পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 20 mins
মোট প্রশ্ন১৩১
সিলেবাস
২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট (প্রতি ১৫ দিনে একটা করে)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩১ প্রশ্ন

.
চর্যাপদের কোন কবি সোমপুর বিহারের আচার্য ছিলেন?
  1. ক) আর্যদেবপা
  2. খ) শবরপা
  3. গ) কাহ্নপা
  4. ঘ) লুইপা
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি - কাহ্নপা। তার প্রকৃত নাম - কৃষ্ণাচার্য পাদ।
- ঐতিহাসিকগণ তাকে উড়িষ্যার অধিবাসী মনে করলেও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক জিতেন্দ্রলাল বড়ুয়া তাকে বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার বলে প্রমাণ করেন।
- কাহ্নপা পরিনত বয়সে সোমপুর বিহারের আচার্য্য ছিলেন। রাজা ধর্মপালের রাজত্বকালে তিনি সেখানে অবস্থান করেন।
- তার রচিত পদের সংখ্যা - ১৩টি; কিন্তু প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ১২টি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
বড়ু চন্ডীদাস কোন শতকের কবি ছিলেন?
  1. ত্রয়োদশ শতক
  2. দ্বাদশ শতক
  3. পঞ্চদশ শতক
  4. চতুর্দশ শতক
ব্যাখ্যা

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন ও সর্বজনস্বীকৃত বাংলাভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন/শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ।
এর রচয়িতা - বড়ু চন্ডীদাস। তিনি আনুমানিক চতুর্দশ শতকের কবি।

'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য 
- মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
 - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
-  মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের পরেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের স্থান।
- ১৩১৬ বঙ্গাব্দে (খ্রি. ১৯০৯) বসন্তরঞ্জন রায়বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের
কাঁকিল্যা গ্রাম নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের নিকট থেকে এর  পুথি আবিষ্কার করেন। 
- এ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস । 
- বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান পরিচয়  শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা হিসেবে।
- বসন্তরঞ্জন বিদ্বদ্বল্লভ এর মতে বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মকাল ১৪০৩-১৪১৭ অথবা ১৩৮৬-১৪০০ সালের কোন এক সময়ে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

.
“মাতঙ্গ পড়িলে দরে পতঙ্গ প্রহার করে।” - কার রচনা?
  1. ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. খ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  3. গ) খনার বচন
  4. ঘ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত - অন্নদামঙ্গল কাব্যে ব্যবহৃত একটি প্রবচন।

এই কাব্যের আরো কয়েকটি প্রবচন হল -
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
- মাতঙ্গ পড়িলে দরে পতঙ্গ প্রহার করে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন। 
- কড়িতে বাঘের দুধ মিলে।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণেকে চাঁদ।
- যার কর্ম তারে সাজে অন্য লোকের লাঠি বাজে।
- জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী। ইত্যাদি।

এসব গভীরতম ভাবদ্যোতক প্রবচনের মত পদে ভাষার উপর কবির যে অধিকার তা তুলনারহিত। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
হিন্দু মহাপুরাণ ‘ভাগবত’ কে প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন?
  1. ক) শ্রীকর নন্দী
  2. খ) রামেশ্বর ভট্টাচার্য
  3. গ) ফকির গরীবুল্লাহ
  4. ঘ) মালাধর বসু
ব্যাখ্যা
• মালাধর বসু ভাগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
- তাঁর কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ।
- চৈতন্যদেবের সন্ন্যাস গ্রহণের পূর্বে ভাগবতকে প্রথম বাংলায় প্রচার ও জনপ্রিয় করে তোলার কৃতিত্ব মালাধর বসুর।
- মালাধর বসু বর্ধমান জেলার কাটোয়ার নিকটবর্তী কুলীন গ্রামে সম্ভবত পনের শতকের প্রথমার্ধে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি গৌড়েশ্বরের কাছ থেকে 'গুণরাজ খান' উপাধি পেয়েছিলেন।

অন্যদিকে,
- মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কাশীরাম দাস।
- শ্রীকর নন্দী রচিত গ্রন্থ 'ছুটিখানী মহাভারত'।
- কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারত কাব্যের প্রথম অনুবাদক কবি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন গ্রন্থটি উইলিয়াম কেরীর রচনা?
  1. ক) ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট
  2. খ) হিতোপদেশ
  3. গ) লিপিমালা
  4. ঘ) ইতিহাসমালা
ব্যাখ্যা
• উইলিয়াম কেরী: 
- উইলিয়াম কেরি ছিলেন একজন ইংরেজ মিশনারি।
- বাংলা গদ্যের বিকাশে এই বিদেশের অবদান সর্বাধিক।
- তিনি ইতিহাসমালা ও কথোপকথন নামে দুটি মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন।
- ইতিহাসমালা বাংলা ভাষার প্রথম গল্পসংগ্রহ।
- ১৮১০ সালে তিনি দরিদ্র কৃষকদের জন্য কলকাতায় বোর্ডিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, লাল নীল দীপাবলি (হুমায়ুন আজাদ) এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
আবুল মনসুর আহমদ রচিত ‘ফুড কনফারেন্স’ কি ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) গল্পগ্রন্থ
  3. গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. ঘ) ব্যঙ্গাত্মক নাট্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'ফুড কনফারেন্স' আবুল মনসুর আহমদ রচিত গল্পগ্রন্থ।
- এটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।

• আবুল মনসুর আহমদ:
- তিনি ময়মনসিংহের ধানিখোলা গ্রামে ১৮৯৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একাধারে সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
- খেলাফত, অসহযোগ ও স্বরাজ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- তিনি আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ছিলেন।
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
- তিনি ১৯৭৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আয়না,
- ফুড কনফারেন্স,
- আসমানী পর্দা‌।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ নয়?
  1. ক) জীবন চরিত
  2. খ) বাঙলার ইতিহাস
  3. গ) ব্রজবিলাস
  4. ঘ) বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কিছু অনুবাদ গ্রন্থ হলো-
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে)
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে),
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে),
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে),
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)।

অন্যদিকে,
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থসমূহ - 
- প্রভাবতী সম্ভাষণ,
- স্বরচিত জীবনচরিত,
- ব্রজবিলাস,
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, উচ্চমাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ এবং বাংলাপিডিয়া; লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
.
“অনল প্রবাহ” - কি ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) নাট্যগ্রন্থ
  3. গ) গল্পগ্রন্থ
  4. ঘ) কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'অনল প্রবাহ' কাব্য:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভারত ভিক্ষা’, ‘ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলো হচ্ছে : অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ : ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।
- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
- পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

• ভ্রমণ কাহিনী:
-তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
“গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায় --।” - কার রচনা?
  1. ক) জীবনান্দ দাশ
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• 'গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়।'- উদ্ধৃতাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের অন্তর্গত। 

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ''শেষের কবিতা'' শেষ হয় কাব্যসুরে বিদায়ের ধ্বনি কানে নিয়ে, যেখানে বলা হয়েছে- 
''হে ঐশ্বর্যবান,
তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান-
গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়।
হে বন্ধু, বিদায়''
----------------
'শেষের কবিতা' উপন্যাস: 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শেষের কবিতা' একটি উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এটিকে কাব্যোপন্যাসও বলা হয়।
- শেষের কবিতা উপন্যাস বিংশ শতকের বাংলার নবশিক্ষিত অভিজাত সমাজের জীবনকথা।
- উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে।

এ উপন্যাসের চরিত্র গুলাে হলাে: 
- অমিত,
- লাবণ্য,
- কেতকী রায় এবং
- শােভনলাল। 

• উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে।
যথা:
- ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও - এই কবিতা দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষের কবিতা উপন্যাসের সমাপ্তি টানেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
“কোহিনূর” - পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ আবদুর রহিম
  2. খ) রওশন আলী
  3. গ) সৈয়দ এমদাদ আলী
  4. ঘ) শেখ ফজলল করিম
ব্যাখ্যা
কোহিনূর:
- মাসিক পত্রিকা।
- ১৩০৫ বঙ্গাব্দের আষাঢ় (জুলাই ১৮৯৮) মাসে কুষ্টিয়া থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়; পরে ফরিদপুরের পাংশা এবং শেষে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো।
- এর সম্পাদক ছিলেন পাংশানিবাসী এ.কে.এম মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১.
“গায়ত্রী সন্ধ্যা” - কার রচিত উপন্যাস?
  1. ক) দিলারা হাশেম
  2. খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. গ) নীলিমা ইব্রাহিম
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
‘গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাস:
• গায়ত্রী সন্ধ্যা' সেলিনা হোসেন রচিত একটি ত্রয়ী উপন্যাস।
• গ্রন্থটি একই শিরোনামে ৩টি পটভূমিতে ৩টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
• সেলিনা হোসেন রচিত 'গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাসের পটভূমি ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত সময়।
• দীর্ঘ আটাশ বছরের অর্থ- সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পটভূমিতে রচিত হয়েছে এ উপন্যাস।

• এই আটাশ বছর সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে নানা ঘটনা।যেমন-
⇒ ১৯৪৭ সালে বৃটিশ ভারত দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে লাভ করেছিল স্বাধীনতা। ধোপে টেকেনি এ স্বাধীনতার আদর্শগত ভিত্তি।
⇒ ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জয়ী হয়ে বাঙালি অর্জন করে একটি পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত এবং স্বাধীন ভূখণ্ড। এ জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্নে অনুপ্রাণিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
⇒ ১৯৭৫ সালে তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে পট-পরিবর্তন হয় ইতিহাসের। শুরু হয় বাঙালির - উল্টো যাত্রা। 'গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাস এই সময়ের শিল্পিত শব্দরূপ। 

