পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: [বাংলাদেশের সংবিধান] ১. প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য ২. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ ৩. মৌলিক অধিকারসমূহ ৪. গুরত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ ৫. সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধান কী জাতীয়?
  1. পরিবর্তনীয়
  2. অপরিবর্তনীয়
  3. দুষ্পরিবর্তনীয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

• ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:

- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. লিখিত দলিল:

- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
-  এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৭টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

২.দুষ্পরিবর্তনীয়:
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করানো যায়।

৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-এই চারটি মূলনীতিকে সংবিধানের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

৪. মৌলিক অধিকার:
- সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রের নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য সংবিধানে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
’চলাফেরার স্বাধীনতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
→ ৩৬ নং অনুচ্ছেদ চলাফেরার স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।
• চলাফেরার স্বাধীনতা:

- সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদ জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা,
- এর যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

উল্লেখ্য,
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি উল্লেখ রয়েছে-
  1. সংবিধানের পঞ্চম ভাগে
  2. সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে
  3. সংবিধানের প্রথম ভাগে
  4. সংবিধানের চতুর্থ ভাগে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের মূলনীতি:
- ভারত এবং আয়ারল্যান্ডের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- সরকারের কর্তব্য হলো রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে এগুলো প্রয়োগ করা।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আলোকপাত করা হয়েছে।
- ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

 উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশের নাগরিকদের পরিচয় কোনটি?
  1. বাঙালী
  2. বাংলা
  3. বাংলাদেশী
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নাগরিকত্ব:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
 - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী।
- এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে।
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানে প্রথম ভাগ:
১। প্রজাতন্ত্র;
২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক। রাষ্ট্রধর্ম;
৩। রাষ্ট্রভাষা;
৪। জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫। রাজধানী;
৬। নাগরিকত্ব;
৭। সংবিধানের প্রাধান্য;
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ;
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১
  2. অনুচ্ছেদ- ২
  3. অনুচ্ছেদে- ৪
  4. অনুচ্ছেদ- ৩
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ  : 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
অনুচ্ছেদ- ৩:  প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদে- ৪(ক): জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম?
  1. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ ইসলামী প্রজাতন্ত্র
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• প্রজাতন্ত্র:
-  বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র,
- “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হবে৷ 
- এটি সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
-  রাষ্ট্রধর্ম:  প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।
- তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে।

উল্লেখ্য,
- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে:
- ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা-ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে যে সকল এলাকা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল।
-  এবং সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪-এ অন্তর্ভুক্ত এলাকা হিসেবে উল্লিখিত এলাকা।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. চতুর্থ
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ সংশোধনী: 
-  এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

অপরদিকে,
- পঞ্চম সংশোধনী: 
- এই সংশোধনীর লক্ষ্য ছিল সামরিক সরকারকে বৈধতা দান।
-  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত সকল ফরমান,
- আদেশ ও সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেয়া হয় ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবনায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সংযোজন করা হয়।
- সংবিধানের চারটি মূলনীতিতেও পরিবর্তন আনা হয়।
- বাঙালি জাতীয়বাদের বদলে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে 'সর্বশক্তিমান আলাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' প্রতিস্থাপন করা হয়।
- এছাড়া সমাজতন্ত্রের বদলে 'অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার অর্থে সমাজতন্ত্র' সংযোজন করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. সংবিধান
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সাংবিধানিক প্রাধান্য:
- সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- এবং জনগণের পক্ষে ঐসব ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীনে ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানে বাংলাদেশের জন্য একটি সর্বোচ্চ আদালত গঠনের ব্যবস্থা করা হয়।
- সুপ্রীম কোর্ট হবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- এই আদালত সংবিধানের প্রাধান্য নিশ্চিত করবে এবং তার স্বাধীনতা সংরক্ষণ করবে।

এছাড়াও,
- সংসদীয় পদ্ধতির সরকার মূল সংবিধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী করে।
 - এবং মন্ত্রিপরিষদকে দেশের প্রকৃত শাসক করা হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ সকল কাজের জন্য সংসদের নিকট জবাবদিহি করবে।

 উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৭ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৪৫ নং
  4. ১৪১ নং
ব্যাখ্যা
১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
-  ১৪২ নং:  সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবে।
- এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
১৪১ ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
১৪১ খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ;
১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ;
১৪৫: চুক্তি ও দলিল;
১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
১৪৭: কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি;
১৪৮: পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১০.
জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত পঞ্চাশটি আসন কত বছরের জন্য বহাল রাখা হয়েছে?
  1. ২৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ সংশোধনী:
- নারী আসন।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন আরও ২৫ বছর বহাল রাখার বিধান আনা হয়েছে।

• ষোড়শ সংশোধনী:
-
বিচারপতি অপসারণ।
-
এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনা হয়।
- ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে পাস হয়।
- আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।
- তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।
- পরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল।
- আওয়ামী লীগ সরকার আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে।
- দীর্ঘ সময়ে রিভিউ আবেদনের নিস্পত্তি হয়নি।
- আর এই রিভিউ আবেদন আদালতে নিস্পত্তির অপেক্ষায় থাকলেও বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকার সেই সংশোধনী বহাল রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১১.
’ন্যায়পাল’ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়ছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭৫ নং
  3. ৭৭ নং
  4. ৮০ নং
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
 - ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় নিরপেক্ষতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
→ ধর্মীয় নিরপেক্ষতা

বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি:
১).জাতীয়তাবাদ:
- মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, "ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে। বাঙালি জাতির সেই ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

২) সমাজতন্ত্র:
- মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
- "মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।"
- সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করার লক্ষ্য ছিল মূলত মেহনতি মানুষকে সকল প্রকার শোষণ হতে মুক্তি দেয়া। 

৩) গণতন্ত্র:

- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং মানবসত্তার মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।

২) ধর্ম নিরপেক্ষতা:
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
- "রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার,
- কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।"

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।