পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৩৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন

.
Who is not a Victorian author?
  1. Lord Tennyson
  2. Robert Browning
  3. Alexander Pope
  4. Matthew Arnold
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
ব্যাখ্যা
• Alexander Pope ব্যতীত বাকি তিনজন ভিক্টোরিয়ান যুগের লেখক। 
- Alexander Pope ছিলেন একজন বিখ্যাত Augustan যুগের poet ও satirist.
- Lord Tennyson, Robert Browning, এবং Matthew Arnold — এঁরা সবাই ভিক্টোরিয়ান যুগের লেখক ছিলেন।

• Alexander Pope:
- Alexander Pope was a poet and satirist of the English Augustan period.
- He is the most famous poet of the Augustan Age.
- The Augustan Age is also known/called as the Age of the Pope.
- কারণ এই যুগে অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope, যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
- তিনি 'Mock Heroic Poet' হিসাবেও পরিচিত।
- তিনি সমস্ত Epigrammatic ইংরেজ লেখকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

• Notable works:
- The Rape of the Lock (Famous Mock-Heroic poem),
- The Dunciad (poem),
- An Essay on Criticism (poem),
- An Essay on Man (poem),
- The Dunciad (poem),
- The New Dunciad (poem),
- Windsor-Forest(poem),
- An Epistle to Dr. Arbuthnot (poem),
- Eloisa to Abelard (poem),
- Memoirs of Martinus Scriblerus, etc.

Source: Britannica.
.
'Lady Brett Ashley' is a famous character created by -
  1. Jane Austen
  2. Charles Dickens
  3. G. B. Shaw
  4. Ernest Hemingway
সঠিক উত্তর:
Ernest Hemingway
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা
Lady Brett Ashley হলেন Ernest Hemingway-এর বিখ্যাত উপন্যাস The Sun Also Rises -এর নারী চরিত্র।

• The Sun Also Rises:
- Ernest Hemingway রচিত প্রথম সার্থক বা গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
- প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে। উপন্যাসটির অপর নাম Fiesta. এই নামে এটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরবর্তী সময়ে ‘’Lost Generation’’ বা সেসময়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল তা আঁচ করা যায় এই উপন্যাসটি থেকে।
- কাহিনী স্পেন এবং প্যারিসের বিভিন্ন স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Jake Barnes,
- Lady Brett Ashley,
- Robert Cohn,
- Bill Gorton,
- Mike Campbell,
- Pedro Romero,
- Montoya,
- Frances Clyne, etc.

• Ernest Hemingway:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯৯ সালে আমেরিকার ইলিনয়তে।
- তিনি মূলত: একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Notable works:
Novels:
- The Sun Also Rises,
-  A Farewell to Arms,
- The Old Man and the Sea.

• অন্যদিকে, The Sun Rising হলো John Donne লিখিত একটি কবিতা।
.
Henrik Ibsen was a -
  1. Scottish author
  2. Norwegian author
  3. Russian author
  4. French author
সঠিক উত্তর:
Norwegian author
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Norwegian author
ব্যাখ্যা
• Henrik Ibsen:
- তার পুরো নাম Henrik Johan Ibsen.
- Henrik Ibsen ছিলেন একজন প্রখ্যাত Norwegian নাট্যকার এবং কবি।
- Henrik Ibsen আধুনিক নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He was a major Norwegian playwright of the late 19th century who introduced to the European stage a new order of moral analysis that was placed against a severely realistic middle-class background and developed with economy of action, penetrating dialogue, and rigorous thought.

• Notable Works (plays):
- A Doll’s House,
- An Enemy of the People,
- Ghosts,
- Love’s Comedy,
- The Lady from the Sea,
- The Master Builder,
- The Pretenders,
- The Wild Duck, etc.

Source: Britannica.
.
What is the name of the daughter of King Lear?
  1. Desdemona
  2. Rosalind
  3. Cordelia
  4. Beatrice
সঠিক উত্তর:
Cordelia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cordelia
ব্যাখ্যা
Cordelia - King Lear এর সর্বশেষ কন্যা।

• King Lear

- King Lear is a famous tragedy by William Shakespeare based on the chronicle history of a pre-Roman, Celtic king of Britain.
- 5 acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৬০৫-০৬ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই ট্র্যাজিডিটির প্লট তৈরি হয়েছে ব্রিটেনের এক রাজা এবং তার তিন কন্যার কাহিনী নিয়ে।
- King Lear -এর তিন কন্যা হলো যথাক্রমে -Goneril, Regan এবং Cordelia.

• Summary
- Shakespeare -এর King Lear নাটকের শুরুতে, বৃদ্ধ রাজা তার রাজ্যকে তিন কন্যার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
- তিনি শর্ত দেন যে, যে কন্যা তাকে সবচেয়ে ভালোবাসে এবং সবচেয়ে চাটুকারিতা করে তার উত্তরাধিকারের সবচেয়ে বড় অংশ পাবে।
- Goneril এবং Regan অতিরঞ্জিত প্রশংসা ও মিথ্যা কথা বলে তার মন জয় করার চেষ্টা করে।
- কিন্তু Cordelia রাজাকে সত্যিকারের ভালোবাসলেও, চাটুকারিতায় বিশ্বাস করে না।
- সে সোজাসাপ্টা জানিয়ে দেয় যে সে তার বাবাকে যথার্থ সম্মান ও ভালোবাসা করে, কিন্তু তার বোনদের মতো অতিরিক্ত মিথ্যা প্রশংসা করতে পারবে না।
- এই সত্যবাদিতার জন্য King Lear প্রচণ্ড রেগে যান এবং ক্রোধের বশে Cordelia -কে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করেন এবং রাজ্য থেকে বিতাড়িত করেন।
- এই ঘটনার মাধ্যমে নাটকের মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং এটি King Lear-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য।
- King Lear তার ছোট মেয়ে Cordelia কে ভূল বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় যা পরবর্তীতে King Lear সহ Cordelia -এর জীবনে দুঃখ, গ্লানি ও কষ্ট বয়ে আনে।
- অতঃপর King Lear এবং Cordelia -এর করুণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে ট্র্যাজিডিটির সমাপ্তি ঘটে।

• Important characters of this tragedy:
- King Lear,
- Goneril,
- Regan,
- Cordelia,
- Edmund,
- Edgar, etc.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
.
Famous literary work 'Tom Jones' is a -
  1. novel
  2. play
  3. short story
  4. poem
সঠিক উত্তর:
novel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
novel
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) novel.

• Tom Jones:
- এটি Henry Fielding রচিত novel.
- Tom Jones, in full The History of Tom Jones, a Foundling হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লেখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।
- নায়ক Tom Jones কে পরিত্যাগ করে পালিয়ে যায় তার বাবা মা ।
- অন্যের আশ্রয়ে বড় হয় নায়ক।
- নায়িকা Sophia কে তারা বাবা মা অযোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে ঠিক করলে সে গৃহত্যাগ করে।
- নানা ঘটনা প্রবাহের শেষে নায়ক নায়িকার মিলন হয় ৷

• Henry Fielding:
- He is regarded as the 'Father of Modern English Novel' with Samuel Richardson.
- He is famous for Picaresque Novel.
- His pen name is Captain Hercules Vinegar

• His famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews etc.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.
.
1660-1700 is the time frame of —
  1. The Elizabethan period
  2. The Caroline period
  3. The Age of Sensibility
  4. The Restoration period
সঠিক উত্তর:
The Restoration period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Restoration period
ব্যাখ্যা
• Restoration period:
- ১৬৬০ সালে এই যুগের শুরু এবং ১৭০০ সালে এর সমাপ্তি ঘটে।
- The Restoration Period মূলত The Neo- classical Period এর অন্তর্গত একটি ছোট যুগ।
- This period is called the Restoration Period because in this period, with the Restoration Monarchy, the English literary tradition was restored. 
- John Dryden হচ্ছেন The Restoration Period  এর বিখ্যাত English poet, dramatist and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে এই যুগটিকে the Age of Dryden হিসেবেও ধরা হয়।

• Important Authors from the Restoration period are: 
- Samuel Butler,
- John Bunyan,
- John Dryden,
- William Wycherley,
- William Congreve,
- George Farquhar, etc.

• The Neoclassical Period তিনটি ছোট যুগ বা period নিয়ে গঠিত -
- The Restoration Period (1660-1700)
- The Augustan Age (1702-1745)
- The Age of Sensibility (1745-1785)

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
.
'Aureng-Zebe' was written during —
  1. The Anglo-Saxon period
  2. The Renaissance period
  3. The Victorian period
  4. The Restoration period
সঠিক উত্তর:
The Restoration period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Restoration period
ব্যাখ্যা
‘Aureng-Zebe’ একটি বিখ্যাত নাটক, যেটি লিখেছেন John Dryden, তিনি Restoration period এর একজন লেখক তাই এটি Restoration period এর রচনা।

• Aureng-Zebe: 
- এই নাটকটি রচনা করেন John Dryden.
- এটি একটি Heroic play.
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এবং তার সন্তানদের কাহিনি এই নাটকের উপজীব্য বিষয়।
- It is a tragic play set in the Mughal Empire, focusing on the themes of power, love, and betrayal.

• John Dryden:
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং literary critic.
- তিনি the Restoration Period এর একজন লেখক।

• John Dryden রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্ম সমূহ:
- Absalom and Achitophel,
- Annus Mirabilis,
- Astraea Redu,
- The Essay of Dramatic Poesy.

Source: Britannica.
.
Who is the writer of 'Mansfield Park'?
  1. Jane Austen
  2. George Eliot
  3. Emily Dickinson
  4. Virginia Woolf
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
ব্যাখ্যা
• Mansfield Park:
- এটি Jane Austen রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- এই উপন্যাসটিকে ধরা হয় Jane Austen এর সবচেয়ে সিরিয়াস গুরুগম্ভীর উপন্যাস হিসেবে।

• উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ধরা যায়, Fanny Price নামের এক তরুনীকে।
- কিছুটা অন্তর্মুখী স্বভাবের Fanny Price কে তার পরিবার ধনী আত্মীয় Bertram family এর কাছে পাঠায়।
- কিশোরী Fanny Price এর সাথে সেই পরিবারের অনেকেই রুঢ় আচরণ করে ।
- কিন্তু শেষপর্যন্ত তার অবিচল ব্যক্তিত্ব এবং নৈতিকতায় মুগ্ধ হয়ে পরিবারের সবাই তাকে সমাদরে গ্রহন করে।
- Edmund Bertram এর সাথে বিয়ে হয় Fanny Price এর।

• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815),
-Northanger Abbey,
- Persuasion.

Source: Britannica.
.
Something that cannot be corrected:
  1. Incurable
  2. Incorrigible
  3. Indelible
  4. Infallible
সঠিক উত্তর:
Incorrigible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Incorrigible
ব্যাখ্যা
Answer: Something that cannot be corrected - Incorrigible.

• Incorrigible:
English meaning: (of people and their behavior) impossible to improve or correct.
Bangla meaning: সংশোধনের বা সংষ্কারের অযোগ্য। 

Option,
ক) Incurable: 
English meaning: not able to be cured.
Bangla meaning: চিকিৎসার অসাধ্য।

গ) Indelible:
English meaning: An indelible mark or substance is impossible to remove by washing or in any other way.
Bangla meaning: অনপন্যেয়; অমোচনীয়।

ঘ) Infallible:
English meaning: never wrong, failing, or making a mistake.
Bangla meaning:  অভ্রান্ত; অব্যর্থ।

Source: Cambridge Dictionar.
১০.
Choose the correctly spelled word.
  1. Miniscule
  2. Minuscule
  3. Minuscul
  4. Minuescule
সঠিক উত্তর:
Minuscule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Minuscule
ব্যাখ্যা
• Minuscule:
English meaning: extremely small.
Bangla meaning: অণুমাত্র। 

Example:
- All she gave him to eat was two minuscule pieces of toast.
- Salaries are a minuscule part of the budget.

Source: Cambridge Dictionary.
১১.
If I had wings, I _____ the world for free.
  1. would traveled
  2. had traveled
  3. would have traveled
  4. would travel
সঠিক উত্তর:
would travel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would travel
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী - 
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী ,
Correct sentence: If I had wings, I would travel the world for free.

