পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes২৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৩ বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
'Itinerary' means-
  1. list of items to be discussed in meeting.
  2. list of events in a fixed time.
  3. plan of a journey.
  4. record of events occurred in a day.
সঠিক উত্তর:
plan of a journey.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plan of a journey.
ব্যাখ্যা

The correct answer is- গ) plan of a journey.

Itinerary (Noun):
- English meaning: A document in which the places you go to or plan to go to on a journey are listed.
- Bangla meaning: ভ্রমণের পরিকল্পনা, বৃত্তান্ত বা লেখাপ্রমাণ; পথবৃত্তান্ত; পথপঞ্জি; গমনপথ।

Other Options:
ক) list of items to be discussed in meeting is called- agenda.
খ) list of events in a fixed time is called- a schedule or a chronology.
গ) record of events occurred in a day is kept in a diary.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

.
Select the correct translation: "There are lees to every wine"
  1. অন্ধকারে ঢিল মারা।
  2. যত গর্জে তত বর্ষে না।
  3. যেমন কর্ম তেমন ফল।
  4. চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।
সঠিক উত্তর:
চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।
ব্যাখ্যা

Correct answer: চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।

There are lees to every wine.
- চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।

অন্যদিকে,
ক) অন্ধকারে ঢিল মারা।
- Beat about the bush.

খ) যত গর্জে তত বর্ষে না।
- Barking dogs seldom bite.

গ) যেমন কর্ম তেমন ফল।
- As you sow so you reap.

Source: Live MCQ lecture.

.
The scene was very horrible. (Make it exclamatory)
  1. What horrible the scene was!
  2. How horrible the scene had been!
  3. How horrible the scene was!
  4. What horrible the scene had been!
সঠিক উত্তর:
How horrible the scene was!
উত্তর
সঠিক উত্তর:
How horrible the scene was!
ব্যাখ্যা

Correct answer: How horrible the scene was!
- যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে adjective এর পুর্বে কোনো article নেই তাই নিয়মানুযায়ী শুরুতে How বসিয়ে Exclamatory Sentence এ রূপান্তর করতে হবে।

Assertive to Exclamatory করার structure:
- What/How+ Adjective + Subject + Verb + বাকি অংশ + Exclamation mark.
- Adjective এর পূর্বে a/an থাকলে Exclamatory করার সময় What বসবে এবং এরপর a/an হবে।
- আর যদি Adjective এর পূর্বে a/an না থাকে তবে How দিয়ে Exclamatory করতে হবে।

Other options:
ক) What horrible the scene was!
- Adjective এর পূর্বে a/an থাকলে Exclamatory করার সময় What বসবে এবং এরপর a/an হবে। যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে adjective এর পুর্বে কোনো article নেই তাই নিয়মানুযায়ী শুরুতে How বসিয়ে Exclamatory Sentence এ রূপান্তর করতে হবে।

খ) How horrible the scene had been!
- Assertive থেকে Exclamatory sentence এ পরিবর্তনের সময় ক্রিয়ার কাল পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। তাই এটি সঠিক নয়।

ঘ) What horrible the scene had been!
- Adjective এর পূর্বে a/an থাকলে Exclamatory করার সময় What বসবে এবং এরপর a/an হবে।
- আবার Assertive থেকে Exclamatory sentence এ পরিবর্তনের সময় ক্রিয়ার কাল পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। তাই এটি সঠিক   নয়।

Source: A Passage To The English Language, S.M. Zakir Hussain.

.
The correct antonym of the word 'lavish' is-
  1. Pathetic
  2. Miserable
  3. Miserliness
  4. Affable
সঠিক উত্তর:
Miserliness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Miserliness
ব্যাখ্যা

The correct answer is- miserliness.

Lavish
- Bangla meaning: expending or bestowing profusely: prodigal.
- English meaning: অমিতব্যয়ী; অপব্যয়ী।

Miserliness
- Bangla meaning: কৃপণতা; ব্যয়কুণ্ঠতা।
- English meaning: a strong wish to have money and not to spend it.

Other options:
ক) Pathetic
- Bangla meaning: marked by sorrow or melancholy: sad.
- English meaning: করুণ বা (কথ্য) অবজ্ঞেয়।

খ) Miserable
- Bangla meaning: being in a pitiable state of distress or unhappiness.
- English meaning: দুঃস্থ; দুর্গত; অতিষ্ঠ; দুর্বিষহ।

ঘ) Affable
- Bangla meaning: being pleasant and at ease in talking to others.
- English meaning: শিষ্টাচারী ও বন্ধুভাবাপন্ন; অমায়িক।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

.
________ one-eyed beggar scared the children.(Fill in the gap with article).
  1. A
  2. An
  3. The
  4. No article
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: A one-eyed beggar scared the children.

• শব্দের শুরুতে যদি vowel থাকে এবং তা যদি ইউ (U) বা ওয়া (O) এর মত উচ্চারিত হয় তাহলে তার পূর্বে an না বসে a বসে ।
-'O' এর উচ্চারণ "ওয়া" এর মত হলে (vowel হওয়া সত্ত্বেও) তার আগে an না বসে a বসে।
Example:
Inc: I saw an one-eyed man.
Cor: I saw a one-eyed man.

• কিন্তু O-এর উচ্চারণ "অ" বা "ঔ"-এর মত হলে তার আগে an বসে। 
Example:
Incorrect: He is a old man.
Correct: He is an old man.
Incorrect: He works as a operator in a company.
Correct: He works as an operator in a company.

Source: A Passage To The English Language S.M. Zakir Hussain.

.
”নীলাম্বর” কোন প্রকার সমাস?
  1. তৎপুরুষ
  2. বহুব্রীহি
  3. কর্মধারয়
  4. দ্বিগু
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে কোন নতুন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন,
- চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
- পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার,
- দিগম্বর = দিক অম্বর যার,
- নীলাম্বর = নীল অম্বর যার।

⇒ নীল আকাশ অর্থে: কর্মধারয় সমাস। 
• যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
- নীল যে অম্বর = নীলাম্বর।
আবার- 
⇒ নীলবর্ণ বস্ত্র পরিহিত বা পরিধানকারী (কৃষ্ণের ভ্রাতা বলরাম) অর্থে বহুব্রীহি সমাস। 
• যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- নীল অম্বর যার = নীলাম্বর।
এধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় যেকোনো একটি অপশন থাকলে সেটিই উত্তর করবেন। আর উভয়ই থাকলে নিজস্ব বিবেচনায় উত্তর করবেন।
[ আমাদের এ প্রশ্নের ক্ষেত্রে, অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় উত্তরটি বাতিল করা হয়েছে]

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. সলিল 
  2. দৈনিক
  3. চারিত্রিক
  4. প্রাণী
সঠিক উত্তর:
সলিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সলিল 
ব্যাখ্যা

• কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ- সলিল (সল্ + ইল)।
উল্লেখ্য,
- ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি; আর ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়। যেমন-
চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন (বিশেষ্য পদ)। চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়)-চলন্ত (বিশেষণ পদ)।

অন্যদিকে,
• তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ:
- দিন + ইক= দৈনিক।
- চরিত্র + ইক =  চারিত্রিক।
- প্রাণ + ঈ =  প্রাণী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

.
”ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি।”-এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
  1. ঋষিকল্প
  2. ঋত্বিক
  3. ঋষিতুল্য
  4. উত্তমর্ণ
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক
ব্যাখ্যা

• ”ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি।”-এক কথায় প্রকাশ- ঋত্বিক।

অন্যদিকে,
- ঋষির ন্যায়- ঋষিকল্প।
- ঋণ দেয় যে- উত্তমর্ণ।
- ঋষির তুল্য - ঋষিতুল্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা. ড.হায়াৎ মামুদ।

.
”বিষয়টা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে”- বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. পুরাঘটিত বর্তমান
  3. ঘটমান অতীত
  4. নিত্য অতীত
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
ব্যাখ্যা

• পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে। 
যেমন
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
- বিষয় টা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

• পুরাঘটিত বর্তমান:
- এইমাত্র সম্পন্ন ক্রিয়ার কালকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
যেমন
- আমি অঙ্কটি করেছি।
- তারা বাড়িতে ফিরেছে।

• ঘটমান অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
- তারা মাঠে খেলছিল।

• নিত্য অতীত:
- অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
- তারা সাগরের তীরেঝিনুক কুড়াত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

১০.
”ঘোড়ার গাড়ির চালক”-এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. হ্রেষা
  2. ঘোলাটে
  3. আস্তাবল
  4. কোচওয়ান
সঠিক উত্তর:
কোচওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোচওয়ান
ব্যাখ্যা

”ঘোড়ার গাড়ির চালক”-এক কথায় প্রকাশ- কোচওয়ান।

অন্যদিকে,
- ঘোড়ার ডাক- হ্রেষা।
- ঘোড়া থাকার স্থান- ঘোড়াশাল/আস্তাবল।
- ঘোলার ভাব- ঘোলাটে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা. ড.হায়াৎ মামুদ।

