পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: ১. আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংগঠন ইত্যাদি, ২. মহাদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশের সাধারণ তথ্য (রাজধানী, মুদ্রা ইত্যাদি), ৩. গুরুত্বপূর্ণ দেশ ও বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক, ৪. সুশাসন। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
IMF-এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ডমিনিক স্ট্রস-কান
  2. ক্রিস্টিন লাগার্ড
  3. রদ্রিগো রাটো
  4. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

⇒ IMF-এর কাজ:
- অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা: IMF এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
- যখন কোনো দেশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে, তখন IMF সেই দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে ঋণ প্রদান করে। 
- IMF সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতি বিশ্লেষণ করে তাদের উন্নয়নের জন্য পরামর্শ দেয়। 
- IMF বিশ্ব অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, এবং অন্যান্য আর্থিক বিষয়ে গবেষণা করে। তারা এসব তথ্য দেশগুলোকে প্রদান করে, যাতে দেশগুলি তাদের অর্থনৈতিক নীতিমালা সঠিকভাবে তৈরি করতে পারে।
- IMF সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মুদ্রা বিনিময়ের সম্পর্ক সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। তারা মুদ্রার মানের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আরও সহজ হয়।
- IMF সদস্য দেশগুলোকে সংকটকালীন সময়ে অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (SDR) প্রদান করে, যা আন্তর্জাতিক লেনদেনে ব্যবহৃত হতে পারে।
- প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতা বৃদ্ধি: IMF সদস্য দেশগুলোর সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অর্থনৈতিক নীতিমালা এবং অর্থনৈতিক পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

.
আরব লীগের বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৭টি
  2. ১১টি
  3. ২২টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২টি
ব্যাখ্যা

আরব লীগ:
- আরব লীগ (Arab League) হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক এবং রাজনৈতিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: আরব দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, ঐক্য এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- আরব লীগের সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৭টি (মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২২টি (কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস, সোমালিয়া)।
- ১৯৪৪ সালে আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল গৃহীত হওয়ার পর ২২ মার্চ, ১৯৪৫ সালে কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- বর্তমান মহাসচিব: মিশরের আহমেদ আবুল ঘেইত।

⇒ মে, ২০২৫ সালে ৩৪তম আরব লীগ শীর্ষ সম্মেলন ইরাকের বাগদাদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাগদাদে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সিরিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শিবানি।

উৎস: Arab League ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কত সালে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

স্থলসীমান্ত চুক্তি:
⇒ ১৯৭৪ সাল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপদখলীয় ভূমি ও ছিটমহল সমস্যা সমাধানে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- চুক্তি অনুযায়ী, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়।

⇒ ১৯৯২ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের সরকার বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে, দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে ব্যবহারের সুযোগ পায় বাংলাদেশিরা।

⇒ ২০১১ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় তিন বিঘা করিডর বাংলাদেশিদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ও তাৎক্ষণিকভাবে তা কার্যকরের ঘোষণা দেন।
- ওই সফরেই ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করে।

⇒ ২০১৫ সাল:
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা ৫ মে, ২০১৫ স্থলসীমান্ত চুক্তি ও এর প্রটোকল বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন বিল অনুমোদন করে।
- ৬ মে ২০১৫ তা ভারতের রাজ্য সভায় এবং ৭ মে, ২০১৫ লোকসভায় পাশ হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা।

.
নেপালে কত সালে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়?
  1. ২০০৫ সালে 
  2. ২০০৬ সালে 
  3. ২০০৭ সালে 
  4. ২০০৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে 
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- নেপালের আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (উচ্চকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্নকক্ষের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ)।

উল্লেখ্য, 
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

⇒ ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.

.
নিম্নের কোন শহরটি দুইটি মহাদেশে অবস্থিত?
  1. কায়রো
  2. মস্কো
  3. ইস্তাম্বুল
  4. বার্লিন
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা

ইস্তাম্বুল:
- তুরস্কের বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুল।
- এটি দুইটি মহাদেশে অবস্থিত। 
- তুরস্কের ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উৎস: Britannica.

.
‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার’ লক্ষ্য নিয়ে কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়। ব্যক্তি-পর্যায়ে এর অর্থ হল কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা। এই দলিলটিতে শুদ্ধাচারের এই অর্থই গ্রহণ করা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এ কৌশলের মূল লক্ষ্য হল শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- এ কৌশলে রাষ্ট্র ও সমাজে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা সরকারের সাংবিধানিক ও আইনগত স্থায়ী দায়িত্ব; সুতরাং সরকারকে অব্যাহতভাবে এই লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে মর্মে উল্লেখ আছে।

উল্লেখ্য,
- রূপকল্প: সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা।
- অভিলক্ষ্য:  রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
- গ্রহণকারী: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ শুদ্ধাচার:
- শুদ্ধাচারের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা দূর করা যায়।
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে বোঝায়।
- ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচারের অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
- রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো নাগরিক।
- নাগরিকগণ রাষ্ট্রের সকল কাজের অংশীদার।
- তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে নাগরিকদের শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে।
- শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা পেলে দুর্নীতি হ্রাস, জনগণ অন্যায় কর্ম থেকে বিরত থাকবে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রিক অনাচার দূর হবে।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

.
চিলির রাজধানী কোনটি?
  1. সান্টিয়াগো
  2. হাভানা
  3. বুয়েনোস আইরেস
  4. মন্টেভিডিও
সঠিক উত্তর:
সান্টিয়াগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান্টিয়াগো
ব্যাখ্যা

চিলি:
- লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি দেশ।
- দেশটির পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আর্জেন্টিনা, উত্তরে পেরু, দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিকা। 
- চিলি স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল। ১৮১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশটি স্পেনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হয়।
- চিলির: সান্টিয়াগো।
- মুদ্রা: পেসো।

উল্লেখ্য, 
- চিলিকে 'কবিদের দেশ' বা 'land of poets' বলা হয়।

অন্যদিকে,
- হাভানা কিউবার রাজধানী।
- বুয়েনোস আইরেস আর্জেন্টিনার রাজধানী।
- মন্টেভিডিও উরুগুয়ের রাজধানী

উৎস: Britannica.

.
বাংলাদেশের সাথে কোন দেশের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. কসভো
  2. মিয়ানমার
  3. ইসরাইল
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ১৯৭৫ সালের ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এরপর পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ক্রমশ দৃঢ় হয়েছে। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক প্রতিটি ক্ষেত্রেই সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। 

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, দুই রাষ্ট্র বিভিন্ন কূটনৈতিক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চালচলন করেছে, তা সত্ত্বেও, সহযোগিতা সবসময়ই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০১৭ সালে প্রতিবেশী রাখাইন রাজ্য থেকে সামরিক দমন-পীড়নের শুরুতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের পলায়ন বাংলাদেশের সম্পদের উপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক ইতিহাসে জনসংখ্যার বৃহত্তম দেশত্যাগের একটি সহ্য করেও বাংলাদেশের নীতি তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক উন্নীত করার লক্ষ্যে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বহুমুখী সহযোগিতার সুযোগ দেয়। 

বাংলাদেশ ও কসোভোর কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- ২০১৮ সালে ইউরোপের দেশ কসোভোর সাথে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ১০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে। উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০১৭ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ কসোভোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ এবং ইসরায়েলের মাঝে কোন ধরনের কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই।

উৎস: প্রথম আলো।

.
OPEC গঠনের প্রস্তাবক দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরাক
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

OPEC:
- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।

উল্লেখ্য,
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

⇒ ১৯৬৫ সালের পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উৎস: i) OPEC ওয়েবসাইট।
ii) History.com

১০.
নিম্নের কোনটি রাজধানী শহর নয়?
  1. উলানবাটোর
  2. ইস্তাম্বুল
  3. আবুজা
  4. বৈরুত
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা

• মঙ্গোলিয়া:
- পূর্ব এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ মঙ্গোলিয়া।
- এর উত্তরে রাশিয়া এবং দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমে চীন অবস্থিত। 
- রাজধানী: উলানবাটোর।
- মুদ্রা: টোগ্রোগ।

• নাইজেরিয়া:
- নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এর পশ্চিমে বেনিন, পূর্বে চাদ ও ক্যামেরুন, উত্তরে নাইজার এবং দক্ষিণে গিনি উপসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: আবুজা।
- বৃহত্তম শহর: লেগোস।
- মুদ্রা: নাইজেরিয়ান নাইরা।

• লেবানন
- লেবানন এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র।
- ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ। 
- রাজধানী: বৈরুত।
- মুদ্রা: পাউন্ড।

অন্যদিকে,
- ইস্তাম্বুল তুরস্কের রাজধানী নয়। তুরস্কের রাজধানী হলো আনকারা।

উৎস: Britannica.

১১.
মালদ্বীপের প্রধান ভাষা কী?
  1. দিভেহী
  2. দারি
  3. আমহারি
  4. লাও
সঠিক উত্তর:
দিভেহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিভেহী
ব্যাখ্যা

মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই মালদ্বীপ ব্রিটিশদের কাছ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৬৮ সালে ‘সালাতানাতে মালদ্বীপ’ থেকে ‘রিপাবলিক মালদ্বীপে’ পরিণত হয়।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.

১২.
WTO প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে GATT-এর কোন আলোচনার রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে?
  1. টোকিও রাউন্ড
  2. দোহা রাউন্ড
  3. উরুগুয়ে রাউন্ড
  4. মারাকেশ রাউন্ড
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে রাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে রাউন্ড
ব্যাখ্যা

উরুগুয়ে রাউন্ড (Uruguay Round):
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- উরুগুয়ে রাউন্ডের সংলাপ ৮ বছর ধরে চলেছিল।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি হয় GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে World Trade Organization (WTO) -এর জন্ম হয়।

• WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
উল্লেখ্য,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (WTO) হলো একমাত্র আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যের নিয়ম নিয়ে কাজ করে। এর কেন্দ্রস্থলে WTO চুক্তি রয়েছে। এই চুক্তিটি আলোচনার মাধ্যমে বিশ্বের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী দেশগুলোর দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় এবং তাদের সংসদে অনুমোদিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বৈদেশিক বাণিজ্য যতটা সম্ভব সাবলীল ও অবাধে করা যায়।
- General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর মাধ্যমে GATT-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

১৩.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় কী?
  1. সরকারের হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি
  2. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
  3. রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে বেশ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু সরকারকেই সচেষ্ট হতে হবে তা নয়। এজন্য নাগরিকেরও অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
- কেননা কর্তব্যবিমুখ জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারেনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

⇒ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের সরকারের করণীয়:
- সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ।
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান।
- দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা।
- জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন।
- দক্ষ ও কার্যকর সরকার।
- জনসম্মতি।
- সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
- স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা।
- একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।
- অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।
- দক্ষ জনশক্তি।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
- শক্তিশালী স্থানীয় সরকার।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৪.
নিম্নের কোন দেশটি ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করে না?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. স্লোভেনিয়া
  4. আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

অন্যদিকে,
- ডেনমার্কের মুদ্রা ড্যানিশ ক্রোনা।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

১৫.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- মে ২০১৮ থেকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ১৯টি ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারের একটি সিরিজ তৈরি করেছে (নীচে উপলব্ধ) এবং একটি সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ঋণ, সংগ্রহ, পরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোর সাথে BRI-এর লিঙ্কগুলির স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রদান করে।

⇒ BRI এর মূল লক্ষ্য হলো চীন ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
- প্রকল্পের উদ্দেশ্য বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি সাধনের চেষ্টা করা।
- প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে করার পরিকল্পনা আছে।

উল্লেখ্য,
- বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ চীনের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে।
- বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডর (বিসিআইএম) এবং “বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ” (বিআরআই)-এর আওতায় চীন বাংলাদেশের ৩০টিরও বেশি প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এই বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেলওয়ে, বন্দর সম্প্রসারণ ও টেলিকম অবকাঠামো।
- পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক থেকে শুরু করে পায়রা বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আশপাশের উন্নয়ন, কিংবা এক্সপ্রেসওয়ে—সবখানেই রয়েছে চীনা কোম্পানির হাত রয়েছে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

১৬.
SAARC কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. কাঠমান্ডু
  2. নয়াদিল্লি
  3. ঢাকা
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ SAARC-এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- তিনি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সার্কের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়াও, Q. A. M. A. Rahim সার্কের ৭ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ থেকে ২য় মহাসচিব।

⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

১৭.
'রিগা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লাটভিয়া
  3. রোমানিয়া
  4. বলিভিয়া
সঠিক উত্তর:
লাটভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাটভিয়া
ব্যাখ্যা

লাটভিয়া:
- লাটভিয়া উত্তর ইউরোপের দেশ।
- দেশটির পশ্চিমে বাল্টিক সাগর, উত্তরে এস্তোনিয়া, দক্ষিণে লিথুয়ানিয়া এবং পূর্বে রাশিয়া অবস্থিত।
- রাজধানী: রিগা।
- মুদ্রা: ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পুনঃযাত্রা করে।
- দেশটি ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নে যোগ দেয়।

অন্যদিকে, 
- এস্তোনিয়ার রাজধানী তলিন। 
- রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্ট।
- বলিভিয়ার সাংবিধানিক রাজধানী সুক্রে এবং প্রশাসনিক রাজধানী লা পাজ।

উৎস: Britannica.

