পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়21 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৭ রিভিশন পরীক্ষা - ২ Topic: The Specific Relief Act, 1877 & The Limitation Act, 1908 (পরীক্ষা ১০, ১৩ , ১৫) + General part (পরীক্ষা ১২, ১৪, ১৬)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ২নং আইন
  2. ৩নং আইন
  3. ১নং আইন
  4. ৫নং আইন
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ তফলিস: নেই;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী অপারগতা অবসানের পর কোন মেয়াদের মধ্যে মামলা করা যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. আদালত নির্ধারিত মেয়াদে
  3. প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে বর্ণিত মেয়াদে
  4. যেকোনো সুবিধাজনক সময়
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা- বৈধ অপারগতা:
(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী কোন আদালতে পরিচালিত কার্যক্রমের সময় বাদ হতে পারে?
  1. কেবল নিম্ন আদালত
  2. কেবল উচ্চ আদালত
  3. এখতিয়ারবিহীন আদালত
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

.
Which of the following is not included in the methods of granting specific relief under Section 5 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Delivery of possession of property
  2. Declaration of rights
  3. Appointment of a receiver
  4. Award of compensation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: d) Award of compensation (ক্ষতিপূরণ প্রদান)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৫ অনুযায়ী specific relief বলতে এমন প্রতিকারকে বোঝায় যেখানে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করাতে বা নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দেন। এখানে ক্ষতিপূরণ (compensation) প্রদানই মূল উদ্দেশ্য নয়।

ধারা ৫–এ যেসব উপায়ে নির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয়, সেগুলো হলো-
- নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে প্রদান করা (Delivery of possession);
- কোনো পক্ষকে তার আইনগত দায়বদ্ধ কাজটি করতে আদেশ দেওয়া (by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do);
- কোনো পক্ষকে নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখা (by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do);
- ক্ষতিপূরণ না দিয়ে পক্ষগুলোর অধিকার ঘোষণা করা (Declaration of rights);
- রিসিভার নিয়োগ করা (Appointment of a receiver)।

কিন্তু ক্ষতিপূরণ প্রদান (Award of compensation) হলো দেওয়ানী ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার, যা সাধারণত Contract Act বা Civil Procedure–এর আওতায় পড়ে; এটি Specific Relief Act-এর ধারা ৫–এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

.
The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন কোন ক্ষেত্রে তামাদি অতিক্রান্ত হলেও আবেদন গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. সব ধরনের মামলার ক্ষেত্রে
  2. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  3. আপিল ও নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে
  4. কেবল মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫-
তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হলেও কোনো আপিল, রিভিশন বা রিভিউয়ের দরখাস্ত, আপিলের অনুমতির জন্য দরখাস্ত, কিংবা প্রচলিত কোনো আইনের দ্বারা যেসব দরখাস্তের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য করা হয়েছে—সে সকল আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে তার যথার্থ বা পর্যাপ্ত কারণ (sufficient cause) ছিল। অর্থাৎ, যথেষ্ট কারণ প্রমাণিত হলে আদালত দেরি হওয়া সত্ত্বেও আবেদন গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।

এছাড়া, এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা নির্ণয় বা গণনা করতে গিয়ে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো আদেশ, প্রচলিত রীতি (practice) বা রায়ের দ্বারা বিভ্রান্ত (misled) হন, তবে সেই বিভ্রান্ত হওয়াটিও এই ধারার অর্থে যথার্থ কারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

.
কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যেতে পারে?
  1. কেবল আইনি ত্রুটির কারণে
  2. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলে
  3. কেবল দলিল নিবন্ধিত না হলে
  4. দলিল পক্ষসমূহের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ করলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

.
তামাদি আইনের ধারা ১৫(২) অনুযায়ী, কোন সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. আপিল নিষ্পত্তির সময়
  2. নোটিশ প্রদানের সময়কাল
  3. আদালত বন্ধ থাকার সময়
  4. প্রতিবাদী অনুপস্থিত থাকার সময়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারা- কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

.
রাশেদ ১ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে করিমের জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। করিম ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চান। সর্বোচ্চ কোন তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ১ জানুয়ারি ২০২৩।

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass)–এর জন্য-
ক্ষতিপূরণ দাবির তামাদি মেয়াদ = ৩ বছর
তামাদি গণনা শুরু হবে = অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে

এখানে,
অনধিকার প্রবেশের তারিখ: ১ জানুয়ারি ২০২০;
তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর;
সুতরাং সর্বশেষ মামলা দায়েরের তারিখ হবে: ১ জানুয়ারি ২০২৩।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করা হয়-
  1. স্বয়ংক্রিয়ভাবে
  2. পক্ষগণের সম্মতিতে
  3. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
  4. আদালতের বাধ্যতামূলক ক্ষমতায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।

১০.
আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ হওয়া রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ, অনুচ্ছেদ ১৬০:
যদি কোনো রিভিউ (review) দরখাস্ত শুনানির সময় আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ (rejected) হয়ে যায়, তাহলে সেই খারিজকৃত রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল (restore) করার জন্য আবেদনকারীকে খারিজের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দরখাস্ত করতে হবে।

১১.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী- মামলা, আপীল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার সময় কোন দিনটি বাদ যাবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. মামলা দায়েরের দিন
  3. যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
  4. ডিক্রী কার্যকর হওয়ার দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

১২.
Under Explanation 1 to Section 10 of The Specific Relief Act, 1877, who may sue for possession of property?
  1. A bailee
  2. A trustee
  3. A beneficiary
  4. A receiver
ব্যাখ্যা

Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

ধারা ১০ : সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

১৩.
প্রতারণার ফলে অধিকার সম্পর্কে বাদী অজ্ঞ থাকলে তামাদি গণনা শুরু হবে-
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার সৃষ্টি হওয়ার তারিখ থেকে
  3. বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

১৪.
“Restoration of position” বা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার ধারণাটি The Specific Relief Act, 1877–এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৬।

The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৩৬–এ ভুলের জন্য চুক্তি রদ (Rescission for mistake)–এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হলো “Restoration of position”।

এই ধারার মূল বক্তব্য হলো-
কেবল সাধারণ ভুলের কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে এমন অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তিটি কখনো করা হয়নি।

অর্থাৎ, চুক্তি বাতিলের পূর্বশর্ত হলো- পক্ষদ্বয়কে পূর্বের অবস্থায় (status quo ante) ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা। এই কারণেই “Restoration of position” ধারণাটি সরাসরি ধারা ৩৬–এর সাথে সম্পর্কিত।

১৫.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে না
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।

১৬.
Section 13 of The Limitation Act, 1908 protects which party mainly?
  1. State
  2. Court
  3. Plaintiff
  4. Defendant
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- Plaintiff (বাদী)।

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ১৩ অনুযায়ী,
কোনো মামলার তামাদির সময় গণনা করার সময় যে সময়কালে বিবাদী (defendant) বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকেন, সেই সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ (exclude) দেওয়া হবে।

এর মূল কারণ হলো- বিবাদী বিদেশে বা সরকারের প্রশাসনাধীন বাংলাদেশের বাইরে থাকলে, বাদীর পক্ষে মামলা দায়ের করা বাস্তবভাবে কঠিন বা অসম্ভব হতে পারে. যদি সেই সময়টুকুও তামাদির মধ্যে গণনা করা হয়, তবে বাদী ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।

ধারা ১৩ তামাদির সময় স্থগিত (suspend) করে। বিবাদীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন বিবাদী তামাদি পার করে সুবিধা নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করে। ফলে বাদী ন্যায্য সময় ও সুযোগ পান মামলা দায়েরের। তাই এই ধারাটি মূলত বাদীর স্বার্থরক্ষার জন্যই প্রণীত।

১৭.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৭ কোন ধরনের কার্যধারায় প্রযোজ্য?
  1. কেবল মোকদ্দমা
  2. কেবল দরখাস্ত
  3. কেবল আপিল
  4. মোকদ্দমা ও দরখাস্ত উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান- অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

১৯.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

২০.
The main object of Section 7 of The Specific Relief Act, 1877 is to ensure that-
  1. Criminal courts grant civil relief
  2. Penal laws are enforced through civil suits
  3. Specific relief is confined to civil rights
  4. Civil courts impose punishments
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- c) Specific relief is confined to civil rights

The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৭–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে-
 শুধুমাত্র দণ্ডবিধি (penal law) কার্যকর করার উদ্দেশ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যাবে না।

এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) যেন ফৌজদারি শাস্তি প্রয়োগের হাতিয়ার না হয়। কেবলমাত্র দেওয়ানি অধিকার (civil rights) রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

২১.
নাসিমের মামলা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ায় খারিজ হয়। তিনি খারিজের কত দিনের মধ্যে খারিজ আদেশ বাতিল করার দরখাস্ত দায়ের করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

