পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
দীপন তীব্রতার একককে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) cd
  2. খ) ca
  3. গ) ad
  4. ঘ) cc
সঠিক উত্তর:
ক) cd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) cd
ব্যাখ্যা

দীপন তীব্রতা (Luminous intensity)
আমরা বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন প্রকার আলোক উৎস ব্যবহার করি। কোনোটি বেশি আলো দেয়, আবার কোনোটি কম আলো দেয়। একটি উৎস কি পরিমাণ আলো দেয় তার পরিমাণকে বলা হয় দীপন উৎসের তীব্রতা।
অর্থাৎ উৎসের দীপন তীব্রতা বলতে বুঝায় এটি প্রতি সেকেন্ডে কি পরিমাণ আলো দেয় বা এ থেকে কি পরিমাণ আলোক শক্তি নির্গত হয়।
একটি বিন্দু উৎস থেকে নির্দিষ্ট দিকে, প্রতি সেকেন্ডে একক ঘনকোণে যে পরিমাণ আলোক নির্গত হয় তাকে ঐ উৎসের দীপন তীব্রতা বলে। এর সংকেত I.
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা (cd)।

আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ১৯৮৯ সালে ক্যান্ডেলার নিম্নরূপ সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়েছে।
এক ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে  540 × 1012  হার্জ কম্পাঙ্কের এক বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে 1/683 ওয়াট।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) গ্যালিলিও
  2. খ) আর্কিমিডিস
  3. গ) হ্যান্স লিপারহে
  4. ঘ) আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

১৬১০ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও প্রথম জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন এবং এর সাহায্যে বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ এবং চাঁদের পিঠে পাহাড় আবিষ্কার করেন।
সূত্র: উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, শাহজাহান তপন

.
পরিমাপের মৌলিক রাশি কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা

যে সকল রাশি পরিমাপের জন্য অন্য রাশির সাহায্য দরকার হয় না বা অন্য রাশি পরিমাপের জন্য যে রাশিগুলাে দরকার হয় সেইসব রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
মৌলিক রাশি সাতটি।
যথাঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ এবং দীপন তীব্রতা।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
কোনটি ধনাত্মক আধানযুক্ত?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটন
ব্যাখ্যা

প্রোটন একটি মৌলিক কণিকা। এটি স্থিতিশীল। প্রোটনের আধান ধনাত্মক।
ইলেকট্রন একটি অধঃ-পরমাণু মৌলিক কণা যা একটি ঋণাত্মক তড়িৎ আধান বহন করে।
নিউট্রন হল একটি অতিপারমাণবিক কণা, এর কোনও বৈদ্যুতিক আধান নেই এবং এর ভর প্রোটন কণার ভরের চেয়ে সামান্য বেশি।
প্রোটন এবং নিউট্রন মিলে পরমাণুর নিউক্লিয়াস গঠন করে।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

.
অর্ধ-পরিবাহী পদার্থের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) সিলভার
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) জার্মেনিয়াম
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
ব্যাখ্যা

১. পরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়ঃ ১০-৮ Ωm ক্রমের। রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।

২. অপরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে।
যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি।

৩. অর্ধপরিবাহী : যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমনঃ জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ ১০-৪ Ωm থেকে ১০-২ Ωm ক্রমের।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে শব্দের তরঙ্গের কম্পাঙ্ক 20 kHz থেকে বেশি, তাকে কী বলে?
  1. ক) শব্দতর তরঙ্গ
  2. খ) হার্টজ
  3. গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
  4. ঘ) ইনফ্রাসাউন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

20 Hz এর কম কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ তরঙ্গকে বলে - শব্দতর তরঙ্গ বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে।
আবার 20000 Hz বা 20 kHz এর বেশি কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ শব্দকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বা আলট্রাসাউন্ড বলে।
এই দুই ধরনের শব্দই মানুষ শুনতে পায় না।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই।

.
একই রকম প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হয়, তখন কী ধরনের তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?
  1. ক) অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) স্থির তরঙ্গ
  4. ঘ) আড় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

.
বাদুড় কত কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করতে সক্ষম?
  1. ক) 80 kHz
  2. খ) 90 kHz
  3. গ) 100 kHz
  4. ঘ) 120 kHz
সঠিক উত্তর:
গ) 100 kHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 100 kHz
ব্যাখ্যা

বাদুড় ওড়ার সময় শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে। বাদুড়ের তৈরি এই শব্দ আমরা শুনতে পাই না, কারণ শব্দটি আলট্রাসাউন্ড অর্থাৎ আমাদের শােনার বাইরের কম্পাঙ্কের শব্দ।
- বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে।
- বাদুড় এই শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার মাধ্যমে অন্ধকারে চলাফেরা করে।

উৎসঃ বিজ্ঞান - ৮ম শ্রেণি

.
৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ৩০ দিন জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ক) ৬ ইউনিট
  2. খ) ৭ ইউনিট
  3. গ) ৮ ইউনিট
  4. ঘ) ৯ ইউনিট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ ইউনিট
ব্যাখ্যা

৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব (P = ৬০W) প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ৩০ দিন (t=30 x 5 hour) জ্বললে তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে-
আমরা জানি, ব্যয়িত শক্তি
= (P x t) / ১০০০ ইউনিট
= ৬০x(৩০ x ৫) / ১০০০ ইউনিট
= ৯ ইউনিট.

উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

১০.
বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ভোল্টমিটার
  2. খ) থার্মোমিটার
  3. গ) পটেনশিওমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য অ্যামিটার ব্যবহার করা হয়।

কোন পরিবাহকের যে কোন প্রস্থচ্ছেদ এর মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে।
তড়িৎ প্রবাহ দুই রকম - এসি প্রবাহ এবং ডিসি প্রবাহ |

তড়িৎ প্রবাহের এস আই একক হল অ্যাম্পিয়ার, সংকেত A. এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ মানে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব আধানের চলাচল।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১১.
কার্বনের আইসোটোপ কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

কার্বনের আইসোটোপ তিনটি হল C12 (6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন), C13 (6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন), C14 (6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন)।
আইসোটোপ হলো একই মৌলিক পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু যাদের পারমাণবিক সংখ্যা একই তবে নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। আইসোটোপগুলো পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন।
সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান