পরীক্ষা আর্কাইভ

৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ৮ জানুয়ারি, ২০১৬সময়01 hr 30 mins১৯৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২০০
সিলেবাস
৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ৮ জানুয়ারি, ২০১৬ · ২০০ প্রশ্ন

.
'বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?
  1. ব + ন্ + ধ + ন্
  2. বন্ + ধন্
  3. ব + ন্ধ + ন
  4. বান্ + ধন্
সঠিক উত্তর:
বন্ + ধন্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ + ধন্
ব্যাখ্যা
• বন্ধন (বিশেষ্য পদ)।
- তৎসম বা সংস্কৃত।
- প্রকৃত-প্রত্যয় - √বন্ধ্‌ + অন,
- এর সঠিক উচ্চারণ - বন্‌ + ধোন্।
অর্থ:
- বাঁধন,
- আবেষ্টন,
- নির্মাণ,
- নিয়ন্ত্রণ।

অতএব, কাছাকাছি অক্ষর বিন্যাস হিসেবে সঠিক উত্তর অপশন (খ) বন্‌ + ধোন্।

অন্যদিকে,
(ব + ন + ধ + ন) এগুলো অক্ষর নয় এক একটি বর্ণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

• বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
• মাত্রাহীন বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ্ ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
• অর্ধমাত্রা বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি ( খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
• পূর্ণমাত্রা বর্ণ- ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
  1. জ + ঞ
  2. ঞ + গ
  3. ঞ + জ
  4. গ + ঞ
সঠিক উত্তর:
জ + ঞ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ + ঞ
ব্যাখ্যা
• 'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণটি ‘জ ও ঞ’ বর্ণের সমস্বয়ে গঠিত।
- জ + ঞ = জ্ঞ।

-------------------------
সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ণ্ঠ, ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত = (ক্ + ত),
ক্ম = (ক্ + ম),
ক্ষ = (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স = (ক্ + স),
গু = (গ্ + উ),
গ্ধ = (গ্ + ধ),
ঙ্গ = (ঙ্ + গ),
জ্ঞ = (জ + ঞ),
ঞ্চ = (ঞ্ + চ),
ঞ্জ = (ঞ্ + জ),
ষ্ণ = (ষ্ + ণ)
হু = (হ্ + উ),
হৃ = (হ + ঋ),
হ্ন = (হ্ + ন),
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি?
  1. সভাসদ
  2. শুভেচ্ছা
  3. ফলবান
  4. তন্বী
সঠিক উত্তর:
শুভেচ্ছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুভেচ্ছা
ব্যাখ্যা
•  প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি- 'শুভেচ্ছা' শব্দটি।

• 'শুভেচ্ছা' শব্দটি সন্ধি সাধিত শব্দ।
• নিয়ম: 'অ'-কার কিংবা 'আ'- কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়;
যেমন:
- অ + ই = এ; শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।

অন্যদিকে,
• তন্বী (তনু + ঈ) প্রত্যয় ও সন্ধি উভয় সাধিত শব্দ।
• এছাড়া সভাসদ (সভা + সদ) ও ফলবান (ফল + বান) প্রত্যয়যােগে গঠিত শব্দ।

• সুতরাং সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হবে ‘শুভেচ্ছা’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
  1. জনশ্রুতি
  2. অনমনীয়
  3. খাসমহল
  4. তপোবন
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুতি
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাের কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনাে পদকে বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- দশ আনন যার - দশানন।

[এখানে ‘দশ’ বা ‘আনন’ (অর্থাৎ মুখ) পদের অর্থ বোঝানো হয়নি। লঙ্কার রাজা রাবণের দশটি মাথা থাকায় তার নাম দশানন, এখানে মূলত ‘দশ আনন যার’ বলতে লঙ্কার রাজা রাবণকে বোঝানো হয়েছে।]

এরূপকিছু উদাহরণ হলো:
• জনের মুখ হতে শ্রুত যা - জনশ্রুতি।
• দশহজ পরিমাণ যার - দশগজি।
• ধর্মে বুদ্ধি যার - ধর্মবুদ্ধি।
• নীল কণ্ঠ যার - নীলকণ্ঠ।
• চার পদ আছে যার - চতুষ্পদী।

অন্যদিকে,
• ব্যাসবাক্য অনুসারে ‘অনমনীয়’ শব্দটি নঞ্ বহুব্রীহি ও নঞ্ তৎপুরুষ উভয় সমাসই হয়।
যেমন:
- নয় নমনীয় যা - অনমনীয় (নঞ্ বহুব্রীহি সমাস)।
- নয় নমনীয় - অনমনীয় (নঞ্ তৎপুরুষ) সমাস।

• খাস যে মহল - খাসমহল; কর্মধারয় সমাস।
• তপের নিমিত্ত বন - তপোবন; এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। 

• ব্যাসবাক্য বিবেচনায় বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ হচ্ছে ‘জনশ্রুতি’। সুতরাং সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর অপশন ‘ক’ জনশ্রুতি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. জাত
  2. গৈরিক
  3. উদ্ধত
  4. গাম্ভীর্য
সঠিক উত্তর:
গাম্ভীর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাম্ভীর্য
ব্যাখ্যা
• গাম্ভীর্য (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- গম্ভীর ভাব,
- চপলতার অভাব,
- প্রগাঢ়তা ইত্যাদি।

• গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।

অন্যদিকে,
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- আর ‘গৈরিক’ শব্দটি অর্থ ভেদে বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ণ'-এর ব্যবহার হয়েছে?
  1. কল্যাণ
  2. প্রবণ
  3. নিক্কণ
  4. বিপণি
সঠিক উত্তর:
প্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবণ
ব্যাখ্যা
• প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: প্রবণ।

---------------
• ণ-ত্ব বিধান:

বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড, লুণ্ঠন ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যমন: কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, লক্ষণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: পুণ্য, নিক্কণ, চিক্কণ, লাবণ্য, কল্যাণ, বিপণি, আপণ, গৌণ, ভাণ, শাণ, চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়-
  1. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
  2. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
  3. মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
  4. মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
সঠিক উত্তর:
মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
ব্যাখ্যা
• অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলেও বাক্যের অর্থ যেনো একই থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখলে বুঝা যায় যে “মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না” বাক্যটি সঠিকভাবে নেতিবাচক রূপ লাভ করেছে।

অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক বাক্যে পরিবর্তনের সূত্র:

১. বাক্যে না, নয়, নহে, নি, নেই, নাহি, নাই ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয়যোগে অস্তিবাচক বাক্যের বিধেয় ক্রিয়াকে (সমাপিকা ক্রিয়া) নেতিবাচক করতে হবে।
২. হ্যাঁ-সূচক বাক্যকে না করতে হলে মুল অর্থ পরিবর্তন না করে বাক্য পরিবর্তন করতে হবে।
৩. বাক্যের বিশেষণ পদটিকে বিপরীত শব্দে রূপান্তর করতে হবে।
৪. প্রয়োজন মত বাক্যের অন্য শব্দকে 'না' সূচক বাক্যের প্রয়োগের আওতাভুক্ত করতে হবে।
৫. 'না' বাচক ক্রিয়া ও 'না' বাচক শব্দ বা 'না' বাচক অব্যয় মিলে বাক্যের অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-সূচক ভাবটি বজায় রাখতে হয়।

যেমন:
অস্তিবাচক: হৈমন্তী চুপ করিয়া রহিল।
নেতিবাচক: হৈমন্তী চুপ না থাকিয়া পারিল না।

অস্তিবাচক: এমন দিনে তারে বলা যায়।
নেতিবাচক: এমন দিনে তারে না বলে পারা যায় না।

অস্তিবাচক: পাখিটা মরল।
নেতিবাচক: পাখিটা বাঁচল না।

অস্তিবাচক: এভাবে সমাজ অচল হয়ে পড়ে।
নেতিবাচক: এভাবে সমাজ চলে না।

অস্তিবাচক: অনুপমার উচিত কাজ হয়েছে।
নেতিবাচক: অনুপমার অনুচিত কাজ হয়নি।

অস্তিবাচক: বাড়িটা তারা দখল করেছে।
নেতিবাচক: বাড়িটা তারা দখল না করে ছাড়েনি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক, বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'Null and Void'-এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. বাতিল
  2. পালাবদল
  3. মামুলি
  4. নিরপেক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা
• 'Null and Void' শব্দের অর্থ বাংলা অর্থ:
- অকার্যকর;
- বাতিল;
- খারিজ;
- বৈশিষ্ট্যহীন;
- আইনত কার্যকর নয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, অভিগম্য অভিধান এবং
১০.
'হেড মৌলভী' কোন কোন ভাষার শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে?
  1. ইংরেজি + ফার্সি
  2. ইংরেজি + আরবি
  3. তুর্কি + আরবি
  4. ইংরেজি + পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি + আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি + আরবি
ব্যাখ্যা
• হেড-মৌলভী শব্দটি গঠিত: হেড (ইংরেজি) ও মৌলভী (আরবি) শব্দযোগে।

➤ হেড-মৌলভী:
➢ মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে - ইংরেজি+ফারসি শব্দ।

➢ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি অনুসারে - ইংরেজি+আরবি শব্দ।
হেড (বিশেষণ) - ইংরেজি শব্দ।
অর্থ: প্রধান।
বিশেষ্য - মাথা

মৌলবি (বিশেষ্য) - আরবি শব্দ।
অর্থ: ইসলাম ধর্মশাস্ত্র ও আরবি ভাষায় পারদর্শী ব্যক্তি।
১১.
'রবীন্দ্র'-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. রবী + ইন্দ্র
  2. রবী + ঈন্দ্র
  3. রবি + ইন্দ্র
  4. রবি + ঈন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রবি + ইন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবি + ইন্দ্র
ব্যাখ্যা
• 'রবীন্দ্র' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- রবি+ইন্দ্র - রবীন্দ্র।

• ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
যেমন-
সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র,
পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা,
সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র,
অতি + ইত = অতীত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'এ যে আমাদের চেনা লোক'- বাক্যে 'চেনা' কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. অব্যয়
  3. ক্রিয়া
  4. বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’ বাক্যে ‘চেনা’ - বিশেষণ পদ।

• বিশেষণ পদ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায় তাকে বিশেষণ বলে।
যেমন:
- দুষ্টু ছেলেটি দৌড়ে পালালো।
- অভিজ্ঞ উনিই ব্যাপারটা বুঝবেন।
[বাক্যে দুষ্টু ও অভিজ্ঞ বিশেসণ পদ]

- ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’ বাক্যে বিশেষ্য 'লােক' শব্দটির অবস্থা বর্ণনা করেছে 'চেনা' শব্দটি। তাই 'চেনা' শব্দটি বিশেষণ।
- এছাড়াও, বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, ‘চেনা’ বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ-
  1. উৎকর্ষতা
  2. অপকর্ষ
  3. উৎকর্ষ
  4. অপকর্ষতা
সঠিক উত্তর:
উৎকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎকর্ষ
ব্যাখ্যা
• প্রকর্ষ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- শ্রেষ্ঠত্ব;
- উৎকর্ষ;
- উন্নতি;
- শ্রীবৃদ্ধি;
- সমৃদ্ধি।

• সুতরাং 'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ “উৎকর্ষ”।

অন্যদিকে,
• 'উৎকর্ষ’ শব্দের বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• উৎকর্ষতা ও অপকর্ষতা শব্দদুটি প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
  1. ছায়ানট
  2. চক্রবাক
  3. রন্দ্রমঙ্গল
  4. বালুচর
সঠিক উত্তর:
বালুচর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালুচর
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়- বালুচর।

• ‘বালুচর’ জসীমউদ্‌দীন রচিত একটি খণ্ড কবিতার সংকলন।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।

------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা
- মৃত্যুক্ষুধা
- কুহেলিকা

• কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফনিমনসা,
- চক্রবাক,
- নতুন চাঁদ,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- পূবের হাওয়া,
- বিষের বাঁশি,
- ঝিঙে ফুল,
- দোলনচাঁপা,
- জিঞ্জির ইত্যাদি।

•  ‘রন্দ্রমঙ্গল’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'সবুজপত্র' প্রকাশিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯০৯
  2. ১৯১০
  3. ১৯১৪
  4. ১৯২১
সঠিক উত্তর:
১৯১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৪
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত বিশিষ্ট সাহিত্য পত্রিকা।
- এটি বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে (১৯১৪ সালে) প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৩ বছর চলে।
- এটি চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

-------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল
- ‘বীরবলেন হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক-
  1. সুবচন নির্বাসনে
  2. রক্তাক্ত প্রান্তর
  3. নূরলদীনের সারা জীবন
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তযুদ্ধবিষয়ক কাব্যনাট্য।
- এটি বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।

অন্যদিকে,
• নূরলদীনের সারাজীবন:
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য নূরলদীনের সারা জীবন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরুলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নুরুলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।

• ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক:
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।' রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি। নাটকে উক্তিটি বলেছেন নবাব সুজাউদ্দৌলা।
- চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।

• ‘সুবচন নির্বাসনে’:
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক। নাটকের পটভূমি দেশের একটি মধ্যবিত্ত পরিবার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটক এবং বাংলাপিডিয়া
১৭.
কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?
  1. রাখালী
  2. মাটির কান্না
  3. বেদের মেয়ে
  4. বোবা কাহিনী
সঠিক উত্তর:
বেদের মেয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেদের মেয়ে
ব্যাখ্যা
• ‘বেদের মেয়ে’ জসীমউদ্‌দীন রচিত একটি নাটক।

• জসীমউদ্‌দীন:

- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• ‘বোবা কাহিনী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত প্রশত উপন্যাস।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক-এর প্রভাব অপরিসীম?
  1. শ্রীচৈতন্যদেব
  2. শ্রীকৃষ্ণ
  3. আদিনাথ
  4. মনোহর দাশ
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা
• শ্রী চৈতন্যদেব:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য শ্রী চৈতন্যদেব ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম।
- তিনি বাংলা সাহিত্য একটি পঙক্তি না লিখলেও তাঁর নামে একটি যুগের সৃষ্টি হয়েছে যার নাম শ্রী চৈতন্যদেব।
- তাঁকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল 'বৈষ্ণব সাহিত্য'। তার কল্যাণেই বাঙালির স্বজাত্যবোধ ও নিজসংস্কৃতি রক্ষিত হয়৷
- বাংলায় চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থের নাম বৃন্দাবন দাস রচিত ‘চৈতন্য-ভাগবত।
- বাংলা সাহিত্য ১৫০০ থেকে ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে চৈতন্যযুগ বলে।
- শ্রীচৈতন্যর পিতৃদত্ত নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র, ডাক নাম নিমাই।
- চৈতন্যদেব জন্ম ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দ এবং মৃত্য ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দ।

- ‘বৈষ্ণব সাহিত্য’ তিন প্রকার যথা:
- জীবনীকাব্য,
- বৈষ্ণব শাস্ত্র ও
- পদাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?
  1. কবর
  2. চিঠি
  3. রক্তাক্ত প্রান্তর
  4. মুখরা রমণী বশীকরণ
সঠিক উত্তর:
মুখরা রমণী বশীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখরা রমণী বশীকরণ
ব্যাখ্যা
• 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটক:
- মুনীর চৌধুরী উইলিয়াম শেক্সপিয়রের The Taming of The Shrew (টেমিং অব দি শ্রু ) অনুবাদ করেন 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নামে (১৯৭০)। এটি পাঁচ অঙ্ক বিশিষ্ট কমেডি। ।
- পদুয়া নামক স্থানের এক ধনী ব্যাপ্তিস্তার দুই কন্যা ক্যাথেরিনা ও বিয়াঙ্কা। ক্যাথেরিনা খুবই মুখরা নারী, বিয়াঙ্কা সুন্দরী। ভেরােনা নামক স্থানের যুবক পেট্রুশিও ক্যাথেরিনার দর্প চূর্ণ করে তার পাণিগ্রহণ করে।
- মুনীর চৌধুরী নিজেই বলেছেন :কাহিনিটি স্থুল। কিন্তু এতে যে হাস্যরস আছে তা সতেজ, সরস ও উপভােগ্য।

উল্লেখ্য,
• কবর নাটক:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত ‘Bury The Dead’ নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর’ নাটকটি রচিত হয়েছে। সমাধি থেকে মানুষের আত্মার পুনরুত্থান ঘটে ‘Bury The Dead’ নাটকে, মূলত এই ঘটনার অনুকরণ ঘটে ‘কবর’ নাটকে। 
- Bury The Dead নাটকের অনুকরণ ঘটলেও ‘কবর’ অনুবাদ নাটক নয়।

----------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২০.
কোনটি উপন্যাস নয়?
  1. দিবারাত্রির কাব্য
  2. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  3. কবিতার কথা
  4. পথের পাঁচালী
সঠিক উত্তর:
কবিতার কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিতার কথা
ব্যাখ্যা
• ‘কবিতার কথা’ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: “সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি”।

------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ- “কবিতার কথা”।
- ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: “সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি”।
- “বনলতা সেন” তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- “বনলতা সেন” কবিতার উপর আডগার এলেন পো এর প্রভাব রয়েছে।
- জীবনানন্দের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় “রূপসী বাংলা” এবং “বেলা অবেলা কালবেলা” নামক কাব্য।

• জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- ঝরা পালক,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
‘কবিতার কথা’ সৈয়দ আলী আহসানের প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থ।

অন্যদিকে,
• হাঁসুলী বাঁকের উপকথা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস।
• 'দিবারাত্রির কাব্য' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস।
• 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
'বিষাদ সিন্ধু' একটি-
  1. গবেষণা গ্রন্থ
  2. ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ
  3. ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
  4. আত্মজীবনী
সঠিক উত্তর:
ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

---------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২২.
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১৭৫৬
  2. ১৭৫২
  3. ১৭৬০
  4. ১৭৬২
সঠিক উত্তর:
১৭৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬০
ব্যাখ্যা
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- তিনি ১৭১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- মঙ্গলযুগ তথা মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- ১৭৬০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
২৩.
'তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন?
  1. দৌলত কাজী
  2. মাগন ঠাকুর
  3. সাবিরিদ খান
  4. আলাওল
সঠিক উত্তর:
আলাওল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাওল
ব্যাখ্যা
• 'তোহফা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- 'আলাওল'।

• আলাওল:
- আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজ্জিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমুহ:
- সিকান্দার নামা।
- তোহফা।
- সপ্তপয়কর।
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান।
- রাগতালনামা।
- সতীময়ান-লোর-চন্দ্রাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
এন্টনি ফিরিঙ্গি কী জাতীয় সাহিত্যের রচয়িতা?
  1. কবিগান
  2. পুঁথি সাহিত্য
  3. নাথ সাহিত্য
  4. বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
সঠিক উত্তর:
কবিগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিগান
ব্যাখ্যা
• এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের রচয়িতা।

• এন্টনি ফিরিঙ্গি:
- তিনি ছিলেন আঠারো শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল।
- তাঁর প্রকৃত নাম এন্টনি হেন্সম্যান ।
- তিনি জাতিতে ছিলেন পর্তুগিজ এবং ধর্মে খ্রিষ্টান।
- তিনি খ্রিষ্টান হলেও বাঙালি কালী সাধক হিন্দুর মত জীবনযাপন করতেন।
- তিনি হিন্দু বিধবাকে বিয়ে করেন এবং কলকাতার বউবাজারে ফিরিঙ্গি কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি চমৎকার বাংলা কবিগান গাইতে ও গান বাঁধতে পারতেন।

- তাঁর একটি বিখ্যাত গান:
‘আমি ভজন সাধন জানি নে মা
নিজেত ফিরিঙ্গি
যদি দয়া করে কৃপা কর
হে শিব মাতঙ্গী।’

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটির প্রণেতা-
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. গোলকনাথ শর্মা
  3. রামরাম বসু
  4. হরপ্রসাদ রায়
সঠিক উত্তর:
রামরাম বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামরাম বসু
ব্যাখ্যা
• রামরাম বসু:
- রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'।
- এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাঙালি রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'।
- রামরাম বসু, উইলিয়াম কেরিকে বাংলা ভাষা শেখান ( ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৬ পর্যন্ত)।
- তাই তিনি কেরি সাহেবের মুন্‌সি নামে পরিচিত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২৬.
'ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠীর মুখপত্ররূপে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. বঙ্গদূত
  2. জ্ঞানান্বেষণ
  3. জ্ঞানাঙ্কুর
  4. সংবাদ প্রভাকর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানান্বেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানান্বেষণ
ব্যাখ্যা
• ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী ও এর মুখপাত্র:
- ইংরেজি ভাবধারা পুষ্ট বাঙালি যুবকরাই ইয়ং বেঙ্গল নামে পরিচিত ।
- ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন ডিরোজিও ।
- ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপাত্র স্বরূপ জ্ঞানান্বেষণ, এনকোয়ারার প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ।
- ইয়ং বেঙ্গল এর সদস্য ছিলেন কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাধানাথ শিকদার, প্যারীচাঁদ মিত্র ,তারাচাঁদ চক্রবর্তী প্রমুখ ।

- ১৮৩৩ সালে মাইকেল মধুসূধন দত্ত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। আর এই কলেজেই 'ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছিলো ডিরোজিওর হাত ধরে।
- পরবর্তীতে তিনি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী দ্বারা ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত হন। হিন্দু কলেজের অধ্যাপক ডিরোজিওর স্বদেশানুরাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীতে নাম লেখান।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত পত্রিকার নাম-
  1. অবকাশ রঞ্জিকা
  2. বিবিধার্য সংগ্রহ
  3. কাব্য প্রকাশ
  4. গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
সঠিক উত্তর:
গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
ব্যাখ্যা
• 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কাঙাল হরিনাথ মজুমদার।

• 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকা:
- এটি উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা।
- ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- যদিও প্রকাশের পরের বছর থেকে এটি পাক্ষিক এবং ১৮৭১ সাল থেকে সাপ্তাহিক পত্রিকায় পরিণত হয়।
- প্রথমদিকে পত্রিকাটি মুদ্রিত হতো কলকাতার গিরিশ বিদ্যারত্ন প্রেস থেকে; পরে ১৮৬৪ সালে কুমারখালি থেকে প্রকাশ হয়।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকায় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো।
- আঠারো বছর গ্রামবার্তা প্রকাশিকা সম্পাদনা করার পর সাংবাদিকতা ত্যাগ করে হরিনাথ ধর্মসাধনায় মনোনিবেশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৮.
নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?
  1. চার ইয়ারী কথা
  2. পালামৌ
  3. দৃষ্টিপাত
  4. দেশে বিদেশে
সঠিক উত্তর:
চার ইয়ারী কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার ইয়ারী কথা
ব্যাখ্যা

• 'চার ইয়ারী কথা':
- 'চার ইয়ারী কথা' প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনি।
- গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।

অন্যদিকে,
- ‘পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভ্রমন কাহিনি।
- ‘দৃষ্টিপাত’ বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। 
- ‘দেশে বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- আহুতি।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি-
  1. গণদেবতা
  2. পদ্মানদীর মাঝি
  3. সীতারাম
  4. পথের পাঁচালী
সঠিক উত্তর:
সীতারাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতারাম
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি- ‘সীতারাম’ উপন্যাসে। 

• ‘সীতারাম’ উপন্যাস:

- 'সীতারামে'র বিজ্ঞাপনে বঙ্কিমচন্দ্র সীতারামকে ঐতিহাসিক ব্যক্তি স্বীকার করেও, তাঁর উপন্যাসের সীতারামের অনৈতিহাসিকতা মেনে নিয়েছেন; কারণ, তিনি স্পষ্টই বলেছেন গ্রন্থের উদ্দেশ্য অন্য।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সর্বশেষ উপন্যাস সীতারাম। এতে এক ব্যক্তির পারিবারিক জীবন প্রাধান্য পেয়েছে।

----------------------------
• 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ।
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।


• ‘পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর-জীবন এর মূল কাহিনি। সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য এই উপন্যাসে।
- কুবের-কপিলা এই দুই প্রধান চরিত্রের আন্তঃ-সম্পর্কও উপন্যাসটির ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিয়া ইত্যাদি।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি' ইংরেজি, রুশ, চীনা, চেক, নরওয়েজিয়া, সুইডিশ প্রভৃতি ভাষায় অনূদিত হয়।

• ‘গণদেবতা’ উপন্যাস:
গনদেবতা উপন্যাসের কাহিনি গ্রাম জীবন থেকে নির্বাচিত হয়েছে। গ্রামীণ জীবনের নিস্তরঙ্গ পরিবেশে অধিবাসীরা পুরনো ধান-ধারণা, রীতিনীতি; বিশ্বাস ও সংস্কার মেনেই জীবনযাপণ করে। আধুনিক অবস্থা পরিবর্তনের সঙ্গে গ্রামীণ ভূস্বামী ও মহাজনদের অত্যাচার ও শোষণে তাদের জীবনে আসে বিপর্যের ঘনঘটা সেটাই এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ করা হয়েছে।
- এই উপন্যাসের চরিত্ররা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীভুক্ত; চাষী ও গৃহস্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘গণদেবতা’ উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া
৩০.
নিচের কোন চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথের 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের?
  1. বিহারী-বিনোদিনী
  2. নিখিলেস-বিমলা
  3. মধুসূদন-কুমুদিনী
  4. অমিত-লাবণ্য
সঠিক উত্তর:
নিখিলেস-বিমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিখিলেস-বিমলা
ব্যাখ্যা
• 'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে (১৯১৬) চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি ১৯১৫ সালে ‘সবুজপত্রে’ প্রকাশিত হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উপন্যাসটি রচিত।
- এই উপন্যাসের সঙ্গে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অট' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।

• এর উল্লেখযােগ্য চরিত্র-
- নিখিলেশ,
- বিমলা
- সন্দীপ।

-------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- ১৯১৩ সালে তাঁকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এশিয়ার বিদগ্ধ ও বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই পুরস্কার জয়ের গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি অসংখ্য কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, নৃত্যনাট্য, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র রচনা করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এই পরিবারের পূর্বপুরুষ পূর্ববঙ্গ থেকে ব্যবসায়ের সূত্রে কলকাতায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন।
- উনিশ শতকের বাঙালির নবজাগরণ এবং ধর্ম ও সমাজ-সংস্কার আন্দোলনে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য।
- এ যুগের অন্যতম সমাজ-সংস্কারক এবং একেশ্বরবাদের প্রবক্তা রামমোহন রায় ছিলেন দ্বারকানাথের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
- রামমোহন রায়ের আদর্শ দ্বারকানাথ, তাঁর পুত্র দেবেন্দ্রনাথ এবং দৌহিত্র রবীন্দ্রনাথের ওপর এক অভাবনীয় প্রভাব বিস্তার করে।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- বাংলাদেশের শাহজাদপুর, পতিসর, কালিগ্রাম ও শিলাইদহে আসেন।
- তিনি ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাসঃ
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩১.
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?
  1. রিক্তের বেদন
  2. সর্বহারা
  3. আলেয়া
  4. কুহেলিকা
সঠিক উত্তর:
কুহেলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুহেলিকা
ব্যাখ্যা

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে(১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
- এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, ''ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।''

অন্যদিকে,
- 'আলেয়া' কাজী নজরুল ইসলামের গীতিনাট্য।
- সর্বহারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৬ খৃষ্টাব্দে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রিক্তের বেদন' দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৩২.
কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য?
  1. ব্রজাঙ্গনা
  2. বিলাতের পত্র
  3. বীরাঙ্গনা
  4. হিমালয়
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা
ব্যাখ্যা
• বীরাঙ্গনা কাব্য:
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' (১৮৬২) মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কবি পাবলিসাস ওভিডিয়াস ন্যাসো সংক্ষেপে ওভিদের 'হেরোইদাইদ্‌স' কাব্যের অনুসরণে এই গ্রন্থ রচিত।
- এখানে মোট এগারটি পত্র আছে।
- দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, দশরথের প্রতি কৈকেয়ী, সোমের প্রতি তারা, নীলধ্বজের প্রতি জনা প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয়-কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করতেও কুণ্ঠিত নয়।
- এই গ্রন্থ রচনার জন্য সমকালে মধুসূদন নিন্দিত হয়েছিলেন।

-----------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মহাকবি, প্রথম আধুনিক নাট্যকার, বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী লেখক।
- পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল।
- মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদন দত্তের শিক্ষারম্ভ হয়।
- ১৮৩৩ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষা শেখেন।
- হিন্দু কলেজে অধ্যয়নের সময়েই মধুসূদন দত্ত কাব্যচর্চা শুরু করেন। তখন তাঁর কবিতা জ্ঞানান্বেষণ, Bengal Spectator, Literary Gleamer, Calcutta Library Gazette, Literary Blossom, Comet প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
- মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯ বছর বয়সে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তখন থেকে তাঁর নামের পূর্বে 'মাইকেল' শব্দটি যুক্ত হয়।
- স্ত্রী হেনরিয়েটার মৃত্যুর তিনদিন পরে ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন, কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

অন্যদিকে,
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত গীতিকাব্য - ব্রজাঙ্গনা কাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
'একখানি ছোট খেত আমি একেলা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার চরণ?
  1. সোনার তরী
  2. চিত্রা
  3. মানসী
  4. বলাকা
সঠিক উত্তর:
সোনার তরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনার তরী
ব্যাখ্যা
• একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা,
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা। - কবিতার চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সোনার তরী কবিতার অন্তর্গত।

• ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থ:
- 'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা।
- এ কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবন দর্শন।
- সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত।
- এর অধিকাংশ পঙক্তি ৮+৫ মাত্রার পূর্ণপর্বে বিন্যস্ত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।

-----------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' - কবিতাটি কার লেখা?
  1. শামসুর রাহমান
  2. আল মাহমুদ
  3. আবুল ফজল
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি':
- 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে।
- গ্রন্থটিতে কবিতা রয়েছে ৩৯টি কবিতা।
- এই কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় আছে 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' লাইনটি।

--------------------------
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন কবি ও সরকারি কর্মকর্তা।
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো :
- সাত নরীর হার,
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- প্রেমের কবিতা,
- নির্বাচিত কবিতা,
- আমার সকল কথা,
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৫.
কোনটি শওকত ওসমানের রচনা নয়?
  1. চৌরসন্ধি
  2. ক্রীতদাসের হাসি
  3. ভেজাল
  4. বনি আদম
সঠিক উত্তর:
ভেজাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেজাল
ব্যাখ্যা
[মূল প্রশ্নের অপশনে টাইপিং মিস্টেক ছিল। শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস- বণী আদম।। তবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে অপশন ‘গ’ গ্রহণ করা হয়েছে।]

• শওকত ওসমানের রচনা নয়- ভেজাল।
• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত ‘ভেজাল’ একটি কবিতা।

----------------------------
• শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- উপন্যাস ও গল্প রচয়িতা হিসেবেই শওকত ওসমানের মুখ্য পরিচয়; তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি রচনা করেছেন।
- তাঁর 'জননী' ও 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে। জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২), আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), একুশে পদক (১৯৮৩), ফিলিপস পুরস্কার (১৯৯১), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ১৪ই মে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- চৌরসন্ধি,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- বণী আদম,
- পুরাতন খঞ্জর।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জাহান্নম হইতে বিদায়,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- জলাংগী।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পিঁজরাপোল,
- জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প,
- প্রস্তর ফলক,
- উভশৃঙ্গ,
- শ্রেষ্ঠ গল্প,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে,
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩৬.
Professor Razzak was a scholar ____ refute. (Fill in the gap)
  1. in
  2. of
  3. after
  4. by
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যটিতে ভুল রয়েছে।
- Refute না হয়ে repute হলে, শূন্যস্থানে of যুক্ত হয়ে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।
- তখন বাক্যের অর্থ হবে,“রাজ্জাক সাহেব একজন খ্যাতিসম্পন্ন বিদ্বান ব্যাক্তি ছিলেন”।

• A scholar of repute
- খ্যাতিসম্পন্ন পণ্ডিত বা বিদ্বান লোক।

• Refute কে spelling mistakes ধরে উত্তর of রাখা হয়েছে।
৩৭.
'David Copperfield' is a/an ___ novel.
  1. Victorian
  2. Elizabethan
  3. Romantic
  4. Modern
সঠিক উত্তর:
Victorian
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian
ব্যাখ্যা
• David Copperfield:
- এটি Victorian novelist Charles Dickens রচিত একটি উপন্যাস।
- যেহেতু charles Dickens ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক সুতরাং, 'David Copperfield' is a Victorian novel.

• উপন্যাসটির পুরো নাম: The Personal History of David Copperfield যা পূর্নাঙ্গ বই আকারে এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫০ সালে।
- লেখকের মতে এটা তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তিনি এটাকে আখ্যায়িত করতেন তার “favorite child.” হিসেবে।
- The work is semi-autobiographical বা আত্মজীবনী মূলক উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখার প্রেরণা লেখক তার নিজের জীবন থেকেই সংগ্রহ করেছিলেন। কাহিনীর সময়কাল হিসেবে দেখানো হয়েছে রাণী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের প্রথমদিকের সময়।

• Characters:
- Uriah Heep,
- Peggotty,
- James Steerforth,
- David Copperfield,
- Wilkins Micawber,
- Edward Murdstone,
- Aunt Betsey Trotwood,
- Dora Spenlow, etc.

• Charles Dickes:
- Born: February 7, 1812, Portsmouth, Hampshire, England।
- Death: June 9, 1870.
- Boz' was the pseudonym of Charles Dickens.
- He was considered the greatest novelist of the Victorian era.

• Best Works:
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৮.
'Elegy Written in a Country Churchyard' is written by-
  1. William Wordsworth
  2. Thomas Gray
  3. John Keats
  4. W. B. Yeats
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
ব্যাখ্যা
• 'Elegy Written in a Country Churchyard'
- Thomas Gray wrote the poem 'An Elegy Written in a Country Church Yard.
- Iambic pentameter quatrains এ লেখা এই কবিতাটি ১৭৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
- It exhibits the gentle melancholy that is characteristic of the English poets of the graveyard school of the 1740s and ’50s.
- A meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality, An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language.
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে।

• The Age of Sensibility এর বিখ্যাত কবি Thomas Gray is known as a Graveyard poet.

• His famous quotations:
- Where ignorance is bliss, it is folly to be wise.
- Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air.
- The paths of glory lead but to grave.
- Far from the madding crowd’s ignoble strife
Their sober wishes never learn’d to stray' .

Source: Britannica and SparksNotes.
৩৯.
John Smith is good _____ Mathematics. (Fill in the gap)
  1. at
  2. in
  3. of
  4. after
সঠিক উত্তর:
at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at.
- Complete sentence: I am not good at English.

• দক্ষতা/অদক্ষতা বুঝাতে good এর সাথে at ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- good at, bad at etc.

• Good at অর্থ হলো দক্ষ।
- কোনো কিছুতে দক্ষ বোঝাতে সাধারণত Good at বসে।

•যেমন:
- He is bad/good at cricket. [a bad/good player]
- Running is bad/good for you. [unhealthy/healthy]
- I am not bad at tennis.
- He is good at chess.

Source: Cambridge Dictionary.
৪০.
Shakespeare's 'Measure for Measure' is a successful ___
  1. tragedy
  2. comedy
  3. tragi-comedy
  4. melodrama
সঠিক উত্তর:
tragi-comedy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
tragi-comedy
ব্যাখ্যা
• "Measure for Measure" is a play written by William Shakespeare and is considered to be a tragi-comedy.
- The play deals with serious themes such as justice, morality, and sexual hypocrisy, which are often associated with tragedies.
- However, the play also contains many comic elements, including witty wordplay, mistaken identity, and humorous situations.
- The play's ending is somewhat ambiguous, as some characters are punished for their misdeeds, while others are rewarded. This mix of serious and comic elements, as well as the uncertain outcome, is typical of tragi-comedies.
- It sits uneasily between tragedy and comedy.