২২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, একটি দলিল দ্বারা যদি বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং তার একটি অংশ বাতিলযোগ্য হয়, তবে কী হবে?
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. শুধু বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
  3. পুরো দলিল বলবৎ থাকবে
  4. আদালত কোনো প্রতিকার দিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।

২৩.
তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী কোন মামলায় ধারা ৬ ও ৭–এর সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ঘোষণামূলক মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. দখল পুনরুদ্ধার মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎকরণের মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

২৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ- ১৫৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১৫৫
  4. অনুচ্ছেদ- ১৫৬
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪: ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল -
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

২৫.
Under Section 41 of The Specific Relief Act, 1877, when may the Court require compensation to be paid?
  1. While granting injunction
  2. While enforcing a contract
  3. On refusal of specific performance
  4. On adjudging the cancellation of an instrument
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877- Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

২৬.
তামাদি আইনের প্রথম বিভাগে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

২৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪৪ অনুযায়ী, জবরদখল করা স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলায় তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪৮ বছর
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ : ১৪৪, প্রথম তফসিল, তামাদি আইন, ১৯০৮-
যদি কারো জমি বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য কেউ জবরদখল করে নেয়, সেই দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) - ১২ বছর। এই সময় গণনা শুরু হবে যখন প্রতিপক্ষের দখল বাদীর স্বার্থের বিরুদ্ধে (adverse) হয়ে ওঠে।

২৮.
একটি বিক্রয় চুক্তিতে জমির ৯ কাঠা হস্তান্তর সম্ভব, কিন্তু বাকি ১ কাঠা হস্তান্তর সম্ভব নয়। ওই ১ কাঠার মূল্য অর্থের মাধ্যমে নির্ধারণযোগ্য। আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. পুরো চুক্তি বাতিল
  2. শুধু ৯ কাঠা হস্তান্তর
  3. শুধু ১ কাঠা হস্তান্তর
  4. পুরো চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন
ব্যাখ্যা

এটি The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ১৪–এর সরাসরি প্রয়োগ।

ধারা ১৪ অনুযায়ী- 
যদি চুক্তির দুটি অংশ থাকে (একটি বৃহত্তর, একটি ক্ষুদ্রতর), এবং বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হয়, আর ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তবে আদালত বৃহত্তর অংশটির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দিতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে পারে।

এখানে-
৯ কাঠা = বৃহত্তর অংশ (হস্তান্তর সম্ভব);
১ কাঠা = ক্ষুদ্রতর অংশ (হস্তান্তর অসম্ভব কিন্তু ক্ষতিপূরণযোগ্য)।

তাই আদালত ৯ কাঠা জমি হস্তান্তরের আদেশ দেবে (এবং ১ কাঠার জন্য ক্ষতিপূরণ ধার্য করতে পারে)।

২৯.
In the case of a continuing breach, when does the period of limitation begin to run?
  1. From the date of first breach only
  2. From the date of filing the suit
  3. From the date of court’s order
  4. At every moment during which the breach continues
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- d) At every moment during which the breach continues.

• The Limitation Act, 1908- Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারার বিধান- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

৩০.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হওয়ার প্রথম শর্ত কোনটি?
  1. দখল হস্তান্তর আবশ্যক
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকতে হবে
  3. চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত হতে হবে
  4. বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত থাকতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

৩১.
নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রদত্ত সম্পত্তির অপব্যবহার করা হলে, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি কত দিনের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

৩২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০ অনুযায়ী, কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্ধারিত থাকলে-
  1. কেবল ক্ষতিপূরণই দেওয়া যাবে
  2. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যাবে না
  3. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যেতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০: ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারিত থাকলেও সুনির্দিষ্ট সম্পাদন থেকে বাধা নয়:
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আগেই নির্ধারিত থাকে, তবুও চুক্তিটি অন্য সবদিক দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের যোগ্য হলে, এবং চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষ সে নির্ধারিত অর্থ দিতে রাজি থাকলেও, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific Performance) আদালত দিতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকলেও তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনে বাধা নয়।

৩৩.
Section 28 of The Limitation Act, 1908 is an exception to which general principle?
  1. Limitation affects both right and remedy
  2. Limitation bars remedy but not the right
  3. Limitation never affects rights
  4. Limitation applies only to contracts
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- b) Limitation bars remedy but not the right.

The Limitation Act, 1908–এর সাধারণ নীতি হলো-
তামাদি আইন সাধারণত কেবল প্রতিকার (remedy) বন্ধ করে, অধিকার (right) নষ্ট করে না।
অর্থাৎ, সময়সীমা পেরিয়ে গেলে মামলা করা যায় না, কিন্তু মূল অধিকারটি তাত্ত্বিকভাবে থেকে যায়।

কিন্তু ধারা ২৮ এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম (exception)।

ধারা ২৮-
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ শেষ হলে, ঐ সম্পত্তির ওপর ব্যক্তির অধিকারই বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যায়।

অর্থাৎ, এখানে শুধু মামলা করার সুযোগ নয়, অধিকার নিজেই শেষ হয়ে যায়। এই কারণেই ধারা ২৮ হলো সেই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম যে- “Limitation bars the remedy but not the right.”

৩৪.
তামাদি আইনের কোনো বিধান কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৭- নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা:
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক অঙ্গীকারের (affirmative agreement) পাশাপাশি একটি নেতিবাচক  অঙ্গীকার (negative agreement)ও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে- অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে; তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

৩৬.
Which of the following nouns is always plural?
  1. Information
  2. Scenery
  3. Advice
  4. Cattle
ব্যাখ্যা

• Number:
- কোন ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যাকে number বলে।
- Number দুই প্রকার। যেমন:
1. Singular Number,
2. Plural Number.

• কিছু শব্দ আছে যেগুলো সবসময় Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন:
- Information,
- Scenery,
- Machinery,
- Advice,
- Hair,
- Alphabet,
- Luggage,
- Politics,
- Physics,
- Economics,
- The United States of America,
- Gulliver's Travels, etc.

• আবার কিছু শব্দ আছে যেগুলো সবসময় Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন:
- People,
- Police,
- Cattle, etc.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.

৩৭.
The antonym of the word "Gainsay" is -
  1. Repudiate
  2. Confirm
  3. Contradict
  4. Dispute
ব্যাখ্যা

Gainsay (Verb): 
- English Meaning: To refuse to accept something as the truth.
- Bangla Meaning: অপলাপ/অস্বীকার/অপহ্নব করা।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Repudiate - নিজের বলে অস্বীকার করা।

খ) Confirm - সমর্থন ও অনুমোদন করা।

গ) Contradict - অস্বীকার করা।

ঘ) Dispute - বিবাদ করা।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Gainsay" is - Confirm.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৮.
Choose the correct spelling.
  1. Phanomenon
  2. Phenomanon
  3. Phenomenon
  4. Phanomanon
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Phenomenon' (Noun).

Phenomenon:
- English meaning: An observable fact or event; a rare or significant fact or event.
- Bangla meaning: (১) ইন্দ্রিয়গোচর বস্তু বা বিষয়। (২) বিস্ময়কর ব্যক্তি/বিষয়/ঘটনা।

• Example sentences:
- Gravity is a natural phenomenon.
- Glaciers are interesting natural phenomena.

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৯.
What does the idiom “eat humble pie” primarily imply?
  1. To brag about one’s achievements
  2. To admit one’s mistake
  3. To celebrate one’s success proudly
  4. To point out someone success 
ব্যাখ্যা

• The required answer is - To admit one’s mistake.

• Eat humble pie (idiom):
- English Meaning: Admit that you were wrong; make a humble apology and accept humiliation.
- Bangla Meaning: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া।

Example sentence: After losing the argument, he had to eat humble pie.
- Bangla Meaning: তর্ক হেরে যাওয়ার পর, তাকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল।

Source: Cambridge Dictionary, Oxford Dictionary.

৪০.
She deeply repented ___ her rude behavior. 
  1. of
  2. at
  3. with
  4. on
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: She deeply repented of her rude behavior.

• Repent of:
- English Meaning: To feel sorrow, regret, or contrition for something. 
- Bangla Meaning: অনুশোচনা হওয়া/করা; অনুতপ্ত হওয়া। 

- অর্থাৎ, কোনো কিছুর জন্য অনুতপ্ত হওয়া অর্থে সাধারণত 'repent of' ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- He repented of his rude behaviour.
- They repented of breaking their promise.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy, Cambridge Dictionary.