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন উপন্যাসের ভূমিকায় লেখেন-
একটি স্বপ্নের ঘোরে আমি 'গায়ত্রী সন্ধ্যা' ত্রয়ী উপন্যাসটি লিখি। এর অখণ্ড প্রকাশের প্রুফ দেখার সময় বারবারই মনে হয়েছে কীভাবে লিখলাম।
স্বপ্ন ছিল একটি ট্রিলজি লেখার। বড় পটভূমি নিয়ে কাজ করব এমন তাগিদ ছিল নিজের ভেতরে। কতটা হয়েছে সেটা সময় বিচার করবে। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, এটুকু আমার সান্ত্বনা। 

♦ সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিপ্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

 • গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

• শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- সাগর,
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি। 

অভিসম্বন্ধ: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাস সেলিনা হোসেন।
১২.
সৈয়দ শামসুল হক রচিত “নুরুলদীনের সারাজীবন” কাব্যনাট্যের বিষয়বস্তু কি?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) কৃষক বিদ্রোহ
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• 'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য: 
- 'নূরলদীনের সারাজীবন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- ১৭৮৩ এর কৃষক আন্দোলনের বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত। 

• সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
  1. ক) সন্ধ্যা
  2. খ) নির্ঝর
  3. গ) রুদ্রমঙ্গল
  4. ঘ) সবগুলো রচনা
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- সন্ধ্যা,
- নির্ঝর, 

- ফনিমনসা,
- চক্রবাক,
- নতুন চাঁদ,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- পূবের হাওয়া,
- বিষের বাঁশি,
- ঝিঙে ফুল,
- দোলনচাঁপা,
- জিঞ্জির ইত্যাদি।

•  ‘রন্দ্রমঙ্গল’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
‘কে কথা কয়’ - উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) হুমায়ুন আহমেদ
  3. গ) দিলারা হাসেম
  4. ঘ) নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
'কে কথা কয়' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদের 'কে কথা কয়' উপন্যাসে মতিন ও কমল নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান ও সত্যান্বেষণের প্রয়াস লক্ষ করা যায়।
- উপন্যাসে শিশু কমলের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে চাকরি পাওয়া মতিন কমলের সঙ্গে কাহিনিসূত্রে একটি বৃহৎবৃত্তে অধিভুক্ত হয়।
- উপন্যাসের শেষে কমল সত্যোন্বেষণে ব্যস্ত আর মতিন সত্যের জন্য প্রাণ দান করে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- শ্যামল ছায়া।
- আগুনের পরশমণি।
- অনিল বাগচীর একদিন।
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় শামসুর রাহমান কি ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন?
  1. ক) সনাতন পাঠক
  2. খ) অল্পদর্শী
  3. গ) বঙ্গের রঙ্গ দর্শক
  4. ঘ) মজলুম আদিব
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধকালে কবি শামসুর রাহমান 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে লিখতেন।

• আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান।
- তিনি একজন নাগরিক কবি ছিলেন।
- পেশায় তিনি সাংবাদিক ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) ছদ্মনামে লিখতেন।

• ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে কবি শামসুর রাহমান ‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২) কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থের অধিকাংশ কবিতা মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ সময়ে রচিত।
- গ্রন্থটি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়।
- মোট ৩৮ টি কবিতা রয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’, ’স্বাধীনতা তুমি’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে’ শুনলে কীভাবে? - দ্বিরুক্ত শব্দ দ্বারা কোনটি প্রকাশ পায়?
  1. ক) সামান্যতা
  2. খ) বিশেষণ রূপ
  3. গ) পৌনঃপুনিকতা
  4. ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ রূপ
ব্যাখ্যা
• 'ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?' এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।  

আরো কিছু দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগ: 

 ক্রিয়া বিশেষণ অর্থে দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে: 
- ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?
- দেখে দেখে যেও।

স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে:
- দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে গেলো।

বিশেষণ রূপে:
- এ দিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।

অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে:
- ভয়ে গা ছম ছম করছে। 

পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে, 
- 'ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি'- এখানে দ্বিরুক্ত শব্দ পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯)।
১৭.
‘গোটা দেশটাই গোল্লায় গেছে।’ - বাক্যে পদাশ্রিত নির্দেশকটি কি অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) নির্দিষ্টিতা
  2. খ) অনির্দিষ্টিতা
  3. গ) নিরর্থকতা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক 'গোটা' শব্দটি বচনবাচক ও সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বসে অনির্দিষ্টিতা বোঝায়।
যেমন - গোটা দেশটাই গোল্লায় গেছে। গোটা দুই আম দাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
“ক্ষণস্থায়ী” - শব্দটি কোন ধরনের সমাস?
  1. ক) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
  2. খ) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস
  3. গ) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয়া বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় - তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন - বইকে পড় = বইপড়া, বিস্ময়কে আপন্ন = বিস্ময়াপন্ন।

আবার, ব্যাপ্তি অর্থে কালবাচক পদের সাথে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
যেমন - ক্ষণকাল ধরে স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী, চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।।

১৯.
‘অপমৃত্যু’ - শব্দের ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. ক) নিকৃষ্ট
  2. খ) বিপরীত
  3. গ) বিকৃত
  4. ঘ) হীনতা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার -
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে = অপসারণ, অপহরণ। 
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু। 

উৎস: ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২০.
নিচের কোন শব্দটি শুদ্ধ?
  1. ক) পাপিষ্টতর
  2. খ) স্বতন্ত্রতা
  3. গ) মহিমামণ্ডিত
  4. ঘ) দৈন্যতা
ব্যাখ্যা

'স্বতন্ত্রতা' এবং 'স্বাতন্ত্র্য' - দুটি শব্দই সঠিক।

ভুল শব্দগুলোর শুদ্ধরূপঃ
পাপিষ্টতর/পাপিষ্টতম = পাপিষ্ট
মহিমামণ্ডিত = মহিমমণ্ডিত
দৈন্যতা = দৈন্য, দীনতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২১.
আগে কখনো শোনা যায় নি -
  1. ক) শ্রুতপূর্ব
  2. খ) বিস্মৃতি
  3. গ) অশ্রুতপূর্ব
  4. ঘ) প্রসর
ব্যাখ্যা
আগে কখনো শোনা যায় নি = অশ্রুতপূর্ব।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন:
- ‘যা পূর্বে শোনা যায় নি’ এর এককথায় প্রকাশ - অশ্রুতপূর্ব।
- ‘যা উচ্চারণ করা যায় না’ এর এককথায় প্রকাশ - অনুচ্চার্য।
- ‘যা উচ্চারণ করা কঠিন’ এর এককথায় প্রকাশ - দুরুচ্চার্য।
- ‘যা অনুভব করা হচ্ছে’ এর এককথায় প্রকাশ - অনুভূয়মান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
নিচের কোনটি ‘ণ’ - এর ব্যবহারের নিয়মানুযায়ী গঠিত শব্দ?
  1. ক) নিপুণ
  2. খ) ভাষণ
  3. গ) কল্যাণ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

ণ-ত্ব বিধান অনুসারে,
ঋ, র, ষ -- এই তিন বর্ণের পরে 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন - ঋণ, তৃণ, ঘৃণা, ঘূর্ণন, মরণ, ব্যাকরণ, কৃষ্ণ, বিষ্ণু, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, নিপুণ ও কল্যাণ - শব্দ দুটিতে স্বভাবতই 'ণ' - ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৩.
নিচের কোনটি ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. ক) হিতোপদেশ
  2. খ) প্রৌঢ়
  3. গ) কুজ্ঝটিকা
  4. ঘ) মার্তণ্ড
ব্যাখ্যা

কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা (ব্যঞ্জন সন্ধি)।

হিত + উপদেশ = হিতোপদেশ (অ + উ; স্বরসন্ধি)।

প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় এবং মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড (নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি)।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৪.
বাগধারার শব্দ পরিবর্তন করা হলে - বাক্যের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ক) আকাঙ্খা হারায়
  2. খ) দুর্বোধ্য হয়
  3. গ) উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটে
  4. ঘ) যোগ্যতা হারায়
ব্যাখ্যা
বাক্যে বাগধারার শব্দ পরিবর্তন করলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়।

• বাগধারা ভাষার মূল্যবান সম্পদ। এর মধ্যদিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশিত হয়। কিন্তু বাক্যে বাগধারার শব্দ পরিবর্তন করলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। যেমন— ‘অরণ্যে রোদন'-কে যদি ‘অরণ্যে ক্রন্দন' বলা হয়, তবে তা যোগ্যতা হারায় । কেননা এটি মুখে মুখে এত প্রচলিত যে, তার পরিবর্তন সহজেই ধরা পড়ে যায়। অনুরূপভাবে— ‘রথ দেখা ও আম বেচা’, ‘উলুবনে ছাই ছড়ানো”, “ডুবে ডুবে পানি খাওয়া' ইত্যাদি।

সঠিক রূপ হলো : 'রথ দেখা ও কলা বেচা’, ‘উলুবনে মুক্তা হুড়ানো', ‘ডুবে ডুবে জল খাওয়া' ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২৫.
ভাষার ‍মূল উপাদান কোনটি?
  1. ক) ধ্বনি
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বাক্য
  4. ঘ) অর্থবোধক বাক্য
ব্যাখ্যা

মনের ভাব প্রকাশের জন্যে মানুষের কণ্ঠ নিঃসৃত অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টি ভাষা বলে।
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি। ধ্বনির সাহায্যেই ভাষার সৃষ্টি।
ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলে। বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয় শব্দ এবং শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয় বাক্য। এই বাক্য হলো ভাষার মূল উপকরণ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী

২৬.
স্বরবর্ণগুলোর কয়টি পূর্ণমাত্রার বর্ণ?
  1. ক) ৪
  2. খ) ১১
  3. গ) ১
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

স্বরবর্ণ মোট ১১টি।
তার মধ্যে,
- পূর্ণমাত্রা - ৬টি
- অর্ধমাত্রা - ১টি এবং
- মাত্রাহীন - ৪টি বর্ণ রয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

২৭.
“নারদের ঢেঁকি” বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) অন্তঃসারশূন্য
  2. খ) নাছোড়বান্দা
  3. গ) গুরুত্বহীন লোক
  4. ঘ) কলহবিবাদ বাঁধাতে পটু
ব্যাখ্যা

নারদের ঢেঁকি = কলহবিবাদ বাঁধাতে পটু।
ফতো নবাব = অন্তঃসারশূন্য।
নেই আঁকড়া = নাছোড়বান্দা।
ফেকলু পার্টি = গুরুত্বহীন লোক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

২৮.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) তুরঙ্গম
  2. খ) শশক
  3. গ) তুরগ
  4. ঘ) হয়
ব্যাখ্যা

সমার্থক শব্দ:
শশক = খরগোশ।

অন্যদিকে,
ঘোড়া = অশ্ব, ঘোটক, তুরগ, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, বাজী, হয় ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

২৯.
‘রাজা বাদশা’ শব্দটিতে কোন দুটি ভাষার মিশ্রণ রয়েছে?
  1. ক) বাংলা + ফারসি
  2. খ) তৎসম + ফারসি
  3. গ) আরবি + ফারসি
  4. ঘ) ফারসি + বাংলা
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মিশ্র শব্দ:
- রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
- হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
- হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
- হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
- খ্রিষ্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
- ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
- পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
- চৌহদ্দি (বাংলা + ফারসি) ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
'চৌহদ্দি' শব্দটি নবম-দশম শ্রেণির ২০১৯ সংস্করণে ফারসি + আরবি ভাষার শব্দ দ্বারা গঠিত বলা হলে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, তা বাংলা + ফারসি ভাষার শব্দ দ্বারা গঠিত মিশ্র শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ও  বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
Which one is similar to “Corrigendum”?
  1. ক) Postscript
  2. খ) RSVP
  3. গ) Erratum
  4. ঘ) Curriculum
ব্যাখ্যা

Corrigendum = A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
Similar Word: 'Erratum' (an error in printing or writing)
Source: Oxford Dictionary

৩১.
Paragraph deals with -
  1. ক) Two themes
  2. খ) Three themes
  3. গ) One theme
  4. ঘ) Four themes
ব্যাখ্যা

A paragraph deals with one theme. 
There are three parts in a paragraph. These are -
1. Topic sentence
2. Body and
3. Concluding remarks

৩২.
Tania was a wonderful singer, but she’s past her prime. Here ‘past’ is a/an -
  1. ক) Noun
  2. খ) Preposition
  3. গ) Verb
  4. ঘ) Adverb
ব্যাখ্যা

বাক্যটিতে ব্যবহৃত 'past' একটি preposition। কেননা, past শব্দটি noun এর পূর্বে বসে sentence - এর অন্য word এর সাথে সম্পর্ক নির্দেশ করছে।

৩৩.
He is fond of playing golf. - Here ‘playing’ is a/an -
  1. ক) Linking verb
  2. খ) Participle
  3. গ) Gerund
  4. ঘ) Intransitive verb
ব্যাখ্যা

Verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একই সাথে noun ও verb এর কাজ করে তাকে Gerund বলে।
Example:
- Subject = Rising early is a good habit.
- Transitive verb - I like playing cricket.
- Preposition এর Object = He is fond of playing cards.

৩৪.
I have no idea how the incident came __.
  1. ক) down
  2. খ) about
  3. গ) by
  4. ঘ) out
ব্যাখ্যা

Phrasal verb:
Come about = happen
Come down = fall
Come by = get
Come out = be known
Here, in this sentence 'come about' is acceptable.

৩৫.
Identify the incorrect sentence -
  1. ক) No fewer than twenty boys were present there.
  2. খ) Anyone who work hard will succeed.
  3. গ) No friend and no relative cares for me.
  4. ঘ) I, you and Ruhit are guilty.
ব্যাখ্যা

Correct form of the wrong sentence is:
Anyone who works hard will succeed.

৩৬.
‘We eat to live.’ The compound form of this sentence is -
  1. ক) We eat and live.
  2. খ) We eat so that we may live.
  3. গ) We eat for the purpose of living.
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা

'We eat to live.' - এটি simple sentence.
Compound: We eat and live.
Complex: We eat so that we may live.

৩৭.
‘Never tell a lie’. The passive form of this sentence is -
  1. ক) You are advised not to tell a lie.
  2. খ) You are asked not to tell a lie.
  3. গ) You are forbidden to tell a lie.
  4. ঘ) You are requested not to tell a lie.
ব্যাখ্যা

Never tell a lie - নিষেধ বোঝায়। এক্ষেত্রে সঠিক Passive form-
You are forbidden to tell a lie.
উপদেশের ক্ষেত্রে - advise; আদেশ বা অনুরোধের ক্ষেত্রে - ask এবং অনুরোধের ক্ষেত্রে - request ব্যবহৃত হয়।

৩৮.
''A land of streams! some, like a downward smoke,
Slow-dropping veils of thinnest lawn, did go;''
-- Who wrote this?
  1. ক) John Donne
  2. খ) S. T Coleridge
  3. গ) Alfred Lord Tennyson
  4. ঘ) John Keats
ব্যাখ্যা

''Courage!'' he said, and pointed toward the land,
''This mounting wave will roll us shoreward soon.''
In the afternoon they came unto a land
In which it seemed always afternoon.
All round the coast the languid air did swoon,
Breathing like one that hath a weary dream.
Full-faced above the valley stood the moon;
And like a downward smoke, the slender stream
Along the cliff to fall and pause and fall did seem.
-- The Lotos-eaters by Alfred Lord Tennyson

৩৯.
''That which we call a rose
By any other name would smell as sweet.''
-- Which Shakespeare's play the quote is taken from?
  1. ক) The Tempest
  2. খ) Anthony and Cleopetra
  3. গ) Julius Caesar
  4. ঘ) Romeo and Juliet
ব্যাখ্যা
This quote is taken from act - 2, scene - 2 of Shakespeare’s tragedy “Romeo and Juliet” and it is uttered by Juliet.
৪০.
In “Gulliver’s Travel”, what is the name of the race of intelligent horses?
  1. ক) Blefuscu
  2. খ) Balnibarbri
  3. গ) Yahoos
  4. ঘ) Houyhnhnms
ব্যাখ্যা

Gulliver's Travels, original title ''Travels into Several Remote Nations of the World'', four-part satirical work by Anglo-Irish author Jonathan Swift, published anonymously in 1726 as Travels into Several Remote Nations of the World. A keystone of English literature, it was one of the books that gave birth to the novel form, though it did not yet have the rules of the genre as an organizing tool.
In the extremely bitter fourth part, Gulliver visits the land of the Houyhnhnms, a race of intelligent horses who are cleaner and more rational, communal, and benevolent (they have, most tellingly, no words for deception or evil) than the brutish, filthy, greedy, and degenerate humanoid race called Yahoos, some of whom they have tamed—an ironic twist on the human-beast relationship.
Source: Britannica.com

৪১.
''OF Mans First Disobedience, and the Fruit
Of that Forbidden Tree, whose mortal tast''
- Which Milton's poem these lines are taken from?
  1. ক) Paradise Lost
  2. খ) Paradise Regained
  3. গ) Areopagitica
  4. ঘ) Lycidas
ব্যাখ্যা

''OF Mans First Disobedience, and the Fruit
Of that Forbidden Tree, whose mortal tast
Brought Death into the World, and all our woe,
With loss of Eden, till one greater Man
Restore us, and regain the blissful Seat,
Sing Heav'nly Muse, that on the secret top''
-- Paradise Lost by John Milton

৪২.
Which one is the first novel of Jane Austen?
  1. ক) Sense and Sensibility
  2. খ) Pride and Prejudice
  3. গ) Mansfield Park
  4. ঘ) Emma
ব্যাখ্যা

Jane Austen, (born December 16, 1775, Steventon, Hampshire, England—died July 18, 1817, Winchester, Hampshire), English writer who first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.
She published four novels during her lifetime:
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814), and
- Emma (1815).
In these and in Persuasion and Northanger Abbey (published together posthumously, 1817), she vividly depicted English middle-class life during the early 19th century.
Source: britannica.com

৪৩.
The word “Panegyric” means -
  1. ক) Criticism
  2. খ) Curse
  3. গ) Elaborate praise
  4. ঘ) High sound
ব্যাখ্যা
Panegyric = A public speech or published text in praise of someone or something
৪৪.
G. B Shaw’s “Arms and the Man” is a/an -
  1. ক) Tragedy
  2. খ) Comedy
  3. গ) Tragi-comedy
  4. ঘ) One act play
ব্যাখ্যা

Arms and the Man, romantic comedy in three acts by George Bernard Shaw, produced in 1894 and published in 1898.
The play is set in the Petkoff household in Bulgaria and satirizes romantic ideas concerning war and heroism.
Source: Britannica.com

৪৫.
A = {x | x ধনাত্মক সংখ্যা এবং x2 < 25},
B = {x | x মৌলিক সংখ্যা এবং x2 < 25},
C = {x | x মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 = 25}
হলে, A ∩ B ∩ C = ?
  1. ক) Ø
  2. খ) {1, 2, 3, 4}
  3. গ) {2, 3, 4}
  4. ঘ) {2, 3, 4, 5}
ব্যাখ্যা

A = {x | x ধনাত্মক সংখ্যা এবং x2 < 25},
B = {x | x মৌলিক সংখ্যা এবং x2 < 25},
C = {x | x মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 = 25}
প্রশ্নমতে,
A = {{1, 2, 3, 4}
B = {2, 3}
C = {5}
∴ A ∩ B ∩ C = {1, 2, 3, 4} ∩ {2, 3} ∩ {5}
= Ø

৪৬.
কোন লঘিষ্ট সংখ্যাকে ১৫, ১৮, ২১ ও ২৪ দ্বারা ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ২ অবশিষ্ট থাকে?
  1. ক) ১২২০
  2. খ) ২৫১৮
  3. গ) ২৫২০
  4. ঘ) ২৫২২
ব্যাখ্যা

১৫, ১৮, ২১ ও ২৪ - এর গুণনীয়ক = ২ × ৩ × ৩ × ৪ × ৫ × ৭
∴ সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু = ২৫২০
∴ নির্ণেয় লঘিষ্ট সংখ্যা = ২৫২০ + ২ = ২৫২২

৪৭.
শতকরা কত হার লাভে কোন আসল ১০ বছরে লাভে আসলে দ্বিগুণ হবে?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১২
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ২০
ব্যাখ্যা

ধরি, আসল = ১০০ টাকা
১০ বছর পর লাভে আসলে হবে = ১০০ × ২ = ২০০ টাকা
∴ লাভ = ২০০ - ১০০ = ১০০ টাকা
১০ বছরে লাভ ১০০ টাকা
∴ ১ বছরে লাভ = ১০০/১০ = ১০ টাকা

৪৮.
x-3 - 0.001 = 0 হলে, x এর মান -
  1. ক) 1
  2. খ) 10
  3. গ) 100
  4. ঘ) 1000
ব্যাখ্যা

x-3 - 0.001 = 0
=> 1/ x3 = 1/1000
=> x3 = 1000
=> x3 = (10)3
=> x = 10

৪৯.
3x -7y + 10 = 0 এবং y - 2x - 3 = 0 হলে, (x, y) = ?
  1. ক) 1, - 1
  2. খ) - 1, 1
  3. গ) - 1, - 1
  4. ঘ) 1, 1
ব্যাখ্যা

3x -7y + 10 = 0 .....(1)
y - 2x - 3 = 0 
=> y = 2x + 3 .........(2)
(1) নং থেকে,
3x - 7 (2x + 3) + 10 = 0
=> 3x - 14x - 21 + 10 = 0
=> -11x = 11
∴ x = - 1
(2) নং এ x = -1 বসাই,
y = 2. (- 1) + 3
=> y = - 2 + 3 = 1
∴ (x, y) = (-1, 1)

৫০.
x2 - 5x + 6 < 0 হলে -
  1. ক) 2 < x > 3
  2. খ) - 3 < x < - 2
  3. গ) 2 < x < 3
  4. ঘ) X < 3
ব্যাখ্যা

x2 - 5x + 6 < 0
=> x2 - 3x - 2 x + 6 < 0
=> x ( x - 3) - 2 ( x - 3) < 0
=> (x - 3) (x - 2) < 0
∴ নির্ণেয় অসমতা = 2 < x < 3

৫১.
একটি গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদটি - 48 এবং পঞ্চম পদটি 3/4 হলে, সাধারণ অনুপাত কত?
  1. ক) 1/2
  2. খ) - 1/2
  3. গ) 1/4
  4. ঘ) - 1/4
ব্যাখ্যা

গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a  এবং সাধারণ অনুপাত q হলে,
n -তম পদ = aqn -1
∴ দ্বিতীয় পদ = aq 2- 1 = aq = - 48
∴ a = - 48/q
আবার, পঞ্চম পদ = aq5 -1 = aq4 = (- 48/q) q4 [a এর মান বসিয়ে],
= - 48q3
প্রশ্নমতে,
- 48q3 = 3/4
q3 = - 3/192
q3 = - 1/64
q3 = (-1/4)3
q = - 1/4
অর্থ্যাৎ, সাধারণ অনুপাত = - 1/4

৫২.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
  1. ক) ২৭০°
  2. খ) ৩৬০°
  3. গ) ৫৪০°
  4. ঘ) ৭২০°
ব্যাখ্যা

চাকাটি ১ বার ঘুরলে ৩৬০° ঘুরা হয়।
∴ ৯০ বারে মোট (৩৬০° × ৯০) = ৩২৪০০° ঘুরে।
অর্থ্যাৎ, ১ মিনিটে বা ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ৩২৪০০°
∴ ১ সেকেন্ডে ঘুরে = ৩২৪০০°/৬০ = ৫৪০°

৫৩.
একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) ১২ বর্গমিটার
  2. খ) ১৫ বর্গমিটার
  3. গ) ১৬ বর্গমিটার
  4. ঘ) ১৮ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

ত্রিভুজটির পরিসীমা (2s) = ৫ + ৬ + ৭ = ১৮ মিটার
∴ অর্ধ-পরিসীমা (s) = ১৮/২ = ৯ মিটার
ক্ষেত্রফল = √{s(s - a) (s - b) (s - c) বর্গমিটার [ a, b , c যথাক্রমে ৩ বাহুর দৈর্ঘ্য]
= √(৯ × ৪ × ৩ × ২) 
= √২১৬ বর্গমিটার
= ১৪.৬৯ বর্গমিটার = ১৫ বর্গমিটার (প্রায়)

৫৪.
50 জন লোকের মধ্যে 35 জন ইংরেজি, 25 জন ইংরেজি ও বাংলা উভয়ই এবং প্রত্যকেই দুইটি ভাষার যেকোন একটি ভাষায় কথা বলতে পারেন। বাংলায় কতজন কথা বলতে পারেন?
  1. ক) 10
  2. খ) 15
  3. গ) 25
  4. ঘ) 40
ব্যাখ্যা

শুধু ইংরেজিতে কথা বলতে পারে (35 - 25) = 10 জন
ধরি, বাংলায় কথা বলতে পারে x জন।
∴ 10 + 25 + x = 50
x = 15
∴ বাংলায় কথা বলতে পারে = 15 + 25 = 40 জন

৫৫.
4 জন মহিলা ও 6 জন পুরুষের মধ্য থেকে 4 সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করতে হবে যাতে 1 জন নির্দিষ্ট পুরুষ সর্বদাই উপস্থিত থাকবেন। কত উপায়ে উক্ত কমিটি গঠন করা যাবে?
  1. ক) 210
  2. খ) 84
  3. গ) 304
  4. ঘ) 120
ব্যাখ্যা

যেহেতু, 1 জন পুরুষ সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেহেতু অবশিষ্ট 5 জন পুরুষ ও 4 জন মহিলা থেকে 3 সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা যায়,
(5 + 4)C3 উপায়ে।
= 9C3
= 9!/{3! (9 - 3)!
= 9!/3!6!
= (9 × 8 × 7 × 6!)/ (3 × 2 × 1 × 6!)
= 84 উপায়ে

৫৬.
নিচের কোনটি অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক?
  1. ক) লিমোনাইট
  2. খ) ক্রয়োলাইট
  3. গ) বক্সাইট
  4. ঘ) খ + গ
ব্যাখ্যা

- জিংকের আকরিক হলো - ক্যালামাইন(ZnCO3) ও জিংকব্লেন্ড(ZnS);
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক - বক্সাইট(Al2O3, 2H2O) ও ক্রায়োলাইট (Na3AlF6);
- আয়রনের প্রধান আকরিকগুলি হল: ম্যাগনেটাইট(Fe3O4), হেমাটাইট (Fe2O3) ও লিমোনাইট(Fe2O3.3H2O); এবং
- লেডের আকরিকের নাম - গ্যালেনা(PbS)।
সূত্রঃ রসায়ন বিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫৭.
‘ড্রাই - আইস’ তৈরীতে কোন গ্যাসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) সালফার ডাই-অক্সাইড
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস 0°C তাপমাত্রায় এবং 40atm বায়ুচাপে তরলে পরিণত হয়।
এই কার্বন ডাই অক্সাইড চাপ প্রয়োগে বাষ্পীভূত করলে বাষ্পীভবন এর সুপ্ততাপ ঐ তরল কার্বন ডাই অক্সাইড হতে গৃহীত হয়।
ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড আরো ঠাণ্ডা হয়ে(-78.4°C) তাপমাত্রায় চলে যায়। একে 'ড্রাই আইস' বলে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।

৫৮.
কোন বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য কোন যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) বৈদ্যুতিক অণুবীক্ষণ
  2. খ) অ্যামিটার
  3. গ) ব্যারোমিটার
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ
ব্যাখ্যা

আধানের অস্তিত্ব সনাক্তকরণ (Detection of Charge):
কোনো বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে একটি অনাহিত স্বর্ণপাত তড়িৎ বীক্ষণ যন্ত্রের গোলাকার ধাতব চাকতিতে স্পর্শ করতে হবে। স্পর্শ করলে যদি স্বর্ণপাত দুটি ফাঁক হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান আছে আর যদি পাত দুটি ফাঁক না হয় তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান নেই।
তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আধানের প্রকৃতিও নির্ণয় করা যায়।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৫৯.
‘মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েব বিকিরণ’ (Cosmic Microwave Background Radiation- CMB) - এর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) এডউইন হাবল
  2. খ) অ্যান্থনি এডওয়ার্ড স্টার্ক
  3. গ) রবার্ট উইলসন
  4. ঘ) জর্জ গ্যামো
ব্যাখ্যা

মহাজাগতিক- মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ (Cosmic Microwave Background Radiation- CMB):
যেহেতু গ্যালাক্সিগুলো পরষ্পর হতে দূরে সরে যাচ্ছে, সুতরাং অতীতে কোনো একসময় সেগুলো অবশ্যই একসাথে ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় মহাবিশ্ব অকল্পনীয় ঘনত্বের বস্তু ও বিকিরণ দ্বারা গঠিত ছিল। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ফলে, এই বস্তু ও বিকিরণ ততোই শীতল হতে থাকল। এর প্রেক্ষিতে বিকিরণের কণা বা ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকল।
মহাবিশ্বের বিকিরিত শক্তির একটি নির্দিষ্টমাত্রা বা পরিমাণ আছে এবং সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বে ঐ নির্দিষ্ট শক্তিও সম্প্রসারিত অংশে বিকিরিত হচ্ছে। এখনো, ঐ বিকিরিত অবশিষ্ট শক্তির অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। এই বিকিরণকে মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ বলে।
ষাটের দশকের মাঝামাঝি ১৯৬৫ সালে এই জাতীয় বিকিরণের প্রথম সন্ধান পান আর্নো অ্যালান পেনজিয়াস (Arno Allan Penzians) এবং রবার্ট উইলসন (Robert Wilson) নামের দুইজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)

