পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes১০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৯: রিভিশন পরীক্ষা [১২ থেকে ১৮ পর্যন্ত পরীক্ষার সকল টপিকসমূহ] [লাইভ ক্লাস - ২৩ থেকে ৩৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
চলো কোথাও ঘুরে আসি। এখানে 'কোথাও' কোন ধরনের সর্বনাম পদ?
  1. ক) ব্যক্তিবাচক সর্বনাম
  2. খ) আত্মবাচক সর্বনাম
  3. গ) অনির্দিষ্ট সর্বনাম
  4. ঘ) নির্দেশক সর্বনাম
ব্যাখ্যা
চলো কোথাও ঘুরে আসি। এখানে 'কোথাও' অনির্দিষ্ট সর্বনাম পদ। 

অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম: 
যে সর্বনাম দ্বারা অনির্দিষ্ট ও পরিচয়হীন কোনো কিছুকে বুঝায় তাকে অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম বলে।
- এ ধরনের সর্বনাম হলো : কোথাও, কেউ, কেউ; কিছু, কিছু, একজন ইত্যাদি। 

ব্যক্তিবাচক সর্বনাম:
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে।
এই সর্বনাম তিন ধরনের। যথা -
- বক্তা পক্ষের সর্বনাম: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যদি।
- শ্রোতা পক্ষের সর্বনাম: তুমি, তােমরা, তুই, তােরা, আপনি, আপনারা, তােমাকে, তােকে, আপনাকে ইত্যাদি।
- অন্য পক্ষের সর্বনাম: সে, তারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি। 

আত্মবাচক সর্বনাম:
কর্তা নিজেই কোনাে কাজ করেছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বােঝানাের জন্য এ ধরনের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন – নিজে (সে নিজে অঙ্কটা করছে), স্বয়ং ইত্যাদি।

নির্দেশক সর্বনাম:
যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন – নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি; দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)
.
নিচের কোনটি সকর্মক ক্রিয়া?
  1. ক) আমি খাই।
  2. খ) সে ঘুমায়।
  3. গ) সে ফুটবল খেলে।
  4. ঘ) কামাল পড়ছে।
ব্যাখ্যা
সে ফুটবল খেলে- সকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ। 
এখানে ক্রিয়ার সাথে 'কী' বা 'কাকে প্রশ্ন' করলে উত্তর পাওয়া যায়, তাই ক্রিয়ার কর্মপদ আছে। 

সকর্মক ক্রিয়া
- যে ক্রিয়ার কর্মপদ আছে তাই সকর্মক ক্রিয়া।
- ক্রিয়ার সাথে 'কী' বা 'কাকে প্রশ্ন' করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই ক্রিয়ার কর্মপদ। 
- কর্মপদযুক্ত ক্রিয়াই সর্কমক ক্রিয়া। 

অকর্মক ক্রিয়া
যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম নেই, তা অকর্মক ক্রিয়া। 
যেমন: সে রোজ সেখানে যায়। 
কী ‘যায়’ বা ‘কাকে যায়’ প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর হয় না। কাজেই ‘যায়’ ক্রিয়াটি অকর্মক ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
.
জ্বালা ! তোমাকে নিয়ে আর পারিনা !- কী ধরনের আবেগ?
  1. ক) প্রশংসা আবেগ
  2. খ) সিদ্ধান্ত আবেগ
  3. গ) আতঙ্ক আবেগ
  4. ঘ) বিরক্তি আবেগ
ব্যাখ্যা
জ্বালা ! তোমাকে নিয়ে আর পারিনা !- এখানে বিরক্তি আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। 

আবেগ:
মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ শব্দ বলা হয়।
এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন – ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

নিচে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো।
সিদ্ধান্ত আবেগ:
এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয় ।
যেমন -
- হ্যাঁ, আমাদের জিততেই হবে।
- বেশ, তবে যাওয়াই যাক ।

বিরক্তি আবেগ:
এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন –
- ছি ছি! এরকম কথা তার মুখে মানায় না।
- জ্বালা! তোমাকে নিয়ে আর পারি না!

আতঙ্ক আবেগ:
এ ধরনের আবেগ-শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশ করে।
যেমন –
- উহ্, কী বিপদে পড়া গেল ৷
- বাপরে বাপ! কী ভয়ঙ্কর ছিল রাক্ষসটা।

বিস্ময় আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে।
যেমন –
- আরে! তুমি আবার কখন এলে?
- আহ্, কী চমৎকার দৃশ্য।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।- এ বাক্যে কী ধরনের যোজক ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) কারণ যোজক
  2. খ) বিকল্প যোজক
  3. গ) সাপেক্ষ যোজক
  4. ঘ) বিরোধ যোজক
ব্যাখ্যা
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।- এ বাক্যে সাপেক্ষ যোজক ব্যবহৃত হয়েছে।

সাপেক্ষ যোজক:
এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন – 
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব ।
যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

কারণ যোজক: 
এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন –
জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি। 
বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

বিকল্প যোজক:
এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে ।
যেমন – 
লাল বা নীল কলমটা আনো ৷
চা না-হয় কফি খান।

বিরোধ যোজক:
এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন -
এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না ৷
তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
.
'পাল' ও 'যূথ' শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে
  2. খ) কেবল জন্তুর বহুবচনে
  3. গ) অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে
  4. ঘ) কেবল জন্তুর একবচনে
ব্যাখ্যা
'পাল' ও 'যূথ' শব্দ দুটি ব্যবহৃত হয়- কেবল জন্তুর বহুবচনে।
যেমন: 
রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।
হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
.
'কেয়ামত' শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) আরবি
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
কেয়ামত- আরবি শব্দ। 


বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে, 
কেয়ামত/ কিয়ামত (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ-
- প্রলয়ের দিন; ধ্বংসের দিন; ইসলাম ধর্মমতে এই দিন আল্লাহ্ স্বয়ং মানুষের পাপ-পুণ্যের বিচার করবেন।
- মহাপ্রলয়ের দিন; অন্তিম বিচারের জন্য মৃতদের পুনরুথ্থানের দিন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
.
'তাঁর মঙ্গল হোক।' এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) বিবৃতিবাচক বাক্য
  2. খ) প্রশ্নবাচক বাক্য
  3. গ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
  4. ঘ) আবেগবাচক বাক্য
ব্যাখ্যা
'তাঁর মঙ্গল হোক'-  এটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য। 

অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, প্রার্থনা, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে। 
যেমন-
- তাঁর মঙ্গল হোক।
- সদা সত্য কথা বলবে।

বিবৃতিবাচক বাক্য:
সাধারণভাবে কোনো বিবরণ প্রকাশ পায় যেসব বাক্যে, সেগুলোকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে।
- বিবৃতিবাচক বাক্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে।
যেমন,
- আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম।
- তারা তোমাদের ভোলেনি।

প্রশ্নবাচক বাক্য:
বক্তা কারো কাছে কিছু জানার জন্য যে ধরনের বাক্য বলে, সেগুলো প্রশ্নবাচক বাক্য।
যেমন,
- তোমার নাম কী?
- সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?

আবেগবাচক বাক্য:
কোনো কিছু দেখে বা শুনে আবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে আবেগবাচক বাক্য বলে।
যেমন,
- দারুণ ! আমরা জিতে গেছি।
- অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি !

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
কোন বানানটি সঠিক নয়?
  1. ক) ব্যাকরণ
  2. খ) কাণ্ড
  3. গ) ঘণ্টা
  4. ঘ) লন্ঠন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সবগুলো বানান সঠিক।
তাই উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।
-------------------
মূর্ধন্য ণ, দন্ত্য ন


• অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহার করা হবে না।
যেমন : অঘ্রান, ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।

• তৎসম শব্দে ট ঠ ড ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ণ হয়, যেমন :
কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।

• কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে। যেমন :
গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডা, লন্ঠন।

উৎস: প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, বাংলা একাডেমি।
.
অনুরোধ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সদা সত্য বলবে
  2. খ) চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে
  3. গ) রোগ হলে ওষুধ খাবে
  4. ঘ) কাল একবার এসো
ব্যাখ্যা
কাল একবার এসো- অনুরোধ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ।

অনুজ্ঞা পদ:
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যত কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।

• ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
- আদেশ : সদা সত্য বলবে।
- সম্ভাবনায় : চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে।
- বিধান অর্থে : রোগ হলে ওষুধ খাবে।
- অনুরোধে : কাল একবার এসো (বা আসিও বা আসিবে)। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১০.
'ইনী' প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) বিজয়িনী
  2. খ) যোগিনী
  3. গ) বুদ্ধিমতী
  4. ঘ) তেজস্বিনী
ব্যাখ্যা
'বুদ্ধিমতী'- 'ইনী' প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ নয়।
'বুদ্ধিমতী'- 'মতী; প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ।  

'ইনী' প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ
যেমন:
বিজয়- বিজয়িনী
যোগী- যোগিনী 
তেজস্বী- তেজস্বিনী 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
১১.
কাজটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে-এখানে ভালোভাবে কোন ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. ক) ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  2. খ) কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  3. গ) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  4. ঘ) পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
কাজটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে-এখানে ভালোভাবে ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।

• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোন কাজ কীভাবে বা কেমন করে সংঘটিত হচ্ছে বুঝায় তাকে ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
য়েমন :
টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে।
লেখাটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
অর্পনা দ্রুত লিখতে পারে।

অন্যদিকে,
কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
যে সকল ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে তাদেরকে কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন:
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।

স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন:
মিলেমিশে সামনে এগিয়ে যায়।

পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ:
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও 
'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'ত' ইত্যাদি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: কি: আমি কি যাব? 
যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন !

নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
যে সকল ক্রিয়াবিশেষণ না, নি, নেই ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায় তাকে নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার পেছনে বসে।
যেমন:
সে এখন যাবে না

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।