পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি প্রকরণ] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
চর্যাপদ কোন ভাষার প্রাচীন নিদর্শন?
  1. পালি
  2. বাংলা
  3. সংস্কৃত
  4. উর্দু
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। 
- বাংলা ভাষাও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে।

• এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে,
সেগুলো হলো:
- ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয়→  ভারতীয় আর্য→ প্রাকৃত→ বাংলা।
- আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
- বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

 উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
বাংলা ভাষার কতটি প্রধান রূপ রয়েছে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. একটি
  4. দুটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার রূপ দুটি:
- মৌখিক রূপ,
- লৈখিক রূপ।

• ভাষার মৌখিক রূপের আবার দুটো রীতি রয়েছে,
যথা: আঞ্চলিক রীতি ও প্রমিত রীতি।

অপর দিকে,
•লৈখিক রূপেরও দুটো আলাদা রীতি আছে, যেমন: চলিত রীতি ও সাধু রীতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি কতটি?
  1. ৩৭টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৯টি
সঠিক উত্তর:
৩৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭টি
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।

• এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
- স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।

• মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি:
[ই], [এ), [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]; 

• মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি:
[প্], [ফ], [ব], ভিা, [ত্], [থ], [দ], [ধ], [ট], [ঠ], [ড], [ঢ়], [চ], [ছ], [জ], [ব],[ক], [খ], [গা,[ঘ], [ম], [ন], [ঙ], [স্], [শ], [হা, [ল], [র], [ড়], [ঢ়।।
- এখানে তৃতীয় বন্ধনী দিয়ে ধ্বনি বা উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
বাংলা ভাষার মৌখিক রূপের একটি হলো—
  1. প্রমিত রীতি
  2. সংস্কৃত রীতি
  3. সাধু রীতি
  4. লিখিত রীতি
সঠিক উত্তর:
প্রমিত রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমিত রীতি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার মৌখিক রূপের একটি হলো— প্রমিত রীতি।

• বাংলা ভাষার রূপ দুটি:
- মৌখিক রূপ,
- লৈখিক রূপ।

• ভাষার মৌখিক রূপের আবার দুটো রীতি রয়েছে,
যথা: আঞ্চলিক রীতি ও প্রমিত রীতি।

অপর দিকে,
•লৈখিক রূপেরও দুটো আলাদা রীতি আছে, যেমন: চলিত রীতি ও সাধু রীতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৮ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
নিচের কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ?
  1. দ্ম
  2. ন্ধ
  3. ভ্র
  4. ট্ট
সঠিক উত্তর:
দ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্ম
ব্যাখ্যা
• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: দ্ম ( দ্ + ম)।

• অন্যদিকে,
- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: 
ন্ধ= ন্ + ধ,
ভ্র = ভ্ + র
ট্ট = ট্ + ট।

উল্লেখ্য,
• যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না।
এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
কোন ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ বেশি ব্যবহৃত হয়?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
    - সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
    - এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
    - সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
    - সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
    - সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

     উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    .
    বাংলা ভাষার বিবর্তনের একেবারে প্রাথমিক স্তর কোনটি?
    1. ইন্দো-ইরানীয়
    2. ভারতীয় আর্য
    3. ইন্দো-ইউরোপীয়
    4. প্রাকৃত
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দো-ইউরোপীয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দো-ইউরোপীয়
    ব্যাখ্যা
    • বাংলা ভাষা:
    - বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। 
    - বাংলা ভাষাও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের সদস্য।
    - ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে।

    • এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে,
    সেগুলো হলো:
    - ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয়→  ভারতীয় আর্য→ প্রাকৃত→ বাংলা।
    - আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
    - বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

     উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    .
    'ই' উচ্চারণের সময়ে জিভের অবস্থান-
    1. উচ্চ-সম্মুখ
    2. নিম্ন-সম্মুখ
    3. নিম্ন-পশ্চাৎ
    4. উচ্চ-পশ্চাৎ
    সঠিক উত্তর:
    উচ্চ-সম্মুখ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উচ্চ-সম্মুখ
    ব্যাখ্যা
    উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

    • জিভের উচ্চতা অনুযায়ী,
    - উচ্চ = ই, উ।
    - উচ্চ-মধ্য = এ, ও।
    - নিম্ন-মধ্য = আ্যা, অ।
    - নিম্ন = আ।

    • জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী:
    - সম্মুখ = ই, এ, আ্যা, 
    - মধ্য = আ;
    - পশ্চাৎ = উ, ও, অ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    .
    নিচের কোনটি বাক্-প্রত্যঙ্গ নয়?
    1. নাক
    2. ঠোঁট
    3. জিহ্বা
    4. কান
    সঠিক উত্তর:
    কান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কান
    ব্যাখ্যা
    • ধ্বনি :
    - কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে।
    - ধ্বনির সঙ্গে অর্থের সংশ্লিষ্টতা থাকে না।
    - ধ্বনি তৈরি হয় বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে।
    - ধ্বনি তৈরিতে যেসব বাক্-প্রত্যঙ্গ সহায়তা করে সেগুলো হলো-ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, তালু, মাড়ি, দাঁত, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি।
    - মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে।
    - ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে আসার সময় মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়।
    - তবে সব ধ্বনিই সব ভাষা গ্রহণ করে না।

     উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১০.
    ব্যাকরণের কোন শাখায় ‘বাচ্য’ এবং ‘উক্তি’ আলোচনা করা হয়?
    1. ধ্বনিতত্ত্ব
    2. বাক্যতত্ত্ব
    3. রূপতত্ত্ব
    4. অর্থতত্ত্ব
    সঠিক উত্তর:
    বাক্যতত্ত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাক্যতত্ত্ব
    ব্যাখ্যা
    বাক্যতত্ত্ব:
    - বাক্যতত্ত্বে বাক্যের গঠন ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    • আলোচ্য বিষয়সমূহ:

    - বাক্যের নির্মাণ ও গঠনরীতি;
    - পদের বিন্যাস ও বর্গ;
    - বাচ্য পরিবর্তন, উক্তি রূপান্তর;
    - কারক বিশ্লেষণ,যোগ্যতা;
    - বাক্য উপাদানের লোপ;
    - যতিচিহ্ন ব্যবহারের নীতি;

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১১.
    নিচের কোনটি ”দন্ত্য ব্যঞ্জন” ধ্বনির উদাহরণ?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    দন্ত্য ব্যঞ্জন:
    - যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
    - ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    অন্যদিকে,

    - ফ,  ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১২.
    নিচের কোনটি সাধু ভাষায় ব্যবহার উপযোগী নয়?
    1. গল্প লেখা
    2. কবিতা লেখা
    3. প্রবন্ধ লেখা
    4. বক্তৃতা দেওয়া
    সঠিক উত্তর:
    বক্তৃতা দেওয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বক্তৃতা দেওয়া
    ব্যাখ্যা
    সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
    - সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
    - এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
    - সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
    - সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
    - সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

     উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৩.
    নিম্নে কোনটি ”ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন” ধ্বনির উদাহরণ?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
    - যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
    - এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত। 
    - প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    অন্যদিকে,
    - ট,  ড়,  মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
    -  ’ধ’ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৪.
    ধ্বনির সৃষ্টি কোথায় হয়?
    1. কানে
    2. মুখে
    3. হৃদয়ে
    4. মস্তিষ্ক
    সঠিক উত্তর:
    মুখে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুখে
    ব্যাখ্যা
    • ধ্বনি :
    - কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে।
    - ধ্বনির সঙ্গে অর্থের সংশ্লিষ্টতা থাকে না।
    - ধ্বনি তৈরি হয় বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে।
    - ধ্বনি তৈরিতে যেসব বাক্-প্রত্যঙ্গ সহায়তা করে সেগুলো হলো-ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, তালু, মাড়ি, দাঁত, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি।
    - মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে।
    - ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে আসার সময় মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়।
    - তবে সব ধ্বনিই সব ভাষা গ্রহণ করে না।

     উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৫.
    ব্যাকরণের কোন শাখায় 'বিশেষ্য', 'সর্বনাম', 'ক্রিয়া' আলোচিত হয়?
    1. রূপতত্ত্ব
    2. বাক্যতত্ত্ব
    3. ধ্বনিতত্ত্ব
    4. অর্থতত্ত্ব
    সঠিক উত্তর:
    রূপতত্ত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রূপতত্ত্ব
    ব্যাখ্যা
    রূপতত্ত্ব:
    - রূপতত্ত্বে মূলত শব্দ এবং তার গঠন ও উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    • আলোচ্য বিষয়:

    - বিশেষ্য,
    - সর্বনাম,
    - বিশেষণ,
    - ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি পদ
    - শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া (যেমন: উপসর্গ, প্রত্যয়, সংযুক্তি)।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৬.
    কোনটি চলিত ভাষার শব্দ?
    1. জুতা
    2. বন্য
    3. তুলা
    4. এসে
    সঠিক উত্তর:
    এসে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এসে
    ব্যাখ্যা
    • সাধু ও চলিত ভাষায় বিশেষ্য  ও সর্বনাম পদের কতিপয় রূপ:

    →  আসিয়া - এসে।
    → মস্তক = মাথা
    →  জুতা- জুতো;
    →  তুলা-  তুলো;
    →  শুষ্ক/শুকনা - শুকনো;
    →  বন্য - বুনো;
    →  তাঁহারা/উঁহারা -তাঁরা/ওঁরা;
    →  তাহাকে/উহাকে - তাকে/ওকে;
    →  তাহার/তাঁহার - তার/তাঁর;
    →  পাইয়াছিলেন - পেয়েছিলেন;
    →  হইলেন - হলেন;

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০১৯ সংস্করণ)।
    ১৭.
    অর্থতত্ত্বকে আর কী বলা হয়?
    1. বাক্যতত্ত্ব
    2. বাগার্থতত্ত্ব
    3. রূপতত্ত্ব
    4. ধ্বনিতত্ত্ব
    সঠিক উত্তর:
    বাগার্থতত্ত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাগার্থতত্ত্ব
    ব্যাখ্যা

    অর্থতত্ত্ব:
    - ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
    - একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়। 

    • আলোচ্য বিষয়:

    - বিপরীত শব্দ,
    - প্রতিশব্দ,
    - শব্দজোড়,
    - বাগ্‌ধারা
    - শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

    ১৮.
    ’বিপরীত’ শব্দ ও ’প্রতিশব্দ’ ব্যাকরণের কোন শাখার অন্তর্গত?
    1. ধ্বনিতত্ত্ব
    2. রূপতত্ত্ব
    3. অর্থতত্ত্ব
    4. বাক্যতত্ত্ব
    সঠিক উত্তর:
    অর্থতত্ত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অর্থতত্ত্ব
    ব্যাখ্যা
    • অর্থতত্ত্ব:
    - অর্থতত্ত্ব বা বাগর্থতত্ত্ব ব্যাকরণের সেই অংশ যেখানে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    • আলোচ্য বিষয়:

    - বিপরীত শব্দ,
    - প্রতিশব্দ,
    - শব্দজোড়,
    - বাগ্‌ধারা
    - শব্দ,
    - বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা, ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৯.
    ‘বাগযন্ত্রের উচ্চারণ প্রক্রিয়া’ কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
    1. অর্থতত্ত্ব
    2. রূপতত্ত্ব
    3. ধ্বনিতত্ত্ব
    4. বাক্যতত্ত্ব
    সঠিক উত্তর:
    ধ্বনিতত্ত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধ্বনিতত্ত্ব
    ব্যাখ্যা
    • ধ্বনিতত্ত্ব:
    - ধ্বনিতত্ত্ব হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি শাখা, যার মূল আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
    - ধ্বনিকে লেখায় প্রকাশ করতে হয় বর্ণ দিয়ে, তাই বর্ণমালাও ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্গত।

    • প্রধান আলোচ্য বিষয়সমূহ:

    - বাগযন্ত্রের ও তার উচ্চারণ-প্রক্রিয়া;
    - ধ্বনির বিন্যাস;
    - স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য;
    - ধ্বনিদল ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ২০.
    নিম্নে কোনটি "কম্পিত ব্যঞ্জন" ধ্বনির উদাহরণ?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    • কম্পিত ব্যঞ্জন:
    - যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে,
    তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে।
    - ”র” কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    অন্যদিকে,
    - ”হ” উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।
    - ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।