ব্যাখ্যা
-আইনটি ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ পাশ হয়, তবে এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়নি।
আইনের "Commencement of Act" (কার্যকারিতার তারিখ) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
- "It shall come into force on the first day of September, 1872."
অর্থাৎ, আইনটি ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
সাক্ষ্য আইনের পূর্ব ইতিহাস ও গঠন:
১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ কোনো সাক্ষ্য আইন ছিল না।
১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামার একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন, তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়।
উৎপত্তি: Latin শব্দ Evidere বা Evidence থেকে এসেছে।
মূল উদ্দেশ্য: সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিষয় প্রমাণ করা।
আইনের ধরন: এটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)।
আইন প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
প্রণেতা: স্যার জেমস স্টিফেন (Fitz-James Stephen), যাকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
সংগঠন: ৩টি ভাগ (Part), ১১টি অধ্যায় (Chapter), ১৬৭টি ধারা (Section) আছে।
সাক্ষ্য আইন এককভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, কারণ এর কিছু বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, রেজিস্ট্রেশন আইন, উত্তরাধিকার আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং স্ট্যাম্প আইনেও রয়েছে।