• Overall, "Measure for Measure" is generally considered a tragi-comedy due to its blend of serious and comic elements and its ambiguous resolution.
সুতরাং, এটি Tragi-comedy হিসেবে বিবেচিত হয়।

• এই comedy এর অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - 
- Vincentio
- Claudio
- Lord Angelo
- Mistress Overdone
- Juliet, etc.

• William Shakespear রচিত কিছু Comedy এবং  Tragi-comedy:

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure, etc.

Source: Britannica.
৪১.
Teacher said, 'The earth ____ round the sun.'
  1. moves
  2. moved
  3. has moved
  4. will be moving
সঠিক উত্তর:
moves
উত্তর
সঠিক উত্তর:
moves
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - moves
- Complete sentence: Teacher said, 'The earth moves round the sun'.

• 'General truth', 'universal truth' সবসময় present indefinite tense দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- Present indefinite tense এর structure হলো Subject + verb এর base form + object.
- subject টি third person singular number হলে verb এর সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হয়)
- সুতরাং verb-টি হবে 'moves'.
৪২.
The romantic age in English literature began with the publication of ___
  1. Preface to Shakespeare
  2. Preface to Lyrical Ballads
  3. Preface to Ancient Mariners
  4. Preface to Dr. Johnson
সঠিক উত্তর:
Preface to Lyrical Ballads
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preface to Lyrical Ballads
ব্যাখ্যা
• 1798 সাল থেকে 1832 সাল পর্যন্ত সময়কাল কে ইংরেজি সাহিত্যে Romantic Period হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা Preface to Lyrical Ballads এর মাধ্যমে এই যুগের সুচনা হয়। 

• Lyrical Ballads:
- It is a collection of poems.
- It was first published in 1798.
- The Romantic period began with the publication of Lyrical Ballads.
- Lyrical Ballads is a collection of Romantic poems.
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে প্রকাশিত কবিতাগুলো বিষয়বস্তুর দিকে যেমন সরল তেমনি শব্দের ব্যবহারের দিক দিয়েও উচ্চাঙ্গের কিছু না।
- অন্যভাবে বললে, এই কবিতাগুলো অলংকার বিবর্জিত এবং কৃত্রিমতা বিহীন।
- সাধারণ মানুষের মুখে যে ভাষা প্রচলিত ছিল সেসব শব্দই তিনি এই কবিতাতে ব্যবহার করেন।

• Lyrical Ballads এ মোট 23 টি কবিতা রয়েছে। 
- তার মধ্যে 19 টি William Wordsworth ও 4 টি S.T. Coleridge এর।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৪৩.
In English grammar, ____ deals with formation of sentences.
  1. Morphology
  2. Etymology
  3. Syntax
  4. Semantics
সঠিক উত্তর:
Syntax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syntax
ব্যাখ্যা
• ইংরেজি গ্রামারে 'Syntax' deals with formation of sentence.
- Syntax - The arrangement of words and phrases to create well-formed sentences in a language.

অন্যদিকে,
• Morphology - The study of the forms of words
• Etymology - The origin of a word and the historical development of its meaning.
• Semantics - deals with the e meaning of a word, phrase, sentence, or text.

Source: Oxford Learners Dictionary.
৪৪.
Which of the following books is written by Thomas Hardy?
  1. Vanity Fair
  2. The Return of the Native
  3. Pride and Prejudice
  4. Oliver Twist
সঠিক উত্তর:
The Return of the Native
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Return of the Native
ব্যাখ্যা
• The Return of the Native:
- Victorian যুগের ঔপন্যাসিক Thomas Hardy রচিত বহুল পঠিত একটি উপন্যাস।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Clym Yeobright যে প্যারীসে স্বর্ণকারের পেশা ছেড়ে নিজ ভূমি Wessex এ ফিরে আসে এবং স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে।
- তার কাজিন Thomasin ও তার স্বামীকে নিয়ে গ্রামেই বসবাস করতে চায় ।
- কিন্তু Clym Yeobright এর স্ত্রী এবং Thomasin এর স্বামী শহুরে জীবনের উত্তেজনা ভোগ করতে চায়।
- অত:পর তারা দুইজনে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

• Thomas Hardy:
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি।
- একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- এছাড়াও, তাকে Pessimistic Novelist হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে।
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত। এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

• অন্যদিকে, 
ক) Vanity Fair is a novel by William Makepeace Thackrey.
গ) Pride and Prejudice is a novel ny Jane Austen.
ঘ) Oliver Twist is a novel by Charles Dickens.

Source: Britannica.com
৪৫.
He insisted _____ there. (Fill in the gap)
  1. on my going
  2. is to go
  3. over going
  4. to go
সঠিক উত্তর:
on my going
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on my going
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence - He insisted on my going there.

• Insist on/upon/ Insist on doing something:

- To keep doing something, even if it annoys other people, or people think it is not good for you.
- বাংলায়, কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা  ।
- Insist on/upon এর সাথে verb এর -ing form বসে।

যেমন:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.
- He insisted on seeing her.

Source: Cambridge Dictionary Grammar Reference.
৪৬.
The idiom 'A stitch in time saves nine' ____ refers to the importance of -
  1. saving lives
  2. timely action
  3. saving time
  4. time tailoring
সঠিক উত্তর:
timely action
উত্তর
সঠিক উত্তর:
timely action
ব্যাখ্যা
• A Stitch in time saves nine
- এটি একটি প্রবাদ বাক্য।
- এর বাংলা অর্থ- সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়।
- English Meaning: used to say that it is better to fix a problem when it is small than to wait and let it become a bigger problem.
- অর্থাৎ, সময়মতো কাজ করাকে নির্দেশ করে যা timely action এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Example Sentence: It seems that something is wrong with my car, it’s better to get its check-up as a stitch in time saves nine.

Reference: Merriam Webster.
৪৭.
'Frailty thy name is woman'- is a famous dialogue from.
  1. Christopher Marlowe
  2. John Webstar
  3. W. Shakespeare
  4. T. S. Eliot
সঠিক উত্তর:
W. Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. Shakespeare
ব্যাখ্যা
• 'Frailty thy name is woman' এটি William Shakespeare এর বিখ্যাত একটি উক্তি।
- এটি তাঁর বিখ্যাত tragedy 'Hamlet' থেকে নেওয়া।
- এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
- উক্তিটি এই tragedy এর প্রথম soliloquy হতে উদ্ধৃত। 
- এই উক্তির দ্বারা মুলত Hamlet তাঁর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সমগ্র নারী জাতিকে frail and weak in character বলে অভিহিত করেছেন।

• Hamlet is a famous tragedy by William Shakespeare.
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy।
- এটি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল।
- ১৬০৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এই tragedy তে Shakespeare Denmark এর prince Hamlet এর কাহিনী তুলে ধরেছেন, যে জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং  জানতে পারে যে , তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।

• Famous other quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.

Source: Britannica and SparkNotes.com.
৪৮.
The poem 'The Solitary Reaper' is written by-
  1. W. H. Auden
  2. W. Wordsworth
  3. W.B. Yeats
  4. Ezra Pound
সঠিক উত্তর:
W. Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. Wordsworth
ব্যাখ্যা
• The Solitary Reaper: 
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে। 
 - কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীন পরিবেশে এবং পাহাড়ী এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন।
- কাজের পাশাপাশী সে করুন দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে।
-  The Solitary Reaper  বাংলা অর্থ একাকী শস্যচ্ছেদক(যে ফসল কাটে)।

• William Wordsworth (1770 - 1850): 
- William Wordsworth রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি। 
- তিনি ‘Poet of Nature’ নামে পরিচিত। 
- তার বিখ্যাত কবিতা The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী)। 

• তার অন্যান্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- Daffodils,
- The Excursion,
- The Prelude,
- The Recluse,
- Lucy etc.

Source: Britannica.
৪৯.
'The Merchant of Venice' is a Shakespearean play about-
  1. a Jew
  2. a Moor
  3. a Roman
  4. a Turk
সঠিক উত্তর:
a Jew
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a Jew
ব্যাখ্যা
• 'The Marchant of the Venice' is a Shakespearean play about - A Jew.
- 'The Merchant of Venice' is a tragy-comedy by William Shakespeare.
- এক ইহুদি সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট  tragy-comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এটি লেখা হয়েছিল।

• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Some important quotes of The Merchant of Venice: 
- All that glisters is not gold
- The devil can cite Scripture for his purpose. 
- It is a wise father that knows his own child. 
- Love is blind, and lovers cannot see the pretty follies that themselves commit.

Source: Britannica.
৫০.
What would be the right antonym for 'initiative'?
  1. apathy
  2. indolence
  3. enterprise
  4. activity
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• Initiative
English Meaning: The power or opportunity to act or take charge before others do.
Bangla Meaning: প্রথম পদক্ষেপ। 

• প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Apathy
English Meaning: lack of interest, enthusiasm, or concern.
Bangla Meaning: উদাসীনতা বা অনীহা।

খ) Indolence
English Meaning: Avoidance of activity or exertion; laziness. 
Bangla Meaning: অলস; শ্রমবিমুখতা।

গ) Enterprise
English Meaning: Project or undertaking, especially a bold or complex one.
Bangla Meaning: সাহসী উদ্যোগ বা কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করার সাহস ও ইচ্ছা।

ঘ) Activity
English Meaning: The condition in which things are happening or being done.
Bangla Meaning: কার্যকলাপ; কাজকর্ম।

তাই,  "indolence" এবং  apathy উভয়ই 'Initiative' এর বিপরীত হতে পারে।
- indolence" মূলত ক্রিয়াশীলতা বা সক্রিয়তার অভাবের দিকে ইঙ্গিত করে, যেখানে "apathy" আগ্রহ ও আবেগের অভাব নির্দেশ করে।
- দুটি অর্থেই তারা 'Initiative' এর বিপরীত।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary.
৫১.
The play 'Candida' is by-
  1. James Joyce
  2. Shakespeare
  3. G. B. Shaw
  4. Arthur Miller
সঠিক উত্তর:
G. B. Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
G. B. Shaw
ব্যাখ্যা
• The play 'Candida' is written by - G. B Shaw.
- Shaw এর রচিত বিখ্যাত নাটক  'Candida' এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Candida, তার ধর্ম যাজক স্বামী James Mavor Morell এবং  তরুন কবি Eugene Marchbanks যে কিনা Candida এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং ভাবে Candida দাম্পত্য জীবনে সুখী নয়।
- ত্রিভুৃজ প্রেমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে Candida.
- এটি মূলত একটি কমেডি নাটক।

• Main Characters:
- Candida,
- Miss Proserpine Garnett,
- The Reverend James Mavor Morell,
- The Reverend Alexander (Lexy) Mill,
- Mr. Burgess,
- Eugene Marchbanks, etc.

G. B. Shaw (1856-1950): 
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw. 
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার। 
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক। 
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 
- He was famous for his 'drama of ideas'.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.
৫২.
Which of the following writers belongs to the romantic period in English literature?
  1. A. Tennyson
  2. Alexander Pope
  3. John Dryden
  4. S.T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
S.T. Coleridge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S.T. Coleridge
ব্যাখ্যা
Among the options S.T. Coleridge belongs to the romantic period in English literature.

• Samuel Taylor Coleridge: 
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria; (Literary criticism/autobiography)
- Christabel; ( long narrative ballad)
- Dejection: An Ode;
- Frost at Midnight;
- Kubla Khan;
- Lyrical Ballads;
- On the Constitution of the Church and State;
- The Rime of the Ancient Marine.

• অন্যদিকে,
ক) A. Tennyson - belongs to the victorian period.
খ) Alexander Pope - belongs to the Augustan age/ The Neo-classical period.
গ) John Dryden - belongs to the Restoration/ The Neo-classical period.

Source: Encyclopedia Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৫৩.
This could have worked if I ___ been more cautious.
  1. had
  2. have
  3. might
  4. would
সঠিক উত্তর:
had
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - had.
- Complete Sentence: This could have worked if had I been more cautious.

• Third conditional এর নিয়মানুযায়ী principal clause এ would have/could have/might have থাকলে if clause টি past perfect হয়।

• একটি Conditional sentence  এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত  
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals
2. The First Conditionals
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals

• এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো:
• Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth)
• 1st Conditional = If + Present + Future
• 2nd Conditional = If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb)
• 3rd Conditional = If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3)
৫৪.
The Climax of a plot is what happens-
  1. in the beginning
  2. at the height
  3. at the end
  4. in the confrontation
সঠিক উত্তর:
at the height
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at the height
ব্যাখ্যা
• The 'climax' of a plot is what happens at height.

• Climax
- Climax is the highest point of tension in a narrative’s plot.
- It’s the most exciting moment.
- The rising action leads up to the climax, and then ( after the climax) follows the falling action.
- অর্থাৎ, এটি হচ্ছে কোন নাটকের বা গল্পের সর্বোচ্চ অবস্থা বা turning point যেখানে ঘটনার বৃদ্ধি শেষ হয় আর ঘটনার পতন শুরু হয়।
- সুতরাং, Climax happens at the height of a plot.

• For example:
- Antigone’s death is the climax of Oedipus.
- 'He smiles, he laughs and he roars.' The climax is at the end of the sentence.

Source: An ABC of English Literature by  Dr. M Mofizar Rahman.
৫৫.
London town is found a living being in the works of-
  1. Thomas Hardy
  2. Charles Dickens
  3. W. Congreve
  4. D. H. Lawrence
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
ব্যাখ্যা
• London town is found as a living being in the writings of Charles Dickens.

• Charles Dickens:
- He was born on February 7, 1812, at Portsmouth in Hampshire in England.
- Victorian যুগের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। 
- তিনি এখনও বিশ্বের নানা প্রান্তে তুমুল জনপ্রিয়। 
- তার রচিত উপন্যাসগুলো প্রায় সব দেশের মানুষের কাছে সমাদৃত এবং বহু ভাষায় অনুদিত। এই উপন্যাসগুলো আবার কয়েক শ্রেণীতে ভাগ করা যায় । যেমন: ভ্রমন মূলক, ঐতিহাসিক উপাখ্যান , সমাজ সংস্কার মূলক কিংবা আত্মজীবনী মূলক। এছাড়া তিনি অধিকাংশ সময়ই দরিদ্র মানুষ এবং তাদের নানামুখী সংগ্রাম নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন।  
- অনেকের মতে তিনি সর্ব যুগের সেরা ইংরেজ ঔপন্যাসিক। 
- He died on 9th June 1870 in England.

Charles Dickens এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস সমূহ: 
- A Tale of Two Cities,
- A Christmas Carol,
- Great Expectations,
- David Copperfield,
- Oliver Twist,
- The Pickwick Papers,
- Bleak House,
- Hard Time, etc.

Source: Brtitannica.com  
৫৬.
I have been living in Dhaka _____ 2000.
  1. since
  2. from
  3. after
  4. till
সঠিক উত্তর:
since
উত্তর
সঠিক উত্তর:
since
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - since.
- Complete Sentence: I have been living in Dhaka since 2007.

• Since এর ব্যবহার:
- Point of time এর পূর্বে since বসে।
- Point of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনার একক দ্বারা গণনা করা যায় না বরং কোনো সময়কে নির্দেশ করে।
- সময় - নির্দিষ্ট দিন হতে পারে (Friday, Monday), নির্দিষ্ট ঘড়ির কাঁটা হিসেবে ঘন্টা হতে পারে (five o'clock), নির্দিষ্ট সাল হতে পারে (1971) প্রভৃতির পূর্বে since বসে।

Example Sentence:
- They have been playing since four o'clock. 
- He has been ill since Friday.
- I have been waiting since half past three.
৫৭.
Give the antonym of the word 'transitory'.
  1. temporary
  2. permanent
  3. transparent
  4. short-lived
সঠিক উত্তর:
permanent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
permanent
ব্যাখ্যা
Transitory: স্বল্পকালস্থায়ী।

• প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলোর অর্থ,
- Temporary: ক্ষণস্থায়ী
- Permanent: চিরস্থায়ী
- Transparent: আলোকভেদ্য, দ্রষ্টব্য 
- Short-lived: ক্ষণস্থায়ী 

• অর্থগুলো বিবেচনা করে দেখা যায়, The antonym of the word "transitory" - permanent.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৮.
Verb of 'Number' is __
  1. number
  2. enumerate
  3. numbering
  4. numerical
সঠিক উত্তর:
number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
number
ব্যাখ্যা
• According to The Oxford dictionary,

ক) Number (noun) (পরিমাণ বা অঙ্ক; সংখ্যা) - An arithmetical value, expressed by a word, symbol, or figure, representing a particular quantity and used in counting and making calculations.
- Number (Verb) (সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত করা; সংখ্যা দেওয়া)
- Amount to (a specified figure or quantity); comprise.

 খ) Enumerate (verb)  গণনা করা; এক এক করে নামোল্লেখ করা
- it itself is a different verb that is similar to the verb 'number'

গ) Numbering (verb)-  চিহ্নিত করা; সংখ্যাগণনা করা; সংখ্যা দেত্তয়া;
- This is the continuous form or gerund of the verb "number." It denotes an ongoing action.
- For example, "He is numbering the pages of the manuscript."

ঘ) Numerical(adjective) সংখ্যাবিষয়ক; সংখ্যাভুক্ত; সংখ্যাসূচক।

• Number এবং Numbering উভয়ই verb form এ রয়েছে কিন্তু tense ভেদে এরা ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু যদি number এর base verb form জানতে চাওয়া হয় তবে সেক্ষেত্রে Number অধিক গ্রহণ যোগ্য।
- যদি number এর ongoing or continous form জানতে চাওয়া হয়, তখন সেক্ষেত্রে numbering গ্রহণযোগ্য।
- প্রদত্ত প্রশ্নে parts of speech এর interchange এর ভিত্তিতে যেহেতু number এর verb form জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই অধিক গ্রহণ যোগ্য উত্তর হিসেবে number উত্তর রাখা হয়েছে।

Source: Oxford Dictionary and Merriam Webster Dictionary and Bangla Academy Dictionary.
৫৯.
'Child is the father of man' is taken from the poem of-
  1. W. Wordsworth
  2. S. T. Coleridge
  3. P.B. Shelley
  4. A.C. Swinburne
সঠিক উত্তর:
W. Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. Wordsworth
ব্যাখ্যা
• In the poem "My Heart Leaps Up" William Wordsworth writes "Child is the father of the man".

