পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes২১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭: বিষয়ের নাম: ভূগোল ও নৈতিকতা - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] পরীক্ষার টপিক: i) ভূগোল ও দুর্যোগ-ব্যবস্থাপনা, ii) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন উৎস: অষ্টম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই, অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বের কততম?
  1. পঞ্চম
  2. চতুর্থ
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মহাদেশ:
• পৃথিবীতে মোট ৭টি মহাদেশ রয়েছে। এদের মধ্যে আয়তন অনুসারে-
• প্রথম – এশিয়া (৪.৪৫৭৯ কোটি বর্গ কিমি)
• দ্বিতীয় – আফ্রিকা (৩.০৩৭ কোটি বর্গ কিমি)
• তৃতীয় – উত্তর আমেরিকা (২.৪৭০৯ কোটি বর্গ কিমি)
• চতুর্থ – দক্ষিণ আমেরিকা (১.৭৮৪ কোটি বর্গ কিমি)
• পঞ্চম – অ্যান্টার্কটিকা (১.৪২ কোটি বর্গ কিমি)
• ষষ্ঠ – ইউরোপ (১.০১৮ কোটি বর্গ কিমি)
• সপ্তম – অস্ট্রেলিয়া (০.৮৫২৫ কোটি বর্গ কিমি)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
.
শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের আধিক্য রয়েছে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. আর্গন
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
শুক্র গ্রহ:
• সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ রয়েছে।
• এগুলো হলো: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস এবং নেপচুন।
• এদের মধ্যে শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম ও পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
• শুক্র গ্রহকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়।
• শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায়।
• শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আধিক্যের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।
• বুধ গ্রহের ন্যায় শুক্রেরও কোন উপগ্রহ নেই।

উল্লেখ্য,
• সৌরজগতের গ্রহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্রহ হলো বৃহস্পতি।
• সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং নাসা।
.
নিচের কোনটি পদ্মা নদীর উপনদী?
  1. কুমার
  2. পাগলা
  3. গড়াই
  4. ভৈরব
সঠিক উত্তর:
পাগলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাগলা
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা। গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখানদী।
- পুনর্ভবা, নাগর, পাগলা, কুলিক ও ট্যাংগন মহানন্দার পদ্মা নদীর উপনদী।

উল্লেখ্য,
- মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী ধরলা ও তিস্তা। আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- মেঘনার উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী এবং শাখানদী জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া।
- যমুনার প্রধান উপনদী হলো করতোয়া ও আত্রাই। এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
.
অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি কত ধরনের?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা
মালভূমি (Plateaus):
• পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।
• মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
• অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা-
(ক) পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি (Intermontane Plateau),
(খ) পাদদেশীয় মালভূমি (Piedmont Plateau) ও
(গ) মহাদেশীয় মালভূমি (Continental Plateau)।

(ক) পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি: এই মালভূমি পর্বতবেষ্টিত থাকে। তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি যার উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমেও পর্বত ঘিরে আছে।
- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম এ ধরনের মালভূমি।

(খ) পাদদেশীয় মালভূমি: উচ্চ পর্বত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এর পাদদেশে তলানি জমে যে মালভূমির সৃষ্টি হয় তাকে পাদদেশীয় মালভূমি বলে।
- উত্তর আমেরিকার কলোরাডো এবং দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া পাদদেশীয় মালভূমি।

(গ) মহাদেশীয় মালভূমি: সাগর বা নিম্নভূমি পরিবেষ্টিত বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বলে।
- এ ধরনের মালভূমির সঙ্গে পর্বতের কোনো সংযোগ থাকে না। স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, গ্রিনল্যান্ড, এন্টার্কটিকা এবং ভারতীয় উপদ্বীপ এর অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয় কোন নদী?
  1. হালদা
  2. বোয়ালখালী
  3. কর্ণফুলী
  4. গোমতী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
========================== 

কর্ণফুলী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে
প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।

উল্লেখ্য,
- কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।
- এটি পার্বত্য এলাকার পাকশমিমুরা রেঞ্জ থেকে বের হয়ে পূর্বদিকে হালদা নদীর প্রায় সমান্তরালে সমগ্র ফটিকছড়ি উপজেলা ঘুরে পূর্ব ধলাই নামক স্থানে হালদা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির রায় হয় কত সালে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৩
  3. ২০১৪
  4. ২০১৫
সঠিক উত্তর:
২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশর সমুদ্রসীমা:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে।
-এই আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে।
- এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়।

উল্লেখ্য,
⇒ Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়। 
- এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি । বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট।
.
সমুদ্র সমতল থেকে নিচের কোন জেলার উচ্চতা বেশি?
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে।
- সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।
⇒ এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন।
- সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন-
-দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার,
- বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার,
- ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং
- নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে।
- সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি
.
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল বা একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone) কতটুকু রয়েছে?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  4. ১৩০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone): 
- ১৯৫৮ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর স্থলভাগের বেসলাইন থেকে লম্বালম্বিভাবে সমুদ্রের ২০০ মাইল পর্যন্ত এলাকার মালিকানা সম্পূর্ণ ওই দেশের।
- একে বলা হয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক অঞ্চল (ইইজেড) বা একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এখানে সমুদ্রের পানি ও তলদেশের ওপর ওই দেশের একছত্র অধিকার থাকে।
- সেখানকার সমুদ্রে অন্য কোন দেশ মাছ ধরতে পারে না।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা (Territorial Sea) ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং
- একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone) ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান।
- (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।  

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
পৃথিবীর কেন্দ্র মণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনগুলো?
  1. লোহা ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. নিকেল ও সিলিকন
  3. নিকেল ও লোহা
  4. অ্যামোনিয়াম ও সিসা
সঠিক উত্তর:
নিকেল ও লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকেল ও লোহা
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রমন্ডল(Centrosphere):
- গুরুমন্ডলের ঠিক পরেই রয়েছে কেন্দ্রমন্ডল।
- কেন্দ্রমন্ডল, গুরুমন্ডলের নিম্ন ভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্তপ্রায় ৩,৪৭৯ কিলোমিটার বিস্তৃত।
- এর গড় ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ সে.মি.।
- কেন্দ্রের দিকে ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
- ভূ-কম্পন তরঙ্গের সাহায্যে জানা গেছে যে, কেন্দ্রমন্ডলে একটি তরল বহিরাবরণ আছে, যা প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার পুরু এবং কঠিন অন্তঃভাগ আছে যা প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার পুরু।
- কেন্দ্রমন্ডলের উপাদানগুলো হলো লোহা, নিকেল, পারদ ও সিসা।
- তবে প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা যা নাইফ নামে পরিচিত।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নিয়ত বায়ু কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. ছয় প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু , মেরু বায়ু।

পশ্চিমা বায়ু:
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমান বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

অয়ন বায়ু:
 নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে যে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তা অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজসমূহ এই বায়ু অনুসরণ করে চলাচল করতো বিধায় এই বায়ুকে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়।
- অয়ন বায়ু এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

মেরু বায়ু :
- মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতি শীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গেলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ প্রবাহদ্বয়কে উত্তর সুমেরু বায়ু ও দক্ষিণ কুমেরু বায়ু বলে।

তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা দেশের প্রথম মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  2. বোয়ালমার, ফরিদপুর
  3. সালথা, ফরিদপুর
  4. মধুখালী, ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মান মন্দির:
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা হবে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
১২.
সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৬ মার্চ, ১৯৭৪ সালে।
  2. ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
  3. ১৬ জুন, ১৯৭৪ সালে।
  4. ১৬ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
সঠিক উত্তর:
১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
ব্যাখ্যা
মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি:
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture এবং প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন। লিঙ্ক
১৩.
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে সংযোজিত করেছে?
  1. ভূমধ্যসাগর ও কাস্পিয়ান সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগর
  3. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর ও আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
• সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
• ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়।
• ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
• শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
• এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
• বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
• আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র: সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৪.
সাধারণত কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগটি বাংলাদেশ হয়না?
  1. ভূমিকম্প
  2. টর্নেডো
  3. খরা
  4. দাবানল
সঠিক উত্তর:
দাবানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবানল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ।
- তবে বাংলাদেশে কোন আগ্নেয়গিরি না থাকায় এখানে অগ্ন্যূৎপাত কিংবা দাবানল সংঘটিত হয় না।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ হলো:
- বন্যা
- ঘূর্ণিঝড়
- টর্নেডো
- জলোচ্ছ্বাস
- নদীভাঙন
- খরা
- বজ্রপাত
- শৈত্য প্রবাহ
- ভূমিধ্বস প্রভতি।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
১৫.
বজ্রপাতের সময় কীভাবে থাকা উচিত?
  1. উঁচু গাছের নিচে
  2. খোলা মাঠে দৌড়াদৌড়িতে
  3. গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
  4. জলাশয়ের পানিতে
সঠিক উত্তর:
গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বজ্রপাতের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। তবে এ থেকে বাঁচতে কিছু সতর্কতার কথা বলেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। 

১. পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে হবে। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয়, যদি কোনো দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারেন।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকতে হবে। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। খোলা জায়গায় কোনো গাছ থাকলে তা থেকে অন্তত ৪ মিটার দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রীছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. ঘরে থাকলে বজ্রপাতের সময় জানালা থেকে দূরে থাকতে হবে। জানালা বন্ধ রাখতে হবে।

৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৫. বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা ভালো। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরার চেষ্টা করতে হবে। প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টি হলে গাড়ি কোনো গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে রাখতে হবে। এ সময় গাড়ির কাচে হাত দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৭. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় তাহলে পা ঢাকা জুতা পরে বের হতে হবে। রবারের গামবুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

৮. খোলা জায়গায় বা ফসলের মাঠে কাজ করা অবস্থায় আশ্রয়ের জায়গা না থাকলে যতটা সম্ভব নিচু হয়ে গুটিসুটি মেরে বসে পড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই মাটিতে শোয়া যাবে না।
৯. জলাশয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
১০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হবে।
১১. নৌকায় থাকলে ছইয়ের নিচে থাকতে হবে।

প্রশ্নোল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর অপশন 'গ'।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
১৬.
“Considerations on Representative Government” গ্রন্থের লেখক কে?
  1. এরিস্টটল
  2. ম্যাকাইভার
  3. জন স্টুয়ার্ট মিল
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা
• John Stuart Mill:
- জন স্টুয়ার্ট মিল (১৮০৬-১৮৭৩)।
- ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।

• তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- “A System of Logic”
- “Autobiography”
- “Considerations on Representative Government”
- “Essays on Some Unsettled Questions of Political Economy”
- “Examination of Sir William Hamilton’s Philosophy”
- “On Liberty”
- “Principles of Political Economy”
- “The Subjection of Women”
- “Utilitarianism”

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৭.
’আইনের অনুশাসন’ কথাটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. ডাইসি
  2. জন অস্টিন
  3. এরিস্টটল
  4. ওপেন হাইম
সঠিক উত্তর:
ডাইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইসি
ব্যাখ্যা
•    “আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্তি।” উক্তিটি করেন → এরিস্টটল।
•    আইনের অনুশাসন কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন  → অধ্যাপক ডাইসি।
•    “আইন হলো আবেগ বিবর্জিত যুক্তি”- উক্তিটি করেন → এরিস্টটল।
•    “আইন সার্বভৌম শাসকের আদেশ” - উক্তিটি করেন → জন অস্টিন।
•    “জনমত আইনের অন্যতম উৎস”-উক্তিটি করেন → ওপেন হাইম।
•    “আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান” - বলেছেন → অধ্যাপক ডাইসি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৮.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা নয় কোনটি?
  1. স্বজনপ্রীতি
  2. জনঅংশগ্রহণের অভাব
  3. দারিদ্র্য
  4. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা হচ্ছে -
→ বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ,
→ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব এবং সহিংসতা, 
→ সরকারের জবাবদিহিতার অভাব,
→ আমলাদের জবাবদিহিতার অভাব,
→ আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা, 
→ আইনের শাসনের অভাব,
→ দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা,
→ রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অভাব,
→ রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ,
→ স্বজনপ্রীতি,
→ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকা,
→ জনঅংশগ্রহণের অভাব,
→ দারিদ্র্য,
→ জনসচেতনতার অভাব,
→ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অভাব।
- অপরদিকে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা নয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯.
আইনগত কর্তব্য কোনটি?
  1. রাষ্ট্রীয় ক্রাণ তহবিলে অর্থ দান
  2. ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়া
  3. নিয়মিত কর প্রদান
  4. সন্তান সন্ততিকে শিক্ষা দেয়া
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
ব্যাখ্যা
• আইনগত কর্তব্য (Legal Duty):
- যে কর্তব্য রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত এবং রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা কার্যকরী করা হয় তাকে আইনগত কর্তব্য বলে।
- আইনগত কর্তব্য রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য এবং নাগরিকের কল্যাণের জন্য অত্যাবশ্যক।

আইনগত কর্তব্য:
→ নিয়মিত কর দেওয়া,
→ রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা,
→ সততার সাথে ভোট প্রদান করা ইত্যাদি হলো আইনগত কর্তব্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক
২০.
জনমতের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. জনমত সৎ ও জনকলাণধর্মী
  2. জনমত সুচিন্তিত মতের বিরোধী
  3. জনমত সুনিদির্ষ্ট ও সুস্পষ্ট নয়
  4. জনমত অযুক্তিভিত্তিক
সঠিক উত্তর:
জনমত সৎ ও জনকলাণধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনমত সৎ ও জনকলাণধর্মী
ব্যাখ্যা
জনমতের বৈশিষ্ট্য:
- জনমত হচ্ছে জনগণের সাধারণ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট অভিমত,
- জনমত সৎ ও জনকলাণকামী,
- জনমত যুক্তিভিত্তিক, 
- জনমত একজনের মতও হতে পারে আবার সংখ্যাগরিষ্ঠের মতও হতে পারে,
- মূল জাতীয় সমস্যা ও তার সমাধানকে কেন্দ্র করে জনমত গড়ে ওঠে,
- জনমত সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট,
 - জনমত সুচিন্তিত মত।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২১.
সুনাগরিকতা সংক্রান্ত বিশেষ তিনটি গুণের কথা বলেছেন কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী?
  1. লাস্কি
  2. এরিস্টটল
  3. লর্ড একটন
  4. লর্ড ব্রাইস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ব্রাইস
ব্যাখ্যা
সুনাগরিকতা বিষয়ে তিনটি গুণের কথা বলেছেন -  লর্ড ব্রাইস।

• সুনাগরিক:
- সু শব্দের অর্থ হল ভালো বা আদর্শ। তাহলে সুনাগরিক মানে হল আদর্শ নাগরিক।
- যেকোন রাষ্ট্রের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সুনাগরিকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। আবার এই সুনাগরিক গড়ে তোলাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- কেউ একজন খুব সহজে একটা রাষ্ট্রের নাগরিক হলেও কেবল সুনাগরিকই রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে।

- অধ্যাপক ই, এম, হোয়াইট এর মতে ’সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা এ তিনটি গুন যদি কোন নাগরিকের থাকে তাহলে সে-ই সুনাগরিক।
- বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর বক্তব্যে নাগরিকের অনেকগুলো গুণের উল্লেখ রয়েছে,
- তবে লর্ড ব্রাইস প্রদত্ত উপাদানগুলোই এ পর্যন্ত সবেচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
- তিনি মনে করেন কোন নাগরিক সুনাগরিক হিসেবে পরিগণিত হবে যদি তিনটি গুণ যথা- (১) বুদ্ধি (২) আত্মসংযম (৩) বিবেক থাকে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ধর্ম চর্চার অধিকার মানুষের কোন ধরনের অধিকার?
  1. সাংস্কৃতিক অধিকার
  2. সামাজিক অধিকার
  3. রাজনৈতিক অধিকার
  4. নৈতিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা
অধিকার:
- অধিকার হলো সমাজ বা রাষ্ট্রকর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে থাকে।
- সমাজে সুখে-শান্তিতে বসবাসের জন্যে আমরা যেসব অধিকার ভোগ করে থাকি সেগুলো হলো সামাজিক অধিকার।

বিভিন্ন সামাজিক অধিকারের মধ্যে রয়েছে:
- ধর্ম চর্চার অধিকার।
- সম্পত্তি লাভের অধিকার।
- চলাফেরা ও মতপ্রকাশের অধিকার।
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেনী।