কারণে শীতল হলে অতিক্ষুদ্র পানিকণা ও তুষার কণায় পরিণত হয়ে বায়ুমন্ডলের সূক্ষ্ম ধূলিকণায় আশ্রয় নিয়ে ভেসে বেড়ায় । বাতাসে ভাসমান এরূপ ছোট ছোট পানিকণা বা তুষারকণাকে মেঘ বলে।

মেঘের প্রকারভেদ (Types of Couds): উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা—
ক. উঁচু মেঘ (High Cloud): উঁচু মেঘের উচ্চতা সাধারণত ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার ।
খ. মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium High Cloud): এ মেঘ ২,০০০ হতে মিটার ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় উৎপন্ন হয়।
গ. নিচু আকাশের মেঘ (Low Cloud): ভূ-পৃষ্ঠের নিকটবর্তী অঞ্চলে ২,০০০ মিটারের মধ্যে এ জাতীয় মেঘ গঠিত হয়। এটি অপেক্ষাকৃত ভারী বলে আকাশের নিচে ভেসে বেড়ায়।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
'সেন্দাই ডিক্লারেশন' ঘোষণা করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়ায়
  2. খ) মঙ্গোলিয়ায়
  3. গ) জাপানে
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়ায়
ব্যাখ্যা
• The Sendai Framework for Disaster Risk Reduction (2015 - 30): 
- ১৪ - ১৮ মার্চ ২০১৫ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের 'দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসবিষয়ক' আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত একটি উদ্যোগ।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য 'সেন্দাই ডিক্লারেশন' ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরবর্তী দশ বছরের জন্য এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো তাদের ঝুঁকি নিরসন কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা করবে, এটাই প্রত্যাশা।

সূত্র: UN এর ওয়েবসাইট।
১৫.
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয় কোথায়?
  1. ক) সিলেট এলাকায়
  2. খ) নেত্রকোণায়
  3. গ) বরেন্দ্র অঞ্চলে
  4. ঘ) উপকূলীয় জেলায়
ব্যাখ্যা
• শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত (Orogaphic Rainfall):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- তবে পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠায় ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না। এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain-Shadow Region)।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নিচের কোনটি?
  1. ক) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. খ) মধ্যাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প (Earthquake): বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-গাঠনিক কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এদেশ। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এগুলো হলো-
- রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭ হলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ,
- মাত্রা ৬ হলে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং
- মাত্রা ৫ হলে কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।

• দেশের কোন অঞ্চল কোন মাত্রার ভূমিকম্প ঝুঁকির অন্তর্ভুক্ত তা নিম্নে দেখানো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের মধ্যাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) টাইফুন
  2. খ) সাইক্লোন
  3. গ) উইলি উইলিছ
  4. ঘ) হারিকেন
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
- সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত। যেমন-
- চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন,
- ভারত মহাসাগরে সাইক্লোন,
- ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই,
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলিছ,
- ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয়।

• উৎপত্ত:
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড় (Anti-cyclone)।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- আমাদের দেশে প্রায় প্রতি বছর সাধারণত মার্চ ও নভেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
BCCTF এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Bangladesh Climatology Change Trust Fund
  2. খ) Bangladesh Climatology Change Trust Foundation
  3. গ) Bangladesh Climate Change Trust Fund
  4. ঘ) Bangladesh Climate Change Trust Foundation
ব্যাখ্যা
• BCCTF এর পূর্ণরূপ Bangladesh Climate Change Trust Fund
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF): সরকার ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড আইন কার্যকর করে এবং এর আগে ২০০৯ সালে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড নীতিমালা তৈরি করে। এই ট্রাস্টের আওতায় অন্যতম বিবেচ্য বিষয় হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমন এবং স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
বিশুদ্ধ ও শুষ্ক বায়ুর প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
বায়ুর উপাদানের শতকরা হার

