পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২ (ডালিয়া) পরীক্ষার তারিখ: ১২.১০.২০১২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন

.
‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
  1. ড. আশরাফ সিদ্দীকী
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. শামসুর রাহমান
  4. সানাউল হক
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটি শামসুর রাহমান এর রচনা।
- গ্রন্থটি ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হয়।

শামসুর রাহমান:
- তিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। 
- তিনি ছিলেন কবি, সাংবাদিক।
- তাঁর ডাক নাম 'বাচ্চু'।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে লিখতেন।
- আঠারো বছর বয়সে শামসুর রাহমান প্রথম কবিতা লেখা আরম্ভ করেন।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘উনিশ’শ উনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত 'সোনার বাংলা' পত্রিকায়। 
- 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' তাঁর দুটি বিখ্যাত কবিতা।
- তিনি আদমজি পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ২০০৬ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, 
- রৌদ্র করোটিতে, 
- বিধ্বস্ত নীলিমা, 
- বন্দী শিবির থেকে, 
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ, 
- এক ফোঁটা কেমন অনল, 
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- নিজ বাসভূমে,
- স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি,
- কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে, 
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. রশীদ করীম
  2. শওকত ওসমান
  3. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  4. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রশীদ করীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রশীদ করীম
ব্যাখ্যা
• ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা - রশীদ করীম

উত্তম পুরুষ:
- রশীদ করীমের এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শাকেরকে ঘিরে সেলিনা, অণিমা, শেখর, মুশতাক, সলিল, চন্দ্রা, নিহার ভাবি, শিশির এ রকম অসংখ্য চরিত্র আবর্তিত হয়েছে।
- এদের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় কোথাও কোথাও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছে।
- আধুনিক মননশীলতা, পরিশীলতা, আঙ্গিক, অভিজ্ঞতার নির্লিপ্ত বর্ণনায় পাঠকের পাঠতৃষ্ণার নিবারণ হয়।

রশীদ করীম:
- তিনি ১৪ই আগস্ট, ১৯২৫ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭২), একুশে পদক (১৯৮৪), লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৯১), জনকণ্ঠ পুরস্কার (২০০১) পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ২০১১ সালের ২৬শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- উত্তমপুরুষ,
- প্রসন্ন পাষাণ,
- আমার যত গ্লানি,
- সোনার পাথর বাটি,
- বড়ই নিঃসঙ্গ,
- লান্সবাক্স ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
.
‘তাপসী’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
• প্রচলিত মতে, ‘তাপসী’ নাটকটি রচনা করেছেন - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
কিন্তু কোন নির্ভরযোগ্য উৎসে এটি পাওয়া যায় নি।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত সামাজিক নাটক:
- পরপারে,
- বঙ্গনারী,
- কল্কি অবতার,
- বিরহ,
- ত্র্যহস্পর্শ,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- পুনর্জন্ম,
- আনন্দ বিদায় ইত্যাদি।

 • দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত ঐতিহাসিক নাটক:
- প্রতাপসিংহ,
- দুর্গাদাস,
- নূরজাহান,
- মেবার পতন,
- সাজাহান,
- চন্দ্রগুপ্ত,
- সিংহল বিজয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের উদাহরণ?
  1. হ্যাঁ আমি যাব
  2. যথা ধর্ম তথা জয়
  3. আবার যেতে হবে
  4. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
সঠিক উত্তর:
যথা ধর্ম তথা জয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথা ধর্ম তথা জয়
ব্যাখ্যা
• নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের উদাহরণ - যথা ধর্ম তথা জয়

নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়: 
কতগুলো যুগ্মশব্দ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় রূপে পরিচিত।
যেমন: যথা-তথা, যত-তত, যখন-তখন, যেমন-তেমন, যেরূপ- সেরূপ ইত্যাদি।
উদাহরণ -
- যথা ধর্ম তথা জয়
- যত গর্জে তত বর্ষে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
.
কোন সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না?
  1. নিত্য সমাস
  2. দ্বন্দ্ব সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না।

নিত্যসমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে।
- তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন -
→ অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
→ কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
→ অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
→ (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ,
→ তুমি আমি ও সে = আমরা,
→ দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
পরাজয়ে ডরে না বীর’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণে ৭মী
  2. অধিকরণে ৭মী
  3. কর্মে ৭মী
  4. অপাদানে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৭মী
ব্যাখ্যা
• ‘পরাজয়ে ডরে না বীর’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি অপাদানে ৭মী বিভক্তি।

অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক।
যেমন -
→ বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
→ গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
→ জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
→ বিরত: পাপে বিরত হও।
- অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।

অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
(ক) প্রথমা বা শূন্য বা 'অ' বিভক্তি:
- বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না। 
- 'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।'

(খ) দ্বিতীয়া বা 'কে' বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।

(গ) ষষ্ঠী বা 'এর' বিভক্তি: যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধে হয়।

(ঘ) সপ্তমী বা 'এ' বিভক্তি:
লোকমুখে শুনেছি।
তিলে তৈল হয়।
বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।
পরাজয়ে ডরে না বীর
- য় বিভক্তি: টাকায় টাকা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তায় শূন্য
  2. করণে শূন্য
  3. কর্মে শূন্য
  4. কর্মে ৭মী
সঠিক উত্তর:
কর্মে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মে শূন্য
ব্যাখ্যা
• 'কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।

কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম, গৌণ কর্ম।
যেমন -
→ বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে।
- এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
(ক) প্রথমা বা শূন্য বা 'অ' বিভক্তি:
- ডাক্তার ডাক।
- আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)
- রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা খুঁজে পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)
- কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে

(খ) দ্বিতীয়া বা 'কে' বিভক্তি: তাকে বল।
- 'রে' বিভক্তি: 'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা'।

(গ) ষষ্ঠী বা 'র' বিভক্তি: তোমার দেখা পেলাম না।

(ঘ) সপ্তমীর 'এ' বিভক্তি: 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)

• বাক্যস্থিত ক্রিয়াকে কী / কাদের / কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তাই কর্ম কারক।
- 'কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ - এখানে 'কী ভাসিয়া গেল নয়নের জলে?', প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় - 'কপোল'। তাই 'কপোল'  কর্মে শূন্য বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. দধীচি
  2. দধিচী
  3. দধিচি
  4. দধীচী
সঠিক উত্তর:
দধীচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দধীচি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - দধীচি
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: পুরাণোক্ত মুনিবিশেষ অসুর বধকল্পে যিনি নিজ অস্থি দিয়ে বজ্র নির্মাণের জন্য স্বেচ্ছায় দেহত্যাগ করেন; (আলংকারিক) পরোপকারের জন্য আত্মোৎসর্গকারী পুরুষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. বিভিষীকা
  2. বিভীষিকা
  3. বীভিষিকা
  4. বীভিষীকা
সঠিক উত্তর:
বিভীষিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভীষিকা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - বিভীষিকা
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: আতঙ্ক; ভীতিকর ঘটনা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
‘পুষ্প’ এর সমার্থক শব্দ নয় -
  1. ফুল
  2. কুসুম
  3. অবনী
  4. প্রসূন
সঠিক উত্তর:
অবনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবনী
ব্যাখ্যা
• ‘পুষ্প’ এর সমার্থক শব্দ নয় - অবনী
- এটি 'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘চপল’ এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. স্তব্ধ
  2. ঠাণ্ডা
  3. গম্ভীর
  4. রাশভারী
সঠিক উত্তর:
গম্ভীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম্ভীর
ব্যাখ্যা
• ‘চপল’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - গম্ভীর

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
→ চিরায়ত - সাময়িক।
→ চৌকস - হাঁদা।
→ ব্যষ্টি - সমষ্টি।
→ ভূত - ভবিষ্যৎ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
‘পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে’ - এর অর্থ কি?
  1. ভদ্র ব্যক্তির সাথে খাদ্য খাওয়া
  2. মোগলের সাথে বসে খাদ্য খাওয়া
  3. সুদিন হঠাৎ করে ফিরে আসা
  4. বিপদে পড়ে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
বিপদে পড়ে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপদে পড়ে কাজ করা
ব্যাখ্যা
• ‘পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে’ - এর অর্থ: বিপদে পড়ে কাজ করা

বাক্য: তোমার কথাই রাখবো, কী আর করা - পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘যার অনেক বুদ্ধি আছে’ তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কি দাঁড়ায়?
  1. বুদ্ধির ঢেঁকি
  2. বিড়াল তপস্বী
  3. গভীর জলের মাছ
  4. ভূষণ্ডির কাক
সঠিক উত্তর:
গভীর জলের মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গভীর জলের মাছ
ব্যাখ্যা
• ‘যার অনেক বুদ্ধি আছে’ তাকে বাগ্‌ধারা দিয়ে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় - গভীর জলের মাছ

অন্যদিকে,
• 'বুদ্ধির ঢেঁকি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্বোধ।
• 'বিড়াল তপস্বী' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভণ্ডসাধু।
• 'ভূষণ্ডির কাক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দীর্ঘজীবী।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৪.
‘নিরাময়’ - এর সন্ধি-বিচ্ছেদ-
  1. নিরা + ময়
  2. নিঃ + আময়
  3. নিঃ + ময়
  4. নির + ময়
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আময়
ব্যাখ্যা
• ‘নিরাময়’ - এর সন্ধি-বিচ্ছেদ - নিঃ + আময়

নিরাময় (বিশেষণ):
- রোগহীন; নীরোগ; সুস্থ।
- দূরীকৃত; বিতাড়িত (চিকিৎসা দ্বারা নিরাময় করা)।

নিরাময় (বিশেষ্য):
- দূরীকরণ; বিতাড়ন (অসুস্থতা নিরাময়ের জন্য)।

নিরাময়:
- শব্দ: তৎসম বা সংস্কৃত।
- সন্ধি বিচ্ছেদ: নিঃ + আময়
- সমাস: বহুব্রীহি সমাস।

উৎস: অভিগম্য অভিধান।
১৫.
‘কাক-ভূষণ্ডি’ - এর অর্থ কি?
  1. দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
  2. বাকসর্বস্ব
  3. ষড়যন্ত্রকারী
  4. দীর্ঘ প্রতীক্ষমাণ
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ‘কাক-ভূষণ্ডি’ - এর অর্থ : দীর্ঘায়ু ব্যক্তি

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'কেউকেটা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - তুচ্ছ।
• 'কাঁচা পয়সা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নগদ উপার্জন।
• 'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - পরিপাটি।
• 'কাঠের পুতুল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্জীব, অসার।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৬.
'Your conduct admits ________no excuse.' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. at
  2. for
  3. of
  4. from
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা
• Admit of (phrasal verb)
English Meaning: to allow something or make it possible.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) অবকাশ থাকা।

Example:
1. Your conduct admits of no excuse.
2. A question that admits of two possible answers.

• Admit to (phrasal verb)
English Meaning: admitted to; admitting to; admits to.
Bangla Meaning: স্বীকার করা; স্বীকারোক্তি করা।

Example:
1. He reluctantly admitted to knowing her. 
2. He admitted to his guilt.

Source: 
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
'You should not blush _____ shame at your own mistake.' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. at
  2. on
  3. upon
  4. with
সঠিক উত্তর:
with
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with
ব্যাখ্যা
Blush (with something): to blush with embarrassment/shame.

English Meaning: to become red in the face from shame, embarrassment, or confusion. 
Bangla Meaning: লজ্জায় লাল হওয়া।

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - with.
- Complete Sentence: 'You should not blush with shame at your own mistake.'

Example Sentence:
1. The dishonest act made him blush with shame when confronted with the consequences.
2. The student couldn't help but blush with shame when the teacher pointed out the plagiarized content in the essay.
3. The child's innocent honesty made the adults blush with shame for their petty arguments.

Source: Oxford Learners Dictionaries.
১৮.
'Throw cold water on' -এর অর্থ হচ্ছে-
  1. Damp the spirits
  2. Throwing cold water
  3. Ice water
  4. None
সঠিক উত্তর:
Damp the spirits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Damp the spirits
ব্যাখ্যা
• Throw/Pour cold water on (idiom)
English Meaning: to be negative about someone's ideas or plans.
Bangla Meaning: আগ্রহে পানি ঢালা/নিরুৎসাহিত করা

Example Sentence:
1. Instead of supporting the team's ambitious project, the manager seemed to constantly throw cold water on their efforts
2. You're always throwing cold water on my doings.
3. The teacher's negative feedback threw cold water on the students' enthusiasm for the upcoming school event.