৪১.
‘তোরাব’ কোন নাটকের চরিত্র?
  1. নীলদর্পণ
  2. জোহরা
  3. সধবার একাদশী 
  4. আলালের ঘরের দুলাল 
ব্যাখ্যা

‘তোরাব’ চরিত্রটি দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত সামাজিক নাটক ‘নীলদর্পণ’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।

• ‘নীলদর্পণ':
-
নীলদর্পণ বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো- ব্রিটিশ আমলে নীলকর সাহেবদের দ্বারা বাঙালি কৃষক ও সাধারণ মানুষের ওপর চালানো নির্মম অত্যাচার ও শোষণের করুণ চিত্র।
- নীল চাষকে কেন্দ্র করে নীলদর্পণ নাটকে কৃষকদের ওপর নীলকরদের জোরপূর্বক নীল চাষ চাপিয়ে দেওয়ার নির্মম বাস্তবতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
- এই চাষ আদায়ের জন্য কৃষকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হতো এবং অনেক ক্ষেত্রে জমি ও সম্পদ জোর করে দখল করে নেওয়া হতো।
- নাটকে গোলক বসুর পরিবারের করুণ পরিণতি দেখিয়ে বোঝানো হয়েছে, কীভাবে একসময়ের সচ্ছল কৃষক পরিবার নীলকরদের অত্যাচারে ধীরে ধীরে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। 
- এই নাটকের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে- তোরাব।
- এখানে তাকে শোষক জমিদার-পল্লীর প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
--------------------------------- 
অন্যদিকে, 
• জোহরা চরিত্রটি হচ্ছে- মোজাম্মেক হকের জোহরা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। 
• দীনবন্ধু মিত্রের সধবার একাদশী প্রহসনের চরিত্র হচ্ছে- নিমচাঁদ।
• প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলালের চরিত্রগুলো হচ্ছে- ঠকচাচা, মতিলাল, বাঞ্চারামবাবু।
-----------------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল গন্ধর্বনারায়ণ।
- ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধ চলাকালে তিনি কাছাড় অঞ্চলে ডাক বিভাগের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেন; এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি দেয়।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ও নাটক হলো ‘নীলদর্পণ’।

• দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো,
- জামাই বারিক।

• দীনবন্ধু মিত্রের নাটক:
- নীলদর্পণ,
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৪২.
‘কল্লোল’ কোন ধরণের পত্রিকা ছিল? 
  1. দৈনিক
  2. সাপ্তাহিক
  3. মাসিক
  4. পাক্ষিক 
ব্যাখ্যা

‘কল্লোল’:
- ‘কল্লোল’ ছিল একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
- এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা ও কল্লোল যুগের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাথমিক সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের সমকালীন লেখকদের জন্য শক্তিশালী সাহিত্য আন্দোলনের প্রতীক ছিল। 
- পত্রিকাটি নবীন লেখকদের- প্রেমেন্দ্র মিত্র, কাজী নজরুল ইসলাম, বুদ্ধদেব বসু প্রমুখ- জন্য মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছিল।
- বিশেষ করে যারা রবীন্দ্রনাথের বৃত্তের বাইরে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
- কল্লোল মূলত রবীন্দ্র-বিরোধী সাহিত্য বিপ্লব হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৯২৩ থেকে ১৯২৯ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৩.
"যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি"-
 অংশটুকু কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. রামের ইতিবৃত্ত
  2. সদ্ভাব শতক
  3. মোহভোগ
  4. কৈবল্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

- "যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি,-  
অংশটুকু কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত ‘সদ্ভাব শতক’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

‘সদ্ভাব শতক’:
- "যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, 
আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি"। 

- এই বিখ্যাত নীতিমূলক পঙক্তিগুলোর লেখক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- এটি তাঁর ‘সদ্ভাব শতক’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
- উক্তিটি মানুষের সঞ্চয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গুরুত্ব বোঝায়।
- এখানে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ভালো সময়ে (দিনের আলোতে) অতিরিক্ত খরচ করে বা অপচয় করে মোমের বাতি জ্বালায়, সেই ব্যক্তি যখন সত্যিই প্রয়োজন হবে বা রাতের অন্ধকারে প্রদীপ জ্বালাতে চাইবে, তখন সে করতে পারবে না।
- অর্থাৎ, অতিরিক্ত আনন্দ বা অপচয় ভবিষ্যতে অভাবের কারণ হতে পারে।
- পঙক্তিগুলো মানুষের কৃপণতা, অসাবধানতা এবং সঠিক সময়ে সঞ্চয় করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।

• কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার:
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ছিলেন একজন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৮৩৪ সালের ১০ জুন খুলনা জেলার সেনহাটি গ্রামে একটি বৈদ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি তাঁর নীতিমূলক কবিতা ও ‘সদ্ভাব শতক’ গ্রন্থের জন্য পরিচিত।  
- তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘রামের ইতিবৃত্ত’ ১৮৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এছাড়া, মহাভারতের ‘বাসব-নহুষ-সংবাদ’ অবলম্বনে তিনি ‘মোহভোগ’ গ্রন্থটি রচনা করেন।
- ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দর্শনবিষয়ক গ্রন্থ ‘কৈবল্যতত্ত্ব'। 
- তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত নাটক ‘রাবণবধ’ তাঁর সাহিত্যকর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এছাড়া, তাঁর অপ্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় পনেরো।
- ১৯৬১ সালে সালে তিনি ‘ঢাকা প্রকাশ’-পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১৯০৭ সালের ১৩ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৪৪.
১৮৮২ সালে নেপালের বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্যের পরিচয় প্রথম প্রকাশ করেন- 
  1. রাজকীয় নেপাল লাইব্রেরি
  2. মুনিদত্ত
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র
ব্যাখ্যা

- ১৮৮২ সালে নেপালের বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্যের পরিচয় প্রথম প্রকাশ করেন- রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র।

নেপালের বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্য:
- ১৮৮২ সালে প্রকাশিত Sanskrit Buddhist Literature in Nepal গ্রন্থে রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র সর্বপ্রথম নেপালের বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন।
- এরপর রাজেন্দ্রলালের আমন্ত্রণে নেপালে পুঁথি সংগ্রহের জন্য যান হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮৯৭ ও ১৮৯৮ সালেও নেপালে গিয়েছিলেন পুঁথি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে।
- কিন্তু ১৯০৭ সালে তিনি পুঁথি সংগ্রহের জন্য নেপালে গিয়ে এই ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ নামে এই পুঁথিটি খুঁজে পান, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলির মধ্যে অন্যতম।
---------------------------
অন্যদিকে,
• মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের আবিষ্কারক ও সম্পাদক ছিলেন।
- এটি ১৯১৬ সালে তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশিত গ্রন্থটির নাম ছিল — ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’।

• চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন — মুনিদত্ত।

• ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন। 
----------------------------------

চর্যাপদ:
-  চর্যাপদ মানে হলো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের লিখিত প্রথম নিদর্শন।
- এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত এক প্রকার সাধনমূলক গীতিকবিতা।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আদি ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
- এটি গানের সংকলন এবং একে সাধন-সংগীতও বলা হয়।
- চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এবং একে চর্চাগীতিকোষ বলা হয়।
- পাল শাসন আমলে এটি রচিত হয়।
- চর্যাপদকে বলা হয় সহজিয়া বা বৌদ্ধ ধর্ম অবলম্বনকারীদের সাহিত্য।
- এর ভাষা রীতি হলো কথ্য ভাষারীতি।
- ড. সুনীতিকুমারের মতে চর্যাপদের ভাষা পশ্চিম বঙ্গের উপভাষা।
- এবং ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বঙ্গকামরূপী অথবা প্রাচীন বাংলা ভাষা।
- চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা ও বলা হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম।

৪৫.
‘রুবাই’- এর জনক- 
  1. হাফিজ
  2. ফেরদৌসী
  3. ওমর খৈয়াম 
  4. নিজামী
ব্যাখ্যা

• চার পঙ্‌ক্তির বিশেষ কাব্যরূপ ‘রুবাই’-কে জনপ্রিয় ও সাহিত্যিক মর্যাদা দেন পারস্যের কবি ও দার্শনিক ওমর খৈয়াম।
- তাই তাঁকেই রুবাইয়াতের জনক বলা হয়।

ওমর খৈয়াম:
- ওমর খৈয়াম ছিলেন গণিতবেত্তা, দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ।
 তিনি হিজরি পঞ্চম শতকের শেষের দিকে সেলজুক যুগে জন্মগ্রহণ করেন।
 খ্রিস্টীয় দিনপঞ্জিকা অনুযায়ী তার জন্ম ১০৪৮ সালের ১৮ মে।

- তার রচিত রুবাই হলো চার লাইনের ছোট কবিতা।
- প্রতিটি রুবাইতে একটি বিশেষ ভাবকে হৃদয়গ্রাহীভাবে দেখানো হয়।
- রুবাইয়াতের বিষয়বস্তুতে প্রেম, আনন্দ, বিষাদ, আশা ও আকাঙ্ক্ষা থাকে।
- এছাড়াও এতে আশাবাদ, নৈরাশ্যবাদ, সুখবাদ, মর্যাদা, দেহবাদ, নিয়তিবাদ ও দর্শন দেখা যায়।

- রুবাইয়াতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
- প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ লাইনে অন্ত্যমিল থাকে।
- তৃতীয় লাইনে এটি ভিন্ন হয়।
- অনেকে রুবাইয়াতকে চীনা চতুষ্পদী কবিতা, জাপানি হাইকু ও মালয় পান্তুমের সঙ্গে তুলনা করেন।
 
অন্যদিকে,
- হাফিজ মূলত গজল রচনায় খ্যাত।
- ফেরদৌসী ‘শাহনামা’র রচয়িতা, মহাকাব্যিক কবি।
- নিজামী কাহিনিকাব্যের জন্য প্রসিদ্ধ।

উৎস:
দৈনিক ইনকিলাব;
দৈনিক যুগান্তর;
Britannica.

৪৬.
দার্দানেলিস প্রণালি পৃথক করেছে-
  1. আনাতোলিয়া ও গ্যালিপোলি উপদ্বীপ
  2. কৃষ্ণসাগর ও গ্যালিপোলি উপদ্বীপ
  3. মর্মর সাগর ও আনাতোলিয়া
  4. মর্মর সাগর ও কৃষ্ণসাগর
ব্যাখ্যা

দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী হলো উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
-  এটি কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করে।
- এই প্রণালী এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়াকে ইউরোপের গ্যালিপোলি উপদ্বীপ থেকে আলাদা করে।
- এই প্রণালী এজিয়ান সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা পরে বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- ফলে কৃষ্ণ সাগরের দেশগুলোর জন্য এটি বিশ্বের সঙ্গে একমাত্র সমুদ্র সংযোগ হিসেবে কাজ করে।
- সংযোগটি হলো: এজিয়ান সাগর → মর্মর সাগর → বসফরাস প্রণালী → কৃষ্ণ সাগর।
- প্রাচীনকালে দার্দানেলিস প্রণালী হেলেস্পন্ট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

৪৭.
পৃথিবীর একমাত্র পোপশাসিত রাষ্ট্র কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশের ভ্যাটিকান সিটি হলো পৃথিবীর একমাত্র পোপশাসিত রাষ্ট্র।
- ইউরোপ মহাদেশ হলো ইউরেশিয়ার পশ্চিমাংশ।
- এই মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম এবং জনসংখ্যায় বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। 
- এটি উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- এবং পূর্বে ইউরাল পর্বতমালা ও নদী দ্বারা এশিয়ার থেকে পৃথক হয়েছে।
- এই মহাদেশে সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র- ক্লাসিক্যাল কসোভো, যা ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- রাশিয়া হচ্ছে এই মহাদেশের আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ।
- আর ভ্যাটিকান সিটি হচ্ছে আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট দেশ। 

ভ্যাটিকান সিটি:
- এটি ইউরোপ মহাদেশের ইতালির রাজধানী রোম শহরের মধ্যে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত সার্বভৌম ছিটমহল (enclave)। 
- ভ্যাটিকান সিটি স্থলবেষ্টিত গির্জা রাষ্ট্র, রোমান ক্যাথলিক চার্চের আসন।
- এই রাষ্ট্রটি টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শাসন চালান।
- এবং এটি ক্যাথলিক চার্চের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। 
- ১৯২৯ সালের ল্যাটেরান চুক্তি অনুযায়ী এটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ভ্যাটিকান সিটিতে ১৫০৬ সাল থেকে নিজস্ব টেলিফোন ব্যবস্থা, ডাকঘর, উদ্যান, জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, রেডিও স্টেশন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ফার্মেসি রয়েছে।
- এছাড়া, পোপের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য সুইস গার্ডদের একটি দল রয়েছে।
- তবে খাদ্য, জল, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের মতো প্রায় সমস্ত সরবরাহ বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়।
- এছাড়া এখানে কোনও হাসপাতাল নেই। 

উৎস: Britannica.

৪৮.
ফ্লোরিডা প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে- 
  1. বঙ্গোপসাগর 
  2. পারস্য উপসাগর 
  3. মেক্সিকো উপসাগর
  4. হাডসন উপসাগর 
ব্যাখ্যা

মেক্সিকো উপসাগর:
- মেক্সিকো উপসাগর হলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশাল এবং প্রায় আবদ্ধ উপসাগর।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- এর একদিকে মেক্সিকো, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে টেক্সাস পর্যন্ত উপকূল এবং দক্ষিণ-পূর্বে কিউবা দ্বীপ অবস্থিত।-
- এটি ফ্লোরিডা প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত।
- এছাড়া, এই উপসাগরটি ইউকাটান প্রণালীর মাধ্যমে ক্যারিবিয়ান সাগরের সঙ্গে যুক্ত।
- মেক্সিকো উপসাগরে প্রচুর পরিমাণে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

অন্যদিকে,
• বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal) হচ্ছে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় উপসাগর।
- এটি ভারত মহাসাগরের উত্তরের সম্প্রসারিত বাহু।
- বঙ্গোপসাগরের গভীরতম স্থানটি হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি গভীর খাদ।
- এই খাদটি সুন্দরবনের কাছেই অবস্থিত।

• পার্স উপসাগর:
- এটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এবং প্রধানত ইরান এবং সৌদি আরব এর তীরবর্তী দেশগুলোর সাথে যুক্ত।
- এছাড়া কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের সীমান্তেও সংযোগ রয়েছে।

• হাডসন উপসাগর:
- এটি কানাডা-এর উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বড় উপসাগর।

উৎস:
১. Britannica;
২. বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
দক্ষিণ আমেরিকায় কোন নদী ব্রাজিল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়?
  1. আমাজন নদী
  2. ইগুয়াসু নদী
  3. প্যারাগুয়ে
  4. রিও নেগ্রো
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- আমাজন নদী হলো দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।
- আমাজন নদী দৈর্ঘ্য অনুযায়ী বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (নীল নদীর পর)।
- এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,০০০ মাইল (৬,৪০০ কিমি)।
- এই নদীটি ব্রাজিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তর-পূর্ব উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম নদী ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- এই নদীর উৎপত্তি ঘটে পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা থেকে।
- এর প্রবাহ দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশ অতিক্রম করে- যার মধ্যে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং বিশেষভাবে ব্রাজিল অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- আয়তন ও জলপ্রবাহের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- মহাকাশ থেকেও এর বাদামী জলের ধারা দেখা যায়, যা আটলান্টিকের নীল জলের সঙ্গে মিশে যায়।
- এর অববাহিকা (watershed) পৃথিবীর সবচেয়ে বড়।
- এছাড়া এর প্রবাহের আয়তন এবং অববাহিকার ক্ষেত্রফলের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
-------------------------------
অন্যদিকে, 
• ব্রাজিলে নদ-নদীর সংখ্যা অনেক এবং এগুলো দেশের ভূপ্রকৃতি ও জলব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ইগুয়াসু নদী- বিশ্ববিখ্যাত ইগুয়াসু জলপ্রপাতের জন্য পরিচিত।

• প্যারাগুয়ে নদী- প্যারাগুয়ে–পারানা–প্লাটা নদী ব্যবস্থার একটি অংশ।
- এটি দক্ষিণ ব্রাজিলের বিস্তীর্ণ এলাকার পানি নিষ্কাশনে সহায়তা করে এবং নৌপরিবহনে ভূমিকা রাখে।

• রিও নেগ্রো- আমাজন নদীর বৃহত্তম বাম উপনদী।
- এটি বিপুল পরিমাণ পানি আমাজন নদীতে সরবরাহ করে এবং আমাজন অববাহিকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

উৎস: Britannica.

৫০.
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট অঞ্চল কীসের জন্য পরিচিত?
  1. তেলের মজুদ
  2. সোনার খনি 
  3. আফিম উৎপাদন
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ক্রিসেন্ট এবং গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- আফিম উৎপাদনের প্রধান দুটি অবৈধ ক্ষেত্র হলো:
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট এবং
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল।

• গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট হলো মধ্য, দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত অঞ্চল।
-  এই অঞ্চল আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের পার্বত্য এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং পূর্বে ইরান পর্যন্ত পৌঁছায়।
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আফিম উৎপন্ন হয় আফগানিস্তানে।
- আফগানিস্তান বিশ্বের অবৈধ হেরোইনের প্রায় ৯০% বা তারও বেশি সরবরাহ করে।
- আফগানিস্তানের পরে মিয়ানমার দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক হিসেবে পরিচিত।
-মিয়ানমার বিশ্বের প্রায় ২৫% আফিম উৎপাদন করে।

 অন্যদিকে,
• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় পার্বত্য অঞ্চল।
- এই অঞ্চল মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং লাওসের সীমান্ত জুড়ে বিস্তার লাভ করেছে।
- এবং মেকং ও রুয়াক নদীর মিলনস্থলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- এটি মূলত আফিম ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত।