পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বাংলাদেশ-০৪ - বাংলাদেশের সংবিধানঃ প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য, মৌলিক অধিকারসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলিনীতি, সংশোধনীসমূহ। - জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ২০২০ [পরীক্ষার আগে এটার উপর PDF দেয়া হবে।] - বাংলাদেশ আমলের সিভিল সার্ভিস এবং প্রাসঙ্গিক অতীত। [পরীক্ষার আগে এটার উপর PDF দেয়া হবে।] বাংলাদেশের জনসংখ্যাঃ বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, পুরস্কার, খেলাধুলা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনসমূহ, চলচিত্র, গণমাধ্যম।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
দেশের কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) রংপুর বিভাগ
  2. খ) বরিশাল বিভাগ
  3. গ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশে,
- উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ
- নিম্ন বা চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।

বিভাগ অনুসারে উচ্চ দারিদ্র্য হার:
- রংপুর বিভাগ : ৪৭.২ শতাংশ
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ৩২.৮ শতাংশ
- রাজশাহী বিভাগ : ২৮.৯ শতাংশ
- খুলনা বিভাগ : ২৭.৫ শতাংশ
- বরিশাল বিভাগ : ২৬.৫ শতাংশ
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ১৮.৪ শতাংশ
- সিলেট বিভাগ : ১৬.২ শতাংশ
- ঢাকা বিভাগ : ১৬.০ শতাংশ

অন্যদিকে জেলা অনুসারে
- সর্বোচ্চ উচ্চ দারিদ্র্য হার : কুড়িগ্রাম (৭০.৮ শতাংশ)
- সর্বনিম্ন : নারায়ণগঞ্জ (২.৬ শতাংশ)।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)

.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
  3. গ) তানভীর কবির
  4. ঘ) ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
সাভারে অবস্থিত ‘সম্মিলিত প্রয়াস’ বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করে।
এতে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯১৮ সালে
  2. খ) ১৯২০ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু হয়।
বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ব বাংলার অসন্তুষ্ট মুসলমানদের দাবীর প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন গঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন স্যার পি জে হার্টগ।
২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হবে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) ধীরে বহে মেঘনা
  2. খ) আগুনের পরশমণি
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
'চিত্রা নদীর পাড়ে' ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।
এটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় এবং ১৯৯৯ সালে শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ সাতটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে, ‘আগুনের পরশমণি’; ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ এবং ‘ধীরে বহে মেঘনা’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(সূত্রঃ প্রথম আলো এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
.
লালবাগ কেল্লা কোন শতকে নির্মিত হয়?
  1. ক) ষোড়শ শতক
  2. খ) সতের শতক
  3. গ) আঠারো শতক
  4. ঘ) উনিশ শতক
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত যা সতের শতকে নির্মিত হয়।
১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে বিরতির পর ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এটি নির্মাণ করেন।
এর অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা ‘পরীবিবি’র মাজার অবস্থিত।
১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা কে প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
(সূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
এর আগে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
গত ১৪ জুন ২০২০ এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার জন্যে এটিই দেশে স্থাপিত প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট অবমুক্ত করে?
  1. ক) ১৫০ টাকা
  2. খ) ২০০ টাকা
  3. গ) ২৫০ টাকা
  4. ঘ) ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৭ মার্চ ২০২০ প্রথমবারের মতো ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট অবমুক্ত করে।
এছাড়া ১০০ টাকার সোনা ও রুপার স্মারক মুদ্রা বাজারে ছাড়া হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
.
দেশের বাহিরে বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্থায়ী প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইতালি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
দেশের বাহিরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্র্যাম্যাক শহরে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী প্রতিকৃতি (ম্যুরাল) স্থাপন করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট ২০২০ এটি উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১০.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয় কোথায়?
  1. ক) নরসিংদী
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের বড়পোল এলাকায় ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়।
গত ২৯ জুলাই ২০২০ এটি উদ্বোধন করা হয়। এটির নকশাকার ভাস্কর মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম।
ভাস্কর্যটির উচ্চতা বেদী থেকে ২২ ফুট।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১১.
যুক্তরাজ্যের কোন শহরে ১৭ মার্চ ২০২০ ‘বঙ্গবন্ধু দিবস’ পালিত হয়?
  1. ক) গ্লাসগো
  2. খ) সারে
  3. গ) কার্ডিফ
  4. ঘ) উইলহেইম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মক্ষণ স্মরণীয় করে রাখতে যুক্তরাজ্যের সারে শহরে ১৭ মার্চ ২০২০ ‘বঙ্গবন্ধু দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১২.
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১৭ মার্চ ২০১৯
  2. খ) ১ জানুয়ারি ২০২০
  3. গ) ১০ জানুয়ারি ২০২০
  4. ঘ) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
সরকার বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সময়কে ‍মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১৩.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস কোনটি?
  1. ক) ৮ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ৮ এপ্রিল
  4. ঘ) ২৩ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
এটি সংবিধানের বিধান অনুসারে, ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জন্য ৮ এপ্রিলকে - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৪.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিসে মোট ২৬টি ক্যাডারের মধ্যে সাধারণ ক্যাডার কয়টি?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে পাবলিক সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা – মোট ২৬টি।
২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়। এর ফলে ক্যাডার সংখ্যা ২৭ থেকে ২৬ – এ পরিণত হয়।
এগুলোর মধ্যে ১৪টি সাধারণ ও ১২টি পেশাগর/কারিগরি ক্যাডার।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৫.
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) শাহবাগ
  3. গ) সেগুনবাগিচা
  4. ঘ) কোটবাড়ি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) – ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত।
এটি বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এটি চারটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে –
• Bangladesh Administrative Staff College (BASC)
• National Institute of Public Administration (NIPA)
• Civil Officer’s Training Academy (COTA)
• Staff Training Institute (STI)
BPATC – এর অবস্থান – ঢাকার সাভারে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী – রেক্টর।
বর্তমান রেক্টর – মোঃ রাকিব হসাইন (এনডিসি)।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৬.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়, সশস্ত্র বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাদে মোট কয়টি মন্ত্রণালয় আছে?
  1. ক) ৩৬
  2. খ) ৩৮
  3. গ) ৩৯
  4. ঘ) ৪৩
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা – ৪৩টি (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়, সশস্ত্র বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাদে ৩৯টি।)।
৪৩টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের নামের শেষে ‘মন্ত্রণালয়’ শব্দটি রয়েছে।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৭.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদবী –
  1. ক) মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  2. খ) মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) জ্যেষ্ঠ সচিব
ব্যাখ্যা