১৮.
'APEC' কোন অঞ্চলের বাণিজ্যিক জোট?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
  2. পূর্ব ইউরোপ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা

APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

⇒ প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বব হক APEC -এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

⇒ ১৯৮৯ সালের ৩১ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বব হক কোরিয়ার সিউলে একটি বক্তৃতার সময়  APEC-এর প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন।
- ১৯৮৯ সালের নভেম্বরে, ১২টি দেশ মিলে এপেক প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল: অস্ট্রেলিয়া; ব্রুনাই দারুসসালাম; কানাডা; ইন্দোনেশিয়া; জাপান; দক্ষিণ কোরিয়া; মালয়েশিয়া; নিউজিল্যান্ড; ফিলিপাইন; সিঙ্গাপুর; থাইল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এপেকের মূল লক্ষ্য ছিল এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং মুক্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা।
- এই অঞ্চলটি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২১টি দেশের মধ্যে বিস্তৃত হয়েছে।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।

১৯.
বিশ্বব্যাংক কোন দেশকে প্রথম ঋণ প্রদান করে?
  1. পোল্যান্ড
  2. ফ্রান্স 
  3. চিলি 
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স 
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৮৯টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গ।
- বিশ্বব্যাংক-এর উদ্দেশ্য: মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।

⇒ বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।
- বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জন ম্যাকক্লয় অন্য দুইটি ঋণ আবেদনকারী দেশ পোল্যান্ড ও চিলির চেয়ে ফ্রান্সকে বেশি সক্ষম মনে করেছিলেন। ফ্রান্স যে পরিমাণ অর্থের আবেদন করেছিল, তার অর্ধেক (২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রদান করা হয়েছিল; তাও কঠিন শর্তের অধীনে। শর্ত ছিল ঋণ পরিশোধকালে দেশটি অন্য যেকোন ঋণদাতার চেয়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণ পরিশোধে অগ্রাধিকার দেবে। এছাড়া দেশটির তৎকালীন বাজেটে ব্যাপক কাটছাঁট করতে হয়েছিল।
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল কঠোর নজরদারীর মধ্যে ফ্রান্সের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ অবলোকন করছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দেশটি বিশ্বব্যাংকের শর্তসমূহ সঠিকভাবে পালন করছে কিনা। এছাড়া ঋণ অনুমোদনের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ফরাসি সরকারকে আদেশ দিয়েছিল যে সরকারে যেসব কমিউনিস্ট সদস্য রয়েছে তাদের সবার আগে বিদায় করতে হবে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

২০.
ভুটানের মুদ্রার নাম কী?
  1. ডালাসি
  2. রিংগিট
  3. গুলট্রাম
  4. রুপি
সঠিক উত্তর:
গুলট্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুলট্রাম
ব্যাখ্যা

ভুটান:
- ভুটান দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ।
- এটি হিমালয়ের পূর্ব শৃঙ্গে অবস্থিত। 
- চীন ও ভারতের মাঝামাঝি ভুটান অবস্থিত।
- ‘ড্রাক ইয়ুল’ বা ‘বজ্র ড্রাগনের দেশ’ নামে পরিচিত দেশটি।
- ভুটানের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।
- রাজধানী: থিম্পু।
- ভাষা: দোজংখা।
- ভুটানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
- রাজা: জিগমে খেসার নামগিয়াল ওয়াংচুক।
- মুদ্রা: গুলট্রাম।

অন্যদিকে,
- ডালাসি গাম্বিয়ার মুদ্রা। 
- রিংগিট মালয়েশিয়ার মুদ্রা।

উৎস:  Britannica.

২১.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশের সাথে TICFA চুক্তি স্বাক্ষর করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

TICFA চুক্তি:
- TICFA-এর পূর্ণরূপ: Trade and Investment Cooperation Forum Agreement.
- টিকফা হলো যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি।
- এটি একটি কৌশলগত কাঠামো যা উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্য, শ্রম, এবং মেধা সম্পদসহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি ফোরাম তৈরি করা হয়েছে। 
-  টিকফা-এর পূর্বের নাম ছিল 'টিফা' (Trade and Investment Framework Agreement)। 

⇒ TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য:
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।

উৎস: U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)

২২.
International Committee of the Red Cross-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. রোম, ইতালি
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- Red Cross-এর প্রতীক হলো সাদা পটভূমিতে লাল ক্রস, যা মানবিক সহায়তার প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
- হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে Red Cross প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি সোলফেরিনোর যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করে মানবিক সহায়তার জন্য এই সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেন। ১৮৫৯ সালে ইতালির সোলফেরিনোর যুদ্ধে আহত সৈন্যদের দুর্দশা দেখে হেনরি ডুনান্ট Red Cross গঠনের প্রেরণা পান।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।

২৩.
নিউজিল্যান্ডের নারীরা কত সালে ভোটাধিকার লাভ করেন?
  1. ১৮৮৮ সালে
  2. ১৮৯০ সালে
  3. ১৮৯২ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

⇒ নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ–পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন।
- নিউজিল্যান্ডের আদি অধিবাসী জাতির নাম মাওরি।
- নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ইংল্যান্ডের ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কিউই পাখি নিউজিল্যান্ডের একটি জাতীয় প্রতীক।
- নিউজিল্যান্ডের অধিবাসীদেরকেও মাঝে মাঝে 'কিউই' নামে ডাকা হয়।
- নিউজিল্যান্ড মুদ্রার নাম হলো নিউজিল্যান্ড ডলার।

উৎস: Britannica.