পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২০ পার্ট – ১: বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পার্ট – ২: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে) পার্ট-৩: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ (বিশ্বব্যাংক ও IMF বাদে) [FAO, UNESCO, ICAO, IFAD, ILO, IMO, UNIDO, ITU, UNWTO, UPU, WHO, WIPO, WMO] ii) জাতিসংঘের তহবিল ও প্রোগ্রাম [UNDP, UNEP, UNFPA, UNICEF, WFP, UN-HABITAT] iii) জাতিসংঘ সম্পর্কিত অন্যান্য সংস্থা [IAEA, IOM, CTBTO, UNAIDS, UNHCR, UNRWA, UNIDIR, UNITAR, UN WOMEN, UNSSC, UNU, UNOPS, OPCW, ITC]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
'অমিত ও কেতকী' চরিত্রগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের?
  1. চার অধ্যায়
  2. গোরা
  3. শেষের কবিতা
  4. চোখের বালি
ব্যাখ্যা
‘শেষের কবিতা’ উপন্যাস:
- 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- 'প্রবাসী' পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে।
- এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু হচ্ছে 'কোন পুরুষ বা নারীর পক্ষে এক সঙ্গে দু জনকে অবিরোধে ভালবাসা সম্ভব না এবং সে ভালবাসা এক পাত্রসম্পর্কিত ( স্বামী বা স্ত্রী), অপর পাত্র নিঃসম্পর্ক হতে পারে'।
- অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ উপন্যাসের চরিত্র।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

- তার সাহিত্যকর্ম:
উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী, 
- সোনার তরী, 
- চিত্রা, 
- কল্পনা, 
- ক্ষণিকা, 
- গীতাঞ্জলি, 
- বলাকা, 
- পূরবী, 
- পুনশ্চ, 
- পত্রপূট, 
- সেঁজুতি, 
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি। 

নাটক: 
- বিসর্জন, 
- রাজা, 
- ডাকঘর, 
- অচলায়তন, 
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী, 
- তাসের দেশ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'কুঁচবরণ কন্যা' শিশুতোষ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
শিশুতোষগ্রন্থ 'কুঁচবরণ কন্যা' এর রচয়িতা - বন্দে আলী মিয়া।

বন্দে আলী মিয়া:

- সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।
- বন্দে আলী মিয়া কবিতা, উপন্যাস, নাটক, জীবনী, শিশুসাহিত্য প্রভৃতি মাধ্যমে গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর রচনায় বাংলার মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির প্রতিফলন ঘটেছে।
- শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২), প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫) এবং উত্তরা সাহিত্য মজলিস পদক (১৯৭৭) লাভ করেন।
- ১৯৭৯ সালের ১৭ জুন রাজশাহীতে তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- চোর জামাই,
- মেঘকুমারী,
- ডাইনী বউ,
- রূপকথা,
- মৃগপরী,
- বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা,
- সোনার হরিণ,
- শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা,
- কুঁচবরণ কন্যা,
- সাত রাজ্যের গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা কে?
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা
- 'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা গোবিন্দচন্দ্র দাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

গোবিন্দচন্দ্র দাস:
-  গোবিন্দ চন্দ্র দাস কে ‘স্বভাব কবি’ বলা হয়।
- গোবিন্দচন্দ্র দাস  ১৮৫৫ সালের ১৬ জানুয়ারি  ঢাকা জেলার ভাওয়ালের জয়দেবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- গোবিন্দচন্দ্র দাস ভাওয়ালের কবি হিসেবেও বিখ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথের সমকালে আধুনিক গীতিকবিতার ধারায় কবিতা রচনা করেই গোবিন্দচন্দ্র খ্যাত হন।
- গোবিন্দ চন্দ্র দাস কে ‘স্বভাব কবি’ বলা হয়।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- প্রেম ও ফুল,
- কুঙ্কুম,
- কস্তুরী,
- চন্দন,
- ফুলরেণু্‌,
- বৈজয়ন্তী,
- শোক ও সান্ত্বনা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' কে সম্পাদনা করেন?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. আহমদ শরীফ
  4. বদরুদ্দীন ওমর
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান':
- আঞ্চলিক ভাষার অভিধান বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার একটি সংকলন গ্রন্থ।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষাসমূহের সংকলন-জাতীয় গ্রন্থ এটিই প্রথম।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন।
- তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভান্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।

তার উল্লেখযোগ্য রচনা কর্ম হলো:
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত।

উৎস: 
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘কুরুক্ষেত্র’ কাব্য রচনা করেন কে ?
  1. বিষ্ণু দে
  2. নুরুল মোমেন
  3. নবীনচন্দ্র সেন
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
• ‘কুরুক্ষেত্র’ কাব্য রচনা করেন - নবীনচন্দ্র সেন।

নবীনচন্দ্র সেন:

