উত্তর
ব্যাখ্যা
গণ - সমূহ; সমষ্টি।
বহুবচনবাচক শব্দ (কৃষকগণ, লোকগণ)।
জনসাধারণ (গণ-আন্দোলন)।
গণসাহিত্য শব্দে ‘গণ’ কথাটি ব্যবহৃত হয় সাধারণ মানুষ অর্থে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
Unlisted · ৩ আগস্ট, ২০২১ · ১০০ প্রশ্ন
গণ - সমূহ; সমষ্টি।
বহুবচনবাচক শব্দ (কৃষকগণ, লোকগণ)।
জনসাধারণ (গণ-আন্দোলন)।
গণসাহিত্য শব্দে ‘গণ’ কথাটি ব্যবহৃত হয় সাধারণ মানুষ অর্থে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
- সতীদাহ প্রথা ছিলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- এই প্রথা বন্ধ করার জন্যে রাজা রামমোহন রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। রামমোহন রায় ও অন্যান্য হিন্দু মধ্যবিত্ত শিক্ষিতদের সহযোগিতায় গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।
- ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ ফোর্ট উইলিয়মের অভ্যন্তরভাগে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলী কর্তৃক ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাচ্যবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। নবনিযুক্ত ইউরোপীয় আমলাদের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতি সাধনই ছিল এ কেন্দ্রের উদ্দেশ্য।
- কলেজের বাঙালি শিক্ষকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত ছিলেন রামরাম বসু, তারিণীচরণ মিত্র ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। এ সকল পন্ডিতের সাহায্যে কলেজের অধ্যাপকগণ বাংলা ভাষার মান উন্নয়ন ও বাংলা গদ্য রীতির প্রবর্তনের কাজে সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করেন।
অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হবে রামরাম বসু।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
- প্রহসন হাস্যরসপ্রধান স্বল্পদৈর্ঘ্য নাট্যধর্মী রচনা। এতে হাস্য ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের আবরণে সমাজের অনৈতিকতা, অনাচার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও রক্ষণশীলতা এবং প্রাত্যহিক জীবনের ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ তুলে ধরা হয়।
- নকশাধর্মী কাহিনীর মাধ্যমে ঘটনা ও বিষয়বস্ত্তর অতিকথন, টাইপ চরিত্রের সংযোগ এবং হাসি ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ সহযোগে খন্ডজীবনের একটি উপভোগ্য নাট্যরূপায়ণই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- রামনারায়ণ তর্করত্ন (১৮২২-১৮৮৬) সংস্কৃত প্রহসনের আদর্শে বাংলা প্রহসন রচনার পথিকৃৎ।
অর্থাৎ, প্রহসন হলো সমাজের ত্রুটি নির্দেশক ব্যাঙ্গাত্মক নাটক।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
মৃগয়া (বিশেষ্য) : হরিণ শিকার; বন্য পশুপাখি শিকার।
যেমনঃ
- রাজা মৃগয়ায় বেরিয়েছেন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
‘ইতে’> ‘তে’ বিভক্তিযুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়ার ব্যবহারে ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা বা অভিপ্রায় অর্থ প্রকাশ সূচক বাক্য হলো ''পড়া শেষে খেলতে যাবো'', “আমি এখন যেতে চাই” ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক 'কৃষ্ণকুমারী'। এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- এই নাটকের কাহিনী উইলিয়াম টডের 'রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগ্রহীত।
- এই নাটকের উল্লেখযােগ্য চরিত্রঃ
কৃষ্ণকুমারী, মনিকা, ভীম-সিংহ, জগৎসিংহ, ধনদাস প্রমুখ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ‘বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ রচনা করেন, যা ১৮৫৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৮৫৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত হয় ‘বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না, এই বিষয়ক প্রস্তাব’।
- বিধবাবিবাহ রহিতকরণ বিষয়ে তিনি কলমযুদ্ধ শুরু করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবাবিবাহের সপক্ষ জনমত গঠন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান লেখক, ব্রাহ্মসমাজের প্রথম আচার্য রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ বিধবাবিবাহের পক্ষে প্রথম সমর্থন দান করেন। আইনের মাধ্যমে বিধবাবিবাহকে বৈধ করার লক্ষ্য নিয়ে ৯৮৭ জনের সই সংগ্রহ করে বিদ্যাসাগর আবেদনপত্র জমা দেন তৎকালীন ভারত সরকারের কাছে।
- সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই বিধবাবিবাহ আইন পাস হয়।
উৎসঃ প্রথম আলো, আনন্দবাজার পত্রিকা
- বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয় ১৯৭২ সালে।
• তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থঃ
- অগ্নিবীণা,
- মরুভাস্কর,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- দোলনচাঁপা,
- সন্ধ্যা,
- চক্রবাক,
- চন্দ্রবিন্দু,
- ছায়ানট,
- বিষের বাঁশি,
- সর্বহারা,
- পুবের হাওয়া,
- সাম্যবাদী,
- ঝিঙ্গে-ফুল,
- ফনিমনসা,
- প্রলয়-শিখা,
- নতুন চাঁদ (শেষ কাব্য)
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
মীর মশাররফ হোসেন : ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যরচয়িতা৷
উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু (ঐতিহাসিক নাটক)।
নাটক:
- বসন্তকুমারী নাটক
- জমীদার দর্পণ
গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী
তাছাড়া,
- তার রচিত প্রথম গ্রন্থ হলো 'রত্নাবতী'৷
- তার রচিত একমাত্র প্রহসন : 'এর উপায় কি?'
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
- মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- এই পত্রিকা সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
শওকত ওসমান- কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম 'শেখ আজিজুর রহমান'।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাসঃ
- জননী (প্রথম প্রকাশিত)
- চৌরসন্ধি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম ইত্যাদি।
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাঙ্গী
- জাহান্নাম হইতে বিদায়
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থঃ
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
- দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে রচনা করেন নীল দর্পণ নাটক। এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাথমিক আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক নাটক।
- মীর মশাররফ হোসেন ১৮৭২-৭৩ সালে রচনা করেন জমিদার দর্পণ নাটক, এই নাটক রচনায় দীন বন্ধু মিত্রের নীল দর্পণ নাটকের প্রভাব রয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মুনির চৌধুরী উক্ত দুজনের আরো পরে নাটক রচনা করেন।
তাই উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় দীন বন্ধু মিত্রই প্রথম বাংলা ভাষায় আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লেখেন।
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা-
- ধূমকেতু,
- লাঙ্গল ও
- নবযুগ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
শুদ্ধ বাক্য-
- তিনি সাক্ষ্য দেবেন না।
- আমি প্রত্যক্ষ করেছি।
- তিনি সস্ত্রীক এসেছেন।
- তার কথায় মাধুর্য নেই।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
শামসুর রহমানের গ্রন্থঃ
আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থঃ
- কালের ধুলোয় লেখা। একাত্তরের ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ বিবরণ তিনি লিখে গিয়েছেন আত্মজীবনী কালের ধুলোয় লেখা গ্রন্থে।
আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থঃ
- স্মৃতির শহর। (কিশোর রচনা)
কাব্যগ্রন্থঃ
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- শূন্যতায় তুমি শোকসভা,
- ইকারুসের আকাশ,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- শুনি হৃদয়ের ধ্বনি,
- অন্ধকার থেকে আলোয় ইত্যাদি।
উপন্যাসঃ
- অক্টোপাস,
- অদ্ভূত আঁধার এক,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
- মনােএল দা আসসুম্পসাঁউ ছিলেন একজন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক। জাতিতে ছিলেন পর্তুগিজ। তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা।
- মনােএলের আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন নি। ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহরে রােমান লিপিতে মনােএল দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন।
- গ্রন্থ দুটি হলাে :
- 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' এবং 'ভােকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পােরতুগিজ'।
- এর মধ্যে দ্বিতীয়টি অর্থাৎ ভােকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পােরতুগিজ মূলত অভিধান গ্রন্থ।
- তবুও এই গ্রন্থেই মনােএল অতি সংক্ষেপে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ একটি অধ্যায়ে সংযােজন করেন।
- এটাকেই মনােএলের ব্যাকরণ বলে এবং এ কারণেই তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি একরূপ বিশেষ্য দিয়ে এক জাতীয় কাজ বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমনঃ
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি।
- কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
- কোলে কোলে যে মিলন = কোলাকুলি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যত কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
যেমনঃ
- তুমি যাও
- কাজটি করে ফেল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
গিরিশচন্দ্র সেন (১৮৩৫-১৯১০) : ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক। বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ তিনিই প্রথম করেন। নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- গিরিশচন্দ্র সেন ছাত্রজীবনে ফারসি ও সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা করেন। কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন এবং প্রচারব্রত গ্রহণ করে উত্তর ভারত, দক্ষিণ ভারত ও ব্রহ্মদেশ ভ্রমণ করেন।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।
সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া
Literature অর্থ সাহিত্য।
Epilogue - গ্রন্থাদির উপসংহার বা শেষ পরিচ্ছেদ।
Monologue - a long speech by one actor in a play or film; যে নাটকীয় রচনায় একটি মাত্র লোক কথা বলে।
Prologue - a separate introductory section of a literary, dramatic, or musical work.
উপরের সবগুলো সাহিত্য বা literature -এর সাথে সম্পর্কিত।
Demagogue - a political leader who seeks support by appealing to the desires and prejudices of ordinary people rather than by using rational argument.
শুধুমাত্র Demagogue রাজনীতির সাথে জড়িত।
Open page 30 বাক্যটি ভুল। কারণ বই খোলা অর্থে open at ব্যবহৃত হয়।
তাই সঠিক বাক্য হবে- Open at page 30.
প্রশ্নের অন্যান্য বাক্যগুলো সঠিক।
সঠিক বাক্য-
- A drowning man catches at a straw.
- I do not know how to swim.
- He called me a fool.
- He told a lie.
Imperative sentence structure: Verb/let/please/kindly + extension.
যেমনঃ
- Don’t open the door.
- Please, help me.
- Stop writing.
- If one thing is in contrast to another, it is very different from it.
Example:
- What a contrast to his brother?
- His public statements have always been in marked contrast to those of his son.
- 'Lyrical Ballads' was published in 1798.
- It is written by William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge.
- The Romantic period began with the publication of Lyrical Ballads.
- Lyrical Ballads is a collection of romantic poems.
Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman.
- 'Frailty thy name is woman' এটি William Shakespeare এর বিখ্যাত একটি উক্তি।
- এটি তাঁর বিখ্যাত drama 'Hamlet' থেকে নেওয়া।
- এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
- This speech taken to mean that women are weaker than men.
A Collective noun (সমষ্টিবাচক বিশেষ্য) is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of a one whole.
Such as: herd, crowd, mob, team, flock, army, fleet, jury, family, nation, parliament, committee.
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
- শিরিন এবাদী প্রথম মুসলিম নারী, যিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ইরানের মানবাধিকারকর্মী।
- গণতন্ত্র, মানবাধিকার, নারী ও শিশু অধিকার এবং শরণার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি। এর স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয় ২০০৩ সালে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
- ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
- প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
অর্থাৎ, ঢাকা ১৬১০ সালে সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল।
উৎসঃ ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
- 'তৃতীয় বিশ্ব' খুবই জনপ্রিয় একটি পরিভাষা।
- এই পরিভাষার দ্বারা স্বল্পোন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোকেই নির্দেশ করে হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ যেসব দেশ অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে পশ্চাৎপদ।
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- উপ-মহাদেশীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চেন্সেলর হলেন স্যার এ. এফ. রহমান।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এপিপি ও পিপিআই ব্যুরো পরিত্যক্ত ঘোষিত হয় এবং এপিপি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) নামে রূপান্তরিত হয়।
- প্রায় যন্ত্রসরঞ্জামহীন অবস্থায় প্রাক্তন এপিপি-র অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা নিয়ে এই সংস্থা কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
- বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর।
- এটি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর৷
উৎসঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
- সংবিধানের ৭৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের জন্যে ন্যূনতম ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি খাকতে হয়। একে কোরাম বলা হয়।
- সংসদের বৈঠক চলাকালে যদি কখনো সদস্যের উপস্থিতি ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রে স্পিকার বৈঠক স্থগিত বা মূলতবি করে কোরাম পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষা করেন।
সোর্স: বাংলাদেশ সংবিধান।
- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন, এলেনবাড়ী, তেজগীও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
- মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুপর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।
শায়েস্তা খানের কীর্তি-
- চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
- তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও। এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- কমলাপুর রেল স্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুজন মার্কিন। ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
উৎসঃ প্রথম আলো এবং বাংলা ট্রিবিউন।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।
- এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।
- পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত।
- পাঁচটি অঙ্গ হচ্ছে: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
বক্সিং খেলার উদ্ভব হয় প্রাচীন গ্রিসে। তৎকালীন গ্রীক রাজা থিসিয়াস এই খেলার উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, তবে গ্রীকরা এটাও বিশ্বাস করতো যে এই খেলার নিয়ম স্রষ্টা অথবা কোনো মহান বীর কর্তৃক প্রদত্ত।
থিসিয়াসের খেলার নিয়ম অনুমিতভাবেই আধুনিক বক্সিং থেকে কিছুটা ভিন্ন ছিলো।
উৎসঃ অলিম্পিকস
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ - গ্রিনল্যান্ড।
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি সুবৃহৎ দ্বীপ যা ডেনমার্কের একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
- এটি পশ্চিম দিকে ডেভিস প্রণালী ও ব্যাফিন উপসাগর দ্বারা প্রাথমিকভাবে কানাডীয় আর্কটিক দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং পূর্ব দিকে ডেনমার্ক প্রণালী দ্বারা আইসল্যান্ড থেকে পৃথক হয়েছে।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং ব্রিটানিকা।
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কফি উৎপাদনকারী দেশ হলো ব্রাজিল। তারা একাই বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ কফি উৎপাদন করে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনাম।
Source: worldatlas
- নিশীথ সূর্যের দেশ : নরওয়ে।
- এর রাজধানী : অসলো।
- নরওয়ে বছরের আট মাস বরফের নিচে ঢাকা থাকে। বছরের দুই মাস এখানে সূর্য ওঠে না।
তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২০% কমে যাওয়ায় চিনির বর্তমান মূল্য = (১০০ - ২০) = ৮০ টাকা
চিনির ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পাওয়ায়, বর্তমানে চিনি ব্যবহৃত হয় = (১০০ + ২০) = ১২০ টাকা
১০০ টাকার চিনির স্থানে ব্যবহার হয় ১২০ টাকার চিনি
১ টাকার চিনির স্থানে ব্যবহার হয় = ১২০/১০০ টাকার চিনি।
৮০ টাকার চিনির স্থানে ব্যবহার হয় = (১২০× ৮০)/১০০
= ৯৬ টাকা।
চিনি বাবদ শতকরা ব্যয় কমে (১০০ - ৯৬)= ৪ টাকা
∴ ৪% ব্যয় কমলো।
Shortcut: ২০ - ২০ + {(২০×(-২০)}/১০০ = -৪%
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর ল. সা. গু =৬০,
৯৯৯৯৯ কে ৬০ দিয়ে ভাগ করলে ৩৯ অবশিষ্ট থাকে
∴ যে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করতে হবে = (৬০ - ৩৯) = ২১
প্রথম ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪×৫২ = ২০৮
শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫×৩৮ = ১৯০
∴ ৯টি সংখ্যার সমষ্টি = (২০৮+১৯০) = ৩৯৮
∴ পঞ্চম সংখ্যাটি = ৪৬২-৩৯৮ = ৬৪
১ কিলোগ্রামে কম দেয় (১০০০ - ৯৫০) = ৫০ গ্রাম
∴ ২৫ কিলোগ্রামে কম দেয় = ২৫ × ৫০ = ১২৫০ গ্রাম = ১.২৫ কিলোগ্রাম
যেহেতু ট্রেনটি ১২০ মিটার লম্বা সেহেতু ট্রেনটি ৬ সেকেন্ডে ১২০ মিটার পথ অতিক্রম করবে।
∴ ১ সেকেন্ডে ট্রেনটি অতিক্রম করে = ১২০/৬ = ২০ মিটার
সুতরাং, ১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ডে ট্রেনটি অতিক্রম করে = (২০×৩৬০০) মিটার = ৭২০০০ মিটার = ৭২ কি.মি.
অতএব, ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় = ৭২ কি.মি.
বিক্রয়মূল্য ৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ৪/৫ × ৫ = ৪ টাকা
৪ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ ১০০/৪ = ২৫ টাকা
বড় সংখ্যাটি = (৪৭ + ১) / ২ = ২৪
প্রথম ৮ ঘণ্টায় পায় = ৮ × ১০ = ৮০ টাকা।
পরবর্তী ২ ঘণ্টায় পায় = ২ × ১৫ = ৩০ টাকা।
∴ ঘণ্টা প্রতি গড় মজুরী = ১১০/১০ = ১১ টাকা।
ধরি, ছাতাটির ক্রয়মূল্য ক টাকা
∴ ১ম ক্ষেত্রে, ক্ষতি = (ক - ৩৭৮) টাকা
২য় ক্ষেত্রে, লাভ = (৪৫০ - ক) টাকা
প্রশ্নমতে, ৩(ক - ৩৭৮) = ৪৫০ - ক
বা, ৩ক - ১১৩৪ = ৪৫০ - ক
বা, ৩ক + ক = ১১৩৪ + ৪৫০
বা, ক = ১৫৮৪/৪ = ৩৯৬
শর্টকাট = ৩৭৮ + (৪৫০ - ৩৭৮)/৪ = ৩৯৬
১০০ টাকায় ৬ টাকা সুদ হয় ১ বছরে
∴ ৮৫০ টাকায় ২৫৫ টাকা সুদ হয় = (১০০ × ২৫৫)/(৬ × ৮৫০) = ৫ বছর
কোনো গ্রামের ১৮/২৫ অংশ লোক শিক্ষিত
অর্থাৎ ২৫ জনের মধ্যে শিক্ষিত ১৮ জন
সুতরাং, ১০০ জনের মধ্যে শিক্ষিত = (১০০×১৮) / ২৫ = ৭২ জন
অনুপাত ও গ.সা.গু দেওয়া থাকলে,
ল.সা.গু = অনুপাতের গুণফল × গ.সা.গু
= ৫ × ৬ × ৪
= ১২০
দেওয়া আছে, x : y = a : b
বা, 6 : 5 = 36 : b
বা, b = (36×5)/6 = 30
- 4a2 + 23a + 6
= - 4a2 + 24a - a + 6
= - 4a(a - 6) - 1(a - 6)
= (a - 6)(- 4a - 1)
= (6 - a)(4a + 1)
(2x+3)/5 + 2 = (x - 1)/2
⇒ (2x + 3 + 10)/5 = (x - 1)/2
⇒ 4x + 26 = 5x - 5
⇒ x = 31
x + y + x - y = 12 + 2
বা, 2x = 14
বা, x = 7
∴ y = 5
∴ xy = 35
সমাধানের বিকল্প পদ্ধতিঃ
4xy = ( x + y)2 – (x – y)2 [সূত্র]
বা, xy = {(12)2 – (2)2}/4
বা, xy = 140/4
∴ xy = 35
logx324 = 4
বা, x4 = 324
বা, x4 = (3√2)4
বা, x = 3√2
ব্যাস বা ব্যাসার্ধ এর অনুপাত দেয়া থাকলে ক্ষেত্রফল এর অনুপাত হবে ব্যাস বা ব্যাসার্ধের অনুপাত এর বর্গ।
∴ দুইটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের অনুপাত, π×32 : π×22 = 9 : 4
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১/২(ভূমি × উচ্চতা)
= ১/২(৪ × ৩)
= ৬ বর্গ মিটার
১৮০° থেকে বড় এবং ৩৬০° থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে।
∴ ২৫৩° কোণ প্রবৃদ্ধ কোণ।
ধরি এককের অংক y এবং দশকের অংক x ; তাহলে সংখ্যাটি = 10x+y
প্রশ্নমতে, 10(x+3) + y - 2 = 3(10x+y)
⇒ 10x + 30 + y - 2 = 30x + 3y
⇒ 10x + y + 28 = 30x + 3y
⇒ 20x + 2y = 28
⇒ 2(10x + y) = 28
⇒ 10x + y = 14
সুতরাং, সংখ্যাটি 14
দেয়া আছে, a + b = 7 ......(i) এবং ab = 10
আমরা জানি, (a – b)2 = (a + b)2 – 4ab
= (7)2 – 4 × 10
= 49 - 40 = 9
∴ a - b = 3 .....(ii)
(i) + (ii)
⇒ 2a = 10
∴ a = 5
এবং b = 2
মনে করি, সংখ্যাটি = ক
প্রশ্নমতে, ক × ৪ + ১ = ক × ৩ + ৫
বা, ৪ক + ১ = ৩ক + ৫
বা, ৪ক - ৩ক = ৫ - ১
বা, ক = ৪
∴ সংখ্যাটি = ৪
- ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর উপর অঙ্কিত রেখাকে ঐ ত্রিভুজের মধ্যমা বলে।
- ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে এর ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্যকে ঐ ত্রিভুজের উচ্চতা বলে
- ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদবিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দুকে অন্তঃকেন্দ্র বলে।
- ত্রিভুজের তিন বাহুর লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দুকে পরিকেন্দ্র বলে।
- শীত কালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম তথা শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে অর্থাৎ বাতাস শুকনো থাকে। এজন্যই শীতকালে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়। ভেজা কাপড় শুকানো অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া।
বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা তথা বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়। সেজন্য কাপড়ও শুকায় দেরীতে।
[সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।
প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:
একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।
সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।
এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:
এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—
১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।
তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ।
কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক।
হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য, প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।