পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন [পরীক্ষা ৭ ও ৮] [ক্লাস ১৪ – ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. Cypher Code
  2. CSS
  3. HTML
  4. Caesar Code
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড  হলো Caesar Code.

• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের’ ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard–DES)

• ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডেটা সাধারণভাবে করা হয়।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ARPANET এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Automated Research Program and Network
  2. Application Resource Planning and Networking
  3. Active Research and Protocol Analysis Network
  4. Advanced Research Projects Agency Network
ব্যাখ্যা

• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network.

• ARPANET:
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ARPANET দিয়ে।
- ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি প্রকল্প শুরু করে, যার নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)।
- এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ দিয়েছিল।
- ARPANET এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ করত, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে।
- এটি মূলত গবেষণা এবং সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি হলেও, ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে।
- তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের জন্ম ও বিকাশের পথ শুরু হয় ARPANET থেকেই।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি ১২৮-বিটের এড্রেস?
  1. IPv4
  2. IPv6
  3. MAC Address
  4. Subnet Mask
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ১২৮-বিটের এড্রেস।

• IP Address:
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

• আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. IPv4 (Internet Protocol Version 4),
২. IPv6 (Internet Protocol Version 6)।

• IPv4:
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

• IPv6:
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. DuckDuckgo
  2. Yandex
  3. Yahoo
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা

Google Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

• বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
- Google,
- Bing,
- Yahoo,
- Yandex,
- DuckDuckGo,
- Baidu ইত্যাদি।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
মডেমের ডিমডুলেটর কী ধরণের কাজ করে থাকে?
  1. ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে
  2. তথ্য মুছে দেয়
  3. অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
  4. ওয়্যারলেস সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে
ব্যাখ্যা

• মডেমের ডিমডুলেটর সাধারণত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• মডেম:
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC - Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে।
- তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
- টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
রিপিটার এর কাজ কী?
  1. অনুবাদ করা
  2. দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্বে প্রেরণ করা
  3. নেটওয়ার্কে ট্রাফিক বৃদ্ধি করা
  4. নেটওয়ার্কে রাউটিং করা
ব্যাখ্যা

রিপিটার এর কাজ দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্বে প্রেরণ করা।

• রিপিটার (Repeater):
- রিপিটার এক ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা দুর্বল সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে গন্তব্যে প্রেরণ করে।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ক্যাবলের মাধমে যুক্ত কম্পিউটারটি যদি দূরে হয়, তাহলে এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ডেটা সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। এ দুর্বল সিগন্যাল বা সংকেতকে সবল করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
- ১৮৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার আগেই একটি রিপিটার ব্যবহার করে সেই সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে দিলে সেটি আরো ১৮৫ মিটার অতিক্রম করতে পারে।

• রিপিটার-এর সুবিধা:
১. নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
২. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বৃদ্ধি না করে ডেটা অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে সামনের দিকে প্রেরণ করা যায়।

• রিপিটার-এর অসুবিধা:
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা রয়েছে।
২. সীমিতসংখ্যক কম্পিউটার যুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি বিগ ব্লু নামে পরিচিত?
  1. Microsoft
  2. Facebook
  3. IBM
  4. Apple
ব্যাখ্যা

IBM বিগ ব্লু নামে পরিচিত।

• IBM:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান (জুন, ২০২৪) নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কোনটি পাবলিক ক্লাউডের উদাহরণ?
  1. AWS
  2. Local Data Center
  3. HPE
  4. FortinCloud
ব্যাখ্যা

AWS (Amazon Web Services) পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, Local Data Center, HPE, FortiCloud হচ্ছে প্রাইভেট ক্লাউড।

- পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ-
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ঢাকা ভাইরাস
  3. ভিয়েনা
  4. নরটন
ব্যাখ্যা

নরটন হচ্ছে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ কোনটি?
  1. হাইব্রিড টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হলো ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
-অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
- এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রাদান করে থাকে।
- এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম
  4. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

জিএসএম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক বেশি, গড়ে প্রায় ২ ওয়াট। যেখানে সিডিএমএ টেকনোলজির ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ২০০ মাইক্রোওয়াট।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।