পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৫৩ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান বিষয়ক) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান ... সংশ্লিষ্ট মৌলিক বিষয়) উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
"চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে" এটি নিউটনের গতির কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. নিউটনের প্রথম সূত্র
  2. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র
  3. নিউটনের তৃতীয় সূত্র
  4. নিউটনের চতুর্থ সূত্র
ব্যাখ্যা
১. নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
• উদাহরণ:
- চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

২. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

৩. নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
• উদাহরণ:
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তপ্রবাহ অব্যাহত রাখে কোনটি?
  1. হিস্টামিন
  2. লিম্ফোসাইট
  3. ফ্যাগোসাইটোসিস
  4. হেপারিন
ব্যাখ্যা
• "হেপারিন" রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তপ্রবাহ অব্যাহত রাখে।

• শ্বেত রক্তকণিকা:

- শ্বেত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম leucocytes.
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতি ঘন মি. লি. রক্তে প্রায় ৬০০০টি বিভিন্ন ধরনের শ্বেত কণিকা থাকে।
- শ্বেতকণিকা আকারে লোহিত কণিকা অপেক্ষা বড়।
- এদের নিউক্লিয়াস আছে।
- রক্তে লোহিত ও শ্বেত কণিকার অনুপাত সাধারণত ৫০০:১।
- শ্বেত কণিকা লোহিত অস্থিমজ্জা, প্লীহা ও লসিকা গ্রন্থি ইত্যাদি হতে উৎপন্ন হয়।

• সাইটোপ্লাজমের গঠনের ভিত্তিতে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দু ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. দানাদার শ্বেত কণিকা
২. অদানাদার শ্বেতকণিকা

•  মানবদেহে শ্বেত কণিকার কাজ:
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় এরা ক্ষণপদের সাহায্যে রোগ-জীবাণুকে ভক্ষণ করে ধ্বংস করে।
- লিম্ফোসাইট তৈরি করে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে, এজন্য এদেরকে দেহের আণুবীক্ষণিক সৈনিক বলে।
- বেসোফিল নিঃসৃত হেপারিন রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তপ্রবাহ অব্যাহত রাখে।
- এন্টিবডি তৈরি করে জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিস্টামিনের মাধ্যমে এলার্জিক বিক্রিয়া হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির-
  1. তাপমাত্রা বেশি
  2. ঘনত্ব কম
  3. দ্রবণীয়তা বেশি
  4. ঘনত্ব বেশি
ব্যাখ্যা
• বরফ:
- পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়ে।
- বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি।
- এ কারণে পানির তুলনায় বরফের ঘনত্ব কম।
- একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
- সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?
  1. 38 N
  2. 41 N
  3. 37 N
  4. 46 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N
∴ তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ = √(402 + 92)
= √(1600 + 81)
= √1681
= 41 N
.
Cycas উদ্ভিদের পাতায় কোন ধরনের টিস্যু বিদ্যমান?
  1. ট্রান্সফিউশন টিস্যু
  2. পারেনকাইম টিস্যু
  3. কোলেনকাইমা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Cycas উদ্ভিদের পাতায় "ট্রান্সফিউশন টিস্যু" বিদ্যমান।

• Cycas উদ্ভিদ :
 - Cycas Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত, ফলে এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

• Cycas উদ্ভিদ শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য:
- এদের দেহ মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত।
- গর্ভাশয় না থাকায় এদের ফল হয় না। 
- বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- পাতায় ট্রান্সফিউশন টিস্যু বিদ্যমান।
- বাতাসের ম ধ্যমে পরাগায়ন ঘটে।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, ড.  মোহাম্মদ আবুল হাসান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটির ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন?
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
ব্যাখ্যা
• আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।

• আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

• আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কী?
  1. এক্স-রে
  2. আলোক তরঙ্গ
  3. ইনফ্রারেড
  4. মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোওয়েভ:
- রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম মাইক্রোওয়েভ।
- রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় মাইক্রোওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে ৩০০MHz থেকে ৩০০GHz.
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।

• মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দু' ধরনের হতে পারে। যথা:
১. টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Terrestrial Microwave) ও
২. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave)।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"গামা রশ্মির" ছেদন ক্ষমতা "আলফা কণার" চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. 100 গুণ
  2. 10000 গুণ
  3. 10 গুণ
  4. 100000 গুণ
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মি:
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে।
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ।
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।

• ছেদন ক্ষমতা:
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি।
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই।
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি।