৬০.
নিচের কোনটি সবচেয়ে উত্তম তড়িৎ পরিবাহক?
  1. ক) লোহা
  2. খ) তামা
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) রূপা
ব্যাখ্যা

তড়িৎ পরিবাহিতা ধর্মের ওপর ভিত্তি করে কঠিন পদার্থকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হলো:
১. পরিবাহী
২. অপরিবাহী এবং
৩. অর্ধপরিবাহী
পরিবাহীঃ
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়।
যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় 10-8Ωm ক্রমের।
রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)

৬১.
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য হতে আসে?
  1. ক) ৮৮.০২%
  2. খ) ৯২.৮৫%
  3. গ) ৯৭.৯৫%
  4. ঘ) ৯৯.৯৭%
ব্যাখ্যা

Nearly all (99.97%) of the energy we have on Earth comes from the sun. This amounts to an average of 340 joules/second for every square meter of the Earth's surface.
Source: Illinois University research paper

৬২.
হার্টে পেইসমেকার (Pacemaker) বসাতে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আয়োডিন - ১৩১
  2. খ) ফসফরাস - ৩২
  3. গ) প্লুটোনিয়াম - ২৩৮
  4. ঘ) টেকনেটিয়াম - ৯৯
ব্যাখ্যা

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে। যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়
১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।

৬৩.
নিচের কোন খাদ্যবস্তুটিতে একটিমাত্র খাদ্য উপাদান রয়েছে?
  1. ক) চাল
  2. খ) দুধ
  3. গ) চিনি
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা

খাদ্য উপাদানঃ
খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত। এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকেই খাদ্যের উপাদান বলে।
খাদ্য-উপাদান মোট ৬টি। যথা- প্রোটিন (Protein), শর্করা (Carbohydrate), স্নেহ (Fat), খনিজ লবণ (Minerals), ভিটামিন (Vitamin) ও পানি (Water)
অধিকাংশ খাদ্যবস্তুতে একাধিক উপাদান উপস্থিত থাকে এবং এক বা একাধিক কাজ করতে পারে।
কেবলমাত্র একটি উপাদানে গঠিত এমন খাদ্যবস্তুর সংখ্যা খুবই কম। যেমন- চিনি, সরিষার তেল।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৬৪.
নিচের কোনটি প্রোটিনের অভাব জনিত রোগ?
  1. ক) রিকেটস
  2. খ) গলগন্ড
  3. গ) কোয়াশিয়রকর
  4. ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা

প্রোটিনের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে আমিষের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। 
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৬৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসের গঠন উপাদান?
  1. ক) লিপিড
  2. খ) পলিস্যাকারাইড
  3. গ) ফ্লাজেলা
  4. ঘ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। সাধারণ ভাবে ভাইরাসের গঠন নিম্নরূপ-
প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা-প্রোটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও নিউক্লিক এসিড।
ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রোটিন আবরণটি হলো ক্যাপসিড। এ প্রোটিন আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার (capsomere) বলে। এ ক্যাপসোমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের। কোনো কোনো প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপোপ্রোটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলোমার (pelpomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপোভাইরাস (lipovirus) বলে।
নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড। নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা- DNA (ডি অক্সি-রাইবো নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৬৬.
কোনটি উদ্ভিদের কৃত্রিম প্রজননের পদ্ধতি?
  1. ক) উদ্ভিদ প্রবর্তন
  2. খ) মিউটেশন
  3. গ) পলিপ্লয়ডি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের কৃত্রিম প্রজননের পদ্ধতি:
উদ্ভিদবিজ্ঞানের অন্যতম শাখার নাম উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা। যে সকল পদ্ধতির মাধ্যমে উদ্ভিদের নতুন প্রকরণ উদ্ভাবন করা হয় সেগুলো হলো-
- উদ্ভিদ প্রবর্তন,
- নির্বাচন,
- সংরক্ষণ,
- মিউটেশন,
- পলিপ্লয়ডি এবং
- সংকরায়ন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৬৭.
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য যে পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় তাকে কি বলে?
  1. ক) জিন ক্লোনিং
  2. খ) রিকম্বিনেট DNA টেকনোলজি
  3. গ) পয়েন্ট মিউটেশন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

জেনেটিক্সের যে শাখায় জিনের পৃথকিকরণ, সংযোজন, সংশ্লেষণ ও পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করা হয় তাকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে DNA এর কাঙ্খিত অংশ ব্যাকটেরিয়া থেকে মানুষে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে এবং প্রাণী থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে। মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরির জিন ব্যাকটেরিয়ার প্লাজমিডে স্থানান্তরিত করে ঐ ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ইনসুলিন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য যে পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি (Recombinant DNA Technology) বলে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৬৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের পেরিফেরাল ডিভাইস নয়?
  1. ক) Monitor
  2. খ) Hard Drive
  3. গ) Motherboard
  4. ঘ) Keyboard
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যেসকল হার্ডওয়্যার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে এর কর্মক্ষমতা ও কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে - সেগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস্‌ বলে।
এই ডিভাইসগুলো ৩ ধরনের - ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইস।
যেমন - কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, কার্ড রিডার, মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই।

৬৯.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত কোন সফটওয়্যার আনইন্সটল (Uninstall) করার জন্য কোন অপশনটি প্রয়োজন?
  1. ক) User Account
  2. খ) System and Security
  3. গ) Ease of Access
  4. ঘ) Control Panel
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার আনইনস্টলেশন এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেল (Control Panel) এ গিয়ে আনইন্সটল সম্পন্ন করতে হয়।
৭০.
নিচের কোনটি রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book) এর উদাহরণ?
  1. ক) ipad
  2. খ) Kindle
  3. গ) B&N Nook
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)
রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
Amozon- এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে। এই ধরণের ই-বুকে ছবির ব্যবহার সাধারণত কম হয় এবং লেখার পরিমাণ থাকে বেশি। রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবর্তনের পর কন্টেন্ট তা ধারণ করে স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী সমন্বয় করে নেয়।
ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক এর উদাহরণ হচ্ছে - B&N Nook, Apple -এর ipad।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৭১.
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি -
  1. ক) ফাইন্ড
  2. খ) সার্চ
  3. গ) সর্ট
  4. ঘ) কুয়েরি
ব্যাখ্যা

কুয়েরিঃ
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে। কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা প্রবেশ করা, ডিলিট করা অথবা ডাটা মডিফাই করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোও করা যায়।
শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং মুদ্রণের জন্য প্রদর্শিত তথ্য কুয়েরি আকারে সংরক্ষণ করতে হয়। কুয়েরি আকারে সংরক্ষিত তথ্য সরাসরি মুদ্রণ করা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৭২.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ঠ্য?
  1. ক) GSM - পদ্ধতিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ
  2. খ) উন্নত GPRS
  3. গ) VOIP
  4. ঘ) পেজিং সিস্টেম ব্যবহার
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৭৩.
নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  2. খ) মডেম
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

গেটওয়েঃ
গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়। গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৭৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর?
  1. ক) Firmware
  2. খ) Manware
  3. গ) Humanware
  4. ঘ) Malware
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার (Malware): Malware is an abbreviated form of “malicious software.” This is software that is specifically designed to gain access to or damage a computer, usually without the knowledge of the owner. There are various types of malware, including spyware, ransomware, viruses, worms, Trojan horses, adware, or any type of malicious code that infiltrates a computer.
৭৫.
নিম্নের কোনটি ভিন্নধর্মী?
  1. ক) তামা
  2. খ) পিতল
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) টিন
ব্যাখ্যা
পিতল - একটি সংকর ধাতু যা তামা ও দস্তার সমন্বয়ে গঠিত। অন্যদিকে, তামা, লোহা ও টিন মৌলিক ধাতু।
৭৬.
২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি বুধবার হলে ঐ বছরের ৩১ ডিসেম্বর কি বার হবে?
  1. ক) মঙ্গলবার
  2. খ) বুধবার
  3. গ) বৃহস্পতিবার
  4. ঘ) শুক্রবার
ব্যাখ্যা
২০১৫ সাল অধিবর্ষ নয়। সুতরাং, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি ও ৩১ ডিসেম্বর একই বার হবে। অর্থ্যাৎ, বুধবার।
৭৭.
এগারটা থেকে একটা - এই সময়ের মধ্যে ঘড়ির মিনিটের কাটা ঘন্টার কাটাকে কতবার অতিক্রম করবে?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ১ বার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৭৮.
x/y - এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল 2y/x হবে?
  1. ক) (2y2 + x2)/ xy
  2. খ) (2y2 - x2)/xy
  3. গ) (2y2 - x2)/ (x - y)
  4. ঘ) (x2 - 2y2)/xy
ব্যাখ্যা
2y/x - x/y
= (2y2 - x2)/xy
৭৯.
নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২৭
  3. গ) ২৩
  4. ঘ) ২০
ব্যাখ্যা

৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ?
ধারাটির প্রথম দুই সংখ্যার অন্তর ২ এবং পরবর্তী দুটি সংখ্যার অন্তর ৪।
ধারাটি এভাবে পর্যায়ক্রমে অগ্রসর হয়। যেহেতু ১৭ ও ২১ অন্তর ৪; সেহেতু পরের দুটির অন্তর ২ হবে।
সুতরাং পরবর্তী সংখ্যা = ২১ + ২ = ২৩

৮০.
নিচের চিত্রের A গেয়ারটি ১০আরপিএম গতিতে ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরলে কোনটি মিথ্যা?
  1. ক) B গেয়ারটি ২০ আরপিএম গতিতে ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে
  2. খ) C গেয়ারটি ২০ আরপিএম গতিতে ঘড়ির কাটার বিপরীতে ঘুরবে
  3. গ) B এবং C গেয়ার একই গতিতে ঘুরবে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
B এবং C গেয়ারের দাতের সংখ্যা A গেয়ারের অর্ধেক তাই তারা উভয়ই ২০ আরপিএম বা দ্বিগুণ গতিতে ঘুরবে। অর্থাৎ সবগুলোই সত্যি।
৮১.
নিচের প্রশ্নবোধক (?) স্থানে কোনটি হবে?
  1. ক) 18
  2. খ) 81
  3. গ) 52
  4. ঘ) 68
ব্যাখ্যা

4 x 8 + 7 = 39
6 x 3 + 9 = 27
9 x 7 + 5 = 68

৮২.
নিচের চিত্রটি আয়নাতে কোনটির মত হবে?
  1. ক)
  2. খ)
  3. গ)
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮৩.
নিচের চিত্রের প্রশ্নবোধক(?) স্থানে কোনটি হবে?
  1. ক) 45
  2. খ) 42
  3. গ) 52
  4. ঘ) 56
ব্যাখ্যা

প্রথম ক্ষেত্রে, 92 - 42 = 65
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, 82 - 62 = 28
তৃতীয় ক্ষেত্রে, 72 - 22 = 45

৮৪.
ঢেঁকি অবতার - বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) কাণ্ডজ্ঞানহীন
  2. খ) তোষামোদকারী
  3. গ) অতিশয় মন্থর গতি
  4. ঘ) নিষ্কর্মা ও নির্বোধ
ব্যাখ্যা
ঢেঁকি অবতার = নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক; তালকানা = কাণ্ডজ্ঞানহীন; ঢাকের কাঠি = তোষামোদকারী, ও ঢিমে তেতালা = অতিশয় মন্থরগতি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
৮৫.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) কুসংস্কার
  2. খ) কূসংস্কার
  3. গ) কুসংষ্কার
  4. ঘ) কুশংস্কার
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান = কুসংস্কার।
৮৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবের বিপক্ষে কোন দেশ ভেটো (Veto) প্রদান করেছিলো?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবারই ভেটো দেয়।
এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করলে তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা

৮৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) বেলারুশ
  4. ঘ) পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম -
পূর্ব জার্মানি - ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বাংলাদশেকে স্বীকৃতি দান করে।
তাছাড়া, রাশিয়া ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ ;
পোল্যান্ড ১২ জানুয়ারি ১৯৭১ ও
যুক্তরাজ্য ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন আর্কাইভ

৮৮.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কার অধীনে ছিলো?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) এম.এ.জি ওসমানী
ব্যাখ্যা

তাজউদ্দীন আহমদঃ মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

৮৯.
পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে পূর্ব পাকিস্তানে সর্বপ্রথম কবে ছাত্রজনতা ধর্মঘট পালন করে?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ২০ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি স্মরণীয় দিন। গণপরিষদের ভাষা-তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দেওয়া ছাড়াও পাকিস্তানের মুদ্রা ও ডাকটিকেটে বাংলা ব্যবহার না করা এবং নৌবাহিনীতে নিয়োগের পরীক্ষা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ওইদিন ঢাকা শহরে সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এটি ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর প্রথম কোন ধর্মঘট পালন।
ধর্মঘটিদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা। ধর্মঘটের পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' এই শ্লোগানসহ মিছিল করার সময় শওকত আলী, কাজী গোলাম মাহবুব, শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মুজিবুর রহমান, আবদুল ওয়াহেদ প্রমুখ গ্রেপ্তার হন। আব্দুল মতিন, আবদুল মালেক উকিল প্রমুখ ছাত্রনেতাও উক্ত মিছিলে অংশ নেন; বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিরাট সভা হয়। একজন পুলিশের নিকট থেকে রাইফেল ছিনিয়ে চেষ্টা করলে পুলিশের আঘাতে মোহাম্মদ তোয়াহা মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১২-১৫ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া

৯০.
বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীন কালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুণ্ড্রু
  3. গ) বঙ্গ
  4. ঘ) গৌড়
ব্যাখ্যা

বৃহত্তর বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর কিছু অংশ নিয়ে বঙ্গ জনপদ গড়ে উঠেছিল। বঙ্গ থেকে বাঙালি জাতির উৎপত্তি ঘটেছিলো।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।

৯১.
‘সৌরভ’ ও ‘গৌরব’ বাংলাদেশের কৃষিতে কিসের উচ্চফলনশীল জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা

গমের জাতঃ
বর্তমানে এদেশে অধিক আবাদকৃত গম জাতের মধ্যে কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ও প্রতিভা রয়েছে।
তাছাড়া, সৌরভ (বারি গম-১৯) ও গৌরব (বারি গম-২০) নামে ২টি উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত অনুমোদিত হয়েছে।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

৯২.
বাংলাদেশের ‘তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া
উৎসঃ BARI website

৯৩.
বর্তমানে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি শ্রমশক্তি নিয়োজিত?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) সেবা খাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) পোশাক শিল্পখাত
ব্যাখ্যা

দেশের মোট জনশক্তি ৬.৩৫ কোটি যার মধ্যে পুরুষ ৪.৩৫ কোটি ও নারী ২ কোটি।
খাত অনুযায়ী শ্রমশক্তিঃ
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনসংখ্যার পরিমান - ৪০.৬%,
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তি - ৩৯.০% ও
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তি - ২০.৪%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৯৪.
বাংলাদেশে বসবাসরত দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) মণিপুরি
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান নরগোষ্ঠী বাঙালি। তবে আবহমান কাল থেকে এখানে অনেকগুলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করছে। বাংলাদেশে এখন প্রায় - ৫৭ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
তবে ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ২৭টি। এ শুমারি অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ১.১৩ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত। দেশে মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা হচ্ছে ১৫,৪৮,১৪১ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী চাকমা নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সর্বাধিক (৪,৪৪,৭৪৮জন)। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়ে মারমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। এদের সংখ্যা ২,০২,৯৭৪ জন ।
সূত্র: আদম শুমারি ২০১১ ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)

৯৫.
অখন্ড পাকিস্তানে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কবে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৯৫২ - ৫৭
  2. খ) ১৯৫৫ - ৬০
  3. গ) ১৯৫৮ - ৬৩
  4. ঘ) ১৯৬২ - ৬৭
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৭৩ - ৭৮ সাল।
বর্তমানে বাংলাদেশে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান যার মেয়াদ - ২০১৬ - ২০ সাল।

৯৬.
কোনটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস?
  1. ক) মোনাফা ও মূলধনের উপর কর
  2. খ) আয়কর
  3. গ) অভ্যন্তরীণ ঋণ
  4. ঘ) ভ্যাট
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় - মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়, মোনাফা ও মূলধনের উপর কর

৯৭.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) এর প্রধান সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. ক) BDBL
  2. খ) WB
  3. গ) IMF
  4. ঘ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) বৈঠক।
BDF - এর প্রধান সমন্বয়ক - বিশ্বব্যাংক। এর পূর্ব নাম - প্যারিস কনসোর্টিয়াম।
২০০২ সালে প্যারিসে সর্বশেষ BDF  এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৩ এবং ২০০৪ সালে ঢাকাতেই বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আর বৈঠক হয়নি।
পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এ ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সরকারের জনভিত্তি না থাকায় উন্নয়ন সহযোগীরা বিডিএফ বৈঠকে বসার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি।
এরপর দীর্ঘ ৫ বছর পর ২০১০ সালে বর্তমান সরকারের সময় অনুষ্ঠিত হয় বিডিএফ বৈঠক। আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ঝুলে থাকা বিডিএফ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে। এরপর ২০১৮ সালের ১৭-১৮ জানুয়ারিতে এবং ২৯ - ৩০ জানুয়ারি, ২০২০ সালে ঢাকায় সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট ও যুগান্তর আর্কাইভ।

৯৮.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

৯৯.
বাংলাদেশ গার্মেন্টস -এর মালিক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান - BGMEA কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৮
  2. খ) ১৯৮৩
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৮৬
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) is one of the largest trade associations in the country representing the readymade garment industry, particularly the woven garments, knitwear and sweater sub-sectors with equal importance.
Starting its journey in 1983 today BGMEA takes care of an industry that is at the backbone of Bangladesh’s economy. Since the inception, BGMEA is dedicated to promote and facilitate the apparel industry through policy advocacy to the government, services to members, ensuring workers’ rights and social compliance at factories.
Source: BGMEA website.

১০০.
‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোনারগাঁ
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাঃ
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের অগ্রগামী ছিলেন। ময়মনসিংহের স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনি একটি আর্ট গ্যালারী প্রতিষ্ঠা শুরু করেন, যা ১৫ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এটির উন্নতি করা হয় এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির সম্মানে যাদুঘরের নামকরন করা হয় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা। এটি ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।
উৎসঃ http://www.bangladeshmuseum.gov.bd/

১০১.
কয়জন বিশিষ্ঠ ব্যাক্তি ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ৯ জন
  4. ঘ) ১০ জন
ব্যাখ্যা

২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রথম ঘোষনা করা হয় - ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি।
এতে, ৯ ব্যাক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান পুরস্কার লাভ করে।
কিন্তু পরে আবার ১২ মার্চ তারিখে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ নতুন সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করে।
এতে দেখা যায়, ৮ ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান মোট ৪টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার লাভ করেন।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা আর্কাইভ।

১০২.
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ক কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মুশফিকুর রহিম
  3. গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  4. ঘ) তামিম ইকবাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি-বিন-মর্তুজা অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাড়ানোর পর নতুন অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন - তামিম ইকবাল।
টেস্টের মূল অধিনায়ক - সাকিব আল হাসান (বর্তমানে নিষিদ্ধ); ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক - মমিনুল হক।
উৎসঃ সাম্প্রতিক পত্রিকা রিপোর্ট

১০৩.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় কতটি ভাগ রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ৫ টি ভাগ রয়েছে।
প্রস্তাবনা সংবিধানের শীর্ষ সংযুক্ত একটি ঘোষণা। এতে সংবিধান রচনার মৌল উদ্দেশ্য, জনগণের অঙ্গিকার, রাষ্ট্রের লক্ষ্য ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শীর্ষে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম' সংযুক্ত করা হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান

১০৪.
যুক্তফ্রন্টের অন্যতম রাজনৈতিক দল “নেজাম - ই - ইসলামী” এর নেতৃত্বে ছিলেন -
  1. ক) হাজী দানেশ
  2. খ) মাওলানা আতাহার আলী
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) মাওলানা আজহার আলী
ব্যাখ্যা

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
দলগুলো ছিল -
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন - আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন - কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন - নেজাম- ই-ইসলামী এবং
- হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।

১০৫.
শাসন ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তি কোনটি?
  1. ক) জনগণ
  2. খ) আইন বিভাগ
  3. গ) সরকার
  4. ঘ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

সরকার যেকোন শাসন ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিরও লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধনে সরকারের ভূমিকা অপরিসীম। এ দেশের সরকার ব্যবস্থা চালিত হয় তিনটি অঙ্গের মাধ্যমে।
এগুলি হল: আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এই তিনটি বিভাগের কার্যাবলির ওপর সরকারের সফলতা নির্ভর করে।
রাষ্ট্রীয় সকল প্রকার জনকল্যাণমূলক কাজ যেমন-রাষ্ট্রের নিরাপত্তা দান, জনগণের অধিকার সংরক্ষণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, ন্যায়বিচার ইত্যাদি নিশ্চিত করে থাকে সরকার।
এছাড়াও অন্যান্য অনেক কার্যাদি সম্পাদনেও সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

১০৬.
নিচের কোনটি স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত?
  1. ক) সচিবালয়
  2. খ) বিভাগীয় প্রশাসন
  3. গ) উপজেলা পরিষদ
  4. ঘ) জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে।
যথাঃ ইউনিয়ন পরিষদ, থানা/উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
অর্থাৎ, ইউনিয়ন পরিষদ - সর্বনিম্ন ও জেলা পরিষদ - সর্বোচ্চ স্তর।
উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম দশম শ্রেণী।

১০৭.
'অর্ডার অব জুলফিকার' কোন দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) ইরান
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

'অর্ডার অব জুলফিকার' ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। এটি ১৯২১ সালে চালু হয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ২০১৯ সালে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইরানি কমান্ডার কাশেম সুলাইমানি এই সম্মাননা লাভ করেন।
পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব হলো 'নিশান-ই-হায়দার'।
সূত্রঃ ফ্রি ইরান নিউজ এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট

১০৮.
‘Sakoku’ - কোন দেশের বৈদেশিক নীতি ছিলো?
  1. ক) চীন
  2. খ) কোরিয়া
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা

সতেরশ শতকে জাপান এক বিশেষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহন করে যা 'Sakoku' নামে পরিচিত। এর অর্থ - ''country in chains'' or ''lock up of country''। অর্থ্যাৎ, অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জাপানে প্রবেশ ও জাপানের নাগরিকদের অন্যান্য দেশে গমন নিষিদ্ধ। ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত এই নীতি বলবৎ ছিলো।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১০৯.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ “শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে?
  1. ক) ভারত - পাকিস্তান সংকট
  2. খ) কোরীয় সংকট
  3. গ) সুয়েজখাল সংকট
  4. ঘ) আরব - ইসরায়েল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হলে কোরীয় উপদ্বীপ মিত্র শক্তির নিয়ন্ত্রণে আসে। সোভিয়েত ইয়নিয়নের দখলকৃত ও যুক্তরাষ্ট্রের দখলকৃত অঞ্চলকে ৩৮ ডিগ্রী অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয় এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় গণতান্ত্রিক সরকার এবং ১৯৪৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে উত্তর কোরিয়ায় সমাজতান্ত্রিক ধারার সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
➣ দীর্ঘদিন দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান থাকার পর উত্তর কোরিয়া ১৯৫০ সালের ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ চালায় এবং কোরীয় যুদ্ধের শুরু হয়। উত্তর কোরীয়ার সমর্থনে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য সমাবেশ ঘটায়। কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ''শান্তির জন্য ঐক্য'' (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
➣ দীর্ঘ তিন বছর যুদ্ধ চলার পর ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী নিরপেক্ষ অঞ্চল ''পানমুজান'' - এ সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরিতি চুক্তি ''Korean Armistice Agreement'' স্বাক্ষরিত হয় এবং কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এতে দুই কোরিয়ার কেউ স্বাক্ষর করে নি এবং সেই মতে, দুই কোরিয়ার মধ্যে এখনো যুদ্ধ চলমান রয়েছে।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১১০.
চীনকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১২
  2. খ) ১৯৪৯
  3. গ) ১৯২৯
  4. ঘ) ১৯২২
ব্যাখ্যা

➣ ১৯১২ সালের ১ জানুয়ারি, সান ইয়াত-সেন রাজতন্ত্রের বিলোপের মাধ্যমে চীনকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করেন এবং Republic of China প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে আধুনিক চীনের যাত্রা শুরু হয়। সান ইয়াত-সেন চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং পরে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।
➣ ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়। মাও-সেতুং -কে গণচীনের জনক বলা হয়। তিনি চীনে এক দলের শাসন শুরু করেন যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। ১৯৪৯ সালে সংগঠিত বিপ্লবের সময় হওয়া যুদ্ধকে চীনের গৃহযুদ্ধো বলা হয়। চীনের বর্তমান সংবিধান - ৪ ডিসেম্বর, ১৯৮২ সালে গৃহীত হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১১১.
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কতটি?
  1. ক) ২৮
  2. খ) ৭
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা

৩১ অক্টোবর, ২০১৯ সালের পর থেকে ভারতের মোট রাজ্য - ২৮টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল - ৯টি। সম্প্রতি জম্মু ও কাস্মীরের জন্য প্রযোজ্য সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে। এতে জম্মু ও কাস্মীর ভারতের রাজ্যের মর্যাদা হারায় এবং ‘জম্মু ও কাস্মীর’ ও ‘লাদাখ’ নামে দুটি কেন্দ্র শাসিত নতুন অঞ্চল হিসাবে বিবেচিত হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১১২.
ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) কালাপানি অঞ্চল
  2. খ) সিয়াচেন হিমবাহ
  3. গ) নিউ মুর
  4. ঘ) ডোকালাম
ব্যাখ্যা

- ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল - সিয়াচেন হিমবাহ।
- চীনের সাথে বিরোধ রয়েছে - ডোকালাম অঞ্চল নিয়ে যা ভূটানের অংশ।
- নেপালের সাথে ভারতের একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল - কালাপানি অঞ্চল এবং
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের দুটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল - হাড়িয়াভাঙ্গা নদী (নিউ মুর) ও ফেণীর মুহুরীর চরের অমীমাংসিত অঞ্চল।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১১৩.
ইউরোপের কোন দেশে প্রথম করোনায় (COVID-19) আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা

সম্প্রতি চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস (COVID -19) বৈশ্বিক মহামারী হিসাবে দেখা দিয়েছে। ইউরোপে এই রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। ইউরোপে সবচেয়ে মারা গেছে ইতালিতে।
আফ্রিকায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী পাওয়া যায় - মিশরে।
মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম পাওয়া যায় - UAE তে।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার

১১৪.
শ্রীলঙ্কার সম্প্রতি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের নাম কি?
  1. ক) অরবিন্দ বোবদে
  2. খ) রমেশ কালুভিথারানা
  3. গ) মাহিন্দ রাজাপাকসে
  4. ঘ) গোতাবায়ে রাজাপাকসে
ব্যাখ্যা

শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রেসিডেন্ট - গোতাবায়ে রাজাপাকসে এবং প্রধানমন্ত্রী - মাহিন্দ রাজাপাকসে।
তারা পরস্পর সহোদর এবং মাহিন্দ রাজাপাকসে শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার

১১৫.
আসিয়ানের (ASEAN) পরবর্তী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) মালয়শিয়া
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) ব্রুনেই
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

আসিয়ানের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ইন্দোনেশিয়ার বালিতে (২৩ - ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) এবং সর্বশেষ সম্মেলন (৩৫তম) অনুষ্ঠিত হয় - থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ( ১ - ৪ নভেম্বর, ২০১৯)।
আসিয়ানের ৩৬তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২০২০ সালে ভিয়েতনামে।
Source: Live MCQ Content (Upcoming)

১১৬.
কত সালে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিয়েছিলো?
  1. ক) ১৯৫৭
  2. খ) ১৯৫৮
  3. গ) ১৯৬৮
  4. ঘ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