• "My Heart Leaps Up/ The Rainbow":
 ১৮০২ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি একটি short lyric poem.
- The poem is also called The Rainbow.
- Like many of his poems from this period, "My Heart Leaps Up" was inspired by nature, as the speakers describes the feeling of joy upon seeing a simple rainbow.
- The poem also appreciates the importance of carrying child-like enthusiasm and wonder throughout life, an idea that Wordsworth returns throughout much of his work.

• William Wordsworth, ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period এর অন্যতম কবি।
- William Wordsworth is regarded as one of the central figures in the initiation of English Romanticism.

• His famous quotations:
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Poetry is a spontaneous overflow of powerful feelings',
- 'Poet is the breath and final speed of knowledge',
-'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.

Source: Sparksnotes.com and Britannica.
৬০.
Slow and steady ____ the race. (Fill in the gap)
  1. win
  2. wins
  3. has won
  4. won
সঠিক উত্তর:
wins
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wins
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -wins.
- Complete Sentence: Slow and steady wins the race.

• সমজাতীয় একাধিক noun যেমন- bread and butter, slow and steady ইত্যাদি দ্বারা যদি একই জিনিসকে বুঝায় তাহলে সেটি singular হয়।
- তাই verb ও singular.

• এছাড়া, "Slow and steady wins the race."
- এটি একটি প্রবাদ।
- সে হিসেবেও শূন্যস্থানে wins বসানোই যৌক্তিক।
৬১.
'Man is a political animal'- who said this?
  1. Dante
  2. Plato
  3. Aristotle
  4. Socrates
সঠিক উত্তর:
Aristotle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aristotle
ব্যাখ্যা
• Man is by nature a political animal' is stated by - Aristotle.
-  this is perhaps one of Aristotle's most famous sayings, which is motivated by his claim that “every man, by nature, has an impulse toward a partnership with others”
- উক্তিটি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'Politics' হতে উদ্ধৃত।
- Aristotle এর লেখা ‘Politics’ হলো একটি political philosophy গ্রন্থ।
- Aristotle observes; human beings are creatures of flesh and blood, rubbing shoulders with each other in cities and communities.

Source: Britannica.
৬২.
Who is known as 'the poet of nature' in English literature?
  1. Lord Tennyson
  2. John Milton
  3. William Wordsworth
  4. John Keats
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• William Wordsworth (1770 -1850) is known as the 'Poet of Nature'.
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- William Wordsworth is pre-eminently a - nature poet.
- তিনি ১৮৪৩ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত England এর ‘Poet Laureate’ ছিলেন। 
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় ।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father of Romantic Age বলা হয়।

• তাঁর কয়েকটি উপাধি হচ্ছে -
- Poet of Nature,
- Poet of Childhood,
- Lake Poet.

• Famous poems of Wordsworth:
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- the World is too Much with Us,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on immortality,
- The Excursion,
- Michael, etc.

• The only play by William Wordsworth is The Borderers.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৬৩.
Identify the correct sentence?
  1. Yesterday, he has gone home
  2. Yesterday, he did gone home
  3. Yesterday, he had gone home
  4. Yesterday, he went home
সঠিক উত্তর:
Yesterday, he went home
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yesterday, he went home
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে Yesterday, he went home

• বাক্যের শেষে 'yesterday' থাকায় Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। 
- Yesterday, ago, long ago, long since, last, last night, last week, last month, last year, the day before yesterday, as soon as ইত্যাদি শব্দগুচ্ছ Past Indefinite Tense নির্দেশক শব্দ অর্থ এরা যদি কোনো বাক্যে থাকে তবে সেই বাক্যটি past indefinite tense এ হয়।

• Past Indefinite Tense এর structure হবে:
- Subject + did + V1 + extension +?
৬৪.
"A Passage to India" is written by-
  1. E. M. Forster
  2. Rudyard Kipling
  3. Galls Worthy
  4. A. H. Auden
সঠিক উত্তর:
E. M. Forster
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E. M. Forster
ব্যাখ্যা
• 'A Passage to India'
'A Passage to India' is written by - E.M. Forster.
- ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল যেটিকে লেখকের অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book also portrays the relationship between the British and the Indians in India.
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Dr. Aziz এবং Adela Quested.

এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz: He is the central character of the novel.
- Adela Quested: A young and idealistic Englishwoman who travels to India with Mrs. Moore.
- Mrs. Moore: Adela's elderly traveling companion and the mother of Ronny Heaslop.
- Ronny Heaslop: Mrs. Moore's son and a British magistrate in Chandrapore.
- Cyril Fielding: The principal of the government college near Chandrapore and Dr. Aziz's friend.
- Stella Moore: Stella was Mrs. Moore's daughter, who lived in England.

• E. M Forster in full Edward Morgan Forster:
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের মডার্ণ পিরিয়ড এর একজন সুপরিচিত সাহিত্যিক।
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic..

• E.M. Forster's other works -
- Aspects of novel,
- The Longest Journey,
- A Room with a View,
- Howards End, etc.

Source: Britannica.
৬৫.
'Gitanjali' of Rabindranath Tagore was translated by-
  1. W. B. Yeats
  2. Robert Frost
  3. John Keats
  4. Rudyard Kipling
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats
ব্যাখ্যা
• Gitanjali or Song of Offerings: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলীর ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছে Song of Offerings.
- Tagore then translated it into prose poems in English as 'Gitanjali : Song Offerings' and it was published in 1912 with an preamble written by W.B. Yeats.
অর্থাৎ, এর অনুবাদের কাজটি লেখক নিজেই করেন। 
- তবে এর  Introduction বা ভূমিকা লেখেন, W.B. Yeats.

•  অতএব গীতাঞ্জলির সাথে W. B Yeats এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- তাই, W. B Yeats গীতাঞ্জলির অনুবাদ না করলেও,যেহেতু এর preface লিখেছেন এবং এর সাথে সম্পর্কিত, তাই উত্তর ক) রাখা হয়েছে।

• W.B. Yeats
- He was born in Ireland in 1865. 
- Irish Poet, Dramatist, and Prose writer.
- বিংশ শতকে অনুষ্ঠিত হওয়া সাহিত্যে জগতে আইরিশ পুনর্জাগরণের অন্যতম পথিকৃত এই লেখক। 
- প্রথম আইরিশ লেখক হিসেবে তিনি নোবেল পুরষ্কার পান ১৯২৩ সালে। 
- তিনি তার রচিত সাহিত্যকর্মে symbolism এবং  mysticism ব্যবহার করেছিলেন। 

• শ্রেষ্ঠ কবিতাসমূহ:
- The Wild Swans at Coole,
- Responsibilities: Poems and a Play,
- The Tower,
- A Vision,
- No Second Troy,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Sailing to Byzantium, etc.

Source: Live MCQ Lecture এবং ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস// লেখক: সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন।
৬৬.
'Venerate' Means-
  1. defame
  2. abuse
  3. respect
  4. accuse
সঠিক উত্তর:
respect
উত্তর
সঠিক উত্তর:
respect
ব্যাখ্যা
• Venerate
English Meaning: Regard with great respect.
Bangla Meaning: গভীরভাবে শ্রদ্ধা/ভক্তি করা; পূজা করা।

• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) defame - মানহানি করা; কুৎসা রটনা করা।
খ) abuse - অপব্যবহার; অন্যায় সুবিধা গ্রহণ; অমর্যাদা।
গ) respect - ভক্তি করা।
ঘ) accuse - অভিযুক্ত/দোষী করা।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে - Venerate means respect.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৭.
Credit tk 5000 ___ my account.
  1. in
  2. with
  3. against
  4. to
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• To deposit an amount to someone’s account, we use credit to.
- যেমন- Credit Tk. 10,000 to her account.

• তাই সঠিক উত্তর হবে - to.
- Complete sentence: Credit tk 2000 to my account.

• মনে রাখতে হবে,
- Credit-এর পর amount এবং তারপর account-এর আগে to বসে।
- যেমন- Credit tk 2000 to my account.

- Credit-এর পর account এবং তারপর amount-এর আগে with বসে।
- যেমন- They credited my account with $20 after I pointed out the mistake.
৬৮.
'To do away with' means-
  1. to repeat
  2. to start
  3. to get rid of
  4. to drive off
সঠিক উত্তর:
to get rid of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to get rid of
ব্যাখ্যা
• To do away with
English Meaning: put an end to / remove/to get rid of.
Bangla Meaning: সমাপ্তি টানা / বিনাশ সাধন করা

Ex. Sentence: These ridiculous rules and regulations should have been done away with years ago.
Bangla Meaning: এসব অবান্তর আইন কানুন অনেক আগেই বিলুপ্ত করা উচিত ছিলো।

Source: Live MCQ Lecture.
৬৯.
Who of the following writers was not a novelist?
  1. Charles Dickens
  2. W.B. Yeats
  3. James Joyce
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
W.B. Yeats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W.B. Yeats
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - W.B Yeats is not a novelist,
- তিনি একজন আইরিশ নাট্যকার, কবি ও সাহিত্য সমালোচক।
- তাছাড়া Charles Dickens, James Joyce, Jane Austen তিনজনই Novelist.

W.B Yeats
- W. B. Yeats কে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্মগুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- প্রথম আইরিশ লেখক হিসাবে ১৯২৩ সালে তিনি সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন। 
 
• তাঁর রচিত কিছু বিখ্যাত কবিতা - 
- No Second Troy,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- Sailing to Byzantium,
- The Second Coming,
- Easter 1916,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- The Stolen Child,
- The Lake Isle of Innisfree,
- September 1913,
- An Irish Airman Foresees His Death.
 
• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Countess Cathleen,
- The Hour Glass,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Calvary,
- At Hawk's Wall, etc.
 
Source: Britannica.
৭০.
Which one is the correct sentence?
  1. paper is made of wood
  2. paper is made from wood
  3. paper is made by wood
  4. paper is made on wood
সঠিক উত্তর:
paper is made from wood
উত্তর
সঠিক উত্তর:
paper is made from wood
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হচ্ছে - paper is made from wood.

• কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা গেলে made of বসে।
- The table is made of wood. 
- The ring is made of gold.
- এখানে table বা ring তৈরি করার পরও এগুলোর উপাদান wood/gold অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। 

• আর কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা না গেলে বা উপাদান পরিবর্তিত হলে made from বসে। 
- The paper is made from wood.
- Glass is made from sand.
- এখানে paper বা Glass তৈরি করার পর এগুলোর উপাদান wood/sand আর দেখা যাচ্ছে না বা উপাদান পরিবর্তন হয়েছে।
৭১.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. দ্রাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. ভোটচীন
  4. অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির প্রধান অংশ অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

• বাঙালি আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।

- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।

- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস:
i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii)বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
৭২.
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কি?
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. গৌড়
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা
• বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম- 'পুণ্ড্র'। 
------------- 
• 'পুন্ড্র' জনপদ:
 - প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

• প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ,
- বরেন্দ্র,
- সমতট,
- হরিকেল,
- রাঢ়,
- চন্দ্রদ্বীপ,
- তাম্রলিপ্ত,
- গঙ্গারিডাই,
- গৌড় প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি কোন গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে?
  1. আলমগীরনামা
  2. আইন-ই-আকবরী
  3. আকবরনামা
  4. তুজুক-ই-আকবরী
সঠিক উত্তর:
আইন-ই-আকবরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন-ই-আকবরী
ব্যাখ্যা
• বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে। 

-------------------------------- 
• আইন-ই-আকবরী:
- আইন-ই-আকবরী  মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- আকবরনামা একটি ইতিহাস গ্রন্থ।
- সুষ্ঠু প্রশাসন প্রবর্তন ও কার্যকর করার জন্য সম্রাট আকবর যে আইন ও নীতি প্রবর্তন করেন তা আইন-ই-আকবরীতে উল্লিলখিত হয়েছে।
- আকবরনামার অংশবিশেষ হলেও আইন-ই-আকবরী এককভাবেই এক পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ।
- আইন-ই-আকবরীতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ বাংলার ইতিহাস পুনর্গঠনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
- এ গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া ‘আল’ নির্মাণ করতেন।
- সেজন্যে ‘বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন:
  1. শাহ সুজা
  2. শায়েস্তা খান
  3. মীর জুমলা
  4. সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন: 'শায়েস্তা খান'। 
-------------------- 
• লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৫.
বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর'-এর সময় কাল:
  1. ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর'-এর সময় কাল: ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ। 
-------------------------- 
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়?
  1. ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
  2. ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
  3. ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
  4. ২০ জানুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়- ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২। 

--------------------------- 
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
৬ দফা দাবি পেশ করা হয়:
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে। 
----------------- 
ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো:
  1. ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
  2. পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
  3. প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
  4. মার্শাল 'ল' পদত্যাগের আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন চলছিল। 

------------------------------ 
• অসহযোগ আন্দোলন:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান - ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।
----------------- 
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ' নামে অভিহিত হয়েছে।

ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
২৬ মার্চ ১৯৭১-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু জারী করেন-
  1. বেতার/রেডিওর মাধ্যমে
  2. ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
  3. টেলিগ্রামের মাধ্যমে
  4. টেলিভিশনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ২৬ মার্চ ১৯৭১-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু জারী করেন- ওয়্যারলেসের মাধ্যমে। 
----------------------------------- 
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা: 
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড শুরু করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনই স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
• ২৫ মার্চ রাত দেড়টার পর (অর্থাৎ ২৬ মার্চ) পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে বন্দী হবার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু টি.এন্ড.টি ও ই.পি.আর (বর্তমান বি.জি.বি)-এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে স্বাধীনতার ঘোষণা পৌঁছে দেন।

-------------------- 
স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র: হাসান হাফিজর রহমান (সম্পাদিত), বাংলাদেেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া।
৮০.
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-
  1. আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
  2. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  3. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
  4. মাঘ-ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (রোপনের সময়- জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু)।
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে ধান কাটা হয়।

• আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার:
- রোপা আমন ও
- বোনা আমন।
- রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।

অন্যদিকে--
আউশ ধান রোপনের সময়-মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল এবং উত্তোলনের সময় মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
বোরো ধান রোপনের সময়- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি এবং উত্তোলনের সময়- এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)। 
৮১.
সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?
  1. ৫০%
  2. ৫৮%
  3. ৬২%
  4. ৬৬%
সঠিক উত্তর:
৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২%
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন-এর ৬২ শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে। 
---------------- 
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- এই বনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার।

- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সুন্দরবন অবস্থিত।
- এই বন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- এই বনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে,
• গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।
৮২.
MDG- এর অন্যতম লক্ষ্য কি?
  1. দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
  2. HIV/AIDS নির্মূল করা
  3. যক্ষ্মা নির্মূল করা
  4. ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করা
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করা
ব্যাখ্যা
• MDG- এর অন্যতম লক্ষ্য- ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করা। 
----------------------- 
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG):
- MDG এর পূর্ণরূপ Millennium Development Goals বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা।
- ২০০০ সালের ৬-৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন সম্মেলন (UN Millennium Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG এর প্রধান লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য নির্মূল করা। 
- সেই সাথে ৮টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় এবং তা অর্জনের জন্য ১৫ বছর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

৮টি লক্ষ্য হচ্ছে-
১- চরম দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা নির্মূল।
২- সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন।
৩- লিঙ্গ সমতা প্রচার এবং নারীর ক্ষমতা।
৪- শিশু মৃত্যুহার কমানো।
৫- মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি।
৬- মরণব্যাধি HIV/AIDS, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই।
৭- পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।
৮- উন্নয়নের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৮৩.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫তম
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।
---------------------------- 
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
--------------------------------- 

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। 
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা।
৮৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. এক কক্ষ
  2. দুই বা দ্বিকক্ষ
  3. তিন কক্ষ
  4. বহুকক্ষ বিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
এক কক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক কক্ষ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ: 
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ রাজধানীতে অবস্থিত।
- সরকারি বিজ্ঞপত্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান করেন।

সূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
৮৫.
ভারতের কতটি 'ছিটমহল' বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ১৬২টি
  2. ১১১টি
  3. ৫১টি
  4. ১০১টি
সঠিক উত্তর:
১১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
---------------- 
• ছিটমহল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল।
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
-------------------------- 
• ছিটমহল বিনিময়:
- দুদেশের যৌথ জরিপ অনুযায়ী ১৬২টি ছিটমহলে সাড়ে ৫৫ হাজারের মত মানুষ ছিল।
- দু দেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
- এর মধ্যে জরিপে বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলে সাড়ে ৪১ হাজার এবং ভারতের মধ্যে থাকা ছিটমহলে ১৪ হাজার মানুষের বসবাসের তথ্য ছিল।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে। 
- এর ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের ভূমি হিসেবে এবং ভারতের ভিতরকার বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

উৎস: ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা, বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
বাংলাদেশে কখন থেকে বয়স্কভাতা চালু হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয়- ১৯৯৮ সালে।
- এই কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অংশ হিসেবে শুরু করা হয়, যা দেশের দরিদ্র ও প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
তবে, 
বাংলাদেশে - ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
-------------------------- 

• বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গৃহীত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম: 
- সরকার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির জন্য মোট ৯০০৮.৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় শতকরা ৭.১৩ ভাগ বেশি।

- চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৮.০১ লক্ষ জন, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫.৭৫ লক্ষ জন, এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ১.০০ লক্ষ জন।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৩.৬৫ লক্ষ জন হতে ২৯.০০ লক্ষ জনে উন্নীত করা হয়েছে এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৮৫০ টাকা।  

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
৮৭.
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় দশ বছর পরপর।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে যথা: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আদমশুমারি সমূহ:
- প্রথম : ১৯৭৪ সালে, 
- দ্বিতীয় : ১৯৮১ সালে, 
- তৃতীয় : ১৯৯১ সালে, 
- চতুর্থ : ২০০১ সালে, 
- পঞ্চম : ২০১১ সালে, 
- ষষ্ঠ : ২০২১ সালে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮৮.
কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম?
  1. রাখাইন
  2. মারমা
  3. পাঙন
  4. খিয়াং
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা
• পাঙন- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম। 
------------------------ 
• পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

সূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯.
ঢাকার 'ধোলাই খাল' কে খনন করেন?
  1. পরিবিবি
  2. ইসলাম খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. ঈশা খান
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
• ইসলাম খান- ঢাকার 'ধোলাই খাল' খনন করেন। 

------------------ 
ধোলাই খাল:
- এটি পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক আবাসিক এলাকা।
- তৎকালীন ঢাকার প্রধান জলপথ ও নগর রক্ষা পরিখা ছিল এ ধোলাই খাল।
- নগর রক্ষার পরিখা নির্মাণ ও জলপথ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ঢাকার প্রথম সুবেদার ইসলাম খান ধোলাই খাল খনন করিয়েছিলেন।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- খালটি শহরকে সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে খনন করা হয়। 
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- সময়ের বিবর্তনে কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্ববহ জলপথটি পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর থেকে নিক্ষিপ্ত ময়লা-আবর্জনা দিয়ে স্থানে স্থানে ভরাট হয়ে যায়।
- খালটির কিছু অংশ এখনও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে দেখা যায়।
- কিন্তু পুরানো ঢাকায় এটিকে একটি ভূগর্ভস্থ নর্দমায় রূপান্তর করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৯০.
বাংলাভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৯ মে ১৯৫৪
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
  3. ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৯ মে ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ মে ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
প্রশ্নে তথ্যগত ভুল ছিলো।
প্রশ্নে যদি বলা হতো জাতীয় পরিষদ কবে স্বীকৃতি দেয় তবে উত্তর - (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সাল) নেওয়া যেতো।
যেহেতু- প্রশ্নে গণপরিষদ বলা হয়েছে তাই উত্তর - ৯ মে ১৯৫৪ নেওয়া হয়েছে। 

• বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৯১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধকালীন — ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।

-------------------------- 
• বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে দুঃখখজনক ও মর্মান্তিক যে  ঘটনা হয় সেটি হচ্ছে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
- ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পুরো নয় মাস বিশেষত ১০-১৬ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পাক-বাহিনী এ দেশীয় দোসরদের সহায়তায় বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে অবশেষে হত্যা করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ও যশস্বী শিক্ষকসহ, গবেষক, প্রখ্যাত চিকিৎসক, লেখক-সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বুদ্ধিজীবীদেরকে সুপরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা স্পষ্টতই ছিল সামরিক জান্তার নীল নকশার বাস্তবায়ন, যে নীল নকশার লক্ষ্য ছিল বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করে বাঙ্গালি জাতিকে নেতৃত্বহীন ও বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়ায় পরিণত করা।
- ১৪ ডিসেম্বর 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' হিসাবে পালন করে ঐ সময়ে শহীদ হওয়া জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কিছু তথ্য:
- সার্বিক নির্দেশনা -- পাক বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
- সার্বিক তত্ত্ববধায়নকারী -- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
- বাস্তবায়নে ছিলো -- ব্রিগেডিয়ার বশির, লেঃ কর্নেল হেজাজী, মেজর আসলাম, মেজর জহুর, ক্যাপ্টেন নাসের, ক্যাপ্টেন কাইউম।
- দেশীয় দোসর -- আলবদর ও আলশামস বাহিনী।
('আলবদর' এর ঘাতকরা ছিলো জামাত ইসলামীর তৎকালীন অঙ্গ ছাত্রসংগঠন 'ইসলামী ছাত্র সংঘ' এর সদস্যরা এবং আলশামস বাহিনীর ঘাতকরা ছিলো মুসলিম লীগ, জামায়েত ইসলামী ও উর্দুভাষী বিহারীদের সমন্বয়ে গঠিত বাহিনী।)
- ঢাকার মিরপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগ, মোহাম্মদপুর সহ আরো কিছু স্থানে এই হত্যাকন্ড সংঘটিত হয়।

উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র) বই ও বাংলাপিডিয়া।
৯২.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. স্পেন
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
৯৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা কতটি?
  1. ১৭টি
  2. ২০টি
  3. ৬৪টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা:
- ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় পূর্ব বাংলা ভূখন্ডে মোট ১৭টি জেলা ছিলো।
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ব বাংলা অংশে ১৫ টি জেলা ছিল।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি।
- পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।

- পাকিস্তান শাসনাধীন সময়ে ১৯৬৯ সালে ঢাকা জেলা থেকে টাঙ্গাইল ও বরিশাল জেলা থেকে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। ফলে স্বাধীনতার পূর্বে বৃহত্তর জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টি
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বৃহত্তর জেলা ছিলো - ১৯টি।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিশেষত: ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার ও সরকারি সেবা জনগণের জন্য সহজলভ্য করার জন্য বাংলাদেশকে ৬৪ জেলায় ভাগ করা হয়।

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে যেহেতু বাংলাদেশ বলা আছে - তাই বাংলাদেশ স্বাধীনের সময় হিসাব ধরে, সঠিক উত্তর হিসাবে ১৯টি ধরা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১১.২ কি.মি
  2. ১২.২ কি.মি
  3. ১১.৮ কি.মি
  4. ১২.৮ কি.মি
সঠিক উত্তর:
১১.৮ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৮ কি.মি
ব্যাখ্যা
• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পসহ দৈর্ঘ্য — ১১.৮ কি.মি.।

• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার: 
- এই ফ্লাইওভারটি ব্যবহার করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা যেমন যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, কমলাপুর, মতিঝিল ইত্যাদি এলাকায় যাতায়াত করা যায়।
- দৈর্ঘ্য: ১১.৮ কিলোমিটার
- অবস্থান: ঢাকা শহরের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত, যা নগরীর যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উদ্বোধন: ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন।
- নামকরণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

ঢাকায় নির্মিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভার হলো:
• মিরপুর-বিমান বন্দর ফ্লাইওভার,
• মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার,
• কুড়িল ফ্লাইওভার,
• মহাখালী ফ্লাইওভার,
• বনানী ফ্লাইওভার,
• তেজগাঁও লিংক ফ্লাইওভার,
• খিলগাঁও ফ্লাইওভার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, dailyinqilab
৯৫.
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. খুলনায়
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. চাঁদপুরে
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) — চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?
  1. ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৭.
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. প্রথম ১০টি
  2. প্রথম ৪টি
  3. প্রথম ৬টি
  4. প্রথম ৫টি
সঠিক উত্তর:
প্রথম ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম ৪টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত:
• রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
• বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
• ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
• জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
• বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

এছাড়াও
• ১৩১২ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
• এটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
• বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল।
• গানটিতে প্রধানত স্থান পেয়েছে বাংলার মনোরম প্রকৃতির কথা।
• চলচিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে তার বিখ্যাত "জীবন থেকে নেওয়া” সিনামাতে গানটির চিত্রায়ন করেন।
• পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইসতেহারে (১৯৭১ সালের ৩ মার্চ) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
• সংবিধানের ৪ (১) অনুচ্ছেদে 'আমার সোনার বাংলা' গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়েছে।
• এটি মূলত ২৫ চরণ বিশিষ্ট একটি কবিতা। এ কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৮.
ECNEC-এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• ECNEC:
- একনেক (ECNEC)-এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council)
-১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৯৯.
'অগ্নিশ্বর' কি ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. কলা
  3. পাট
  4. গম
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

আরো কিছু ফসলের জাতের নাম:
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়নঃ, জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০০.
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকারের বড় অর্জন কোনটি?
  1. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  2. সমুদ্রসীমা বিজয়
  3. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি একটি চলমান/সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এ ধরণের প্রশ্নগুলোর উত্তর সর্বদা পরিবর্তনশীল। এখানে কোন তথ্য দিলে তা কিছুদিনের মধ্যেই অপ্রয়োজনীয় তথ্যে পরিণত হবে। এতে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।
তাই, এ জাতীয় পরিবর্তনশীল তথ্যের উত্তর আমরা দিচ্ছি না। তবে, মিক্স প্রশ্নে আমরা যখন পরীক্ষা নিব তখন এই টপিকের আপডেটেড তথ্যে প্রশ্ন হবে। তাই, আপনারা মিক্স পরীক্ষার সময় এই টপিকের আপডেটেড তথ্য জেনে নিবেন। পাশাপাশি সবসময় আপডেটেড থাকতে আমাদের প্রতি মাসের “সাম্প্রতিক সমাচার” পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
১০১.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে ১৯৫০ সালে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব' জাতিসংঘের মাধ্যমে পেশ করা হয়?
  1. ভিয়েতনাম সংকট
  2. সাইপ্রাস সংকটন
  3. কোরিয়া সংকট
  4. প্যালেস্টাইন সংকট
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া সংকট
ব্যাখ্যা
কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে ১৯৫০ সালে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব' জাতিসংঘের মাধ্যমে পেশ করা হয়।

কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
১০২.
সুয়েজ খাল কোন বছর চালু হয়?
  1. ১৯০৩
  2. ১৮৬৯
  3. ১৮৮৯
  4. ১৮৫৪
সঠিক উত্তর:
১৮৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৯
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালে চালু হয়।

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
          ii) BBC.
১০৩.
নিম্নলিখিত কোনটি International Mother Earth day?
  1. ১৮ এপ্রিল
  2. ২০ এপ্রিল
  3. ২২ এপ্রিল
  4. ২৪ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২২ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
২২ এপ্রিল International Mother Earth day.

ধরিত্রী দিবস:
- পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উৎযাপন করা হয়।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
- সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
- বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
- ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
- এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
- বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘পৃথিবী বনাম প্লাস্টিক’, অর্থাৎ যেকোনো একটিকে আমাদের বেছে নিতে হবে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
১০৪.
প্রেসিডেন্ট উইড্র উইলসনের 14 points এ কত নম্বর point এ জাতিপুঞ্জের সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্ট উইড্র উইলসনের 14 points এ ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জের সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

⇒ লীগ অব নেশনস:
- এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি প্যারিস শান্তি সম্মেলনে গঠিত হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘লীগ অব নেশনস’।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সীমানা অক্ষুণ্ণ রাখা, একে অপরকে আক্রমণ করতে নিরুৎসাহিত করা এবং কোনো সদস্য রাষ্ট্র অপর রাষ্ট্র কর্তৃক আক্রান্ত হলে সমবেতভাবে আক্রান্ত রাষ্ট্রকে সহায়তা করা, সংখ্যালঘু সমস্যা, ম্যান্ডেট ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা এ লীগ গঠনের উদ্দেশ্য ছিল।

উল্লেখ্য,
- লীগ অব নেশনস এর দুটি শক্তিশালী অঙ্গ ছিল।
- একটি কাউন্সিল এবং সাধারণ পরিষদ।
- বিশ্বের শক্তিধর ৫ টি রাষ্ট্র ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান এই কাউন্সিলের সদস্য।
- এছাড়া ৪ টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রাখা হয়।
- ত্রিশের দশকে লীগ অব নেশনস বিভিন্ন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়।
- সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বিশ্বশান্তি বিধানে ব্যর্থ হয়ে জাতিপুঞ্জ বা লীগ অব নেশনসের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে ২০ এপ্রিল ১৯৪৬।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
        ii) History.com
১০৫.
১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্যারিস চুক্তি (Treaty of Paris):
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।

ফলাফল:
- এই চুক্তির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
১০৬.
লাওসের (Laos) সরকারি নাম কি?
  1. Loas People's Democratic Republic
  2. Republic of Laos
  3. Kingdom of Laos
  4. Democratic Republic of Laos
সঠিক উত্তর:
Loas People's Democratic Republic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Loas People's Democratic Republic
ব্যাখ্যা
লাওসের (Laos) সরকারি নাম Loas People's Democratic Republic.

লাওস:
- লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ল্যান্ডলকড দেশ।
- লাওসের (Laos) সরকারি নাম Loas People's Democratic Republic.
- এর উত্তর-পশ্চিমে চীন, পূর্বে ভিয়েতনাম, দক্ষিণে কম্বোডিয়া এবং পশ্চিমে থাইল্যান্ড।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
- ১৯৭৫ সালে কমিউনিস্টরা দেশ থেকে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়। 
- মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শ দ্বারা পরিচালিত দেশ লাওস।
- রাজধানী: ভিয়েনতিয়েন।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: সোনেক্সে সিফানডোন।
- আইনসভা: জাতীয় পরিষদ।
- মুদ্রা: কিপ।
- অফিসিয়াল ভাষা: লাও।

উৎস: Britannica.
১০৭.
নিচের কোন রাষ্ট্র সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. মিয়ানমার
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
চীন সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত।

চীন:

- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন। 
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লি কেকিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: শি জিন পিং।

উল্লেখ্য,
- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে।
- দেশগুলি হলো: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

অন্যদিকে,
- ভারতের সাথে ৮টি দেশের সাথে, মিয়ানমারের সাথে ৫টি দেশ এবং আফগানিস্তানের সাথে ৬টি দেশের সীমান্ত আছে।

⇒ সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত:
1.চীন:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।

রাশিয়া:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।

2. ব্রাজিল:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।

3. কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র:
- সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।

জার্মানি:
- সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।

উৎস: Worldatlas.
১০৮.
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদটি কি?
  1. প্রশাসক
  2. মহাপরিচালক
  3. মহাসচিব
  4. প্রেসিডেন্ট
সঠিক উত্তর:
প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদটি প্রশাসক।

UNDP:
- UNDP এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা UNDP জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- উন্নয়নশীল দেশ সমূহে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সম্পদ আহরণে সাহায্য করা এই সংস্থার উদ্দেশ্য।
- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই সংস্থা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
- HDI রিপোর্ট প্রকাশ করে UNDP।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি, UNDP একজন প্রশাসকের নেতৃত্বে থাকে।
- তিনি উন্নয়নশীল এবং উন্নত উভয় দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৩৬ সদস্যের নির্বাহী বোর্ডের তত্ত্বাবধান করেন। 
- বর্তমান প্রশাসক: আচিম স্টেইনার।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
১০৯.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?
  1. ৮০ বিলিয়ন ডলার
  2. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৫০ বিলিয়ন ডলার
  4. ২০০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার মঞ্জুর করেছে।

Green Climate Fund:
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- মেক্সিকোর ক্যানকুনে অনুষ্ঠিত কপ-১৬ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করা হয়।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।
১১০.
যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে?
  1. জুন ২০০১
  2. জুন ২০০০
  3. জুন ২০০২
  4. জুন ২০০৩
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র জুন ২০০২-এ এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে।

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১১১.
আরব লীগ প্রতিষ্ঠা পায়-
  1. ১৯৪৯
  2. ১৯৫০
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৪০
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
আরব লীগ প্রতিষ্ঠা পায় ১৯৪৫ সালে।

আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৭টি।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র (কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্দান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া)।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

উল্লেখ্য,
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।

উৎস: আরব লীগ ওয়েবসাইট।
১১২.
Yalta Conference-এর একটি লক্ষ্য ছিল:
  1. বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
  2. জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
  3. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
  4. যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
Yalta Conference-এর একটি লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা।

ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

⇒ এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

উৎস: History.com
১১৩.
বর্তমানে NAM-এর সদস্য সংখ্যা -
  1. ৩৩
  2. ১৫
  3. ৭৭
  4. ২১
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। বর্তমানে NAM-এর সদস্য সংখ্যা ১২১টি।

NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
১১৪.
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা -
  1. লিও টলস্টয়
  2. ডেভিড রিকার্ডো
  3. কার্ল মার্কস
  4. জেন অস্টিন
সঠিক উত্তর:
লিও টলস্টয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিও টলস্টয়
ব্যাখ্যা
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।

লিও টলস্টয়:
- লিও টলস্টয় ছিলেন একজন রাশিয়ান লেখক।
- একটি অভিজাত রাশিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, টলস্টয় আরও নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কাজে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে বাস্তববাদী কথাসাহিত্য এবং আধা-আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস লিখেছেন।

উল্লেখ্য,
- 'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।
- স্ত্রী এবং ছেলেমেয়েদের সাথে ‘ইয়াসনায়া পলিয়ানাতে’ (Yasnaya Polyana) বসবাস করার সময়, টলস্টয় তাঁর প্রথম দুর্দান্ত উপন্যাস, War and Peace নিয়ে ১৮৬০ এর সেরা সময়টি ব্যয় করেছিলেন।
- উপন্যাসটির একটি অংশ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৬৫ সালে, "দ্য ইয়ার 1805" শিরোনামের অধীনে।
- ১৮৬৮ এর মধ্যে, তিনি আরও তিনটি অংশ প্রকাশ করেছিলেন এবং তার এক বছর পরে, উপন্যাসটি সম্পূর্ণ হয়েছিল।
- War and Peace' -এ টলস্টয় যে বিশ্বাস বা ধারণাগুলো উৎসাহিত করেছেন, সেগুলোর মধ্যে একটি হল যে, কারও জীবনের উদ্দেশ্য এবং গুণগত মান মূলত তার প্রতিদিনের কাজকর্ম থেকে প্রাপ্ত।”

তার কিছু  বিখ্যাত কাজ:
- War and Peace (1869), Anna Karenina (1878), A Confession (1880), The Death of Ivan Ilyich (1886), Resurrection (1899)

উৎস: Britannica.
১১৫.
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস-এর সদর দপ্তর:
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস-এর সদর দপ্তর: জেনেভা।

Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- যুদ্ধ ও সংঘাতে আহত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় সংস্থাটি।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরী ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- পরবর্তী সময় এই সংস্থার কাজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- মানবিক কাজের জন্য ব্যাপক সমাদৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮২৮ সালের ৮ মে রেডক্রস এর প্রতিষ্ঠাতা জীন হেনরী ডুনান্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মহান এই ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিনটিকে বিশ্ব রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে সারাবিশ্বে উদযাপন করা হয়।
- সে ধারাবাহিকতায় বিশ্বের ১৯১টি দেশ দিবসটি পালন করে।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।
১১৬.
IAEA-এর সদর দপ্তর হচ্ছে:
  1. জেনেভা
  2. ভিয়েনা
  3. ওয়াশিংটন
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
IAEA-এর সদর দপ্তর হচ্ছে: ভিয়েনা।

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

১১৭.
সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়:
  1. ১৯৮২
  2. ১৯৮৫
  3. ১৯৮৪
  4. ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
ব্যাখ্যা
সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।

সার্ক (SAARC)
- সার্ক এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।

উল্লেখ্য,
- সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১১৮.
জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪১
  2. ১৯৪৫
  3. ১৯৪৮
  4. ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে।

জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

⇒ জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
১১৯.
আলেপ্পো শহরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
আলেপ্পো শহরটি সিরিয়ায় অবস্থিত।

আলেপ্পো শহর:

- ভূমধ্যসাগর এবং মেসোপটেমিয়ার মাঝে অবস্থিত আলেপ্পো।
- বর্তমানে এটি সিরিয়ার বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর।
- আলেপ্পোর প্রাচীন নাম হালাব।
- পলিও-ব্যাবিলনিয় সময়ের শহর এটি।
- আলেপ্পো বা হালাবে শাসন করত ইন্দো-ইউরোপিয়ান গোষ্ঠী হিটাইটরা।
- এরপর এখানে রাজত্ব চালায় আসেরিয়ান, গ্রিক এবং পারসিকরা।
-আরও পরে এখানে শাসন করেছে রোমান, বাইজানটাইন, আরবরা।
- ক্রুসেডের পর এই জায়গা চলে যায় মঙ্গল এবং ওত্তোমানদের দখলে।

⇒ সিরিয়া:
- ভূমধ্যসাগরের আরব উপদ্বীপের উত্তরে পশ্চিম এশিয়ায় সিরিয়া অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- এর রাজধানী: দামেস্ক।
- বিখ্যাত শহর: আলেপ্পো, ইদলিব ও পালমিরা।
- মুদ্রা: পাউন্ড।

উৎস: i) Britannica.
         ii) WorldAtlas.
১২০.
মাদার তেরেসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ভারত
  2. আলজেরিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. ফ্রান্স
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

মাদার তেরেসা উত্তর মেসিডোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- মাদার তেরেসা ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।
- মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৭ আগস্ট অটোমান সাম্রাজ্যের আলবেনিয়া রাজ্যের স্কপিয়ে (বর্তমানে উত্তর মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্রে) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- তিনি ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- মাদার তেরেসা প্রথম পুরস্কার পান ১৯৬২ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার,
- ১৯৭১ সালে পোপ জন শান্তি পুরস্কার,
- ১৯৭২ সালে জওহরলাল নেহরু পুরস্কার,
- দুস্থ মানবতার সেবায় আত্মোৎসর্গের স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন,
- ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন পুরস্কার।

উৎস: Britannica.

১২১.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা কত?
  1. ৫১৩৮ কি.মি
  2. ৪৩৭১ কি.মি
  3. ৪১৫৬ কি.মি
  4. ৩৯৭৮ কি.মি
সঠিক উত্তর:
৪১৫৬ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫৬ কি.মি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।

বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: i) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২২.
সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় -
  1. পাগ-মার্ক
  2. ফুটমার্ক
  3. GIS
  4. কোয়ার্ডবেট
সঠিক উত্তর:
পাগ-মার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাগ-মার্ক
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক।
- সুন্দরবনে কয়েকটি পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত বাঘ গণনা করা হয়েছে।
- তবে সর্বশেষ পদ্ধতিটি ছিল ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি।
- পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করা হলেও, সেই পদ্ধতিতে ভুলভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হতো।
- ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে এখন প্রায় সব দেশ অনুসরণ করে থাকে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বিবিসি বাংলা।
১২৩.
২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় -
  1. ১০০-২০০ কি.মি
  2. ৩০০-৪০০ কি.মি
  3. ৭০০-৮০০ কি.মি
  4. ৯০০-১০০০ কি.মি
সঠিক উত্তর:
৭০০-৮০০ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০০-৮০০ কি.মি
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।

সুনামি:
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ১৪টি দেশে হানা দিয়েছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি।
- ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে সমুদ্রগর্ভের প্রায় ১৯ মাইল নিচে উৎপন্ন হয় ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন। 
- ভূকম্পনটি ৮ থেকে ১০ মিনিট স্থায়ী হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়ে ২৩ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল ভূকম্পনটি।
- দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের উপকূলে আঘাত করে এই ভয়াবহ সুনামি।
- কোথাও কোথাও প্রায় ১০০ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

⇒ সম্প্রতি
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।

উৎস: i) মে ২৬, ২০২৪, The Daily Star বাংলা।
         ii) Britannica.
১২৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে climate refugee হবে?
  1. ৩ কোটি
  2. ৩.৫ কোটি
  3. ৪ কোটি
  4. ৪.৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
৩.৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫ কোটি
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৩.৫ কোটি climate refugee হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারের কারণে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস অর্থাৎ কার্বন ডাইঅক্সাইড মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসগুলো নির্গমনের কারণে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের যে ধারা শুরু হয়েছে তাতে বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।
- আর এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আছে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে।
- অন্যান্য দেশ এ ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার আগেই বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে গেছে।
- আগামী দিনগুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উল্লেখ্য,
- ৪৫ সেন্টিমিটার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের প্রায় ১০.৯% প্লাবিত করবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ৩.৫ মিলিয়ন জনসংখ্যাকে বাস্তুচ্যুত করবে।

উৎস: i) World Bank ওয়েবসাইট। 
          ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৫.
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য হতে আসে?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৪ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ৯৯.৯৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৯.৯৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৯.৯৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭ শতাংশ সূর্য হতে আসে।

বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডল বায়ুর বিভিন্ন স্তর।
- বায়ুমণ্ডলের বায়ুর বিভিন্ন স্তরের সাথে এবং ওপরের বায়ুর সাথে সংলগ্ন নিচের বায়ুকে ক্রমাগত চাপ প্রদান করে।
- এ কারণে পৃথিবীতে ভূ-ত্বকের নিকটস্থ বায়ুর স্তর খুবই ঘন।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ওপরের দিকে প্রায় বায়ুমণ্ডলের ১০,০০০ কি. মি. পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।

⇒ বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন: ৭৮.০২ শতাংশ।
- অক্সিজেন: ২০.৭১ শতাংশ।
- আর্গন: ০.৮০ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ।
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ।
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
        ii) National Oceanic and Atmospheric Administration (.gov)
১২৬.
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে?
  1. ৩০%
  2. ৪০%
  3. ৫০%
  4. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের ৩০ শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকুল প্রভাবগুলোর কারণে সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে উঠছে।
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
- বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে প্রতি ৩-৫ বছরে বাংলাদেশের দুই- তৃতীয়াংশ অঞ্চল বন্যাপ্লাবিত হয়।
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়।
- সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)'- এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রণীত 'Economics of Adaptation to Climate Change: Bangladesh' প্রতিবেদন বলা হয়েছে যে শুধুমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা মোকাবিলায় ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং আবর্তক ব্যয় বাবদ যথাক্রমে ৫,৫১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ১১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। link
১২৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ কবে জারি হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯ জানুয়ারি
  4. ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫' ১৯ জানুয়ারি জারি হয়েছে।

বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সকল ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাঠামো গড়িয়া তুলিবার নিমিত্ত বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই আইন প্রণীত হয়।
- ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে।
- বাংলাদেশের সংসদে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২' পাসের মাধ্যমে এই অধিদপ্তর গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দুর্যোগ মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতিসহ জনগণের সার্বিক দুর্যোগ লাঘব করা, দুর্দশাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা, পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন কর্মসূচি অধিকতর দক্ষতার সাথে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ প্রণীত হয়েছে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ১৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২৮.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি?
  1. ২২° - ৩০’ ২০° - ৩৪’ দক্ষিণ অক্ষাংশে
  2. ৮০° - ৩১’   ৪০° - ৯০’ দ্রাঘিমাংশে
  3. ৩৪° - ২৫’   ৩৮’ উত্তর অক্ষাংশে
  4. ৮৮° ০১’ থেকে  ৯২° ৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১’ থেকে  ৯২° ৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১’ থেকে  ৯২° ৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ৮৮° ০১’ থেকে  ৯২° ৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৯.
’শুভলং’ ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত।

শুভলং ঝর্ণা:
- শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দুরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে।
- বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে।

উল্লেখ্য,
- রাঙামাটির অন্যান্য কিছু দর্শনীয় স্থান- হ্রদ, চাকমা রাজবাড়ি, রাজবন বৌদ্ধ বিহার, পর্যটন ঝুলন্তত ব্রিজ, ফুরামোন পর্বত, উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ও জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩০.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম কি?
  1. পুটিয়া, রাজশাহী
  2. নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. লালপুর, নাটোর
  4. ঈশ্বরদি, পাবনা
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম লালপুর, নাটোর।

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল, গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি, গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।

উল্লেখ্য,
- দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা: সিলেট।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখাল, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: নারায়নগঞ্জ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩১.
সুনামির কারণ হলো-
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  3. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩২.
যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয়-
  1. প্যাথজেনিক
  2. ইনফেকশন
  3. টক্সিন
  4. জীবাণু
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
ব্যাখ্যা
- জীববিজ্ঞানে ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে আদি এবং ব্যাপকতর অর্থে রােগ সংক্রামক জীবাণু হচ্ছে এমন যেকোন কিছু যা রােগ উৎপন্ন করতে পারে, এর পশ্চিমা পরিভাষা প্যাথােজেন। 

Oxford Dictionary অনুসারে, 
Pathogenic = (of a bacterium, virus, or other microorganism) causing disease. 
- ১৮৮০ সালে সাধারণত রােগ সংক্রমণ সংঘটক (এজেন্ট) যেমন : ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, প্রিয়ন, এমনকি অন্য কিছু অণুজীবকে বােঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। 
এক কথায়, 
- যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয় প্যাথজেনিক

অন্যদিকে, 
- ইনফেকশন হলো সংক্রমণ। 
- টক্সিন হলো বিষাক্ত পদার্থ। 
- জীবাণু হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুজীব যারা রোগ সৃষ্টি করতেও পারে, নাও পারে।
১৩৩.
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে নিচের কোনটি জরুরি?
  1. স্বীকৃতি
  2. স্নেহ
  3. সাফল্য
  4. উল্লেখিত সবকটি
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবকটি
ব্যাখ্যা
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে উল্লেখিত সবকটিই (ক) স্বীকৃতি, (খ) স্নেহ এবং (গ) সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

স্বীকৃতি: 
- শিশুদের সাফল্য, চেষ্টা এবং অগ্রগতি স্বীকৃত হওয়া দরকার। 
- এটি তাদের আত্মবিশ্বাস এবং আত্ম-মর্যাদা গড়ে তোলে। 

স্নেহ: 
- শিশুদের অনুভব করতে হবে যে তারা পরিবার ও সমাজের দ্বারা গৃহীত এবং স্নেহ পাচ্ছে। 
- স্নেহ এবং গ্রহণযোগ্যতার অনুভূতি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। 

সাফল্য: 
- শিশুদের সামান্য সাফল্য ও কৃতিত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। 
- এটি তাদের আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের প্রতি সম্মান বৃদ্ধি করে। 
সুতরাং, স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য এই তিনটি উপাদান শিশুর সুস্থ এবং সুষম মনোবৈজ্ঞানিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। 
১৩৪.
নিচের কোনটি আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে?
  1. ট্রিপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. অ্যামাইলেজ
সঠিক উত্তর:
ট্রিপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
আমিষ: 
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে। 
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়। 
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে। 
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন। 
- টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে। 

উৎস: 
১. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 
২. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩. প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৫.
বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?
  1. ৭৮.০
  2. ০.৮
  3. ০.৪১
  4. ০.৩
সঠিক উত্তর:
০.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
১. নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%, 
৩. আর্গন ⇒ o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%, 
৫. ওজোন ⇒ ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত থাকে?
  1. হৃদযন্ত্রে
  2. বৃক্কে
  3. ফুসফুসে
  4. প্লীহাতে
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকা: 
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি- অবতল এবং চাকতি আকৃতির। 
- এতে হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে। 
- অন্যভাবে বলা যায়, লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি চ্যাপ্টা আকৃতির ভাসমান ব্যাগ। এ কারণে লোহিত কণিকা অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে। 
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না। এ কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। 
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকণিকাগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে আসার পূর্বে নিউক্লিয়াসবিহীন হয়ে যায়। 
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে এরকম ঘটে না অর্থাৎ এদের লোহিত কণিকাগুলোতে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- লোহিত কণিকা প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৭.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়?
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ডায়নামো
  3. বৈদ্যুতিক মটর
  4. হুইল
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা
- 'ডায়নামো' যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

• ডায়নামো: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ডায়নামো বা জেনারেটর বলে। 
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্রের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত। 

বৈদ্যুতিক মটর: 
- যে তড়িৎযন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে। 

ট্রান্সফর্মার: 
-যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভব এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৮.
মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?
  1. স্নায়ুতন্ত্রের
  2. রেচনতন্ত্রের
  3. পরিপাকতন্ত্রের
  4. শ্বাসতন্ত্রের
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্রের
ব্যাখ্যা
স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু: 
- প্রাণী দেহের যে কলা উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে তাকে স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু বলে। 
যেমন- মস্তিষ্ক, সুষুম্না কাণ্ড ইত্যাদি। 
- স্নায়ুটিস্যুর একক হচ্ছে স্নায়ুকোষ বা নিউরন। 
- মস্তিষ্ক অসংখ্য স্নায়ুকোষ বা নিউরন দিয়ে তৈরি। 
- প্রতিটি নিউরন তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- (ক) কোষদেহ (খ) ডেনড্রন এবং (গ) অ্যাক্সন। 

স্নায়ুটিস্যুর কাজ: 
• দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় ও সংবেদন গ্রহণকারী অঙ্গ থেকে গৃহীত উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। 
• দেহের কার্যকর অংশ এ উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। 
যেমন- মশা কামড়ালে এ অনুভূতি মস্তিষ্কে পাঠায়, মস্তিষ্ক হাতকে এ কথা জানায় তখন হাত মশা মারার চেষ্টা করে। 
• উদ্দীপনা বা ঘটনাকে স্মৃতিতে ধারণ করে। 
• দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৩৯.
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. নিউমোনিয়া
  4. চোখ ওঠা
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
[নিউমোনিয়া ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম দ্বারাও সৃষ্ট হতে পারে। সে হিসেবে অপশনের সবগুলো রোগই ভাইরাসজনিত। তবে যেহেতু নিউমোনিয়া ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য অনুজীবের সংক্রমণে হতে পারে, তাই এই প্রশ্নের বেস্ট অপশন হিসেবে নিউমোনিয়া উত্তর হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। মূল পরীক্ষায় আপনার নিজস্ব বিবেচনায় উত্তর করতে পারেন।]
===========================

ভাইরাস ঘটিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: এইডস, জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা ইত্যাদি। 

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ট ইত্যাদি। 

• চোখ ওঠা রোগকে বলে কনজাংটিভাইটিস। চোখের কনজাংটিভা নামক পর্দার প্রদাহই চোখ ওঠা রোগ। এ রোগটি মূলত ভাইরাসজনিত এবং ছোঁয়াচে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই [লিঙ্ক]
১৪০.
প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশসম্মন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-
  1. বায়োলজী
  2. জুওলজী
  3. জেনেটিক
  4. ইভোলিউশন
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্স: 
- জেনেটিক্স বা বংশগতি হলো বাবা-মা হতে সন্তান-সন্ততিতে জিনগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরিত হওয়া যার মাধ্যমে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের অনেক সামঞ্জস্যতা দেখা যায়। 
- প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধ নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা। 

ইভোলিউশন: 
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। 
- জুওলোজি এর বাংলা পরিভাষা হলো প্রাণিবিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?
  1. ডিজেল
  2. পেট্রোল
  3. অকটেন
  4. সিএনজি
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
ব্যাখ্যা
- ডিজেল পোড়ালে বাতাসে সালফার ডাই-অক্সাইড আসে। 
- তবে মনে রাখতে হবে, ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি বায়ুমণ্ডলে যুক্ত হয় কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালফারযুক্ত ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে এর দহন প্রক্রিয়ায় সালফারের জারন থেকে সালফার অক্সাইড উৎপন্ন ও নির্গত হয়। 
- সালফার ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ বেশি হবে না কম হবে তা ডিজেলে উপস্থিত সালফারের উপর নির্ভর করে। 

• জেনে রাখা ভাল- 
- অন্যদিকে ডিজেল একটি হাইড্রোকার্বন হওয়ায় এটির দহনে সবসময়ই কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। 
- সকল হাইড্রোকার্বনই এমন দহন বিক্রিয়া দেয়। 
- যুক্ত্রাষ্ট্রের Energy Information Administration (EIA) এর তথ্যমতে, 
- ২০১৮ সালে ডিজেল পোড়ানোর কারণে ৪৬১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) নির্গত হয়েছে যা ঐ বৎসরে যুক্তরাষ্ট্রের মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের শতকরা ৯ ভাগ। 

