পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩সময়55 minutes৫৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়) পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (গ্রেড-১০) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ০৮.০৯.২০২৩ --------------------------- [For iPad Mania (Season - 2)]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ · ৬০ প্রশ্ন

.
২, ৩, ১, ৪, .........ধারাটির নবম পদ কত?
  1. - ২
  2. - ৩
সঠিক উত্তর:
- ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২, ৩, ১, ৪, .........ধারাটির নবম পদ কত?

সমাধান: 
এখানে একটি ধারার ভিতরে দুটি ধারা আছে।
১ম ধারা= ২, ১,০, - ১, - ২......[যা ১ করে কমছে]
২য় ধারা= ৩, ৪, ৫, ৬ ....[যা ১করে বাড়ছে]

৮ম পদ = ৭
৯ম পদ = - ২
.
একটি বক্সে ১০টি নীল ও ১৫ টি লাল মার্বেল আছে। যেমন খুশি টানলে ২টি একই রংয়ের মার্বেল হওয়ার সম্ভবনা কত?
  1. ১/৪
  2. ১/৩
  3. ১/২
  4. ২/৩
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বক্সে ১০টি নীল ও ১৫ টি লাল মার্বেল আছে। যেমন খুশি টানলে ২টি একই রংয়ের মার্বেল হওয়ার সম্ভবনা কত?

সমাধান:
 নীল মার্বেল = ১০টি
লাল মার্বেল = ১৫টি
মোট মার্বেল = ১০ + ১৫ = ২৫ টি

২ টি নীল মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা = (১০/২৫) × (৯/২৪) = ৩/২০
২টি লাল মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা = (১৫/২৫) × (১৪/২৪) = ৭/২০

∴মোট সম্ভাবনা = (৩/২০) + (৭/২০)
= ১০/২০
=১/২
.
একটি খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করে খুঁটির দৈর্ঘ্য 24 মিটার হলে ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 16 মিটার
  2. 18 মিটার
  3. 12 মিটার
  4. 19 মিটার
সঠিক উত্তর:
16 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করে খুঁটির দৈর্ঘ্য 24 মিটার হলে ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:

ধরি,
খুটিটি x মিটার উচুতে ভেঙ্গেছিল।
∴ অপর ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = (24 - x) মিটার
sinθ = x/(24 - x)
sin30° = x/(24 - x)
বা, 1/2 = x/(24 - x)
2x = 24 - x
2x + x = 24
3x = 24
∴ x = 8

ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = (24 - 8) মিটার
= 16 মিটার
.
৫০ মি. দৈর্ঘ্য ও ৪০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একটি মাঠের মাঝখান দিয়ে আড়াআড়ি ৩ মি চওড়া দুইটি রাস্তা আছে। রাস্তা দুইটির মোট ক্ষেত্রফল কত?
  1. ২৬১ বর্গ মিটার
  2. ২৪০ বর্গ মিটার
  3. ৪২০ বর্গ মিটার
  4. ১২০ বর্গ মিটার
সঠিক উত্তর:
২৬১ বর্গ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬১ বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫০ মি. দৈর্ঘ্য ও ৪০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একটি মাঠের মাঝখান দিয়ে আড়াআড়ি ৩ মি চওড়া দুইটি রাস্তা আছে। রাস্তা দুইটির মোট ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দৈর্ঘ্য বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল = (৫০ × ৩) বর্গমিটার
= ১৫০ বর্গমিটার

প্রস্থ বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল = (৪০ - ৩) × ৩ বর্গমিটার
= ৩৭ × ৩ বর্গমিটার
= ১১১ বর্গমিটার

রাস্তা দুইটির মোট ক্ষেত্রফল = (১৫০ + ১১১) বর্গমিটার
= ২৬১ বর্গমিটার
.
এক কুড়ি আম ৪০০ টাকায় ক্রয় করে ৫% লাভে বিক্রি করা হলো। এর ক্রয়মূল্য ৫% কম হলে, কত টাকা লাভ হত?
  1. ৩০
  2. ২০
  3. ৪০
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কুড়ি আম ৪০০ টাকায় ক্রয় করে ৫% লাভে বিক্রি করা হলো। এর ক্রয়মূল্য ৫% কম হলে, কত টাকা লাভ হত?

সমাধান:
৫% লাভে 
বিক্রয়মূল্য = ৪০০ + ৪০০ এর ৫%
= ৪০০ + ৪০০ এর ৫/১০০
= ৪০০ + ২০ টাকা
= ৪২০ টাকা

৫% কমে ক্রয়মূল্য = ৪০০ - (৪০০ এর ৫%)
= ৪০০ - (৪০০ এর ৫/১০০)
= ৪০০ - ২০ 
= ৩৮০ টাকা 

লাভ হতো =(৪২০ - ৩৮০) টাকা 
= ৪০ টাকা
.
4% হার সুদে কোন টাকায় 2 বছরের সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য 1 টাকা হলে, মূলধন কত?
  1. 600
  2. 625
  3. 525
  4. 550
সঠিক উত্তর:
625
উত্তর
সঠিক উত্তর:
625
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4% হার সুদে কোন টাকায় 2 বছরের সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য 1 টাকা হলে, মূলধন কত?

সমাধান:
মনেকরি
মূলধন P
সময় n = 2 বছর
এখন
সরল মুনাফা I1 = Pnr
= P × 2 × (4/100)
= 2P/25

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা I2 = P[(1 + r)n - 1]
= P[(1 + 1/25)2-1]
= P[(26/25)2 - 1]
= P[(676/625) - 1]
= P[(676 - 625)/625]
= 51P/625

এখন
∴ (51P/625) - (2P/25) = 1
(51P - 50P)/625 = 1
P/625 = 1
∴ P = 625
.
a = √3 - √2 হলে, a3 + 3a + 3a- 1 + a- 3 এর মান কত?
  1. 12√3
  2. 16√3
  3. 18√3
  4. 24√3
সঠিক উত্তর:
24√3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24√3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = √3 - √2 হলে, a3 + 3a + 3a- 1 + a- 3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a = √3 - √2
1/a = 1/(√3 - √2)
1/a = (√3 + √2)/[(√3 - √2)(√3 + √2)]
1/a = (√3 + √2)/{(√3)2 - (√2)2}
1/a = √3 + √2

এখন,
a3 + 3a + 3a-1 + a-3
= a3 + 3a + 3/a + 1/a3
= (a)3 + 3a2(1/a) + 3.a.(1/a2) + (1/a)3
= (a + 1/a)3
= (√3 - √2 + √3 + √2)3
= (2√3)3
= 8 × 3√3
= 24√3
.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 36 মি. ও প্রস্থ 25 মি. আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 20% হ্রাস পেলে ও প্রস্থ 10% বৃদ্ধি পেলে শতকরা কত হ্রাস বৃদ্ধি পায়?
  1. 12%
  2. 15%
  3. 10%
  4. 8%
সঠিক উত্তর:
12%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 36 মি. ও প্রস্থ 25 মি. আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 20% হ্রাস পেলে ও প্রস্থ 10% বৃদ্ধি পেলে শতকরা কত হ্রাস বৃদ্ধি পায়?

সমাধান:
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 36 মিটার 
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ 25 মিটার। 
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল= 36 × 25 = 900 বর্গমিটার। 

দৈর্ঘ্য 20% হ্রাসে,
নতুন দৈর্ঘ্য = 36 - 36 × 20/100
= 36 - 7.2
= 28.8

প্রস্থ 10% বৃদ্ধি পেলে
নতুন প্রস্থ= 25 + (25 × 10)/100
= 25 + 2.5
= 27.5

নতুন ক্ষেত্রফল = 28.8 × 27.5 = 792 বর্গমিটার। 

ক্ষেত্রফল কমে যায় = 900 - 792 = 108 বর্গমিটার। 

অতএব, শতকরা হ্রাস পায় = {(108 × 100)/900}%
=12%
.
কোন বৃত্তের 12 মিটার দীর্ঘ একটি জ্যা কেন্দ্র থেকে 4 মিটার দূরে অবস্থিত বৃত্তটির ব্যাস কত মিটার?
  1. 15 মি.
  2. 20 মি.
  3. 25 মি.
  4. 18 মি.
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃত্তের 12 মিটার দীর্ঘ একটি জ্যা কেন্দ্র থেকে 4 মিটার দূরে অবস্থিত বৃত্তটির ব্যাস কত মিটার?

সমাধান:

মনে করি,
O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের একটি জ্যা AB = 12 মিটার এবং কেন্দ্র থেকে OC = 4 মিটার দূরে অবস্থিত বৃত্তের ব্যাস = OA
যেহেতু AB = 12 মিটার
∴ AC = BC = 6 মিটার

আমরা জানি,
OA2 = OC2 + AC2
⇒ OA2 = 42 + 62
⇒ OA2 = 16 + 36
⇒ OA2 = 52
⇒ OA = √52
∴ OA = √(4 × 13)
OA = 2√13

∴ বৃত্তটির ব্যাস 2 × 2√13 = 4√13  মিটার

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হলো।
১০.
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 2 থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 2/3
  2. 3/4
  3. 1/2
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
2/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 2 থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছক্কায় মোট সংখ্যা আছে = 6টি 
ছক্কায় 2 থেকে বড় সংখ্যাগুলো হলো = 3, 4, 5, 6
ছক্কায় 2 থেকে বড় সংখ্যা  আছে =4টি

∴ 2 থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা = 4/6
= 2/3
১১.
অ + ই = এ এই নিয়মের বাইরে কোনটি?
  1. মহেশ
  2. রমেশ
  3. ঢাকেশ্বরী
  4. গণেশ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

⇒ অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
• অ + ই = এ, শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।
• আ + ই = এ, যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।

• অ + ঈ = এ, পরম + ঈশ =পরমেশ।
এরূপ - গণ + ঈশ = গণেশ।

• আ + ঈ = এ, মহা + ঈশ = মহেশ।
এরূপ:
- ঢাকা + ঈশ্বরী = ঢাকেশ্বরী,
- রমা + ঈশ = রমেশ।

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

১২.
বাংলা ভাষার রীতি কয়টি?
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা
অধিকাংশ ভাষায় অন্তত দুটি রীতি থাকে:
১. কথ্য ভাষা রীতি ও
২. লেখ্য ভাষা রীতি।

বাংলা ভাষায় এসব রীতির একাধিক বিভাজন রয়েছে।
যেমন কথ্য ভাষা রীতির মধ্যে রয়েছে-
১. আদর্শ কথ্য রীতি ও
২. আঞ্চলিক কথ্য রীতি।

আবার লেখ্য ভাষা রীতির মধ্যে রয়েছে-
১. প্রমিত রীতি,
২. সাধু রীতি ও
৩. কাব্য রীতি। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ ( ২০২২ সংস্করণ )
১৩.
চৌ-হদ্দি মিশ্র শব্দটি কোন কোন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে?
  1. হিন্দি + আরবি
  2. ফারসি + আরবি
  3. বাংলা + ফারসি
  4. তৎসম + ফারসি
সঠিক উত্তর:
বাংলা + ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা + ফারসি
ব্যাখ্যা

চৌহদ্দি:
➤ মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে - এটি (ফারসি + আরবি) ভাষার মিশ্রণে তৈরি মিশ্র শব্দ।
➤ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে - শব্দটি (বাংলা + ফারসি) ভাষার মিশ্রণে তৈরি মিশ্র শব্দ।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• চৌহদ্দি (বিশেষ্য):
- (বাংলা “চৌ” + ফারসি “হদ্দি”)
- অর্থ: চারদিকে সীমানা; চতুঃসীমা।

শব্দের উৎসমূলের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ‘গ’ গ্রহণ করা হয়েছে।

১৪.
ধ্বনি বিপর্যয় এর উদাহরণ কোনটি?
  1. বাক্‌স > বাস্‌ক
  2. মুড়া > মুড়ো
  3. মোজা > মুজো
  4. দেশি > দিশি
সঠিক উত্তর:
বাক্‌স > বাস্‌ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্‌স > বাস্‌ক
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
- এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- পিশাচ ˃ পিচাশ,
- লাফ ˃ ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
কোন বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ‘ন’ কখনও ‘ণ’ হয় না?
  1. ক - বর্গীয়
  2. চ - বর্গীয়
  3. ত - বর্গীয়
  4. প - বর্গীয়
সঠিক উত্তর:
ত - বর্গীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত - বর্গীয়
ব্যাখ্যা
⇒ ণ-ত্ব বিধান:
• বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
একই সূত্রের বাইরের সন্ধি কোনটি ?
  1. অভ্যুত্থান
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. অত্যুচ্চ
  4. অতীত
সঠিক উত্তর:
অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতীত
ব্যাখ্যা
⇒ ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই ও ঈ ছাড়া অন্য কোন স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ ‘য’ হয় এবং য-ফলা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- অতি+অধিক = অত্যধিক,
- অতি+অন্ত = অত্যন্ত,
- প্রতি+অহ = প্রত্যহ,
- আদি+অন্ত = আদ্যন্ত,
- যদি+অপি = যদ্যপি,
- পরি+অন্ত = পর্যন্ত।
- অতি + উচ্চ = অত্যুচ্চ। 

এরূপ- প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, অত্যাশ্চর্য, অত্যুক্তি,অভূত্থান, অগ্নুৎপাত, প্রত্যুপকার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
যেমন:
- অতি + ইব = অতীব,
- সতী + ঈশ = সতীশ,
- রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র,
- অতি + ইত = অতীত,
- পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা,
- সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
কোনটি পত্নী অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ
  1. ছাত্রী
  2. দাদী
  3. আয়া
  4. সৎমা
সঠিক উত্তর:
দাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাদী
ব্যাখ্যা
সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের: 
- পত্নীবাচক 
- অপত্নীবাচক 

• পত্নীবাচক:
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। 
যেমন: পিতা-মাতা, চাচা- চাচি, দাদা- দাদি, জেলে- জেলেনি, গুরু- গুরুপত্নী, নন্দাই - ননদ ইত্যাদি। 

• অপত্নীবাচক: 
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। 
যেমন: খোকা- খুকি, ছাত্র- ছাত্রী, শিক্ষক- শিক্ষিকা, নেতা- নেত্রী, পাগল- পাগলি, তেজস্ব- তেজস্বিনী ইত্যাদি।  

• আবার কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে
যেমন - সতীন, সৎমা, সধবা ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
কোন দ্বিরুক্তিটি ধনাত্মক?
  1. শনশন
  2. শীতশীত
  3. পড়োপড়ো
  4. হাতেনাতে
সঠিক উত্তর:
শনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনশন
ব্যাখ্যা
• ‘শনশন’ ধনাত্মক দ্বিত্ব শব্দের উদাহরণ।

• অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারার কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
শব্দদ্বিত্ব তিন ধরণের:
১.অনুকার দ্বিত্ব
২.ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
৩.পুনরাবৃত্তদ্বিত্ব

⇒ অনুকার দ্বিত্ব: পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরনে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দের খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।

- যেমন: ঝাল-টাল, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, অঙ্কটঙ্ক, আমটাম ।

⇒ ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয় , সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।
যেমন: টুং টুং, ঠুকঠুক, শোঁ শোঁ, খক খক, দুম দুম ।

⇒ পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায় ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
উক্তি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. বচ্ + ক্ত
  2. বচ্+ উক্তি
  3. বচ্+ ক্তি
  4. বচ্+ তি
সঠিক উত্তর:
বচ্+ তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বচ্+ তি
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় ‘ক্তি’ যোগে গঠিত প্রত্যয়ে ‘ক্’ লোপ পেয়ে ‘তি’ থাকে।
যেমন:
- বচ্+ক্তি - (√বচ্ +তি) = উক্তি, (সূত্র অনুসারে এখানে ক্ লোপ পেয়ে তি অবশিষ্ট রয়েছে।)
- মুচ্+ক্তি (√মুচ্ +তি) = মুক্তি,
- ভজ+ক্তি (√ভজ্ + তি = ভক্তি।

এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
উক্তি শব্দের সঠিক প্রকৃত প্রত্যয়: √ব্চ + তি = উক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
কোনটি প্রাদি ও অব্যয়ীভাব এই উভয় সমাসই হয়?
  1. পরিভ্রমণ
  2. প্রভাব
  3. অতিমানব
  4. উদ্বেল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• বেলাকে অতিক্রম = উদ্বেল; পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ; উদ্বেল ও পরিভ্রমণ অব্যয়ীভাব ও প্রাদি উভয় সমাস। তবে অপশনে প্রাদি ও অব্যয়ীভাব দুইটি দেয়া থাকলে প্রাদি উত্তর করাটা অধিক যুক্তিযুক্ত। 

অপশনে ক ও ঘ দুইটি সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

• অব্যয়ীভাব সমাস:

অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
যথা:
- বেলাকে অতিক্রম = উদ্বেল;
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রম = উচ্ছৃঙ্খল;
- নুনের অভাব = আলুনি;
- ইষৎ উষ্ণ = ঈষদুষ্ণ;
- বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ।

[অব্যয়ীভাব সমাস গঠনের সূত্র: উপসর্গ + বিশেষ্য (যেকোনো ধরনের বিশেষ্য থাকবে।]

• প্রাদি সমাস:
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
যেমন:
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
- পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ,
- অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ।

[ প্রাদি সমাস গঠনের সূত্র: উপসর্গ + কৃদন্ত পদ (কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য থাকবে।)

উল্লেখ্য, সকল প্রাদি সমাস অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কিন্তু সকল অব্যয়ীভাব প্রাদি সমাস না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলাবিদ লেকচার  ।
২১.
'Epithalamion' is
  1. A poem of song has written to celebrate a wedding
  2. A novel in the form of letters
  3. A funeral song of lamentation
  4. A composition on a particular theme
সঠিক উত্তর:
A poem of song has written to celebrate a wedding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A poem of song has written to celebrate a wedding
ব্যাখ্যা
♦ Epithalamion
- এটি Edmund Spenser রচিত একটি কবিতা। 
- এটি একটি Ode.
- It was a poem of song to celebrate a wedding.
- The poem celebrates Spenser’s marriage in 1594 to his second wife, Elizabeth Boyle.

• Edmund Spenser:
- তিনি একজন English poet.
- তার long allegorical poem, The Faerie Queene is one of the greatest in English literature.
- Edmund Spenser is called the poet of poets.
- His famous sonnet collection is 'Amoretti'.


• Notable works:
- A View of the Present State of Ireland
- Amoretti
- Colin Clouts Come Home Again
- Complaints
- The Faerie Queene
-The Shepheardes Calender. 

Source: Britannica.
২২.
'Season of mist and mellow fruitfulness' is written by
  1. John Keats.
  2. P. B Shelley.
  3. William Wordsworth
  4. S. T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
John Keats.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Keats.
ব্যাখ্যা
♦ The line "Season of mist and mellow fruitfulness" is written by John Keats.
- It is the opening line of his famous poem "To Autumn."


• To Autumn:
- এটি John Keats এর শেষ গুরুত্বপূর্ণ কবিতা। 
- মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে এই কবিতাটি রচনা করেন। 
- শরতের উদযাপন সেই সাথে গ্রীষ্মের বিদায় এবং ক্ষণস্থায়ী জীবন এই কবিতার মূল বিষয়। 

• John Keats : 
- Romantic যুগের কবি। 
- তার বিখ্যাত সনেট : On First Looking into Chapman’s Homer. 
- তার কবিতাসমূহ : Ode on a Grecian Urn, Ode to Psyche, Ode to a Nightingale, Endymion. 

Source: Encyclopedia Britannica, An ABC of English Literature.

২৩.
Meaning of 'Simile' is
  1. উপাখ্যান
  2. উপমেয়
  3. উপমা
  4. উপমিত
সঠিক উত্তর:
উপমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপমা
ব্যাখ্যা
♦ Simile
English meaning: an expression comparing one thing with another, always including the words "as" or "like".
Bangla meaning: উপমা; যথা
২৪.
Everybody knows that sincerity is ____ key to success.
  1. a
  2. the
  3. x
  4. an
সঠিক উত্তর:
the
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the
ব্যাখ্যা
♦ The key to something (idiom):
English Meaning - The best or only way to achieve something.
Bangla Meaning - যা কোনো সমস্যা বা রহস্যের জট খুলতে সাহায্য কর।

• 'The key to something' হলো একটি idiom.
- তাই এখানে the বসবে। 
২৫.
Which one is correct?
  1. It is one year since he died.
  2. It is one year since he dead
  3. It is one year since he had died
  4. It is one year since he had dying.
সঠিক উত্তর:
It is one year since he died.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is one year since he died.
ব্যাখ্যা
• Since এর প্রথম অংশ Present Indefinite/ Present Perfect Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়। 
- আবার Since এর প্রথম অংশ Past Indefinite Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়। 

• Present Indefinite + since + Past Indefinite Tense.
- সেই অনুসারে সঠিক বাক্য - It is one year since he died.
- যেহেতু since এর আগে Present Indefinite, তাই পরের অংশে Past Indefinite Tense হবে। 

• সেই অনুসারে অন্য অপশনগুলো ভুল। 
২৬.
Meaning of 'Envious of'
  1. কোনো কিছুতে ঈর্ষা
  2. কেউ তাকে ঈর্ষা করে
  3. ঈর্ষাপরায়ণ
  4. কোন মানুষের উপর ঈর্ষা
সঠিক উত্তর:
ঈর্ষাপরায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈর্ষাপরায়ণ
ব্যাখ্যা
• Envious (of)
English Meaning: feeling or showing envy.
Bangla Meaning: হিংসুক; পরশ্রীকাতর।

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৭.
The boy said, 'Good night, mother' is
  1. Optative sentence
  2. Exclamatory sentence
  3. Imperative sentence
  4. Positive sentence
সঠিক উত্তর:
Optative sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optative sentence
ব্যাখ্যা
• Optative Sentence:
- ইচ্ছা বা প্রার্থনা বুঝালে Optative Sentence বলে।

• যেহেতু সে তার মাকে Good night, wish করছে তাই এটি Optative sentence.
- wish/ ইচ্ছা বা প্রার্থনা বুঝালে যেহেতু Optative sentence হয়, তাই এটি Optative sentence.
২৮.
'A rainy Day' means
  1. সুদিন
  2. সুসময়
  3. দুঃস্বপ্ন
  4. দুর্দিন
সঠিক উত্তর:
দুর্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্দিন
ব্যাখ্যা
♦ A rainy day
English Meaning: a time when money might unexpectedly be needed.
Bangla Meaning: অভাবের দিন / দুর্দিন

Ex. Sentence: She had saved some money for a rainy day.
Bangla Meaning: সে দুর্দিনের জন্য কিছু অর্থ সঞ্চয় করে রেখেছিল।
২৯.
A change came _____ him after his father's death
  1. on
  2. of
  3. off
  4. over
সঠিক উত্তর:
over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
over
ব্যাখ্যা
• Come over
Meaning: to change sides or positions; change one's mind/to be influenced suddenly and unexpectedly by a strange feeling.

অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, বাবা মারা যাবার কারণে সে suddenly influenced হয় একটি strange feeling দ্বারা তাই তার ভিতরে change আসে। 
৩০.
'This was a decisive victory' এর অর্থ
  1. এটা ছিল অসমাপ্ত বিজয়।
  2. এটা ছিল চূড়ান্ত বিজয়।
  3. এটা ছিল অশান্তির বিজয়।
  4. এটা ছিল আনন্দের বিজয়।
সঠিক উত্তর:
এটা ছিল চূড়ান্ত বিজয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটা ছিল চূড়ান্ত বিজয়।
ব্যাখ্যা
♦ This was a decisive victory.

• decisive:
Meaning: নিশ্চায়ক; নিষ্পত্তিকারক; চূড়ান্ত

• যেহেতু 'decisive' শব্দটির অর্থ 'চূড়ান্ত' নির্দেশ করে তাই সঠিক অনুবাদ - এটা ছিল চূড়ান্ত বিজয়।
- বাকি অপশন গুলো ভুল।
৩১.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সময়কাল কত ছিল?
  1. ১৬ মিনিট
  2. ১৮ মিনিট
  3. ২০ মিনিট
  4. ২২ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ।
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে  ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অফিস কোথায় ছিল?
  1. শিমলাতে
  2. আগরতলায়
  3. কলকাতায়
  4. দিল্লিতে
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।
-  বাংলাদেশ সরকার কখনই মুজিবনগরে অবস্থান করেননি। 
- কিন্তু 'মুজিবনগর' নামটি প্রতিকী তাৎপর্য বহন করতে থাকে। 
- সরকারের প্রকৃত কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় কোলকাতায়।
মুজিবনগর সরকারের বড় কৃতিত্ব 'স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র' দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। বিশ্বে যে ক'টি
- এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং 
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩.
পঁচিশ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করতে পরিচালিত অপারেশনের নাম কি ছিল?
  1. অপারেশন চৌলুন
  2. অপারেশন বিগবার্ড
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন টুইলাই
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'। [link]
৩৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ভেঙ্কট গিডি
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. সুভাষ রায়
  4. শরণ সিং
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্কট গিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্কট গিডি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ:
- বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি থাকলেও তার নামেই ন’মাস মুক্তিযুদ্ধ চলে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী মুজিবনগর সরকারও বঙ্গবন্ধুকে প্রধান করেই গঠন (১৭ এপ্রিল, ১৯৭১) করা হয়েছিল।
- পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকার মাটিতে পা রাখেন।
- এর আগে ৮ জানুয়ারি খবর আসে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে খুব ভোরে লন্ডন যান।
- ৯ জানুয়ারি টেলিফোনে ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানান এবং অনুরোধ করেন ঢাকার পথে যেন তিনি দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন। 
- রাষ্ট্রপতি শ্রী ভরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি তখন বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী তাকে স্বাগত জানাচ্ছিলেন।
- তখন ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছিল।
- নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানিয়ে প্রদত্ত ভাষণে প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বলেন, ‘মহোদয়, এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দেশের প্রধান হিসেবে আপনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এ অঞ্চলে স্থায়ী ও অটুট শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা জোরদার ও সুনিশ্চিত করবে।’
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বিকালে বঙ্গবন্ধু লন্ডন দিল্লি হয়ে প্রাণের শহর ঢাকায় ফিরে আসেন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে। 

উৎস: ১০ জানুয়ারি ২০২১, যুগান্তর। [link]
৩৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক 'বর্ণচোরা' এর রচয়িতা কে?
  1. শওকত আলী
  2. আমজাদ হোসেন
  3. মমতাজ উদ্দীন আহমেদ
  4. নীলিমা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মমতাজউদদীন আহমদ:
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তিনি পথিকৃৎ। 
- এক অঙ্কের নাটক রচনায় তিনি ছিলেন পথিকৃৎ।
- পূর্ব পাকিস্তানের নাট্য আন্দোলন থেকে শুরু যার সূচনা, তারপর একাধারে ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধ, গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সমস্ত আন্দোলনে যিনি ছিলেন প্রথম সারির মানুষ।
- যিনি বাংলাদেশে নাটককে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।
- নাটক থেকে গণতান্ত্রিক সব আন্দোলনে যিনি ছিলেন অনবদ্য অংশ।
- বিশ্বব্যাপী বাংলা ও বাংলাদেশের নাটককে সর্বমহলে যিনি তুলে ধরেছেন জীবনব্যাপী একাগ্র চিত্তে, তিনি কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের নাটক লেখার যাত্রা শুরু হয় আরো কিছুদিন পরে, ১৯৬০ সালে।
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে তার লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি লিখেছিলেন “স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা” নাটকটি।
- স্বাধীনতার এক যুগ পরে এসে তিনি রচনা করলেন তার বিখ্যাত নাটক "সাতঘাটের কানাকড়ি"।
- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কী চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজউদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা। 
- তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে। 
-  চার্লি চ্যাপলিন-ভাঁড় নয় ভবঘুরে নয়, আমার ভিতরে আমি, জগতের যত মহাকাব্য, লাল সালু ও সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ, মহানামা কাব্যের গদ্যরূপ, সাহসী অথচ সাহস্য, নেকাবী এবং অন্যগণ, জন্তুর ভিতর মানুষ' এর মতো বিশাল গদ্য ভাণ্ডার ছিল অসামান্য।
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে তিনি লিখেছিলেন 'একুশ আমার বাংলা আমার', লিখেছিলেন শিশু সাহিত্য ও কিশোর রচনা, সরস রচনা।
-  তার স্বাধীনতার সংগ্রাম নাটক 'বর্ণচোরা'।

উৎস: ১০ জানুয়ারি ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৩৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বন্ধ করতে কতবার জাতিসংঘে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়?
  1. এক বার
  2. দুই বার
  3. তিন বার
  4. চার বার
সঠিক উত্তর:
তিন বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩৭.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশে কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ম্যাডিসন স্কয়ার
  2. ম্যানহাটন
  3. বেড় স্কয়ার
  4. লিবার্টি স্কয়ার
সঠিক উত্তর:
ম্যাডিসন স্কয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাডিসন স্কয়ার
ব্যাখ্যা
কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন৷
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
         ii) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
৩৮.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম এশীয় মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক:
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর থেকে জাতির জনকের নেতৃত্বে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্থাপন এবং ক্রমান্বয়ে তা দৃঢ়তর হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ আমাদের সমর্থন জানালেও আরব দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব, জর্দান, মরক্কো, লিবিয়া পাকিস্তানকে সমর্থন করে গেছে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আদম মালিকের নিমন্ত্রণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন জুলাই মাসের ৯ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া সফর করেন।
- সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।
- কাবুলে অনুষ্ঠিত ন্যামের প্রস্তুতি কমিটির সভায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে সমর্থনের জন্য ইন্দোনেশিয়াকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

উৎস: ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ।
৩৯.
ডাক্তার সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নম্বর
  2. ৭ নম্বর
  3. ২ নম্বর
  4. ৫ নম্বর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
ব্যাখ্যা
নারী মুক্তিযোদ্ধা সেতারা বেগম:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
- এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে।
- নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে। 
- ডা. সিতারা বেগম জুলাইয়ের শেষ দিকে বাংলাদেশ হাসপাতালে যোগ দেন।
- পরে হাসপাতালের সিও (কমান্ডিং অফিসার) কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। 
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিদিনই এ হাসপাতালে পাঠানো হতো। 
- আহত মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙা রাখতে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যে অবদান রেখেছেন, তা সত্যিই স্মরণীয়।

উৎস:  ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।
৪০.
কত সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল - ১ গঠিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল - ১:
- ২০১০ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বক্ষণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার কাজ শুরু হলেও মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তদন্তকাজ দ্রুত সমাপ্ত হয়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হতে থাকলে ২২ মার্চ ২০১২ তারিখে আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- উল্লেখ করা প্রয়োজন যে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যক্রম ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে।

উৎস: ২৫ মার্চ ২০২০, প্রথম আলো।
৪১.
পৃথিবীর কোন দেশে বাঘ নাই?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. মায়ানমার
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
বাঘ:
- বিগত শতকে বিশ্বে ১ লাখের বেশি বাঘ ছিল।
- ২০১০ সালের বিশ্বব্যাপী শুমারি অনুযায়ী বাঘ ছিল ৩ হাজার ২০০টি। 
- বন্যপ্রাণী সুরক্ষা গোষ্ঠী ও বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে রাশিয়া থেকে ভিয়েতনাম পর্যন্ত বিভিন্ন বনে ঘুরে বেড়ানো বাঘের শুমারি করে।
- ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত সর্বশেষ শুমারিতে জানানো হয়, বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৯০টি।
- এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারতে। 
- ভারতের সুন্দরবন ছাড়াও কয়েকটি রাজ্যের বনে বাঘ রয়েছে।
- ভারতের আসাম, বিহার এবং অন্যান্য কিছু রাজ্যে মাঝেমধ্যে সাদা রঙের বেঙ্গল বাঘ দেখা যায়। 
- বর্তমানে পৃথিবীর মাত্র ১৩টি দেশে বাঘের অস্তিত্ব বজায় রয়েছে।
- এই ১৩টি বাঘ সমৃদ্ধ দেশকে বলা হয় টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রি।
- দেশগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া।
- বর্তমানে বাঘের ৫টি উপ-প্রজাতির কোনো রকমে টিকে আছে।
- এগুলো হলো-বেঙ্গল টাইগার, সাইবেরিয়ান টাইগার, সুমাত্রান টাইগার, সাউথ চায়না টাইগার এবং ইন্দো-চায়না টাইগার।
- ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস।
-  চূড়ান্ত বিচারে বাঘ শিকারি বা হত্যাকারী সর্বোচ্চ ৭ বছর সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদ- এবং জরিমানা ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- শ্রীলঙ্কাতে বাঘ নেই।

উৎস: ২৯ জুলাই ২০১৭, সমকাল। 
          ২৯ জুলাই, ২০২৩, সময়ের আলো। [link]
৪২.
ডিমের নরম খোসা শক্ত হয় কি কারণে?
  1. বাতাসের সংস্পর্শে
  2. এলবুমিনের সংস্পর্শে
  3. আলোর সংস্পর্শে
  4. বাতাস ও আলোর সংস্পর্শে
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সংস্পর্শে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সংস্পর্শে
ব্যাখ্যা
ডিম গঠন প্রক্রিয়া
- মুরগির বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণুগুলো আকারে বড় হতে থাকে।
- ডিম্বাণুগুলোর ভেতরে আস্তে আস্তে কুসুম জমা হয়ে পূর্ণাঙ্গ কুসুমে পরিণত হয়। এক একটি কুসুম ভাইটালিন মেমব্রেন নামক এক প্রকার পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। 
- মুরগি যখন বয়স্কা হয় তখন কয়েকটি ডিম্বাণু পর পর শীঘ্র বড় হয়ে পূর্ণ কুসুমে পরিণত হয়। কুসুমের পূর্ণতার পর থলির শিরা উপশিরা বিহীন নির্দিষ্ট স্থানে ফাটল ধরার পরে ঐ স্থান দিয়ে বের হয়ে আসে। এই প্রক্রিয়াকে কুসুমক্ষরণ (ovulation) বলে।
- ডিম্বাশয় নালির প্রথম ভাগ এই নির্গত কুসুমটিকে ধরে ফেলে এবং পরে ডিম্বাশয় নালির বাকি অংশগুলোর মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।
- নিষিক্তকরণের পরক্ষণ থেকেই কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। মুরগির দলে মোরগ না রাখলেও ডিম পাড়ার কোন ব্যাঘাত বা ডিমের সংখ্যার তারতম্য হয় না, কুসুমটি নিষিক্তকরণ হোক তা না হোক উহা যখন ডিম্বাশয়নালির বাকি অংশ দিয়ে আস্তে আস্তে অগ্রসর হয় তখন ওটা ডিমের সাদা অংশ, খোসার পর্দা, খোসা ইত্যাদি সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ ডিমে পরিণত হয়।
- একটি শক্তিশালী ডিমের খোসা গঠনের জন্য সঠিক CO2 মাত্রা অপরিহার্য।
- ওভাবে পূর্ণ ডিমটি তৈরি হতে ২৪-২৫ ঘণ্টা সময় লাগে। একটি ডিম কুসুম, ভ্রণ, ঘন সাদা অংশ, পাতলা সাদা অংশ, চ্যালেজা, খোসার আবরণ, বায়ুকোষ ও খোসা নিয়ে গঠিত।
- ডিমের নরম খোসা শক্ত হয় বায়ুর সংস্পর্শে এসে। 
- সম্পূর্ণ ডিমটার আছে - জল ৬৩.৬%, আমিষ-১২.৮৩, খনিজ ১০.৭০, স্নেহ ১০.৬ খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন।
- এ জন্য ডিমকে Nature’s multivitamin বলে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও ব্রিটানিকা। 
৪৩.
মানুষের দেহে সাধারণ ওজনের কত শতাংশ রক্ত থাকে?
  1. ১০%
  2. ৫%
  3. ৮%
  4. ৭%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪৪.
রক্তের হিমোগ্লোবিন হলো একটি-
  1. চর্বি
  2. এন্টিজেন
  3. প্লাটিলেট
  4. আমিষ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
স্পাইনাল নার্ভ কয় জোড়া?
  1. ৩০ জোড়া
  2. ৩১ জোড়া
  3. ৩২ জোড়া
  4. ৩৫ জোড়া
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
ব্যাখ্যা
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬.
জারক রস বলতে কি বুঝায়?
  1. অম্ল
  2. প্রোটিন
  3. অনুঘটক
  4. নিউক্লীয় প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
অনুঘটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুঘটক
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়:
- এটি ২০ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৫ সেন্টিমিটার চওড়া একটি মিশ্র গ্রন্থি যা পাকস্থলীর নিচে উদর গহ্বরের ডিওডেনামের ফাঁকা থেকে প্লীহা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এতে এক্সোক্রেইন ও এন্ডোক্রেইন নামক দুটি অংশ আছে।
- অগ্ন্যাশয় রস বর্ণহীন, ক্ষারধর্মী ও পরিষ্কার জলীয় দ্রবণ।

কাজ-
ক) অগ্নাশয় থেকে নিঃসৃত খাদ্য পরিপাককারী জারক রস, যেমন- ট্রিপসিন প্রোটিনকে, অ্যামাইলোপসিন কার্বোহাইড্রেটকে এবং লাইপেজ চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাক করে ।
খ) অগ্নাশয় থেকে ক্ষরিত ইনসুলিন ও গ্লুকাগন রক্তশর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গ) ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি জারক রস প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাকে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
চায়ের পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ভিটামিন ই
  2. ভিটামিন এ
  3. ভিটামিন বি
  4. ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি
ব্যাখ্যা
- চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে।
- শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।
- সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন-কে এর প্রধান উৎস।
- মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ব্যারোমিটার
  2. ম্যানোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. পাইরোমিটার
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র:
• ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার - আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
• পাইরোমিটার - উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৯.
আরব মরুভূমিতে প্রবাহিত বায়ুর নাম কি?
  1. ট্রাইফুন
  2. সিরোক্কো
  3. খামসিন
  4. সাইমুম
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
ব্যাখ্যা
• তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয় স্থানীয় বায়ুর।

• কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ:
- আরব মরুভূমিতে সাইমুম।
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু।
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো।
- মিশরের খামসিন।
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০.
সবুজ গ্রহ বলা হয় কাকে?
  1. বুধ
  2. শুক্র
  3. মঙ্গল
  4. ইউরেনাস
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস: 
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলে।

অন্যদিকে, 
- মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলে।
- গ্রহরাজ বলা হয় বৃহস্পতিকে।
- বুধ হল সূর্যের নিকটতম এবং সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
৫১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপি এর প্রধান খাত কোনটি?
  1. সেবা খাত
  2. কৃষি খাত
  3. শিল্প খাত
  4. অন্যান্য
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪৯৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.২৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৬.৪%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১১.২০%।
- শিল্প: ৩৭.৫৬%।
- সেবা: ৫১.২৪%।
• তাই প্রধান খাত সেবা খাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫২.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংশোধনের ক্ষমতা সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪১ এর ক
  3. ১৪২
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 

সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য ইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৩.
প্রথম সংসদের সূচনায় প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?
  1. ৭৩
  2. ৭৫
  3. ৪৫
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী:
(১) রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান এবং বাণী প্রেরণ করতে পারবেন।
(২) সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ শ্রবণ বা প্রেরিত বাণী প্রাপ্তির পর সংসদ উক্ত ভাষণ বা বাণী সম্পর্কে আলোচনা করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৪.
বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কয়টি জেলার সাথে সুন্দরবন সংযুক্ত রয়েছে?
  1. পাঁচটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৫৫.
নিচের কোন জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. মেহেরপুর
  2. লক্ষ্মীপুর
  3. রাঙ্গামাটি
  4. ঝালকাঠি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জেলাগুলো হলো: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৬.
ওয়েস্ট ব্যাংক কী?
  1. একটি ব্যাংকের নাম
  2. একটি নদীর নাম
  3. একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম
  4. একটি স্থানের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি স্থানের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি স্থানের নাম
ব্যাখ্যা
ওয়েস্ট ব্যাংক:
- ওয়েস্ট ব্যাংক বা পশ্চিম তীর ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকা।
- পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ করে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফিলিস্তিনি সরকার।
- ধর্মনিরপেক্ষ ফিলিস্তিনি দল ফাতাহ এই ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের মূল শক্তি বা দল।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডানের নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৫৭.
জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- বর্তমানে সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হল ইন্দোনেশিয়া। 
- বাংলাদেশের মুসলিম জনসংখ্যা ১৫.৩৭ কোটি।
- ইসলামীয় জনসংখ্য়ার নিরিখে যা বিশ্বে চতুর্থ।
- তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।
 
উৎস: ৬ আগস্ট, ২০২৩, এই সময়। [link]
৫৮.
মাও সেতুং চীনকে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করেন কবে?
  1. ১৯৪১
  2. ১৯৪৯
  3. ১৯৪৭
  4. ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯
ব্যাখ্যা
চীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিষ্ট পার্টির অনুকরণেই চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির জন্ম।
- চীন হলো প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র।
- ১৯১৮ সালে পিকিং এ একটি মার্কসবাদী পাঠচক্র গড়ে উঠে।
- এর নেতৃত্বে এগিয়ে আসে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চেন তুং-সিউ (Chen Tu- Hsin) ও লি-তা-চাও (Le Ta Chao) হুনান প্রদেশের ছাত্র মাও সেতুং ও এ নেতৃত্বে যোগ দেয়।
- সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ভয়াটিয়াসকি (Voitiusky) কমিনটার্ন চীনে সফরে আসেন।
- তিনি চীনে মার্কসবাদী সংগঠনগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম হন।
- এর কিছুদিন পরই ১৯২১ সালের ১লা জুলাই সাংহাই শহরে কমিউনিষ্ট পার্টির জন্ম হয়।
- কমিউনিস্ট পার্টি সাম্রাজ্যবাদী শাসন আর শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।
- এ পার্টির দ্বারাই ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং-এর নেতৃত্ব চীনে বিপ্লব সুসম্পন্ন হয়।
- জন্ম নেয় আধুনিক সালে মাও গণপ্রজাতন্ত্রী (সমাজতন্ত্রিক) চীন।
- ১৯৮২ সালের সংবিধানে কমিউনিস্ট পার্টির সম্পর্কে বিধান রাখা হয়।
- এর নেতৃত্ব এ পার্টিকে সাংবিধানিক কাঠামোর আওতায় আনা হয়।
- মার্কসবাদ লেনিনবাদ ও মাও সেতু-এর আদর্শে পূব সুসম্পন্ন পরিচালিত হয়ে কমিউনিস্ট পার্টি আজও চীনকে। 

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৫৯.
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল নামটি কোন যুদ্ধের সাথে জড়িত?
  1. ওয়াটার লু
  2. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুরস্কের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
- সারডিনিয়া মিত্রজোটে যোগ না দেয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ ১৮৫৫ সালের বসন্তকাল অবধি বন্ধ থাকে।
- এরপর মিত্রবাহিনী সেভাস্তোপোল দখল করে নেয়।
- যুদ্ধের চেয়ে রোগে ভুগেই এ যুদ্ধে বেশি সৈন্যের ক্ষতি হয়।
- অপ্রতুল চিকিৎসাসেবা ও সৈন্যদের দুরবস্থার মধ্যে সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি তাদের জন্য যথাযথ হাসপাতাল গড়ে তোলেন।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।

উৎস: Britannica.
৬০.
সেনজেন চুক্তি হচ্ছে -
  1. বাণিজ্য চুক্তি
  2. কর হ্রাস করা চুক্তি
  3. অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
সেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- সেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের জাতীয় সীমানা বিলুপ্তি করে দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- সেনজেন চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল সীমানাবিহীন একটি ইউরোপ তৈরি করা যা 'শেঞ্জেন এলাকা' নামে পরিচিত হবে।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৮৫ সালে।
- স্থান- লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ১৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- প্রায় ৪২০ মিলিয়ন লোকের জনসংখ্যা সহ শেনজেন এলাকা ৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- সেনজেন ভুক্ত দেশ ২৭টি।
- যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশ ২৩টি।
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।
- সেনজেন ভুক্ত ২৭তম দেশ হলো ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: The Schengen area explained - Consilium.europa.eu.