⇒ নাইট্রোজেন - ৭৮.০২
⇒ অক্সিজেন - ২০.৭১
⇒ কার্বন ডাই-অক্সাইড - ০.০৩
⇒ অন্যান্য গ্যাসমূহ  - ০.০২
(ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম ও ক্রিপটন)
⇒ জলীয়বাষ্প - ০.৪১
⇒ ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে কবে?
  1. ক) ২০০০ সালে
  2. খ) ২০০১ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
• পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ: সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে ২০০২ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা শহরে এবং একই সালের মার্চ থেকে সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। পরিবেশ অধিদপ্তর নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ যাতে ব্যবহার হতে না পারে সে লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। পাশাপাশি সরকার জনগণকেও সচেতন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১.
নিচের কোনটি ট্রপোমন্ডলে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ঝড়
  2. খ) মেঘ
  3. গ) বৃষ্টি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল:
- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪০ সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না।
- ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
Space Research and Remote Sensing Organisation (SPARRSO) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের
  2. খ) দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের
  3. গ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
  4. ঘ) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের
ব্যাখ্যা
• SPARRSO (স্পারসো) এর পূর্ণরূপ- Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)। এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে এবং এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

উৎস: স্পারসোর ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশের খরা প্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. গ) দক্ষিন-পূর্ব অঞ্চল
  4. ঘ) দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে খরার প্রবণতা বেশি। যেমন দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ।
২৪.
উভয় গোলার্ধে ২৩.৫ থেকে ৬৬.৫ অক্ষাংশ পর্যন্ত অবস্থিত অঞ্চলের জলবায়ু কী নামে পরিচিত?
  1. ক) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু
  2. খ) উষ্ণ জলবায়ু
  3. গ) নিরক্ষীয় জলবায়ু
  4. ঘ) মৌসুমী জলবায়ু
ব্যাখ্যা
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল: 
- পৃথিবীর যেসব এলাকায় খুব বেশী শীত বা গরম আবহাওয়া থাকে না তাকে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল বলে।
- উভয় গোলার্ধে ২৩.৫ থেকে ৬৬.৫ অক্ষাংশ পর্যন্ত এ অঞ্চল অবস্থিত।
- এই নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের এক পার্শ্বে উষ্ণ মন্ডল এবং অপর পার্শ্বে হিম মন্ডল অবস্থিত।
- এই উভয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রভাব নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ভেতর কিছুটা বিদ্যমান রয়েছে।

সূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট -
  1. ক) Climate Vulnerable Fund
  2. খ) Green Climate Fund
  3. গ) Climate Vulnerable Forum
  4. ঘ) Climate Vulnerable Organization
ব্যাখ্যা
Climate Vulnerable Forum হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট।
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে এই জোট গঠিত হয়।
- এই জোটের ২০২০-২০২২ মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা CVF জোটের বর্তমান সভাপতি।

সূত্র: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট।
২৬.
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় -
  1. ক) অয়ন বায়ু
  2. খ) মৌসুমী বায়ু
  3. গ) পশ্চিমা বায়ু
  4. ঘ) নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
• মৌসুমী জলবায়ু: মৌসুম একটি আরবী শব্দ যার অর্থ ঋতু। সুতরাং ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে। আর এই মৌসুমী বায়ু যে অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল বলে ।

• মৌসুমী বায়ুর উৎপত্তি:
- স্থলভাগ ও জলভাগের তাপমাত্রার তারতম্যের কারনে মৌসুমী বায়ুর সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমী বায়ু এক এক ঋতুতে এক এক দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিন-পূর্ব মৌসুমী বায়ু সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এর প্রভাবে স্থলভাগে বৃষ্টিপাত হয়।
- আবার শীতকালে দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয় যা শুষ্ক থাকে এবং এই শুস্ক বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়।

• মৌসুমী বায়ুর অবস্থান: প্রধানত ১৫° হতে ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল অবস্থিত। অর্থাৎ মহাদেশের পূর্বাঞ্চলসমূহ তথা কর্কটক্রান্তি ও মকর ক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।

সূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে কত সালে?
  1. ক) ২০১২ সালে
  2. খ) ২০১৩ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ইটভাটার দূষণ নিয়ন্ত্রণ: ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইটভাটা গড়ে উঠেছে। এসব ইটভাটা যাতে পরিবেশ দূষণ ঘটাতে না পারে সেজন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। কেননা ইটভাটায় সৃষ্ট ধোঁয়া বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ। সনাতন পদ্ধতিতে ইটভাটার পরিবর্তে জ্বালানি সাশ্রয়ী, বায়ুদূষণ রোধে কার্যকরি ও আধুনিক প্রযুক্তির ইটভাটা স্থাপন নিশ্চিত করার জন্য ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩ প্রণয়ন করা হয়েছে।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।