পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  2. ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  3. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  4. ৭০ থেকে ১৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে-
১। তাপমাত্রা (Temperature),
২। কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On and Off),
৩। বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System),
৪। ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollution),
৫। নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) ইত্যাদি।

• তাপমাত্রা:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রাখতে হবে।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা উভয়েই ক্ষতিকর।
- মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর যখন সিস্টেম বন্ধ থাকবে তখন ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- যদি কখনো কম্পিউটারে অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্মুখীন হয় তবে নিম্নোক্ত সমস্যাসমূহ হতে পারে-
১. সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে যে চিপস রয়েছে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সকেটের বাইরে কাজ করতে শুরু করবে। পাশাপাশি চিপ কানেক্টর দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে হার্ডডিস্কের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
- উক্ত সমস্যাগুলো সাধারণত হয়ে থাকে যান্ত্রিক সরঞ্জামের দ্রুত ঠাণ্ডা অথবা গরম হয়ে উঠার জন্য।
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য এ ধরনের তাপমাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত বিপদজনক।
- তাই কম্পিউটার কখনো কোনো উত্তপ্ত বা অধিক ঠাণ্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে কী বলা হয়?
  1. ফিল্ড
  2. ডেটা
  3. রেকর্ড
  4. ডেটা টেবিল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা
• ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- একটি ফিল্ডে একই ধরণের ডেটা থাকে।
- ফিল্ডে ভেলিডেশন অপশন সেট করে ডেটা এন্ট্রি রোধ করা যায়।

অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচন:
- ডেটা টেবিলের বভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা ইনপুট করি তাই ডেটা।
- সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
নিচের কোন ক্ষেত্রে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. ব্যাংকিং
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. টেলিকমিউনিকেশন
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হচ্ছে-
১. অথ্য ব্যবস্থাপনা:
- ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহে।

২. ব্যাংকিং:
- ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।

৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান:
- বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন শপিং সার্ভিসে।

৪. এয়ারলাইন্স:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন্স, ও কালেকশন, ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।

৬. টেলিকমিউনিকেশন:
- টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

৭. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।

৮. উৎপাদন:
- বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।

৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র, বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।

১০. ওয়েববেজড সার্ভিস:
- ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া এবং রিসোর্স শেয়ারিং করা।

১১. স্বাস্থ্য সেবায়:
- বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণয়ন করে কোন দেশ?
  1. ডেনমার্ক
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- যুক্তরাজ্যে বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা দেশ হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''। 
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং UK National Crime Agency [Link]. 
.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড?
  1. Cypher Code
  2. DES
  3. NIC
  4. TCP
সঠিক উত্তর:
DES
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DES
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-
 
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
 
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্রেকার বলা হয় কাদের?
  1. অবৈধ হ্যাকারদের
  2. বৈধ হ্যাকারদের
  3. যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হ্যাকারদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হ্যাকারদের
ব্যাখ্যা
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Craker) বলা হয়।
- অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়।
- এদের কাছে সাধারণত বেশ কিছু টেকনিক থাকে যা ব্যবহার করে এরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফট্ওয়্যার সিস্টেমের দুর্বলতা খুব সহজে খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে। 
- এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে ।
- গ্রে হ্যাট হ্যাকার নামে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার রয়েছে যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Select Query
  2. Parameter Query
  3. Crosstab Query
  4. Action Query
সঠিক উত্তর:
Action Query
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Action Query
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি: 
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
Select Query: 
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
 
Parameter Query: 
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
 
Crosstab Query: 
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
 
Action Query: 
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Cubrid
  2. MsOutlook
  3. MongoDB
  4. PostgreSQL
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
ব্যাখ্যা
• Microsoft Outlook is a personal information manager software system by Microsoft.

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল?
  1. আটটি
  2. নয়টি
  3. দশটি
  4. বারোটি
সঠিক উত্তর:
দশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশটি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ইথিকস:
- কম্পিউটার ইথিকস বা কম্পিউটার নীতিশাস্ত্র হলো ব্যবহারিক দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা পেশা বা সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কম্পিউটিং প্রফেশনালদের বা ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগকে কিভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
- বোলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. ওয়াল্টার ম্যানার সর্বপ্রথম কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
- ১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল।
- নির্দেশনাগুলো র‍্যামন সি. বারকুইন তাঁর গবেষণাপত্রে উপস্থাপন করেছিলেন। এই নির্দেশনা হলো-
১. অন্যের ক্ষতি করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা
২. অন্য কোন ব্যক্তির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজের উপর হস্তক্ষেপ না করা
৩. অন্য ব্যক্তির ফাইলসমূহ হতে গোপনে তথ্য সংগ্রহ না করা।
৪. চুরির উদ্দেশ্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা।
৫. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণ বহনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার না করা।
৬. নিজের নয় এরূপ অন্যের যে কোন ধরনের সফ্টওয়্যার কপি না করা।
৭. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির রিসোর্স ব্যবহার না করা।
৮. অন্যের বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রান্ত ফলাফলকে আত্মসাৎ না করা।
৯. এমন কোন প্রোগ্রাম বা সফ্টওয়্যার তৈরি না করা যাতে সমাজের ক্ষতি হয়।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ওই সব উপায়ে ব্যবহার করা উচিত নয় যা বিচার বিবেচনা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিষেধক নয়?
  1. PC-Cillin
  2. Norton
  3. Mcafee
  4. CryptoLocker
সঠিক উত্তর:
CryptoLocker
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CryptoLocker
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টিভাইরাস:
- অ্যান্টিভাইরাস এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিষেধক।
- কম্পিউটার প্রোগ্রামসমূহকে ভাইরাসমুক্ত করার জন্য এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করাই এর কাজ।
- অর্থাৎ অ্যান্টিভাইরাস হলো কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত করা বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন্য প্রোগ্রামবিশেষ।
- বর্তমানে জনপ্রিয় কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হচ্ছে- Anti-Virus Toolkit, Dr.Solomon's Anti-Virus, Cure Anti-Virus, Norton Anti-Virus, PC-Cillin Anti-Virus, Mcafee Anti-Virus, Panda Anti-Virus, AVG Anti-Virus; ইত্যাদি।

- CryptoLocker একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১১.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর ধারা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ১৭ টি
  3. ২১টি
  4. ৬০টি
সঠিক উত্তর:
৬০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০টি
ব্যাখ্যা
• 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩':
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে।

ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস: বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
১২.
HPFS কী?
  1. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. সাইবার অপরাধ
  4. হ্যাকিং গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• ফাইল ম্যানেজমেন্ট: 
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
 
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
• FAT16.
• FAT32.
HPFS.
• NTFS.
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বিমল ফেসবুক পেজ থেকে গল্প সংগ্রহ করে নিজের নামে ম্যাগাজিনে ছাপিয়ে দিল। বিমলের কাজটি কোন ধরনের?
  1. প্লেজিয়ারিজম
  2. ফিশিং
  3. পাইরেসি
  4. স্ফুফিং
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৪.
RDBMS এর প্রবর্তক কে?
  1. হেনরি এফ কড
  2. রে টমলিনসন
  3. এডগার আইস
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
সঠিক উত্তর:
হেনরি এফ কড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি এফ কড
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
১৫.
মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ২ বাইট
  2. ৪ বাইট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত।
- সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।
- এই ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।

- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়। এটি একটি Conditional Data টাইপ।
- এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।

- তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬.
নিচের কোনটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ?
  1. ট্রোজান
  2. ট্যাম্পারিং
  3. স্কেয়ারওয়‍্যার
  4. এক্সপ্লয়েট
সঠিক উত্তর:
ট্যাম্পারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাম্পারিং
ব্যাখ্যা
• ট্যাম্পারিং (Tampering):
- একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- URL ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধ অ্যাক্সেস বা মূল্যবান তথ্য হস্তক্ষেপ করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- অবৈধ অনুমোদনের মাধ্যমে, ব্যবহারকারীর দ্বারা প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায় পরিবর্তন করা হয়।
- যখন ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে কিছু তথ্য বিনিময় করা হচ্ছে তখন সেটি হ্যাকার দ্বারা চালিত হয়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- স্কেয়ারওয়‍্যার হলো এক ধরনের হুমকি যেখানে পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Drop statement
  2. Alter statement
  3. Rename statement
  4. Insert statement
সঠিক উত্তর:
Insert statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insert statement
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
• Rename statement
 
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
Insert statement
• Delete statement
• Update statement
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে সাধারণত কোনটি ঘটে?
  1. ব্রাউন আউট
  2. নয়েজ
  3. ব্লাকআউট
  4. ট্রানসিয়েন্ট
সঠিক উত্তর:
ব্লাকআউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লাকআউট
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার।
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
- এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
- অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।