উৎস: doe.portal.gov.bd & U.S. Energy Information Administration (EIA) Websites.
১৪২.
মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়-
  1. শব্দশক্তি
  2. তড়িৎশক্তি
  3. আলোকশক্তি
  4. চৌম্বকশক্তি
সঠিক উত্তর:
তড়িৎশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎশক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
১৪৩.
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. আলট্রাভায়োলেট রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
- জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি।
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে।
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি।
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
১৪৪.
কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
  1. সাদা
  2. কালো
  3. হলুদ
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
- দূর থেকে আমরা লাল রং আগে দেখতে পাই। 
- লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর। 
- আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হলে তাঁর বিক্ষেপণ তত কম হয়। 
- লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় তাই উঁচু টাওয়ারে লাল রং এর লাইট ব্যবহৃত হয় যাতে বিমান নিচ দিয়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো-
  1. আইসোটোন
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোবার
  4. রাসায়নিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ। 
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়। 
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়। 
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৬.
নিচের কোন মেমোরীটি Non-volatile?
  1. SRAM
  2. DRAM
  3. ROM
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ROM
ব্যাখ্যা
• নন-ভোলাটাইল মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• SRAM:
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• DRAM:
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
নিচের কোনটি 3G Language নয়?
  1. C
  2. Java
  3. Assembly Language
  4. Machine Language
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[Assembly Language এবং Machine Language উভয়ই 3G Language নয়। অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:

- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

• তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা:
- যে প্রোগ্রামিং ভাষার প্রতীক এবং শব্দসমূহ সাধারণত গাণিতিক ও ইংরেজি ভাষার মতো এবং যা মযনুষের জন্য সহজে বোধগম্য, সেই প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চস্তরের (3G) প্রোগ্রামিং ভাষা বলে।
- কয়েকটি জনপ্রিয় উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো- FORTRAN, ALGOL, LISP, APL, COBOL, BASIC, PASCAL, C, C++, Perl, Python, Visual Basic, PHP, Java, Javascript, Scala, Go, Rust, Kotlin.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪৮.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
সঠিক উত্তর:
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট।
- বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৪৯.
Wi-fi কোন স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 804.11
  3. IEEE 803.11
  4. IEEE 806.11
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
ব্যাখ্যা
• Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫০.
নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. WAN
  2. Satellite Communication
  3. MAN
  4. TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
সঠিক উত্তর:
TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
ব্যাখ্যা
• TV রিমোট কন্ট্রোলে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।

• ইনফ্রারেড:
- এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্ফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫১.
(1011)2 + (0101)2 = ?
  1. (1100)2
  2. (11000)2
  3. 01100)2
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
1011
0101
___________
10000
∴ (1011)2 + (0101)2 = (10000)2
১৫২.
Wi MAX-এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Worldwide Interoperability for Microwave Access
  2. Worldwide Internet for Microwave Access
  3. Worldwide Interconection for Microwave Access
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৫৩.
Boolean Algebra-এর নিচের কোনটি সঠিক?
  1. A. A = 1
  2. A + A = 2A
  3. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা: বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
• বুলিয়ান উপপাদ্য: সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
80৪6 কত বিটের মাইক্রো প্রসেসর?
  1. 8
  2. 16
  3. 32
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
• 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 4004, 4040.
• 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
•16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
• 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
• 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৫.
Mobile Phone-এর কোনটি input device নয়?
  1. Keypad
  2. Touch Screen
  3. Camera
  4. Power Supply
সঠিক উত্তর:
Power Supply
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power Supply
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

• Power Supply ইনপুট ডিভাইস নয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ language?
  1. Oracle
  2. C
  3. MS-Word
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হচ্ছে তথ্যভান্ডার।
- কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডাটাবেজে।
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ হচ্ছে-
• Data Definition Language
- এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে।
• Data Manipulation Language
- ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ করা হয়।
• Query Language
- ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
- QUEL, QBE, SQL ইত্যাদিও ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ।

• C হলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
• MS-Word হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
•  Oracle হলো ডাটাবেজ সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৭.
LinkedIn -এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. এটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস
  2. এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত
  3. ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয়
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• LinkedIn:
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিশিয়ালি চালু হয়।
- বর্তমান CEO: Ryan Roslansky
- ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক ছিল এবং বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ১ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States

উৎস: লিংকডইনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [Link]
১৫৮.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
  2. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
ব্যাখ্যা
গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৫৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Pen drive
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।
• প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
৩। অ্যাকসেস সময় কম।
8। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক,- ফ্লপি ডিস্ক,- পেনড্রাইভ,- সিডি,- ডিভিডি,- ব্লু রে ডিভিডি,- মেমোরি কার্ড,- স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
Plotter কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট
  2. আউটপুট
  3. মেমোরি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আউটপুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউটপুট
ব্যাখ্যা
• প্লটার (Ploter):
- প্লটার এক ধরনের আউটপুট ডিভাইস যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬১.
A = (x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 5} হলে P(A) এর সদস্য সংখ্যা কত?
  1. 8
  2. 7
  3. 6
  4. 3
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = (x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 5} হলে P(A) এর সদস্য সংখ্যা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
{x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 5}

5 থেকে ছোট বা 5 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা হলো = 2, 3, 5
A = {2, 3, 5}

P(A) এর সদস্য সংখ্যা = 23
= 8
১৬২.
12টি পুস্তক থেকে 5টি কত প্রকারে বাছাই করা যায় যেখানে 2টি পুস্তক সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
  1. 252
  2. 792
  3. 224
  4. 120
সঠিক উত্তর:
120
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 12টি পুস্তক থেকে 5টি কত প্রকারে বাছাই করা যায় যেখানে 2টি পুস্তক সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে?

সমাধান:
যেহেতু, 2টি পুস্তক সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে সেহেতু পুস্তক বাকি থাকে (12 - 2)বা 10টি এবং 5টি থেকে বাছাই করতে হবে (5 - 2) বা 3টি।
10টি পুস্তক থেকে 3টি পুস্তক বাছাই করার সংখ্যা = 10C3 = 120
১৬৩.
আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ সালের জুলাই মাসের ২য় সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে মোট 5 দিন। ঐ সপ্তাহে বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 1
  2. 5/7
  3. 2/7
  4. 1/7
সঠিক উত্তর:
2/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী-২০১৫ সালের জুলাই মাসের ২য় সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে মোট 5 দিন। ঐ সপ্তাহে বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
2015 সালের জুলাই মাসের ২য় সপ্তাহে মোট 7 দিন।
যার মধ্যে বৃষ্টি হয়েছিল 5 দিন।

বুধবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা = 5/7
বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = (1 - 5/7)
=(7 - 5)/7
= 2/7
১৬৪.
৩৫০ টাকা দরে ৩ কেজি মিষ্টি কিনে ৪ টাকা হারে ভ্যাট দিলে মোট কত ভ্যাট দিতে হবে?
  1. ১৪ টাকা
  2. ৪২ টাকা
  3. ১২ টাকা
  4. ১০৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪২ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৫০ টাকা দরে ৩ কেজি মিষ্টি কিনে ৪ টাকা হারে ভ্যাট দিলে মোট কত ভ্যাট দিতে হবে?

সমাধান:
১ কেজি মিষ্টির দাম = ৩৫০ টাকা
∴ ৩ কেজি মিষ্টির দাম = (৩৫০ × ৩) টাকা
= ১০৫০ টাকা

১০০ টাকায় ভ্যাট ৪ টাকা
∴ ১০৫০ টাকায় ভ্যাট = (৪ × ১০৫০)/১০০ টাকা
= ৪২ টাকা
১৬৫.
যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ১৬%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ২৪%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫/১২৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা
১৬৬.
দুটি সংখ্যার গুণফল ৩৩৮০ এবং গ.সা.গু ১৩। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. কত?
  1. ২৬০
  2. ৭৮০
  3. ১৩০
  4. ৪৯০
সঠিক উত্তর:
২৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গুণফল ৩৩৮০ এবং গ.সা.গু ১৩। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. × গ.সা.গু = সংখ্যা দুইটির গুণফল
∴সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু = সংখ্যা দুইটির গুণফল/সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু
= ৩৩৮০/১৩
= ২৬০
১৬৭.
1 + 3 + 5 + ................+ (2x - 1) কত?
  1. x(x - 1)
  2. x(x + 1)/2
  3. x(x + 1)
  4. x2
সঠিক উত্তর:
x2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 3 + 5 + ................+ (2x - 1) কত?

সমাধান:
এখানে
ধারাটির প্রথম পদ, a = 1
সাধারণ অন্তর, d = 2
ধরি
n তম পদ = 2x - 1
আমরা জানি
n তম পদ = a + (n - 1)d
⇒ 2x - 1 = 1 + (n - 1)2
⇒ 2x - 1 = 1 + 2n - 2
⇒ 2x - 1 = 2n - 1
⇒ 2x = 2n
x = n

এখানে
পদ সংখ্যা n = x

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার x সংখ্যক পদের সমষ্টি
= (x/2){2a + (x - 1)d}
= (x/2){2.1 + (x - 1)2}
= (x/2)(2 + 2x - 2)
= (x/2)× 2x
= x2

1 + 3 + 5 + 7 +....... + 2x - 1 এ 2x - 1 দ্বারা পদটিকে বুঝানো হয়েছে।
এই জন্য 2x - 1 পদটি কততম পদ তা প্রথমে বের করতে হয়েছে।
১৬৮.
log√381 কত?
  1. 4
  2. 27√3 
  3. 8
  4. 1/8
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log√381 কত?

সমাধান:
log√381
= log√334
= log√3{(√3)2}4
= log√3(√3)8
= 8log√3√3
= 8 × 1
= 8
১৬৯.
যদি (25)2x + 3 = 53x + 6 হয় তবে x = কত?
  1. 0
  2. 1
  3. - 1
  4. 4
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (25)2x + 3 = 53x + 6 হয় তবে x = কত?

সমাধান:
(25)2x + 3 = 53x + 6
বা, (52)2x + 3 = 53x + 6
বা, 54x + 6 = 53x + 6
বা, 4x + 6 = 3x + 6
বা, 4x - 3x = 6 - 6
∴ x = 0
১৭০.
চিত্র অনুসারে O কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে ∆ABC অন্তর্লিখিত। ∠y = 112° হলে, ∠x = ?
  1. 68°
  2. 34°
  3. 45°
  4. 39°
সঠিক উত্তর:
34°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্র অনুসারে O কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে ∆ABC অন্তর্লিখিত। ∠y = 112° হলে, ∠x = ?

সমাধান:
ΔBOC এর বহিঃস্থ ∠AOB =∠OBC + ∠OCB
এখন, ∠AOB + ∠y = 180°
∠OBC + ∠OCB + ∠y = 180° [∠OBC = ∠OCB]
∠x + ∠x = 180° - 112°
2∠x = 68°
∠x = 34°
১৭১.
একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক হলে ঐ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
  1. 24
  2. 16
  3. 32
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক হলে ঐ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?

সমাধান:
মনেকরি  
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = x 
 কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2x একক

শর্তমতে,
√2x = 4√2
বা, x = 4√2/√2
 x = 4

বর্গক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = x2
= 42
= 16 বর্গমিটার
১৭২.
ΔABC এ ∠A = 40°, ∠B = 70°, হলে ΔABC কী ধরনের ত্রিভুজ?
  1. সমকোণী
  2. স্থূলকোণী
  3. সমদ্বিবাহু
  4. সমবাহু
সঠিক উত্তর:
সমদ্বিবাহু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমদ্বিবাহু
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ΔABC এ ∠A = 40°, ∠B = 70°, হলে ΔABC কী ধরনের ত্রিভুজ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ΔABC এর ∠A = 40°, ∠B = 70°

∴ অপর কোণটি = 180° - (40° + 70°)
= 180° - 110°
= 70°

এখানে, সমান সমান কোণের বিপরীত বাহুগুলো সমান।
তাই, ΔABC একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।
১৭৩.
x2 + y2 = 185, x - y = 3 এর একটি সমাধান হল:
  1. (7, 4)
  2. (9, 6)
  3. (10, 7)
  4. (11, 8)
সঠিক উত্তর:
(11, 8)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(11, 8)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + y2 = 185, x - y = 3 এর একটি সমাধান হল:

সমাধান:
x2 + y2 = 185
⇒ (x - y)2 + 2xy = 185 [ x - y = 3]
⇒ 2xy = 185 - 9
⇒ 2xy = 176
∴ 4xy = 352

∴ x + y = √{(x - y)2 + 4xy}
= √(32 + 352)
∴ x + y = √361 = 19

x + y = 19........(1)
x - y = 3............(2)

(1) ও (2) নং যোগ করে পাই,
2x = 22
∴ x = 11

x + y = 19
⇒ y = 19 - 11
∴ y = 8

∴ নির্ণেয় সমাধান: (x, y) = (11, 8)
১৭৪.
  1. 1
  2. - 1
  3. a - 1
  4. a + 1
সঠিক উত্তর:
a - 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
১৭৫.
x - 1/x = 1 হলে x3 - 1/x3 এর মান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - 1/x = 1 হলে x3 - 1/x3 এর মান কত?

সমাধান:
x - 1/x = 1

x3 - 1/x3 = (x - 1/x)3 + 3.x .1/x.(x - 1/x)
= 13 + 3 . 1
= 1 + 3
= 4
১৭৬.
১ + ৫ + ৯ + ..............+ ৮১ = ?
  1. ৯৬১
  2. ৮৬১
  3. ৭৬১
  4. ৬৬১
সঠিক উত্তর:
৮৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ + ৫ + ৯ + ..............+ ৮১ = ?

সমাধান: 
১ম পদ a = ১,
সাধারণ অন্তর d= ৯ - ৫ = ৪

∴ n-তম পদ = a + (n - 1)d = ৮১
বা, ১ + (n - ১)৪ = ৮১
বা, (n - ১)৪ =.৮০
বা, n - ১ = ২০
∴ n = ২১

∴ সমষ্টি (s) = (n/2){2a + (n - 1)d}
= (২১/২){২ × ১ + (২১ - ১)৪}
= (২১/২)(২ + ৮০)
= (২১/২)× ৮২
= ৮৬১
১৭৭.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. L10
  2. L15
  3. K15
  4. K8
সঠিক উত্তর:
K8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
১ম সারিতে,
A  এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = C; C এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = E
সংখ্যাগুলো, 2 + 4 = 6

দ্বিতীয় সারিতে,
G  এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = I; I  এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = K
সংখ্যাগুলো, 3 + 5 = 8

তৃতীয় সারিতে,
M  এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = O; O এর পর দ্বিতীয় বর্ণ = Q
সংখ্যাগুলো, 5 + 9 = 14
১৭৮.
যদি ৫ + ৩ = ২৮, ৯ + ১ = ৮১০, ২ + ১ = ১৩ হয় তবে, ৫ + ৪ = ?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ৫ + ৩ = ২৮, ৯ + ১ = ৮১০, ২ + ১ = ১৩ হয় তবে, ৫ + ৪ = ?

সমাধান:
এখানে যোগফলের প্রথম অঙ্কটি হবে অঙ্কদ্বয়ের বিয়োগফল এবং দ্বিতীয় অঙ্কটি হবে অঙ্কদ্বয়ের যোগফল। যথা-
৫ + ৩ = (৫ - ৩) এবং (৫ + ৩) = ২৮,
৯ + ১ = (৯ - ১) এবং (৯ + ১) = ৮১০,
২ + ১ = (২ - ১) এবং (২ + ১) = ১৩
এবং ৫ + ৪ = (৫ - ৪) এবং (৫ + ৪) = ১৯
১৭৯.
ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ১৮তম অক্ষরের বামদিকে ১০ম অক্ষর কোনটি?
  1. H
  2. S
  3. F
  4. J
সঠিক উত্তর:
H
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ১৮তম অক্ষরের বামদিকে ১০ম অক্ষর কোনটি?

সমাধান: 
A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R 
ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিকভাবে ১৮তম অক্ষরটি R
সুতরাং R  এর বামদিকে ১০ম অক্ষরটি H 
১৮০.
√(১৫.৬০২৫) = ?
  1. ৩.৮৫
  2. ৩.৭৫
  3. ৩.৯৫
  4. ৩.৬৫
সঠিক উত্তর:
৩.৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √(১৫.৬০২৫) = ?

সমাধান: 
√(১৫.৬০২৫) =৩.৯৫
১৮১.
৩, ৭, ৪, ১৪, ৫, ২১, ৬ ধারার অষ্টম সংখ্যাটি কত হবে?
  1. ২৮
  2. ২৯
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩, ৭, ৪, ১৪, ৫, ২১, ৬ ধারার অষ্টম সংখ্যাটি কত হবে?

সমাধান:
এখানে দুইটি ধারা আছে।
বিজোড় অবস্থানের সংখ্যাগুলো নিয়ে ১ম ধারা: ৩, ৪, ৫, ৬
জোড় অবস্থানের সংখ্যাগুলো নিয়ে ২য় ধারা: ৭, ১৪, ২১

∴ ধারাটির অষ্টম সংখ্যা হবে ২য় ধারার ৪নং পদ অর্থাৎ ৭, ১৪, ২১, ২৮
১৮২.
দুটি সমান্তরাল রেখা কটি বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. ছেদ করে না
সঠিক উত্তর:
ছেদ করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেদ করে না
ব্যাখ্যা
- দুটি সরলরেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব যখন সর্বদা একই থাকে তখন একটিকে অপরটির সমান্তরাল রেখা বলা হয়।
- দুটি সমান্তরাল রেখা কখনও পরস্পর ছেদ করে না।
১৮৩.
কোনটি ’প্রদত্ত চিত্র’ এর আয়নার প্রতিফলন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
কোনটি ’প্রদত্ত চিত্র’ এর আয়নার প্রতিফলন?


সমাধান:
প্রদত্ত চিত্র’ এর আয়নার প্রতিফলন অপশন (খ)
১৮৪.
ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রে বাম দিকে কত ওজন রাখতে হবে?
  1. ৪ কেজি
  2. ৬ কেজি
  3. ৮ কেজি
  4. ১০ কেজি
সঠিক উত্তর:
৮ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রে বাম দিকে কত ওজন রাখতে হবে?


সমাধান: 
ধরি,
 বামদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব d1 = ৩ মি. 
বামদিকের বস্তুর ওজন w1= ? কেজি
ডানদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব d2 = ৪ মি.
ডানদিকের বস্তুর ওজন w2=৬ কেজি 

এখন, 
d1 × w1 = d2 × w2
বা, ৩ × w1 = ৪ × ৬
বা, w1 = (৪ × ৬)/৩
বা, w1 = ২৪/৩
∴ w1 = ৮ 
১৮৫.
আয়নায় প্রতিফলিত হলে নিচের কোন শব্দটির কোন পরিবর্তন হবে না?
  1. OPT
  2. NOON
  3. SOS
  4. OTTO
সঠিক উত্তর:
OTTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OTTO
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় প্রতিফলিত হলে নিচের কোন শব্দটির কোন পরিবর্তন হবে না?

সমাধান:
• আয়নায় প্রতিফলিত হলে OTTO শব্দটির কোন পরিবর্তন হবে না।
• ইংরেজি বর্ণমালায় বড় হাতের A, H, I, M, O, T, U, V, W, X ও Y অক্ষরগুলো আয়নায় ও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয় না।
• i, l, o, v, w, x এই ছোট হাতের ইংরেজি অক্ষরগুলোর আয়নায় প্রতিবিম্ব ও বাস্তব বিম্ব একই হয়।
১৮৬.
সঠিক বানান কোনটি?
  1. কূসংস্কার
  2. কুসংকার
  3. কুসংস্কার
  4. কৃশংষ্কার
সঠিক উত্তর:
কুসংস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুসংস্কার
ব্যাখ্যা
সমাধান:
→ অপশন 'গ' - কুসংস্কার বানানটি শুদ্ধ।

• কুসংস্কার (বিশেষ্য পদ),
→ এটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
→ যুক্তিহীন ও অনৈতিক সামাজিক আচার-আচরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮৭.
আয়না থেকে ২ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়ে, আয়নাতে আপনার প্রতিবিম্ব কতদূর দেখা যাবে?
  1. ৫ ফুট
  2. ৪ ফুট
  3. ৩ ফুট
  4. ২ ফুট
সঠিক উত্তর:
২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ফুট
ব্যাখ্যা
• আয়না থেকে ২ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়ে, আয়নাতে আপনার প্রতিবিম্ব ২ ফুট দূরে দেখা যাবে।
- আয়না একটি সমতল দর্পণ আর সমতল দর্পণে লক্ষ্যবস্তু যত দূরত্বে সামনে থাকে প্রতিবিম্ব তত দূরত্বে পিছনে গঠিত হয়।
∴ প্রতিবিম্ব দেখা যাবে= বস্তু থেকে আয়নার দূরত্ব + আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব= ২ ফুট + ২ ফুট= ৪ ফুট।
কিন্তু এখানে আয়না থেকে দূরত্ব চাওয়ায় উত্তর হবে ২ ফুট।
১৮৮.
২ এর কত শতাংশ ৮ হবে?
  1. ২০০
  2. ৪০০
  3. ৩৪৫
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ এর কত শতাংশ ৮ হবে?

সমাধান:
ধরি,
২ এর ক শতাংশ হবে ৮

প্রশ্নমতে,
∴ ২ এর ক/১০০ = ৮
বা, ২ক = ৮ × ১০০
∴ ক = ৪০০
১৮৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে (?) কোনটি বসবে?
৩, ১০, ৯, ৮, ২৭, ৬, ৮১, ৪, ২৪৩ (?)
  1. ১৫
  2. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে (?) কোনটি বসবে?
৩, ১০, ৯, ৮, ২৭, ৬, ৮১, ৪, ২৪৩, (?)

সমাধান:
৩, ১০, ৯, ৮, ২৭, ৬, ৮১, ৪, ২৪৩,...

এখানে বিজোড় স্থানীয় সংখ্যাগুলো দ্বারা ১টি ধারা এবং জোড় স্থানীয় সংখ্যাগুলো দ্বারা অন্য একটি ধারা বুঝানো হয়েছে।

বিজোড় স্থানীয় ধারা,
৩, ৯, ২৭, ৮১, ২৪৩

জোড় স্থানীয় ধারা,
১০, ৮, ৬, ৪, (?)
এই ধারার প্রতিটি পদ তার পূর্বপদ অপেক্ষা ২ কম
∴ (?) চিহ্নিত স্থানে হবে ৪ - ২ = ২
১৯০.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 36
  2. 32
  3. 31
  4. 40
সঠিক উত্তর:
31
উত্তর
সঠিক উত্তর:
31
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
নিচের সারির ১ম সংখ্যা + দুই সংখ্যার পার্থক্য = উপরের সংখ্যা।
১ম চিত্রে, 30 + (30 - 15) = 45
দ্বিতীয় চিত্রে, 25 + (25 - 19) = 31
তৃতীয় চিত্রে, 28 + (28 - 21) = 35
১৯১.
নৈতিকতাকে বলা হয় মানবজীবনের -
  1. নৈতিক শক্তি
  2. নৈতিক বিধি
  3. নৈতিক আদর্শ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
নৈতিক আদর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিক আদর্শ
ব্যাখ্যা
নৈতিকতাকে বলা হয় মানবজীবনের নৈতিক আদর্শ।

নৈতিকতা:
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি।
- নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়।
- নৈতিকতা বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।
- নৈতিকতা মানুষের মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।9
১৯২.
'Power: A New Social Analysis' গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ম্যাকিয়াভেলি
  2. হবস
  3. লক
  4. রাসেল
সঠিক উত্তর:
রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসেল
ব্যাখ্যা
'Power: A New Social Analysis' গ্রন্থটি বার্ট্রান্ড রাসেল-এর লেখা।

বার্ট্রান্ড রাসেল:
- রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল তার 'মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তি'কে ওপরে তুলে ধরা তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের মতে সচেতনভাবে বা অচেতনভাবেই হোক মানুষের মনে এমন কিছু প্রশ্ন জাগে যাদের কোন যুক্তি সঙ্গত উত্তর ধর্মতত্ত্বে যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি আবার বিজ্ঞান এদের নিয়ে আদৌ মাথা ঘামায় না।
- ধর্মতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এই যে অনধিকৃত একটি রাজ্য তাতেই দর্শন বিচরণ করে চলেছে।
- আর এ কারণেই রাসেল দর্শনকে বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মধ্যবর্তী অনধিকৃত রাজ্য (No Man's Land) বলে অভিহিত করেছেন।

এছাড়াও,
- Power : A New Social Analysis গ্রন্থটির রচয়িতা ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল।
- বইটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের মূল বিষয় হচ্ছে মানুষের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ক্ষমতা অর্জন করা।

উৎস: শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৩.
'সুবর্ণ মধ্যক' হলো -
  1. গাণিতিক মধ্যমান
  2. দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
  3. সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমান
  4. একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম
সঠিক উত্তর:
দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
ব্যাখ্যা
'সুবর্ণ মধ্যক' হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা।

গোল্ডেন মিন (Golden Mean):
- গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক হলো একটি দার্শনিক মতবাদ।
- গ্রিক দার্শনিক এরিষ্টটল এই ধারণার প্রবর্তক।
- দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী কোন পন্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলে।
- যেমন: একদিকে খুবই প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে খুবই অভাব।

উৎস: Britannica.
১৯৪.
নৈতিক আচরণবিধি (Code of ethics) বলতে বুঝায় -
  1. মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে
  2. বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধি
  3. দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করণে প্রণীত নৈতিক নিয়ম, মানদণ্ড বা আচরণবিধি
  4. উপরের তিনটিই সঠিক
সঠিক উত্তর:
উপরের তিনটিই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের তিনটিই সঠিক
ব্যাখ্যা
According to Oxford Reference, Code of ethics means-
The ethical standards that are adopted by an organization and expected to be followed by its employees. Well known voluntary codes of ethics exist in many multinational companies and are used frequently in the public and not-for-profit sectors.

নৈতিক আচরণবিধি (Code of ethics) বলতে বুঝায় কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নৈতিকতার মানদণ্ডে নির্ধারিত পেশাগত দৈনন্দিন দায়িত্ব ও কর্তব্যের পরিচিতি ও প্রযোজ্য নিয়মনীতি।
------------

নীতিবিদ্যা:
নীতিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ ethics এসেছে গ্রিক শব্দ ethica ও ল্যাটিন শব্দ ethice থেকে। এ শব্দ দু’টি এসেছে গ্রিক শব্দ ethikos থেকে। অর্থাৎ ethics এর আদি উৎস হলো ethos যার অর্থ হলো ‘চরিত্র’, ‘আচার-ব্যবহার’, ‘রীতি-নীতি’ বা ‘অভ্যাস’। কাজেই শাব্দিক অর্থে নীতিবিদ্যা বলতে বুঝায় ‘মানুষের আচরণ সম্পর্কীয় বিজ্ঞান’।নীতিবিদ্যা মানুষের আচরণের ভালত্ব-মন্দত্ব ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। অতএব, যে বিদ্যা মানুষের আচার-ব্যবহার রীতি-নীতি, অভ্যাস ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করে তাকে নীতিবিদ্যা বলে।

নীতিবিদ্যা হলো মানুষের আচরণের উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায় বা ভালো-মন্দ সম্পর্কিত আলোচনা। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ বা ইচ্ছাকৃত ক্রিয়ার মূল্যবিচার করাই হলো এর মূল আলোচ্য বিষয়। নীতিবিজ্ঞান হলো সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কীয় একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান যা মানুষের আচরণ যথোচিত কি অনুচিত, ভাল কি মন্দ তা বিচার করে। অধ্যাপক ম্যাকেঞ্জি নীতিবিদ্যাকে সংজ্ঞায়িত করেছেন আচরণের সঠিকতা বা ভালত্ব সম্পর্কিত অধ্যয়ন শাখা বলে।

উইলিয়াম লিলি তাঁর An Introduction to Ethics বইয়ে নীতিবিদ্যার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, ‘‘নীতিবিদ্যা হলো সমাজে বসাবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যেখানে আচরণের সঠিকতা বা অসঠিকতা, ভালো বা মন্দ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।’’ মূলত: নীতিবিদ্যা হলো এমন একটি জ্ঞানশাখা যেখানে সমাজে বসবাসকারী মানুষের ঐচ্ছিক আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, যথার্থতা-অযথার্থতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়, আচরণের মানদন্ড ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয় এবং তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তাহলে নীতিবিদ্যা সম্পর্কে বলা যায়:
- নীতিবিদ্যা সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিদ্যা।
- নীতিবিদ্যা ঐচ্ছিক আচরণের ভালো-মন্দ সম্পর্কিত বিদ্যা।
- নীতিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
- নীতিবিদ্যা যেমন তাত্ত্বিক, তেমনি ব্যবহারিক।

উৎস: কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১৯৫.
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ লালন করে -
  1. সামাজিক মূল্যবোধকে
  2. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে
  3. ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে
  4. স্বাধীনতার মূল্যবোধকে
সঠিক উত্তর:
সামাজিক মূল্যবোধকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক মূল্যবোধকে
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ লালন করে সামাজিক মূল্যবোধকে।

সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
- মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
- মূল্যবোধ ছন্দময় এবং পরিবর্তনশীল।
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
- সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
- এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেও পরিবর্তন ঘটে।
- ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন আকাংখার অভিব্যক্তিই হলো সামাজিক মূল্যবোধ।

⇒ ব্যক্তিগত মূল্যবোধ:
- আধুনিক বিশ্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যক্তিগত মূল্যবোধের ওপর।
- এটি ব্যক্তির স্বাধীনতাকে লালন করে।
- ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তির আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে তার নিজস্ব কিছু মূল্যবোধ, যা ব্যক্তির রুচি, বিশ্বাস, মনোভাব, ধারণা ও নীতি-নৈতিকতা থেকে সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি শিশুই ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায় এবং পরিবার থেকেই সে তার মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
- ব্যক্তির ব্যক্তিজীবন তার মূল্যবোধ দ্বারাই প্রভাবিত হয়।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
         ii) কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে -
  1. দুর্নীতি রোধ করা
  2. সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
  3. রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
  4. সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।

সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য আকাঙ্ক্ষার অভিব্যক্তি হল সামাজিক মূল্যবোধ।
- বস্তুত সামাজিক মূল্যবোধ হল সামাজিক শিষ্টাচার, সততা, সত্যবাদিতা, ন্যায়-বিচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শ্রমের মর্যাদা, শৃঙ্খলাবোধ, সময়ানুবর্তিতা, দানশীলতা, উদারতা প্রভৃতি মানবিক সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।
- সামাজিক পরিবর্তনের ফলে মূল্যবোধের পরিবর্তন ঘটে।

⇒ সামাজিক অবক্ষয়:
- সামাজিক অবক্ষয় হলো মূল্যবোধের অনুপস্থিতি।
- যে কোনো সমাজের রীতিনীতি, মনোভাব এবং সমাজের অন্যান্য অনুমোদিত আচার-আচরণের সমন্বয়ে সামাজিক মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।
- এসব মূল্যবোধের অবনতিই সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়।
- সমাজে আইনের শাসনের দুর্বলতা ও অভাব, মানুষের সহনশীলতার অভাব এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশের কারণেও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে।
- ধর্মীয় অপব্যাখ্যাও মানুষকে মূল্যবোধহীন পথে পরিচালিত করতে পারে, যেমন- কোনো বিষয়ে মনগড়া ফতোয়াজারির মাধ্যমে দোররা মারা মূল্যবোধ পরিপন্থি কাজ।
- সুতরাং আইনের শাসন সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৭.
সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে -
  1. সুসম্পর্ক গড়ে তোলে
  2. আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে
  3. শান্তির সম্পর্ক গড়ে তোলে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে
ব্যাখ্যা
সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।

সুশাসন (GOOD GOVERNANCE):
- ম্যাককরনী (Mac' Corney) বলেছেন যে, ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।'
- মোটকথা, প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা (Accountability), বৈধতা (Legilimacy), স্বচ্ছতা (Transparency) থাকে, এতে যদি অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে, বাকস্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন (Rule of law), আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা বা দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর থাকে তাহলে সে শাসনকে ‘সুশাসন' (Good Governance) বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯৮.
সুশাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে-
  1. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  2. অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
  3. সামাজিক উন্নয়ন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
সুশাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন।

সুশাসন:
- সাধারণত শাসন হচ্ছে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ও তা বাস্তবায়নের একটি প্রক্রিয়া।
- শাসনের ধারণা কোন নতুন বিষয় নয় বরং এটা মানব সভ্যতার মতোই পুরাতন।
- শাসন ব্যবস্থার অর্থ ও মাত্রা সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।
- সুশাসন শব্দটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন: আন্তর্জাতিক শাসন, জাতীয় শাসন, স্থানীয় শাসন, যৌথ শাসন ইত্যাদি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- বর্তমানে সুশাসনকে একটি দেশের উন্নয়নের দিক নির্দেশনা প্রদানকারী হিসেবে দেখা হয়।
- সুশাসন প্রত্যয়টিকে সংজ্ঞায়িত করতে হলে শাসন বলতে কি বুঝায় তা জানা প্রয়োজন।
- শাসন বলতে বুঝায় ক্ষমতাকে কিভাবে প্রয়োগ করা হয়, কিভাবে জনগণের দাবি-দাওয়ার প্রতি সাড়া প্রদান করা হয় কিংবা কিভাবে একটি জনসমষ্টি শাসিত ও পরিচালিত হয়।
- সাধারণ অর্থে সুশাসন হল এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- এটি ৪ ধরণের ধারণা নির্মাণ করে: রাজনৈতিক সুশাসন, সামাজিক সুশাসন, অর্থনৈতিক সুশাসন এবং সাংস্কৃতিক সুশাসন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯৯.
একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো-
  1. স্বাধীনতা
  2. ক্ষমতা
  3. কর্মদক্ষতা
  4. জনকল্যাণ
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
ব্যাখ্যা
একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো জনকল্যাণ।

জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ:
- আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জনমতের উপর নির্ভরশীল।
- সরকারের উত্থান, পতন, সাফল্য বহুলাংশে জনমতের উপর নির্ভরশীল।
- জনমতকে অগ্রাহ্য করে কোন শাসক দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্রে সদা জাগ্রত জনমত সরকারের স্বেচ্ছাচার রোধ করে গণতন্ত্রের স্বরূপ বজায় রাখে।

⇒ আধুনিক গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে জনমত মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
= সরকার জনকল্যাণ সাধনের জন্য যে কর্মসূচি প্রণয়ন ও কার্যকর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা মূলত জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখেই করা হয়।
- জনমতের চাপে সরকার রক্ষণশীল মনোভাব পরিত্যাগ করে।
- সরকার যুগোপযোগী ও প্রগতিশীল কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।
- জনমত যতক্ষণ পর্যন্ত কোন সরকারের অনুকূলে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার দক্ষতা ও দ্রুততার সাথে যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারে।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইন প্রণয়নও পরিবর্তনে জনমতের প্রভাব অপরিসীম। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২০০.
সুশাসনের পথে অন্তরায় -
  1. আইনের শাসন
  2. জবাবদিহিতা
  3. স্বজনপ্রীতি
  4. ন্যায়পরায়ণতা
সঠিক উত্তর:
স্বজনপ্রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বজনপ্রীতি
ব্যাখ্যা
সুশাসনের পথে অন্তরায় স্বজনপ্রীতি।

সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
- সুশাসন মানে হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসনের পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
- এগুলো ব্যতীত দুর্নীতি রোধ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না।
- অংশগ্রহণ ও ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম অন্তরায়।
- বাংলাদেশে উন্নয়ন ও সুশাসনের বড় অন্তরায় রয়েছে দুর্নীতি।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
          ii) সিপিডি।