পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
"Exam - 103 Bangla: Topic: ধ্বনি, শব্দ, ধ্বনি পরিবর্তন, শব্দের উচ্চারণ, লিঙ্গ, দ্বিরুক্ত শব্দ, যুক্তবর্ণ।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'এ' বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ ঘটেছে কোন শব্দে?
  1. দেশ
  2. এলাে
  3. খেলা
  4. কেটলি
ব্যাখ্যা
• 'এ' বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ ঘটেছে - খেলা [খ্যালা]

'এ' বর্ণের উচ্চারণ:

এ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [এ] এবং [অ্যা]।
- সাধারণ উচ্চারণ [এ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে এ কখনাে কখনাে [অ্যা] উচ্চারিত হয়।

এ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: একটি [একটি], দেশ [দেশ], এলাে [এলাে], কেটলি [কেট্লি‌]।

এ বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ: একটা [অ্যাক্টা], বেলা [ব্যালা], খেলা [খ্যালা]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি উচ্চারণস্থান অনুসারে কণ্ঠৌষ্ঠ্য বর্ণ?
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণস্থান অনুসারে বর্ণের নাম:

কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ: - অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ।
কণ্ঠৌষ্ঠ্য বর্ণ: - ও,
তালব্য বর্ণ: - ই, ঈ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, য়, শ।
উ, উ, প, ফ, ব, ভ, ম: - উ, উ, প, ফ, ব, ভ, ম।
মূর্ধন্য বর্ণ: - ঋ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, র, ড়, ঢ়, য।

উৎস: বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'ঞ্ছ' যুক্ত বর্ণে কোন দুটি বর্ণ রয়েছে?
  1. ঞ্ + চ
  2. ঙ্ + ছ
  3. ছ্ + ঙ
  4. ঞ্ + ছ
ব্যাখ্যা
• একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
যেমন:
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো:
- ঞ্ + জ = ঞ্জ,
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ,
- হ্ + ম = হ্ম,
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম,
- ষ্ + ণ = ষ্ণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
.
কোনটি মূর্ধন্য ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
ব্যাখ্যা
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, , ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
→ তালব্য ব্যঞ্জন - চ, ছ, জ, ঝ, তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
→ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন - '' কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
→ দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন - ন, র, , স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
"শৃগাল" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. শ্রীগাল্‌
  2. শৃগাল
  3. সৃগাল্‌
  4. শ্রিগাল
ব্যাখ্যা
• 'শৃগাল' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ - শৃগাল [সৃগাল্‌]

শ, ষ, স এর উচ্চারণ:
- শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

উদাহরণ:
- শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
- শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক্‌], শৃগাল [সৃগাল্‌]
- ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
- স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্‌নো] ।
- স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১) ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
’শিশু' শব্দটি কোন লিঙ্গের দৃষ্টান্ত?
  1. পুংলিঙ্গ
  2. উভয় লিঙ্গ
  3. ক্লীব লিঙ্গ
  4. স্ত্রীলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• উভয়লিঙ্গবাচক শব্দ - শিশু।

লিঙ্গ:

লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ। তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
লিঙ্গ চার প্রকার।
যথা :
১. পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ।
যেমন: বাবা, ছেলে, বিদ্বান, সুন্দর।

২. স্ত্রীলিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ।
যেমন: মা, মেয়ে, বিদুষী, সুন্দরী।

৩. উভয়লিঙ্গবাচক শব্দ।
যেমন: মানুষ, গরু, শিশু, সন্তান, বাঙালি।

৪. ক্লীবলিঙ্গ বা অলিঙ্গবাচক শব্দ।
যেমন: বই, খাতা, চেয়ার, টেবিল।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'ঙ্গ' যুক্তবর্ণে কোন দুটি বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
  1. ঘ + ঙ্‌
  2. গ + ঙ্‌
  3. ঙ্‌ + গ
  4. ঙ্‌ + ঘ
ব্যাখ্যা
• 'ঙ্ + গ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে - ঙ্গ

• একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয় ।
- যুক্ত হওয়া বর্ণ গুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো যায় না।
- যুক্তবর্ণ দুই রকমের হয়, - স্বচ্ছ, অস্বচ্ছ।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:
- ন্ + ধ = ন্ধ,
- হ্ + উ = হু,
- হ্ + ঋ = হৃ,
- হ্ + ন = হ্ন,
- হ্ + ম = হ্ম,
- ণ্ + ড = ণ্ড ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি যোগরূঢ় শব্দ নয়?
  1. বহুব্রীহি
  2. জলদ
  3. অসুখ
  4. বাবুয়ানা
ব্যাখ্যা
যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাস নিষ্পন্ন যেসকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে বিশিষ্ট কোন অর্থ গ্রহণ করে তাকে যোগরূঢ় বলে।
যেমন:
- পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, আদিত্য, জলদ, দশানন, বহুব্রীহি, অসুখ
 
অন্যদিকে,
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন -
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা - অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকৃতি কোনটি?
  1. গুনগুন
  2. কুট কুট
  3. গর গর
  4. ঘচঘচ
ব্যাখ্যা
জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকৃতি:
ঘেউ ঘেউ: কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করে চিৎকার করছে।
মিউ মিউ: বিড়ালটি মিউ মিউ করে ডেকে কোলে এসে বসল।
কুহু কুহু: বসন্তে কোকিল ডেকে ওঠে কুহু কুহু রবে।
কা কা: কাকগুলো একসাথে কা কা করে ডেকে উঠল।
গর গর: তখন বাঘটি রাগে গর গর করতে লাগল

অন্যদিকে,
বস্তুর ধ্বনির অনুকৃতি:
ঘচঘচ: কৃষকেরা ঘচঘচ করে ধান কেটে চলেছে।

অনুভূতির কাল্পনিক অনুকৃতি: 
কুট কুট: মশা কুট কুট করে কামড়াচ্ছে।

মানুষের ধ্বনির অনুকৃতি:
গুনগুন: মেয়েটি গুনগুন করে গান গাইছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১০.
কোনটি অভিশ্রুতির ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়?
  1. শুনিয়া > শুনে
  2. বলিয়া > বলে
  3. হাটুয়া > হাউটা
  4. ফাল্গুন > ফাগুন
ব্যাখ্যা
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- 'ফাল্গুন > ফাগুন' অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
"আ" প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. অরণ্যানী
  2. চাকরানি
  3. ঠাকুরানি
  4. মাননীয়া
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে '-আ' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
যেমন:
→ প্রিয়-প্রিয়া,
→ প্রবীণ-প্রবীণা,
→ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা,
মাননীয়-মাননীয়া,
→ শিষ্য-শিষ্যা,
→ সরল-সরলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
শব্দের শেষে '-আনি'/ 'আনী' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- চাকর-চাকরানি, 
- ঠাকুর- ঠাকুরানি, 
- অরণ্য- অরণ্যানী। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১২.
ট-বর্গীয় ধ্বনি নয় কোনটি?
ব্যাখ্যা
• ট-বর্গীয় ধ্বনি নয় -

• বাংলা বর্ণমালায় (ক - ম) পর্যন্ত এই ২৫টি বর্ণকে একত্রে স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়।

এরমধ্যে,
ক - বর্গীয় (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) - এই ৫টি কণ্ঠ ধ্বনি,
চ - বর্গীয় (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) - ৫টি তালব্য ধ্বনি,
ট - বর্গীয়( ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) - এই ৫টি মূর্ধন্য ধ্বনি,
ত - বর্গীয় (ত, থ, দ, ধ, ) - পাঁচটি দন্ত ধ্বনি এবং
প - বর্গীয় (প, ফ, ব, ভ, ম) - এই ৫টি ওষ্ঠ্য ধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
"কামারনী" কী প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ই-প্রত্যয়
  2. আনী-প্রত্যয়
  3. ঈ-প্রত্যয়
  4. নী-প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে '-নি,-নী' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
যেমন:
→ কামার-কামারনী,
→ কুমার-কুমারনী,
→ জেলে-জেলেনি,
→ ধোপা-ধোপানি ইত্যাদি।

লিঙ্গ:
- ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ চিহ্ন।
- এটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর ব্যুৎপত্তি হলো লিঙ্গ+অ = লিঙ্গ।
- লিঙ্গ শব্দের ভিন্ন অর্থ থাকলেও ব্যাকরণে এটি শব্দের শ্রেণীবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যে সকল শব্দ দ্বারা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের মধ্যে পুরুষ, স্ত্রী বা ভিন্ন জাতি বোঝায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
কোনটি তদ্ভব শব্দ?
  1. বেহালা
  2. রোকড়
  3. কারিগর
  4. মুচলেকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল - 'কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?' 
প্রশ্নের অপশনে কোনো তদ্ভব শব্দ নেই। 
প্রশ্নে ভুল থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
=================== 

• 'বেহালা'
- শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত।
- এটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- ছড় দিয়ে বাজানো হয় এমন চারটি তারের বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।

অন্যদিকে,
- 'কারিগর' ফারসি ভাষার শব্দ।
- 'রোকড়' হিন্দি ভাষার শব্দ।
- 'মুচলেকা' তুর্কি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫.
'কিছু > কিচ্ছু' এটি কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. সমীভবন
  2. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  3. অভিশ্রুতি
  4. দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
- কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- পাকা > পাক্কা,
- সকাল > সক্কাল,
তেমনিভাবে,
- বড় > বড্ড,
- কিছু > কিচ্ছু ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সমীভবন:
- শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
- জন্ম > জম্ম।

ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দ-মধ্যে কোনাে কোনাে সময় কোনাে ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
- একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন:
- কবাট > কপাট।

অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন
- শুনিয়া > শুনে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।