পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ৮ ও ৯) [Live Class – 12 to 15]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি নদ?
  1. ভৈরব
  2. আড়িয়াল খাঁ
  3. সিন্ধু
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
‘নদ’ আর ‘নদী’ 
- ‘নদ’ আর ‘নদী’ পার্থক্য শুধুমাত্র ব্যাকরণগত।
- যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক তারা নদ।
- যেমন - ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, কুমার, দুধকুমার, ভৈরব, আড়িয়াল খাঁ, সিন্ধু, নীল, আমাজন প্রভৃতি। 

- আর যে সকল নদীর নাম নারীবাচক তারা নদী।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, গঙ্গা, বুড়িগঙ্গা এইসব নদী।

উল্লেখ্য, 
- শাখানদী থাকা না থাকার উপর ভিত্তি করে নদ ও নদীর পার্থক্য করা হয় না। 
- নদ বা নদী; যাই হোক না কেন,  এইসব জলাধারই নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রানস্বরুপ। তাই এদেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যহত রাখতে নদ-নদী সহ সকল জলাশয়ের পরিবেশ সংরক্ষণে সকলের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আবশ্যক।

তথ্য - ১.নদী ও নারী, হুমায়ূন কবির।
২. বাংলাদেশের নদ এবং নদী, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। লিংক
.
বাংলাদেশে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ -
  1. ১৫.৫৮ শতাংশ
  2. ১৭.৬১ শতাংশ
  3. ১০.৭৪ শতাংশ
  4. ২২.৪২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ

- একটি দেশের মোট আয়তনের তুলনায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৫.৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪ শতাংশ। 
- বাংলাদেশের মোট বনভূমি - ২২.৪২ লক্ষ হেক্টর (৫৫.৪ লক্ষ একর)।
- একক বনভূমি হিসাবে দেশের বৃহত্তম বনভূমি - সুন্দরবন (৬০১৭ বর্গ কিমি)।
- দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল - চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল।

- দিন দিন এদেশে বনভূমির পরিমাণ আশংকাজনক হারে কমছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্বক হুমকি।
- এই থেকে পরিত্রাণে জাতীয় পর্যায়ে রক্ষনাবেক্ষন এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও বৃক্ষরোপন বৃদ্ধি ও বৃক্ষনিধন হ্রাসে আমাদের সচেতন হতে হবে।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
বর্তমান বিশ্বে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বজ্রপাতে মারা যায়?
  1. নরওয়েতে
  2. বাংলাদেশে
  3. ভারতে
  4. চীনে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাংলাদেশ 
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার ঘোষিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ আছে ১৩ টি।
- ১৭ মে, ২০১৬ সালে দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।  
- বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ বজ্রপাতে মারা যায় বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা।
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে বন্যা দেখা যায়।

অন্যদিকে,
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সংঘটিত সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য দুর্যোগ হলো ঘূর্ণিঝড়।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট , দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
.
পদ্মা নদী কোন জেলায় মেঘনার সাথে মিলিত হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. শরিয়তপুর
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারিপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা-মেঘনা মিলনস্থল
- পদ্মা বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ - ৩৪১ কিলোমিটার।
-  হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদী গঙ্গা নামে ভারতে প্রবাহিত হয়।
- গঙ্গা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করে পদ্মা নামে পরিচিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে।
- পদ্মা চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে  কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৪৪ কিমি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নির্দেশ করে ।

- রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মা-যমুনা মিলিত হয়ে পদ্মা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়।
- এই প্রবাহ শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ এর নিকট এসে মেঘনা নদীতে মিশে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে প্রবাহিত হয়।
- পদ্মা-মেঘনা মোহনার পদ্মা অংশ শরিয়তপুর এবং মেঘনা অংশ চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত।
- তাই বলা যায়, পদ্মা শরিয়তপুরে এসে মেঘনায় মিশেছে আর মেঘনা চাঁদপুরে এসে পদ্মায় মিলেছে।

- কীর্তিনাশা পদ্মার আরেক নাম।
- মধুমতি, ভৈরব, কপোতাক্ষ , ইছামতি, কালিগঙ্গা ইত্যাদি পদ্মার শাখা নদ ও নদী।

উল্লেখ্য, 
- দিন দিন পদ্মা ছোট হয়ে আসছে। একই সাথে দূষিতও হচ্ছে।
- এদেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যহত রাখতে পদ্মা নদী সহ সকল জলাশয়ের পরিবেশ সংরক্ষণে সকলের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আবশ্যক।

তথ্যসূত্র - ১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি), 
২. বাংলাদেশের নদ এবং নদী, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। লিংক
.
কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ইক্ষু
  2. তেলবীজ
  3. ফুল
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধাণ দেশ।
- এই দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৪৩.৮৯% কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- জিডিপি তে কৃষিখাতের অবদান - ১১.০২%।

- বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. খাদ্যশস্য  - চাল, ডাল, গম, তেলবীজ, সবজি, ফলমূল প্রভৃতি।
২. অর্থকরী ফসল - পাট, চা, ইক্ষু, তামাক, ফুল প্রভৃতি।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি),
২. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশ অতিক্রম করে -
  1. পূর্ব-পশ্চিম বরাবর
  2. উত্তর- দক্ষিণ বরাবর
  3. দক্ষিণ-পূর্ব বরাবর
  4. উত্তর- পশ্চিম বরাবর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু
- বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর কর্কটক্রান্তি রেখা চলে গেছে।
-এই জন্য বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তিয় মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- এই জলবায়ুর বৈশিষ্ট হচ্ছে ঋতুবৈচিত্র ।
- বাংলাদেশে এপ্রিল উষ্ণতম মাস এবং জানুয়ারি শীতলতম মাস ।
- এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেমি ।
- বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬º সেলসিয়াস ।

- মৌসুমি বায়ূপ্রবাহ , বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে । যথা-
১. গ্রীষ্মকাল,
২. বর্ষাকাল, 
৩. শীতকাল।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি)।
.
কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশী নদ-নদী প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
নদ-নদী ও বাংলাদেশ
- নদীমাতৃক বাংলাদেশে জালের মত ছড়িয়ে আছে ১০০৮ টি নদী। 
- এই দেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রবাহকে মানবদেহের প্রাণস্বরূপ রক্ত সংবহনতন্ত্রের সাথে তুলনা করা যায়।
- পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বাংলাদেশের ৩টি প্রধান নদী।

- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - ঢাকা বিভাগে।
- এই বিভাগে নদীর সংখ্যা - ২২২ টি।
- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - সুনামগঞ্জ জেলায়(৯৭টি)।

- সবচেয়ে বেশী জেলায় প্রবাহিত হচ্ছে - পদ্মা (১২টি)।
- সবচেয়ে বেশী উপজেলায় প্রবাহিত হচ্ছে - মেঘনা (৩৬টি)।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের নদ এবং নদী, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। লিংক
.
বাংলাদেশে কত প্রকার পাট চাষ হয়?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পাটচাষ
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- নদী অববাহিকায় পলিযুক্ত দোআঁশ মাটিতে পাট ভালো হয়।
- পাটচাষের জন্য ২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি গড় বৃষ্টিপাত প্রয়োজনীয়।
- বাংলাদেশে দুই ধরণের পাট দেখা যায়। যথা - ১. দেশী পাট ও ২. তোষা পাট।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. খাদ্যশস্য  - চাল, ডাল, গম, তেলবীজ, সবজি, ফলমূল প্রভৃতি।
২. অর্থকরী ফসল - পাট, চা, ইক্ষু, তামাক, ফুল প্রভৃতি।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি)।
.
কোন নদীর তীরে বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর অবস্থিত?
  1. মেঘনা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. শীতলক্ষ্যা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীবন্দর
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৬ টি নদীবন্দর রয়েছে।
- সর্বশেষ তিনটি নদী বন্দর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে একই দিনে পৃথক পৃথক তিনটি গেজেট আকারে প্রকাশ পায়।
- এগুলো হলো
১. সুলতানগঞ্জ(গোদাগাড়ী) নদী বন্দর, রাজশাহী,
২.নরসিংহপুর আলুবাজার নদী বন্দর, শরিয়তপুর এবং
৩.বাঞ্ছারামপুর (কড়ইকান্দি) নদী বন্দর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর নারায়ণগঞ্জ জেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে এবং নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের এককালীন বিখ্যাত মসলিন শিল্প শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- বর্তমানেও নদীর উভয় তীরে প্রচুর পরিমাণে ভারি শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। ১১০ কিমি দৈর্ঘ্যের এই
- শীতলক্ষ্যা তার পানির স্বচ্ছতা এবং শীতলতার জন্য একদা বিখ্যাত ছিল।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাংলাপিডিয়া।
১০.
দুর্যোগের আগাম বার্তা জানার জন্য টোল ফ্রি নম্বর কোনটি?
  1. ১০৯০
  2. ১৬১০৮
  3. ১০৬
  4. ১০৯
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বাংলাদেশ 
- বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাফল্যের মূলে রয়েছে স্থানীয়ভাবে বিন্যস্ত শক্তিশালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো।
- জনগুরুত্বপূর্ণ এ কার্যক্রমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ৫২ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল।

- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ক্ষমতাবলে সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করে ।
- এতে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা ও হুশিয়ারি সংকেত হিসেবে সমুদ্রবন্দরের জন্য ১১ টি ও নদী বন্দরের জন্য ৪ টি সংকেত নির্ধারণ করা হয়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ১০৯০(টোল ফ্রি) নম্বরে ডায়াল করে দুর্যোগের আগাম বার্তা পেয়ে জনগণ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
- জলবায়ুর ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি-হ্রাস বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে সরকার ১০০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়ন করেছে। 

- দুর্যোগ ঝুঁকি-হ্রাস ও দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক কার্যক্র মকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক নজরে বাংলাদেশ সরকারের কিছু পদক্ষেপ: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০,
- ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১১,
- মৃতদেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০১৬,
- দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ২০১৯ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দলিল প্রণীত হয়েছে। 

অন্যদিকে, 
- মানবাধিকার কল সেন্টার টোল ফ্রি নম্বর  - ১৬১০৮।
- সরকারি তথ্য ও সেবা টোল ফ্রি নম্বর  - ৩৩৩।
- দুর্নীতি দমন কমিশন টোল ফ্রি নম্বর  - ১০৬।
- নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ টোল ফ্রি নম্বর  - ১০৯। 

তথ্যসূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১১.
কোন নদী বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে ভারতে গিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. আত্রাই
  2. পুনর্ভবা
  3. ট্যাঙ্গন
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী
- বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী - ৫৭টি।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী - ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী - ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।

- বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে ভারতে গিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে - ৩টি নদী।
- এগুলো হল - আত্রাই, পুনর্ভবা এবং ট্যাঙ্গন।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী - ১টি (কুলিখ)।

তথ্যসূত্র - পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১২.
বাংলাদেশে এ যাবৎকাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লার খনি -
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. আটটি
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ কয়লা ও বাংলাদেশ 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় প্রধান খনিজ পদার্থ - কয়লা।
- বাংলাদেশে এ যাবৎকাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লার খনি - পাঁচটি।
- সেগুলোর মধ্যে
১.দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র,
২.জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র,
৩.রংপুর জেলার খালাশপীর কয়লাক্ষেত্র, 
৪. ফুলবাড়ী, দিনাজপুর এবং
৫.দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় অবস্থিত কয়লাক্ষেত্র।

- এই পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রে বর্তমানে মোট ২৬৬৫ মিলিয়ন মে. টন কয়লা মজুদ আছে।

এছাড়াও, 
- পীট কয়লা পাওয়া গেছে-ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, বি-বাড়িয়া, এবং ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ - প্রাকৃতিক গ্যাস।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবি: গ্যাসক্ষেত্র - ২৯ টি। সর্বশেষ ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র, পাবনা।
- সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবি: হয় -১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
-  সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র -তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র - সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।

তথ্যসূত্র - খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১৩.
কখন বাংলাদেশে বর্ষাকাল থাকে?
  1. মাঘ - বৈশাখ
  2. পৌষ - ফাল্গুন
  3. জ্যৈষ্ঠ - কার্তিক
  4. কার্তিক - পৌষ
ব্যাখ্যা
বর্ষাকাল:
- গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
- জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষাকাল শুরু হয়ে যায়।
- বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।

উল্লেখ্য, 
- বর্ষাকালে সূর্য বাংলাদেশে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- কিন্তু আকাশে মেঘ থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, ফলে এ সময় অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় না।
- গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস।
- বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে।
- এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১৪.
কত সালে যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়?
  1. ১৭৬২ সালে
  2. ১৭৬৭ সালে
  3. ১৭৮২ সালে
  4. ১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
যমুনা-ব্রহ্মপুত্র ধারা 
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের তথা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ জলধারা।
- ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্নধারা যমুনা নামে পরিচিত।
- ১৭৬২ সালের ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র থেকে একটি শীর্ণকায় শাখা প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদের এই শাখাই ১২ জুন, ১৭৮৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও বন্যার ফলে স্ফীত হয়ে আজকের যমুনা নদীতে পরিণত হয়েছিল।
- ৮.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ এর তলদেশ‌ উত্থিত হ‌ওয়ার কারণে ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এই নদের প্রধান প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়ে যমুনার দিকে সরে যায়। 
- যমুনা নদী রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের কাছে পদ্মায় মিশেছে।
- ধলেশ্বরী যমুনার শাখানদী, আর ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- আত্রাই, করতোয়া, তিস্তা, ধরলা ইত্যাদি যমুনার উপনদী।

অপরদিকে,
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ধারা ক্ষীণ হয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র – ভূগোল ও পরিবেশ (বাউবি ) , বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি)।