১১.
”সার্বভৌম” শব্দের সঠিক প্রকৃত-প্রত্যয় কোনটি?
  1. সর্বভূমি+ ষ্ণ
  2. সর্বভুমি+ ষ্ণ
  3. সর্বাভৌমি+ ষ
  4. সর্বভূমি+ ঞ্চ
সঠিক উত্তর:
সর্বভূমি+ ষ্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বভূমি+ ষ্ণ
ব্যাখ্যা

• দুটি শব্দের দ্বারা গঠিত সমাসবদ্ধ শব্দের অথবা উপসর্গযুক্ত শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উপসর্গসহ শব্দের বা শব্দ দুটির মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়।
যথা-
- পরলোক + ইক = পারলৌকিক।
- সুভগ + ষ্ণ্য = সৌভাগ্য।
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক।
- সর্বভূমি + ষ্ণ = সার্বভৌম।

উল্লেখ্য,
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণ্য, ইক, ইত, ইমন, ইল, ইষ্ট, ঈন, তর, তম, তা, ত্ব, নীন, নীয়, বতুপ্, বিন্, র, ল প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সালের সংস্করণ)

১২.
নিচের কোনটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. মনমাঝি
  2. স্মৃতিসৌধ
  3. তুষারশুভ্র
  4. চন্দ্রমুখ
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রমুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা

• মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা-
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, 
- সাহিত্য বিষয়ক সভা =  সাহিত্যসভা,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ

• উপমান কর্মধারয়: 
- উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে।
যেমন
- ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ =  ভ্রমরকৃষ্ণকেশ।
- তুষারের ন্যায় শুভ্র  = তুষারশুভ্র,
- অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা।

উপমিত কর্মধারয়:
- সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে (
যেমন
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ। 
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।

• রূপক কর্মধারয়:
- উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।
যেমন-
- ক্রোধ রূপ অনল= ক্রোধানল, 
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, 
- মন রূপ মাঝি  = মনমাঝি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি। (২০১৯ সালের সংস্করণ)

১৩.
একটি নৌকার স্থির পানিতে গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. এবং স্রোতের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কিমি গিয়ে আবার ফিরে আসতে সময় লাগবে কত?
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৪.৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৪.৫ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নৌকার স্থির পানিতে গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. এবং স্রোতের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কিমি গিয়ে আবার ফিরে আসতে সময় লাগবে কত?

সমাধান:
অনুকূলে গতি = ১৫ + ৫ = ২০ কিমি/ঘণ্টা
প্রতিকূলে গতি = ১৫ - ৫ = ১০ কিমি/ঘণ্টা

∴ সময় = (৩০/২০) + (৩০/১০) = ১.৫ + ৩ = ৪.৫ ঘণ্টা

১৪.
রুবেল ও রাফির আয়ের অনুপাত ৭ : ৫ এবং রাফি ও মামুনের আয়ের অনুপাত ২ : ৩। রুবেলের আয় ২১০ টাকা হলে মামুনের আয় কত?
  1. ২১০ টাকা
  2. ২২০ টাকা
  3. ২২৫ টাকা
  4. ২৪৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
২২৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রুবেল ও রাফির আয়ের অনুপাত ৭ : ৫ এবং রাফি ও মামুনের আয়ের অনুপাত ২ : ৩। রুবেলের আয় ২১০ টাকা হলে মামুনের আয় কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
রুবেল : রাফি = ৭ : ৫
রাফি : মামুন = ২ : ৩
রুবেল : রাফি : মামুন = ৭ × ২ : ৫ × ২ : ৫ × ৩ = ১৪ : ১০ : ১৫
অতএব,
রুবেল : মামুন = ১৪ : ১৫

∴ মামুনের আয় = (রুবেলের আয় × ১৫​)/১৪
= (২১০ × ১৫)/ ১৪
= ২২৫

∴ মামুনের আয় ২২৫ টাকা।

১৫.
যদি (2/3)2x - 1 × (3/2)x + 2 = (2/3)- 3 হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 0
  2. 3
  3. -3
  4. 6
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (2/3)2x - 1 × (3/2)x + 2 = (2/3)- 3 হয়, তাহলে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
(2/3)2x - 1 × (3/2)x + 2 = (2/3)- 3
⇒ (2/3)2x - 1 × (2/3) - (x + 2) = (2/3)- 3
⇒ 2x - 1 - x - 2 = - 3
⇒ x - 3 = - 3
⇒ x = 0

১৬.
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর। আবার পিতা ও পুত্রের গড় ৩৭ বছর। মাতার বয়স কত?
  1. ৪০ বছর
  2. ৪৩ বছর
  3. ৪৬ বছর
  4. ৪৯ বছর
সঠিক উত্তর:
৪৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর। আবার পিতা ও পুত্রের গড় ৩৭ বছর। মাতার বয়স কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
পিতা, মাতা ও পুত্র তিনজনের গড় বয়স ৪০ বছর
∴ তিনজনের মোট বয়স = ৩ × ৪০ = ১২০ বছর ……(১)

আবার, 
পিতা + পুত্র দুজনের গড় বয়স ৩৭ বছর
∴ দুইজনের মোট বয়স = ২ × ৩৭ = ৭৪ বছর ……(২)

এখন (১) থেকে (২) বিয়োগ করলে শুধু মাতার বয়স পাওয়া যাবে। 
∴ মাতার বয়স = ১২০ - ৭৪ = ৪৬ বছর

১৭.
একটি ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৯০ কি.মি.। ট্রেনটি ৪০ মিনিটে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?
  1. ৫০ কিমি
  2. ৬০ কিমি
  3. ৭০ কিমি
  4. ৮০ কিমি
সঠিক উত্তর:
৬০ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কিমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৯০ কি.মি.। ট্রেনটি ৪০ মিনিটে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
সময় = ৪০ মিনিট
= ৪০/৬০ ঘণ্টা
= ২/৩ ঘণ্টা

আমরা জানি,
দূরত্ব = বেগ × সময়
∴ দূরত্ব = ৯০ × (২/৩) = ৬০ কি.মি.

১৮.
একটি মিশ্রণে চিনি ও দুধের অনুপাত ৩ : ২। যদি মিশ্রণের মোট ওজন ৫০ কেজি হয়, তবে চিনির পরিমাণ কত কেজি?
  1. ২০ কেজি
  2. ২৫ কেজি
  3. ৩০ কেজি
  4. ৩৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
৩০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি মিশ্রণে চিনি ও দুধের অনুপাত ৩ : ২। যদি মিশ্রণের মোট ওজন ৫০ কেজি হয়, তবে চিনির পরিমাণ কত কেজি?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
চিনি ও দুধের অনুপাত ৩ : ২
অনুপাতের সমষ্টি = ৩ + ২ = ৫

∴ চিনির পরিমাণ = (৩/৫) × ৫০ = ৩০ কেজি

১৯.
একটি ট্রেন ৯০ কিমি/ঘণ্টা বেগে চললে ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু অতিক্রম করতে ৫০ সেকেন্ড সময় লাগে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. ৫৫০ মিটার
  2. ৬০০ মিটার
  3. ৬২৫ মিটার
  4. ৬৫০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্নঃ একটি ট্রেন ৯০ কিমি/ঘণ্টা বেগে চললে ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু অতিক্রম করতে ৫০ সেকেন্ড সময় লাগে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:
বেগ = (৯০ × ১০০০)/৩৬০০
= ২৫ মি./সে.
সময় = ৫০ সেকেন্ড

ধরি,
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
∴ ৬০০ + ক = ২৫ × ৫০
⇒ ৬০০ + ক = ১২৫০
∴ ক = ৬৫০

∴ ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ৬৫০ মিটার।

২০.
সাধারণত জৈব অম্লের কার্যকরী মূলক কোনটি?
  1. কার্বক্সিল মূলক (-COOH)
  2. হাইড্রক্সিল মূলক (-OH)
  3. কার্বনিল মূলক (>C=O)
  4. অ্যালডিহাইড মূলক (-CHO)
সঠিক উত্তর:
কার্বক্সিল মূলক (-COOH)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বক্সিল মূলক (-COOH)
ব্যাখ্যা

জৈব অম্ল বা কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের প্রধান কার্যকরী মূলক হলো কার্বক্সিল মূলক (-COOH)। 
- এই মূলকটি একটি কার্বনিল গ্রুপ (C=O) এবং একটি হাইড্রক্সিল গ্রুপ (-OH) এর সমন্বয়ে গঠিত।

• জৈব অম্ল বা এসিড:
- যে জৈব যৌগে কার্বক্সিল গ্রুপ (-COOH) বিদ্যমান থাকে তাকে জৈব এসিড (অম্ল) বা ফ্যাটি এসিড বলে।
- কার্বক্সিল মূলকের হাইড্রোজেন পরমাণুটি জলীয় দ্রবণে বিয়োজিত হয়ে H+ আয়ন দান করে, যার ফলে যৌগটি অম্লীয় ধর্ম প্রদর্শন করে।
- সাধারণত অজৈব অ্যাসিডের তুলনায় দুর্বল প্রকৃতির হয়।
- জৈব এসিড টক স্বাদ সম্পন্ন হয়।
- পানি ও জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়।
- উদাহরণ: সাইট্রিক অ্যাসিড, অক্সালিক অ্যাসিড, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের উদাহরণ কোনটি?
  1. মরীচিকা
  2. হীরার ঔজ্জ্বল্য
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মরীচিকা, হীরার ঔজ্জ্বল্য, অপটিক্যাল ফাইবার সবগুলোই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের উদাহরণ।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection):

- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) হলো এমন একটি আলোকীয় ঘটনা যেখানে আলোকরশ্মি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে।

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত:
১) আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে।
২) আপতন কোণ সংকট কোণের থেকে বড় হতে হবে।

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের উদাহরণ:
মরীচিকা, অপটিক্যাল ফাইবার, হীরার ঔজ্জ্বল্য ইত্যাদি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ক্রেসকোগ্রাফ
  3. ক্রনোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র।

এছাড়া,
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণায়ক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্র - অ্যানিমোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।
- বায়ুতে আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি।

২৩.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন উপদেষ্টা
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
- নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।। 

২৪.
বাংলাদেশের প্রথম গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

• প্রথম গণভোট:
⇒ দেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালের ৩০ মে,
- প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকাজের বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল ।
- ভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণ জানান, রাষ্ট্রপতি এবং তার নীতি ও কর্মসূচির প্রতি তারা আস্থা রাখেন কি না।
- ১৯৭৭ সালের ২২ এপ্রিল গণভোটের ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান।
- সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা ভোটগ্রহণ দেশের ২১ হাজার ৬৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। তখন দেশের মোট ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৮৪ লাখ।

• দ্বিতীয় গণভোট:
⇒ ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নীতি ও কর্মসূচির বৈধতা যাচাইয়ের জন্য। ভোটাররা 'হ্যাঁ' বা 'না' বাক্সে ভোট দেন। আস্থা থাকলে জেনারেল এরশাদের ছবিসহ 'হ্যাঁ' বাক্সে এবং আস্থা না থাকলে 'না' বাক্সে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

• তৃতীয় গণভোট
⇒ গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এরশাদ। এরপর পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় বিএনপি। ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন থেকে প্রধানমন্ত্রীশাসিত সংসদীয় পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট সংসদে বিল পাস হয়।
- সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর ওই বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দেবেন কি না, তা নির্ধারণে ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।

২৫.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুসারে, ২০৬২ সাল থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কী হবে?
  1. ধনাত্মক
  2. স্থিতিশীল
  3. ঋণাত্মক 
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
ব্যাখ্যা

'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে?
  1. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২০ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: 
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময়ে ভৌগোলিক অবস্থান, স্বল্প পরিসরের ভূখন্ড এবং সীমিত অর্থনৈতিক সম্পদ ইত্যাদি বিভিন্ন নিয়ামক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে দেয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে  দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কীয় সাংবিধনিক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে।
- এই নির্দেশনাসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।

• এগুলি হলো:
i) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
ii) অপর রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
iii) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
iv) আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা। 
- এ সকল নীতিই হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২৭.
সর্বশেষ "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

২৮.
’জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’ এর চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
  2. অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী
  3. অধ্যাপক সলিমুল্লাহ
  4. অধ্যাপক ইকবাল কবির
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০:
- স্বাধীনতার পরপরই একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত এ খুদার নেতৃত্বে দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- উক্ত কমিশন ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালে গণমুখী আধুনিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
- আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সময়ের প্রয়োজনে এটি সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ ২০১০ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এই শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিশীল নেতৃত্বদানে উপযোগী মানবতাবাদী, মননশীল, যুক্তিবাদী, কুসংস্কারমুক্ত, অসম্প্রদায়িক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলা।

শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- এই শিক্ষানীতি সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে গণমুখী, সুলভ, সুসম, সর্বজনীন, সুপরিকল্পিত, বিজ্ঞানমনস্ক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাদানে সক্ষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও কৌশল হিসেবে কাজ করবে।
- এই আলোকে শিক্ষার ৩০টি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও নীতিগত তাগিদ নেয়া হয়েছে।

উৎস: সমাজকর্ম প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
রাষ্ট্রে উপাদান নয় কোনটি?
  1. সার্বভৌমত্ব
  2. জনসমষ্টি
  3. সরকার 
  4. ঐক্য
সঠিক উত্তর:
ঐক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রে উপাদান নয়- ঐক্য।

- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা।
- এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব।
- মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। 

- অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।' 

• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ।
যথা-
১।জনসমষ্টি,
২।নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩। সরকার ও
৪। সার্বভৌমত্ব।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।