পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 11 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-3 Topic ➝ • Execution (Sections 36-74) • Execution of Decrees and Orders (Order -21) • Death, Marriage, and Insolvency of Parties (Order-22) • Withdrawal and Adjustment of Suits (Order-23) • Special Suits (Sections 79-81, 83-87, Orders 32+33+35) • Appointment of Commission (Section 75 & Order-26) • Arrest and Attachment before Judgement (Order-38)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় কত ধরনের আদালতকে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী, দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

.
আদেশ ৩৫ বিধি-২ অনুসারে, আদালত কখন বাদীকে দাবীকৃত বস্তু জমা দিতে বা হেফাজতে রাখতে বলতে পারে?
  1. বাদী মামলায় হেরে গেলে
  2. মামলা শেষ হওয়ার পর
  3. বাদী মামলা নাকচ করলে
  4. দাবীকৃত বস্তু আদালতে বা হেফাজতে রাখার যোগ্য হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা বাদীর হেফাজতে রাখার যোগ্য, সেক্ষেত্রে কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেই বস্তু আদালতে জমা দিতে বা হেফাজতে রাখতে বলা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.

.
সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ___________ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে, সেক্ষেত্রে  নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ৫০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে:
আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়। কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।

.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, বিবাদী সরকারি কর্মচারী হলে, ডিক্রি জারি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে-
  1. তাকে গ্রেফতার করা যাবে
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে
  3. ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা যাবে না
  4. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং

খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

.
আদেশ ২৬ বিধি-২ অনুযায়ী আদালত কোন পরিস্থিতিতে কমিশন প্রেরণের আদেশ দিতে পারে
  1. নিজস্ব উদ্যোগে
  2. সাক্ষীর আবেদনক্রমে
  3. মামলার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২: কমিশনের জন্য আদেশ:
কোনো সাক্ষীর পরীক্ষার জন্য কমিশন ইস্যু করার আদেশ আদালত করতে পারে- নিজস্ব উদ্যোগে বা মামলার কোনো পক্ষের বা যে সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হবে তার শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে করা আবেদনক্রমে।

Order-26 Rule-2- Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXI এর rule 30A অনুসারে, ডিক্রিদায়িক ডিক্রির অন্তত কত শতাংশ টাকা জমা দিয়ে বন্ড প্রদান করলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা

Order XXI এর rule 30A: অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান-

(১) এই বিধিতে অন্য কিছু বলা থাকলেও, আদালত ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে, যে পরিমাণ টাকা এখনো পরিশোধ হয়নি তার সম্পূর্ণ বা আংশিক আদায়ের জন্য ডিক্রিদায়িককে (Judgment-debtor) দেওয়ানি কারাগারে আটক করতে পারে; তবে মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হবে না বা টাকা পরিশোধের দিন পর্যন্ত—যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকা ব্যক্তির জীবিকার ব্যয় সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না— যে নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক), মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, যাকে যোগ্য আদালত দেউলিয়া (insolvent) ঘোষণা করেছে, যিনি মূল ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে আটককৃত ব্যক্তি মোট ডিক্রির অন্তত ২৫% টাকা জমা দেয় এবং অবশিষ্ট টাকা ৬০ দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য একটি বন্ড প্রদান করে, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি বন্ডে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী অবশিষ্ট টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।

(৫) কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) বা (৪)-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ মেয়াদ পর্যন্ত আটক থাকলে, সেই একই ডিক্রির একই কার্যকরী প্রক্রিয়ায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যকরী প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

(৬) কোনো ব্যক্তি এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আংশিক বা সম্পূর্ণ মেয়াদ ভোগ করলেও, তার ওপর ডিক্রির বাকি টাকা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে এবং তিনি সেই অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

.
আদেশ ২৩ বিধি-১(৩) অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া যদি বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে-
  1. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ দিবে
  2. ৩০ দিনের কারাদণ্ড পাবে
  3. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না
  4. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক অনুসারে কোর্ট-ফি কোথা থেকে আদায় করা হবে?
  1. মৃত বিবাদীর সম্পত্তি
  2. মৃত বাদীর সম্পত্তি
  3. আদালতের তহবিল
  4. মৃত বাদীর উত্তরাধিকারীদের থেকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যে কোনো মোকদ্দমা বাদীর বা সহ-বাদী হিসাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে বিলুপ্ত হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব (pauper) হিসেবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তখন যে পরিমাণ কোর্ট-ফি প্রদান করতে হতো, তা মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে সরকারের পক্ষ থেকে আদায়যোগ্য হবে।

.
৫০ টাকার অধিক অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কারাগারে কোন ব্যক্তিকে কতদিন পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৫৮: আটক ও মুক্তি:
(১) কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে ব্যক্তিকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হবে, তাকে নিম্নরূপভাবে আটক রাখা হবে—
(ক) যদি ডিক্রি পঞ্চাশ টাকা-এর বেশি অর্থ প্রদানের জন্য হয়, তবে ছয় মাস পর্যন্ত; এবং
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত।

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ছয় মাস বা ছয় সপ্তাহের (যেটি প্রযোজ্য) মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে-
(i) তার আটকাদেশের ওয়ারেন্টে উল্লিখিত অর্থ দেওয়ানী কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশোধ করলে; অথবা
(ii) তার বিরুদ্ধে ডিক্রি অন্যভাবে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হলে; অথবা
(iii) যার আবেদনে তাকে আটক করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির অনুরোধে;

আরও শর্ত থাকে যে, (ii) বা (iii) দফার অধীনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ব্যতীত তাকে মুক্তি দেওয়া যাবে না।

(২) এই ধারার অধীনে আটক থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত কোনো রায়সিদ্ধ দেনাদার শুধুমাত্র মুক্তির কারণে ঋণমুক্ত বলে গণ্য হবেন না; তবে যে ডিক্রির কার্যকরকরণের জন্য তাকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হয়েছিল, সেই ডিক্রির অধীনে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।

১০.
আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুযায়ী আদালত কখন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন বাদী জামানত প্রদান করে না
  2. যখন বিবাদী জামানত প্রদান করে না
  3. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  4. যখন বিবাদী কারণ দর্শায়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কত ধারায় ডিক্রি কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

[The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.]

১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ৩ অনুযায়ী কমিশন প্রেরণের উদ্দেশ্য কী?
  1. স্থানীয় তদন্ত
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. হিসাব পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction.
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.

১৩.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে কাকে উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।


Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

১৪.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে ডিক্রিদার কর্তৃক দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন কে আবেদন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  3. সম্পত্তির বৈধ দখলদার শুধু
  4. দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

১৫.
মোকদ্দমার বাদী 'ক' মোকদ্দমা শুনানির পর মারা গেছেন। আদালত তার মৃত্যুর পর রায় ঘোষণা করেছেন। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৬ অনুযায়ী-
  1. রায় বাতিল হবে
  2. আদালত পুনঃশুনানি করবে
  3. রায় কার্যকর থাকবে
  4. নতুন বাদী নিযুক্ত করতে হবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি ৬: শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না:
আগের বিধিগুলিতে যা কিছু বলা হয়েছে তার সত্ত্বেও, মামলার কারণ যে স্থায়ী থাকে বা না থাকে, মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো পক্ষের মৃত্যু ঘটলেও মামলা বাতিল হবে না।

এমন ক্ষেত্রে, রায় মৃত্যুর পরও ঘোষণা করা যেতে পারে এবং তার কার্যকারিতা একই থাকবে, যেমনটি রায় মৃত্যুর আগে ঘোষণার সময় থাকত।

১৬.
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
  2. দেওয়ানি কারাগারে আটক করে
  3. আদালতে ক্ষতিপূরণ জমা দিয়ে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:

(১) যে পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তির নির্দিষ্ট পালন, বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষ যদি ডিক্রি পালনের সুযোগ পেয়েও ইচ্ছাকৃতভাবে তা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে:
- বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে;
- চুক্তির নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে, তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে, অথবা উভয় পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যে পক্ষের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারি করা হয়েছে, যদি সেই পক্ষ কোনো কর্পোরেশন হয়, তবে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে:
- কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে; অথবা
- আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে কর্পোরেশনের পরিচালক বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাদের দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে; অথবা
সম্পত্তি ক্রোক এবং আটক উভয় পদ্ধতিতে।

১৭.
আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুসারে কোন সময়ে কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না?
  1. রায়ের পরে
  2. রায়ের পূর্বে
  3. রায় কার্যকরের পর
  4. আপিল চলাকালীন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোনো বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোনো কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না, অথবা আদালতকে এমন কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক বা হাজির করার আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

১৮.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুসারে, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিষয়বস্তুতে বাদীর ব্যক্তিগত স্বার্থ
  2. বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
  3. বাদী ও কোন বিবাদীগণের বিরোধ
  4. বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান।

আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:

স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১০৪(১) অনুসারে, ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন গ্রহণের পর আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করার
  2. ডিক্রি তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার
  3. সম্পত্তি ক্রোক করার
  4. ক্রেতার কাছে টাকা ফেরত দেওয়ার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ১০৪: ডিক্রির সরাসরি কার্যকরী করা-
(১) অন্য কোনো বিধান বা প্রযোজ্য আইন থাকা সত্ত্বেও, আদালত তামাদি সময় (Law of limitation) অনুযায়ী ডিক্রির সরাসরি কার্যকরী করার জন্য আবেদন গ্রহণ করতে পারে। আবেদন করা যেতে পারে সেই মামলার রেকর্ডে যেখানে ডিক্রি জারি হয়েছে, অথবা যদি রেকর্ড আপিল বা সংশোধনী আদালত থেকে আনা হয়, তাহলে সেই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা পৃথক ফাইল (part-file) এ। আদালত আবেদন গ্রহণের পর ডিক্রি তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) যদি ডিক্রিধারী বা ডিক্রির ভিত্তিতে বিক্রি করা সম্পত্তির ক্রেতা তার অধিকার প্রাপ্তিতে বাধা বা প্রতিরোধের সম্মুখীন হন, এবং আদালত বিষয়টি যাচাই করে সন্তুষ্ট হয়, তবে আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তিতে অধিকার প্রদানের জন্য: যে কোনও ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে পারে যাকে আদালত এই কাজে নিয়োগ করবে, এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

২০.
আদেশ ২৬ বিধি-১৭ এর উদ্দেশ্যে কমিশনার কী হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. দেওয়ানি আদালত
  4. সরকারি নোটারি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে।

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

২১.
'আদেশ ২২ এর অধীনে খারিজকৃত মোকদ্দমা একই কার্যকারণে নতুন করে রুজু করা যাবে না।'- কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ৭
  2. আদেশ ২২ বিধি ৮
  3. আদেশ ২২ বিধি ৯
  4. আদেশ ২২ বিধি ১০
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

২২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৬৫ অনুযায়ী ক্রেতার স্বত্ব কখন থেকে গণ্য হবে?
  1. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার সময় থেকে
  2. সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
  3. নিলামের ঘোষণার সময় থেকে
  4. আদালতের অনুমতি পাওয়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং ওই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন উক্ত সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছিল, না যে সময়ে বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত পরিচালনা
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সম্পত্তি বিক্রি
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান: কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ সম্পত্তি বিক্রি–এর জন্য ধারা ৭৫–এ কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা নেই।

The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.

- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.

২৪.
আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর অধীন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে মোকদ্দমা খারিজের কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৯ক: বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
বিধি ৯ বা অন্য কোন কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, বাতিল বা খারিজের ষাট দিনের মধ্যে যদি কোন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী বা কোন দেউলিয়া বাদীর রিসিভার এই আইনের অধীন বাতিল বা খারিজের কোন আদেশকে রহিতকরণের নিমিত্তে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে, বিধি ৯ এর অধীন বর্ণিত বাদীকে যথেষ্ট কারণ বিষয়ে প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না প্রদান করে এরূপ বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিত করতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে তাকে অনধিক তিন (৩) হাজার টাকার খরচা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারেন।

২৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এ কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. ক্রোকের
  2. গ্রেফতারের
  3. কমিশন জারির
  4. সম্পত্তি বিক্রয়ের
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expressly provided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.

২৬.
আদেশ ২১ বিধি-৫৫ এর অধীন ক্রোক কখন প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি বিবাদীর পক্ষে হলে
  2. সম্পত্তি বিক্রি করা হলে
  3. ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-৫৫: ডিক্রি মিটানোর পর ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে-
(ক) ডিক্রির টাকা, মোকদ্দমার খরচ এবং যে কোনও সম্পত্তি ক্রোকের ফলে সৃষ্ট সমস্ত চার্জ ও খরচ আদালতে জমা করা হলে; অথবা
(খ) ডিক্রি আদালতের মাধ্যমে অন্যভাবে পরিশোধ বা আদালতে প্রত্যয়ন করা হলে; অথবা
(গ) ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হলে, ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দায়িকের ইচ্ছা হলে তার খরচায় উক্ত প্রত্যাহার ঘোষণা করা হবে এবং ঘোষণাপত্রের একটি অনুলিপি পূর্ববর্তী বিধিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংযুক্ত করা হবে।”

২৭.
আদেশ ৩৫ বিধি-৫ অনুসারে, কে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে না?
  1. আদালত
  2. প্রতিনিধিগণ
  3. নাবালক
  4. সরকারী কর্মচারীগণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।

২৮.
যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে কার অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. নারী
  3. আদালত
  4. মোকদ্দমার প্রতিপক্ষ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেখানে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ডিক্রি স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে; এবং যেখানে রায় স্ত্রীর পক্ষে, সেই ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে স্বামীর আবেদনের ভিত্তিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে, যদি আইন অনুসারে স্বামী ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হয়।