১৯৫০ সালের ৯ মে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট শ্যুম্যান (Robert Schuman) - European Coal and Steel Community - গঠনের প্রস্তাব করেন। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের প্রথম পদক্ষেপ। ইতিহাসে এটি “The Schuman Declaration” নামে পরিচিত এবং ৯মে কে “Europe Day” হিসাবে পালন করা হয়।
The Schuman Declaration - অনুযায়ী ১৯৫১ সালে ১৮ এপ্রিল ৬টি ইউরোপীয়ান দেশ (পঃ জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইতালি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস্‌) মিলে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তিটি - ২৩ জুলাই, ১৯৫২ সালে কার্যকর হয় এবং European Coal and Steel Community গঠিত হয়।
পরবর্তীতে, এই ছয়টি দেশ মিলে সাধারন বাজার (Common Market) গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ ইতালির রাজধানী রোমে এক চুক্তি স্বাক্ষর করে যার মাধ্যমে গঠিত হয় “ইউরোপিয়ান ইকোনোমিক কমিউনিটি (European Economic Community-EEC)”। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের ইতিহাসে এটি “The Treaty of Rome” নামে পরিচিত, এবং এটি ১ জানুয়ারি ১৯৫৮ সাল থেকে কার্যকর হয়। EEC - এর সদস্য ছিলো ৬টি। ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক ও আয়ারল্যান্ড EEC তে যোগদান করে।
Source: Live MCQ Content (Upcoming)

১১৭.
বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানোয় শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ইথিওপিয়া
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানোয় (চলমান মিশনে) শীর্ষ ৫ দেশঃ
১. ইথিওপিয়া -- ৬,৬৩৯ সৈন্য
২. বাংলাদেশ -- ৬,৪১৩ সৈন্য
৩. রুয়ান্ডা -- ৬,২৯২ সৈন্য
৪. নেপাল -- ৫,৬৫৮ সৈন্য
৫. ভারত -- ৫,৪০৪ সৈন্য
Source: Live MCQ Content (Upcoming)

১১৮.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) NATO
  2. খ) ANZUS
  3. গ) CTBT
  4. ঘ) Warsaw Pact
ব্যাখ্যা

CTBT = Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
এটি একটি নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশ গুলোর বাধার কারণে কার্যকর হয়নি।
বাকিসবগুলোই নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি।

১১৯.
নিচের কোনটি পরিবেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম?
  1. ক) NPT
  2. খ) Vienna Convention - 1961
  3. গ) Fridays For Future
  4. ঘ) Wye River Memorandum
ব্যাখ্যা

#FridaysForFuture is a movement that began in August 2018, after 15 years old Greta Thunberg sat in front of the Swedish parliament every schoolday for three weeks, to protest against the lack of action on the climate crisis. She posted what she was doing on Instagram and Twitter and it soon went viral.
On the 8th of September, Greta decided to continue striking every Friday until the Swedish policies provided a safe pathway well under 2-degree C, i.e. in line with the Paris agreement.
The hashtags #FridaysForFuture and #Climatestrike spread and many students and adults began to protest outside of their parliaments and local city halls all over the world. This has also inspired the Belgium Thursday school strikes.
Source: Fridaysforfuture Website.

১২০.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) ভিয়েনা কনভেনশন
  2. খ) মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. গ) কিয়েটো প্রটোকল
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

The Vienna Convention was adopted by the Conference on the Protection of the Ozone Layer and opened for signature at Vienna from 22 March 1985 to 21 September 1985, and at the United Nations Headquarters in New York from 22 September 1985 until 21 March 1986.
Source: un.org
খেয়াল করুন,
Montreal Protocol is on ''Substances that Deplete the Ozone Layer'' and
Vienna Convention for ''the Protection of the Ozone Layer''

১২১.
কত সালে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৬
ব্যাখ্যা

- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB- Islamic Development Bank) ওআইসির একটি বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ২০ অক্টোবর, ১৯৭৫ সালে।
- এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- এই সংস্থার সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা ওআইসির সদস্য হওয়া লাগবে।
- বাংলাদেশে আইডিবির কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশের চাঁদার হার ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার।

উৎসঃ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১২২.
ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী কোনটি?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) ধলেশ্বরী
  4. ঘ) ট্যাঙ্গন
ব্যাখ্যা

কোন নদীতে অপর কোন নদী পতিত হলে পতিত নদীকে উপনদী বলা হয়। ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী হলো তিস্তা এবং ধরলা। শীতলক্ষ্যা হলো এর শাখানদী। ট্যাঙ্গন হলো মহানন্দা নদীর উপনদী।
সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী

১২৩.
‘ভূমিকম্প’ ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন ঘটায় -
  1. ক) মৃদু ধীর গতিতে
  2. খ) ধীর গতিতে
  3. গ) দ্রুত গতিতে
  4. ঘ) পরিবর্তন ঘটায় না
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প ভূ-পৃষ্ঠের দ্রুত পরিবর্তন সাধনকারী একটি প্রক্রিয়া। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
ভূমিকম্পের পূর্ভাবাস পাওয়ার মত কোন উপায় এখনো আবিষ্কৃত হয় নি। তবে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
এর নাম - সিসমোগ্রাফ।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর প্রাকৃতিক ভূগোল বই (উন্মুক্ত)।

১২৪.
বাংলাদেশে কোন ধরনের বন্যা দীর্ঘ সময় অবস্থান করে?
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) জলোচ্ছাস জনিত বন্যা
  3. গ) জোয়ার - ভাটা জনিত বন্যা
  4. ঘ) মৌসুমি বন্যা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যাকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
ক) মৌসুমি বন্যা (monsoon flood) - এই বন্যা ঋতুগত, নদনদীর পানি ধীরে ধীরে উঠানামা করে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে;
খ) আকস্মিক বন্যা (flash flood) - আকস্মিক পাহাড়ি ঢল অথবা স্বল্প সময়ে সংঘটিত প্রবল বৃষ্টিপাত থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানবসৃষ্ট বাঁধ ভেঙে সংঘটিত হয়; এবং
গ) জোয়ারসৃষ্ট বন্যা (tidal flood): সংক্ষিপ্ত স্থিতিকাল বিশিষ্ট এই বন্যার উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ভূভাগের নিষ্কাশন প্রণালীকে আবদ্ধ করে ফেলে।
মৌসুমি বন্যা তুলনামূলকভাবে বেশি সময় অবস্থান করে। ১৯৯৮ সালের মৌসুমি বন্যা প্রায় ৩ মাসের বেশি সময় অবস্থান করেছিলো।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১২৫.
বাংলাদেশে বর্তমানে উত্তোলনরত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ১৮
  2. খ) ২০
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র - ২৭টি (সর্বশেষ - ভোলা জেলায় আবিষ্কৃত -ভোলা নর্থ)
উত্তোলনরত গ্যাসক্ষেত্র - ২০টি
সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র - সিলেটের হরিপুর গ্যাসফিল্ড।
উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় - এর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

১২৬.
বাংলাদেশের কয়টি জেলায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ১০
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ২৮টিতে কোন রাষ্টত্থীয় বনভূমি নেই।
জেলা ভিত্তিক কেবলমাত্র খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙ্গামাটি এ ৬টি জেলায় পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করার মত প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিমান বনভূমি আছে।
উৎসঃ ভূগোল(অর্থনৈতিক ভূগোল)দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত বিশ্বঃ)।

১২৭.
আড়িয়াল বিল - কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) মানিকগঞ্জ
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

আড়িয়াল বিল পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত ও মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি অবভূমি। এটি দেশের মধ্যাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন বিল। এর আয়তন ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার।
আড়িয়াল বিলের বেশিরভাগ এলাকাই শুষ্ক ঋতুতে আর্দ্র থাকে এবং বিলে যথেষ্ট পরিমাণ পানি সঞ্চিত থাকে। বর্ষায় পানিতে টইটুম্বুর থাকলেও শীতকালে এটি বিস্তীর্ণ শস্য ক্ষেতে পরিণত হয়।

১২৮.
নিচের কোনটি সুশাসনের স্তম্ভ নয়?
  1. ক) আইনি কাঠামো
  2. খ) গণতন্ত্র
  3. গ) স্বচ্ছতা
  4. ঘ) অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা

বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন। ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল−
১.দায়িত্বশীলতা,
২.স্বচ্ছতা
৩.আইনী কাঠামো ও
৪.অংশগ্রহণ।
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বই।

১২৯.
“আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।” - কার প্রদত্ত সংজ্ঞা?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) জন অস্টিন
  3. গ) স্যার হেনরি মেইন
  4. ঘ) উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা

আইনের প্রামাণ্য সংজ্ঞা
১. গ্রিক দার্শনিক এ্যারিস্টটলের মতে, ''আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি।''
২. আইনবিদ জন অস্টিনের মতে, ''সার্বভৌম শক্তির আদেশই আইন।''
৩. অধ্যাপক হল্যান্ড বলেন, ''আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের এমন কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দ্বারা প্রযুক্ত হয়।''
৪. স্যার হেনরি মেইনের মতে, ''আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।''
৫. আইনের সার্বজনীন ও উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন। তাঁর মতে, ''আইন হল সমাজের সে সব সুপ্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যাদের পিছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।''
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পৌরনীতি বই (উন্মুক্ত)

১৩০.
আমলাতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো-
  1. ক) গণতন্ত্র সুসংহত করা
  2. খ) জনকল্যান নিশ্চিত করা
  3. গ) নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
  4. ঘ) ক্ষমতা ভোগ
ব্যাখ্যা

যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তা ই মূল্যবোধ। একজন আমলা বা প্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো জনগণের কল্যাণ সাধন করা। এই মূল্যবোধের আলোকেই একজন প্রশাসক বা আমলা তার কর্মকাণ্ডকে পরিচালিত করে।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র – প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক

১৩১.
মানুষের আচার-ব্যবহার, ধ্যান-ধারনা, চাল-চলন ইত্যাদি নির্ধারণ করার মাপকাঠি -
  1. ক) নৈতিকতা
  2. খ) আইন
  3. গ) মূল্যবোধ
  4. ঘ) শিক্ষা
ব্যাখ্যা

মানুষের কর্মকান্ডের ভালো-মন্দ বিচার করার ভিত্তি হচ্ছে মূল্যবোধ। এটি এক প্রকার সামাজিক নৈতিকতা। মূল্যবোধ মানুষের আচার-ব্যবহার, ধ্যান-ধারনা, চাল-চলন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করার মাপকাঠি স্বরূপ।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বোর্ড বই।