পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১২৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১২৯
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৯ প্রশ্ন

.
গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র কেমন ছিল?
  1. রাজানির্ভর
  2. মানুষনির্ভর
  3. জমিদারনির্ভর
  4. সামন্তনির্ভর
সঠিক উত্তর:
সামন্তনির্ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামন্তনির্ভর
ব্যাখ্যা
গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র ছিল সামন্তনির্ভর।

গুপ্ত সাম্রাজ্য:

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।

⇒ এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শ্রীগুপ্তের কথা বলা হলেও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে।
- তাঁর উপাধি ছিল মহারাজাধিরাজ।
- গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয় সমুদ্রগুপ্তকে।
- তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেন।
- তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলেও অভিহিত করা হয়।

⇒ সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।

⇒ গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র ছিল সামন্তনির্ভর।
- এদের রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে বলা হতো মহাসামন্ত।

⇒ মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উৎস: i) ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন কে?
  1. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর এম.এ জলিল
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ। 

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:

- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
.
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?
  1. ১ম তফসিল
  2. ২য় তফসিল
  3. ৩য় তফসিল
  4. ৪র্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ৪র্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

- বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি।
- যথা:

• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
• ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
• সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
⇒ পঞ্চম সংশোধনী: ১৯৭৯ সাল।
- সামরিক শাসন বৈধকরণ, মূলনীতি পরিবর্তন ও একদলীয়ব্যবস্থার অবসান।
- সামরিক শাসনের মাধ্যমে ১৯৭৫-৭৯ সময়ে দেশ পরিচালনার জন্যে গৃহীত ব্যবস্থাবলীকে অনুমোদন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
‘অন্ধকূপ হত্যা’ বাংলার কোন নবাবের নামের সাথে জড়িত?
  1. নবাব আলীবর্দি খান
  2. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  3. নবাব মুর্শিদকুলী খান
  4. সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
‘অন্ধকূপ হত্যা’ বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার নামের সাথে জড়িত।

অন্ধকূপ হত্যা:

- অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
- এ কাহিনী মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
- নবাব কর্তৃক ১৭৫৬ সালে জুন মাসে কলকাতার ইংরেজ দুর্গ দখলের পর ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে অবিশ্বাস্য রকম ক্ষুদ্র একটি কক্ষে আবদ্ধ রেখে হত্যা করা হয় বলে এই উপাখ্যানে দাবি করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ নবাব কলকাতা আক্রমণ করলে (১৬-২০ জুন, ১৭৫৬) ফোর্ট উইলিয়ামের ইংরেজরা পলায়ন করতে বাধ্য হয়।
- জন জেফেনিয়াহ হলওয়েলসহ ১৭০ জন ইংরেজ পলায়নের জন্য সময়মতো জাহাজে উঠতে ব্যর্থ হয় এবং পরিণামে তারা নবাবের সৈন্যদের হাতে বন্দি হয়।
- ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে দুর্গের ১৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৪ ফুট ৩ ইঞ্চি প্রস্থ একটি বন্দিশালায় গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে রাত্রিযাপনে বাধ্য করা হয়।
- ১২৩ জন ইংরেজ এই বন্দিশালায় মারা যায়।
- জীবিতদের মধ্যে একজন ছিলেন হলওয়েল।
- তিনি এই শোকাবহ ঘটনার বিস্তৃত বর্ণনা দেন এবং এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য নবাবকে দায়ী করেন।
- হলওয়েল, জন জেফেনিয়াহ বহুল আলোচিত অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীর রচয়িতা।
- উনিশ শতকের প্রথম দিকের অধিকাংশ ইংরেজ ইতিহাসবিদ এ কাহিনী বিশ্বাস করেন এবং অন্ধকূপ হত্যার ঘটনাকে প্রাচ্যদেশীয় শাসকদের বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার জঘন্য নিদর্শনরূপে গণ্য করেন।
- কিন্তু পরবর্তীকালের ইতিহাসবিদগণ হলওয়েলের কাহিনীর সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ার মতো প্রমাণ আবিষ্কার করেন।
- সেই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা নবাবের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতেই ঘটেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলনে কার অবদান রয়েছে?
  1. লর্ড ডালহৌসি ও রাজা রামমোহন রায়
  2. লর্ড চেমসফোর্ড ও রাজা রামমোহন রায়
  3. লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলনে অবদান রয়েছে - লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

বিধবা বিবাহ:

- হিন্দু বিধবাদের পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বিধবা বিবাহ বলে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে অবাধে বাল্যবিয়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল।
- ফলে একদিকে বাল্যবিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল; অন্যদিকে সমাজে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল বিধবার সংখ্যা।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য সমাজসংস্কার আন্দোলন সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল পান ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই।
- সেদিন তাঁর প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি ‘দ্য হিন্দু উইডো’স রিম্যারেজ অ্যাক্ট ১৮৫৬’ নামে আইন প্রণয়ন করে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ করেন।
- এ আইন করার লক্ষ্য ছিল কিছু হিন্দু বিধবা শিশু, যারা স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগেই বিধবা হয়ে যেত; এ আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু বিধবা বিবাহের সব বাধা দূরীভূত হয়।
- সে বছরই ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
- সে বিয়ের পাত্র ছিলেন শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন।
- বিদ্যাসাগর পরবর্তীকালে তাঁর নিজ ছেলের সঙ্গে এক বিধবা কন্যার বিয়ে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
⇒ লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।

⇒ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
.
ধানের কোন জাতটিকে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়?
  1. ব্রি-৩৩
  2. ব্রি-৫৫
  3. ব্রি-৭৯
  4. ব্রি-৬৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি ধান-৩৩ কে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

মঙ্গার ধান:

- ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৬,

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১,
• ব্রি ধান-৫২,
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
  1. সালমা মাসুদ চৌধুরী
  2. কৃষ্ণা দেবনাথ
  3. জিনাত আরা
  4. নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। 

প্রথম নারী বিচারপতি:

- দেশের বিচার বিভাগের প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি তিনি।

⇒ ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রথম মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পান তিনি।

অন্যদিকে,
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে কবে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়?
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭
  3. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১৩ নভেম্বর, ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে ১ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
.
জলকেলি কাদের উৎসব?
  1. ত্রিপুরা
  2. লুসাই
  3. রাখাইন
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের উৎসব জলকেলি।

রাখাইন:

- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে।
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ আদি ব্রাহ্মীলিপিতে প্রথম লিখিত আকারে পালি ভাষায় ‘আরাখা’ অর্থাৎ রক্ষ বা রক্ষিতা অথবা রক্ষক শব্দ থেকে রাখাইন শব্দটির উৎপত্তি।
- আর্য বংশোদ্ভূত রাখাইনদের প্রাচীন বাসস্থান ছিল মগধ রাজ্য।
- পরে মগধ থেকে আরাকানে এসে বসতি স্থাপন করে।
- পরিচিতি পায় মগধী বা মগ নামে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত। 

⇒ রাখাইনরা রক্ষণশীল জাতি।
- তাদের রয়েছে নিজস্ব আচার-প্রথা।
- তাদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ কে ছিলেন?
  1. সিপাহী হামিদুর রহমান
  2. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  3. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- তিনি ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৪নং সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের পদবী ছিল- সিপাহী।

উল্লেখ্য,
- ২৮শে অক্টোবর ১৯৭১, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ধলই আক্রমণে সহযোদ্ধাদের জীবন রক্ষার্থে শত্রুর বাঙ্কার ধ্বংস করতে গিয়ে শত্রুর মেশিনগান বাস্টের আঘাতে শাহাদত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে দাফন করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
- শাহাদাতের ৩৬ বছর পর ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তার দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকাস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় সম্মানে পুনঃ সমাহিত করা হয়।

⇒ মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠগণ:
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১.
সর্বপ্রথম 'জাতীয় অধ্যাপক' সম্মাননা প্রদান করা হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম 'জাতীয় অধ্যাপক' সম্মাননা প্রদান করা হয় ১৯৭৫ সালে।

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক:

- জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
- বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকদের এ সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
- সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন।
- তবে ক্ষেত্রবিশেষে মেয়াদ আরও দীর্ঘ হতে পারে।
- পুনর্নিয়োগের ব্যবস্থা আছে।

⇒ ১৯৭৫ সালে সর্বপ্রথম তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন:
• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
• শিক্ষাবিদ আবদুর রাজ্জাক এবং
• পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।

উল্লেখ্য,
- সুফিয়া আহমেদ প্রথম নারী হিসেবে ১৯৯৪ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান।

⇒ জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনোনয়ন কমিটির কাছে প্রতিটি পদের বিপরীতে তিন জন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করবে।
- মনোনয়ন কমিটি প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেবে।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য এই মনোনয়ন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পেশ করা হবে।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিয়োগ পত্র জারি করবে।

উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২.
নিম্নের কোন প্রক্রিয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান করা হয়?
  1. ভিজিএফ
  2. টি. আর
  3. ক ও খ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

• টি. আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও,
• পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

• ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে ২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কীরূপ?
  1. ক্রমবর্ধমান
  2. ক্রমহ্রাসমান
  3. অপরিবর্তিত
  4. অনিয়মিতভাবে হ্রাসমান
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

শিল্প খাত:

⇒ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩, অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতে অবদান ৩৭.৫৬%।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭%।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯%।

⇒ -সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

অন্যদিকে,
- একই সময়ে জিডিপিতে সেবা, কৃষি ও খনিজ খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. দারিদ্র্য
  2. দুর্নীতি
  3. কার্বন নিঃসরণ
  4. বেকারত্ব
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১৫.
ড্রেক প্যাসেজ (Drake Passage) যুক্ত করেছে -
  1. ভারত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
  2. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
  3. আর্কটিক এবং দক্ষিণ মহাসাগরকে
  4. ভূমধ্যসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরকে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
ব্যাখ্যা
ড্রেক প্যাসেজ (Drake Passage):
- ড্রেক প্যাসেজ ১০০০ কি.মি. প্রশ্বস্ত একটি গভীর জলরাশি যা আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি কেপহর্ন (দক্ষিণ আমেরিকার সর্বদক্ষিণের বিন্দু) ও দক্ষিণ শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের (ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকা পেনিনসুলার উত্তরে) মধ্যে অবস্থিত।
- পানামা খাল চালুর পূর্বে এই প্যাসেজ বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
- ইংরেজ নাবিক স্যার ফ্রান্সিস ড্রেকের নামানুসারে এই প্যাসেজের নামকরণ করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৬.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কোন ঝুকিপূর্ণ দিকটি চিহ্নিত করেনি?
  1. ঝড়
  2. বন্যা
  3. মরূকরণ
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।

• এগুলো হলো
→ মরূকরণ,
→ বন্যা,
→ ঝড়,
→ সসমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
→ কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।

- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টি তে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ হলো বাংলাদেশ।

সূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১৭.
কোনটিকে পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয়?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. বুড়িগঙ্গা নদী
  3. শীতলক্ষ্যা নদী
  4. ডাকাতিয়া বিল
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিয়া বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিয়া বিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম: 
- সোনালী আঁশের দেশ - বাংলাদেশ।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- পশ্চিমা বাহিনীর নদী - ডাকাতিয়া বিল।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার - চট্রগ্রাম।
- বারো আউলিয়ার দেশ- চট্রগ্রাম।
- বাংলার ভেনিস- বরিশাল।
- হিমালয়ের কন্যা - পঞ্চগড়।
- সাগর কন্যা - কুয়াকাটা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
১৮.
‘ডেথ ভ্যালি' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে
  2. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. আফ্রিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি:
- ডেথ ভ্যালি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত,
- বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ এবং এই অঞ্চলের সবচেয়ে নিচু, গরম এবং শুষ্ক এলাকা হিসেবে পরিচিত।
- উপত্যকাটি গ্রেট বেসিন এবং মোহাভি মরুভূমির সীমানার কাছে অবস্থিত।

সূত্র - Britannica.com
১৯.
সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
  1. দ্বীপ
  2. মহাসাগরীয় খাত
  3. মহীঢাল
  4. মহীসোপান
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে - মহীসোপান বলে।

• মহীসোপান (Continental Shelf):
- মহাদেশসমূহের চতুর্দিকের স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে।
- এরূপ সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনি নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বা Continental Shelf বলে।
- এই অঞ্চলটি সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল হিসাবেও পরিচিত।
- মহীসোপানের গড় সর্বোচ্চ গভীরতা ২০০ মিটার এবং মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- মহাদেশের উপকূল যদি বিস্তৃত সমভূমি হয়, তবে মহীসোপান অধিক প্রশস্ত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:
- বর্তমানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সরকার কর্তৃক ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯) চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও অভিযোজন কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP), 2009' বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
- এই কর্মপরিকল্পনায় ৬টি থিমেটিক এরিয়ায় ৪৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার জন্য এবং BCCSAP, ২০০৯ এ উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয়েছিল ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বলবৎ করা হয় জলবায়ু ট্রাস্ট আইন-২০১০।

সূত্র: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪।
২১.
গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ কী নামে পরিচিত?
  1. ছায়াপথ
  2. ধূমকেতু
  3. নীহারিকা
  4. জ্যোতিষ্ক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল - 'আমাদের সৌরজগত কীসের অংশবিশেষ?' 
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------
• মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত:

- সুদূর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বল্পালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয়।
- আমাদের সৌরজগত মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের জন্য কোন শর্তটি নির্ধারণ করেনি?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. আইনী কাঠামো
  3. স্বচ্ছতা
  4. দায়িত্বশীলতা
সঠিক উত্তর:
বাক স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
সুশাসন: 
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক প্রথম 'সুশাসন' প্রত্যয়টি ব্যবহার করে।
- সুশাসনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে কল্যাণকর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।
- সুশাসনের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়।

সুশাসনের উপাদানসমূহ:
- রাজনৈতিক স্বাধীনতা;
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা;
- আইনের শাসন;
- জবাবদিহিতা;
- স্বচ্ছতা;
- অংশগ্রহণ;
- বাক স্বাধীনতা;

২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের জন্য চারটি শর্ত নির্ধারণ করে:
- দায়িত্বশীলতা;
- স্বচ্ছতা;
- আইনী কাঠামো;
- অংশগ্রহণ। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো.মোজাম্মেল হক।
২৩.
"পেশা পরিবর্তনের সুযোগ" কোন ধরনের সাম্য?
  1. ব্যক্তিগত সাম্য
  2. সামাজিক সাম্য
  3. রাজনৈতিক সাম্য
  4. অর্থনৈতিক সাম্য
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সাম্য
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সাম্য:
- নিজ নিজ পেশায় নিয়োজিত থাকা, পেশা পরিবর্তনের সুযোগ, যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরি লাভের সমতা ইত্যাদি অর্থনৈতিক সাম্য।
- সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ে তোলার জন্য অর্থনৈতিক সাম্য অত্যন্ত জরুরি।
- অর্থনৈতিক সাম্য না থাকলে মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে মনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশও বাধাগ্রস্থ হয়।
- অর্থনৈতিক সাম্য থাকলে রাষ্ট্র ও দ্রুত সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
মূল্যবোধ সম্পর্কে নিচের কোন বিবৃতিটি সত্য?
  1. মূল্যবোধ মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলীর দিক নির্দেশনা।
  2. মূল্যবোধ সমাজজীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়োজনীয় উপাদান।
  3. মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
  4. মূল্যবোধ মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- অন্যভাবে বলা যায়, মূল্যবোধ হলো কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিস্বাস।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মুল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ,রাষ্ট্র,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
'The Problem of Philosophy' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. থমাস হবস
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. জেরেমি বেন্থাম
  4. নিকোলা ম্যাকিয়াভেলী
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
• বার্ট্রান্ড রাসেল:
- নোবেল পুরস্কার পায় - ১৯৫০ সালে।
▪ 'The Problem of Philosophy' গ্রন্থটির রচয়িতা ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল।

তার অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- Power: A New Social Analysis, 
- The Problem of Philosophy, 
- Religion and Science, 
- The Analysis of Mind, 
- Marriage and Morals, 
- Political Ideals, 
- Logic and knowledge.

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২৬.
ই-গভর্নেন্সের মূল কাজ কোনটি?
  1. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  2. তথ্য প্রবাহকে বাঁধা দেয়া
  3. তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
- ই-গভর্নেন্সের মূল কাজ হচ্ছে - তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।

• ই-গভর্নেন্স:
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি প্রত্যয় হচ্ছে ই-গর্ভনেন্স। বর্তমান পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নতসহ বেশিরভাগ রাষ্ট্রেই ই- গর্ভনেন্স এর বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসারের ফলে সমাজ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
- এখন ইচ্ছে করলে এক মুহূর্তে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে যোগাযোগ ও তথ্য প্রেরণ করা যায়।
- ই-গর্ভনেন্স এর শাব্দিক অর্থ হল ইলেকট্রনিক গর্ভনেন্স বা ইন্টারনেট ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা; অর্থাৎ সরকারি সেবা ও সুযোগ-সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাওয়া। এর ফলে জনগণের সময়, অর্থ ও শ্রমের সাশ্রয় হয়।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
‘Golden Mean’ ধারণার প্রবক্তা কে?
  1. জন লক
  2. সক্রেটিস
  3. প্লেটো
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন মিন (Golden Mean):
- গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক হলো একটি দার্শনিক মতবাদ।
- গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল এই ধারণার প্রবর্তক। 
- দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী কোন পন্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলে।
- যেমন: একদিকে খুবই প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে খুবই অভাব।

উৎস: Britannica.
২৮.
'ব্যালন ডি’অর ২০২৪' - এ বর্ষসেরা নারী ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. অ্যালেক্স মরগান
  2. সিডনি লেরো
  3. সেলিনা ওয়াগনার
  4. আইতানা বোনমাতি
সঠিক উত্তর:
আইতানা বোনমাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইতানা বোনমাতি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ব্যালন ডি'অর:
- ফুটবলারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হলো ব্যালন ডি'অর।
- ফুটবল বিষয়ক সাময়িকী 'ফ্রান্স ফুটবল' এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- ২০২৪ সালে ৬৮তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যালন ডি’অর ২০২৪:
- বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবলার: রদ্রি।
- বর্ষসেরা নারী ফুটবলার: আইতানা বোনমাতি।
- বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার: লামিন ইয়ামাল।
- বর্ষসেরা স্ট্রাইকার: কিলিয়ান এমবাপ্পে ও হ্যারি কেইন।
- বর্ষসেরা পুরুষ গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
- বর্ষসেরা পুরুষ কোচ: কার্লো আনচেলত্তি।
- বর্ষসেরা নারী কোচ: এমা হায়েস।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: বার্সেলোনা।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: রিয়াল মাদ্রিদ।
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: হেনিফার এরমোসো।

তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।
২৯.
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা নয় কোনটি?
  1. জাতিসংঘ সচিবালয়
  2. অছি পরিষদ
  3. নিরাপত্তা পরিষদ
  4. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা নয়।

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা:
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি। এগুলো হলো:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩০.
Federal Investigation Agency কোন দেশভিত্তিক গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. পাকিস্তান
  4. ব্রিটেন
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)।
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)।
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)।
- ব্রিটেন: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)।
- ইসরায়েল: MOSSAD।

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
৩১.
নিচের কোন দেশটি 'দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন' নামে পরিচিত?
  1. পোর্ট মোর্সবি
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. পাপুয়া নিউগিনি
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ।
- আয়তন: ১০২,৫৮৭ বর্গ মাইল (২৬৫,৭০০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ওয়েলিংটন।
- ভাষা: ইংরেজি, মাওরি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান (প্রোটেস্ট্যান্ট, রোমান ক্যাথলিক), এছাড়াও বৌদ্ধ, হিন্দু ধর্ম।
- মুদ্রা: নিউজিল্যান্ড ডলার।
- দেশটি 'দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন' নামে পরিচিত।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যার একটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটিশ রাজা, গভর্নর-জেনারেল প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩২.
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৪ অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ সামরিক খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে?
  1. ইরান
  2. সৌদি আরব
  3. ইসরায়েল
  4. আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৪ অনুযায়ী, মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থিত সৌদি আরব।

সামরিক ব্যয় র‍্যাংকিং-২০২৪:

- গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ১৪৫টি দেশকে আন্তর্ভুক্ত করে ‘Defense Spending by Country 2024’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক খাতে ব্যয়ে শীর্ষ ৫ দেশ:
- ১ম অবস্থানে রয়েছে - যুক্তরাষ্ট্র,
- ২য় অবস্থানে রয়েছে - চীন,
- ৩য় অবস্থানে রয়েছে - রাশিয়া,
- ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে - ভারত,
- ৫ম অবস্থানে রয়েছে - সৌদি আরব।

• মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ:
- ১৯ তম অবস্থানে রয়েছে - ইসরায়েল,
- ২৪ তম অবস্থানে রয়েছে - আরব আমিরাত,
- ৩৩ তম অবস্থানে রয়েছে - ইরান,
- ৩৪ তম অবস্থানে রয়েছে - কুয়েত,

• সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান:
- ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে - ভারত,
- ২৯তম অবস্থানে রয়েছে - বাংলাদেশ,
- ৫০তম অবস্থানে রয়েছে - পাকিস্তান,
- ৭৪তম অবস্থানে রয়েছে - শ্রীলংকা,
- ১০০তম অবস্থানে রয়েছে - আফগানিস্তান,
- ১৩৬তম অবস্থানে রয়েছে - নেপাল।

তথ্যসূত্র - গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ওয়েবসাইট।
৩৩.
বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কত সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৪.
উত্তর ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. বুলগেরিয়া
  2. মলদোভা
  3. স্লোভাকিয়া
  4. লাটভিয়া
সঠিক উত্তর:
লাটভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাটভিয়া
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এর আয়তন ১০,১৮০,০০০ বর্গ কিমি।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ ৪৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা।

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে,
• সুইডেন,
• ডেনমার্ক,
• ফিনল্যান্ড,
• আইসল্যান্ড,
• যুক্তরাজ্য,
• আয়ারল্যান্ড,
• লিথুয়ানিয়া,
• লাটভিয়া,
• এস্তোনিয়া।

পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:

• বেলারুশ,
• বুলগেরিয়া,
• চেক প্রজাতন্ত্র,
• হাঙ্গেরি,
• পোল্যান্ড,
• মলদোভা,
• রোমানিয়া,
• রাশিয়া,
• স্লোভাকিয়া,
• ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩৫.
২০২৪ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রানার্স আপ দল কোনটি?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. পাকিস্তান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ:
• আয়োজক - ২০২৪ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হয়েছে। আরব আমিরাতের দুবাই ও শারজার দুটি ভেন্যুতে খেলা হবে।
• উদ্বোধনী ম্যাচ - ৩ অক্টোবর, ২০২৪।
• ফাইনাল ম্যাচ - ২০ অক্টোবর, ২০২৪।
• অংশগ্রহণকারী দল - ১০টি।
• মোট ম্যাচ - ২৩টি।
• চ্যাম্পিয়ন দল - নিউজিল্যান্ড।
• রানার্স আপ দল - দক্ষিণ আফ্রিকা।
• ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় - অ্যামেলিয়া কারই।
• বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় - অ্যামেলিয়া কারই।

তথ্যসূত্র - আইসিসি ওয়েবসাইট।
৩৬.
'Economic Cooperation Organization' প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কোনটি?
  1. পাকিস্তান
  2. তাজিকিস্তান
  3. তুর্কমেনিস্তান
  4. উজবেকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ECO:
- ECO -এর পূর্ণরূপ The Economic Cooperation Organization.
- ECO একটি অর্থনৈতিক সহযোগী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৩টি (ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তান)।
- এর সদস্য দেশ ১০টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- সদস্য দেশ: আফগানিস্তান, আজারবাইজান, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান।
- Economic Cooperation Organization -এর সদর দপ্তর ইরানের তেহেরানে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - ECO -এর ওয়েবসাইট।
৩৭.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. আগস্ট বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৩৮.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- কিয়েটো প্রটোকল: গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন: ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- কার্টাগেনা প্রটোকল: জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৩৯.
অ্যাবেল পুরস্কার ২০২৪ লাভ করেন -
  1. গ্যারি রাভকান
  2. সাইমন জনসন
  3. নিলস হেনরিক
  4. ভিক্টর অ্যামব্রোস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অ্যাবেল পুরস্কার ২০২৪:

- অ্যাবেল পুরস্কারকে বলা হয় গণিতের নোবেল।
- নরওয়ের গণিতবিদ নিলস হেনরিক অ্যাবেলের নামানুসারে নরওয়ে সরকার প্রতিবছর অ্যাবেল পুরস্কার দিয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাঁচজন গণিতবিদের সমন্বয়ে গড়া একটি কমিটি বিজয়ী নির্বাচন করে থাকে।
- ২০০৩ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- ২০২৪ সালে অ্যাবেল পুরস্কার' লাভ করেন ফরাসি গণিতবিদ মাইকেল তালাগ্র্যান্ড।
- নরওয়েজিয়ান একাডেমি অব সায়েন্স অ্যান্ড লেটারস সম্মানজনক এ পুরস্কারের জন্য ৭২ বছর বয়সী মাইকেল তালাগ্র্যান্ডের নাম ঘোষণা করেছে।
- তাঁর কাজ সম্ভাব্যতা তত্ত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে নতুন আকার দিয়েছে।
- এই পুরস্কারের অর্থমূল্য ৭ লাখ ডলার।

[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে]

তথ্যসূত্র - The Abel Prize ওয়েবসাইট।
৪০.
Islamic Development Bank (IsDB) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেদ্দা
  2. আবুধাবি
  3. তেহরান
  4. দুবাই
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
ব্যাখ্যা
Islamic Development Bank (IsDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর IsDB আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- IsDB এর বর্তমান সদস্য ৫৭টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- Islamic Development Bank (IsDB) এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১২ আগস্ট IsDB তে যোগ দেয়।
- IsDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।
- IsDB এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবের Dr. Muhammad Sulaiman Al Jasser. (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - IDB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪১.
‘শহীদ স্মরণে’ - কবিতাটি কার লেখা?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
  3. মোহম্মদ মনিরুজ্জামান
  4. শহীদ কাদরী
সঠিক উত্তর:
মোহম্মদ মনিরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহম্মদ মনিরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মোহম্মদ মনিরুজ্জামান ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতাটি লিখেছেন।
---------------------------
কবিতাটির প্রেক্ষাপট:
- "শহীদ স্মরণে" কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রেক্ষাপটে লেখা।
- এই কবিতায় স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণে কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়েছে।
----------------------------- 
কবি পরিচিতি:
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ১৯৩৬ সালের ১৫ আগস্ট যশোরের খড়কী পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকার সাহিত্য-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে বাংলা বিভাগ থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনা করেন। পঞ্চাশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি মনিরুজ্জামান ১৯৬৯ সালে লন্ডনের International Who’s Who in Poetry থেকে “Certificate of Merit for Distinguished Contribution to Poetry” সম্মাননা লাভ করেন। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যসমূহ:
• দুর্লভ দিন, 
• শঙ্কিত আলোকে, 
• বিপন্ন বিষাদ, 
• ভালবাসার হাতে, 
• ভূমিহীন কৃষিজীবী ইচ্ছে তার, 
• মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান কাব্য সংগ্রহ, 
• Selected Poems (Honolulu, 1979)।

গানের সঙ্কলন:
• অনির্বাণ, 
• নির্বাচিত গান।
--------------------------- 
শহীদ স্মরণে- কবিতার অংশবিশেষ,   

কবিতায় আর কি লিখব?
যখন বুকের রক্তে লিখেছি
একটি নাম
বাংলাদেশ।
গানে আর ভিন্ন কি সুরের ব্যঞ্জনা?
যখন হানাদারবধ সংগীতে
ঘৃণার প্রবল মন্ত্রে জাগ্রত
স্বদেশের তরুণ হাতে
নিত্য বেজেছে অবিরাম
মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড।
--------------
-------------- 
মা তো কাঁদে না;
মার চোখে নেই অশ্রু, কেবল
অনলজ্বালা, দু চোখে তাঁর
শত্রুহননের আহ্বান।

উৎস:
- ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতা, মোহম্মদ মনিরুজ্জামান।
- বাংলাপিডিয়া।
৪২.
‘চৌচির’ উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
  1. আবু ইসহাক
  2. আবুল ফজল
  3. আল মাহমুদ
  4. মমতাজ উদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
• ‘চৌচির’ উপন্যাসের লেখক: 'আবুল ফজল'।
- এটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়।

--------------------- 
কবি পরিচিতি:
আবুল ফজল ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, ও কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৩০ সালে এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবুল ফজল উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।

• তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

উপন্যাস:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- রাঙ্গা প্রভাত।

গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী,
- মৃতের আত্মহত্যা।

দিনলিপি:
- রেখাচিত্র,
- দুর্দিনের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৩.
‘তৈলচিত্রের ভূত’ গল্পে লেখক কোনটিকে প্রকাশ করতে চেয়েছেন?
  1. ভূতে বিশ্বাস
  2. মানুষের কুসংস্কার
  3. বিজ্ঞানের যুক্তিবাদিতা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
‘তৈলচিত্রের ভূত’ গল্পের প্রেক্ষাপট:
'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মধ্যে বিরাজমান ভূতে বিশ্বাস ও কুসংস্কারকে অসার প্রমাণ করার প্রয়াস চালিয়েছেন। ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘মৌচাক’ পত্রিকায় প্রকাশিত এই কিশোর-উপযোগী গল্পে তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কুসংস্কার মানুষের যুক্তি ও বুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, এবং কিভাবে বিজ্ঞানচেতনা সেই কুসংস্কারকে ভেঙে দিয়ে সত্য প্রকাশ করতে পারে।

গল্পের মূল চরিত্র নগেন ভূতে বিশ্বাসী এবং অশরীরী শক্তির প্রতি আকৃষ্ট, যার ফলে সে বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত থাকে। অন্যদিকে, পরাশর ডাক্তার যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক। তিনি তার বুদ্ধি ও বিজ্ঞানচেতনার মাধ্যমে নগেনের ভ্রান্ত বিশ্বাসকে প্রকাশ করে তার ভিত্তিহীনতা প্রমাণ করেন। এভাবে গল্পটি বিজ্ঞানবুদ্ধির জয় এবং কুসংস্কারাচ্ছন্নতার অন্তঃসারশূন্যতাকে প্রতিপন্ন করে।

-------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
 
তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম: 
• উপন্যাস:
- জননী, 
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি, 
- পুতুলনাচের ইতিকথা, 
- শহরতলী, 
 - চিহ্ন, 
- চতুষ্কোণ, 
- সার্বজনীন, 
- আরোগ্য ইত্যাদি। 
 
• ছোটগল্প:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, 
- প্রাগৈতিহাসিক, 
- সরীসৃপ, 
- সমুদ্রের স্বাদ, 
- হলুদ পোড়া, 
- আজ কাল পরশুর গল্প, 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প,
- ফেরিওয়ালা ইত্যাদি। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘তৈলচিত্রের ভূত’ গল্প- অষ্টম শ্রেণি।
৪৪.
নবচর্যাপদ সম্পাদনার কাজ ড. শশিভূষণ দাশগুপ্তের মৃত্যুর পর কে সম্পন্ন করেন?
  1. ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ড. সুকুমার সেন
সঠিক উত্তর:
ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• নবচর্যাপদ:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক চর্যাগীতির পুথি আবিষ্কারের প্রায় অর্ধশতক বছর পর ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত নেপাল থেকে ২০টি পুথি অবলম্বনে ২৫০টি চর্যাগীতি খুঁজে বের করেন।
- এগুলোর মধ্য থেকে ৯৮টি চর্যাগীতি নবচর্যাপদ নামে প্রকাশের উদ্যোগ নেন তিনি।
- কিন্তু তাঁর আকস্মিক মৃত্যু ঘটলে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে সেগুলো প্রকাশিত হয়।

এই গ্রন্থে সংকলিত চর্যাগীতিপুথির প্রথম ১৯টির রচনাকাল দশম থেকে দ্বাদশ শতক। পরবর্তী ৪৪টি চর্যাগীতি ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের রচনা। বাকি ৩৫টি চর্যাগীতির রচনাকাল পঞ্চদশ শতক।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নবচর্যাপদগুলির বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতক সম্পর্কে সাধারণ ধারণা, বাংলা সাহেিত্যর তথাকথিত এই অন্ধকার কালপঠে এদেশে সাহিত্য রচিত হয় নি। কিন্তু নবচর্যাগীতিগুলি আবিষ্কারের পর এ প্রমাণ পাওয়া গেছে সেসময়ও সাহিত্য রচনা অব্যাহত ছিল।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ- ড. মাহবুবুল হক।
৪৫.
'যে দেশে মানুষ বড়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. ইব্রাহীম খাঁ
  4. মুহম্মদ আবদুল হাই
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'যে দেশে মানুষ বড়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৬.
'শিখা' পত্রিকার সাথে কে সম্পৃক্ত ছিলেন না?
  1. আবুল হুসেন
  2. আবদুল কাদির
  3. মুন্সি আহমদ আলী
  4. আবদুল মান্নান সৈয়দ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান সৈয়দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান সৈয়দ
ব্যাখ্যা
•  আবদুল মান্নান সৈয়দ - এ পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না।

অন্যদিকে,
• আবুল হুসেন, আবদুল কাদির, এবং মুন্সি আহমদ আলী প্রত্যেকেই শিখা পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
• আবুল হুসেন ছিলেন এর প্রথম সম্পাদক, আবদুল কাদির এর প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলেন, এবং মুন্সি আহমদ আলী এটি মুদ্রণের দায়িত্ব পালন করেন। তবে আবদুল মান্নান সৈয়দ এই পত্রিকার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

----------------- 
শিখা পত্রিকা: 
- ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২৭ সালে 'শিখা' নামে একটি বার্ষিক মুখপত্র প্রকাশ করে। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
- শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত। 
- পত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের পক্ষে আবদুল কাদির কর্তৃক মুসলিম হল থেকে প্রকাশিত এবং মুন্সি আহমদ আলী কর্তৃক সাত রওজার (ঢাকা) ইসলামিয়া প্রেস থেকে মুদ্রিত।
- শিখার পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

- শিখা ছিল সমকালের অন্যান্য সাময়িকপত্র থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ধরনের।
- তাই প্রথম সংখ্যা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই পত্রিকাটি বুদ্ধিজীবী সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
 মুসলিম সাহিত্য-সমাজের সারা বছরের কর্মকান্ডের পরিচয় বহন করত শিখা। 
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।
 
উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
চর্যাপদের ভাষা ও বিষয়বস্তু নিয়ে কোন গবেষকগণ প্রমাণ করেছেন যে এটি বাংলা ভাষায় রচিত?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ও ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  2. ড. সুকুমার সেন ও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. উপরের সবাই
  4. শুধু ড. রাহুল সাংকৃত্যায়ন
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্মমত সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় চর্যাপদ।
- চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় 'সন্ধ্যা' বা 'সান্ধ্য ভাষা'।
- এ ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট।
- তাই একে 'আলো-আঁধারি' ভাষাও বলা হয়।
- চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভপর নয়৷ তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য৷

• চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃত দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

• ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ প্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।

ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে- চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অর্ন্তনিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।

• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৌদ্ধ সহজান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৪৮.
সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা জমিদারের দ্বন্দ্ব কোন উপন্যাসের মূল ঘটনা?
  1. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  2. জমিদার দর্পণ
  3. বসন্তকুমারী
  4. রত্নবতী
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস - গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

• 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' গ্রন্থ সম্পর্কিত আলোচনা: 
- 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী'  মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস। 
- এর প্রথম অংশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়; দ্বিতীয় অংশ পুস্তকাকারে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে মীর রচিত আত্মজীবনী আমার জীবনী-তে এর কিয়দংশ মুদ্রিত হয়।
- গ্রন্থের প্রচ্ছদপটে গ্রন্থকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম মুদ্রিত হয়নি; স্বত্বাধিকারী হিসেবে তাঁর ছদ্মনাম ‘উদাসীন পথিক’ মুদ্রিত হয়েছে।

উপন্যাসের মূল ঘটনা: 
- সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা জমিদারের দ্বন্দ্ব উপন্যাসের মূল ঘটনা।
- উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা ও স্থানের নামকরণ অভিনব, যেমন অরাজকপুর, যমদ্বার, নচ্ছারপুর, পয়জারন্নেসা, সবলোট চৌধুরী, ভেড়াকান্ত, জয়ঢাক ইত্যাদি। - ভেড়াকান্ত চরিত্রে লেখকের নিজের ছায়াপাত আছে বলে গ্রন্থখানিকে আত্মজৈবনিক রচনা বলে অভিহিত করা হয়।
- এটি সেকালের একটি সামাজিক দর্পণস্বরূপ।
- মুসলমান জমিদারদের জীবনধারা, সমাজে নারীর স্থান, হিন্দু-মুসলিম পারস্পরিক সম্পর্ক, দেশের শাসনব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্নীতির কথা ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় এতে বর্ণনা করা হয়েছে।
- উপন্যাসটির চরিত্রের নামকরণে  সংস্কৃত রূপকধর্মী নাটক বা প্রহসনের প্রভাব রয়েছে।

অন্যদিকে,
• জমিদার দর্পণ:
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্ত প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নূরন্নেহারকে ধর্ষন ও হত্যার কাহিনি এর মূল ঘটনা। 

বসন্তকুমারী:
-  ইন্দ্রপুরের বিপত্নীক রাজার বৃদ্ধ বয়সে যুবতী স্ত্রী গ্রহণ, রাজার যুবক পুত্রের প্রতি বিমাতার আকর্ষণ এবং প্রেম নিবেদন, পুত্রের প্রত্যাখ্যান ও বিমাতার ষড়যন্ত্র’ পরিশেষে রাজপরিবারের সকলের মৃত্যু- এই কাহিনি অবলম্বনে ‘বসন্তকুমারী নাটক রচিত।

• রত্নবতী: 
- রাজকুমার সুকুমার ও মন্ত্রীপুত্র সুমন্তের মধ্যে 'ধন বড় না বিদ্যা বড়'- এ বিতর্ক এবং বিতর্কের সমাধানই 'রত্নবতী'র মূল বিষয়।
----------------------------- 
মীর মশাররফ হোসেন:
- তিনি একজন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ছিলেন।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়।

প্রহসন:
- টালা অভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী। (আত্মজৈবনিক উপন্যাস)।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয় কোন যুগে?
  1. প্রাচীন যুগে
  2. মধ্যযুগে
  3. আধুনিক যুগে
  4. অন্ধকার যুগে
সঠিক উত্তর:
মধ্যযুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যযুগে
ব্যাখ্যা
• বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয়: মধ্যযুগে।
-----------------------
• এক্ষেত্রে প্রধানত অনুবাদ হয়েছে:
ক) সংস্কৃত থেকে,
খ) হিন্দি সাহিত্য থেকে,
গ) আরবি-ফারসি সাহিত্য থেকে।
----------------
কয়েকটি অনুবাদ সাহিত্য:
- লায়লী মজনু পারসি কবি জামির লায়লী মজনু থেকে অনুবাদ করেছেন দৌলত উজির বাহরাম খান।
- মধুমালতী হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালতী কাব্য থেকে বাংলা অনুবাদ করেন মুহম্মদ কবীর।
- পদ্মাবতী হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সরি পদুমাবৎ কাব্য থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন আলাওল।
- মালাধর বসু ভাগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
- মহাভারত প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- মুহম্মদ কবির হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালত্ বা সাধনের মৈনাসত্ কাব্যের অনুসরণে তাঁর বাংলা ‘মধুমালতী’ কাব্য রচনা করেন।
- রামায়ণের প্রথম বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা ।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৫০.
'বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন' এর সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি?
  1. মতিচূর
  2. পদ্মরাগ
  3. অবরোধবাসিনী
  4. নারীর মূল্য
সঠিক উত্তর:
নারীর মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর মূল্য
ব্যাখ্যা
• 'বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন' এর সাহিত্যকর্ম নয়- নারীর মূল্য।

• 'নারীর মূল্য' প্রবন্ধ:

- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'অনিলা দেবী' ছদ্মনামে ১৯২৩ সালে 'নারীর মূল্য' নামক প্রবন্ধটি যমুনা পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন। 
- এটি নারীর সামাজিক অধিকার এবং সমাজে নারীর স্থান সম্পর্কিত মূল্যবান একটি প্রবন্ধ। 

-----------------------------
রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে
বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 
 
- রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),  
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ), প্রভৃতি। 
- এছাড়া, আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫১.
ত্রিশের দশকের সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত -
  1. শওকত ওসমান
  2. সমর সেন
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশ দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগ্ননাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকা প্রকাশের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

 তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের গান,
- একদিন চিরদিন,
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- হঠাৎ আলোর ঝলকানি,
- কালের পুতুল,
- সাহিত্যচর্চা,
- রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য ইত্যাদি। 

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- মৌলিনাথ,
- রাত ভরে বৃষ্টি,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনের খাতা ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫২.
'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন -
  1. সেলিম আল দীন
  2. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  3. শওকত ওসমান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
• ‘আমলার মামলা’ — শওকত ওসমান রচিত একটি নাটক।
- নাটকটি ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়।
--------------------------
শওকত ওসমান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্যিক এবং নাট্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজের নানা অসঙ্গতি এবং জীবনের বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
 
• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী।
 
শওকত ওসমান রচিত নাটক-
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।

উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয় কোথায়?
  1. ব্যাকরণে
  2. বাক্যতত্ত্বে
  3. অর্থতত্ত্বে
  4. রূপতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণে
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণ:
- ব্যাকরণে ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ব্যাকরণের কাজ ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার মধ্যকার সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করা। 
- যে বিদ্যাশাখায় বাংলা ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি বর্ণনা করা হয় তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে। 
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়।
- এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ।
- তাঁর বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে তিনি এটি রচনা করেন।

- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ।
- বইটির নাম 'এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।

উৎস:
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৫৪.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. অপরাহ্ণ
  2. পরাহ্ণ
  3. পূর্বাহ্ণ
  4. প্রাহ্ন
সঠিক উত্তর:
প্রাহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাহ্ন
ব্যাখ্যা
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
তৎসম শব্দে 'অপর, পরা, পূর্ব, প্রা' ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে 'অহ্ন' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'অহ্ন' শব্দের 'দন্ত- ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য-ণ হয়।
যেমন-
অপরাহ্ণ, পরাহ্ণ, প্রাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।

• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
- 'প্রাহ্ন' বানানটি শুদ্ধ নয়।
- এর শুদ্ধ বানান- 'প্রাহ্ণ'।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান;
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
৫৫.
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুসারে কোনটি উচ্চ স্বরধ্বনি?
  1. অ্যা
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• 'উ'- উচ্চ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।

• উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।
৫৬.
কোন সমাসের ক্ষেত্রে সমজাতীয়, বিপরীত ও অনুরূপ শব্দের সংযোগ ঘটে?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. দ্বিগু সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন –
‘সােনা-রুপা সমস্তপদের ব্যাসবাক্য ‘সােনা ও রুপা।

• দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সমজাতীয়, বিপরীত ও অনুরূপ শব্দের সংযােগ ঘটে।
যেমন –
মা ও বাবা = মা-বাবা, স্বর্গ ও নরক = স্বর্গ-নরক, জমা ও খরচ = জমাখরচ।
অনুরূপভাবে,
ভাই ও বোন = ভাই-বোন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৫৭.
অনুমোদন, সম্মতি ও সমর্থন প্রকাশ পায় কোন জাতীয় আবেগ শব্দে?
  1. প্রশংসা আবেগ
  2. আতঙ্ক আবেগ
  3. সিদ্ধান্ত আবেগ
  4. সম্বোধন আবেগ
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধান্ত আবেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধান্ত আবেগ
ব্যাখ্যা
• আবেগ:
মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ বলে।
- এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন - ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

• সিদ্ধান্ত আবেগ:
এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়।
যেমন -
বেশ, তবে যাওয়াই যাক।
হ্যাঁ, আমাদের জিততেই হবে।

অন্যদিকে,
• করুণা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশ করে।
যেমন -
আহা! বেচারার কত কষ্ট।
হায়! হায়! ওদের এখন কে দেখবে!

• সম্বোধন আবেগ:
এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
ওগো, তোরা জয়ধ্বনি কর।
হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন।

• অলংকার আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
যাকগে, ওসব কথা থাক। 
দুর! এ কথা কি বলতে আছে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৫৮.
'Barbarism' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. সংস্কৃতিবাদ
  2. বর্বরতা
  3. দরকষাকষি
  4. বাগাড়ম্বর
সঠিক উত্তর:
বর্বরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্বরতা
ব্যাখ্যা
• 'Barbarism' এর বাংলা পরিভাষা — 'বর্বরতা'।

অন্য অপশনের পারিভাষিক অর্থ:
• Culturalism - সংস্কৃতিবাদ,
• Bargaining- দরকষাকষি,
• Bombast- বাগাড়ম্বর।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা - বাংলা একাডেমি।
৫৯.
'পুস্তক' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. দেশি
  3. তৎসম
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পুস্তক' (বিশেষ্য) — তৎসম শব্দ।

• 'পুস্তক' অর্থ:
- একসঙ্গে সেলাই করে গাঁথা বা আঠা দিয়ে যুক্ত সমমাপের লিখিত বা মুদ্রিত কাগজের সংকলন,
- বই,
- গ্রন্থ।
------------------ 
তৎসম শব্দ:
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়।
'তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ - তৎ (তার) + সম (সমান) = তার সমান অর্থ্যাৎ, সংস্কৃতের সমান।

তৎসম শব্দের উদাহরণ: 
- হস্ত, 
- চন্দ্র,
- সূর্য,
- নক্ষত্র,
- ভবন,
- ধর্ম,
- পাত্র,
- মনুষ্য ইত্যাদি।

উৎস:
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৬০.
'চুল' শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. অলক
  2. লোচন
  3. চিকুর
  4. কুন্তল
সঠিক উত্তর:
লোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোচন
ব্যাখ্যা
• 'চুল' এর প্রতিশব্দ:
- কেশ,
- অলক,
- চিকুর,
- কুন্তল,
- কবরী।

অন্যদিকে, 
'চক্ষু' শব্দের প্রতিশব্দ - লোচন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ( ২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা শিক্ষা- হায়াৎ মামুদ।
৬১.
বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি ভুল?
  1. হত - জীবিত
  2. পুষ্ট - ক্ষীণ
  3. অর্বাচীন - আধুনিক
  4. মৌন - মুখর
সঠিক উত্তর:
অর্বাচীন - আধুনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্বাচীন - আধুনিক
ব্যাখ্যা
• অর্বাচীন - আধুনিক; পরস্পরের বিপরীত শব্দ নয়।

কারণ, 
• অর্বাচীন শব্দের অর্থ "অপ্রবীণ," "নবীন," বা "আধুনিক"। এর বিপরীত শব্দ 'প্রাচীন', প্রবীণ বা অভিজ্ঞ' হতে পারে, কিন্তু আধুনিক নয়।

অন্য অপশন,
• 'হত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - জীবিত।
• ‘পুষ্ট’ শব্দের বিপরীতার্থক - ক্ষীণ।
• 'মৌন' শব্দের বিপরীতার্থক - মুখর।

উৎস:
- ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬২.
'বাহাত্তরে ধরা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. ক্ষণস্থায়ী রাগ
  2. আনন্দ প্রকাশ করা
  3. অপ্রত্যাশিত বিপদ
  4. মতিচ্ছন্ন হওয়া
সঠিক উত্তর:
মতিচ্ছন্ন হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মতিচ্ছন্ন হওয়া
ব্যাখ্যা
• 'বাহাত্তরে ধরা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - 'মতিচ্ছন্ন হওয়া'।
বাক্য গঠন: কী আবোল-তাবোল বলছো, তোমায় কি বাহাত্তরে ধরেছে? 

অন্যদিকে,
• বিড়ালের আড়াই পা - ক্ষণস্থায়ী রাগ।
বাক্য গঠন: তাঁর কাছে যেতে ভয় পাচ্ছ কেন? তাঁর রাগ তো বিড়ালের আড়াই পা।

• বগল বাজানো - আনন্দ প্রকাশ করা।
বাক্য গঠন: পরকে বিপদে পড়তে দেখলে বগল বাজিয়ো না। 

• ‘ভেক ধরা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভান করা।
বাক্য গঠন: কোনো কাজ ভালো ভাবে না পারলেও সে ভেক ধরে যে সব পারে। 

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ,বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৩.
"ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র" এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. ফুটকি
  2. ভাঁড়
  3. নুড়ি
  4. পাতকুয়া
সঠিক উত্তর:
ভাঁড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঁড়
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র' এর এক কথায় প্রকাশ - 'ভাঁড়'।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
• 'ক্ষুদ্র বিন্দু' এর এক কথায় প্রকাশ- 'ফুটকি'। 
• 'ক্ষুদ্র ফোঁড়া' এর এক কথায় প্রকাশ- 'ফুসকুড়ি'। 
• 'ক্ষুদ্র নালা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'নালি'।
• 'ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড' এর এক কথায় প্রকাশ - 'নুড়ি'।
• 'ক্ষুদ্র কূপ' এর এক কথায় প্রকাশ- 'পাতকুয়া'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৪.
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
  1. আমরণ
  2. আলুসিদ্ধ
  3. ঘিভাত
  4. তেলেভাজা
সঠিক উত্তর:
আমরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরণ
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
- অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
- উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। 

অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- জেলার সদৃশ = উপজেলা;
- ঈষৎ নত = আনত;
- আমিষের অভাব = নিরামিষ।

অন্যদিকে,
• সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ; সাধারণ কর্মধারয় সমাস।
• ঘি মাখানো ভাত = ঘিভাত; মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
• তেলে ভাজা = তেলেভাজা; অলুক তৎপুরুষ সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
৬৫.
'ঊষর' শব্দের অর্থ কী?
  1. ধূসর
  2. উর্বর
  3. কোমল
  4. অনুর্বর
সঠিক উত্তর:
অনুর্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্বর
ব্যাখ্যা
• 'ঊষর' শব্দের অর্থ:
- (বিশেষ্য) - লোনা বা ক্ষারময় অনুর্বর ভূমি।
- (বিশেষণ) - অনুর্বর, মরুময়, নোনা।

• 'ঊষর' এর বপরীত শব্দ হলো:
উর্বর - সর্বপ্রকার শস্যের উৎপাদক।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬৬.
‘নিরাকার’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ -
  1. নি + আকার
  2. নির + আকার
  3. নিঃ + আকার
  4. নির্‌ + কার
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আকার
ব্যাখ্যা
'নিরাকার' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - নিঃ + আকার।

• ‘নিরাকার’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ এর নিয়ম:  
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পর পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়।
যেমন-
দুঃ + যােগ = দুর্যোগ, 
নিঃ + আকার = নিরাকার,
আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৭.
"Oliver Mellors & Sir Clifford Chatterley" are characters created by -
  1. Ernest Hemingway
  2. D. H Lawrence
  3. Thomas Hardy
  4. T.S. Eliot
সঠিক উত্তর:
D. H Lawrence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D. H Lawrence
ব্যাখ্যা
• "Oliver Mellors & Sir Clifford Chatterley" চরিত্র দুটি D. H Lawrence রচিত  'Lady Chatterley's Lover' থেকে নেওয়া।

• Lady Chatterley's Lover:

- Modern Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক D. H Lawrence রচিত উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রথম England এ প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু ১৯৫৯ সালে নিউইয়র্কে এবং ১৯৬০ সালে লন্ডনে এর সম্পূর্ণ বই টি প্রকাশ পায়।
- এই উপন্যাসটি লেখকের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে পুরুষ এবং মহিলাদের অবশ্যই শিল্পোন্নত সমাজের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে এবং আবেগপ্রবণ প্রেমের জন্য তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুসরণ করতে হবে।

• Summary:
- Sir Clifford Chatterley একজন সম্পদশালী জমিদার; জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যার কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে।
- তিনি বিছানায় পড়ে থাকেন সারাদিন আর বইয়ের পাতায় ডুবিয়ে রাখেন নিজেকে।
- তার স্ত্রীর নাম Constanc (The Lady from the title) -যিনি স্বামীর অক্ষমতার কারণে শারীরিক এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগে সারাদিন।
- একজন বই প্রকাশকের সাথে অসম্পুর্ণ এবং অবৈধ প্রণয়ের পর, তিনি একজন নিম্নবিত্ত এবং তার স্বামীর অধীনে চাকরি করা Oliver Mellors এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।।
- Oliver Mellors একজন নিম্নবিত্ত শ্রেণীর লোক, কিন্তু সুপুরুষ; Chatterley এর আহবান সে উপেক্ষা করতে পারে না - অবৈধ প্রণয়ে মত্ত হয় দুজন।

• Characters of the novel -
- Lady Chatterley (Constanc),
- Oliver Mellors, (the lover of the lady)
- Sir Clifford Chatterley,
- Mrs. Bolton,
- Michaelis, etc.

• D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence, English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.

• His most famous novels are -
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৬৮.
Which of these famous lines is from "Hamlet"?
  1. "To be or not to be that is the question."
  2. "Fair is foul, and foul is fair."
  3. "If music be the food of love, play on"
  4. "The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool."
সঠিক উত্তর:
"To be or not to be that is the question."
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"To be or not to be that is the question."
ব্যাখ্যা
• "To be or not to be that is the question"- This quote is from Shakespeare's - Hamlet.

• Hamlet: 
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of - Denmark.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় !৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.

Famous quotations of Hamlet:
- "To be or not to be that is the question".
- "Frailty, thy name is woman".
- "Brevity is the soul of wit".
- "Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend".
- "There is divinity that shapes our end".
- "Listen to many, speak to a few."

• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো:
• "Fair is foul, and foul is fair." - William Shakespeare (from Macbeth).
• "If music be the food of love, play on" ― William Shakespeare, Twelfth Night.
• "The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool." ― William Shakespeare, As You Like It.

Source: britannica.com
৬৯.
Which of the following creation is known as an autobiography?
  1. Silas Marner
  2. Tess of the d’Urbervilles
  3. Jane Eyre
  4. Vanity Fair
সঠিক উত্তর:
Jane Eyre
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jane Eyre
ব্যাখ্যা
• Jane Eyre:
- Bronte এর famous novel 'Jane Eyre" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত। 

• Short Summary: 
- Story of Rochester and Jane Eyre. 
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

• Main Characters of the novel - 
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed.

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 
- Her father was Patrick Brontë is an Anglican clergyman. Irish-born, he had changed his name from the more commonplace Brunty.

• Notable work:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer,
- Ellis and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette.

Options,
- Silas Marner: novel by George Eliot,
- Tess of the d’Urbervilles: novel by Thomas Hardy,
- Vanity Fair: novel by Thackeray.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.
৭০.
Who is the author of "The Lion and the Jewel"?
  1. Doris Lessing
  2. W. Somerset Maugham
  3. Wole Soyinka
  4. Chinua Achebe
সঠিক উত্তর:
Wole Soyinka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wole Soyinka
ব্যাখ্যা
• The Lion and the Jewel:
- এটি Nigerian playwright Wole Soyinka রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1963 সালে।
- The play chronicles how Baroka, the lion, fights with the modern Lakunle over the right to marry Sidi, the titular Jewel.

• Wole Soyinka:
- তিনি একজন Nigerian author.
- তিনি একজন playwright এবং political activist.
- তিনি 1986 সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

Notable work:
- The Interpreters,
- Season of Anomy,
- A Dance of the Forests,
- The Lion and The Jewel,
- The Invention.

Source: Britannica.
৭১.
Melodrama is a play characterized by -
  1. trivial themes
  2. humorous theme
  3. violence & sensational theme
  4. psychological and philosophical themes
সঠিক উত্তর:
violence & sensational theme
উত্তর
সঠিক উত্তর:
violence & sensational theme
ব্যাখ্যা
• Melodrama: (আবেগ প্রধান নাটক)
- A kind of drama that provides sensational entertainment and presents horror and bloodshed, thrills and violence on the stage. However, it ends with happiness. It is an extravagant drama in which action is more salient than characterization

- In other words, 'Melodrama' is a kind of play with violent and sensational themes. Melodrama means a sensational dramatic piece with exaggerated characters and exciting events intended to appeal to the emotions or a play interspersed with songs and orchestral music accompanying the action.

- যে নাটকে আবেগ, উত্তেজনার উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে; পাশাপাশি সংঘাত ও দ্বন্দ্বের উপস্থিতিও দৃশ্যমান এই নাটকগুলোতে । তবে অধিকাংশ সময় এই নাটকগুলোর হ্যাপি এন্ডিং বা সুখকর সমাপ্তি ঘটে থাকে।
৭২.
Choose the incorrect spelling.
  1. Acquiesce
  2. Ingenious
  3. Minuescule
  4. Conscientious
সঠিক উত্তর:
Minuescule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Minuescule
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ভুল বানান - Minuescule.
- এর সঠিক বানানটি হলো - Minuscule.

• Minuscule: 
English meaning: extremely small.
Bangla meaning: অতি ক্ষুদ্র; পুঁচকে; পিচ্চি; ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র।

Example: All she gave him to eat was two minuscule pieces of toast.

অন্য অপশন গুলো হলো:
• Acquiesce:
English meaning: to accept or agree to something, often unwillingly.
Bangla meaning: সম্মত বা রাজি হওয়া; সায় দেওয়া; নীরবে বা বিনা আপত্তিতে মেনে নেওয়া।

• Ingenious:
English meaning: (of a person) very intelligent and skillful, or (of a thing) skilfully made or planned and involving new ideas and methods.
Bangla meaning: উদ্ভাবনকুশল; উপায়জ্ঞ; বিচক্ষণ।

• Conscientious:
English meaning: feeling a moral responsibility to do your work carefully and to be fair to others.
Bangla meaning: বিবেকবান; বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন।

Source: Cambridge, Oxford & Accessible Dictionary.
৭৩.
Choose the correct sentence.
  1. He likes to dilate of what he thinks is wrong with the world.
  2. He likes to dilate to what he thinks is wrong with the world.
  3. He likes to dilate in what he thinks is wrong with the world.
  4. He likes to dilate upon what he thinks is wrong with the world.
সঠিক উত্তর:
He likes to dilate upon what he thinks is wrong with the world.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He likes to dilate upon what he thinks is wrong with the world.
ব্যাখ্যা
• Dilate on/upon something:
English meaning: to write or speak about a subject for a long time.
Bangla meaning: দীর্ঘ সময়ের জন্য একটি বিষয় সম্পর্কে লিখা বা কথা বলা।

Example: He likes to dilate upon what he thinks is wrong with the world.
Bangla meaning: "সে পৃথিবীতে কি কি ভুল আছে বলে সে মনে করে, সেই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতে পছন্দ করে।"

Source: Cambridge Dictionary.
৭৪.
Choose the correct one.
  1. They decorated the room while the kids drawn on paper.
  2. They decorated the room while the kids were drawing on paper.
  3. They decorating the room while the kids were drawing on paper.
  4. They decorates the room while the kids were drawing on paper.
সঠিক উত্তর:
They decorated the room while the kids were drawing on paper.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They decorated the room while the kids were drawing on paper.
ব্যাখ্যা
• While দ্বারা দুইটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে - 
- While এর পূর্বে অংশ টি past indefinite এ হলে, এরপরের অংশে past continuous tense হয়। 
- while যুক্ত অংশটি Past continuous tense হলে অপরটি Past indefinite tense হয়।

Correct sentence: They decorated the room while the kids were drawing on paper.

• অন্য অপশনগুলোকে শূন্যস্থানে বসালে সেগুলো While এর নিয়ম অনুসরণ করে না বিধায় এগুলো ভুল।
৭৫.
She told the truth, for she had nothing to lose. The underlined part is -
  1. Preposition
  2. Conjunction
  3. Adverb
  4. Noun
সঠিক উত্তর:
Conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conjunction
ব্যাখ্যা
• She told the truth, for she had nothing to lose. The underlined part is - Conjunction.
Bangla meaning: সে সত্যটি বলেছিল, কারণ তার হারানোর কিছুই ছিল না।

• For:
English meaning: because; as.
Bangla meaning: কেননা; যেহেতু; কারণ; বলে।

Example:
- She remained silent, for her heart was heavy and her spirits low.
- She told the truth, for she had nothing to lose.

Source: Cambridge Dictionary.
৭৬.
Synonym of 'Proliferate' -
  1. Burgeon
  2. Decrease
  3. Dwindle
  4. Both A & C
সঠিক উত্তর:
Burgeon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Burgeon
ব্যাখ্যা
• Proliferate (verb intransitive), (verb-transitive)

English Meaning: To increase greatly in number or amount, usually quickly.
Bangla Meaning: 
(১) কোষ, নতুন অঙ্গ ইত্যাদির দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধির দ্বারা বেড়ে ওঠা বা বংশবিস্তার করা; দ্রুত বিস্তারলাভ করা; দ্রুত বেড়ে ওঠা; দ্রুত বিস্তৃত করা।
(২) (কোষ ইত্যাদি) জন্ম দেওয়া/প্রত্যুৎপন্ন করা।

Synonyms: Grow rapidly (দ্রুত বৃদ্ধি), Burgeon (দ্রুত বিকশিত হওয়া), Escalate (ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাওয়া; তীব্রতর হওয়া), Gain (লাভ করা), Accelerate (গতি বৃদ্ধি করা)।
Antonyms: Decrease (কমা; হ্রাস করা বা পাওয়া), Dwindle (হ্রাস পাওয়া). Die out (লুপ্ত হওয়া), Plummet (কমে যাওয়া), Downsize (ছোট করা, হ্রাস করা)। 

Example Sentence: 
1. It seems as if viruses are proliferating more rapidly than ever.
2. Rumors about the incident proliferated on the Internet.

Source: Live MCQ Lecture.
৭৭.
The word 'Abode' refers to -
  1. Home
  2. Water
  3. Planet
  4. Word
সঠিক উত্তর:
Home
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Home
ব্যাখ্যা
• Abode:
English meaning: the place where someone lives.
Bangla meaning: (প্রাচীন বা সাহিত্যিক) বাসস্থান; বাড়ি; আবাস।

Example: 
- Please list your permanent address or, if you are a citizen of another county, the address of your habitual abode in this country.
- Despite being called The Cottage, their estate was the largest abode in the county.
- I bought you some nice candlesticks for your new abode.

• The word 'Abode' refers to - Home.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৭৮.
The female form of 'Giant' -
  1. Giantess
  2. Giantress
  3. Giantrix
  4. Giantee
সঠিক উত্তর:
Giantess
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Giantess
ব্যাখ্যা
• Giant:
English meaning: an imaginary creature like a man but extremely tall, strong, and usually very cruel, appearing especially in children's stories.
Bangla meaning: দৈত্য; দানব।

Example: Dad terrified us with stories of a big, bad giant who ate little children.

Feminine form: Giantess.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৭৯.
Plural form of 'Phylum' -
  1. Phylii
  2. Phylum
  3. Phylumes
  4. Phyla
সঠিক উত্তর:
Phyla
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phyla
ব্যাখ্যা
• Phylum:
English meaning: a main division in a taxonomic (= scientific naming and organization system) relating to animals.
Bangla meaning: (জীববিদ্যা) প্রাণিবর্গ বা উদ্ভিদবর্গের প্রধান বিভাগ।

Example:
- Members of the largest and most diverse phylum of animals (Arthropoda), have segmented bodies and an external skeleton.

Plural form: phyla.

Source: Cambridge & Merriam-Webster & Accessible Dictionary.
৮০.
Choose the incorrect one.
  1. Had we known about the storm, we would have postponed the trip.
  2. If you heat water to 100 degrees Celsius, it will boil.
  3. If it rains tomorrow, we’ll cancel the picnic.
  4. If she had more time, she would learn to play the piano.
সঠিক উত্তর:
If you heat water to 100 degrees Celsius, it will boil.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If you heat water to 100 degrees Celsius, it will boil.
ব্যাখ্যা
• অপশন গুলোর মধ্যে ভুল বাক্য - 'If you heat water to 100 degrees Celsius, it will boil.'

• If যুক্তটি অংশটি যদি present tense এ থাকে তবে তা Zero conditionals or First Conditionals হয়ে থাকে।
- সে অনুযায়ী এরপরের clause এ Present indefinite or Future Indefinite হয়।
- সেক্ষেত্রে চিরন্তন সত্য, ভৌগলিক বা বৈজ্ঞানিক সত্য এর ক্ষেত্রে Present indefinite হয়।
- সাধারণ বিষয় বা ঘটনা এর ক্ষেত্রে Future Indefinite হয়।

• Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth).
- অথবা, If +Present indefinite + Subject + Verb এর present form/ (may/can) + verb এর present form.

• প্রশ্নোক্ত বাক্যটি বৈজ্ঞানিক সত্য। 
- নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্যটি হবে Present indefinite tense এ অর্থাৎ If you heat water to 100 degrees Celsius, it boils.

--------------------

ক) Had we known about the storm, we would have postponed the trip.
- এটি 3rd Conditional sentence.

গ) If it rains tomorrow, we’ll cancel the picnic.
- বাক্যটি একটি First conditional এর উদাহরণ।

ঘ) If she had more time, she would learn to play the piano.
- উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• এখানে had, main verb হিসেবে বসেছে।

------------------------
• একটি Conditional sentence এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত,
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals,
2. The First Conditionals,
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals.

• এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো:
- Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth).
- 1st Conditional = If + Present + Future.
- 2nd Conditional = If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb).
- 3rd Conditional = If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3).
৮১.
What is the one-word substitution for "the study of the structure and behavior of the physical and natural world through observation and experiment"?
  1. Physics
  2. Chemistry
  3. Science
  4. Biology
সঠিক উত্তর:
Science
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Science
ব্যাখ্যা
• Science:
English meaning: (knowledge from) the careful study of the structure and behaviour of the physical world, especially by watching, measuring, and doing experiments, and the development of theories to describe the results of these activities.
Bangla meaning: সুশৃঙ্খল, সুবিন্যস্ত, বিশেষত পর্যবেক্ষণজাত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার দ্বারা যাচাইকৃত জ্ঞান; বিজ্ঞান।

Options,
• Physics:
English meaning: the scientific study of matter and energy and the effect that they have on each other.
Bangla meaning: বস্তু এবং শক্তিসম্পর্কিত বিজ্ঞান; পদার্থবিদ্যা।

• Chemistry: 
English meaning: the scientific study of the basic characteristics of substances and the ways in which they react or combine
Bangla meaning: রসায়নবিদ্যা।

• Biology:
English meaning: the scientific study of the natural processes of living things.
Bangla meaning: জীববিদ্যা।

Source: Cambridge Dictionary.
৮২.
I don’t understand what he is trying to say. The underlined part is -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Adjective phrase
সঠিক উত্তর:
Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun clause
ব্যাখ্যা
• I don’t understand what he is trying to say. The underlined part is - Noun clause.
- প্রদত্ত বাক্যে 'what he is trying to say' clause টি Transitive Verb এর Object হিসেবে Noun clause হয়েছে।

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause  বসতে পারে -
1. Subject হিসাবে,
যেমন: What will he do is uncertain.

2. Transitive verb এর object হিসেবে,
যেমন: I believe what you have said.

3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে,
যেমন: The reason is why they are angry.

4. Preposition এরপরে,
যেমন: Listen to what they say.
৮৩.
Choose the correct sentence.
  1. He need not asking for permission; he is free to make his own decisions.
  2. He need not ask for permission; he is free to make his own decisions.
  3. He need not to ask for permission; he is free to make his own decisions.
  4. He need not asked for permission; he is free to make his own decisions.
সঠিক উত্তর:
He need not ask for permission; he is free to make his own decisions.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He need not ask for permission; he is free to make his own decisions.
ব্যাখ্যা
• Negative sentence এ ‘need’ modal auxiliary হিসেবে ব্যবহৃত হলে need এর পরে not বসে এবং এর পরে to বসাতে হয়না।
- অর্থাৎ, need not এর সাথে infinitive to এর ব্যবহার উহ্য সাথে।
- এক্ষেত্রে need এর সাথে কখনো s/es যুক্ত হয় না।

•  Need বাক্যে মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় আবার modal হিসেবেও ব্যবহৃত হয় তাই এর সাধারণ নাম semi-modal.
- We use need mostly in the negative form to indicate that there is no obligation or necessity to do something:
Example:
- You needn’t take off your shoes.
- You need not spend a lot of money on presents.

Correct sentence: He need not ask for permission; he is free to make his own decisions.
Bangla meaning: "তার অনুমতি চাওয়ার দরকার নেই; সে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে সক্ষম।"

• সেই অনুসারে অন্য অপশন গুলো ভুল।
- 'need not' এর পর 'asking', 'to ask' ও 'asked' এর ব্যবহার ভুল।
৮৪.
Having completed the project, I went out. (make it compound)
  1. I had completed the project so went out.
  2. I had completed the project then went out.
  3. I had completed the project to went out.
  4. I had completed the project and went out.
সঠিক উত্তর:
I had completed the project and went out.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I had completed the project and went out.
ব্যাখ্যা
• Perfect Participle যুক্ত Simple Sentence কে Compound Sentence এ পরিবর্তনের নিয়ম:

- Subject বসে,
- Perfect Participle এর Past Perfect form বসে,
- and বসে,
- বাকী অংশ বসে ।

Simple: Having completed the project, I went out.
Compound: I had completed the project and went out.

• Perfect Participle কে Past Perfect tense এ গঠন করা হয়েছে অর্থাৎ I had completed the project বসানাে হয়েছে + বাকী অংশ went out বসানাে হয়েছে।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
৮৫.
নিচের কোনটি a2 - 7a - 98 এর একটি উৎপাদক?
  1. a + 7
  2. a + 14
  3. a + 21
  4. a + 13
সঠিক উত্তর:
a + 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a + 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি a2 - 7a - 98 এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
a2 - 7a - 98
= a2 - 14a + 7a - 98
= a(a - 14) + 7(a - 14)
= (a + 7)(a - 14)
৮৬.
বার্ষিক ৫০% সরল মুনাফায় কোন আসলের ২ বছরের মুনাফা ৫০০ টাকা হলে, একই হার মুনাফায় একই সময় পর ঐ আসলের যৌগিক মুনাফা কত হবে?
  1. ২৮০ টাকা
  2. ৪২০ টাকা
  3. ৬২৫ টাকা
  4. ৭২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬২৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ৫০% সরল মুনাফায় কোন আসলের ২ বছরের মুনাফা ৫০০ টাকা হলে, একই হার মুনাফায় একই সময় পর ঐ আসলের যৌগিক মুনাফা কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
আসল = P
সময়, n = ২ বছর
মুনাফা, I = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার, r = ৫০%

∴ P = I/(n × r)
= (৫০০ × ১০০)/(২ × ৫০)
= ৫০০

২ বছর পর চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৫০০(১ + ০.৫)
= ৫০০ × ১.৫ × ১.৫
= ১১২৫

∴ ২ বছর পর যৌগিক মুনাফা = ১১২৫ - ৫০০ টাকা
= ৬২৫ টাকা
৮৭.
9 · 3x - 1 = 27x হলে, x এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 1/4
  3. 4
  4. 2/3
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9 · 3x - 1 = 27x হলে, x এর মান কত?

সমাধান:

৮৮.
সামন্তরিকের ভূমি উচ্চতার দ্বিগুণ। সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গমিটার হলে, এর ভূমির মান কত?
  1. ৫ মিটার
  2. ১০ মিটার
  3. ১৫ মিটার
  4. ২০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সামন্তরিকের ভূমি উচ্চতার দ্বিগুণ। সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গমিটার হলে, এর ভূমির মান কত?

সমাধান:
ধরি, সামন্তরিকের উচ্চতা = ক মিটার
তাহলে, ভূমি = ২ক মিটার

আমরা জানি,
সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
= ক × ২ক বর্গমিটার
= ২ক বর্গমিটার

প্রশ্নমতে,
২ক = ৫০
⇒ ক = ২৫
∴ ক = ৫ মিটার

∴ ভূমি = ২ক
= ২ × ৫ মিটার
= ১০ মিটার
৮৯.
'OCTOPUS' শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 180
  2. 120
  3. 360
  4. 280
সঠিক উত্তর:
360
উত্তর
সঠিক উত্তর:
360
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'OCTOPUS' শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
OCTOPUS শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 7 টি, Vowel আছে 3টি।
Vowel তিনটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ = 5টি
5টি বর্ণকে সাজানো যায় = 5!
Vowel চারটি সাজানো যায় = 3!/2 = 3 [O দুইটি]
∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = 5! × 3
= 120 × 3
= 360
৯০.
|3x + 2| < 8 অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।
  1. (-10/3) < x < 2
  2. (5/3) > x > 1
  3. (4/7) > x > 3
  4. (-7/3) < x < 4
সঠিক উত্তর:
(-10/3) < x < 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(-10/3) < x < 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |3x + 2| < 8 অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
(3x + 2) অঋণাত্মক হলে:
⇒ 3x + 2 < 8
⇒ 3x < 8 - 2
⇒ 3x < 6
⇒ x < 2

(3x + 2) ঋণাত্মক হলে:
⇒ -(3x + 2) < 8
⇒ 3x + 2 > -8
⇒ 3x > -10
⇒ x > -10/3

∴ নির্ণেয় অসমতা -10/3 < x < 2
৯১.
এক ডজন কলার বিক্রয়মূল্যে এক কুড়ি কলা ক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ৩৩.৩৩%
  2. ৫৩.৬৭%
  3. ৪৭.৩৩%
  4. ৬৬.৬৭%
সঠিক উত্তর:
৬৬.৬৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৬৭%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ডজন কলার বিক্রয়মূল্যে এক কুড়ি কলা ক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?

সমাধান:
ধরি,
১ ডজন বা ১২ টি কলার বিক্রয়মূল্য = ক টাকা
১ টি কলার বিক্রয়মূল্য = ক/১২ টাকা

এক কুড়ি বা ২০ টি কলার ক্রয়মূল্য = ক টাকা
১ টি কলার ক্রয়মূল্য = ক/২০ টাকা

তাহলে, লাভ = (ক/১২) - (ক/২০)
= (৫ক - ৩ক)/৬০
= ২ক/৬০
= ক/৩০

∴ শতকরা লাভ = {(ক/৩০) × (২০/ক) × ১০০}%
= (২০০/৩)%
= ৬৬.৬৭%
৯২.
২ - ৪ + ৮ - ১৬ + .................. ধারাটির প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ১৬৮
  2. - ১৭০
  3. ১৭২
  4. - ১৭৪
সঠিক উত্তর:
- ১৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ১৭০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ - ৪ + ৮ - ১৬ + .................. ধারাটির প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রথম পদ, a = ২
সাধারন অনুপাত, r = - ৪/২ = - ২
প্রদত্ত ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা।
এবং পদ সংখ্যা, n = ৮

আমরা জানি,
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = a . (১ - rn)/(১ - r)
∴ ৮টি পদের সমষ্টি = ২ . {১ - (- ২)}/(১ + ২)
= ২ (১ - ২৫৬)/৩
= ২ × (- ২৫৫)/৩
= ২ × (- ৮৫)
= - ১৭০
৯৩.
একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১২১ বর্গমিটার, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ৩৩ মিটার
  2. ৪৪ মিটার
  3. ৫১ মিটার
  4. ৫৩ মিটার
সঠিক উত্তর:
৪৪ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১২১ বর্গমিটার, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১২১ বর্গমিটার
আমরা জানি, একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু

প্রশ্নমতে,
বাহু = ১২১
⇒ বাহু = √১২১
∴ বাহু = ১১ মিটার

পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
= ৪ × ১১ মিটার
= ৪৪ মিটার
৯৪.
একটি বাক্সে লাল বল 14 টি, সাদা বল 16 টি এবং কালো বল 24 টি। বাক্সে থেকে দৈব ভাবে একটি বল নেওয়া হলে বলটি কালো না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 4/9
  2. 3/7
  3. 5/9
  4. 5/7
সঠিক উত্তর:
5/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাক্সে লাল বল 14 টি, সাদা বল 16 টি এবং কালো বল 24 টি। বাক্সে থেকে দৈব ভাবে একটি বল নেওয়া হলে বলটি কালো না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
কালো বল = 24 টি
মোট বল = 14 + 16 + 24
= 54 টি

বলটি কালো হওয়ার সম্ভাবনা = 24/54
= 4/9

∴ বলটি কালো না হওয়ার সম্ভাবনা = 1 - (4/9)
= 5/9
৯৫.
a = √3 + √2 হলে, (a6 - 1)/a3 এর মান কত?
  1. 14√2
  2. 22√2
  3. 18√2
  4. 26√2
সঠিক উত্তর:
22√2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22√2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = √3 + √2 হলে, (a6 - 1)/a3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, a = √3 + √2
∴ (1/a) = 1/(√3 + √2)
= (√3 - √2)/(√3 + √2)(√3 - √2)
= (√3 - √2)/(3 - 2)
= √3 - √2

∴ a - (1/a) = √3 + √2 - √3 + √2 = 2√2

এখন, (a6 -1)/a3 = (a6/a3) - (1/a3)
= a3 - (1/a3)
= {a - (1/a)}3 + 3 ⋅ a ⋅ (1/a){a - (1/a)}
= (2√2)3 + 3 ⋅ 2√2
= 8 ⋅ 2√2 + 6√2
= 22√2
৯৬.
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৩২ ও ১৮ হলে, মধ্য সমানুপাতী কত হবে?
  1. ২০
  2. ২৪
  3. ২৬
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৩২ ও ১৮ হলে, মধ্য সমানুপাতী কত হবে?