- সিভিল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদবী – ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বা মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
- যেকোন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান হলেন – মন্ত্রী।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে সিভিল সার্ভেন্টদের কি নামে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. ক) সিভিল সার্ভেন্ট
  2. খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা
  3. গ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তি
  4. ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়
তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়।
সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান

১৯.
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সরকার দেশের সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার জন্য কত সালে “প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি)” গঠন করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়।
এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭২) নামে একটি কমিটি গঠন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী (মুজাফফর আহমদ চৌধুরী) ছিলেন এই কমিটির প্রধান।
চাকরি কাঠামো সম্পর্কে কমিটির সুপারিশ ছিল এই যে,
(ক) সাবেক অল পাকিস্তান সার্ভিস, অন্যান্য কেন্দ্রীয় সুপিরিয়ার সার্ভিস এবং সাবেক প্রাদেশিক সার্ভিসের মধ্যকার পার্থক্য বিলোপ করতে হবে। উচ্চতর ও নিম্নতর শ্রেণীগুলোর মধ্যকার পার্থক্যও বিলোপ করতে হবে এবং প্রত্যেক পেশার গ্রুপে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন গ্রেডিং প্রথা চালু করতে হবে;
(খ) বিভিন্ন গ্রুপের জন্য পদ সংরক্ষণের বর্তমান ব্যবস্থাও বিলোপ করতে হবে; এবং
(গ) সকল সিভিল সার্ভেন্টকে একটি একক শ্রেণীহীন গ্রেডিং কাঠামোয় সংগঠিত করতে হবে। সমস্ত সার্ভিস এই কাঠামোর আওতায় থাকবে যেখানে দক্ষতা ও দায়িত্বের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন বেতন স্তর থাকবে এবং প্রতিটি পদের সঠিক গ্রেডিং সেই পদের বিশ্লেষণের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
তবে এই সুপারিশগুলো কার্যকর করা হয় নি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।

২০.
সংবিধানের কোন অধ্যায়ে কর্ম বিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) সপ্তম অধ্যায়
  2. খ) অষ্টম অধ্যায়
  3. গ) নবম অধ্যায়
  4. ঘ) দশম অধ্যায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের নবম অধ্যায়ের “বাংলাদেশের কর্মবিভাগ” এবং এর প্রথম পরিচ্ছেদে “কর্মবিভাগ” ও ২য় পরিচ্ছেদে “সরকারী কর্ম কমিশন” সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে।
২১.
ন্যাশনাল পে কমিশন - কবে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে (১৯৭২-৭৫) সরকার দুটি বড় কমিটি নিয়োগ করে, প্রশাসন ও চাকুরি পুনর্গঠন কমিটি ১৯৭২ এবং ন্যাশনাল পে কমিশন ১৯৭২।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।