পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: GK – বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের ইতিহাস (ব্রিটিশ শাসন, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ইত্যাদি)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সিরিল জন র‌্যাডক্লিফ কোন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন?
  1. ক) নর্থ ইন্ডিয়া বাউন্ডারি কমিশন
  2. খ) বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন
  3. গ) পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইনের অধীনে সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে ভারতে দুটি সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে।
- কমিশন দুটি হলো ‘বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন’ এবং ‘পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন’।

- ১৯৪৭ সালের ৩ জুন র‌্যাডক্লিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ৮ জুলাই ভারত আসেন।
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন। - তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
সর্বপ্রথম কোন আইনে বাংলায় নতুন আইন সভার বিধান রাখা হয়?
  1. ক) রেগুলেটিং অ্যাক্ট
  2. খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
  3. গ) ভারত শাসন আইন
  4. ঘ) পিটের ইন্ডিয়া অ্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের মাধ্যমে একশ বছরের অবসান ঘটে কোম্পানি শাসনের এবং ব্রিটিশ রাজ এ অঞ্চলের শাসনভার স্বহস্তে তুলে নেয়। 
- এ সময় ভারতবর্ষে ব্রিটেনের অনুকরণে আইন সভার উদ্ভব হয় ধাপে ধাপে।
-  বস্তুত ১৮৫৮ সালের পরবর্তী বিভিন্ন ভারত শাসন আইনের মধ্যেমেই এ দেশে শাসনতান্ত্রিক বিকাশ ঘটে। 
- এ ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের শাসনকার্যের সাথে সংশ্লিষ্ট করা। 
- ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। 
 
================
 
এ আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল :
১. গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদ ৫ জন সাধারণ সদস্য নিয়ে গঠিত হয়।
২. আইন সভা গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদের ৫ জন সাধারণ সদস্য ছাড়াও ন্যূনতম আরো ৬ জন এবং অনধিক ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়। অতিরিক্ত সদস্যগণ গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক দুই বছরের জন্য মনোনীত হন এবং এই সদস্যদের অর্ধেক বেসরকারি সদস্য।
৩. গভর্ণর জেনারেল নির্বাহী ও আইন উভয় পরিষদের সভাপতি।
৪. আইনসভা কর্তৃক পাসকৃত যে কোন বিলে সম্মতি প্রদান, ভেটো প্রদান বা ব্রিটিশ রাণীর জন্য সংরক্ষিত রাখার অধিকার গভর্ণর জেনারেলকে প্রদান করা হয়।
৫. গভর্ণর জেনারেলের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি ঋণ, সেনাবাহিনী, বৈদেশিক সম্পর্ক ইত্যাদি বিষযে কোন বিল আইন সভায় উত্থাপন করা যেত না।
৬. আইন সভার সদস্যগণ আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষযে অংশগ্রহণ ও পরামর্শ দান করতে পারত। তবে কোনরূপ প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না।
৭. এ আইন দ্বারা বোম্বে ও মাদ্রাজের প্রাদেশিক আইন সভা পুনর্গঠনও সম্প্রসারণ করা হয়।
৮. এ আইন দ্বারা বাংলা, পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের জন্য নতুন আইন সভার বিধান করা হয় ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয় -
  1. ক) ১৮৬৯ সালে
  2. খ) ১৮৫৪ সালে
  3. গ) ১৮৯৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬২ সালে
ব্যাখ্যা
- ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল লর্ড ডালহৌসির সময়ে মুম্বাইয়ে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- ডালহৌসির সময়েই ১৮৫৪ সালে হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত বাংলায় প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ভাইসরয় লর্ড এলগিনের সময়ে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতী পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার প্রথম রেলব্যবস্থা চালু হয়।
- জর্জ স্টিফেনসনের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বের প্রথম ইংল্যান্ডে রেলপথ ব্যবস্থা চালু হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
আলীগড় আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোথায়?
  1. ক) পশ্চিম বাংলা
  2. খ) উত্তর ভারতে
  3. গ) পূর্ব বাংলা
  4. ঘ) দক্ষিণ ভারতে
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর ভারতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর ভারতে
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের বিপ্লবের ব্যর্থতা ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে নিরুৎসাহ ও হতাশার সৃষ্টি করে। 
- ইংরেজ শাসনকে মনে প্রাণে গ্রহণ করতে না পারায় এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি অনীহার কারণে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়ে এবং দুঃখ দুর্দশার আবর্তে নিপতিত হয়। 
- মুসলমানদের সেই দুর্যোগময় মুহূর্তে তাদের ত্রাণকর্তারূপে উত্তর ভারতে স্যার সৈয়দ আহমদ খানের আবির্ভাব ঘটে। 
- অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য তিনি উত্তর ভারতে আলীগড়কেন্দ্রিক যে আন্দোলন সৃষ্টি করেন, ইতিহাসে তা ‘আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ ।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪১ সালে
  2. খ) ১৯৪২ সালে
  3. গ) ১৯৪৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯২৩ সালে
  2. খ) ১৯৩৭ সালে
  3. গ) ১৯৩৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনের অধীনে বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে।
- ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনের পর অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
- এই নির্বাচনে কোনো দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের মধ্যে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়। এই কোয়ালিশন মন্ত্রিসভায় ১১ জন সদস্য ছিল।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
হাজী মোহাম্মদ দানেশ কোন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) স্বদেশী আন্দোলন
  2. খ) তেভাগা আন্দোলন
  3. গ) কার্পাস আন্দোলন
  4. ঘ) আইন অমান্য আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) তেভাগা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তেভাগা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
 - হাজী মোহাম্মদ দানেশ তেভাগা আন্দোলনের নেতা হিসেবেই সমধিক পরিচিত।
- হাজী দানেশ ১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কমিউনিস্ট পার্টির অঙ্গসংগঠন কৃষক সমিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং উত্তরবঙ্গে কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করেন।
-  তাঁর নেতৃত্বে দিনাজপুর জেলায় টোল আদায় বন্ধ ও জমিদারি উচ্ছেদের দাবিতে কৃষক আন্দোলন জোরদার হয়। 
- আন্দোলনকালে তিনি গ্রেফতার হন এবং কারাভোগ করেন (১৯৩৮)। 
 
==========
 
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন। ১৯৪৬-৪৭ এবং ১৯৪৮-৫০ দুই দফায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলনে দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- এই আন্দোলন কৃষকসভার কমিউনিস্টদের মাধ্যমে রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় সংঘটিত হয়।
- নাচোলের রানী ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের একজন নেত্রী।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া, এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী। 
 
.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' নিম্নের কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) সিপাহী বিদ্রোহ
  3. গ) বঙ্গভঙ্গ
  4. ঘ) ভারতছাড় আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- 'বাহাদুর শাহ পার্ক' এর পূর্বনাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। 
- ইহা সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। 
- পুরানো ঢাকা এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। 
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। 
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। 
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। 
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
উৎস : ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট