Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট।
[Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' গ্রন্থে সংকলিত বাংলা পুথি কোনটি?
ক
সরোজ-বজ্রের দোহাকোষ
খ
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
গ
কৃষ্ণাচায্যের দোহাকোষ
ঘ
ডাকার্ণব
সঠিক উত্তর: খ
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
খ
ব্যাখ্যা
• মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' গ্রন্থে চারটি পুঁথি সংকলিত হয়েছে। সেগুলো হলো: - চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, - সরোজ-বজ্রের দোহাকোষ, - কৃষ্ণাচায্যের দোহাকোষ, - ডাকার্ণব।
• এগুলোর মধ্যে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় পুঁথিটি বাংলা, অন্য তিনটি বাংলা নয়, অপভ্রংশে রচিত। • তবে চর্যাপদের মতই সেগুলোর সংস্কৃত টিকা সংযোজিত আছে। • চারটি গ্রন্থ একত্রে ১৯১৬ সালে "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা" নামে প্রকাশিত হয়।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২.
‘কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল, কর রে লোপাট’- পঙ্ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
ক
সাম্যবাদী
খ
সর্বহারা
গ
প্রলয় শিখা
ঘ
ভাঙার গান
সঠিক উত্তর: ঘ
ভাঙার গান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ভাঙার গান
ঘ
ব্যাখ্যা
• আলোচ্য পঙ্ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'ভাঙ্গার গান' কাব্যগ্রন্থের 'কারার ঐ লৌহ-কপাট' কবিতার অন্তর্গত।
------------------ • 'ভাঙার গান' কাব্যগ্রন্থ: - ১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (অগস্ট ১৯২৪) কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। - সরকার একই বছর ১১ই নভেম্বর বইটি নিষিদ্ধ করে ব্রিটিশ আমলে এ গ্রন্থের উপর নিষেধাজ প্রত্যাহৃত হয় নি। - ১১টি কবিতা এখানে আছে। প্রতিটি কবিতাই বিদ্রোহাত্মক। - জাগরণী, দুঃশাসনের রক্ত-পান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য কবিতা।
• 'কারার ঐ লৌহ-কপাট' কবিতা সংক্ষেপ-
কারার ঐ লৌহ-কপাট - কাজী নজরুল ইসলাম কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল, কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয় বিষাণ! ধ্বংস নিশান উড়ুক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি। (সংক্ষিপ্ত)
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ভাঙ্গার গান কাব্যগ্রন্থ- কাজী নজরুল ইসলাম।
৩.
বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস কোনটি?
ক
রাজসিংহ
খ
দুর্গেশনন্দিনী
গ
মৃণালিনী
ঘ
কপালকুণ্ডলা
সঠিক উত্তর: গ
মৃণালিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মৃণালিনী
গ
ব্যাখ্যা
• ‘মৃণালিনী’ উপন্যাস: - ‘মৃণালিনী’ (১৮৬৯) ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণ এর ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর দেশাত্মবোধ এবং ইতিহাস জিজ্ঞাসার প্রথম প্রকাশ এই উপন্যাসে। - ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র-মৃণালিনী এবং পশুপতি-মনোরমার প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে। - ইতিহাসের উপাদান নিয়ে এখানে জীবনকে মুখ্য করা হয়েছে।
-------------------------- • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: - তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। - তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম দিকে ছিলেন ব্রিটিশ উপনিবেশিক সরকারের একজন কর্মকর্তা, পরে হুগলির ডেপুটি কালেক্টর হন। - ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের যে দুজন ছাত্র বিএ পাস করেন, বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন তাঁদের একজন। - তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন। - তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ১৮৯১ সালে 'রায়বাহাদুর' এবং ১৮৯৪ সালে 'Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire' (CMEOIE) উপাধি প্রদান করে। - চবিবশ পরগনা জেলার বারুইপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর প্রথম দুটি বিখ্যাত উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) ও 'কপালকুণ্ডলা' (১৮৬৬) রচনা করেন।
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো: - দুর্গেশনন্দিনী, - কপালকুণ্ডলা, - রাজসিংহ, - রজনী, - মৃণালিনী, - বিষবৃক্ষ, - কৃষ্ণকান্তের উইল, - চন্দ্রশেখর, - আনন্দমঠ, - দেবী চৌধুরাণী, - সীতারাম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪.
বাক্য অসম্পূর্ণ রেখে প্রাসঙ্গিক অন্য তথ্য জ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কোন বিরামচিহ্নটি ব্যবহৃত হয়?
ক
সেমিকোলন
খ
কমা
গ
কোলন
ঘ
ড্যাস
সঠিক উত্তর: গ
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কোলন
গ
ব্যাখ্যা
• বিরাম চিহ্ন: মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
কোলন: • বাক্য অসম্পূর্ণ রেখে প্রাসঙ্গিক অন্য তথ্য জ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কোলন যতিচিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: কমিটিতে সিদ্ধান্ত হলো: আগামী মাসেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
• একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য লিখতে হলে কোলন ব্যবহার করতে হয়। যেমন: সভায় ঠিক করা হল: এক মাস পর আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে।
নিম্নলিখিত স্থানে কোলন ব্যবহৃত হয়- - বাক্যে কোনো প্রসঙ্গ অবতারণার আগে কোলন বসে। যেমন- শপথ নিলাম: পাশ করবই। - কটা বাজে কত মিনিট তা সংখ্যায় নির্দেশ করতে। যেমন- ৭: ২০। - নাটকের চরিত্রের পরে ও সংলাপের আগে। যেমন- রাজা: উজিররা সবাই এসে হাসির হও। - গনিতে অনুপাত বোঝাতে কোলন বসে। যেমন- ৫:৩।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫.
খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কোনটি?
ক
কদ্
খ
উৎ
গ
উন্
ঘ
অজ
সঠিক উত্তর: খ
উৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
উৎ
খ
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়- উৎ। ‘উৎ’ তৎসম উপসর্গের উদাহরণ।
---------------------- • উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং ৩. বিদেশি উপসর্গ।
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা),কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
• বিদেশি উপসর্গ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমন: - আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের। - ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। - উর্দু উপসর্গ: হর। - ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৬.
শুধু প্রাণির বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক কোনটি?
ক
যূথ
খ
রাশি
গ
গুচ্ছ
ঘ
দাম
সঠিক উত্তর: ক
যূথ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
যূথ
ক
ব্যাখ্যা
• শুধু প্রাণির বহুবচনে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক - যূথ। যেমন: - হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করছে।
অন্যদিকে, • বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ- আবলি- পুস্তকাবলি। গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ। দাম- কুসুমদাম, পুষ্পদাম। নিকর- কমলনিকর। পুঞ্জ- মেঘপুঞ্জ। মালা- পর্বতমালা। রাজি- তারকারাজি। রাশি- বালিরাশি। নিচয়- কুসুমনিচয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৭.
‘সত্যপীর’ ছদ্মনামে লিখতেন কোন সাহিত্যিক?
ক
মীর মশাররফ হোসেন
খ
সৈয়দ মুজতবা আলী
গ
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ
আবু জাফর শামসুদ্দিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর বিভিন্ন গ্রন্থে তিনটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেন, এগুলো হলো: প্রিয়দর্শী, মুসাফির ও সত্যপীর।
অন্যদিকে, • গাজী মিয়াঁ এবং 'উদাসীন পথিক' উভয় ছদ্মনামেই মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য রচনা করেছেন। • সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর। • আবু জাফর শামসুদ্দিন 'অল্পদর্শী' ছদ্মনামে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় কলাম লিখতেন।
------------------------ • সৈয়দ মুজতবা আলী: - তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। - ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে। - তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। - সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি। - তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'। - তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন। - ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ: • উপন্যাস: - অবিশ্বাস্য, - শবনম।
• রম্যরচনা: - পঞ্চতন্ত্র, - ময়ূরকণ্ঠী।
• ছোটগল্প: - চাচা-কাহিনী, - টুনি মেম।
উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮.
কোনটি মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত গ্রন্থ?
ক
বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত
খ
সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
গ
বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা
ঘ
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
সঠিক উত্তর: ঘ
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
ঘ
ব্যাখ্যা
• পাঠ্যপুস্তকের অভাব দূর করার জন্য মুহম্মদ আবদুল হাই সৈয়দ আলী আহসানের সঙ্গে যৌথভাবে রচনা করেন ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ (আধুনিক যুগ, ১৯৬৮)।
অন্যদিকে, - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থ ‘বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা’ ও ‘সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত গ্রন্থ ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
----------------------------- • মুহম্মদ আবদুল হাই: - মুহম্মদ আবদুল হাই একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী। - তিনি ২৬ নভেম্বর ১৯১৯ সালে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। - তাঁর রচিত গ্রন্থ ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪)।
• মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত গ্রন্থ: - সাহিত্য ও সংস্কৃতি, - তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা, - ভাষা ও সাহিত্য, - ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব, - বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত প্রভৃতি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯.
‘চোখের কোণ’ এক কথায় বলে-
ক
অপাঙ্গ
খ
প্রত্যক্ষ
গ
সমক্ষ
ঘ
অক্ষিপক্ষ্ম
সঠিক উত্তর: ক
অপাঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
অপাঙ্গ
ক
ব্যাখ্যা
• ‘চোখের কোণ’ এক কথায় বলে - অপাঙ্গ।
অন্যদিকে, • ‘অক্ষির সমীপে’ এক কথায় বলে - সমক্ষ। • ‘অক্ষির অভিমুখে’ এক কথায় বলে - প্রত্যক্ষ। • ‘অক্ষি পত্রের লোম’ এক কথায় বলে - অক্ষিপক্ষ্ম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
ক
সহিষ্ণু
খ
সর্বজনীন
গ
বর্তমান
ঘ
লেখক
সঠিক উত্তর: খ
সর্বজনীন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সর্বজনীন
খ
ব্যাখ্যা
• তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ - সর্বজন + নীন = সর্বজনীন।
-------------------------------- • সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়: - ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণিক, ষ্ণ্য, ইত, ইমন, ইল, তর, তা, ত্ব, বতুপ, নীন, বিন্, র, ল প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে । যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ে গঠিত কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়: - তেজঃ + বিন = তেজস্বী; - পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক; - কুসুম + ইত = কুসুমিত; - সর্বজন + নীন = সর্বজনীন; - নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘প্রিয়ংবদা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
ক
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস
খ
কর্মধারয় সমাস
গ
সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
ঘ
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
সঠিক উত্তর: ঘ
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
ঘ
ব্যাখ্যা
• প্রিয়ম্ বলে যে নারী = প্রিয়ংবদা; উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
• উপপদ তৎপুরুষ সমাস: যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। যেমন: - জলে চরে যা = জলচর। - জল দেয় যে = জলদ। - পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- এরূপ সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।।
১২.
‘সমুদয়’ কোন পদের উদাহরণ?