সমাধান:
তিনটি রাশির ১ম ও ২য় রাশির অনুপাত এবং ২য় ও ৩য় রাশির অনুপাত পরস্পর সমান হলে, সমানুপাতটিকে ক্রমিক সমানুপাত বলে।
রাশি তিনটিকে ক্রমিক সমানুপাতী বলে।

ক্রমিক সমানুপাতে,
(মধ্য রাশি) = ১ম রাশি × ৩য় রাশি
⇒ (মধ্য রাশি) = ৩২ × ১৮
⇒ (মধ্য রাশি) = ৫৭৬
⇒ মধ্য রাশি = √৫৭৬
∴ মধ্য রাশি = ২৪
৯৭.
log2(1/8) = কত?
  1. - 2
  2. - 3
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
- 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log2(1/8) = কত?

সমাধান:
৯৮.
একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 360 বর্গমিটার, ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 2√5 মিটার
  2. 7√3 মিটার
  3. 6√5 মিটার
  4. 5√3 মিটার
সঠিক উত্তর:
6√5 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6√5 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 360 বর্গমিটার, ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্টের ক্ষেত্রফল = 6a2

প্রশ্নমতে,
6a2 = 360
⇒ a2 = 360/6
⇒ a2 = 60
বা, a = √60
∴ a = 2√15

∴ ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a √3
= 2√15 × √3 
= 2√45
= 2 × 3√5
= 6√5 মিটার
৯৯.
সেট A = {x ∈ N : x2 > 15, x3 < 100} হলে x এর সঠিক মান কোনটি?
  1. {1, 2, 3, 4}
  2. {4}
  3. {}
  4. {3, 4}
সঠিক উত্তর:
{4}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{4}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সেট A = {x ∈ N : x2 > 15, x3 < 100} হলে x এর সঠিক মান কোনটি?

সমাধান:
x2 > 15; এই শর্তে x এর মানের সেট P হলে, P = {4, 5, 6 .......}
x3 < 100; এই শর্তে x এর মানের সেট Q হলে, Q = {1, 2, 3, 4}

উভয় শর্তে x এর মানের সেট, A = P ∩ Q
= {4, 5, 6 .......} ∩ {1, 2, 3, 4}
= {4}
১০০.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. Ephemerial
  2. Immortal
  3. Ascertain
  4. Bureaucracy
সঠিক উত্তর:
Ephemerial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ephemerial
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
• Immortal, Ascertain ও Bureaucracy তিনটি বানান শুদ্ধ।
• Ephemerial বানানটি ভুল।
সঠিক বানান: Ephemeral.
English Meaning: Lasting for only a short time.
Bangla Meaning: স্বল্পজীবী; স্বল্পস্থায়ী।
১০১.
XLNKLHVI = COMPOSER হলে, MLEVORHG = ?
  1. SPECTATOR
  2. AUTHOR
  3. NOVELIST
  4. AUDIENCE
সঠিক উত্তর:
NOVELIST
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOVELIST
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: XLNKLHVI = COMPOSER হলে, MLEVORHG = ?

সমাধান:

 XLNKLHVI = COMPOSER
প্রতিটি বর্ণ তার বিপরীত অবস্থানের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

∴ MLEVORHG = NOVELIST
১০২.
মুনির দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করে ১২ দিনে একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারে। সেলিম মুনিরের দুই-তৃতীয়াংশ দক্ষ হলে এবং দিনে ৪ ঘণ্টা কাজ করলে, একই কাজ সম্পন্ন করতে সেলিমের কত দিন লাগবে?
  1. ২৪ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩৬ দিন
  4. ৪৮ দিন
সঠিক উত্তর:
৩৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মুনির দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করে ১২ দিনে একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারে। সেলিম মুনিরের দুই-তৃতীয়াংশ দক্ষ হলে এবং দিনে ৪ ঘণ্টা কাজ করলে, একই কাজ সম্পন্ন করতে সেলিমের কত দিন লাগবে?

সমাধান:
মোট কাজের ঘণ্টা = ৮ × ১২ = ৯৬ ঘণ্টা
মুনিরের দুই-তৃতীয়াংশ = (২/৩) × মুনিরের দক্ষতা
অর্থাৎ সেলিম 1 ঘণ্টায় মুনিরের (২/৩) অংশ কাজ করতে পারে।
সেলিমের জন্য প্রয়োজনীয় মোট ঘণ্টা = ৯৬/(২/৩) = ৯৬ × (৩/২) = ১৪৪ ঘণ্টা

যেহেতু সেলিম দিনে ৪ ঘণ্টা কাজ করে,
∴ প্রয়োজনীয় দিন = ১৪৪/৪ = ৩৬ দিন
১০৩.
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান:
১ম লাইনে, 5 + 5 = 10; বৃত্তের মান = 5
দ্বিতীয় লাইনে, 5 × 2 + 2 = 12; চতুর্ভুজের মান = 2
তৃতীয় লাইনে,  5 × 2 - 1 × 5 = 5; ত্রিভুজের মান = 1
১০৪.
প্রদত্ত লেখাটি আয়নায় কেমন দেখাবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত লেখাটি আয়নায় কেমন দেখাবে?

সমাধান:
১০৫.
শাকিল উত্তর দিকে 20 কি.মি. হাঁটছেন। তিনি বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. হাঁটেন। তিনি আবার বাম দিকে ঘুরলেন এবং 20 কি.মি. হাঁটলেন। অবশেষে সে বাম দিকে মোড় নেওয়ার পর ২০ কি.মি.হাঁটেন। তিনি তার শুরু অবস্থান থেকে কত দূরে?
  1. 20 কি.মি.
  2. 35 কি.মি.
  3. 25 কি.মি.
  4. 15 কি.মি.
সঠিক উত্তর:
20 কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শাকিল উত্তর দিকে 20 কি.মি. হাঁটছেন। তিনি বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. হাঁটেন। তিনি আবার বাম দিকে ঘুরলেন এবং 20 কি.মি. হাঁটলেন। অবশেষে সে বাম দিকে মোড় নেওয়ার পর ২০ কি.মি.হাঁটেন। তিনি তার শুরু অবস্থান থেকে কত দূরে?

সমাধান:

যাত্রাস্থান A এবং গন্তব্যস্থান E
AE = 40 - 20 কি.মি
= 20 কি.মি.
১০৬.
২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে ২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?
  1. বৃহস্পতিবার
  2. শুক্রবার
  3. শনিবার
  4. রবিবার
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে ২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?

সমাধান:
অধিবর্ষ বাদে বাকি সব বছরের প্রথম দিন এবং শেষ দিন একই বার হয়।
অধিবর্ষ হলে একদিন বাড়তি যোগ করতে হয়।

২০২৫ সাল হলো অধিবর্ষ নয়।
২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে বছরের শেষ দিন বুধবার।
২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি বৃহস্পতিবার।
২০২৬ সালের শেষ দিন ও বৃহস্পতিবার।
২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি হবে শুক্রবার।
১০৭.
প্রদত্ত সিরিজে কোন সংখ্যাটি ভুল?
7, 56, 216, 448, 875
  1. 56
  2. 216
  3. 448
  4. 875
সঠিক উত্তর:
216
উত্তর
সঠিক উত্তর:
216
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত সিরিজে কোন সংখ্যাটি ভুল?
7, 56, 216, 448, 875

সমাধান:
23 - 13 = 7
43 - 23 = 56
63 - 33 = 189
83 - 43 = 448
103 - 53 = 875

216 সংখ্যাটি ভুল, 216 এর স্থলে 189 হবে সঠিক নম্বর।
১০৮.
সাহিত্য : হান কাং :: রসায়ন : ?
  1. নিহন হিদানকিও
  2. গ্যারি রাভকান
  3. ডেভিড বেকার
  4. ভিক্টর অ্যামব্রোস
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেকার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সাহিত্য : হান কাং :: রসায়ন : ?

সমাধান:
• হান কাং, সাহিত্যে এবং ডেভিড বেকার রসায়নে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছে।

- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
১০৯.
বস্তুটি টেনে তুলতে কার কম কষ্ট হবে?
  1. তোফায়েল
  2. হিমেল
  3. উভয়ের সমান কষ্ট হবে
  4. বলা সম্ভব নয়
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বস্তুটি টেনে তুলতে কার কম কষ্ট হবে?


সমাধান:
বস্তুটি টেনে তুলতে,
তোফায়েলের বল প্রয়োগ করতে হবে 20/2 = 10 N
হিমেলের বল প্রয়োগ করতে হবে 20 N
অতএব, তোফায়েলের কম কষ্ট হবে।
১১০.
IGLOO এর সাথে সর্বদা সম্পর্কিত নিচের কোনটি?
  1. Wood
  2. Ice
  3. meta
  4. Clay
সঠিক উত্তর:
Ice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ice
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: IGLOO এর সাথে সর্বদা সম্পর্কিত নিচের কোনটি?

সমাধান:
IGLOO মানে হলো বরফ দিয়ে তৈরি ঘর।

ice - বরফ
wood - কাঠ
metal - ধাতু
clay - মাটি

∴ IGLOO এর সাথে সর্বদা সম্পর্কিত ice।
১১১.
মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল কোন রাশিটি?
  1. তাপমাত্রা
  2. বেগ
  3. সময়
  4. দীপন তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
• বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়, তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।

• রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ: একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, এখানে ভর একটি রাশি।

• মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ: সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
-  সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যথা:
-  দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।

• যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়, তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
স্টারশিপ রকেটের জন্য কোন মহাকাশ কোম্পানি প্রথমবারের মত "capture on return" মাইলফলক অর্জন করেছে?
  1. NASA
  2. Blue Origin
  3. Virgin Galactic
  4. SpaceX
সঠিক উত্তর:
SpaceX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SpaceX
ব্যাখ্যা
১. SpaceX:
- এটি ইলন মাস্ক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানি।
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৪) স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে তার লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়েছে, যা একটি নতুন মাইলফলক।

২. NASA:
- যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ সংস্থা, কিন্তু তাদের স্টারশিপ রকেটের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- তারা বিভিন্ন মহাকাশ মিশনে কাজ করে, কিন্তু এই বিশেষ মাইলফলকে নেই।

৩. Blue Origin:
- জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি মহাকাশ কোম্পানি, যা রকেট উৎক্ষেপণ এবং মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করে।
- তারা এই মাইলফলক অর্জন করেনি, বরং তাদের নিজস্ব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

৪. Virgin Galactic:
- রিচার্ড ব্র্যানসনের প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানি, যা মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করছে।
- তাদের লক্ষ্য মহাকাশে পর্যটন সেবা প্রদান করা, কিন্তু তারা স্টারশিপ রকেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।

সারসংক্ষেপ:
- SpaceX একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে যেখানে তাদের স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়ে। অন্যান্য কোম্পানিগুলি এই অর্জনে ভূমিকা রাখেনি।

সূত্র: BBC [লিংক]
১১৩.
ছয় সপ্তাহ বয়সে শিশুকে কোন টিকা দেওয়া উচিৎ?
  1. টিটি
  2. বিসিজি
  3. ডিটি
  4. ডিপিটি-1
সঠিক উত্তর:
ডিপিটি-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিপিটি-1
ব্যাখ্যা

- জন্মের ছয় সপ্তাহ বয়সে 'ডিপিটি-1' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
একটি আদর্শ রাইফেলের জন্য, আদর্শ শুটিং পরিস্থিতিতে রাইফেল থেকে নির্গত বুলেটটি সম্ভাব্য কত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে?
  1. 0.8 km
  2. 1.9 km
  3. 3.2 km
  4. 6.9 km
সঠিক উত্তর:
3.2 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.2 km
ব্যাখ্যা
• আদর্শ রাইফেলের বুলেটের সর্বোচ্চ দূরত্ব:
- একটি আদর্শ রাইফেলের বুলেট আদর্শ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ৩.২ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। এর কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

শুটিং কোণ:
- সাধারণত, ৪৫ ডিগ্রি কোণে শুট করলে বুলেট সবচেয়ে দূর পর্যন্ত যায়। এই কোণ বুলেটকে উঁচুতে উঠতে এবং বেশি দূরত্বে যেতে সহায়তা করে।

প্রাথমিক গতি:
- রাইফেল থেকে বের হওয়ার সময় বুলেটের প্রাথমিক গতি খুবই বেশি থাকে, যা তাকে দূরত্ব অতিক্রম করতে শক্তি যোগায়।

বাতাসের প্রভাব:
- আদর্শ পরিস্থিতিতে বাতাসের গতি ও দিকের প্রভাব কম থাকে। বাতাসের বাধা কম হলে বুলেট সহজেই বেশি দূরত্বে যেতে পারে।

মাধ্যাকর্ষণ শক্তি:
- মাধ্যাকর্ষণ বুলেটকে নিচে টেনে আনে। তবুও প্রাথমিক গতি ও শুটিং কোণ ঠিক থাকলে বুলেট অনেকদূর অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

সূত্র: livescience [লিংক]
১১৫.
F = ma সূত্রের জন্য, F এর মাত্রা কোনটি?
  1. MLT-2
  2. ML2T-3
  3. ML2T-1
  4. ML2T2
সঠিক উত্তর:
MLT-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MLT-2
ব্যাখ্যা
• F = ma সূত্রের জন্য, F (বল) এর মাত্রা  MLT-2

• মাত্রা:
- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- L কে দৈর্ঘ্যের মাত্রা, M কে ভরের মাত্রা, T কে সময়ের মাত্রা বলে।
- যেমন, বল = ভর × ত্বরণ। সুতরাং, বলের মাত্রা MLT-2.

- কাজের মাত্রা ML2T-2.
- শক্তির মাত্রা ML2T-2.
- টর্কের মাত্রা ML2T-2.
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3.

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
হিস্টোলজিতে, রক্তকে কোন ধরনের টিস্যু হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়?
  1. আবরণী টিস্যু
  2. স্নায়ু টিস্যু
  3. যোজক টিস্যু
  4. পেশি টিস্যু
সঠিক উত্তর:
যোজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
• যোজক টিস্যু (Connective Tissue):
• যোজক বা কানেকটিভ টিস্যুতে মাতৃকার (Matrix) পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম।
• গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে কানেকটিভ টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা-
(i) ফাইব্রাস যোজক টিস্যু;
(ii) স্কেলিটাল যোজক টিস্যু;
(iii) তরল যোজক টিস্যু। 

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা (৪৫%)।
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় ৯১-৯২% অংশ পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
আধুনিক রসায়ন অনুসারে প্রকৃতিতে কতটি মৌলিক পদার্থ রয়েছে?
  1. ৮৮
  2. ৯০
  3. ৯২
  4. ৯৮
সঠিক উত্তর:
৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থ: 
- এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- এই মৌলিক পদার্থগুলোর মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- আর বাকী ২০টি কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থেরই একটি নাম আছে। 
- আর এদেরকে সংক্ষিপ্ত ও সুবিধাজনকভাবে প্রকাশের জন্যই আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতীক সাধারণত মৌলের ল্যাটিন, গ্রিক বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১১৮.
রসায়নে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে কে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. David Baker
  2. Jennifer Doudna
  3. Demis Hassabis
  4. John Jumper
সঠিক উত্তর:
Jennifer Doudna
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jennifer Doudna
ব্যাখ্যা
• ২০২৪ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার:

• পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা:
- ডেভিড বেকার:
- ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি প্রফেসর।
- তিনি কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তিতে কাজ করেছেন।
- ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার:
- যথাক্রমে তাঁরা গুগল ডিপমাইন্ডের সিইও এবং পরিচালক।
- তাঁরা প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য AI প্রযুক্তি আলফা ফোল্ড ২ তৈরি করেছেন​।

পুরস্কারের কারণ:
- প্রোটিন ডিজাইন: ডেভিড বেকারের কাজ নতুন প্রোটিন গঠনের জন্য ডিজাইন করা, যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে চিকিৎসা এবং প্রযুক্তিতে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয়েছে​।
- প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস: হাসাবিস এবং জাম্পারের আলফা ফোল্ড ২ প্রযুক্তি প্রোটিনের ৩-ডি গঠন পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে ৪০% থেকে ৯০% পর্যন্ত সঠিকতা বৃদ্ধি করেছে।

- প্রোটিনের গুরুত্ব: প্রোটিন হল জীবনের মৌলিক অণু, যা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলি পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক। সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বোঝার মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানা সম্ভব হবে।

- গবেষণার প্রভাব: এই আবিষ্কারগুলি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ, পরিবেশগত সমস্যার সমাধান, এবং প্রোটিন-মধ্যস্থ প্রক্রিয়াগুলির উন্নয়নে সহায়তা করেছে। নতুন প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তি বিভিন্ন খাতে যেমন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের কাজ আধুনিক রসায়ন এবং জীবন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তাদের আবিষ্কার মানব জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়ক হতে পারে।

অন্যদিকে,
- জেনিফার ডাউডনা হলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান জীবাণু রসায়নবিদ, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ অধ্যাপনা করেন।
- তিনি ( CRISPR) ক্রিস্পার প্রযুক্তির সহ-আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা জিন সম্পাদনার ক্ষেত্রে বিপ্লবী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- ডাউডনা এর কাজ বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা চিকিৎসা এবং কৃষিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে​।

সূত্র: nobelprize.org/prizes/chemistry [লিংক]
১১৯.
কোন বিজ্ঞানী ইউরেনিয়াম লবণ অধ্যয়ন করে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন?
  1. James Clerk Maxwell
  2. Henri Becquerel
  3. Niels Bohr
  4. Lise Meitner
সঠিক উত্তর:
Henri Becquerel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henri Becquerel
ব্যাখ্যা
• তেজষ্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত স্বীয় বিচ্ছিন্নকারী প্রক্রিয়া।
- ১৮৯৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইউরেনিয়াম এবং তাদের যৌগ হতে আপনা আপনি এক প্রকার রহস্যজনক কণা এবং রশ্মি নির্গত হতে থাকে।
- এর পরে পিয়েরে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে একই গুণ আবিষ্কার করেন।
- ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তিনি এটি আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার একক বেকরেল।
- তাছাড়া, কুরি এবং রাদারফোর্ড ও তেজষ্ক্রিয়তার ২ টি একক। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই, (শাহাজাহান তপন)।
১২০.
গ্লুবার লবণ এবং তুঁতের মধ্যে অবস্থিত পানির অনুপাত কত?
  1. ৩ : ২
  2. ১ : ২
  3. ২ : ১
  4. ৪ : ৩
সঠিক উত্তর:
২ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ : ১
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

- গ্লুবার লবণে পানি রয়েছে - ১০ অণু,
- তুঁতেতে পানি রয়েছে - ৫ অণু,

সুতরাং, গ্লুবার লবণ এবং তুঁতেতে অবস্থিত পানির অনুপাত হচ্ছে: ২ : ১।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
বিশুদ্ধ পানির pH এর মান কত?
  1. ১২
  2. ৮.৮
  3. ৭.০
  4. ৬.২
সঠিক উত্তর:
৭.০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.০
ব্যাখ্যা
• pH:
- কোন দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার লগারিদমের ঋণাত্বক মানকে ঐ দ্রবণের pH বলা হয়, এর মান অনুযায়ী দ্রবণ অম্লীয় বা ক্ষারীয় হবে তা নির্ধারিত হয়।
- pH এর মান ৭ হলে তাকে নিরপেক্ষ দ্রবণ বা প্রশম দ্রবণ বলা হয়।
- pH স্কেলের বিস্তৃতি: ০ – ১৪, 
- বিশুদ্ধ পানির pH হলো ৭;
- pH এর মান ৭ এর কম হলে দ্রবণ অম্লীয় এবং এর বেশি হলে দ্রবণ ক্ষারীয়।
- মানুষের রক্তের pH এর মান 7.4 (ঈষৎ ক্ষারীয়)। 

উৎস: ৯ম-১০ম শ্রেণি রসায়ন বই এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন ১ম পত্র।
১২২.
মাইক্রোসফট অ্যাপ্লিকেশনে 'Find' ডায়ালগ খুলতে শর্টকাট কী কোনটি?
  1. Ctrl + M
  2. Ctrl + V
  3. Ctrl + F
  4. Ctrl + A
সঠিক উত্তর:
Ctrl + F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + F
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফটের শর্টকাট কী:

সূত্র: শর্টকাট কী মাইক্রোসফট [লিংক]
১২৩.
বর্তমানে মাউস ও কি-বোর্ড কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করতে সবচেয়ে বেশি কোন পোর্ট ব্যবহৃত হয়?
  1. USB পোর্ট
  2. IMAP পোর্ট
  3. RS-232 পোর্ট
  4. PN/2 পোর্ট
সঠিক উত্তর:
USB পোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
USB পোর্ট
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে।
- এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। কম্পিউটারে বিভিন্ন পোর্ট ব্যবহৃত হয়। যেমন-

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়‍্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

• পিএসটু পোর্ট (PS/2):
- সাধারণত PS/2 পোর্টে কি-বোর্ড ও মাউস পোর্ট সংযুক্ত করা হয়।
- পোর্ট ৬ পিনবিশিষ্ট হয়।
- পূর্বে মাউস ও কি-বোর্ড PS/2 পোর্টে সংযুক্ত হতো। 
- বর্তমানে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে মাউস ও কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
কোনটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ নয়?
  1. Fugaku
  2. Frontier
  3. Apple Macintosh
  4. Summit
সঠিক উত্তর:
Apple Macintosh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apple Macintosh
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।

- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- বর্তমানে (ফেব্রুয়ারি, ২০২০) সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit)।
- এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।
- Fugaku - জাপান নির্মিত, Frontier - USA নির্মিত সুপারকম্পিউটার।

অন্যদিকে,
- Apple Macintosh - USA নির্মিত পারসোনাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
"কম্পিউটার ভাইরাস" শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করার এবং ১৯৮০-এর দশকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটি প্রদর্শনের জন্য কাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. Robert Morris
  2. Fred Cohen
  3. John von Neumann
  4. Vinton Cerf
সঠিক উত্তর:
Fred Cohen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fred Cohen
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.

- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.

- চিত্রটিতে কোন টপোলজির কথা বলা হয়েছে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

- চিত্রটিতে ট্রি টপোলজির কথা বলা হয়েছে।

• টপোলজি:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology) এবং
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

• স্টার টপোলজি:

- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে। এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

• বাস টপোলজি:

- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে।
- ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন।
- তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
শিফ্ট রেজিস্টার কোনটি?
  1. শিফ্ট লেফট
  2. শিফট রাইট
  3. কন্ট্রোলড শিফ্ট
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• শিফ্ট রেজিস্টার:
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফ্ট রেজিস্টার বলে।
- শিফ্ট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফ্ট সূচনা করে।
- একটি সরলতম শিফ্ট রেজিস্টারের চিত্র নিচে দেওয়া হলো যেখানে শুধুমাত্র D টাইপ ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

• শিফ্ট রেজিস্টার কয়েক ধরনের হয়।
যথা-
(i) শিফ্ট লেফট,
(ii) শিফ্ট রাইট এবং
(iii) কন্ট্রোলড শিফ্ট।

• কন্ট্রোলড শিফ্ট রেজিস্টার আবার দু'ধরনের হতে পারে।
• যথা-
(i) সিরিয়াল লোডিং ও
(ii) প্যারালাল লোডিং।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. Plotter
  3. Joystick
  4. Pen Drive
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
"Boston Dynamics" কী?
  1. গুগলের পূর্বনাম
  2. রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
  3. একটি ভবনের নাম
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
সঠিক উত্তর:
রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• Boston Dynamics:
- এটি একটি প্রখ্যাত রোবটিক্স কোম্পানি যা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি 1992 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথমে এটি MIT -র একটি গবেষণা ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করতো।
- Boston Dynamics বিশেষ করে অগ্রগামী রোবট প্রযুক্তির জন্য পরিচিত, যা স্বয়ংক্রিয়তা, ম্যানিপুলেশন, এবং চলাচলের ক্ষেত্রে অসাধারণ সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

রোবটগুলোর বৈশিষ্ট্য
Boston Dynamics-এর কিছু উল্লেখযোগ্য রোবটের মধ্যে রয়েছে:
• Spot:
- Spot একটি চতুর্ভুজ রোবট, যা বিভিন্ন ভূ-প্রকৃতিতে চলাচল করতে সক্ষম।
- এটি ছবি তোলা, ভিডিও করা, এবং সেন্সর ব্যবহার করে পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
- Spot বিভিন্ন শিল্প এবং নির্মাণ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• Atlas:
- Atlas হলো একটি মানব আকৃতির রোবট, যা চলাফেরা, লাফানো এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক কার্যকলাপ করতে পারে।
- এটি গবেষণা এবং উন্নয়নের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং এর চলাচল ক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত।

• Stretch:
- Stretch একটি লজিস্টিকস রোবট যা প্যালেট এবং পণ্য স্থানান্তরের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি বিশেষ করে গুদামে কাজ করার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং স্বায়ত্তশাসিতভাবে পণ্য ম্যানিপুলেট করতে পারে।

• উদ্ভাবনী প্রকল্প:
- Boston Dynamics-এর রোবটগুলো তাদের দুর্দান্ত গতিশীলতা এবং ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা অর্জন করেছে।
- তারা রোবটের সাহায্যে বিপদের সম্মুখীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং মানুষের কাজকে সহজ করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে।
- Boston Dynamics-এর উদ্ভাবনগুলি ভবিষ্যতের রোবট প্রযুক্তির দিগন্ত উন্মোচন করতে সাহায্য করবে, যেখানে রোবটগুলি মানুষের সাথে সহযোগিতায় কাজ করবে।

• সামগ্রিক প্রভাব:
- Boston Dynamics এর উদ্ভাবনী প্রযুক্তি শুধুমাত্র রোবটিক্সের ক্ষেত্রে নয়, বরং শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা এবং অটোমেশন সেক্টরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে এবং তাদের প্রযুক্তি উন্নতির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২) MIT/boston-dynamics [লিংক]