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, 'Throw cold water on' means - Damp the spirits.
- Damp - উৎসাহ ভঙ্গ করা।

Source: Cambridge Dictionary.
১৯.
'By all means'-এর অর্থ হচ্ছে-
  1. Meaningless
  2. Certainly
  3. Uncertainly
  4. Meaningful
সঠিক উত্তর:
Certainly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Certainly
ব্যাখ্যা
• By all means (idiom)

English Meaning: of course/certainly (granting a permission).
Bangla Meaning: খুব আগ্রহের সাথে অনুমতি দেওয়া বুঝাতে ; অবশ্যই, নিশ্চয়ই।

Example Sentence:
1. If you need any assistance with your project, by all means, let me know.
2. You have my permission to use my car for the weekend by all means.
3. If you want to join us for dinner, by all means, come over!

Other Options:
ক) Meaningless - অর্থহীন
গ) Uncertainly - পরিবর্তনশীল; অস্থির; অনিশ্চিত।
ঘ) Meaningful - অর্থপূর্ণ।

Source: Live MCQ Lecture.
২০.
Synonym of the word 'Vertical' is -
  1. Horizontal
  2. Prone
  3. Inclined
  4. Erect
সঠিক উত্তর:
Erect
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Erect
ব্যাখ্যা
• Vertical (adjective)

English Meaning: standing or pointing straight up or at an angle of 90° to a horizontal surface or line.
Bangla Meaning: খাড়া; উলম্ব।

Synonyms:
- Perpendicular (সমকোণে সমভূমির উপর স্থাপিত),
- Erect (খাড়া; সিধা),
- Upright (ঋজু; অবক্র; সোজা)।

Antonyms:
- Flat (একই তলায় বা একই সমতলে অবস্থিত কক্ষ),
- Recumbent (শায়িত),
- Diagonal (তির্যক)।

Other Options:
- Horizontal (অনুভূমিক; সমতল),
- Prone (অধোমুখ; উপুড়; হেঁটমুখ),
- Inclined (অবনত হওয়া বা করা)।

Source:
1. merriam-webster
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy
২১.
Antonym of the word 'Fantasy' is -
  1. Illusion
  2. Dream
  3. Fact
  4. Credit
সঠিক উত্তর:
Fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fact
ব্যাখ্যা
• Fantasy (noun)

English Meaning: a conception or image created by the imagination and having no objective reality.
Bangla Meaning: অলীক কল্পনা; বাঁধনহারা কল্পনা।

Synonyms:
- Dream (স্বপ্ন; অলীক কল্পনা; কাল্পনিক বিষয়),
- Illusion/Delusion (মোহ; বিভ্রম; মতিবিভ্রম)।

Antonyms:
- Fact (প্রকৃত ঘটনা),
- Reality (বাস্তবতা; বাস্তব অস্তিত্ব)।

Other Option:
- Credit (অগ্রিম ঋণ),

Source: 
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Efflorescence
  2. Eflorescence
  3. Efflorascence
  4. Effloresence
সঠিক উত্তর:
Efflorescence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Efflorescence
ব্যাখ্যা
• Efflorescence (noun)

English Meaning: the action or process of developing and unfolding as if coming into flower.
Bangla Meaning: কুসুমের কাল; পুষ্পবিকাশ; ফুল-ফোটা।

The correct spelling is Option (ক) = Efflorescence.

Example Sentence:
1. After the heavy rain, an efflorescence of colorful wildflowers appeared in the meadow.
2. The old building exhibited signs of efflorescence on its weathered walls, showcasing a powdery residue.

Source: 
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Sychology
  2. Psykology
  3. Sycology
  4. Psychology
সঠিক উত্তর:
Psychology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Psychology
ব্যাখ্যা
• Psychology (noun)

English Meaning: the study of mind and behavior about a particular field of knowledge or activity.
Bangla Meaning: মনোবিদ্যা; মনোবিজ্ঞান।

So, the correct spelling is Option (ঘ) = Psychology

Example Sentence: 
1. Many universities offer comprehensive programs in psychology.
2. The field of psychology continues to evolve as researchers uncover new findings about cognitive processes and emotional well-being.

Source: 
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. He cannot pronounciate the word.
  2. I saw his pulse.
  3. Tell me where are you going?
  4. Dog is a faithful animal.
সঠিক উত্তর:
Dog is a faithful animal.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dog is a faithful animal.
ব্যাখ্যা
Incorrect Sentence: He cannot pronounciate the word.
Correct Sentence: He cannot pronounce the word.
→ বাক্যটিতে ‘Pronounciate’ এর পরিবর্তে ‘Pronounce’ হবে।

Incorrect Sentence: I saw his pulse.
Correct Sentence: I felt his pulse.
→ বাক্যটিতে ‘saw’ এর পরিবর্তে ‘felt’ হবে।

Incorrect Sentence: Tell me where are you going?
Correct Sentence: Tell me where you are going.
→ বাক্যটিতে 'where' এর পরে 'you' এবং 'you' এর পরে 'are' হবে।

অপশন (ঘ) "Dog is a faithful animal." বাক্যটি শুদ্ধ।
তবে, grammatically অধিকতর শুদ্ধ করে লেখার জন্য Article 'A/The' যোগ করা যেতে পারে।
যেমন: A dog is a faithful animal. / The dog is a faithful animal.
২৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. A Daniel has come to the judgement
  2. He got the work done
  3. He went to his elder
  4. I have read a poetry
সঠিক উত্তর:
He got the work done
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He got the work done
ব্যাখ্যা
Incorrect Sentence: A Daniel has come to the judgement.
Correct Sentence: A Daniel is in the judgement.

Incorrect Sentence: He went to his elder.
Correct Sentence: He went to his elder brother.

Incorrect Sentence: I have read a poetry.
Correct Sentence: I have read a poem. 

অপশন (ঘ) "He got the work done." বাক্যটি শুদ্ধ।
২৬.
He said, 'How charming the sight is!' বাক্যের indirect speech হচ্ছে-
  1. He exclaimed that the sight was very charming
  2. He exclaimed that the sight was charming
  3. He exclaimed that the sight is very charming
  4. He exclaimed that the sight is charming
সঠিক উত্তর:
He exclaimed that the sight was very charming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He exclaimed that the sight was very charming
ব্যাখ্যা
→ Direct speech এ reporting verb (said) past tense এ থাকায়,
Indirect speech এ reported speech এর verb ও past tense এ থাকবে। অর্থাৎ তা was হবে।

→ Exclamatory sentence এ how থাকলে assertive sentence এ very বসে।

তাই, প্রশ্নোক্ত বাক্যটির সঠিক Indirect speech হচ্ছে-
He exclaimed that the sight was very charming.

More Examples:
Direct Speech: He said, "How interesting the book is!"
Indirect Speech: He exclaimed that the book was very interesting.

Direct Speech: She said, "How delicious the cake tastes!"
Indirect Speech: She exclaimed that the cake tasted very delicious.

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.
২৭.
'He said that he had come to see me' বাক্যের direct speech হচ্ছে-
  1. He said, 'He has come to see you.'
  2. He said, 'I have come to see you.'
  3. He said, 'He had come to see you.'
  4. He said, 'I come to see you.'
সঠিক উত্তর:
He said, 'I have come to see you.'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He said, 'I have come to see you.'
ব্যাখ্যা
→ Indirect speech - এ Past perfect tense –এর ব্যবহার থাকলে Direct speech –এ Present perfect tense - এর ব্যবহার করতে হবে।

Indirect Speech: He said that he had come to see me.
Direct Speech: He said, "I have come to see you."

More Example:
Indirect Speech: He said that he had bought a car.
Direct Speech: He said, "I have bought a car."

Source: Applied English Grammar & Composition by P. C. Das.
২৮.
'Am I wanted by you?' বাক্যের active voice হচ্ছে-
  1. Are you wanted me?
  2. Did you want me?
  3. Does you want me?
  4. Do you want me?
সঠিক উত্তর:
Do you want me?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Do you want me?
ব্যাখ্যা
Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive voice এ রূপান্তর করার নিয়ম: 
→ এ ধরণের বাক্য যদি Do verb দিয়ে শুরু হয়, তাহলে প্রথমে তাকে Assertive Sentence- এ পরিণত করে তারপর তাকে Interrogative Sentence- এ পরিবর্তন করা সুবিধাজনক। 

Active Voice: Do you want me?
Assertive Sentence: You want me. ↔ I am wanted by you. 
Passive Voice: Am I wanted by you?

More Example:
Active Voice: Do you buy a pen?
Assertive Sentence: You buy a pen. ↔ A pen is bought by you.
Passive Voice: Is a pen bought by you?

Active Voice: Did he drink water?
Assertive Sentence: He drank water. ↔ Water was drunk by you.
Passive Voice: Was water drunk by you?

Source: Applied English Grammar & Composition by P. C. Das.
২৯.
'He is poor but honest.' বাক্যে conjunction কোনটি?
  1. poor
  2. honest
  3. but
  4. he
সঠিক উত্তর:
but
উত্তর
সঠিক উত্তর:
but
ব্যাখ্যা
Compound Sentence:
- যে বাক্যে একাধিক principal clause, coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে বলে Compound Sentence. 
- Coordinating conjunction সমূহ হলো: and, or, but, both ...... and, not only ...... but also, no less than, no fewer than, neither ...... nor, either ..... or, yet, still, while, whereas ইত্যাদি। 

- "He is poor but honest." বাক্যটিতে Conjunction হচ্ছে 'but'

Example Sentence:
1. She loves to read novels, but he prefers watching movies.
- Compound sentence with the coordinating conjunction "but."
2. I wanted to go to the party, yet I had too much work to finish.
- Compound sentence with the coordinating conjunction "yet."
3. They went for a hike, and they enjoyed the breathtaking views.
- Compound sentence with the coordinating conjunction "and."

Source: Applied English Grammar & Composition by P. C. Das.
৩০.
'Mother laughs' বাক্যে 'laughs' কিসের উদাহরণ?
  1. Intransitive verb
  2. Auxiliary verb
  3. Transitive verb
  4. Causative verb
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
ব্যাখ্যা
Intransitive verb:
বাক্যের অর্থ সম্পন্ন করতে যে verb এর object প্রয়োজন হয় না তাকে Intransitive verb বলে।

এখানে, 'Mother laughs.' বাক্যে কোন object নেই। তাই 'laughs' Intransitive verb-এর উদাহরণ।

Example Sentence:
1. She slept peacefully.
2. The sun rose early.
3. He laughed loudly.
4. The children played in the park.
5. The cat jumped onto the table.
6. They danced all night.
7. The flowers bloomed in the garden.
8. The rain fell steadily.
9. I run every morning.
10. The baby cried loudly.

Source: Applied English Grammar & Composition by P. C. Das.
৩১.
একটি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৬ হলে, বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত হবে?
  1. চার সমকোণ
  2. ছয় সমকোণ
  3. সাত সমকোণ
  4. আট সমকোণ
সঠিক উত্তর:
আট সমকোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আট সমকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৬ হলে, বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত হবে?

সমাধান: 
আমরা জানি,
কোন বহুভুজের বাহুর সংখ্যা n হলে মোট উৎপন্ন অন্তঃকোণের পরিমাণ = (n - 2) × 180⁰

বহুভুজের বাহুর সংখ্যা 6 টি
∴ বহুভুজের অন্তঃকোণের সমষ্টি = (6 - 2) × 180⁰ 
= 4 × 180⁰
= 720⁰/ 90⁰ সমকোণ
= 8 সমকোণ
৩২.
একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের কতগুণ?
  1. দ্বিগুণ
  2. তিনগুণ
  3. চারগুণ
  4. পাঁচগুণ
সঠিক উত্তর:
চারগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারগুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের কতগুণ?

সমাধান: 
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = x
সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গ = x2
সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গ = (x/2)2 বা, x2/4
একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের চারগুণ।
৩৩.
a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?
  1. 5
  2. 4
  3. 3
  4. 2
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে ab এর মান কত?

সমাধান:
a + b = 5 
a - b = 3 

ab  = {(a + b)/2}2 - {(a - b)/2}2
= (5/2)2 - (3/2)2
= (25/4) - (9/4)
= (25 - 9)/4
= 16/4
= 4
৩৪.
x - (1/x) = 2 হলে, x4 + (1/x4) = কত?
  1. 34
  2. 32
  3. 31
  4. 30
সঠিক উত্তর:
34
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - 1/x = 2 হলে, x4 + 1/x4 = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x - 1/x = 2

এখানে
x4 + 1/x4 = (x2)2 + (1/x2)2
= (x2 + 1/x2)2 - 2.x2.1/x2
= {(x - 1/x)2 + 2.x.1/x}2 - 2
= (22 + 2)2 - 2
= 62 - 2
= 36 - 2
= 34 
৩৫.
এক কুড়ি কমলা ৫০ টাকায় ক্রয় করে এক ডজন কমলা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করা হলো। শতকরা কত লাভ হলো?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ১৮%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কুড়ি কমলা ৫০ টাকায় ক্রয় করে এক ডজন কমলা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করা হলো। শতকরা কত লাভ হলো?

সমাধান:
২০ টি কমলার ক্রয় মূল্য = ৫০ টাকা
১ টি কমলার ক্রয় মূল্য = ৫০/২০ টাকা
১২ টি কমলার ক্রয় মূল্য = (৫০ × ১২)/২০ টাকা
= ৩০ টাকা

লাভ = (৩৬ - ৩০) = ৬ টাকা

এখন,
৩০ টাকায় লাভ হয় ৬ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় ৬/৩০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় ৬ × ১০০/৩০ টাকা
= ২০ টাকা
৩৬.
৫৬০ টাকায় একটি চেয়ার কিনে কত টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হবে?
  1. ৮০০ টাকা
  2. ৭৫০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ৬০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫৬০ টাকায় একটি চেয়ার কিনে কত টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হবে?

সমাধান:
২৫% লাভে
বিক্রয়মূল্য = ৫৬০ + (৫৬০ × ২৫%)
= ৫৬০ + (৫৬০ × ২৫/১০০)
= ৫৬০ + ১৪০
= ৭০০ টাকা
৩৭.
ক একটি কাজ ৫ দিনে এবং খ তা ১০ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ১ দিনে এর কত অংশ করতে পারবে?
  1. ১/১৫
  2. ৩/১০
  3. ২/১৫
  4. ১/১০
সঠিক উত্তর:
৩/১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩/১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক একটি কাজ ৫ দিনে এবং খ তা ১০ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ১ দিনে এর কত অংশ করতে পারবে?

সমাধান: 
ক ৫ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ 
ক ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৫ অংশ 

খ  ১০ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ 
খ  ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/১০ অংশ 

ক ও খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির (১/৫) + (১/১০) অংশ 
= (২ + ১)/১০ অংশ 
= ৩/১০ অংশ
৩৮.
একজন পুরুষ যে কাজ ১ দিনে করতে পারে ঐ কাজ ১ জন স্ত্রীলোকের করতে ৩ দিন লাগে। একটি কাজ ১৫ জন পুরুষ ১ দিনে করতে পারে। ঐ কাজ একদিনে করতে কতজন স্ত্রীলোকের প্রয়োজন-
  1. ৪৫
  2. ৯০
  3. ১৩৫
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন পুরুষ যে কাজ ১ দিনে করতে পারে ঐ কাজ ১ জন স্ত্রীলোকের করতে ৩ দিন লাগে। একটি কাজ ১৫ জন পুরুষ ১ দিনে করতে পারে। ঐ কাজ একদিনে করতে কতজন স্ত্রীলোকের প্রয়োজন-

সমাধান:
১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ১ জন স্ত্রীলোকের ৩ দিনের কাজ = ৩ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ
∴ ১৫ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = (৩ × ১৫) = ৪৫ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ
৩৯.
একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। তাতে সোনা ও তামার পরিমাণ সমান ৩ : ১। তাতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?
  1. ৬ গ্রাম
  2. ৫ গ্রাম
  3. ৪ গ্রাম
  4. ৮ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। তাতে সোনা ও তামার পরিমাণ সমান ৩ : ১। তাতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?

সমাধান: 
গহনার ওজন = ১৬ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (১৬ × ৩)/৪ = ১২ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (১৬ × ১)/৪ = ৪ গ্রাম

ধরি,
ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ১২ : ৪ = ৪ : ১
(ক + ১২)/৪ = ৪/১
ক + ১২ = ১৬
ক = ১৬ - ১২
ক = ৪

∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৪০.
দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮ : ২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
  1. ৪ : ৯
  2. ৪ : ১৫
  3. ২ : ৩
  4. ৫ : ৬
সঠিক উত্তর:
৪ : ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ : ৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮ : ২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

সমাধান: 
ধরি,
১ম গোলকের ব্যাসার্ধ r1 
২য় গোলকের ব্যাসার্ধ r2 

আমরা জানি 
গোলকের আয়তনের = (4/3)πr3

প্রশ্নমতে,
(4/3)πr13/(4/3)πr23 = 8/27
বা, r1/r2 = 2/3
বা, r12/r22 = 4/9
 4πr12/4πr22 = 4/9

ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ৪ : ৯
৪১.
৬, ৮, ১০ এর গাণিতিক গড় ৭, ৯ ও কোন সংখ্যার গাণিতিক গড়ের সমান?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬, ৮, ১০ এর গাণিতিক গড় ৭, ৯ এবং কোন সংখ্যার গাণিতিক গড়ের সমান? 

সমাধান: 
৬, ৮, ১০ এর গাণিতিক গড় = (৬ + ৮ + ১০)/৩ 
= ২৪/৩ 
= ৮ 

ধরি, 
নির্ণেয় সংখ্যাটি = x 

প্রশ্নমতে, 
৭ + ৯ + x = ৮ × ৩ 
বা, ১৬ + x = ২৪ 
বা, x = ২৪ - ১৬ 
∴ x = ৮ 
৪২.
৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
  1. ৪৮ বছর, ১৬ বছর
  2. ২৪ বছর, ৮ বছর
  3. ৯ বছর, ৩ বছর
  4. ৩৬ বছর, ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বছর, ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বছর, ১২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
মনেকরি 
বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ক বছর

প্রশ্নমতে
(৩ক - ৬) = ৫(ক - ৬)
৩ক - ৬ = ৫ক - ৩০
৫ক - ৩ক = - ৩০ + ৬
- ২ক = - ২৪
২ক = ২৪
ক = ১২

বর্তমানে পুত্রের বয়স = ১২ বছর
বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ × ১২ = ৩৬ বছর
৪৩.
প্রতি বছর কোনো শহরের লোকসংখ্যার ৭% জন্মগ্রহণ করে এবং ৩% মারা যায়। এক বছরে শহরে ৪০০ জন লোক বৃদ্ধি পেলে ঐ শহরের মোট লোকসংখ্যা কত?
  1. ৪০০০
  2. ৭০০০
  3. ১০০০০
  4. ১৪০০০
সঠিক উত্তর:
১০০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রতি বছর কোনো শহরের লোকসংখ্যার ৭% জন্মগ্রহণ করে এবং ৩% মারা যায়। এক বছরে শহরে ৪০০ জন লোক বৃদ্ধি পেলে ঐ শহরের মোট লোকসংখ্যা কত?

সমাধান: 
লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = (৭ - ৩)% = ৪% 

৪ জন লোক বাড়লে শহরের লোকসংখ্যা = ১০০ জন 
১ জন লোক বাড়লে শহরের লোকসংখ্যা = ১০০/৪ জন 
৪০০ জন লোক বাড়লে শহরের লোকসংখ্যা = (১০০ × ৪০০)/৪ জন 
= ১০০০০ জন
৪৪.
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়-
  1. ধমনীর ভিতর দিয়ে
  2. স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  3. শিরার ভিতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিমালের ভিতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
- নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভেতর দিয়ে। 
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাকে ধমনী বলে। 
- ধমনীর প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু। 
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. পটকা মাছ
  2. শুশুক মাছ
  3. হাঙ্গর
  4. জেলীফিস
সঠিক উত্তর:
শুশুক মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুশুক মাছ
ব্যাখ্যা
- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি।
- কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য ডলফিন বা শুশুক মাছ মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই।

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 - This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

Source: uk.whales.org
৪৬.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কি কি থাকে?
  1. ইলেকট্রন ও পজিট্রন
  2. ইলেকট্রন ও প্রোটিন
  3. নিউট্রন ও পজিট্রন
  4. নিউট্রন ও প্রোটন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটন
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। 
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে। 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭.
কোন মৌলিক অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে?
  1. পারদ
  2. ব্রোমিন
  3. আয়োডিন
  4. সিলিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ব্রোমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রোমিন
ব্যাখ্যা
- 'ব্রোমিন' একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 

অন্যদিকে, 
- পারদ একটি ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 
- ফ্লোরিন একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস। 
- আয়োডিন একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে?
  1. লেন্সের
  2. আতশী কাচের
  3. প্রিজমের
  4. দর্পণের
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের
ব্যাখ্যা
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। 
- প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়। যথা: বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে তা প্রিজমের নেয় কাজ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯.
চাঁদে নিয়ে গেলে কোনো বস্তুর ওজন-
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. শূন্য হবে
  4. একই থাকবে
সঠিক উত্তর:
কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমবে
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫০.
অর্কিড কি ধরনের উদ্ভিদ?
  1. মৃতজীবী
  2. মিথোজীবী
  3. পরাশ্রয়ী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পরাশ্রয়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাশ্রয়ী
ব্যাখ্যা
- অর্কিড (Orchid)  Orchidaceae গোত্রের যে কোনো ফুল। 
- এদের গণ ও প্রজাতি সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৭০০ ও ২০,০০০ এবং শীতলতম অঞ্চল ছাড়া গোটা বিশ্বে বিস্তৃত, আর্দ্র-ক্রান্তীয় এলাকায়ই অধিক। 
- অর্কিড বহুবর্ষজীবী ঔষধি, পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ। 
- পরাশ্রয়ী সদস্যরা প্রধানত ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের এবং ভূমিজ প্রজাতিগুলি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের বাসিন্দা। 
- বর্ণাঢ্য পুষ্পপুটসহ বাঁকানো গড়ন অর্কিড ফুলের আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। 
- প্রত্যেকটি গাছে কয়েকটি মাত্র ফল ফললেও অতিসূক্ষ্ম বীজের সংখ্যা অগণিত, ফলপ্রতি কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১.
কোন গাছে ভাইরাস মোজাইক রোগ উৎপন্ন করে?
  1. ধান গাছে
  2. তামাক গাছে
  3. বেগুন গাছে
  4. পাট গাছে
সঠিক উত্তর:
তামাক গাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক গাছে
ব্যাখ্যা
- 'তামাক গাছে' মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে TMV নামক ভাইরাস। 

টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV): 
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস। 
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ। 
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm এবং প্রস্থ ১৫ nm. 
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত। 
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়। 
- এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে। 
- কিছু সংখ্যক ভাইরাস ছাড়া (যেমন- TMV) প্রায় সব জীব কোষেই DNA বিদ্যমান। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
  1. মার্কনি
  2. ফ্যারাডে
  3. রন্টজেন
  4. এডিসন
সঠিক উত্তর:
এডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডিসন
ব্যাখ্যা
- টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। 

অন্যদিকে, 
- নিউটন সার্বজনীন মহাকর্ষ এবং বিখ্যাত তিন গতির সূত্রের আবিস্কার করেন। 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে বায়ুমন্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন যার নাম ব্যারোমিটার। 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 
- উইলিয়াম গিলবার্ট বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন। 
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫৩.
নিচের কোনটিকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
  2. স্মৃতি
  3. যুক্তি বর্তনী
  4. নির্গমন মুখ
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- কম্পিউটারের সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যারের সংগঠনকেই বোঝানো হয়। 
- কম্পিউটার বিভিন্ন প্রকার যন্ত্র বা যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে গঠিত। 
- বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রয়োজনে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পরস্পরের সথে সংযুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়। 
- গাণিতিক যুক্তি অংশ, নিয়ন্ত্রণ অংশ ও প্রধান স্মৃতি অংশকে একত্রে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা সিপিইউ (CPU) বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. প্লেটো
  2. বার্জেস
  3. এরিস্টটল
  4. গ্যেটে
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রবিজ্ঞান:

- রাষ্ট্রবিজ্ঞান হচ্ছে রাষ্ট্র সংক্রান্ত সামাজিক বিজ্ঞান।
- রাষ্ট্রের কার্যক্রম, রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রীয় সংগঠনের সুসংবদ্ধ অধ্যয়নকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা এরিস্টটল।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকারের মূলনীতি ও রাষ্ট্রের মূলভিত্তি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধুনিক ধারণাগুলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞানে উন্নীত করেছে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্ট্রীয় সংগঠন, শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রের উদ্ভব ও বিকাশ, আন্ত:রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬২ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৫৮ জন
  4. ৪৪ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. হাসেম খান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. হামিদুর রহমান
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
৫৭.
শিক্ষার মূল লক্ষ্য কি?
  1. মানুষকে সৎ হিসেবে গড়ে তোলা
  2. মূল্যবোধ জাগানো ও ব্যক্তির গুণাবলির যথার্থ বিকাশ
  3. বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা
  4. বৃত্তিমূলক দক্ষতা বাড়ানো
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ জাগানো ও ব্যক্তির গুণাবলির যথার্থ বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ জাগানো ও ব্যক্তির গুণাবলির যথার্থ বিকাশ
ব্যাখ্যা
শিক্ষার সাধারণ উদ্দেশ্য:

- ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে নৈতিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে শিক্ষার্থীদের মননে, কর্মে ও ব্যবহারিক জীবনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করা।
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে তোলা ও তাদের চিন্তা-চেতনায় দেশাত্ববোধ, জাতীয়তাবোধ এবং তাদের চরিত্রে সুনাগরিকের গুণাবলির যেমন: ন্যায়বোধ, অসাম্প্রদায়িক-চেতনাবোধ, কর্তব্যবোধ, মানবাধিকার সচেতনতা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, শৃঙ্খলা, সৎ জীবনযাপনের মানসিকতা, সৌহার্দ্য, অধ্যবসায় ইত্যাদি বিকাশ ঘটানো।
- জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারা বিকশিত করে প্রজন্ম পরম্পরায় সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা।
- দেশজ আবহ ও উপাদান সম্পৃক্ততার মাধ্যমে শিক্ষাকে শিক্ষার্থীর চিন্তা-চেতনা ও সৃজনশীলতার উজ্জীবন এবং তার জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞান বিকাশে সহায়তা করা।
- দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি সাধনের জন্য শিক্ষাকে সৃজনধর্মী, প্রয়োগমুখী ও উৎপাদন সহায়ক করে তোলা; শিক্ষার্থীদেরকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৮.
শিক্ষক হয়ে আপনি কিভাবে একজন দুর্বল ছাত্রকে সংশোধন করবেন?
  1. ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে
  2. ভালোভাবে পড়াশুনা করিয়ে
  3. তার মনের ভেতরের প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে
  4. তাকে ভালোরকম শাসন করে
সঠিক উত্তর:
ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে
ব্যাখ্যা
ভালো শিক্ষকের যোগ্যতা ও দক্ষতা:

- শিক্ষক হল মানুষ গড়ার কারিগর। তাই একজন আদর্শ শিক্ষকের কিছু গুনাবলী থাকা দরকার।
- শিক্ষার সর্বস্তরে শিক্ষকই হলেন শিক্ষাকর্মের মূল উৎস।
- প্রত্যেক শিক্ষকের বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সৃষ্টি করার দক্ষতা থাকা দরকার।
- একজন ভালো শিক্ষকের পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করার যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন।
৫৯.
৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ .... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ৫২
  2. ৬৫
  3. ৭১
  4. ৯২
সঠিক উত্তর:
৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ .... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
১ম পদ = ৯
২য় পদ = ৯  + ২ = ১১
৩য় পদ = ১১ + ৪ = ১৫
৪র্থ পদ = ১৫ + ৮ =২৩
৫ম পদ = ২৩ + ১৬ = ৩৯
৬ষ্ঠ পদ = ৩৯ + ৩২ = ৭১
৬০.
কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ থেকে বড়?
  1. ৮/১১
  2. ৩/৫
  3. ১৩/২৭
  4. ৩৩/৫০
সঠিক উত্তর:
৮/১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮/১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন ভগ্নাংশটি (২/৩) থেকে বড়?

সমাধান: 
৮/১১ = ০.৭২
৩/৫ = ০.৬
১৩/২৭ = ০.৪৮
৩৩/৫০ =০.৬৬
আবার 
২/৩ =  ০.৬৬
৬১.
পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর-
  1. আরব সাগর
  2. দক্ষিণ মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর। 
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। 
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি. এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত। 
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬২.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-
  1. নিয়ত বায়ু
  2. মৌসুমী বায়ু
  3. প্রত্যয়ন বায়ু
  4. আয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু এবং 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় -
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ২১ জুলাই
  3. ২১ জুন
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় - ২১ জুন। 

২১জুন: 
→ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন। 
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন। 
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৪.
মেরু রেখা বা অক্ষের দক্ষিণ প্রান্তকে বলে-
  1. সুমেরু
  2. কুমেরু
  3. বিষুব রেখা
  4. দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
কুমেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমেরু
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। 
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়। 
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়। 
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়। 
- ৬৬.৫° দক্ষিণ  অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ২১টি
  3. ২৬টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:

- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৬.
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?
  1. মহাস্থানগড়
  2. পাহাড়পুর
  3. ময়নামতি
  4. বিক্রমপুর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত সদস্যের উপস্থিতিতে?
  1. ৫৭ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৬২ জন
  4. ৬৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:

- জাতীয় সংসদ  গণপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পীকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৮.
তৈমুর লং ভারত আক্রমণ করেন-
  1. ১৬৯৮ সালে
  2. ১৫৯৮ সালে
  3. ১৩৯৮ সালে
  4. ১২৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৩৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
তৈমুর লং -এর ভারত আক্রমণ:

- তৈমুর ছিলেন তুর্কী চাগতাই বংশীয়। খোঁড়া ছিলেন বলে তাঁকে 'লং' বলা হতো।
- তিনি ইরাক, ইরাণ ও আফগানিস্তান দখল করে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতে রাজ্যস্থাপন এবং ভারতের সম্পদ লুন্ঠন এই দুই উদ্দেশ্যেই তিনি ভারত আক্রমণ করেন।
- তিনি ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত আক্রমণ করেন।
- সুলতান মাহমুদ শাহের সৈন্যবাহিনী নামেমাত্র প্রতিরোধের চেষ্টা করে পরাজিত হয় ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- তৈমুর দিল্লীতে বিজয়গৌরবে প্রবেশ করেন। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৬৯.
ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয়-
  1. সপ্তদশ শতাব্দীতে
  2. ষোড়শ শতাব্দীতে
  3. পঞ্চদশ শতাব্দীতে
  4. চতুর্দশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:

- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয় চতুর্দশ শতাব্দীতে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭০.
‘লীগ অব নেশনস’ -এর জন্ম-
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯২২ সালে
  4. ১৯২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা
লীগ অফ নেশনস:

- জাতিসংঘের পূর্বসূরি ছিল ‘লীগ অফ নেশনস‘ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে, "আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রচার এবং শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনের জন্য" ভার্সাই চুক্তির অধীনে ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
-  ‘লীগ অফ নেশনস‘ কার্যক্রম শুরু করে- ১০ জানুয়ারি, ১৯২০ সালে।
- লীগ অব নেশন্স ৫৮ টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- শুরুতে লীগ অব নেশন্সের কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হলেও ১৯৩০ সালের পর থেকে জার্মানী, ইতালি এবং জাপানের মতো অক্ষশক্তির দ্বারা
প্রভাবিত হয়ে ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হলে লীগ অব নেশন্সের কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়ে।
- লীগ অফ নেশনস এর অস্তিত্ব বন্ধ হয়ে যায় -- ২০ এপ্রিল ১৯৪৬সাল থেকে।
- তার সমস্ত সম্পদ জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করে এবং নতুন জাতিসংঘ সচিবালয়কে তার গ্রন্থাগার এবং সংরক্ষণাগারগুলির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭১.
সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ-
  1. পৃথিবী
  2. শনি
  3. বুধ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনি
ব্যাখ্যা
গ্রহ: 
- 'শনি' সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। 
- ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।  
- বৃহস্পতি গ্রহের বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই। 
- সৌরজগতে বৃহস্পতির সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে। 
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭২.
পৃথিবীর শক্তির মূল উৎস-
  1. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
  2. অভিকর্ষ শক্তি
  3. সূর্য
  4. পারমাণবিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি। 
- সূর্য সকল শক্তির মূল উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- আধুনিক সভ্যতার ধারক জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) বহুদিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি। 
- বায়ু থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও সূর্য থেকেই আসা। 
- খাদ্য ও বায়োগ্যাস আমাদের শক্তির দুটো উৎস। 
- পানিকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে তাও আসলে সূর্য থেকেই আসা। 

উৎস: সাধারণবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
  1. ৩৫ জন
  2. ৪৪ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ২৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালের আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
ইন্টারপোল সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
  1. দি নেদারল্যান্ডস
  2. জেনেভা
  3. ভার্সাই
  4. লিওঁ
সঠিক উত্তর:
লিওঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিওঁ
ব্যাখ্যা
Interpol:

- International Criminal Police Organisation হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৬টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫.
‘রয়টার্স’ কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. কানাডা
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
রয়টার্স:

- রয়টার্স (Reuters) যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- এটি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন পল জুলিয়াস রয়টার।
- এটি থমসন রয়টার্সের একটি বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান।
- এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- বর্তমানে ২০০টি দেশের রয়টার্স সংবাদ সরবরাহ করে।

তথ্যসূত্র - রয়টার্স ওয়েবসাইট।
৭৬.
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন-
  1. গ্যালিলিও
  2. নিউটন
  3. আইনস্টাইন
  4. মার্কনী
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ। 
১. অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 
২. অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। 
৩. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল। 
৪. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। 
৫. অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না। 

- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে। 
১. সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ। 
২. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৭.
টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়-
  1. তড়িৎ শক্তি
  2. চৌম্বক শক্তি
  3. শব্দ শক্তি
  4. আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
৭৮.
কোন খনিজের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়?
  1. লৌহ
  2. আয়োডিন
  3. ফসফরাস
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। 

খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্যের ৬টি উপাদান শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবন এবং পানি প্রধানত আমাদের দেহে ৩টি কাজ করে। 
১. বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরন ও রক্ষণাবেক্ষণ। 
২. তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান। 
৩. রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা প্রদান। 

খনিজ লবন: 
- কয়েক রকমের খনিজ পদার্থ রয়েছে। খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য। 
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। 
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং সামুদ্রিক মাছ ও লবনে আয়োডিন পাওয়া যায়। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ, লৌহের অভাবে রক্ত শূন্যতা, ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেট ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
আখ গাছের জন্য ক্ষতিকর-
  1. বিছাপোকা
  2. লার্ভা
  3. মাজরা পোকা
  4. শুয়াপোকা
সঠিক উত্তর:
মাজরা পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাজরা পোকা
ব্যাখ্যা
- আখে বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন- লাল পচা, নেতিয়ে পড়া, ক্লোরোসিস, লাল রেখা ইত্যাদি এবং বিভিন্ন পোকামাকড় যেমন- উইপোকা, ডগার মাজরা পোকা, কান্ডের মাজরা পোকা ইত্যাদির আক্রমণ হয়ে থাকে।
- উচ্চ ফলন পাওয়ার জন্য সময়মত উপযুক্ত পদ্ধতিতে এ সব রোগ এবং পোকা মাকড় দমন করা আবশ্যক। 

উৎস: ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচারাল এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮০.
আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন-
  1. ২৫০০ ক্যালরি
  2. ২০০০ ক্যালরি
  3. ১৫০০ ক্যালরি
  4. ১০০০ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
কিলোক্যালরি: 
- খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তিকে খাদ্য ক্যালরি বা কিলোক্যালরি হিসেবে মাপা হয়। 
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক। 
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে। 
- এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° (ডিগ্রি) সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ তাপশক্তি হচ্ছে এক ক্যালরি। 
- এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলোক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)। 
- একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বোঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।