পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে) উৎস: NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, আমদানি রপ্তানি রিপোর্ট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
দর্শনা (চুয়াডাঙ্গা) স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর এর নাম কী?
  1. ক) কৃষ্ণনগর
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) ডাউকি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলা বেনাপোল ভারতীয় পেট্রাপোল স্থলবন্দর।
• ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দরের সাথে সংলগ্ন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর।
• সিলেটের তামাবিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর যথাক্রমে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এবং পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
.
ভূটান বাংলাদেশের ১০০ টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা দিবে কোন চুক্তির মাধ্যমে ?
  1. ক) Bilateral Economic Cooperation Agreements
  2. খ) Preferential Trade Agreement  
  3. গ) Free Trade Agreement  
  4. ঘ) South Asian Free Trade Agreement ( SAFTA )
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের কোন রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (EPZ) সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) সাভার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
• শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
• বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে; যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৪টি।
• দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯২টি।
• সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ২০টি। 
• এছাড়াও বেপজা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় ১,১৩৮ একর জমিতে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে একটি  অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) মুনাফা অর্জন
  2. খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ  
  3. গ) ঋণ প্রদান  
  4. ঘ) আমানত গ্রহণ  
ব্যাখ্যা
• ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় -দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
• বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হলঃ
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর,
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা ,
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা,
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা,
- বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া,
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন ।
তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য় হলো - মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা
 
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৩টি  
ব্যাখ্যা
• কৃষিশুমারিতে কৃষি অন্তভুর্ক্ত বিষয় ৩টি যথাঃ শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ।
• স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলো
- ১৯৭৭ সালে প্রথম,
- ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়,
- ১৯৯৬ সালে তৃতীয়,
- ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং
- ২০১৯ সালে পঞ্চম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
স্বর্ণা সার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ড. সৈয়দ আবদুল খালেক
  2. খ) ড. সৈয়দ আবদুল মালেক
  3. গ) ড. মাকসুদুল আলম
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার। ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আবদুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
• মাকসুদুল আলম (১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৪ - ২০ ডিসেম্বর ২০১৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি জিনতত্ত্ববিদ।
•  তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা ।

সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(BIDA) এর গর্ভনিং বোর্ড এর প্রধান কে?
  1. ক) অর্থমন্ত্রী  
  2. খ) বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) শিল্পমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(BIDA) এর গর্ভনিং বোর্ড এর প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
• প্রতিষ্ঠিত হয়-৩০ আগস্ট,২০১৬ সালে কার্যালয়- আগারগাঁও,ঢাকা। 
• অন্যদিকে --শিল্পমন্ত্রী , বাণিজ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী হলো ঐ বোর্ড এর সদস্য।

সূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
.
সর্ব প্রথমে যে উফশি ধান এদেশে চালু হয়ে এখনও বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ক) ইরি ১
  2. খ) ইরি ৮
  3. গ) ইরি ৩
  4. ঘ) ইরি ২০  
ব্যাখ্যা
• কৃষি বিভাগ বলছে, উফশি জাতের ধানের ফলন হেক্টর প্রতি সাড়ে চার থেকে ৫ টন। যা স্থানীয় জাতগুলোর তুলনায় দ্বিগুণ। তাই এই ধানের আবাদ করলে লাভবান হবেন চাষিরা।
• বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইরি-৮ জাতের উফশি জাতের ধান আমদানি করা হয় যা এখনও এদেশে চালু আছে।

 
সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
.
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান কোনটি?
  1. ক) বি আর ৭৩
  2. খ) বি আর ৩৩
  3. গ) বি আর ৩৫  
  4. ঘ) বিনা ১৪
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ অজৈব ঘাত সহনশীল যেমন লবণাক্ততা, বন্যা, খরা, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।

• তিনটি বন্যা সহনশীল ধানের জাত যথা-- ব্রি ধান -৫১, ব্রি ধান -৫২ এবং ব্রি ধান -৭৯।
• ৪টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান - ৫৬, ব্রি ধান - ৫৭, ব্রি ধান -৬৬, ব্রি ধান -৭১।
• দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান- ৬২ এবং ব্রি ধান- ৭২।
• তাছাড়া, লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি ধান -৪০, ব্রি ধান -৪১, ব্রি ধান -৫৩, ব্রি ধান -৫৪ এবং ব্রি ধান -৭৩।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১০.
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে রপ্তানি আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ ২য় সর্বোচ্চ আয় করে কোন খাত থেকে?  
  1. ক) তৈরি পোশাক
  2. খ) পাট ও পাটজাত পণ্য  
  3. গ) কৃষিজাত দ্রব্য
  4. ঘ) হিমায়িত চিংড়ি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত  ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।   

• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
• রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%। 

• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত।  
১১.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭২
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৮৩
ব্যাখ্যা
• ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
•  বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
•  ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে  পূর্ণগঠিত  হয়।
• বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

সূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
১২.
২০২২ সালের বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. ক) আইসিটি পণ্য
  2. খ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং  
  3. গ) চামড়া
  4. ঘ) ওষুধ
ব্যাখ্যা
• পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণকে বর্ষপণ্য অর্থাৎ ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। 
আইসিটি পণ্য সেবাকে ২০২২ সালের বর্ষপণ্য বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১৩.
বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত কতটি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি  
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা -
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
• সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চিনির কল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দর্শনা
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ৩টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
• চিনিকলগুলোতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫০,০০০ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৪,৫০৯.৭৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।
• ‘কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড‘ বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলায় দর্শনায় অবস্থিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
• এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনি কল। 

• চিনিকল করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহের ঠিকানা
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- প্রকৌশল কারখানা
- রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি
 সূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে জাতীয় বীমা দিবস?
  1. ক) ১ মার্চ।
  2. খ) ৪ মার্চ।
  3. গ) ২ মার্চ।
  4. ঘ) ৩ মার্চ।
ব্যাখ্যা
• জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
• জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
• বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।
• ইতিহাস
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
• ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১৬.
ভেনামি কীসের জাত?
  1. ক) আলু
  2. খ) মুরগী
  3. গ) ধান
  4. ঘ) চিংড়ি  
ব্যাখ্যা
• ভেনামি হলো একপ্রকার চিংড়ির জাত।
• হেক্টর প্রতি ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন ১০-৩০ টন যেখানে বাগদা চিংড়ির উৎপাদন হেক্টর প্রতি মাত্র ৩-৬ টন।
• বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) অধীনে পরীক্ষামূলকভাবে খুলনার পাইকগাছায় ভেনামি চিংড়ি চাষের প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১৭.
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত নিচের কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১৮.
বর্তমানে কতটি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ১৪টি
  4. ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০’ প্রবর্তন করা হয়েছে এবং উক্ত আইনবলে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা ২০১৩’ প্রবর্তন করা হয়েছে।
• বর্তমানে ১৭টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১৯.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
•  অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত।
২০.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সবোর্চ্চ রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
•  ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%),
- দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)। 

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক (ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত)।
২১.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. ক) কাঞ্চন
  2. খ) আকবর
  3. গ) প্রতিভা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে এদেশে অধিক আবাদকৃত গম জাতের মধ্যে কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ,বলাকা, দোয়েল, ও প্রতিভা রয়েছে।
•  তাছাড়া সৌরভ (বারি গম-১৯) ও গৌরব (বারি গম-২০) নামে ২টি উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত অনুমোদিত হয়েছে।
তাছাড়া--
• ভূট্টা জাতের নাম ---- শুভ্রা, বর্ণালী, খৈ-ভূট্টা, মোহর।
• আলু জাতের নাম---- কুফরী ,সিন্দুরী, মুলটা, প্যাট্রোনিস, কার্ডিনাল, ডায়ামন্ট, মরিনি, ওরিগো হীরা, চমক, মন্ডিয়াল, আইলসা, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা, বিনেলা, আরিন্দা, রাজা ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২২.
‘মধুবালা’ ও ‘পদ্মা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) টমেটো
  3. গ) আম
  4. ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা
• তরমুজের উন্নত জাতের নাম - ‘মধুবালা’ ও ‘পদ্মা‘।
তাছাড়া---
•  টমেটোর উন্নত জাত - বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী ।
• বেগুনের উন্নত জাত - শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা।
• আমের উন্নত জাত - মোহনভোগ, মহানন্দা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপলি, ক্ষীরসাপাতি (চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত আমের নাম; যার অপর নাম ‘হিমসাগর’)।
•  মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাত - ‘হাজী’ ও ‘দানেশ’।
• সরিষার উন্নত জাত - ‘সফল’ ও ‘অগ্রণী’।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২৩.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল ?
  1. ক) তুলা
  2. খ) আখ
  3. গ) পান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
• যেমন পাট, চা, তামাক,পান, আখ, তুলা, ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২৪.
আউশ ধান রোপনের সময় নিচের কোনটি?
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  3. গ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ঘ) এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
• আউশ ধান
- মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল (রোপনের সময়)।
- মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• আমন ধান
- জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু (রোপনের সময়)।
- ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• বোরো ধান
- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি (রোপনের সময়)।
- এপ্রিল – মে (উত্তোলনের সময়)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১.
২৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে চালুকৃত স্থলবন্দরের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
• স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
• বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি
• চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং
• সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২
২৬.
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?  
  1. ক) বিএসটিআই
  2. খ) বিআইএম
  3. গ) ডিপিডিটি
  4. ঘ) বিটাক
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস( ডিপিডিটি ) অধিদপ্তর ।
• সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
• এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
 
সূত্র: শিল্প মন্ত্রণালয়।