ক
বিশেষ্য
খ
সর্বনাম
গ
বিশেষণ
ঘ
যোজক
সঠিক উত্তর: খ
সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সর্বনাম
খ
ব্যাখ্যা
• ‘সমুদয়’ সর্বনাম পদের উদাহরণ। ------------------------ • সর্বনাম: বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তি নামের পরিবর্তে বসে। যেমন- আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।
২. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোরদিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরণের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়। যেমন- স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।
৩. নির্দেশক সর্বনাম: যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে। যেমন: নিকট নির্দেশক- এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি। দূর নির্দেশক- ও, ওই, ওরা, উনি।
৪. অনির্দষ্ট সর্বনাম: অনির্দষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে। যেমন- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।
৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়। যেমন- কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।
৬. সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। যেমন- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
৭. পারস্পারিক সর্বনাম: দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয় । যেমন- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।
৮. সকলবাচক/সাকুল্যবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন- সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।
৯. অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।
- তবে পুরাতন বই অনুযায়ী সর্বনাম ১০ প্রকার। ১০ নম্বরটি হলো- ব্যতিহারিক সর্বনাম।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
ক
আমানত
খ
কোর্মা
গ
তোয়ালে
ঘ
তোপ
সঠিক উত্তর: গ
তোয়ালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
তোয়ালে
গ
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ শব্দ- তোয়ালে।
• পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ: আনারস, কামরা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, পাউরুটি, পাদ্রি, পেয়ারা, বালতি, বোতল, বোতাম ইত্যাদি।
অন্যদিকে, • ‘তুর্কি’ ভাষার শব্দ: তোপ, চাকু, বাবা, কোর্মা, বাবুর্চি, মুচলেকা ইত্যাদি।
• আরবি ভাষার শব্দ: আমানত, আমামা, আমিন, আমির, আমিরাত, আম্বর, আয়াত, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান, আলেম, আশেক, আসর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'আলমনগরের উপকথা' শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
ক
কাব্যগ্রন্থ
খ
উপন্যাস
গ
প্রবন্ধ
ঘ
গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর: খ
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
উপন্যাস
খ
ব্যাখ্যা
• 'আলমনগরের উপকথা' উপন্যাস: - শামসুদ্দীন আবুল কালামের 'আলম নগরের উপকথা' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৫৪ সালে। - এখানে সামন্তবাদ ও ধনতন্ত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং উভয়ের দ্বন্দ্বের ফলে গণচেতনার বিকাশ চমৎকারভাবে ভাষারূপ পেয়েছে।
----------------- • শামসুদ্দীন আবুল কালাম: - শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে বরিশালের নলছিটি থানার কামদেবপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - শামসুদ্দীন বরিশাল জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯৪১), ব্রজমোহন কলেজ থেকে আই.এ (১৯৪৩) এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (১৯৪৬) পাস করেন।
তাঁর রচনাসমূহ হলো: • গল্পগ্রন্থ: - অনেক দিনের আশা, - ঢেউ, - পথ জানা নাই, - দুই হৃদয়ের তীর, - শাহের বানু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১৫.
কোনটি সুফিয়া কামাল রচিত শিশুতোষ গল্প?
ক
ওটেন সাহেবের বাংলো
খ
ক্ষুদে সোশালিস্ট
গ
নওল কিশোরের দরবারে
ঘ
ডানপিটে শওকত
সঠিক উত্তর: গ
নওল কিশোরের দরবারে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নওল কিশোরের দরবারে
গ
ব্যাখ্যা
• সুফিয়া কামাল: - 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি। - সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। - তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। - তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়। - 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি। - তাঁর রচিত প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’। রচনা হয় ১৯২৩ সালে। গ্রন্থটি বরিশালের ‘তরুণ’ পত্রিকায় প্রকাশ পায়।
• তার রচিত কাব্যগ্রন্থ: - সাঁঝের মায়া, - উদাত্ত পৃথিবী, - অভিযাত্রিক, - মায়া কাজল ইত্যাদি।
• গল্পগ্রন্থ: - কেয়ার কাঁটা।
• শিশুতোষ গল্প: - ইতল বিতল, - নওল কিশোরের দরবারে।
• ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী। • আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।
--------------------- অন্যদিকে, • ‘ওটেন সাহেবের বাংলো’ ও ‘ক্ষুদে সোশালিস্ট’ শওকত ওসমান রচিত একটি শিশুতোষ গ্রন্থ। • ‘ডানপিটে শওকত’ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
'চর্যাগীতি পদাবলী' চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
ক
সুকুমার সেন
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ঘ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: ক
সুকুমার সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সুকুমার সেন
ক
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ: • বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থ চর্যাপদ। • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' শিরোনামে প্রকাশ করে। • চর্যাপদে মোট পদ সংখ্যা সাড়ে ৪৬টি। • এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। • সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। • চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। • অপরদিকে, ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
চর্যাপদের পদসংখ্যা নিয়ে মতান্তর রয়েছে: • সুকুমার সেন রচিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম 'চর্যাগীতি পদাবলী'। - যদিও সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। - টীকাকারের কাছে মূল চর্যার পুঁথিতে আরো অন্তত একটি বেশি চর্যা ছিল (১১ ও ১২ তম চর্যার মাঝখানে)। এই চর্যাটির ব্যাখ্যা না থাকায় লিপিকার উদ্ধৃত করেন নি, শুধু 'টীকা নাই' এই মন্তব্যটুকু করিয়াছেন। - সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১ নং পদের ব্যাখ্যা করেন নি। - আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন। উল্লেখ্য, চর্যাপদের একটি পদ ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে, সেখান থেকেই এই মত বিরোধের সৃষ্টি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৭.
‘Satire’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
ক
শোক কবিতা
খ
প্রহসন
গ
ব্যঙ্গরচনা
ঘ
গাথা
সঠিক উত্তর: গ
ব্যঙ্গরচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ব্যঙ্গরচনা
গ
ব্যাখ্যা
• ‘Satire’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - ব্যঙ্গরচনা।
অন্যদিকে, • ‘Elegy’ শব্দের অর্থ - শোক কবিতা। • ‘Farce’ শব্দের অর্থ - প্রহসন। • ‘Ballad’ শব্দের অর্থ - গাথা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
১৮.
বাংলা ভাষায় শব্দ গঠনের উপায় নয় কোনটি?
ক
সমাস
খ
বচন
গ
প্রত্যয়
ঘ
কারক
সঠিক উত্তর: ঘ
কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
কারক
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় শব্দ গঠিত হওয়ার উপায় নয়- কারক।
----------------------------- • শব্দ গঠনের কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে এগুলো হচ্ছে- সমাসের মাধ্যমে, বহুবচনের মাধ্যমে, উপসর্গ যোগে, প্রত্যয় সহযোগে ইত্যাদি।
• উপসর্গ: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের 'পরি' অংশ একটি উপসর্গ।
• প্রত্যয়: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। 'সাংবাদিক' শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।
• সমাস: শব্দ গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হলো সমাস যার মাধ্যমে একাধিক শব্দ এক শব্দে পরিণত হয়। যেমন: ‘হাট’ ও ‘বাজার’ শব্দ দুটি সমাসবদ্ধ হয়ে হয় ‘হাটবাজার’।
• বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে বচন বলে। ছেলেরা বা বইগুলাে পদের রা’ বা ‘গুলাে হলাে বচনের উদাহরণ।
• শব্দদ্বিত্ব: এছাড়া কোনো শব্দের দ্বৈত ব্যবহারে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে বলে শব্দদ্বিত্ব, যেমন 'ঠক' ও 'ঠক' মিলে গঠিত হয় 'ঠকঠক', একইভাবে 'অঙ্ক' ও অনুরূপ ধ্বনি 'টঙ্ক' মিলে হয় 'অঙ্কটঙ্ক'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
ক
শ্রদ্ধাঞ্জলী
খ
উপরিউক্ত
গ
ইতঃপূর্বে
ঘ
উপর্যুক্ত
সঠিক উত্তর: ক
শ্রদ্ধাঞ্জলী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
শ্রদ্ধাঞ্জলী
ক
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান- শ্রদ্ধাঞ্জলী।
• শুদ্ধ বানান: শ্রদ্ধাঞ্জলি (বিশেষ্য পদ)। - এটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ: - শ্রদ্ধা নিবেদন।
অন্যদিকে, উপরিউক্ত, ইতঃপূর্বে ও উপর্যুক্ত শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।
--------------------------- • ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ঠন শব্দটি পর পর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।
• কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে। এ ধরনের কোনো কোনো ধ্বন্যাত্মক শব্দে প্রথম অংশের পরে আ-এর বিধান ঘটার ফলে আর-এক ধরনের অব্যাহত ব্যাপ্তির অর্থ সূচিত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ( ২০২২ সংস্করণ)।
২১.
Change the voice: She has made us do the chores.
ক
We have been made to be done the chores by her.
খ
We have been made doing the chores by her.
গ
We have been made to do the chores by her.
ঘ
We have been made done the chores by her.
সঠিক উত্তর: গ
We have been made to do the chores by her.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
We have been made to do the chores by her.
গ
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নোক্ত বাক্যটি Present perfect Tense এ আছে এবং এটি Causative verb made যোগে গঠিত।
• Make, need, dare, bare, hear, feel, know ইত্যাদি causative verb গুলোর পর active voice এ bare infinitive হয় অর্থাৎ to ঊহ্য থাকে। - কিন্তু passive- এ পরিবর্তন করবার সময় তাদের পর to বসাতে হয়।
• Causative verb যুক্ত বাক্যটির passive voice এ পরিণত করার নিয়ম: - object কে sub + auxiliary verb + causative verb - এর past participle form + to + মুল verb + by + sub কে object.
• আবার, Present perfect Tense এর Active voice থেকে Passive voice করার নিয়ম - - Object টি subjective form + have been/ has been + মূল verb এর past participle + by + subject এর objective form.
• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, সঠিক উত্তর হবে - Active Voice: She has made us do the chores. Passive Voice: We have been made to do the chores by her.
২২.
How long has it been since ___________
ক
you have visited your hometown?
খ
you visited your hometown?
গ
you had visited your hometown?
ঘ
you visits your hometown?
সঠিক উত্তর: খ
you visited your hometown?
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
you visited your hometown?
খ
ব্যাখ্যা
• Since এর প্রথম অংশ Present Indefinite/ Present Perfect Tense হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়। • আবার Since এর প্রথম অংশ Past Indefinite Tense হলে পরের অংশ Past Perfect Tense হয়। যেমন: - Many years have passed since his father died. - It was many years since they had first met.
• প্রদত্ত বাক্যে since এর প্রথম অংশে has it been অর্থাৎ Present Perfect Tense বিধায় পরের অংশ Past Indefinite Tense হবে। - নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - How long has it been since you visited your hometown?
২৩.
We would rather they _______ with us tonight.
ক
stay
খ
stayed
গ
staying
ঘ
will stay
সঠিক উত্তর: খ
stayed
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
stayed
খ
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - stayed - Complete sentence: We would rather they stayed with us tonight. ----------------------- • Would rather + same subject + verb base form. • Would rather + different subject + verb past simple/ past perfect form.
• সাধারণত Would rather/ Had better এর পরে Verb এর Present form হয়। - যেমন - I would rather die than let you go. - You had better finish your homework. - I’d rather stay at home than go out tonight.
• কিন্তু subject + would rather এবং এরপর যদি আরেকটি subject আসে, তাহলে verb এর past indefinite অথবা past perfect tense হয়। • I would rather you + the simple past - is a sentence structure you can use to express your preference about what somebody does in a specific present or future event. - যেমন - I’d rather you stayed at home tonight. I’d rather you didn’t go out tonight.
• আবার, • I would rather you + the past perfect - is a sentence structure that allows you to express your preference over a situation that occurred in the past. - Example: I would rather you hadn’t called him and told him I was late.
• যেহেতু, প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে, We would rather এরপর দ্বিতীয় subject হিসাবে you এসেছে এবং ভবিষ্যতের কথা নির্দেশ করছে তাই verb এর simple past form হবে।
Source: Cambridge Dictionary.
২৪.
Choose the word that is opposite in meaning to "Intrepid":
ক
Careful
খ
Cordial
গ
Timid
ঘ
Talkative
সঠিক উত্তর: গ
Timid
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Timid
গ
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Timid শব্দটি Intrepid এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।
• Intrepid (adjective) English Meaning: Fearless; adventurous (often used for rhetorical or humorous effect). Bangla Meaning: অকুতোভয়; নিঃশঙ্ক; অসমসাহসিক; শঙ্কাহীন।
• Timid (adjective) - ভীরু; লাজুক; মুখচোরা।
• অপশনে উল্লিখিত অন্য শব্দগুলোর অর্থ - ক) Careful (adjective) - সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান।
A number of students is participating in the science fair.
খ
A large number of books has been donated to the library this year.
গ
Many an artist dreams of fame and success.
ঘ
A good many of the houses was damaged by the storm.
সঠিক উত্তর: গ
Many an artist dreams of fame and success.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Many an artist dreams of fame and success.
গ
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - - Many an artist dreams of fame and success. - কারণ, Many a/an এর পর noun/pronoun ও verb- singular হয়.
• Adjective - এর নিয়ম অনুযায়ী, - Many/ a great many/ a good many এর সাথে Noun/pronoun ও verb- plural হয়। - A number of/ A large number of/ A small number of/ a great number of + plural Noun + plural verb.
• অন্য বাক্যগুলোর সঠিক রূপ - ক) A number of students are participating in the science fair. খ) A large number of books have been donated to the library this year. গ) A good many of the houses were damaged by the storm.
২৬.
If someone 'throws caution to the wind', it means they are -
ক
being very concerned about a difficult situation.
খ
acting in a completely reckless manner.
গ
competing against each other.
ঘ
being in a difficult situation.
সঠিক উত্তর: খ
acting in a completely reckless manner.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
acting in a completely reckless manner.
খ
ব্যাখ্যা
• If someone 'throws caution to the wind', it means they are - acting in a completely reckless manner.
• Throws caution to the wind (idiom) English meaning: To decide not to worry about possible dangers or risks: act in a completely reckless manner. Bangla Meaning: সতর্কতা বা সাবধানতা না মেনে ঝুঁকি নেওয়া" বা সতর্কতা না করে নির্দ্বিধায় কাজ করা।
• Example sentence: - Faced with one of the worst financial crises in recent memory, British investors threw caution to the wind and scrambled to buy stocks. - You may even throw caution to the wind and try one of our Mystery Trips.
When they were walking in the park, it started to rain.
গ
When he gets home, he watches TV.
ঘ
All of these
সঠিক উত্তর: ঘ
All of these
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
All of these
ঘ
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - সবগুলো বাক্য সঠিক। - তাই সঠিক উত্তর হবে - All of these.
• যদি দুইটি Clause, When দ্বারা যুক্ত হয়, তখন দুইটি clause এর result এর clause টি যদি present indefinite tense হয়, তখন এর আগের when যুক্ত clause টিও present indefinite tense হবে। Example: - When he gets home, he watches TV. - When I feel stressed, I listen to music. - When water freezes it turns into ice.
আবার, • When যুক্ত complex sentence এ যদি ভবিষ্যতের কোনো কথা নির্দেশ করা হয় তাহলে when যুক্ত clause টি present indefinite এবং এরপরের clause টি future indefinite tense ব্যবহৃত হয়। Example: - When the train leaves, I will call you. - When she arrives, we will start the meeting. - I will phone you when I get the news.
• When দ্বারা যুক্ত দুটি Clause এর একটি যদি past continuous হয় তবে অন্য clause টি past indefinite হবে। Example: - When they were walking in the park, it started to rain. - When you called, I was in a meeting. - When they were walking in the park, they saw a rare bird.
২৮.
The word "kerfuffle" is best described as:
ক
An order or law
খ
A commotion or fuss
গ
A kind of musical instrument
ঘ
An elaborate plan or scheme
সঠিক উত্তর: খ
A commotion or fuss
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
A commotion or fuss
খ
ব্যাখ্যা
• Kerfuffle (noun) English Meaning: A commotion or fuss, especially one caused by conflicting views. Bangla Meaning: একধরনের হৈচৈ, বিতর্ক বা হৈচৈ।
• Example sentence: - There was a kerfuffle over the chairmanship. - Her glasses were broken in the kerfuffle.
Source: Oxford Learner's Dictionary.
২৯.
He laughs best, who laughs last. Here 'who laughs last' is an example of which clause?
ক
Adverb clause
খ
Adjective clause
গ
Interrogative clause
ঘ
Noun clause
সঠিক উত্তর: খ
Adjective clause
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Adjective clause
খ
ব্যাখ্যা
• He laughs best who laughs last. Here 'who laughs last' is an example of an Adjective clause. - উক্ত clause টি বাক্যের subject 'He' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে এবং relative pronoun who দ্বারা শুরু হয়েছে বিধায় এটি হচ্ছে Adjective clause.
• Adjective clause: - যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে। - অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে, এটিকে relative clause ও বলা হয়ে থাকে। - Adjective clause মূলত clause সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয় এবং এরা relative pronoun (that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়। - তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।
৩০.
The judge ruled that certain evidence was ___________ the defendant and should not be presented in court.
ক
prejudicial to
খ
prejudicial for
গ
prejudicial with
ঘ
prejudicial by
সঠিক উত্তর: ক
prejudicial to
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
prejudicial to
ক
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - prejudicial to. - Complete sentence: The judge ruled that certain evidence was prejudicial to the defendant and should not be presented in court. - Bangla Meaning: বিচারক রায় দিয়েছেন যে কিছু প্রমাণ আসামীর পক্ষে ক্ষতিকারক এবং আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
• Prejudical (to) English Meaning: harmful or influencing people unfairly. Bangla Meaning: ক্ষতিকর বা অপকারী। - সাধারণত কোনো ব্যক্তির অধিকার, অবস্থান, বা পরিস্থিতির জন্য ক্ষতিকর বা অপকারী অর্থে Prejudical এরপর preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
• Example sentence: - This statement is prejudicial to the defendant's case. - The rule was prejudicial to minority students. - Her actions were prejudicial to the company's interests.
Source: 1. Cambridge Dictionary. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
What is the synonym of the word 'Subpoena'?
ক
Prohibition
খ
Answer
গ
Writ
ঘ
Question
সঠিক উত্তর: গ
Writ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Writ
গ
ব্যাখ্যা
• Subpoena (noun) English Meaning: A legal document ordering someone to appear in a court of law or to produce documents: a writ ordering a person to attend a court. Bangla Meaning: (plural subpoenas) [countable noun] (আইন সম্বন্ধীয়) আদালতে হাজির হওয়ার জন্য লিখিত হুকুম; সপিনা; তলবনামা।
Other Forms: - (verb transitive) (past tense past participle subpoenaed) সপিনা দেওয়া/পাঠানো; তলবনামা জারি করা।
• Example Sentence: 1. Subpoenas were issued to several government employees. 2. The witness and her records were subpoenaed.
Source: Live MCQ Lecture.
৩২.
The team walked onto the field in a body, focused and ready to win the championship game. Here, 'in a body' is an example of -
ক
Phrase preposition
খ
Adverb phrase
গ
Adjective phrase
ঘ
Both A + B
সঠিক উত্তর: খ
Adverb phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Adverb phrase
খ
ব্যাখ্যা
• The team walked onto the field in a body, focused and ready to win the championship game. Here, 'in a body' is an example of - - প্রদত্ত বাক্যে in a body দ্বারা প্রকাশ পাচ্ছে তারা কিভাবে মাঠে প্রবেশ করেছিল। - উত্তর হচ্ছে in a body বা একসাথে। - সুতরাং, এটি হচ্ছে adverb of manner বা Adverb phrase.
• Adverbial Phrase: - যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷ - সাধারণত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.
• এছাড়াও, এই বাক্যে in a body হচ্ছে একটি prepositional phrase. - যেসব phrase, preposition দিয়ে শুরু হয়ে adverb বা adjective এর কাজ করে তাকে preposition phrase বলা হয়ে থাকে। যেমন - - A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase) - He is a man of great wealth. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase). - He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase) - They came in a body. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
• অন্যদিকে, - Phrase Preposition: - কয়েকটি word গুচ্ছগতভাবে Preposition এর কাজ করে। - যেমন - in front of, because of, according to ইত্যাদি।
৩৩.
Identify the correct sentence.
ক
She hopes to start her own business as soon as she will completes her training next month.
খ
She hopes to start her own business as soon as she will complete her training next month.
গ
She hopes to start her own business as soon as she completes her training next month.
ঘ
She hopes to start her own business as soon as she completing her training next month.
সঠিক উত্তর: গ
She hopes to start her own business as soon as she completes her training next month.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
She hopes to start her own business as soon as she completes her training next month.
গ
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন ভবিষ্যতে কিছু ঘটবে এমন ঘটনা নির্দেশ করা হয় এবং বর্তমানেই সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে এমন নির্দেশ করে তখন as soon as এর সাথে future tense ব্যবহার করা হয় না। - অর্থাৎ, as soon as এর পরের clause এ future tense হয় না। - যেমন - I’m going to have a shower as soon as l get home.
• উল্লেখিত প্রশ্নে as soon as দ্বারা যুক্ত দুইটি clause এ ভবিষ্যতে কিছু ঘটবে এমন ঘটনা নির্দেশ করা হচ্ছে এবং বর্তমানেই সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে এমন বাক্য নির্দেশ করছে। - তাই পরের clause টিতে present tense হবে। • সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে - She hopes to start her own business as soon as she completes her training next month.
অন্যদিকে, • As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়। - Example sentence: I opened the door as soon as I heard the bell.
• বাক্য যদি Future Indefinite Tense + As soon as এভাবে আসে তাহলে এরপরের clause এ Present Indefinite Tense হয়। - যেমন - I’ll call you as soon as I arrive.
৩৪.
In the word "Government", the suffix "-ment" means:
ক
Full of
খ
Result of an action
গ
Related to
ঘ
Characteristic of
সঠিক উত্তর: খ
Result of an action
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Result of an action
খ
ব্যাখ্যা
• '- ment' (suffix) English Meaning: forming nouns expressing the means or result of an action: concrete result, object, or agent of a (specified) action Bangla Meaning: কোনো কর্মের ফলাফল। • -ment is added to some verbs to form nouns that refer to actions, processes, or states.
• Government (noun) -এর root word বা মূল শব্দটি হচ্ছে Govern ((দেশ ইত্যাদি) শাসন করা; পরিচালনা করা), যা একটি verb. - এই verb এরসাথে suffix -ment যুক্ত হয়ে Noun word Goverment (শাসন; শাসনক্ষমতা।) গঠিত হয়েছে, যা শাসনের প্রক্রিয়া বা সেই ব্যবস্থার উল্লেখ করে।
• Examples: - Establish (v) + "-ment" = Establishment (প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া বা ফলাফল)। - Develop (v) + "-ment" = Development (উন্নয়নের প্রক্রিয়া বা ফলাফল)।
The broken fence was repaired and stabilized using new posts and wire. Here 'broken' is a -
ক
Perfect participle
খ
Past participle
গ
Gerund
ঘ
Verbal noun
সঠিক উত্তর: খ
Past participle
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Past participle
খ
ব্যাখ্যা
• The broken fence was repaired and stabilized using new posts and wire. Here 'broken' is a - Past participle. • A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns. - Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
• Participle মূলত: তিন প্রকার: 1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.
- সাধারণত মূল Verb-এর সাথে ed যুক্ত হয়ে past participle গঠিত হয়, যেমন work-worked। - কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ed যুক্ত না হয়েও past particple গঠিত হতে পারে। - যেমন: go-gone. - Past Participle Verb সহ adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। - সুতরাং, এই বাক্যে broken হচ্ছে past participle.
৩৬.
Scarcely had he left the office _______.
ক
when it began to rain heavily
খ
when it had begun to rain heavily
গ
than it had begun to rain heavily
ঘ
than it began to rain heavily
সঠিক উত্তর: ক
when it began to rain heavily
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
when it began to rain heavily
ক
ব্যাখ্যা
• No sooner had ..... than, Scarcely had ....... when, hardly had ..... before থাকলে than, when, when এর পূর্বে verb এর past participle এবং পরে verb এর past form হয়। • অর্থাৎ, Scarcely had দ্বারা বাক্য শুরু হলে পরের clause টি when দ্বারা শুরু করতে হয় এবং প্রথম clause টি past perfect + verb এর past participle এবং দ্বিতীয় clause টি past indefinite হয়। - নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - Scarcely had he left the office when it began to rain heavily.
• মনে রাখা জরুরি, - no sooner...than, scarcely..when, hardly...when এভাবে আসে। - যেমন: - No sooner had the thief seen the police than he ran away. - Hardly had I reached the station when the train came. - Scarcely had we reached the station, when the train left.
৩৭.
She didn’t attend the meeting, for she was feeling unwell. Here 'for' is used as -
ক
Adverb
খ
Preposition
গ
Conjunction
ঘ
Noun
সঠিক উত্তর: গ
Conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Conjunction
গ
ব্যাখ্যা
• She didn’t attend the meeting, for she was feeling unwell. Here 'for' is used as - Conjunction.
• For (conjunction) - (কথ্য ইংরেজিতে বিরল, বাক্যের শুরুতে ব্যবহৃত হয় না) কেননা; যেহেতু; বলে। - As a conjunction, "for" connects clauses and explains reasons or causes. - He couldn’t buy the house, for he had no money.
• For (Preposition) - উদ্দেশে; অভিমুখে; লক্ষ্যে; দিকে, জন্য; ইত্যাদি অর্থে। - As a preposition, "for" shows relationships related to purpose, benefit, or intended recipient. - She worked hard for her success.
৩৮.
"Life is a broken-winged bird that cannot fly" - This is an example of -
ক
Irony
খ
Metaphor
গ
Parable
ঘ
Oxymoron
সঠিক উত্তর: খ
Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Metaphor
খ
ব্যাখ্যা
• "Life is a broken-winged bird that cannot fly" - This is an example of - Metaphor. - উক্ত লাইনটি Langston Hughes, এর কবিতা "Dreams" এর অন্তর্ভুক্ত একটি লাইন। - কবি এর দ্বারা বুঝাতে চেয়েছেন ,Life without dreams is compared to a bird that can't fly.
• Metaphor: • Metaphor is an implicit comparison between two different things. - যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor. - সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে। - উদাহরণ - - Life is but a walking shadow. - "She's all states, and all princes, I"
• Difference Between Metaphor and Simile - It can be difficult in some instances to distinguish between metaphor and simile as literary devices. - উভয় figures of speech দ্বারাই দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা নির্দেশ করে। - বলা যেতে পারে, simile is a subset of metaphor. - দুটির মধ্যে পার্থক্য নিরূপনের একটি সহজ উপায় হচ্ছে - Simile তে তুলনার ক্ষেত্রে As ও Like দ্বারা তুলনাটি বুঝানো হয়, কিন্তু Metaphor এর ক্ষেত্রে As or Like হয় উল্লেখ না করে সরাসরিই তুলনা নির্দেশ করা হয়। - যেমন: Simile: I wandered lonely as a cloud. Metaphor: Revenge is a wild justice.
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - - Oxymoron: A figure of speech in which contradictory words are put together. - Parable: an allegorical story usually containing a moral lesson. - Irony: A statement or a situation or an action which actually means the opposite of its surface meaning.
Source: 1. An ABC of English Literature Dr M Mofizar Rahman 2. Live MCQ Lecture 3. Britannica.
৩৯.
'Riders To the Sea’ is a famous -
ক
Gothic Novel
খ
Long narrative Ballad
গ
One act play
ঘ
Short story
সঠিক উত্তর: গ
One act play
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
One act play
গ
ব্যাখ্যা
• 'Riders To the Sea’ is a famous one-act play written by the Irish author John Millington Synge. - সমালোচকদের কাছে এই নাটকটি ইংরেজি সাহিত্যের one of the greates one act play হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। - Riders to the Sea is set in the Aran Islands off the west coast of Ireland. - Synge মুলত আরান দ্বীপপুঞ্জে শোনা একটি গল্পের উপর ভিত্তি করে তার এই play টি রচনা করেছিলেন। - Maurya নামক একজন বৃদ্ধ মহিলার জীবনের কঠিন দুঃখ -দুর্দশা এবং বেদনার চিত্র বর্ণিত হয়েছে এই নাটকে , যিনি তার ছোট ছেলে Bartley ছাড়া, পরিবারের সকল পুরুষ সদস্যদের কে সাগরের ঝড়ের মাঝে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে ফেলেছেন. - কিন্তু শেষ সময়ে দেখা যায় তার ছোট ছেলেটিও সাগরে ডুবেই মারা যায়।
• John Millington Synge (1871 - 1909) was an Irish dramatist. - He was a leading figure in the Irish literary Renaissance. - সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকে তিনি সমালোচনা মূলক গ্রন্থ রচনা করলেও W. B Yeats এর অনুপ্রেরনায় তিনি নাটক লিখতে শুরু করেন।
• উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম - - In the Shadow of the Glen (1903) - Riders to the Sea (1904), - The Well of the Saints (1905), - The Playboy of the Western World (1907), - The Tinker's Wedding (1907), - Deirdre of the Sorrows (1910).
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৪০.
'Napoleon, Snowball, Boxer, Benjamin' are characters from -
ক
Animal Farm
খ
Kim
গ
The Jungle Book
ঘ
Volpone
সঠিক উত্তর: ক
Animal Farm
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Animal Farm
ক
ব্যাখ্যা
• 'Napoleon, Snowball, Boxer, and Benjamin' are characters from 'Animal Farm' by George Orwell.
• Animal Fram: - It is a political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power. - অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ। - Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story. - Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.
• Short summary: - বলশেভিক বিপ্লব এবং পরবর্তীতে জোসেফ স্ট্যালিনের ভূমিকা নিয়ে এর কাহিনি রচিত বলে ধারণা করা হয়। - একটা পশু খামারের পশুরা একত্রিত হয়ে খামার মালিককে বিতাড়িত করে এবং তারা কম কাজ করে বেশি আরাম পাবে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরীর স্বপ্ন দেখে। - তারা সাম্য ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। - তবে পরবর্তীতে দেখা যায়, খামার মালিককে বিতাড়িত করে সেই খামারের মালিক বনে যায়, খামারের প্রভাবশালী শুকর গুলো। - এরপর মানুষ মালিকের চেয়েও অনেক বেশি জালিমে পরিণত হয় এরা। - উপন্যাসের শেষে দেখানো হয়: পশু খামারের নতুন শ্লোগান: “all animals are equal, but some animals are more equal than others” যেটি প্রথমে ছিল: “All animals are equal"
• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত - ১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick ২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.
• George Orwell, Post Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক। - তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic. - তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair. - তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
• Notable work: - A Clergyman’s Daughter, - A Hanging, - Animal Farm, - Burmese Days, - Coming Up for Air, - Down and Out in Paris and London, - Homage to Catalonia, - Keep the Aspidistra Flying, - Nineteen Eighty-four, etc.
Source: Britannica.
৪১.
Which country's name is mentioned in 'The Solitary Reaper' poem by Wiliam Wordsworth?
ক
London
খ
Norway
গ
Scotland
ঘ
India
সঠিক উত্তর: গ
Scotland
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Scotland
গ
ব্যাখ্যা
• Scotland's name is mentioned in 'The Solitary Reaper' poem by William Wordsworth.
• 'The Solitary Reaper': - ১৮০৭ সালে প্রকাশিত হওয়া এই কবিতাটি William Wordsworth এর একটি বিখ্যাত কবিতা। - স্কটল্যান্ডের প্রকৃতিক সৌন্দর্যের পটভূমিতে রচিত হয়েছে কবিতাটি। - কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীন পরিবেশে এবং পাহাড়ী এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন। - কাজের পাশাপাশী সে করুন দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে। - কবির বর্ননায় একাকী সেই তরুণীর দু:খ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মিলেমিশে এক হয়ে ফুটে উঠেছে কবিতায়।
• কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি - - 'The music in my heart I bore long after it was heard no more.'
• William Wordsworth (1770 -1850): - He is one of the major poets of the Romantic Period. - তিনি ১৮৪৩ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত England এর ‘Poet Laureate’ ছিলেন। - William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় । - Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father od Romantic Age বলা হয়। • Major works of William Wordsworth: - Lyrical Ballads, - The Daffodils, - The Solitary Reaper, - Tintern Abbey, - The Excursion, - To the Cuckoo, - Lucy, - The Prelude, - The Recluse, - Peter Bell, - The Ruined Cottage, - The World Is Too Much with Us, - Laodamia, - The Ecclesiastical sonnets, etc.
• The Borderers ( The only play written by him)
Source: An ABC OF English Literature - Dr. M. Mofizar Rahman and Britannica.
৪২.
'What the Thunder Said' is written by -
ক
T. S Eliot
খ
W. B Yeats
গ
W. H Auden
ঘ
R. Frost
সঠিক উত্তর: ক
T. S Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
T. S Eliot
ক
ব্যাখ্যা
• 'What the Thunder Said' is written by - - T. S Eliot. - এটি তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'The Waste Land' শেষ part/section টির নাম।
• The Waste Land: - কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কবিতায় কবি The Waste Land বলতে তিনি বর্তমান পৃথিবীকে বুঝিয়েছেন। - তিনি ১৯৪৮ সালে কবিতাটির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - এই কবিতায় Hindu myth or allusion of philosophy পাওয়া যায়।
• 'The Waste Land' is a 433- lines, Five parted Poem. The Five Parts are - 1) 'The Burial of the Dead' 2) 'A Game of Chess' 3) 'The Fire Sermon' 4) 'Death by Water' and 5) 'What the Thunder Said'
- এই কবিতার বিখ্যাত পঙ্কতি হচ্ছে - “April is the cruellest month, breeding / Lilacs out of the dead land, mixin Memory and desire, stirring / Dull roots with spring rain.”
• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot) - He was born on September 26, 1888, in St. Louis, Missouri, U.S. - ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান। - Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• Best works: (poems) - The Waste Land (1922), - Four Quartets, - The Hollow Men, - Ash Wednesday etc.
• His well known plays: - Murder in the Cathedral, - The Cocktail Party, - The Trail of a Judge etc.
Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৪৩.
Who wrote the play 'Antony and Cleopatra'?
ক
Geoffrey Chaucer
খ
William Shakespeare
গ
G. b Shaw
ঘ
Christopher Marlowe
সঠিক উত্তর: খ
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
William Shakespeare
খ
ব্যাখ্যা
• 'Antony and Cleopatra' is written by - William Shakespeare. - 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৬০৬-১৬০৭ সালে লেখা এবং First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়। - It is considered one of Shakespeare’s richest and most moving works. - The principal source of the play was Sir Thomas North’s Parallel Lives (1579), an English version of Plutarch’s Bioi parallēloi. - এই tragedy টিতে রোমান মিলিটারি লিডার Mark Antony এবং Egypt এর রানী Cleopatra এর মধ্যকার ভালোবাসা এবং তার করুন পরিণতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
• Characters of Antony and Cleopatra: - Antony, - Cleopatra, - Octavius Caesar, - Enobarbus, - Dolabella, - Camidius etc.
• মনে রাখা জরুরি, • 'Ceasar and Cleopatra' is a drama written by - George Bernard Shaw. - এই play টিকে G.B Shaw এর first great play হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
Source: Britannica.
৪৪.
'William Hazlitt' is best known for his -
ক
Short stories
খ
Plays
গ
Essays
ঘ
Poems
সঠিক উত্তর: গ
Essays
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Essays
গ
ব্যাখ্যা
• William Hazlitt is best known for his - Essays - He is known mainly as a great critic. - তিনি Romantic Period এর একজন সুপরিচিত লেখক যিনি সাহিত্য সমালোচিক হিসেবে অধিক পরিচিত। - তিনি তাঁর humanistic essays এর কারনে সুখ্যাতি লাভ করেছেন। - Lacking conscious artistry or literary pretention, his writing is noted for the brilliant intellect it reveals. - কারো কারো মতে, William Hazlitt তাঁর যুগের প্রধান সাহিত্য সমালোচক।
• Best works includes: - The dramatic literature of the age of Elizabeth (1820) - The spirit of the Age (1825) - He was best known for his humanistic essays.
• Famous quotations: - Prejudice is the child of ignorance - An honest man speaks the truth, though it may give offence; a vain man, in order that it may. ... - The art of life is to know how to enjoy a little and to endure very much. ... - A gentle word, a kind look, a good-natured smile can work wonders and accomplish miracles.
Source: Britannica.
৪৫.
কিছু টাকা ক ও খ-এর মধ্যে ৫ : ৩ অনুপাতে ভাগ করায় খ অপেক্ষা ক ২০ টাকা বেশি পায়। দুজনের মধ্যে কত টাকা ভাগ করা হয়েছিল?
ক
১০০ টাকা
খ
৮০ টাকা
গ
৬০ টাকা
ঘ
৪০ টাকা
সঠিক উত্তর: খ
৮০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৮০ টাকা
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কিছু টাকা ক ও খ-এর মধ্যে ৫ : ৩ অনুপাতে ভাগ করায় খ অপেক্ষা ক ২০ টাকা বেশি পায়। দুজনের মধ্যে কত টাকা ভাগ করা হয়েছিল?
দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করা হলে তাদের যোগফল ৮ হওয়ার সম্ভাবনা কত?
ক
১/৬
খ
৫/৩৬
গ
১/১৮
ঘ
৭/৩৬
সঠিক উত্তর: খ
৫/৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৫/৩৬
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করা হলে তাদের যোগফল ৮ হওয়ার সম্ভাবনা কত?
সমাধান: ছক্কা দুইবার নিক্ষেপ করলে মোট ঘটনা = 6 × 6 = 36 8 হওয়ার ঘটনা = {(2, 6), (3, 5), (4, 4), (5, 3), (6, 2)} = 5 টি
∴ যোগফল 8 হওয়ার সম্ভাবনা = 5/36
৪৯.
যখন কোন একটি সংখ্যা X এর 20% বৃদ্ধি করার পর 20 বিয়োগ করা হয় তখন সংখ্যাটি হয় 160। যদি সংখ্যাটির 20% হ্রাস করে 20 বৃদ্ধি করা হয় তবে তার মান কত হবে?
ক
150
খ
146
গ
144
ঘ
140
সঠিক উত্তর: ঘ
140
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
140
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যখন কোন একটি সংখ্যা X এর 20% বৃদ্ধি করার পর 20 বিয়োগ করা হয় তখন সংখ্যাটি হয় 160। যদি সংখ্যাটির 20% হ্রাস করে 20 বৃদ্ধি করা হয় তবে তার মান কত হবে?
সমাধান: প্রশ্নমতে, X + (X এর 20%) - 20 = 160 ⇒ X + X/5 - 20 = 160 ⇒ 5X + X - 100 = 800 ⇒ 6X = 900 ∴ X = 150
১ থেকে ২২ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?
ক
১২
খ
১৫
গ
১৮
ঘ
২১
সঠিক উত্তর: ক
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১২
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ২২ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?
সমাধান: ১ থেকে ২২ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো হবে- ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫,১৮,২১ এখানে, n = ৭
∴ মধ্যক = (n + ১)/২ তম পদ = (৭ + ১)/২ তম পদ = ৪ তম পদ = ১২
৫৪.
এক অসৎ ব্যবসায়ী ক্রয় মূল্যের দরে কাপড় বিক্রি করবে স্থির করলো কিন্তু ১ মিটার এর পরিবর্তে ৯০ সেন্টিমিটার এর স্কেল ব্যবহার করলো। তার লাভের হার কত?
ক
৯%
খ
১০%
গ
১০.৩৩%
ঘ
১১.১১%
সঠিক উত্তর: ঘ
১১.১১%
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১১.১১%
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক অসৎ ব্যবসায়ী ক্রয় মূল্যের দরে কাপড় বিক্রি করবে স্থির করলো কিন্তু ১ মিটার এর পরিবর্তে ৯০ সেন্টিমিটার এর স্কেল ব্যবহার করলো। তার লাভের হার কত?
একটি 10 মিটার দীর্ঘ মই একটি প্রাচীরের উপর রাখা হয় যাতে মাটির উপর থেকে ঠিক 6 মিটার উঁচু একটি জানালায় পৌঁছানো যায়। প্রাচীর থেকে মই এর গোড়ার দূরত্ব কত?
ক
9 মিটার
খ
7 মিটার
গ
8 মিটার
ঘ
6 মিটার
সঠিক উত্তর: গ
8 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
8 মিটার
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি 10 মিটার দীর্ঘ মই একটি প্রাচীরের উপর রাখা হয় যাতে মাটির উপর থেকে ঠিক 6 মিটার উঁচু একটি জানালায় পৌঁছানো যায়। প্রাচীর থেকে মই এর গোড়ার দূরত্ব কত?
সমাধান: প্রাচীর থেকে মই এর গোড়ার দূরত্ব = √(102 - 62) মিটার = √(100 - 36) মিটার = √64 মিটার = 8 মিটার
৫৭.
কোনো গুণোত্তর ধারার ৪র্থ পদ 135 এবং ৫ম পদ 405 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?
ক
3
খ
4
গ
5
ঘ
6
সঠিক উত্তর: গ
5
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
5
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো গুণোত্তর ধারার ৪র্থ পদ 135 এবং ৫ম পদ 405 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?
সমাধান: এখানে ৪র্থ পদ = 135 ৫ম পদ = 405
সাধারণ অনুপাত, r = 405/135 = 3 ধারাটির প্রথম পদ = a ৪র্থ পদ = ar4 -1 = 135 a33 = 135 27a = 135 a = 135/27 a = 5
৫৮.
FLOOD শব্দের সবগুলো অক্ষর একত্রে নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?
ক
120
খ
100
গ
60
ঘ
45
সঠিক উত্তর: গ
60
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
60
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: FLOOD শব্দের সবগুলো অক্ষর একত্রে নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?
সমাধান: FLOOD শব্দে মোট 5 টি অক্ষর আছে, যাদের 2 টি O, বাকিগুলো ভিন্ন ভিন্ন। সুতরাং সবগুলো অক্ষর একত্রে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা = 5!/2! = 60
৫৯.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
Collaboration
খ
Collaberation
গ
Colaberation
ঘ
Colaboration
সঠিক উত্তর: ক
Collaboration
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Collaboration
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?
সমাধান: •এখানে সঠিক উত্তর হচ্ছে- Collaboration.
English Meaning: The situation of two or more people working together to create or achieve the same thing. Bangla Meaning: সহযোগিতা, সহযোগীরূপে কাজ করা।
Example: He wrote a book in collaboration with his son.
Source: Cambridge Dictionary.
৬০.
A, A, B, C, E, H, .......... ধারার পরবর্তী বর্ণ কোনটি?
ক
J
খ
K
গ
L
ঘ
M
সঠিক উত্তর: ঘ
M
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
M
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A, A, B, C, E, H, .......... ধারার পরবর্তী বর্ণ কোনটি?
সমাধান:
A, A, B, C, E, H এদের অবস্থান সংখ্যা হলো, 1, 1, 2, 3, 5, 8
এখানে স্পষ্টত যে, পূর্ববর্তী দুটি বর্ণের অবস্থান সংখ্যার যোগফল পরবর্তী বর্ণের অবস্থান সংখ্যার সমান।
সুতরাং, পরবর্তী বর্ণের অবস্থান সংখ্যা হবে 5 + 8 = 13 এবং বর্ণটি হবে M.
৬১.
একটি অনুষ্ঠানে কিছু লোক উপস্থিত ছিল। তারা কেবল একজন মাত্র একজনের সাথে একবার করমর্দন করতে পারে। যদি মোট করমর্দনের সংখ্যা 153টি হয়, তবে মোট কতজন উপস্থিত ছিল?
ক
17 জন
খ
18 জন
গ
19 জন
ঘ
20 জন
সঠিক উত্তর: খ
18 জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
18 জন
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি অনুষ্ঠানে কিছু লোক উপস্থিত ছিল। তারা কেবল একজন মাত্র একজনের সাথে একবার করমর্দন করতে পারে। যদি মোট করমর্দনের সংখ্যা 153টি হয়, তবে মোট কতজন উপস্থিত ছিল?
সমাধান: মনে করি, মোট উপস্থিত = n জন মোট করমর্দন = nC2
অথবা, n + 17 = 0 ∴ n = - 17 যা গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা জনসংখ্যা কখনও ঋণাত্বক হতে পারে না।
∴ মোট উপস্থিত 18 জন।
৬২.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
ক
যোগাযোগ
খ
দোলনচাঁপা
গ
শেষের কবিতা
ঘ
ঘরে-বাইরে
সঠিক উত্তর: খ
দোলনচাঁপা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দোলনচাঁপা
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন??
সমাধান: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস - শেষের কবিতা - চোখের বালি - গোরা - যোগাযোগ - চতুরঙ্গ - ঘরে-বাইরে - চার-অধ্যায় - মালঞ্চ
অন্যদিকে, - দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ। তাই, এটি অপশনের অন্যান্যগুলো থেকে ভিন্ন।
[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।]
৬৩.
প্রদত্ত কোডটি আয়নায় কেমন দেখাবে?
ক
1
খ
2
গ
3
ঘ
4
সঠিক উত্তর: ক
1
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
1
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত কোডটি আয়নায় কেমন দেখাবে?
সমাধান:
৬৪.
২০২৪ সালের পহেলা জানুয়ারি সোমবার হলে ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?
ক
সোমবার
খ
মঙ্গলবার
গ
বুধবার
ঘ
বৃহস্পতিবার
সঠিক উত্তর: ঘ
বৃহস্পতিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বৃহস্পতিবার
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২৪ সালের পহেলা জানুয়ারি সোমবার হলে ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?
সমাধান: অধিবর্ষ বাদে বাকি সব বছরের প্রথম দিন এবং শেষ দিন একই বার হয়। অধিবর্ষ হলে একদিন বাড়তি যোগ করতে হয়।
২০২৪ সাল হলো অধিবর্ষ ২০২৪ সালের পহেলা জানুয়ারি সোমবার হলে বছরের শেষ দিন মঙ্গলবার। ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে বছরের শেষ দিন ও বুধবার। ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি হবে বৃহস্পতিবার।
৬৫.
নিচের চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে?
ক
১০টি
খ
১২টি
গ
৮টি
ঘ
১৪টি
সঠিক উত্তর: ঘ
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১৪টি
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে?
সমাধান:
১টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে ৮টি ২টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (৩৪, ৯১০) আছে ২টি ৩টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (৩৪২, ৭৯১০) আছে ২টি ৬টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (৩৪২৬৭৮, ১২৫৭৯১০) আছে ২টি
মিনার পূর্ব দিকে ২০ মিটার দৌড়ে যাওয়ার পর ডান দিকে ঘুরে আরো ১০ মিটার গেলো। এরপর ডান দিকে ঘুরে ৯ মিটার যাওয়ার পর আবার ডানে ঘুরে ৫ মিটার গেলো। এরপর সে বাঁ দিকে ঘুরে ১২ মিটার যাওয়ার পর শেষবারের মত ডানদিকে ঘুরে ৬ মিটার গেলো। মিনার এখন কোনদিকে মুখ করে আছে?
ক
উত্তর
খ
দক্ষিণ
গ
পূর্ব
ঘ
পশ্চিম
সঠিক উত্তর: ক
উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
উত্তর
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মিনার পূর্ব দিকে ২০ মিটার দৌড়ে যাওয়ার পর ডান দিকে ঘুরে আরো ১০ মিটার গেলো। এরপর ডান দিকে ঘুরে ৯ মিটার যাওয়ার পর আবার ডানে ঘুরে ৫ মিটার গেলো। এরপর সে বাঁ দিকে ঘুরে ১২ মিটার যাওয়ার পর শেষবারের মত ডানদিকে ঘুরে ৬ মিটার গেলো। মিনার এখন কোনদিকে মুখ করে আছে?
সমাধান: উপরের তথ্যের আলোকে পাই,
উপরের চিত্র থেকে বুঝা যাচ্ছে যে সে উত্তর দিকে মুখ করে আছে এখন।
৬৮.
৪ টা ৪০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?
ক
৯০°
খ
১০০°
গ
১১০°
ঘ
১২০°
সঠিক উত্তর: খ
১০০°
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১০০°
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪ টা ৪০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?
সমাধান: মধ্যবর্তী কোণ : = ।(11 M - 60 H)/2।° [এখানে, M = 40 মিনিট, H = 4 ঘণ্টা ] = ।(11 × 40 - 60 × 4)/2।° = ।440 - 240/2।° = ।200/2।° = 100°
৬৯.
মানুষের চোখের শ্বেত মন্ডলের সামনের অংশের নাম-
ক
তারার
খ
কর্নিয়া
গ
রেটিনা
ঘ
আইরিস
সঠিক উত্তর: খ
কর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
কর্নিয়া
খ
ব্যাখ্যা
চোখ: - কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়। - একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক। - গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল। - শ্বেত মন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া। - শ্বেত মন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল। - আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়। - অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। - এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর যে দিক পরিবর্তন হয়, তাকে কী বলে?
ক
স্থানীয় বায়ু
খ
অয়ন বায়ু
গ
মৌসুমী বায়ু
ঘ
প্রত্যয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর: গ
মৌসুমী বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মৌসুমী বায়ু
গ
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু: - মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু। - ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়। - কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: - গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। - দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। - এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। - ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়, কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
'গুগল (Google)' শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল (googol)' থেকে, যা একটি-
ক
ভবনের নাম
খ
বিশেষ সংখ্যার নাম
গ
ডিফারেন্স ইঞ্জিনের প্রজেক্ট
ঘ
ক্যালকুলেটরের নাম
সঠিক উত্তর: খ
বিশেষ সংখ্যার নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বিশেষ সংখ্যার নাম
খ
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google): - ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। - গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। - গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। - গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। - গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। - গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। - গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
[‘গুগল’ (Google) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ‘গুগোল’ (Googol) শব্দ থেকে, যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম। গুগোল হচ্ছে একের পর একশোটি শূন্য (10100) বসানোর মাধ্যমে গঠিত একটি সংখ্যা। এই শব্দটি ১৯৩৮ সালে প্রথম ব্যবহার করা হয় এবং এটি মূলত বিশাল পরিমাণের তথ্য বা সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। গুগল কোম্পানি তাদের সার্চ ইঞ্জিনের জন্য এই নামটি বেছে নেয়, যা ইন্টারনেটে বিশাল পরিমাণ তথ্য খুঁজে বের করার ক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে।]
উৎস: ১. ব্রিটানিকা। ২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭২.
'Cozy Bear' কোন দেশের হ্যাকার গ্রুপ?
ক
রাশিয়া
খ
আপেরিকা
গ
জাপান
ঘ
সুইডেন
সঠিক উত্তর: ক
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রাশিয়া
ক
ব্যাখ্যা
- Cozy Bear এবং Fancy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ। - Cozy Bear এর বিরুদ্ধে করোনাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের ভ্যাক্সিন গবেষণা তথ্যাদি চুরির অভিযোগ রয়েছে। - Fancy Bear হচ্ছে Cozy Bear এর সহযোগী গ্রুপ। - Fancy Bear বা APT28 কে GRU, Russia's military intelligence agency অংশ হিসেবে মনে করা হয়। - মার্কিন নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ওপর সাইবার হামলার সঙ্গে এই গ্রুপের যোগসূত্র রয়েছে। - Parent organization: either FSB or SVR
উৎস: ১. বিবিসি রিপোর্ট। ৩. The Washington post news report. ২. standard.co.uk
৭৩.
সাইবার থেফট বলতে বুঝায়-
ক
ডেটা থেফট
খ
আইডেন্টিটি থেফট
গ
সিস্টেম থেফট
ঘ
ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর: ঘ
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক ও খ উভয়ই
ঘ
ব্যাখ্যা
• সাইবার থেফট বা সাইবার চুরি: - অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি করাই হলো সাইবার চুরি। - সাইবার থেফট দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- ডেটা থেফট (Data Theft) ও আইডেন্টিটি থেফট (Identity Theft)। - অন্যের কম্পিউটার থেকে বিনা অনুমতিতে ডেটা কপি বা আহরণ করাকে ডেটা চুরি বা ডেটা থেফট বলে। - কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে অন্য কোনো কিছু ক্রয় করাকে ব্যক্তি পরিচয় চুরি বা আইডেন্টিটি থেফট বলে।
• আইবিএম: - IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। - IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation. - IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র্যানলেট ফ্লিন্ট। - এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। - পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'। - এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। - IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। - আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার। - আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫.
নিচের কোনটি ফাইবার অপটিক ক্যাবলের অংশ নয়?
ক
কোর
খ
বাফার
গ
ক্ল্যাডিং
ঘ
জ্যাকেট
সঠিক উত্তর: খ
বাফার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বাফার
খ
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল: - অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি। - অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী। - অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়। - ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়। - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে। - ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-
১. কোর - ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে। ২. ক্ল্যাডিং - কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে। ৩. জ্যাকেট - অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৬.
কোন ধরনের ক্লাউড মডেলটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়?
ক
হাইব্রিড ক্লাউড
খ
প্রাইভেট ক্লাউড
গ
কমিউনিটি ক্লাউড
ঘ
পাবলিক ক্লাউড
সঠিক উত্তর: খ
প্রাইভেট ক্লাউড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
প্রাইভেট ক্লাউড
খ
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং: - ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। - ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। - সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১. পাবলিক ক্লাউড: - এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। - সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। - পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.
২. প্রাইভেট ক্লাউড: - এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড: - দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
বর্তমানে (২০২১ সালের পরবর্তীতে) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা কত জন?
ক
৬৭২ জন
খ
৬৭৪ জন
গ
৬২৪ জন
ঘ
৬৭৫ জন
সঠিক উত্তর: ক
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৬৭২ জন
ক
ব্যাখ্যা
• বীরত্বসূচক খেতাব: - বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন। - ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। - এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র। - ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়: - বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, - বীর উত্তম - ৬৮ জন, - বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, - বীর প্রতীক- ৪২৬ জন।
এছাড়াও, তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে। এরা হলেন: - লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী], - লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), - লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), - নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।
বর্তমানে (২০২১ সালের পরবর্তীতে) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন। - বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, - বীর উত্তম - ৬৭ জন, - বীর বিক্রম - ১৭৪ জন, - বীর প্রতীক - ৪২৪ জন।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৭৯.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
ক
সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
খ
গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
গ
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ঘ
সুন্দরবনের গোলপাতা
সঠিক উত্তর: গ
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
গ
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প: - সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও - বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে - • কাগজ শিল্প: - রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
কোন উপজাতি সম্প্রদায় 'ককবরক' ভাষায় কথা বলে?
ক
সাঁওতাল
খ
গারো
গ
ত্রিপুরা
ঘ
হাজং
সঠিক উত্তর: গ
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ত্রিপুরা
গ
ব্যাখ্যা
উপজাতি: - ককবরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা। এর অর্থ মানুষের ভাষা। - এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়। - ককবোরক ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারি ভাষা।
অন্যদিকে, - কুঁড়ুখ ও সাদরি ভাষা : ওঁরাও নৃ-গোষ্ঠী। - মুন্ডারি ভাষা : মুন্ডা নৃ-গোষ্ঠী । - আচিক খুসিক : গারো নৃ-গোষ্ঠী।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮১.
সিমলা ডেপুটেশনে মুসলমান প্রতিনিধিগণ সাক্ষাৎ করেন কার সাথে?
ক
লর্ড মর্লি
খ
লর্ড মিন্টো
গ
লর্ড চেমস ফোর্ড
ঘ
লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর: খ
লর্ড মিন্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
লর্ড মিন্টো
খ
ব্যাখ্যা
সিমলা ডেপুটেশন - সিমলা ডেপুটেশন ছিল ভারতীয় মুসলিমদের একটি প্রতিনিধি দল, যা ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাৎ করে। - এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন আদায় করা। - ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। - মুসলমান নেতারা উপলব্ধি করেন যে, নতুন শাসনতান্ত্রিক সংস্কারে তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা জরুরি। - আলীগড় কলেজের সেক্রেটারি নওয়াব মুহসিন-উল-মুলক এর উদ্যোগে লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। - ১ অক্টোবর, আগা খানের নেতৃত্বে ৩৫ জনের একটি প্রতিনিধি দল লর্ড মিন্টোর সাথে দেখা করে। - প্রতিনিধিদল মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের দাবি সহ বিভিন্ন দাবি পেশ করে। - লর্ড মিন্টো মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের প্রতি সমর্থন জানান। - ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কারে মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করা হয়। - এ উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের সৃষ্টির দিকে পরিচালিত করে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে গঠিত হয়?
ক
১৯৭৫ সালে
খ
১৯৭৬ সালে
গ
১৯৭৭ সালে
ঘ
১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর: গ
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৯৭৭ সালে
গ
ব্যাখ্যা
চা বোর্ড: - বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত। - ১৯৫১ সালে প্রথম পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হয়। - পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। - চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন। - চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৮৩.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে না?
ক
মুন্ডা
খ
মাসাই
গ
কুকি
ঘ
মাহাতো
সঠিক উত্তর: খ
মাসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মাসাই
খ
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: - কেনিয়া ও তানজানিয়ার সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতি - মাসাই। - মুন্ডা, কুকি, মাহাতো ও খিয়াং নৃগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
এছাড়াও, - রাজবংশী উপজাতির বসবাস রংপুর। - বাংলাদেশে মনিপুরী, খাসিয়া উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে। - রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, তনচংগা সহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ। - গারো ও হাজংদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে। - রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে। - সাওতাল - রাজশাহী, রংপুর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা।
৮৪.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে?
ক
এম মনসুর আলী
খ
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
গ
তাজউদ্দীন আহমদ
ঘ
খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর: গ
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
তাজউদ্দীন আহমদ
গ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।
• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি। - সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। - তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। - খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। - এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। - এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮৫.
ওয়াকআউট কী?
ক
সাময়িক সময়ের জন্য স্পিকারের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
খ
সাময়িক সময়ের জন্য চিপ হুইপের ওয়াকআউট
গ
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
ঘ
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের বেইলআউট
সঠিক উত্তর: গ
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
গ
ব্যাখ্যা
• ওয়াকআউট: - জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” বলে। এটি সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসা। এ কারণে ওয়াকআউট হলো একটি বৈপরীত্যকারী সংসদ অধিবেশন।
• ওয়াকআউটের কারণ: সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারের কোনো সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করতে, কোনো সদস্যের অধিকার বিচারে পূর্বসুরে কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, বা স্পীকারের রুলিং বা আদেশে অসন্তোষ প্রকাশ করতে ওয়াকআউট করতে পারেন।
• সরকারি দলের ওয়াকআউট: তবে, সংসদের বৈঠকে সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
• সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট: সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তাদের বিচারের একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত হবে?
ক
৩৩,০০০ মেগাওয়াট
খ
৩০,০০০ মেগাওয়াট
গ
২৮,০০০ মেগাওয়াট
ঘ
২৭,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর: খ
৩০,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩০,০০০ মেগাওয়াট
খ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক: - মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫। - জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। - জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। - মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। - মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। - দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। - দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। - প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। - মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। - মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।
সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮৭.
ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম কে ইংল্যান্ডের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন?
ক
চৌধুরী রহমত আলী
খ
সৈয়দ আমির আলি
গ
সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি
ঘ
নওয়াব আবদুল লতিফ
সঠিক উত্তর: খ
সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সৈয়দ আমির আলি
খ
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী: - সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ সালে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। - ১৮৬৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ এবং ১৮৬৮ সালে বি.এল.ডিগ্রি লাভ করেন। - কর্মজীবনে তিনি প্রেসিডেন্সী কলেজে আইনের অধ্যাপক, প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেট এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে টেগোর অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। - ১৮৯০ সালে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং ১৯০৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন। - তিনি ১৮৭৮-৮৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য এবং ১৮৮৩-৮৫ সাল পর্যন্ত গভর্নরের আইন সভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - 'The Spirit of Islam' এবং 'A History of Saracens' তার রচিত দুটো বিখ্যাত বই। - তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন। - ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ইংল্যান্ডের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন। - ১৯০৪ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং - ১৯২৮সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
ক
বিচারপতি এম ইদ্রিস
খ
এ.কে.এম.নুরুল ইসলাম
গ
বিচারপতি আবু হেনা
ঘ
বিচারপতি এ.টি.এম.মাসুদ
সঠিক উত্তর: ক
বিচারপতি এম ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বিচারপতি এম ইদ্রিস
ক
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: - স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। - সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি। - বিচারপতি এম ইদ্রিসকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়। - নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি তে জয়লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। - প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ। - ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ। - পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
ক
রামমোহন রায়
খ
স্বামী বিবেকানন্দ
গ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ
দ্বারকানাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর: ক
রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রামমোহন রায়
ক
ব্যাখ্যা
সমাজের প্রতিষ্ঠা: - বাংলায় নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহনরায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ব্রাহ্ম সমাজ বা ব্রাহ্ম সভা প্রতিষ্ঠা করেন। - ব্রাহ্ম সমাজ মানে হলো ঈশ্বরের সমাজ। - ব্রাহ্ম সমাজ একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। - রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং পরবর্তীতে তার পুত্র দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম সমাজের হাল ধরেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
কাগমারী সম্মেলন: - ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন। - টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। - প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। - মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন। - ঐ সম্মেলনে তিনি সোহরাওয়ার্দীর বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন। - এ মতবিরোধের কারণে দলে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐ বছর মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থি দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন। - তিনি এ দলের সভাপতি হন এবং এর সেক্রেটারি জেনারেল হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
ক
১২০নং অনুচ্ছেদে
খ
১২১নং অনুচ্ছেদে
গ
১২২নং অনুচ্ছেদে
ঘ
১২৪নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর: খ
১২১নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১২১নং অনুচ্ছেদে
খ
ব্যাখ্যা
সংবিধান: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগ - নির্বাচন অংশে ১২১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিধান বর্ণনা করা হয়। - অনুচ্ছেদ ১২১ নং অনুযায়ী সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।
অন্যদিকে, - অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ। - অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা। - অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২.
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে কোথায় নির্বাসনে দেওয়া হয়?
ক
নবদ্বীপ
খ
আন্দামান দ্বীপ
গ
কার্লিউ দ্বীপ
ঘ
কোনটি নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
কোনটি নয়
ঘ
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ: - দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট। - ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন। - ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়। - তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। - ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন। (এখানে উত্তর কোনটি নয়) - বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
প্রজাতন্ত্র
খ
গণতন্ত্র
গ
সমাজতন্ত্র
ঘ
জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর: ক
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
প্রজাতন্ত্র
ক
ব্যাখ্যা
• প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভূক্ত নয়।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি: - বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। - ৮নং অনুচ্ছেদে ১নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।
• এগুলো হলো: - জাতীয়তাবাদ, - সমাজতন্ত্র, - গণতন্ত্র ও - ধর্মনিরপেক্ষতা।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৪.
বাংলাদেশে 'ফল গবেষণা' কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
ক
ফরিদপুর
খ
রাজশাহী
গ
রংপুর
ঘ
বগুড়া
সঠিক উত্তর: খ
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
রাজশাহী
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে 'ফল গবেষণা' কেন্দ্র রাজশাহীতে অবস্থিত। - বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত রাজশাহীর বিনোদপুরে। - ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। - মসলা গবেষণা কেন্দ্র বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ। - ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর । - ডাল গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদী।
সূত্র: ফল গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, বিনোদপুর, রাজশাহী
৯৫.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিব মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
ক
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
খ
পেরেজ দ্য কুয়েলার
গ
ট্রাইগভে লাই
ঘ
কফি আনান
সঠিক উত্তর: ক
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। - জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে। - ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৬.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
ক
জর্জ ওয়াশিংটন
খ
মার্টিন লুথার কিং
গ
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ঘ
আব্রাহাম লিংকন
সঠিক উত্তর: ঘ
আব্রাহাম লিংকন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আব্রাহাম লিংকন
ঘ
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: - স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে। - যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই। - অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি। - সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই। - পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি। - আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)। - কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ। - যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)। (আগস্ট, ২০২৪) - প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন। - যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স। - যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন। - আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট। - যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৭.
নিচের কোনটি রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা?
ক
CBI
খ
FSB
গ
SIS
ঘ
ISI
সঠিক উত্তর: খ
FSB
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
FSB
খ
ব্যাখ্যা
FSB: - FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti. - এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা। - সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)। - ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) | - ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin - রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৮.
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ২০২৪ এর পদক তালিকায় শীর্ষ দেশ কোনটি? (আগস্ট, ২০২৪)
ক
যুক্তরাষ্ট্র
খ
জাপান
গ
চীন
ঘ
অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর: ক
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
যুক্তরাষ্ট্র
ক
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ২০২৪: - আয়োজক -প্যারিস, ফ্রান্স। - শুরু হবে -২৬ জুলাই-১১ আগস্ট, ২০২৪। - নীতিবাক্য - Games wide open। - ইভেন্ট - ৩২৯ টি।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ: - স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। - স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। - যথা-নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। - তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়। অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com.
১০০.
বাসেল কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
ক
সুইজারল্যান্ড
খ
জার্মানি
গ
যুক্তরাজ্য
ঘ
ফ্রান্স
সঠিক উত্তর: ক
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সুইজারল্যান্ড
ক
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন: - 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন। - বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal. - বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে। - এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে। - 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। - বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।
তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১০১.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার অফিসিয়াল ভাষা নয় কোনটি?
ক
ফ্রেঞ্চ
খ
চীনা
গ
আরবি
ঘ
ইংরেজি
সঠিক উত্তর: খ
চীনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চীনা
খ
ব্যাখ্যা
• চীনা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার অফিসিয়াল ভাষা নয়।
OIC: - ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC. - OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়। - OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (আগস্ট, ২০২৪) - ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়। - দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য। - ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য। - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে। - OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। - OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (আগস্ট, ২০২৪) - মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর। - অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০২.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় -
ক
ফ্রান্স
খ
লুক্সেমবার্গ
গ
পোল্যান্ড
ঘ
নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর: গ
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
পোল্যান্ড
গ
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় পোল্যান্ড।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU): - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। - এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ। - বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস। - বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (আগস্ট, ২০২৪) - সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া। - সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)। - এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।
১০৩.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
ক
পোর্ট অব তিয়ানজিন
খ
পোর্ট অব সাংহাই
গ
পোর্ট অব সিঙ্গাপুর
ঘ
পোর্ট অব বুশান
সঠিক উত্তর: খ
পোর্ট অব সাংহাই
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
পোর্ট অব সাংহাই
খ
ব্যাখ্যা
পোর্ট অব সাংহাই: - পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর হচ্ছে চীনের 'পোর্ট অব সাংহাই'। - ইয়াংজি নদীর মোহনায় এই বন্দর অবস্থিত। - এর আয়তন ৩৬১৯ বর্গ কিলোমিটার। - এটি পরিচালনা করে সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল পোর্ট গ্রুপ (এসআইপিজি)। - ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ জেটিতে রয়েছে ১২৫টি বার্থ (নৌযান ভিড়ানোর স্থান)। - এই বন্দরে মাসে প্রায় দুই হাজার কন্টেইনার জাহাজ আসা-যাওয়া করে। - চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের একচতুর্থাংশ এই বন্দর দিয়েই পরিচালিত হয়।
তথ্যসূত্র - World Shipping Council.
১০৪.
পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রতি ঘন্টায় কত বেগে ঘুরে?
ক
৬৭,০০০ মাইল
খ
৬৮,০০০ মাইল
গ
৬৯,০০০ মাইল
ঘ
৭০,০০০ মাইল
সঠিক উত্তর: ক
৬৭,০০০ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৬৭,০০০ মাইল
ক
ব্যাখ্যা
পৃথিবী: - পৃথিবীর সুর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। - একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। - সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার । - এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার। - পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। - পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ। - পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল (১,০৭,০০০ কিলোমিটার) বেগে প্রতি ঘন্টায় ঘুরতে থাকে। - সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
উৎস: i) NASA (.gov). ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৫.
ভূগোলের কোন শাখা খনিজ ও শক্তিসম্পদ নিয়ে আলোচনা করে?
ক
আঞ্চলিক ভূগোল
খ
অর্থনৈতিক ভূগোল
গ
পরিবেশ ভূগোল
ঘ
ব্যবহারিক ভূগোল
সঠিক উত্তর: খ
অর্থনৈতিক ভূগোল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অর্থনৈতিক ভূগোল
খ
ব্যাখ্যা
মানব ভূগোলের শাখাসমূহ: - আঞ্চলিক ভূগোল, - জনসংখ্যা ভূগোল, - নগর ভূগোল, - অর্থনৈতিক ভূগোল, - পরিবহন ভূগোল, - বাণিজ্যিক ভূগোল, - সাংস্কৃতিক ভূগোল, - পরিবেশ ভূগোল, - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, - বসতি ভূগোল, - ব্যবহারিক ভূগোল।
⇒ অর্থনৈতিক ভূগোল: - পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জীবন ধারণের নিমিত্তে সকল প্রকার অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ, বিকাশ, বিস্তার, বিবর্তন এবং বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে বিচার বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে, তাই অর্থনৈতিক ভূগোল বলবো। - অর্থনৈতিক ভূগোল বিশ্বব্যাপী কৃষি, শিল্প, খনিজ ও শক্তিসম্পদ প্রভৃতি উৎপাদন, উৎপাদনের ভৌগোলিক নিয়ামক ও বণ্টন প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করে। - এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্য প্রভৃতির ব্যাখ্যাও অর্থনৈতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
কাকে ভূগোলের জনক বলা হয়?
ক
এরাটোস্থেনিস
খ
থ্যালিস
গ
হার্বাট স্পেন্সর
ঘ
ফ্রেডরিক র্যাটজেল
সঠিক উত্তর: ক
এরাটোস্থেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
এরাটোস্থেনিস
ক
ব্যাখ্যা
এরাটোস্থেনিস: - এরাটোস্থেনিস ছিলেন একজন গণিতবিদ, ভূতত্ত্ববিদ, জ্যোতির্বিদ এবং একাধারে একজন সফল কবি। - এরাটোস্থেনিস সেই ব্যক্তি, যিনি পৃথিবীকে গোলাকার কল্পনা করে এর আকার পরিমাপের চেষ্টা করেছিলেন। - তিনি পৃথিবীর বিষুব রেখার সাথে এর ঘূর্ণন অক্ষের ঢাল, মোটামুটি সঠিকভাবে নির্ণয় করেছিলেন। - তিনি প্রথম অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ সহ মানচিত্র এঁকেছিলেন। - গ্রীক শব্দ ‘জিও’ অর্থ পৃথিবী এবং ‘গ্রাফি’ অর্থ ‘শাস্ত্র’ থেকে তিনি ‘জিওগ্রাফি’ শব্দের প্রচলন করেন, যা আজও বিজ্ঞানের একটি অনন্য শাখার নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - তাই তাকেই বলা হয় ভূগোলের জনক।
অন্যদিকে, - সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক: হার্বাট স্পেন্সর। - বিজ্ঞানের জনক: থ্যালিস। - মানব ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রেডরিক র্যাটজেল।
উৎস: Britannica.
১০৭.
গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত দ্রাঘিমা রেখাটি মূল মধ্যরেখা হিসেবে চিহ্নিত হয় -
ক
১৮৮২ সালে
খ
১৮৮৪ সালে
গ
১৯৮২ সালে
ঘ
১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর: খ
১৮৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৮৮৪ সালে
খ
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian): - মূল মধ্যরেখা প্রকৃতপক্ষে লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত এক দ্রাঘিমা রেখা। - ১৮৮৪ সালে এই দ্রাঘিমা রেখাকে মূলমধ্য রেখা হিসেবে স্থির করে এই রেখার পূর্ব ও পশ্চিমে অন্য দ্রাঘিমা রেখাগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়।
উল্লেখ্য, - গ্রীনিচ মান মন্দির বরাবর যে কল্পিত দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে সেটির মান (০°) ধরা হয়। - প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়। - গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। - গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে প্রশাসন _________ নিমজ্জিত হয়।
ক
মূল্যবোধে
খ
ব্যর্থতায়
গ
অনাচারে
ঘ
দুর্নীতিতে
সঠিক উত্তর: ঘ
দুর্নীতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দুর্নীতিতে
ঘ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি: - দুর্নীতি হলো 'নীতি' বহির্ভূত কাজ। - যেসব কাজ মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচয় বহন এবং সামাজিক জীবনে শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে সমাজের সংহতি ও সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট করে তাকে দুর্নীতি বলে। - দুর্নীতি রাষ্টীয় তথা জাতীয় জীবনের জন্য অভিশাপ।
⇒ বাংলাদেশে দুর্নীতির প্রধান ক্ষেত্রসমূহ: - দেশে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সমীক্ষায় বাংলাদেশ পর পর পাঁচবার দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান দখল করেছে। - বাংলাদেশের যে ক্ষেত্রে দুর্নীতি অধিক হারে ঘটে থাকে সেগুলো হচ্ছে - ১. রাজনৈতিক; ২. প্রশাসনিক; ৩. সেবা খাত: স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা, পুলিশি সেবা, বিচার বিভাগ, শিক্ষা; ৪. অর্থনৈতিক ক্ষেত্র: উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শুল্ক, কর ও ভ্যাট, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন; ৫. বেসরকারি ও অন্যান্য ক্ষেত্র।
⇔ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনাবদিহিতার অভাব: - গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে প্রশাসনযন্ত্র দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। - এক্ষেত্রে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে অনৈতিক কাজ করা, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসনকে যথেচ্ছা ব্যবহার করে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করা হয়। - এতে দেশের বৃহৎ স্বার্থ উপেক্ষিত থাকে। দুর্বল, দরিদ্র ও অসহায় মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
সদ্গুণ: - ইংরেজিতে যাকে Virtue বলে বাংলায় তাকেই আমরা সদ্গুণ বলি। - Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা। - এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদ্গুণ বলা হয়।
⇒ অ্যারিস্টটলের মতে এই সদ্গুণগুলো অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত হয় এবং কম বেশি স্থায়ী মেজাজের রূপ নেয়। - তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক সদ্গুণ এবং নৈতিক সদগুণের মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন। - নৈতিক সদ্গুণের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, সময় এবং সমাজভেদে এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ভিন্ন হতে পারে। - অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত পুস্তক 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' এ সদ্গুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।
⇒ প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন। - এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়। - এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন। - তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।
উল্লেখ্য, - এটা স্পষ্ট যে, এই নীতি গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে যে সদ্গুণের সৃষ্টি হয় তা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য সকল কিছুর বেলায়ই সকল কাজকর্মে একজন ব্যক্তিকে একই নীতি অনুসরণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করতে অনুপ্রাণিত করে। - আর এভাবেই মনুষ্য-সমাজের বাইরেও নৈতিকতা বিস্তৃত হয়।
উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
দুর্নীতি ও আয়কর ফাঁকি কোন ধরনের অপরাধ?
ক
ফৌজদারি অপরাধ
খ
সংগঠিত অপরাধ
গ
ভদ্রবেশী অপরাধ
ঘ
আত্মবিনাশ অপরাধ
সঠিক উত্তর: গ
ভদ্রবেশী অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ভদ্রবেশী অপরাধ
গ
ব্যাখ্যা
অপরাধ: - অপরাধ বলতে বুঝায় গোষ্ঠীগত রীতিনীতির পরিপন্থী কোনো আচার-আচরণ। - অর্থাৎ রাষ্ট্র বা আইন কর্তৃক অননুমোদিত কাজ হচ্ছে অপরাধ। - সাধারণত অপরাধের দু'টি দিক রয়েছে - (ক) সামাজিক: সমাজের বিধিবহির্ভূত কাজকে অপরাধ বলা হয়, (খ) আইনগত: এটি রাষ্ট্রীয় আইনের পরিপন্থী আচরণ।
অপরাধের ধরনসমূহ: - সমাজে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। - সমাজবিজ্ঞানী ও অপরাধবিজ্ঞানীরা পাঁচ ধরনের অপরাধের উল্লেখ করেছেন। এগুলো হচ্ছে: ক) কিশোর অপরাধ (Juvenile delinquency), খ) আত্মবিনাশ অপরাধ (Self-destroyed crime), গ) ভদ্রবেশী অপরাধ (White-collar crime), ঘ) সংগঠিত অপরাধ (Organized crime), ঙ) ফৌজদারি অপরাধ (Criminal crime)।
⇒ ভদ্রবেশী অপরাধ: - সাধারণত 'ভদ্রলোকেরা' যে অপরাধ করে তাকে ভদ্রবেশী অপরাধ বলে। - শিক্ষিত, পেশাজীবী এবং সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গই এ ধরনের অপরাধের সাথে বেশি যুক্ত থাকেন। - দায়িত্বে অবহেলা, কাজে ফাঁকি, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, আয়কর ফাঁকি, জালিয়াতি, প্রতারণা, তহবিল তছরূপ, মিথ্যা সাক্ষ্যদান, ট্রেডমার্ক বা বইয়ের পাণ্ডুলিপি চুরি বা নকল করা ইত্যাদি ভদ্রবেশী অপরাধ বলে পরিগণিত।
মূল্যবোধ: - যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে, তাকেই আমরা সাধারণত মূল্যবোধ বলে। মূল্যবোধ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এগুলো নিম্নরূপঃ
⇒ ধর্মীয় মূল্যবোধ: - যে সব ধর্মীয় অনুশাসন, আচার-আচরণ ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে ধর্মীয় মূল্যবোধ বলে। - সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, অপরের ধর্মমতকে সহ্য করা, অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মকর্ম ও ধর্ম প্রচারে বাধা না দেয়া, রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ কোনো ধর্মকে শ্রেষ্ঠ ভাবা এবং সেভাবে বিশেষ কোনো সুযোগ-সুবিধা প্ৰদান না করাই হলো ধর্মীয় মূল্যবোধ।
⇒ নৈতিক মূল্যবোধ: - নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস। - নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে। - সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে। - শিশু তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
⇒ আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ: - মানুষের কিছু আধ্যাত্মিক বা আত্মিক মূল্যবোধ রয়েছে। - এজন্যই মানুষ ভালোভাবে, সৎভাবে বাঁচতে চায়, সৎ থাকতে চায় এবং সৎ মানুষকে পছন্দ করে, মিথ্যেবাদীকে ও অসৎ মানুষকে ঘৃণা করে, ভালো কাজ করতে পারলে মনে মনে স্বস্তি ও তৃপ্তিবোধ করে। - অন্তর্নিহিত আত্মিক শক্তিই (Spiritual Power) মানুষকে এসবে উদ্বুদ্ধ করে। - আত্মিক মূল্যবোধ সহজাত।
⇒ আধুনিক মূল্যবোধ (Modern Values): - সমাজ নিয়ত পরিবর্তনশীল। - আর এ পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেরও পরিবর্তন ঘটে। - এজন্যই অতীতের অনেক মূল্যবোধই এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে। - অতীতে বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল, এখন মানুষ বাল্যবিবাহকে অপছন্দ করে। - রাষ্ট্র আইন করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। - অতীতে হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা, সহমরণ প্রথা প্রচলিত ছিল, বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল। - এগুলো আজ আর নেই। - মূল্যবোধ এজন্যই নৈর্ব্যক্তিক বর্তমানের অনেক মূল্যবোধ একদিন ভবিষ্যতে হয়তো থাকবে না। - গড়ে ওঠবে নতুন মূল্যবোধ।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।