• আলফা কণা বা আলফা রশ্মি:
- বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে বা চৌম্বক ক্ষেত্রে আলফা রশ্মির বেঁকে যাওয়ার দিক থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, এটি ধনাত্মক আধানযুক্ত।
- বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এটি প্রকৃতপক্ষে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা কণার ছেদন ক্ষমতা খুব কম, কিন্তু পদার্থকে আয়নিত করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
.
প্রাণী কোষে সর্বদা বিদ্যমান থাকে-
  1. ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. প্লাস্টিড
  3. সেন্ট্রোসোম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্রাণী কোষে সর্বদা বিদ্যমান থাকে "সেন্ট্রোসোম"।

• কোষ:
- জীব দেহের গঠন এবং কাজের একককে কোষ বলে।
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়।
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান। তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন "Cell"। Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ।

• প্রাণী কোষের বৈশিষ্ট্য:
- প্রাণী কোষে কোনো কোষ প্রাচীর থাকে না, পাতলা স্থিতিস্থাপক প্লাজমা ঝিল্লী দ্বারা প্রাণী কোষ আবৃত অবস্থায় থাকে।
- প্রাণী কোষে সাধারণত প্লাস্টিড থাকে না।
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।
- প্রাণী কোষে সাধারণত কোন কোষ গহ্বর থাকে না, থাকলেও আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং ক্ষণস্থায়ী।
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণী কোষের আকার পরিবর্তিত হয়।
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে।
- প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম সর্বদা বিদ্যমান থাকে।
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকে।
- সকল কোষেই লাইসোসোম থাকে।
- স্নেহ দ্রব্য অর্ধতরল অবস্থায় থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
RFID এর পূর্ণরূপ-
  1. Random Frequency Information
  2. Radio Frequency Information
  3. Radio Frequency Identification
  4. Random Frequency Identification
ব্যাখ্যা
• Radio Frequency Identification (RFID):
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio Frequency Identification.
- রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা RFID একটি বেতার যোগাযোগ পদ্ধতি।
- এটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু, মানুষ বা প্রাণীর সাথে যুক্ত ট্যাগ শনাক্ত ও ট্র্যাক করে।
- এই ট্যাগগুলিকে RFID ট্যাগ বলা হয়।
- RFID ট্যাগে ডিজিটালি সংরক্ষিত তথ্য থাকে, যা RFID রিডার দ্বারা পড়া যায়।
- বারকোড রিডারের মতো সরাসরি দৃষ্টিসীমায় না থাকলেও RFID রিডার কয়েক মিটার দূর থেকে ট্যাগ পড়তে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. ভূ-তাপীয় শক্তি
  2. খনিজ তেল
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. নিউক্লিয় শক্তি
ব্যাখ্যা
• শক্তির উৎস:
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। যথা:

১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
"আনারসে" কোন এসিড থাকে?
  1. এসকরবিক এসিড
  2. টারটারিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা
- আনারসে ও আপেল থাকে ম্যালিক এসিড।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৩.
যে যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ পরিমাপ করা যায়, তাকে কী বলে?
  1. স্পিডোমিটার
  2. স্ফেরোমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. স্লাইড ক্যালিপার্স
ব্যাখ্যা
• স্ফেরোমিটার:
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার।
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়।
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- এটি তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়।

• বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে,
R = {(d2/6h) + (h/2)}
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা।

• ওডোমিটার:
- এটি গাড়ী যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে।
অর্থাৎ, এটি গাড়ীর মোট চলাচল পরিমাপ করে।

• স্পিডোমিটার:
- এটি গাড়ীর তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে।
যেমন- কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বা মাইল প্রতি ঘণ্টা।

• স্লাইড ক্যালিপার্স:
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১৪.
বৃহদন্ত্র : কোলন :: ক্ষুদ্রান্ত : ?
  1. ইলিয়াম
  2. মলাশয়
  3. কোলন
  4. সিকাম
ব্যাখ্যা
• পরিপাক নালি:
- মানবদেহে পরিপাক ও পরিশোষণ পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
- পরিপাকতন্ত্র পরিপাক নালি ও পরিপাক গ্রন্থি নিয়ে গঠিত।
- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার বিস্তৃত দীর্ঘ নালি বিশেষ যা কোথাও থলির ন্যায় স্ফীত আবার কোথাও কুণ্ডলীকৃত।

• পরিপাক নালির অংশসমূহ:
- মুখছিদ্র,
- মুখবিবর,
- গলবিল,
- অন্ননালি,
- পাকস্থলি,
- ক্ষুদ্রান্ত্র,
- বৃহদন্ত্র।

• ক্ষুদ্রান্ত:
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত।
• এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা:
- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম।
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।

• বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত।
• বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
- সিকাম, কোলন ও মলাশয়।
- সিকাম বৃহদন্ত্রের প্রথম, বড় স্ফীত ও গোলাকার থলের মতো অংশ।
- সিকাম থেকে একটি ক্ষুদ্র আঙ্গুল ও বন্ধ থলের ন্যায় প্রসারিত অংশকে অ্যাপেনডিক্স বলা হয়।
- এটি একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।