- ১৮৪৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি চট্টগ্রাম স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৮৬৩), কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফএ (১৮৬৫) এবং জেনারেল অ্যাসেমবি­জ ইনস্টিটিউশন থেকে বিএ (১৮৬৮) পাস করেন।
- ১৯০৯ সালের ২৩ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। 

তার কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য:
- অবকাশরঞ্জিনী,
- পলাশীর যুদ্ধ,
- রৈবতক,
- কুরুক্ষেত্র,
- প্রভাস, 
- অমৃতাভ ইত্যাদি।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘মুজিব লেনিন ইন্দিরা’ কার লেখা?
  1. রফিক আজাদ
  2. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
• 'মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - নির্মলেন্দু গুণ।

নির্মলেন্দু গুণ: 
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নির্মলেন্দু গুণ এর সম্পূর্ণ নাম ‘নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী’।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে। 
- তাঁকে  ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো -
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- ও বন্ধু আমার,
- চাষাভূষার কাব্য,
- পৃথিবীজোড়া গান,
- দূর হ দুঃশাসন,
- ইসক্রা,
- নেই কেন সেই পাখি,
- মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
- শিয়রে বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনি:
- ভলগার তীরে,
- গীনসবার্গের সঙ্গে,
- আমেরিকায় জুয়া খেলার স্মৃতি,
- ভ্রমি দেশে দেশে।

তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল নির্মিত হয় -
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড। 
- এটা সমুদ্র বন্দর  থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ। 
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
-  সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
আলু চাষের জন্য কোন মাটি সবচেয়ে উপযোগী?
  1. বেলে মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে দো-আঁশ মাটি
  4. এটেল মাটি
ব্যাখ্যা
আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্য -
  1. স্টেপল ফাইবার
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১০.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ মে
  3. ২ মার্চ
  4. ২ মে
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১১.
দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ -
  1. ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর
  4. ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট কৃষি পরিবার/খানা: ১,৬৮,৮১,৭৫৭,
- কৃষি বর্হিভূত পরিবার/খানা: ১,৮৬,৭০,৫৩৯,
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর,
- মোট সেচকৃত জমি: ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর,
- এক ফসলি জমি: ২১.১০ লক্ষ হেক্টর,
- দুই ফসলি জমি: ৪১.২৫ লক্ষ হেক্টর,
- তিন ফসলি জমি: ১৮.৬৭ লক্ষ হেক্টর,
- চার ফসলি জমি: ০.২৩ লক্ষ হেক্টর,
- নিট ফসলি জমি: ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর,
- মোট ফসলি জমি: ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২.
BSEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh Securities and Export Commission
  2. Bangladesh Securities and Exchange Commerce
  3. Bangladesh Securities and Exchange Commission
  4. Bangladesh Sell and Exchange Commission
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। 
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- ডিএসসি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
- সিএসই হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১৩.
একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন কত?
  1. ২.৫ মণ
  2. ৩.০ মণ
  3. ৪.০ মণ
  4. ৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা
কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- জাতীয় রপ্তানি আয়ে পাট খাতের অবস্থান দ্বিতীয়।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষপণ্য এবং পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে।
- বেল অর্থ গাঁট বাধা।
- গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।
- ১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
- ১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
         ii) বাংলা একাডেমী অভিধান।
১৪.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশ (PO-27) বলে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন গঠিত হয়।
- ০১.০৭.১৯৭৬ তারিখে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন একীভূত করে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিএসএফআইসি শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ১৫ টি চিনিকল, ১ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা এবং ২ টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্পোরেশন এর কর্মকান্ড অব্যাহত আছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিদের্শক্রমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের লোকসান কমিয়ে আনার জন্য ২০২০-২০২১ আখ মাড়াই মৌসুম থেকে ১৫ টি চিনিকলের মধ্যে ০৯ টি চিনিকলে আখ মাড়াই অব্যাহত রয়েছে।
- মাড়াই স্থগিতকৃত ৬ টি চিনিকলের আধুনিকীকরণ করে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন।
১৫.
উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম সিমেন্ট প্ল্যান্ট কোনটি?
  1. ক্রাউন সিমেন্ট
  2. শাহ সিমেন্ট
  3. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  4. হোলসিম সিমেন্ট
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট শিল্প:
- সিমেন্ট শিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ)।
- বিএসএমএ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে শাহ সিমেন্ট।
- এটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার টনের বেশি।

অন্যদিকে -
- দ্বিতীয় স্থানে আছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট। কোম্পানিটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- ১৯ হাজার মেট্রিক টনের বেশি দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ক্রাউন সিমেন্ট।

উৎস: ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৬.
Universal Postal Union - এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. বার্ন, সুইজারল্যান্ড
  2. রোম, ইতালি
  3. মন্ট্রিল, কানাডা
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
UPU:
- UPU এর পূর্ণরূপ: Universal Postal Union.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ অক্টোবর, ১৮৭৪ সালে।
- বার্ন চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: বার্ন, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯২টি।

উৎস: UPU ওয়েবসাইট।