পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৬
সিলেবাস
Exam - 9 • Full Model Test - 03 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৬ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অনুযায়ী ১৪ লক্ষ টাকার একটি মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারি জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারি জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।
.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলায় সরকার পক্ষকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'

Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি কখন দাখিল করতে হয়?
  1. আরজি দাখিলের পরে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  3. আরজি দাখিলের সময়
  4. মামলার প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।

১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।


১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
.
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় দুই বা ততোধিক দেওয়ানি আদালতের মধ্যে এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে-
  1. আদালত নিজ সিদ্ধান্তে মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদী নিজেদের পছন্দমতো আদালত নির্বাচন করবে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
  4. বিবাদী যেখানে থাকে, সেই এলাকার আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান- আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে:

১. মোকদ্দমা দায়েরের স্থান নির্ধারণ:
যদি স্থাবর সম্পত্তিটি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে যে কোনো একটি আদালত এই অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে।
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ এমনভাবে কার্যকর হবে, যেন সম্পত্তিটি আদালতের নিজস্ব স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত ছিল।

২. আপিল বা রিভিশন আদালতে আপত্তি:
যদি উপধারা (১) অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ড করা না হয় এবং আপিল বা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত, সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত এই আপত্তি গ্রহণ করবে না।
তবে যদি আদালতের মতে মোকদ্দমা দায়েরের সময় এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তার যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর ফলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে আপত্তিটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
.
'An appeal may lie from an original decree passed ex parte.' এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৫ ধারা
  3. ৯৬ ধারা
  4. ৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
.
একটি কোম্পানি আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আবার একই অনিয়মমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীনে কোম্পানির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত এই ক্রোক বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. যতদিন আদালত চায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
.
অর্থ ডিক্রি জারির মামলায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দেয়া যাবে না?
  1. একজন মহিলা
  2. একজন কৃষক
  3. একজন নিঃস্ব ব্যক্তি
  4. একজন সরকারী কর্মচারী
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৬ ধারার বিধান- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ: 
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section-56: Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এর কত বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে অপ্রাসঙ্গিক দলিলাদি অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. বিধি-২
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-৪
  4. বিধি-৫
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
.
আবির তার সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যেখানে তাদের মধ্যে লাভ ও ক্ষতির হিসাব অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি আরজিতে কী উল্লেখ করবেন?
  1. নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার দাবি করবেন
  2. মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
  3. কেবল মামলার উদ্দেশ্য উল্লেখ করবেন
  4. কেবল বিবাদীর আর্থিক অবস্থা উল্লেখ করবেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-২ টাকার মামলা:
যেক্ষেত্রে বাদী টাকা আদায় করতে চান, সেক্ষেত্রে আরজিতে দাবীর যথাযথ পরিমাণ বর্ণনা করবেন কিন্তু যে ক্ষেত্রে বাদী অন্তবর্তীকালীন মুনাফার জন্য বা বিবাদীর এবং তার মধ্যে অমীমাংসিত হিসাব বাবদ সম্ভাব্য পাওনা টাকার জন্য মামলা করেন, সেক্ষেত্রে যে জন্য মামলা করা হবে, তার আনুমানিক পরিমাণ বর্ণনা করবেন।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
১০.
Under Order 22 Rule-9A of The Code of Civil Procedure, 1908, who can apply for setting aside abatement or dismissal?
  1. the assignee of any insolvent plaintiff
  2. legal representative of a deceased plaintiff
  3. the receiver of any insolvent plaintiff
  4. all of them
ব্যাখ্যা
Order 22 Rule-9A- Directly setting aside abatement or dismissal: 
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand takaas the Court may deem appropriate.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ:
এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং দেরি এড়ানো। যদি কোনো মামলার বাদী মারা যান বা দেউলিয়া হয়ে যান, তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধি অথবা দেউলিয়া বাদীর অধিগ্রহণকারী বা রিসিভার আদালতে আবেদন করতে পারেন মামলা বাতিল বা খারিজের আদেশ বাতিল করার জন্য। তবে-
- এই আবেদন অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
- আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করতে পারে, কোনো প্রমাণ চাওয়া ছাড়াই।
- আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা খরচ দিতে বলতে পারে।
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ১১ অনুসারে আদালত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়ের জন্য কাকে কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
  4. শুধুমাত্র একজন সরকারি হিসাবরক্ষককে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.
১২.
দেওয়ানি আপিল শ্রবণের এখতিয়ারাবান আদালত সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান কোন আইনে বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭
  3. সিভিল কোর্ট রুলস এন্ড অর্ডারস
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
১৩.
'একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় এই বিধান আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৫
  2. আদেশ-৮, বিধি-৫
  3. আদেশ-৯, বিধি-৫
  4. আদেশ-১০, বিধি-৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
১৪.
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাদী ও কোনো বিবাদীর মধ্যে বিরোধ নেই
  2. বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিগুলো স্বতন্ত্রভাবে প্রণীত হতে হবে
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বিরোধ থাকা আবশ্যক
  4. বাদী শুধুমাত্র মামলার ব্যয়াদি ও দায় সংক্রান্ত স্বার্থ রাখতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ অনুসারে লিখিত জবাবে কার স্বাক্ষর করতে হবে??
  1. কেবল বিবাদী
  2. কেবল বিবাদীর আইনজীবী
  3. বাদী ও তার আইনজীবী
  4. বিবাদী ও তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪:
প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার আইনজীবী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

অর্থাৎ, আরজিতে বাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশ নিষ্পত্তিতে কোন আইনকে বিশেষভাবে অনুরসরণ করতে হয়?
  1. সালিশ আইন, ২০০০
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. সালিশ আইন, ২০০৬
  4. সালিশ আইন, ২০০৭
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে।৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
১৭.
What does Section 90 of the Civil Procedure Code allow parties to do?
  1. File a criminal complaint
  2. Submit a case for the opinion of the court by written agreement
  3. Appeal against the court’s decision without trial
  4. Directly enforce a judgment without court approval
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯০: আদালতের মতামতের জন্য বিষয় উপস্থাপনের ক্ষমতা-
যদি কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে একমত হন যে, তারা আদালতের মতামতের জন্য কোনো বিষয় উপস্থাপন করবেন, তাহলে আদালত নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত বিষয় পরীক্ষা ও নিষ্পত্তি করবে।

Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.
১৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫ বিধি-৪ অনুসারে যদি আদালত মনে করে যে বিচার্য বিষয়ের ওপর সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাক্ষ্য প্রয়োজন, তবে আদালত –
  1. মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
১৯.
আদালতে উপস্থিতির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মামলার পক্ষ নিজে উপস্থিত হতে সব সময় বাধ্য
  2. মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
  3. কেবলমাত্র বাদী উকিলের মাধ্যমে উপস্থিত হতে পারে
  4. কেবলমাত্র বিবাদী উকিলের মাধ্যমে হাজির হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Partition of estate or separation of share' বর্ণিত আছে?
  1. ৪৪ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৬৪ ধারায়
  4. ৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান- সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ:
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।

Section 54. Partition of estate or separation of share:

Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে 'সেটেলমেন্ট' বলতে নিচের কোনটি বোঝাবে না?
  1. চুক্তি
  2. উইল
  3. দলিল
  4. সবগুলো বোঝাবে
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৩: "Settlement" বলতে এমন কোনো লিখিত চুক্তি বা দলিল বোঝায়, যা উইল বা কোডিসিল ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে স্থাবর (জমি, বাড়ি) বা অস্থাবর (টাকা, গহনা) সম্পত্তির মালিকানা বা উত্তরাধিকার কাকে যাবে, তা নির্ধারণ বা হস্তান্তরের জন্য করা হয়।

"settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the Succession Act, 1925 whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of.
২২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানি আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  4. দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

একটি দেওয়ানি আদালত অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না, কারণ এটি একটি আইনগত অধিকারভিত্তিক মামলা, যেখানে আদালতের ভূমিকা আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রদান করা।
২৩.
According to Section 44 of SR Act,The rights, powers, duties, and liabilities of a receiver are determined by—
  1. The discretion of the judge
  2. The Evidence Act
  3. The Code of Civil Procedure
  4. The agreement between parties
ব্যাখ্যা
Section 44- Appointment of receivers discretionary:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.

Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure. 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ববান ব্যক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব এবং মালিকানা আছে এমন কোনো ব্যক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
  4. স্থাবর সম্পত্তিতে দখলে আছে এইরূপ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
২৫.
একজন সংগীতশিল্পী ‘ক’ একটি গানের অ্যালবাম তৈরি ও প্রকাশের জন্য সংগীত প্রযোজক ‘খ’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। যদি ‘ক’ চুক্তি ভঙ্গ করেন, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ‘খ’-এর কী প্রতিকার আছে?
  1. চুক্তি বলবৎ এর মামলা করা
  2. চুক্তিপত্র বাতিলের মামলা করা
  3. চুক্তি বলবৎ এর জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা
  4. চুক্তি বলবৎ এর কোন সুযোগ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ব্যক্তিগত দক্ষতা ও প্রতিভার ভিত্তিতে চুক্তি বলবৎ করা যায় না, যেমন—গান গাওয়া, অভিনয় করা বা সাহিত্যকর্ম রচনা করা।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-
চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
২৬.
'Specific performance of part of contract where part unperformed is large'- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১৩ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
Section-15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা - চুক্তির একটি অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যেখানে অপ্রতিষ্ঠিত অংশ বড়:
যখন চুক্তির একটি পক্ষ তার অংশের পুরোটা পালন করতে অক্ষম থাকে, এবং যেই অংশটি পালন করা সম্ভব নয় তা চুক্তির পুরো অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে, অথবা যা অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য নয়, তখন সে পক্ষ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ পাওয়ার অধিকারী নয়। তবে, আদালত অন্য পক্ষের আবেদনক্রমে, ভুলের দায়ী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারে যে, তার যা অংশ সম্পাদন করা সম্ভব, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করতে হবে, যদি আবেদনকারী (প্রতিবাদী) আরও কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি ত্যাগ করেন এবং তাঁর ক্ষতির জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি না করেন।
২৭.
The Court's discretion in granting specific performance:
  1. Is absolute and arbitrary
  2. Must always be exercised in favor of the plaintiff
  3. Cannot be reviewed by a Court of appeal
  4. Should be based on sound and reasonable judicial principles
ব্যাখ্যা

Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 

The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.

II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.

III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।

ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
২৮.
‘ক’, ‘গ’-এর ক্ষমতা প্রদান ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি ‘খ’-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়, যে সম্পর্কে ‘ক’ জানে যে, তা ‘গ’ এর মালিকানাধীন। ‘গ’ উক্ত চুক্তি অনুমোদন দানের ইচ্ছা পোষণ করে। তবুও-
  1. চুক্তিটি বাতিল হবে
  2. ‘খ’ কে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য করা যাবে
  3. 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে না
  4. ‘খ’, ‘ক’- কে এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: এমন ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি, যার কোনো মালিকানা নেই, বা যিনি স্বেচ্ছায় সম্পত্তি দান করেছেন-
যদি কোনো ব্যক্তি স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন, তবে তিনি নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়নের (specific performance) দাবি করতে পারবেন না-
(ক) যিনি জানেন যে, তার ওই সম্পত্তির উপর কোনো মালিকানা বা অধিকার নেই, তবুও তিনি সেটি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করেছেন।

(খ) যিনি চুক্তির সময় বিশ্বাস করতেন যে তার বৈধ মালিকানা আছে, কিন্তু চুক্তি সম্পূর্ণ করার নির্ধারিত সময় (চুক্তি অনুযায়ী বা আদালতের নির্ধারিত সময়) আসার পর তিনি ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে সন্দেহমুক্ত মালিকানা দিতে পারেন না।

(গ) যিনি চুক্তি করার আগেই ওই সম্পত্তির উপর কোনো বিনিময় ছাড়াই (without valuable consideration) সেটেলমেন্ট করেছেন, অর্থাৎ সম্পত্তি দান বা অন্যভাবে হস্তান্তর করেছেন।

উদাহরণ:
(ক) ‘ক’ অনুমতি ছাড়াই ‘গ’-এর সম্পত্তি ‘খ’-এর কাছে বিক্রি করার চুক্তি করলেন, যখন ‘ক’ জানেন যে ওই সম্পত্তি মূলত ‘গ’-এর মালিকানাধীন। এমন ক্ষেত্রে, এমনকি যদি ‘গ’ রাজি থাকেন চুক্তি নিশ্চিত করতে, তবুও ‘ক’ এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা করতে পারবেন না।
২৯.
সরকার কতৃর্ক বেআইনিভাবে বেদখল হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

উল্লেখ্য,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে কেননা এই ধারায় স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। যেহেতু সরকার কারো স্বত্ব দখল করার অধিকার রাখে না তাই সরকার কারো স্বত্ব দখল করলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
৩০.
একজন হিন্দু বিধবা 'ক'- তার মৃত স্বামীর সম্পত্তিতে দখলে থেকে সেই সম্পত্তির জন্য ধ্বংসাত্মক এমন কাজ করলো যা করার কোন ন্যায় সঙ্গত কারণ নেই। উক্ত সম্পত্তির ভাবী উত্তরাধিকারী মৃত স্বামীর ভাই। উত্তরাধিকারীর প্রতিকার কী?
  1. নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
  2. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা করতে পারে
  3. ঘোষণামূলক ডিক্রি চেয়ে মোকদ্দমা করতে পারে
  4. কোন প্রতিকার পাবে না
ব্যাখ্যা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে,
বিধবা স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তিতে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার রাখেন, তবে তিনি এই সম্পত্তির ধ্বংসাত্মক ব্যবহার করতে পারেন না। যদি তিনি এমন কোনো কাজ করেন যা সম্পত্তির অবনতি ঘটায় বা উত্তরাধিকারের সম্ভাবনাকে নষ্ট করে, তাহলে ভবিষ্যত উত্তরাধিকারী (এক্ষেত্রে মৃত স্বামীর ভাই) আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া,
বিধবা স্ত্রী সম্পত্তি বিক্রি বা নষ্ট করার চেষ্টা করলে, উত্তরাধিকারী আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন, তবে সরাসরি মালিকানা দাবি করতে পারেন না যতক্ষণ না বিধবার জীবনকাল শেষ হয়।

• কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে। নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। 

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৩১.
'Offences under Penal Code' - ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৩৫ক ধারা
  4. ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।

Section 28- Offences under Penal Code:
Subject to the other provisions of this Code any offence under the Penal Code may be tried-
(a) by the High Court Division, or
(b) by the Court of Session, or
(c) by any other Court by which such offence is shown in the eighth column of the second schedule to be triable.

Illustration-
A is tried by the Sessions Court on a charge of culpable homicide. He may be convicted of voluntarily causing hurt, an offence triable by a Magistrate.
৩২.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে C.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
  2. সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জি.আর ও সি.আর মামলা:
বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুইভাবে রুজু হয়—জি.আর (জেনারেল রেজিস্ট্রার) মামলা ও সি.আর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার) মামলা।

জি.আর মামলা:
যে মামলা থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শুরু হয়, তাকে জি.আর মামলা বলা হয়। এটি সাধারণত আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী থানায় দায়ের করা হয়।
⇒ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করেন।
⇒ অভিযোগের সত্যতা না পেলে ১৬৯ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন।
⇒ অভিযোগ সত্য হলে ১৭০ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় রিপোর্ট পেশ করে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
⇒ পুলিশ কাউকে অব্যাহতির সুপারিশ করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের হাতে থাকে।

সি.আর মামলা (নালিশী মামলা):
যদি থানায় মামলা গ্রহণ না করা হয়, তবে সরাসরি আদালতে গিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(জ) ধারায় সি.আর মামলা বা নালিশী মামলা দায়ের করা যায়।
⇒ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
⇒ আমলি ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের জন্য পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
৩৩.
ফৌজদারি আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, In every trial before a __________, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
  1. Court of Magistrate
  2. Court of Session
  3. Court of Commission
  4. all of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Section 265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
৩৫.
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে আসামিকে তার ক্ষমতার চেয়ে বেশি দণ্ড দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি কী করবেন?
  1. হাইকোর্টে আবেদন করবেন
  2. নিজেই সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন
  3. মামলা স্থগিত করবেন
  4. মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার অধীনে জনসাধারণ কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সাহায্য করতে বাধ্য?
  1. অপরাধ তদন্তে
  2. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপন করতে
  3. কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
৪২(ক) মোতাবেক,
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

৪২(খ) তে বলা আছে যে,
কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা অনুযায়ী, কোন শর্ত পূরণ না হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না?
  1. অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. অভিযুক্ত নির্দিষ্ট সময়ে হাজির না হলে
  3. অভিযুক্তর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
  4. অভিযোগকারীর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা:
(১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে।

(খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
৩৮.
'without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate' - এই সংজ্ঞাটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ক ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

'Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.'

অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৩৯.
দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ কে দিতে পারে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনাকালে
  4. বর্ণিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ১০৬: দণ্ডিত ব্যক্তির শান্তি বজায় রাখার জন্য জামানত প্রদান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির অষ্টম অধ্যায়ের অধীনে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত) বা হামলা বা অন্য কোনো শান্তি-ভঙ্গকারী অপরাধ, অথবা উক্ত অপরাধে সহায়তা করা বা অপরাধজনিত ভীতি প্রদর্শন করার জন্য অভিযুক্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়, এবং আদালত মনে করে যে উক্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি জামানতনামা সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত দণ্ড প্রদানের সময় উক্ত ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্যের অনুপাতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের জামানত প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে এক বা একাধিক জামিনদার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
এই জামানতের মেয়াদ আদালতের বিবেচনামতো সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে।

(২) যদি আপিলের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে উক্ত দোষী সাব্যস্ত করার রায় বাতিল করা হয়, তাহলে সম্পাদিত জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে।

(৩) এই আদেশ আপিল আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগের সময়ও দিতে পারে।
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর হাজির হবার জন্য যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১ক ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।

(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।

(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।


Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 

(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 

(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৪১.
Under Section 368(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, what is NOT included in the sentence of transportation?
  1. Duration of transportation
  2. Purpose of transportation
  3. Conditions of transportation
  4. The specific place of transportation
ব্যাখ্যা
Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী, আপিল আদালতের রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা -
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিবেচনামূলক
  3. আসামির ইচ্ছাধীন
  4. আবশ্যক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী,
আপিল আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

ধারা ৪২৪- অধস্তন আপিল আদালতের রায়:
অপরাধমূলক কার্যবিধির অধ্যায় XXVI-তে যে সকল নিয়ম অপরাধ সংক্রান্ত মূল বিচারকার্যের আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা যথাসম্ভব উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আপিল আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যদি আপিল আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ না দেয়, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করা বা রায় শোনার জন্য উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।
৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর শাস্তি বাড়ানো
  2. অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
  3. অপরাধীর জামিন দেয়া
  4. অপরাধের শাস্তি কমানো
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৭: তদন্ত ও বিচারকার্যের সাধারণ স্থান:
প্রত্যেক অপরাধ সাধারণত সেই আদালত দ্বারা তদন্ত ও বিচারকার্য সম্পন্ন হবে, যার স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

Ordinary place of inquiry and trial-
Every offence shall ordinarily be inquired into and tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction it was committed.
৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল?
  1. ৪র্থ
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ১ম
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(২খ) ধারামতে, Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and ______ the accused.
  1. bail
  2. acquit
  3. release
  4. discharge
ব্যাখ্যা
Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 

(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.

(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৪৬.
'জামিনযোগ্য অপরাধের জামিনের বিধান'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৪৯২ ধারার
  2. ৪৯৪ ধারার
  3. ৪৯৬ ধারার
  4. ৪৯৭ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496.In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided: 
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
৪৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন দুটি ধারার বিধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৭ ও ১৮ ধারা
  2. ২১ ও ২৩ ধারা
  3. ২৭ ও ৩২(১) ধারা
  4. ৪০ ও ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা: পুলিশকে দেওয়া বিবৃতি স্বাক্ষর করা যাবে না এবং এসব বিবৃতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে কোনো বিবৃতি প্রদান করেন, তাহলে সেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ হলেও তিনি তা স্বাক্ষর করতে পারবেন না। এছাড়া, পুলিশ ডায়েরি বা অন্য কোনো নথিতে থাকা এমন কোনো বিবৃতি তদন্তাধীন অপরাধের বিচার বা তদন্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, যদি না নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য হয়:

প্রথম শর্ত: যদি কোনো সাক্ষী প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসেন এবং তার পূর্বে লিপিবদ্ধ করা বিবৃতি থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে আদালত উক্ত বিবৃতি পর্যালোচনা করতে পারে। সেই অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার একটি অনুলিপি সরবরাহ করা হবে, যাতে সাক্ষীকে বিপরীত প্রমাণ প্রদানের জন্য জেরা করা যায় (প্রমাণ আইন, ১৮৭২-এর ১৪৫ ধারা অনুসারে)। যদি উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ বিপরীত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই সাক্ষীর পুনঃজিজ্ঞাসাবাদ (re-examination) চলাকালীন শুধুমাত্র ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

দ্বিতীয় শর্ত: যদি আদালত মনে করে যে উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, অথবা সেটির প্রকাশ অভিযুক্তের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং জনস্বার্থে তা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর, তাহলে আদালত তার মতামত লিপিবদ্ধ করবে (কিন্তু কারণ উল্লেখ করবে না) এবং অভিযুক্তকে সরবরাহকৃত অনুলিপি থেকে সেই অংশ বাদ দেবে।

(২) এই ধারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২(১) ধারা (মৃত্যুর আগে প্রদত্ত বিবৃতি) বা ২৭ ধারা (অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবিষ্কৃত প্রমাণ) সংক্রান্ত বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৪৮.
_________ may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুসারে শুণ্যস্থানে কী বসবে?
  1. The High Court Division
  2. Any Sessions Judge
  3. The High Court Division or any Sessions Judge
  4. Any Sessions Judge or Additional Sessions Judge
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:
1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে আদালত দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারার অধীন কোনো মামলায় উক্ত ভেজাল খাদ্য বা ঔষধ ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৯৯খ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ৫২১ ধারা
  4. ৫২২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।
(1) On a conviction under the Penal Code, section 292, section 293, section 501 or section 502, the Court may order the destruction of all the copies of the thing in respect of which the conviction was had, and which are in the custody of the Court or remain in the possession or power of the person convicted.

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
(2) The Court may, in like manner, on a conviction under the Penal Code, section 272, section 273, section 274 or section 275, order the food, drink, drug or medical preparation in respect of which the conviction was had to be destroyed.
৫০.
একজন দায়রা জজ কোন এলাকার জন্য 'জাস্টিস অব দ্য পিস' হতে পারেন?
  1. শুধু বিভাগীয় শহরের জন্য
  2. শুধু মহানগরী এলাকার জন্য
  3. তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
  4. দায়রা জজ জাস্টিস অব দ্য পিস হতে পারেন না
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন।

Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৫১.
'ক’, ‘গ’ কে খুন করার জন্য ‘খ’ কে প্ররোচিত করে। ‘খ’ কার্যটি করতে অস্বীকৃতি জানায়। এখানে 'ক' দণ্ডবিধি অনুযায়ী কী নামে অভিহিত হবে?
  1. Conspirator
  2. Abettor
  3. Murderer
  4. Initiator of a attempt of murder
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারার মতে, যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য অন্যকে প্ররোচিত বা উসকানি দেয়, সে "Abettor" বা উসকানিদাতা হিসেবে গণ্য হবে, এমনকি যদি অপরাধ সংঘটিত না হয় তবুও।

এক্ষেত্রে 'ক' 'খ'-কে 'গ'-কে খুন করার জন্য প্ররোচিত করেছে, যদিও 'খ' তা করতে অস্বীকার করেছে, তবুও 'ক' উসকানিদাতা (Abettor) হিসেবে দোষী হবে।

ধারা ১০৮- উসকানিদাতা (Abettor)
যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটিত করতে অন্যকে উসকানি বা প্ররোচনা দেয়, অথবা এমন কোনো কাজ করতে উৎসাহিত করে যা আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে (যদি তা এমন কোনো ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়, যিনি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ করার সক্ষমতা রাখেন এবং উসকানিদাতার মতোই অভিপ্রায় বা জ্ঞান রাখেন), সে ব্যক্তি উসকানিদাতা (Abettor) বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা:
- অবৈধ কোনো কাজ না করার জন্য উসকানি দেওয়া হলেও তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যদিও উসকানিদাতা নিজে সে কাজ করতে বাধ্য না থাকেন।
- উসকানির অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য অপরাধমূলক কাজটি করা আবশ্যক নয়, বরং কাজটি না হলেও উসকানি দেওয়াটাই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
৫২.
সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে প্রদত্ত সমন জারি এড়াবার উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করলে তার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সমন বা অন্যান্য কার্যক্রম থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন (ধারা ১৭২):
যে কেউ কোনো সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে প্রদত্ত সমন, নোটিশ বা আদেশ গ্রহণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেন, তিনি দণ্ডনীয় হবেন।

শাস্তি:
সাধারণ ক্ষেত্রে:
- এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা
- পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।

যদি সমন, নোটিশ বা আদেশ ব্যক্তিগতভাবে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দেওয়া হয়, অথবা কোনো নথি উপস্থাপনের জন্য দেওয়া হয়,
তবে শাস্তি হবে—
- ছয় মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা
- এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।
৫৩.
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার অভিপ্রায়ে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং, এক্ষেত্রে 'ক' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ডসহ কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড ছাড়া কারাদণ্ড
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ-
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার অভিপ্রায়ে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫৪.
'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৮১ ধারা
  2. ৮৭ ধারা
  3. ৯১ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। 'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির ৮১ ধারার সাথে সম্পর্কিত।
দণ্ডবিধির ধারা ৮১ অনুসারে, বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া বৈধ হতে পারে। যদি কোনো সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কাজ সৎ উদ্দেশ্যে, শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
ধরা যাক, একটি জ্বলন্ত বাড়ির পাশে আরেকটি বাড়িতে বিস্ফোরক পদার্থ রয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী যদি পাশের বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে ফেলে, তবে তা ধারা ৮১-এর অধীনে বৈধ বলে গণ্য হবে, কারণ এটি বৃহত্তর ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা- সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:
 কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা: যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

Section 81- Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৫৫.
X, ইচ্ছাকৃতভাবে Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code,1860 এর ৩২৫ ধারায় X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৫৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে, “অবৈধ” (Illegal) শব্দটি সেই সমস্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়
  2. যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ
  3. যা দেওয়ানি মামলা দায়েরের ভিত্তি হতে পারে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৪৩: “অবৈধ” এবং “আইনগতভাবে বাধ্য”-
“অবৈধ” (Illegal) শব্দটি সেই সমস্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা যা দেওয়ানি মামলা দায়েরের ভিত্তি হতে পারে।
“আইনগতভাবে বাধ্য” (Legally bound to do) বলতে বোঝায়, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কাজ না করার ফলে তা অবৈধ হয়, তবে সেই কাজ করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।

Section 43- “Illegal” “Legally bound to do”
The word “illegal” is applicable to everything which is an offence or which is prohibited by law, or which furnishes ground for a civil action: and a person is said to be "legally bound to do" whatever it is illegal in him to omit.
৫৭.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৩৪২ অনুসারে বেআইনি আটক অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে। দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির বিধান রয়েছে।

অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি (ধারা ৩৪২)-
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করেন, তিনি দণ্ডনীয় হবেন।

শাস্তি:
- এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যেকোনো প্রকারের), অথবা
- এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।
৫৮.
A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে একটি অপরাধ করেছেন?
  1. ১৫১
  2. ১৬১
  3. ২৬১
  4. ২৬৩
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ:
যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।

ব্যাখ্যা:
"সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়।
"গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
"আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে।
"কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(গ) A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A এই ধারার অধীনে  অপরাধ করেছেন।
৫৯.
দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি কখন শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. যদি সে জাল মুদ্রা তৈরি করে
  2. যদি সে অজান্তে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
  3. যদি সে জেনেশুনে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
  4. যদি সে জাল মুদ্রা অন্যের কাছে হস্তান্তর করে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪২: জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখা, যখন সে জানত যে এটি জাল:
যে কেউ প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার অভিপ্রায়ে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে, এবং যখন সে এই মুদ্রা নিজের কাছে গ্রহণ করে তখন জানত যে এটি জাল, তবে সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে।

[Whoever, fraudulently or with intent that fraud may be committed, is in possession of counterfeit coin, having known at the time when he became possessed thereof that such coin was counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]
৬০.
কোনো ভবন মেরামতের কাজে অবহেলাজনিত কারণে কারো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকলে, দণ্ডবিধির ২৮৮ ধারা অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৯ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভবন ভাঙা বা মেরামতের ক্ষেত্রে অবহেলাজনিত আচরণ (ধারা ২৮৮):
যে কেউ কোনো ভবন ভাঙা বা মেরামত করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার মাধ্যমে এমন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়, যা ভবন বা এর কোনো অংশের পতনের ফলে মানুষের জীবনের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধে যথেষ্ট ছিল, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে।

এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হবে—
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।
৬১.
'কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে'- দণ্ডবিধির কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৪৬০ ধারা
  2. ৪৬২ ধারা
  3. ৪৬৩ ধারা
  4. ৪৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারা- মিথ্যা দলিল তৈরি করা (Making a false document):
 নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।

ব্যাখ্যা ১: কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।


ব্যাখ্যা ২: কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ-
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
৬২.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। এক্ষেত্রে, 'ক'-
  1. কোনো অপরাধ করে নি
  2. সাধারণ প্রতারণা করেছে
  3. অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে
  4. অপরাধমূলকে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
৬৩.
Under Section 143 of The Penal Code, 1860, a person can be punished if he is:
  1. leading an unlawful assembly
  2. member of an unlawful assembly
  3. indirectly supporting an unlawful assembly
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৬৪.
ডাকাতির মাধ্যমে লব্ধ চোরাই সম্পত্তি কেউ জেনে-বুঝে তার কাছে রাখলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ডাকাতির মাধ্যমে চুরি করা সম্পত্তি অসাধু উপায়ে গ্রহণ করা ( দণ্ডবিধির ধারা ৪১২)

যে কেউ অসাধু উপায়ে চুরি করা কোনো সম্পত্তি গ্রহণ বা সংরক্ষণ করবে, যার অধিকার সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে তা ডাকাতির মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে, অথবা যে কেউ এমন কোনো ব্যক্তি থেকে অসাধু উপায়ে সম্পত্তি গ্রহণ করবে, যাকে সে ডাকাত দলের সদস্য হিসেবে চেনে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে, এবং জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে সম্পত্তিটি চুরি করা হয়েছে,

তাহলে তার শাস্তি হবে:
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড, এবং
- অর্থদণ্ডও প্রযোজ্য হবে।

৬৫.
'ক’ ও ‘খ’ আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সাথে তরবারি খেলা খেলতে সম্মত হয়। খেলার এক পর্যায়ে অজান্তে 'ক' কর্তৃক 'খ' মারাত্মক আহত হয়। এখানে 'ক' কোন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে?
  1. অসাধুতার দায়ে
  2. অবহেলামূলকভাবে আঘাত করার দায়ে
  3. গুরুতর জখমের দায়ে
  4. কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা:
যদি কোনো কাজ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে করা না হয় এবং কর্তার জানা না থাকে যে এটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের কারণ হতে পারে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সেই ক্ষতি বা আঘাত গ্রহণ করতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তি সম্মতি দিয়ে থাকে (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে)। এছাড়াও, যদি সেই ব্যক্তি সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের জন্য সম্মতি দেয়, তাতেও এটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
A এবং Z নিজেদের বিনোদনের জন্য পরস্পরের সঙ্গে ফেন্সিং (তলোয়ার খেলা) করতে সম্মত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকে সম্মতি দেয় যে, খেলায় নির্দোষভাবে যদি কোনো আঘাত লাগে, তাহলে তারা তা মেনে নেবে। ফলে, যদি A ন্যায্য খেলার মধ্যে Z-কে আঘাত করে, তাহলে A কোনো অপরাধ করবে না।
৬৬.
যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজ মৃত্যু ঘটালে তবে তাকে কী অপরাধে অভিযুক্ত করা হবে?
  1. খুন
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. আত্মহত্যার প্ররোচনা
  4. গুরুতর আঘাত দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):

কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

৬৭.
'Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty'- অপরাধটির শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩৫৪
  2. ধারা ৩৫৬
  3. ধারা ৩৫৮
  4. ধারা ৩৫৯
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬৮.
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
  3. সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি সংক্রান্ত
  4. সরকারি তহবিল আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৬৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা হিসেবে নিচের কোন মন্তব্যটি সঠিক?
  1. মূল অপরাধটির সাজার সমান সাজা
  2. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড
  3. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক তৃতীয়াংশ কারাদণ্ড
  4. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার অর্ধেক পরিমাণ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
৭০.
একটি বন্ড মূলে পাওনা টাকা দাবী করে ‘খ’-এর বিরুদ্ধে ‘ক’-একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। বন্ডটির সম্পাদন স্বীকৃত। কিন্তু ‘খ’-বলে যে প্রতারণার মাধ্যমে বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে, যা ‘ক’- অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় কার উপরে ন্যস্ত?
  1. ‘ক’
  2. ‘খ’
  3. আদালত
  4. তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যিনি ঘটনাটি দেখেছেন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।

⇒ প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় ‘খ’-এর ওপর বর্তাবে। কারণ, ‘খ’ এই প্রতারণার দাবি উত্থাপন করেছে, এবং সে তা প্রমাণে ব্যর্থ হলে মামলায় পরাজিত হবে।

 
⇒ উদাহরণ:
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৭১.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারানুসারে, Evidence so given shall be deemed to be-
  1. oral evidence
  2. digital evidence
  3. forensic evidence
  4. documentary evidence
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৭২.
কোনো কাজের Motive সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) অভিপ্রায় (Motive);
(ii) প্রস্তুতি (Preparation);
(iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
৭৩.
নিচের কোন শব্দটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় ব্যবহৃত হয়নি?
  1. Re-examination
  2. Examination in Chief
  3. Cross Examination
  4. Re-cross examination
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

Section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৭৪.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কোনো বই সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. যদি বইটি কোনো ব্যক্তিগত ডায়েরি হয়
  2. যদি এটি শুধুমাত্র সরকারি প্রকাশনা হয়
  3. যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৭: বই, মানচিত্র ও চার্ট সংক্রান্ত অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যে, কোনো বই যা জনস্বার্থ বা সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো প্রকাশিত মানচিত্র বা চার্ট, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য ধারণ করে এবং আদালতের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়—তা উক্ত লেখক বা প্রকাশকের দ্বারা নির্ধারিত সময় ও স্থানে লিখিত বা প্রকাশিত হয়েছে।

[The Court may presume that any book to which it may refer for information on matters of public or general interest, and that any published map or chart, the statements of which are relevant facts and which is produced for its inspection, was written and published by the person and at the time and place, by whom or at which it purports to have been written or published.]
৭৫.
'Birth during marriage conclusive proof of legitimacy' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১১০ ধারা
  2. ১১১ ধারা
  3. ১১২ ধারা
  4. ১১৩ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা- সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণ:
কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

Section 112- Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা কোন ধরণের মামলায় প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
  4. শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্রের প্রভাব-
দেওয়ানি মোকদ্দমায় যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হয় যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, তাহলে সেই চরিত্র সংক্রান্ত তথ্য প্রাসঙ্গিক (relevant) হবে।

⇒ Section 55. Character as affecting damages:
 In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৭৭.
প্রত্যয়িত করার বাধ্যতা আছে এমন প্রত্যয়িত দলিল প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই কার উপস্থিতি না থাকলে সেটি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. দলিলটির সুবিধাভোগী
  2. দলিলটির দাবিদার
  3. দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৭৮.
According to Section 139 of the Evidence Act, a person who is summoned only to produce a document:
  1. Automatically becomes a witness
  2. Can be cross-examined even if not called as a witness
  3. Cannot be cross-examined unless called as a witness
  4. Must testify regarding the contents of the document
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ______এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. ৬৫
  2. ৬৫খ
  3. ৬৬
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
৮০.
'ব্যবসায়িক হিসেবের খাতা' সাক্ষ্য আইনে কোন ধারা মোতাবেক সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ৩৭ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।
৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৮১.
‘ক’,‘খ’-কে প্রহার করে হত্যা করার অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে। প্রহারের সময় বা প্রহারের অব্যবহিত পূর্বে বা পরে ক, খ অথবা ঘটনাস্থলে দণ্ডায়মান ব্যক্তিগণ যা-ই করে থাকুক না কেন, সেগুলি যদি ঐ প্রহারের ঘটনার অংশরূপে বিবেচনা করা যায় তাহলে সেগুলি -
  1. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. সাক্ষ্যগত মূল্য থাকবে না
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬ নং ধারা অনুযায়ী, "same transaction" বা একই ঘটনার অংশ হিসেবে ঘটিত যেকোনো কার্য বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক (relevant) সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, প্রহারের সময়, তার অব্যবহিত আগে বা পরে যা ঘটেছে, তা যদি ঐ ঘটনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে সেগুলো প্রাসঙ্গিক হবে এবং আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

ধারা-৬: একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য বিষয়সমূহ (Relevancy of facts forming part of same transaction)-
"একই কার্যের অংশ যে সমস্ত বিষয় সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা" সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে। যে বিষয়সমূহ বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলো বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত যে, উভয় বিষয়ই একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য হতে পারে সেক্ষেত্রে ঐ বিষয়সমূহ একই সময়ে এবং একই স্থানে অথবা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হোক না কেন উত্ত বিষয়সমূহ সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারা Res Gestae নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।

৮২.
সাক্ষ্য প্রদানের সময় সাক্ষী সব প্রশ্নের উত্তর করতে বাধ্য - এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২৬ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
৮৩.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ফরিয়াদির
  2. পুলিশের
  3. সাক্ষীর
  4. আসামির
ব্যাখ্যা
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ, অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৮৪.
The provisions under Section 3 of the Limitation Act are considered:
  1. Optional
  2. Directory
  3. Mandatory
  4. Discretionary
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে,
ধারা ৪ থেকে ২৫ পর্যন্ত বিধান সাপেক্ষে, প্রথম তফসিলে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করে যদি কোনো মামলা দায়ের করা হয়, আপিল দাখিল করা হয় বা আবেদন করা হয়, তবে তা খারিজ করা হবে, যদিও প্রতিপক্ষ পক্ষ থেকে সীমাবদ্ধতার (Limitation) বিষয়টি প্রতিরক্ষা হিসেবে উত্থাপন করা না হয়।

ব্যাখ্যা:
সাধারণত, কোনো মামলা তখনই দায়ের করা হয় যখন মামলার আবেদনপত্র (plaint) যথাযথ কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করা হয়।
দরিদ্র ব্যক্তি (pauper) মামলার অনুমতি চাইলে, তার দরিদ্র হিসেবে মামলা দায়েরের আবেদন করার সময়ই তা দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে।
কোনো কোম্পানি যদি আদালতের মাধ্যমে লিকুইডেশনের (winding up) প্রক্রিয়ায় থাকে, তবে উক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবি তখনই উত্থাপিত হবে, যখন দাবি প্রথমবারের মতো অফিসিয়াল লিকুইডেটরের কাছে উপস্থাপিত হয়।

অর্থাৎ, তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক (Mandatory).

Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৮৫.
আলীর একটি মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু তিনি মামলা দায়েরের আগেই মারা যান। তার মেয়ে যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলো, তখন মামলা দায়ের করল। এই ক্ষেত্রে, Limitation Act-এর ১৭ ধারা অনুসারে তামাদি গণনার সময় কখন শুরু হবে?
  1. আলীর মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. প্রতিপক্ষের আপত্তি জানানোর দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর  ১৭ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ যেহেতু আলীর মেয়ে তার আইনি প্রতিনিধি এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মামলা দায়ের করেছে, তাই তামাদি গণনার সময় তার প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে শুরু হবে।

একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে। এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৮৬.
নিচের কোনটি তামাদি বিলম্ব মওকুফের যথেষ্ট কারণ হতে পারে না?
  1. গুরুতর অসুস্থতা
  2. ইচ্ছাকৃত অবহেলা
  3. আইনের সরল বিশ্বাসে ভুল ব্যাখ্যা
  4. ভুল আদালতে মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
তামাদি মওকুফ:
তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা, আপিল বা দরখাস্ত পেশ করতে না পারলে বিলম্বের যথাযথ কারণ দেখিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। আদালত যদি সন্তুষ্ট হয় যে, যথেষ্ট কারণবশত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে আসা সম্ভব ছিল না, তাহলে মওকুফের আদেশ দিতে পারে। অর্থাৎ তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদি মওকুফ মানে সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি।

⇒ বিলম্ব মওকুফের কারণ:
আদালত সাধারণত অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, দারিদ্রতা, কৌসুলীর ভুল, আইনের অজ্ঞতা, বা ভুল আদালতে মামলা দায়ের ইত্যাদিকে যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য করে।

⇒ একজন দরখাস্তকারী বা প্রার্থীকে মওকুফের জন্য সাধারণত আদালতকে যা দেখাতে হয়:
(১) তিনি যথেষ্ট এবং যথোপযুক্ত কারণে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপীল বা দরখাস্ত দাখিল করতে পারে নাই,
(২) তার কোনরূপ অবহেলা বা গাফলতি ছিল না,
(৩) তার তেমন কোন গুরতর ত্রুটি ছিল না এবং
(৪) অবহেলাবশ:ত উক্ত ত্রুটি করেন নাই।

⇒ তামাদি বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করলে, আদালত তখনই সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি দেয় যদি যথেষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য কারণ থাকে। কিন্তু ইচ্ছাকৃত অবহেলা (Deliberate Negligence) কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।
৮৭.
নিম্নের কোনটি তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্ত নয়?
  1. স্বীকৃতি অবশ্যই লিখিত হতে হবে
  2. স্বীকৃতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকতে হবে
  3. স্বীকৃতি মৌখিক বা লিখিত যেকোনো মাধ্যমে হতে পারে
  4. স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হতে হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে;
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে;
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে;
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
৮৮.
একজন সাংবাদিক একটি ম্যাগাজিনে ‘প’-এর সম্পর্কে একটি মিথ্যা খবর ছাপায়, যা তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করে। যদি ‘প’ মানহানির ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চায়, তবে তাকে খবর ছাপানোর কতদিনের মধ্যে মামলা করতে হবে?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ২৪:
লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে।
৮৯.
‘ক’ একটি রাস্তার পাশের জমির মালিক। ‘খ’ তার জমির নিচে টানেল তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে ‘ক’-এর জমির কোনো ক্ষতি করেনি। কয়েক বছর পর টানেলের কারণে ‘ক’-এর জমির একটি অংশ ধসে পড়ে। ‘ক’ যদি ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়, তবে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. যখন ‘খ’ টানেল তৈরি শুরু করে
  2. যখন টানেল তৈরি শেষ হয়
  3. যখন ‘ক’-এর জমি ধসে পড়ে
  4. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে,
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
৯০.
‘X’ একটি ঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য ‘Y’-এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। তামাদি গণনা শুরু হওয়ার পর ‘Y’ হঠাৎ দেশত্যাগ করে। এক্ষেত্রে—
  1. মামলা যেকোনো সময় করা যাবে
  2. তামাদি গণনা চলতে থাকবে
  3. ‘Y’ ফিরে না আসা পর্যন্ত তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে
  4. তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।
তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৯১.
‘ক’ তার জমি ‘খ’-কে বিক্রি করে। ‘গ’ একই জমির সংলগ্ন মালিক এবং অগ্রক্রয়ের অধিকার দাবি করে মামলা করতে চায়। এক্ষেত্রে তামাদির গণনা শুরু হবে-
  1. যখন ‘খ’ ও ‘ক’ বিক্রয়ের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করে
  2. যখন ‘গ’ জমি বিক্রির খবর জানতে পারে
  3. যখন ‘খ’ বিক্রিত জমির দখল গ্রহণ করে
  4. যখন ‘গ’ মামলা করতে চায়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০- অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emtion] বলবৎ এর মামলা:

তামাদি-  ১ বছর।

সময় গণনা শুরু-
যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের‌ বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করে না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয়।
৯২.
When does the limitation period begin if fraud has been committed to conceal someone's legal rights?
  1. From the date the fraud was committed
  2. From the date the fraud is discovered
  3. From the date the court accepts the case
  4. From the date the fraudulent person confesses
ব্যাখ্যা
Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
 যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।
৯৩.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, কোন দলিল বাতিল বা রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৯৪.
According to Article 5A(2) of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, an Advocate who has already served two consecutive terms before the Article’s enforcement –
  1. Must resign immediately
  2. Can be elected again without restriction
  3. Cannot be elected for the next term
  4. Must seek permission from the Chief Justice
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A:
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.

অনুচ্ছেদ- ৫ক: 
(১) কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।

(২) কোনো আইনজীবী যদি এই ধারা কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন না।
৯৫.
অ্যাডভোকেটদের পেশাগত নৈতিকতা ও আচরণ বিধি কে নির্ধারণ করে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. আইন ও বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৯৬.
বার কাউন্সিলে কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তা কীভাবে পূরণ করা হবে?
  1. আদালতের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে
  2. সর্বাধিক ভোট পাওয়া পরবর্তী ব্যক্তি দ্বারা
  3. সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. আইন মন্ত্রনালয়ের বিশেষ নির্দেশে নির্ধারিত হবে
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২: বার কাউন্সিলের সাময়িক শূন্যতা নিম্নে বর্ণিত নির্দেশ মোতাবেক পূরণ করা হইবে-
যেক্ষেত্রে সদস্য পদ শূন্য হয় সেক্ষেত্রে একই নির্বাচনে ঐ ব্যক্তির পরবর্তী যে ব্যক্তি সর্বাধিক ভোট পাইয়াছিল সে ব্যক্তি দ্বারা ঐ শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং যদি সেইরূপ কোন ব্যক্তি না পাওয়া যায় তাহা হইলে অত্র আদেশের অধীনে বার কাউন্সিলের নির্বাচন করার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বার কাউন্সিল সমন্বয়ের মাধ্যমে উক্ত শূন্যতা পূরণ করিতে পারিবে; এবং

যেক্ষেত্রে ভাইস-চেয়ারম্যান/সহ-সভাপতির পদ শূন্য হয়, সেক্ষেত্রে সদস্যবৃন্দের মধ্য হইতে তাদের দ্বারা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে।