পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
Exam - 2 The Code of Civil Procedure,1908 topic: Section 36 - Last, Order 21 - 51
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 15
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 13
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
.
দেওয়ানী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারের সম্মতি লাগবে
  2. সরকারের কোন সেক্রেটারী কর্তৃক সার্টিফায়েড হতে হবে
  3. যোগ্য আদালতে মামলা করতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ ধারার বিধান-: বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা (Suits against Foreign Rulers)- সরকারের অনুমতি নিয়ে অর্থাৎ সরকারের কোন সচিবের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট সম্বলিত সরকারের সম্মতিক্রমে কোন বিদেশী শাসন কর্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।
⇒সরকারের অনুমতি ব্যতীত বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায় না।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী কোন বিদেশী শাসনকর্তা মোকদ্দমা দায়ের করতে চাইলে বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের নামে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। তবে উক্ত শাসন কর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা তার কোন প্রতিনিধি বা অন্য কারো বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ক ধারার বিধান: কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরূদ্ধে মোকদ্দমা (Suit against diplomatic agent)- কোন রাষ্ট্রের কুটনৈতিক প্রতিনিধি বলতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রধান এবং ঐ মিশনের কূটনৈতিক পদ মর্যাদার অধিকারী কর্মচারীদের কোন সদস্যকেও বোঝাবে।

⇒ কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি তার কূটনৈতিক ক্ষমতাবলে কূটনৈতিক কার্যাবলীর অংশ হিসেবে কোন কিছু করলে সেজন্য ঐ কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আদালতে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রতিনিধি ব্যক্তিগত যোগ্যতায় কোন কিছু করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মোকদ্দমা করা যাবে-

ⅰ) ব্যক্তিগত যোগ্যতায় বাংলাদেশে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হলে;
ii) বেসরকারি ব্যক্তির মত (private person) কোন উত্তরাধিকারের নিবন্ধক, অছি, ওয়ারিশ বা উইলগ্রহীতা হলে এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্রের পক্ষে না হলে;
iii) কূটনৈতিক কার্যাবলির বাহিরে ব্যক্তি যোগ্যতায় বাংলাদেশে কোন বৃত্তিমূলক বা বানিজ্যিক কর্ম-তৎপরতা প্রয়োগ করলে।
.
আদালত কখন বাদীকে মোকদ্দমার খরচা বাবদ জামানত প্রদানের আদেশ দিবেন?
  1. বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের বাহিরে বাস করিলে,
  2. মোকদ্দমায় জড়িত সম্পত্তি ছাড়া বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের ভিতরে যথেষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল না করিলে,
  3. বাদী বা বাদীগণ বাংলাদেশের ভিতরে বাস করিলে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়,
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিধান হলো মামলা খরচের জন্য জামানত জমা দেওয়া বা মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত।

⇒ বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ আদেশ ২৫ বিধি-১। বাদীর নিকট হতে কখন খরচা বাবদ জামানত প্রদানের আদেশ দেয়া হয় (When security for costs may be required from plaintiff): যেক্ষেত্রে একমাত্র বাদী বা সকল বাদী বাংলাদেশের বাইরে বাস করছে; এবং মোকদ্দমার সম্পত্তি ব্যতীত বাংলাদেশের ভিতরে কোন যথেষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখল করে না, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার যাবতীয় খরচ এবং কোন বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের জন্য বাদী বা বাদীগণকে নির্দেশ দিতে পারেন। অর্থ পরিশোধের মোকদ্দমায় বাদী স্ত্রীলোক হলে কোন বিবাদীর আবেদন ক্রমে আদালত অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ আদেশ ২৫  বিধি-২। জামানত প্রদানের ব্যর্থতার ফল (Effect of failure to furnish security): নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করা না হলে মোকদ্দমা খারিজ করে আদালত একটি আদেশ দিবেন। মোকদ্দমা খারিজ হলে উক্ত খারিজের আদেশ রদের জন্য বাদী আবেদন করতে পারে এবং শর্তসাপেক্ষে আদালত খারিজের আদেশ রদ করবেন এবং মোকদ্দমা চালানোর জন্য অপর একটি দিন ধার্য করবেন। বিবাদীর উপর বিজ্ঞপ্তি জারি না করে খারিজের আদেশ রদ করা যাবে না।
.
গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা রুজুর জন্য কার অনুমতি লাগে?
  1. প্রধান বিচারপতির
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. এটর্নি জেনারেলের
  4. প্রধানমন্ত্রীর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক বাদী/ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৫
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
.
কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত কমিশন (Commission) প্রেরণ করতে পারেন?
  1. জবানবন্দী গ্রহণের জন্য (To examine any person),
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য (To make a local investigation),
  3. বাটোয়ারার ক্ষেত্রে (To make a partition),
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাঃ ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:  নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত  উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-

ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
--------------------------------
⇒  Section-75: Power of Court to issue commissions. Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
.
দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power) কোন আদালত প্রয়োগ করিতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. দেওয়ানী সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী সকল আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে যে কোন দেওয়ানী আদালতই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে শুধু হাইকোর্ট বিভাগ সহজাত ক্ষমতা (inherent power) প্রয়োগ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ থেকে ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ফৌজদারি আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতাঃ আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা(Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানী আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫১ ধারাতে বলা আছে, ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের যে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, অত্র আইনের কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না। 
⇒ যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ অন্তর্নিহিত ক্ষমতার প্রয়োগঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারা বলে আদালত প্রধানত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন-
(১) আপীলসহ অন্যান্য সকল মামলা একত্রিকরণ;
(২) কোন দরিদ্র ব্যক্তিকে নি:স্ব হিসেবে ( Pouper) কোন মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য অনুমতি প্রদান;
(৩) পাল্টা মামলা রোধ;
(৪) রেস-জুডিকাটা নীতির প্রয়োগকরণ যেক্ষেত্রে এ ক্ষমতা দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারায় পড়ে না;
(৫) স্বীয় আদেশ স্থগিত করা বা কার্যকারিতা মূলতবী করা;
(৬) ১৪৪ ধারার বিধানাবলী ছাড়াও পুনরুদ্ধার অনুমোদন;
(৭) সঠিক মামলায় একটি পক্ষকে যুক্ত করা বা পক্ষসমূহের স্থান পরিবর্তন করা অথবা যেখানে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে সেখানে মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিকে মামলায় যুক্ত করার জন্য আপীলকারীকে অনুমতি প্রদান;
(৮) অপর একটি আদালতে মামলার কার্যধারা থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখা;
(৯) লক্ষ্যহীন ডিক্রীর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ;
(১০) ১৫২ ধারা দ্বারা আওতাভূক্ত করা হয় নি এমন ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন;
(১১) অবৈধ আদেশ বাতিল বা সংশোধন।

এছাড়া সকল প্রকার ভুলের প্রতিকারের জন্য আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। আদালতের কাজ বা কোন পক্ষের কাজের পরিনামেও আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার ঘটতে পারে। অবশ্য সহজাত এখতিয়ার প্রয়োগ করার সময় আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, মামলা নিস্পত্তির জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী যথেষ্ট নয়। 

⇒ সীমাবদ্ধতাঃ আদালত যে সকল ক্ষেত্রে তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না তা মোটামুটি নিম্নরূপঃ
১. আইন কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে নিষিদ্ধ এমন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না; ও
২. এখতিয়ার নেই এমন বিষয়ে;
৩. আইনের সাধারণ নীতির পরিপন্থী কোন বিষয়ে;
৪. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার নামে স্বেচ্ছাচারিতা প্রদর্শন বা ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না;
৫. প্রবঞ্চনার কারণে আদালত সোলে ডিক্রী (আপোষরফা ডিক্রী) বা অন্য কোন ডিক্রী অত্র ধারানুযায়ী রদ করতে পারবেন না,
কিন্তু প্রবঞ্চনার লক্ষ্য যদি আদালত হয় অর্থাৎ পক্ষগণের আচরণ দ্বারা প্রতারিত হয় তবে আদালত এরূপ প্রতারণার প্রতিকারের জন্য অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। বস্তুত এগুলি হচ্ছে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধানাবলী।
.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
১০.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।
১২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ মাস
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach): চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা। ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ আদেশে কতটি বিধি আছে?
  1. ৪ টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮ সালের ৫নং আইন, প্রকাশিত হয়-১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী, এটি মুল ও পদ্ধতিগত আইনের মিশ্রন। ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি আইনটি ১১টি ভাগে (Part) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৫৮টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১৫৮টি ধারার পাশাপাশি ৫১টি আদেশ (Order) রয়েছে।  ধারা সংশোধন করে জাতীয় সংসদ, বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রিম কোট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
১৪.
রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয় কোনটি?
  1. আইনগত ভুল
  2. তথ্যগত ভুল
  3. একপক্ষীয় ভুল
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না। ✓ আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয় 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন। ১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ডিক্রির অধীনে টাকা পরিশোধের পদ্ধতি কোনটি?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে;
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়;
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
১৬.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. আপীলের আগে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
১৭.
Interpleader Suit-এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে,
  2. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে না,
  3. বিবাদীদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকে,
  4. বাদীর মামলার খরচ ব্যতীত কোন স্বার্থ থাকে না,
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদীর মধ্যে বিরোধ থাকে,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

⇒ উদাহরণ:
A-তার প্রতিনিধি B-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। C-অভিযোগ করে যে A-তার নিকট হতে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলি লাভ করেছে এবং B-এর নিকট হতে এইগুলি দাবী করে। B. A এবং C-এর বিরুে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১৮.
কোন পারস্পরিক সহযোগিতাকারী (Reciprocating territory) দেশের কোন উচ্চ আদালতের কোন ডিক্রি বাংলাদেশে জারি করা যায় যদি উক্ত ডিক্রির সইমোহর (সার্টিফাইড কপি) দাখিল করা হয়।
  1. জেলা জজের আদালতে 
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপীল বিভাগে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৪ক ধারার বিধান যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত দেশ দ্বারা প্রদত্ত ডিক্রি জারি। ১) যখন পারস্পরিক সহযোগীতাকারী দেশের কোন ঊর্ধ্বতন আদালতের ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল কোন জেলা আদালতে পেশ করা হয়, তখন উক্ত ডিক্রি বাংলাদেশে এরূপে জারি করা হবে, যেন জেলা আদালত কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছিল।

২) এই সইমোহরকৃত ডিক্রির নকলের সঙ্গে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের একটি সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে, যাতে ডিক্রিতে বর্ণিত দাবির কোন অংশ পরিশোধ বা সমন্বয় করা হলে বা সার্টিফিকেটে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকলে এবং ঐরূপ সার্টিফিকেট এই ধারার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে এরূপ পরিশোধ বা সমন্বয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে।

৩) এই ধারা অনুসারে ডিক্রি জারিকারক জেলা আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল পেশ করার সময় থেকে ৪৭ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে; এবং যদি আদালতের সন্তুষ্টি মোতাবেক প্রমাণ করা যায় যে, ডিক্রিটি ১৩ ধারার (ক) থেকে (চ) দফা পর্যন্ত ব্যতিক্রমের কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে জেলা আদালত এরূপ কোন ডিক্রি জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।

ব্যাখ্যা ২।-“পারস্পরিক সহযোগিতাকারী দেশ" বলতে এই ধারার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাকারী বলে সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশ বা রাজ্যকে বুঝায় ও অনুরূপ কোন রাজ্য সম্পর্কে 'ঊর্ধ্বতন আদালত' বলতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অনুরূপ আদালতসমূহকে বুঝায়।

ব্যাখ্যা ৩। ঊর্ধ্বতন আদালত প্রসঙ্গে "ডিক্রি" বলতে কর বা একই ধরণের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত বা অন্য শাস্তি সম্পর্কিত প্রদানযোগ্য অর্থ নয়, এরূপ প্রদানযোগ্য অর্থের জন্য নির্দেশকারী ঐরূপ আদালতের ডিক্রি বা রায়কে বুঝানো হয়; এবং

খ) ডিক্রি কিংবা রায় হিসাবে যদিও কার্যকরী হয় তথাপি সালিশের রোয়েদাদকে কোন ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করে না।
১৯.
রিভিউর (Review) ক্ষমতা কোন আদালতের?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের,
  2. অধস্তন আদালতের,
  3. উচ্চ আদালতের,
  4. ডিক্রি দানকারী আদালতের,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের,
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। কখন রিভিউ আবেদন করা যায়: দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-

i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
২০.
কোথায় ডিক্রি জারির আবেদন (Application for execution of decree) করতে হয়?
  1. আপিল আদালতে
  2. জেলা আদালতে
  3. ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে
  4. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়:
যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-১১: ডিক্রি জারির মৌখিক বা লিখিত আবেদন (Application for Execution of decree)- অর্থ পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের সময় ডিক্রিন্দার ডিক্রি জারির মৌখিক আবেদন করতে পারে, কিন্তু অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য প্রদত্ত আবেদন লিখিত হতে হবে। ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের পর ২১ নং আদেশের ১১ থেকে ১৪ নং বিধির সকল শর্তাবলী পূরণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রি জারির আবেদন পত্রটি গ্রহণ ও রেজিস্ট্রারভুক্ত করবেন।

⇒ অর্থ পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের সময় ডিক্রিন্দার (Decree holder) ডিক্রি জারির জন্য মৌখিক আবেদন করলে এবং সাব্যস্ত দেনাদার (Judgement-debtor) আদালতে উপস্থিত থাকলে আদালত পরোয়ানা ছাড়াই দেনাদারকে (Judgement-debtor) গ্রেপ্তার করে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ In case of a joint decree, the execution must be applied by either one decree holder or more than one or all the decree holders.

⇒ ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-৫ এর বিধান স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
২১.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ২১ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২২.
দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্তের/আবেদনের তামাদির মেয়াদ কত দিন?
  1. ০১ বছর
  2. ০২ বছর
  3. ০৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
০৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির জন্য প্রথম দরখাস্ত/আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
⇒ তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদমতে যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি সংশোধন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধিত ডিক্রি জারির দরখাস্ত সংশোধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত/নিবন্ধিত ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে জারি বা কার্যকর করার জন্য আবেদনের সময়সীমা ৬ বছর।

⇒ সাধারনত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রির ক্ষেত্রে জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ বছর। তবে প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ১২ বছরের পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়।

⇒ তামাদি আইনের ১৮৩ অনুচ্ছেদমতে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক সাধারণ আদি দেওয়ানী এখতিয়ার বলে প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা সুপ্রীম কোর্টের কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য ১২ বছরের মধ্যে দরখাস্ত/আবেদন দাখিল করতে হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৮৩ অনুচ্ছেদে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারায় কোন বিধান না থাকলে সে সকল ডিক্রি জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা ৩ বছর।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908  ধারা- ৪৮ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত (Execution barred in certain cases): নিম্নলিখিত তারিখ থেকে ১২ বছর পর কোন ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে উক্ত ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা
খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারির প্রার্থনা করা হয়েছে।
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জারির আবেদনে বাধা দিলে ১২ বছরের পরেও জারির আবেদন করা যায়।
২৩.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার জন্য আদালত কোন মোকদ্দমা মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে বা মধ্যস্থতা করতে পারে?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
  3. আরজি দাখিলের সময়
  4. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
⇒ মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
⇒ মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

⇒ কখন মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়- লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত শুনানী মুলতবি রেখে মোকদ্দমার বিরোধটি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। সুতরাং লিখিত জবাব দাখিলের পরই মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ বর্তমানে মধ্যস্থতার (Mediation) জন্য মামলার বিরোধীয় বিষয়টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে পাঠানো আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
⇒ বিচারক নিজেই অথবা পক্ষগণ বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী (mediator) মধ্যস্থতা করতে পারে।
২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ৩০
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩১
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৩২
  4. আদেশ ৪২, বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলে রায়:
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩০ এর বিধান রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়:  আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
-------------
⇒ Judgment in appeal:

Order 41 Rule.-30: Judgment. When and where pronounced.- The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
২৫.
আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে কি ডিক্রি বলা হয়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. মধ্যস্থতা
  3. সোলে ডিক্রি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার আপস (Compromise of suit): যেক্ষেত্রে চুক্তি বা আপসমূলে কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা পরিতৃষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করবেন এটি হলো Compromise Decree / সম্মতিমূলক ডিক্রি/ সোলে ডিক্রি/ সোলে নামা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-৩০ মোকদ্দমার আপস: যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

⇒ Order 23 Rule.-3: Compromise of suit.-Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
২৬.
কখন ডিক্রি জারির আবেদন করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়?
  1. দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে
  2. ডিক্রির ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।  ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
২৭.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  2. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  4. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত আপীলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৪ 
  4. আদেশ ৪১, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম
  4. ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১
মৌখিক আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
৩০.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. যে কোন সময়,
  3. শুনানি কালে,
  4. সংশোধন করিতে পারে না,
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৩১.
রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রী হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারীর জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
৩২.
জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ২০ দিন,
  2. ৩০ দিন,
  3. ৪৫ দিন,
  4. ৬০ দিন,
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন। 
৩৩.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. কারাগারে আটক
  3. ক ও খ উভয়
  4. স্পেশাল ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি (Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction): দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
৩৪.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি হলে ৩০ দিন
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হলে ১৫ দিন 
  3. স্থাবর বা অস্থাবর উভয় ক্ষেত্রে ৩০ দিন
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৩৫.
দেওয়ানি কারাগারে Judgement Debtor কে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ দিবে কে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. সরকার
  4. Judgement Debtor নিজেই
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।

⇒ বিধি-৩৯। জীবন নির্বাহ ভাতা।১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
৩৬.
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় হওয়ার সাথে সাথে ক্রেতা ক্রয়মূল্যের কত টাকা নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করবে।
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ এর বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়।-১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে।
--------------
⇒ Order 21 Rule-84: Deposit by purchaser and re-sale on default-1) On every sale of immovable property the person declared to be the purchaser shall pay immediately after such declaration a deposited of twenty-five per cent. on the amount of his purchase-money to the officer or other person conducting the sale, and in default of such deposit, the property shall forthwith be re-sold.
2) Where the decree-holder is the purchaser and is entitled to set-off the purchase-money under rule 72, the Court may dispense with the requirements of this rule.
৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Arbitration
  2. Mediation
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৩৮.
মধ্যস্থতাকারীর তালিকা কে প্রণয়ন করিবেন?
  1. জেলা জজ
  2. দায়রা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
৩৯.
ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক করা যায় না? 
  1. চাষীর বাসগৃহ,
  2. কৃষিজাত দ্রব্য,
  3. গৃহভৃত্যের বেতন,
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি (Property liable to attachment and sale in execution of decree):  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৫) ধারার
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৯) ধারার
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১৩) ধারার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৪১.
সোলে বা আপস ডিক্রি (Compromise Decree) বা সম্মতিসূচক ডিক্রি (Consent Decree) এর বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. ডিক্রি বাতিলের আবেদন
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।