পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ১৯৭০ থেকে বর্তমান। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) আবদুল মান্নান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মেজর আবু তাহের মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৬ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন প্রথমদিকে মেজর এম. আবু তাহের এবং পরবর্তীতে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।
- ১১ নং সেক্টরের সদরদপ্তর ছিলো মহেন্দ্রগঞ্জ। এই সেক্টরের অধীনে আটটি সাব-সেক্টর ছিলো।
অন্যদিকে,
৬ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- উইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার
৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- মেজর এম. এ জলিল
- মেজর এম. এ. মঞ্জুর
- মেজর জয়নাল আদেীন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ক) মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
  2. খ) সাচিং প্রু জেরি
  3. গ) মনির স্বপন দেওয়ান
  4. ঘ) জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা)
.
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় কোন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- তাজউদ্দীন আহমদ
- এম মনসুর আলী এবং
- এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিাহসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা)

.
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. ক) এম ইউসুফ আলী
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) আ স ম রব
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১রা মার্চ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই পরিষদের পক্ষ থেকে ৩রা মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
- একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক উপাধি দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
বঙ্গবন্ধু কোথায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ক) পল্টন ময়দান
  2. খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  3. গ) ওসমানী উদ্যান
  4. ঘ) আরমানিটোলা মাঠ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করলে পূর্ব পাকিস্তানে তার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এর অংশ হিসেবে ৭ই মার্চ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (সাবেক রেসকোর্স ময়দান) একটি জনসভার আয়োজন করা হয়।
- এই জনসভাতেই বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণে ২৫শে মার্চ পুনরায় ঘোষিত জাতীয় পরিষদের যোগদানের পূর্বশর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- সামরিক আইন প্রত্যাহার করা
- ‍নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা
- সেনাবাহিনীর গণহত্যার তদন্ত করা
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৬ এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
.
কোন রাজনৈতিক দলটি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো?
  1. ক) ন্যাশনাল কংগ্রেস
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
  3. গ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফফর)
  4. ঘ) বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
- পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
- জামায়াতে ইসলামী
- মুসলিম লীগ প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ন্যাশনাল কংগ্রেস, ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ ভাসানী, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি প্রভৃতি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠান আয়োজনে মূল ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) অ্যালেন গিন্সবার্গ
  2. খ) পণ্ডিত রবিশংকর
  3. গ) ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
  4. ঘ) গীতা মেহতা
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর। তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলস এ কনসার্ট আয়োজনে অংশ নেয়। এতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)

১০.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়েছিলো?
  1. ক) চতুর্থ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।
- পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

১১.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ওডারল্যান্ড ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২.
অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের সচিবালয় ছিলো কোথায়?
  1. ক) ১২ নং হরনাথ রোড
  2. খ) ৮ নং থিয়েটার রোড
  3. গ) ২৫ নং সার্কাস এভিনিউ
  4. ঘ) ১০ নং ডালহৌসি স্কয়ার
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা হয় কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে। বর্তমানে জায়গাটির নাম শেক্সপীয়ার সারণি।
- ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর প্রবাসী সরকার ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর প্রবাসী সরকারের আট সদস্যের একটি অগ্রগামী প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসে।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা এবং বিডিনিউজ)