এখানে had main verb হিসেবে বসেছে।
১২.
If he were stronger, he could reach the top of ____ Mount Everest.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
সঠিক উত্তর:
Zero article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zero article
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী -

• সাধারণত পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।
যেমনঃ The Himalayas, The Vindhyas ইত্যাদি।

- কিন্তু একটিমাত্র পর্বত বা পর্বতশৃঙ্গ এর নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে না।
Correct sentence: If he were stronger, he could reach the top of Mount Everest.

- যেহেতু  Mount Everest একটি মাত্র পর্বতশৃঙ্গের নাম সুতরাং এর পূর্বে কোন article বসবে না।
১৩.
A herd of elephants crossed the river slowly. - here 'herd' is -
  1. Adverb
  2. Adjective
  3. Collective noun
  4. Abstract noun
সঠিক উত্তর:
Collective noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collective noun
ব্যাখ্যা
A herd of elephants crossed the river slowly. - here 'herd' is - Collective noun.

• Herd (Noun):
Meaning: A large group of animals, especially hoofed mammals, that live, feed, or migrate together or are kept together as livestock.
Bangla Meaning: (বিশেষত গবাদিপশুর) দল; পাল।
-  শব্দটি একটা Collective Noun.

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.

- Collective noun এর পূর্বে সংখ্যা বসিয়ে কিংবা এরপর s/es বসিয়ে plural করে এদেরকে common noun এ পরিণত করা হয়।
- যেমন: Three committees drafted proposals for revising the rules. Here 'committees' is a common noun.
- Commmittee (বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; কমিটি; সমিতি) সাধারণত একটি collective noun.
- কিন্তু এর পূর্বে three (সংখ্যা) বসায় এটি common noun এ পরিণত হয়েছে।

• অন্যদিকে, 
- Collective noun এর পূর্বে article বসলেও তা collective noun থাকে, common noun হয় না।
১৪.
Choose the correct sentence.
  1. He was hindered from achieving success by constant distractions.
  2. He was hindered achieving success by constant distractions.
  3. He was hindered of achieving success by constant distractions.
  4. He was hindered to achieve success by constant distractions.
সঠিক উত্তর:
He was hindered from achieving success by constant distractions.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He was hindered from achieving success by constant distractions.
ব্যাখ্যা
• কিছু কিছু verb যেমন - Prohibit, desist, refrain, abstain, exempt, debar, hinder, prevent ইত্যাদি এর পর, preposition from + gerund (verb+ing) ব্যবহৃত হয়।

• যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে 'hinder' রয়েছে, তাই এরপর preposition from + Verb + ing বসবে।

• নিয়মানুযায়ী, Correct sentence: He was hindered from achieving success by constant distractions.

• More Examples; 
- The authorities hindered the protesters from entering the building.
- The weather conditions prevented us from traveling to the island.
- The school exempted students from wearing uniforms on Fridays.
১৫.
He'll be back on Monday. - Here 'back' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা
• He'll be back on Monday. - Here 'back' is - Adverb.

• "He'll be back on Monday" বাক্যটিতে, "back" শব্দটি একটি adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "be" verb কে modify করছে।
- "Back" শব্দটি এই বাক্যে "return" বা "ফিরে আসা" অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Back: [adverb]
English meaning: to or into the place, condition, situation or activity where somebody/something was before.
Bangla meaning: আগের অবস্থান, অবস্থা বা কাজে ফিরে যাওয়া।

Example:
- When is he coming back to work?
- He'll be back on Monday.

Source: Oxford Dictionary.
১৬.
The phrase 'At large' means -
  1. In great detail
  2. Acting on behalf of others
  3. At liberty
  4. In great numbers
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) In great detail ও গ) At liberty. 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
----------------------------- 

• At large (Phrase):
English Meaning: (especially of a criminal or dangerous animal) at liberty; escaped or not yet captured/Freely/ In great detail.
Bangla meaning: মুক্ত বা স্বাধীনভাবে।

Complete sentence: Birds fly at large in the sky.
Bangla Meaning: পাখি মুক্ত/স্বাধীনভাবে আকাশে উড়ে বেড়ায়।

Source: Live MCQ Lecture.

১৭.
It is high time we ____ (act) on the matter.
  1. are acting
  2. could act
  3. have acted
  4. acted
সঠিক উত্তর:
acted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
acted
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: It is high time we acted on the matter. 

• It is time/It is high time:
- It is time/It is high time থাকলে আর এর পর subject বসলে subject - এরপরের verb টি past form হয়।
- তাই বাক্যটির verb হবে acted

• It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form হবে। 
যেমন: It is high time to change our attitude.

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.
১৮.
_____, he lay on the floor groaning.
  1. Having injured
  2. Be injured
  3. Injured
  4. Injuring
সঠিক উত্তর:
Injured
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Injured
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Injured
Complete sentence: Injured he lay on the floor groaning.

বাক্যের অর্থ: আহত হয়ে (হওয়ার পরে), সে  গোঙিয়ে গোঙিয়ে মেঝেতে শোয়ে পড়ল।
• উল্লিখিত বাক্যে, ‍‘after being injured’ অর্থে lay - verb এর adverb of time হিসেবে শূন্যস্থানে injured বসবে।

Context অনুযায়ী এটা Passive Form + Non-finite Verb হওয়া উচিত।

• অন্য অপশনগুলো সঠিক নয় কারণ, 
খ) Injuring - Active Form.
গ) Having injured - Active Form.
ঘ) Be injured - Non-finite এর কোনো Form নয়। (Being injured হলে সঠিক হতো)।
১৯.
What does the phrase "Sine die" mean?
  1. For a short time only
  2. After a long delay
  3. To half-heartedly do something
  4. With no appointed date for resumption
সঠিক উত্তর:
With no appointed date for resumption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
With no appointed date for resumption
ব্যাখ্যা
Answer: With no appointed date for resumption.

• Sine die (Adverb):
English Meaning: without arranging a future date for something.
Bangla Meaning: অনির্দিষ্টকালের জন্য।

Ex:
- The meeting adjourned sine die.
- Proceedings were adjourned sine die.
 
Source: Cambridge Dictionary.
২০.
Sitting by the campfire, we sang songs. Here 'sitting' is -
  1. Finite verb
  2. Gerund
  3. Participle
  4. Both A + B
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা
Sitting by the campfire, we sang songs. Here 'sitting' is -Participle.

• এখানে "sitting" হলো একটি participle।
- "Sitting" এখানে একটি present participle, যা noun বা subject এর গুণ বা অবস্থা বর্ণনা করছে।
- "Sitting" এখানে adjective হিসেবে কাজ করছে এবং subject (we) এর সাথে সম্পর্কিত।

- এই sentence এ 'Sitting' হচ্ছে present participle, যা কোনো tense show করছে না।
- It's used here as a non-finite verb — it's not the main verb of the sentence, but it serves to describe the subject ("we").
- তাই, Sitting একই সঙ্গে Non-finite verb and Participle.

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle হচ্ছে (verb + adjective), সেজন্য কোনো না কোনো noun বা pronoun এর সাথে sub বা obj হিসাবে এর সম্পর্ক থাকে।
২১.
Do whatever makes you happy. The underlined part is an example of -
  1. Noun clause
  2. Relative clause
  3. Adverb clause
  4. Adjective clause
সঠিক উত্তর:
Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun clause
ব্যাখ্যা
• Do whatever makes you happy. The underlined part is an example of - Noun clause.
- এখানে, whatever makes you happy, clause টি do verb এর object হিসেবে noun clause.

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause  বসতে পারে -
1. Subject হিসাবে,
যেমন: What will he do is uncertain.

2. Transitive verb এর object হিসেবে,
যেমন: I believe what you have said.

3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে,
যেমন: The reason is why they are angry.

4. Preposition এর object হিসেবে,
যেমন: Listen to what they say.
২২.
Choose the synonym for the word "Lugubrious":
  1. Mournful
  2. Practical
  3. Confuse
  4. Beneficial
সঠিক উত্তর:
Mournful
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mournful
ব্যাখ্যা
• Lugubrious:
English meaning: sad and serious.
Bangla meaning:  বিষণ্ণ; নিরানন্দ; শোকার্ত।

Options,
ক) Mournful:
- শোকজনক, শোকসূচক।

খ) Practical:
-  কার্যকর, ব্যবহারিক, বাস্বব।

গ) Confuse:
- বিশৃঙ্খলা করা।

ঘ) Beneficial:
- উপকারী,লাভজনক।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym for the word "Lugubrious" - Mournful.

Source: Cambridge Dictionary.
২৩.
Choose the antonym for the word "Pulchritude":
  1. Ugliness
  2. Talkative
  3. Clear
  4. Deplete
সঠিক উত্তর:
Ugliness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ugliness
ব্যাখ্যা
• Pulchritude:
English meaning: beauty, especially a woman's beauty.
Bangla meaning: অত্যন্ত সৌন্দর্য বা মোহনীয় রূপ।

Options,
ক) Ugliness:
- কদর্যতা; কুদর্শনতা; বিরুপতা।

খ) Talkative:
- বাচাল; ফাজিল; ধৃষ্ট; গল্পপ্রিয়।

গ) Clear:
-  স্পষ্ট, স্বচ্ছ।

ঘ) Deplete:
- গ্রাস করা; খালি করা; নিঃশেষিত করা; শূন্য করা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym for the word "Pulchritude" - Ugliness.

Source: Cambridge Dictionary.
২৪.
Which kind of gender is the word 'Lass'?
  1. Masculine gender
  2. Feminine gender
  3. Neuter gender
  4. Common gender
সঠিক উত্তর:
Feminine gender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Feminine gender
ব্যাখ্যা
• Lass:
Meaning: বালিকা; প্রেমিকা।
- এটি Feminine gender.

• এর Masculine form হচ্ছে - Lad.
Meaning: বালক; কিশোর।
২৫.
'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র কোনটি?
  1. কুন্দনন্দিনী
  2. রোহিনী
  3. অচলা
  4. কুমুদিনী
সঠিক উত্তর:
রোহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহিনী
ব্যাখ্যা
• 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাস:
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী রোহিনীকে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়।

• উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- রোহিনী,
- গোবিন্দলাল,
- ভ্রমর।

----------------
তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

অন্যদিকে, 
• রবীন্দ্রনাথের যোগাযোেগ উপন্যাসের চরিত্র- মধুসূদন, কুমোদিনী।
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের চরিত্র- কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।
• সুরেশ, অচলা, 'গৃহদাহ' উপন্যাসের চরিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধ-শত জন্মবার্ষিকী পালিত হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
• বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধ-শত জন্মবার্ষিকী ২০১১ সালের মে মাসে। 

-----------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী।
- ১৯০১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়।' এ বিদ্যালয়ই পরবর্তীকালে 'বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়'-এ রূপলাভ করে।

- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয়। 
- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা কবিতাকে তিনিই প্রথম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রসারিত করেন। বাংলা ছোটগল্পকে তিনিই বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করেন। গীতিকার ও চিত্রশিল্পী হিসেবেও রবীন্দ্রনাথের অবদান অনন্যসাধারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• কবিতা: মানসী, সোনারতরী, চিত্রা, গীতাঞ্জলি, বলাকা, শেষলেখা।

• উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, যোগাযোগ, শেষের কবিতা।

• নাটক: বিসর্জন, রাজা, অচলায়তন, ডাকঘর, রক্তকরবী।

• প্রবন্ধ: আধুনিক সাহিত্য, মানুষের ধর্ম, কালান্তর, সাহিত্যের স্বরূপ।

• আত্মজীবনী: জীবনস্মৃতি, ছেলেবেলা।

উৎস: মাধ্যমিক সাহিত্য পাঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাপিডিয়া এবং BBC NEWS বাংলা (৪ মে ২০১১ রিপোর্টস)।
২৭.
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যের মূল উপজীব্য কী?
  1. ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  2. বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও রীতিনীতি
  3. কারবালা যুদ্ধের করুণ ইতিহাস
  4. ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
ব্যাখ্যা
• 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।

- ফররুখ আহমদ রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যের মূল উপজীব্য হলো- ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। মূলত মুসুমানদের জাগরণের লক্ষ্যে তিনি এ গ্রন্থের কবিতাগুলো লিখেছেন।

- সেজন্য কবি ত্যাগ করেছেন বঙ্গীয় শব্দ ও অনুষঙ্গ, গ্রহণ করেছেন আরব্য উপন্যাস, ইরান- আরবের সংস্কৃতি ও পুরাণকথা।
- 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮.
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী কোন গ্রন্থ রচনার কারণে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন?
  1. স্পেন বিজয় কাব্য
  2. অনল প্রবাহ
  3. স্বজাতি প্রেম
  4. রায়নন্দিনী
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• "অনল প্রবাহ" কাব্য:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।

- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।

- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ভারত ভিক্ষা', 'ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।

- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি। এগুলো হচ্ছে : অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ : ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।

- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন। পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

---------------
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
-স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

উৎস: "অনল প্রবাহ" কাব্য এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
কবি আল মাহমুদের 'সোনালী কাবিন' কবিতাটি কোন ধরনের?
  1. স্বরবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মাত্রাবৃত্ত
  4. চতুর্দশপদী
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশপদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশপদী
ব্যাখ্যা
• 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
- আল মাহমুদের কবি-প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করেছিল 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩) কাব্যগ্রন্থটি।
- সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। 'সোনালী কাবিনে'র কবিতাগুলো রচিত হয় ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে।
- এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে 'সোনালী কাবিন' নামে চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে চতুর্দশপদী ধারার একটি দীর্ঘ কবিতাও অন্তর্ভুক্ত। এটিকে একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থও বলা যেতে পারে।
- পুরো কাব্যগ্রন্থটিতে বঞ্চিতের ক্ষোভ, শ্রমিকের ঘাম, কৃষকের পরিশ্রম গ্রামীণ আবহে উঠে এসেছে।

সোনালী কাবিন
– আল মাহমুদ
সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিনী
যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দু’টি,
আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনকালে সঞ্চয় করিনি
আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি;
ভালোবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্ব্ন,
ছলনা জানিনা বলে আর কোন ব্যবসা শিখিনি;
দেহ দিলে দেহ পাবে, দেহের অধিক মূলধন
আমার তো নেই সখি, যেই পণ্যে অলঙ্কার কিনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'সোনালী কাবিন' কবিতা।
৩০.
"সওগাত" পত্রিকাটি প্রথম কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের
  2. কাজী নজরুল ইসলামের
  3. কাজী আবদুল ওদুদের
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীনের
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের
ব্যাখ্যা
• "সওগাত" পত্রিকা:
- মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সম্পাদনায় "সওগাত" পত্রিকাটি ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- সম্পাদক হিসেবে নাসিরউদ্দীনের উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রতি দায়বদ্ধ একটি উন্নতমানের প্রগতিশীল পত্রিকা প্রকাশ করা। এর প্রমাণস্বরূপ তিনি সওগাতের প্রথম সংখ্যায় সাতটি নীতি ঘোষণা করেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে পত্রিকার প্রথম সংখ্যার প্রথম পৃষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠায় মানকুমারী বসুর একটি করে কবিতা মুদ্রিত হয়।

- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম। তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন 'বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী' নামে একটি ছোট গল্প পাঠান। এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।

সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখকগণ ছিলেন-
- বেগম রোকেয়া,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- আবুল কালাম শামসুদ্দীন,
- আবুল মনসুর আহমদ এবং
- আবুল ফজল।

- এছাড়া, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩১.
বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন কোনটি?
  1. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  2. চর্যাপদ
  3. মনসামঙ্গল
  4. শূন্যপুরাণ
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ / কবিতা সংকলন / গানের সংকলন।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

চর্যাপদের পদ সংখ্যা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর মতে, চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি। তবে সুকুমার সেন মনে করেন পদসংখ্যা ৫১টি।
- উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা: চর্যাপদের সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া যায়। অনুদ্ধারকৃত/বিলুপ্ত পদের সংখ্যা: সাড়ে ৩টি।
- প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ভুসুকুপা রচিত ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। পদটির ৬টি পদ পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।
- এছাড়াও চর্যাপদের ২৪নং (কাহ্নপা রচিত), ২৫নং (তন্ত্রীপা রচিত) এবং ৪৮নং (কুক্কুরীপা রচিত) পদগুলো পাওয়া যায়নি।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
- সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩২.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
  1. একাত্তরের দিনগুলি
  2. চিলেকোঠার সেপাই
  3. অনীল বাগচীর একদিন
  4. যে অরণ্যে আলো নেই
সঠিক উত্তর:
অনীল বাগচীর একদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনীল বাগচীর একদিন
ব্যাখ্যা
• 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে, তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
গল্পের মূল চরিত্র হচ্ছে অনিল বাগচী। পিতা সুরেশ বাগচী ও বোন অতশীকে ছেড়ে সে চাকরিজীবী হিসেবে ঢাকার এক মেচে থাকে। ২৪ বছরের একজন যুবক হওয়া সত্ত্বেও সে অসম্ভব ভীতু ধরনের একটি ছেলে। ভয় পাওয়ার বেশিরভাগ ঘটনাই অহেতুক। যেমন, ঘরে একা থাকা অবস্থায় দরজায় সাধারণ টোকা পড়লেও তার ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। মেচের এক প্রতিবেশী গফুর সাহেবের নিকট হঠাৎ একদিন রুপেশ্বর থেকে একটি খোলা চিঠি আসে। সেই চিঠিতে অনিল বাগচীর জন্যে অপেক্ষা করছিল ভয়াবহ একটি দুঃসংবাদ। গফুর সাহেব পরদিন অনিল বাগচীকে সেই দুঃসংবাদ জানালে হঠাৎ করেই অনিল সাহসী হয়ে উঠে। পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে। পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে। অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

অন্যদিকে, 
• জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ।
• 'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
• “যে অরণ্যে আলো নেই” ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নাটক (১৯৭৪)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
  1. নির্জন স্বাক্ষর
  2. যে আঁধার আলোর অধিক
  3. মাটি আর অশ্রু
  4. ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা
সঠিক উত্তর:
ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা
ব্যাখ্যা
• শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন কবি, সাংবাদিক। তিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- তাঁর ডাক নাম ছিল 'বাচ্চু'। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে লিখতেন।
- আঠারো বছর বয়সে শামসুর রাহমান প্রথম কবিতা লেখা আরম্ভ করেন। প্রথম কবিতা 'উনিশ শ'উনপঞ্চাশ' প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায়।
- শামসুর রাহমান ১৯৫৭ সালে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন ইংরেজী দৈনিক মর্নিং নিউজ-এর সহসম্পাদক হিসেবে।

- ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য, প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে-র প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। কলকাতা থেকে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় তাঁর 'রূপালি স্নান' প্রকাশ করে কবিতার বৃহত্তর বাংলায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। 'রূপালি স্নান' কে বলা যায় শামসুর রাহমানের আগমনী কবিতা।

- তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'রৌদ্র করোটিতে'। কবি তাঁর দ্বিতীয় কাব্যের জন্য আদমজী পুরস্কারে ভূষিত হন। পুরস্কারটি প্রদান করেছিলেন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান। 'হাতির শুঁড়' কবিতায় যাঁর ক্ষমতাগ্রহণকে তিনি ব্যঙ্গ করেছিলেন।

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

-------------------
অন্যদিকে, 
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস: নির্জন স্বাক্ষর। 
• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ: যে আঁধার আলোর অধিক।
• সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস: মাটি আর অশ্রু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
'সংশপ্তক' মহাকাব্যিক উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. শহীদুল্লাহ কায়সার
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লাহ কায়সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লাহ কায়সার
ব্যাখ্যা
• "সংশপ্তক" উপন্যাস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস 'সংশপ্তক' (১৯৬৫)।
- সংশপ্তক কথাটির অর্থ যে সৈনিকেরা জীবনমরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে।
- লেখক এ ধরনের চেতনাকে ধারণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পূর্ববর্তী কাল থেকে বায়ান্নত ভাষা আন্দোলনের পূর্বকাল অবধি বাংলাদেশের সামাজিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও রূপান্তর কে কেন্দ্র করে এই উপন্যাস রচনা করেছেন। তাই একে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা হয়।
- হিন্দু-মুসলিম সম্মিলিত জীবনযাপন, অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ এ উপন্যাসের বর্ণিত বিষয়। বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি প্রাসঙ্গিকভাবে উপন্যাসে এসেছে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- রাবেয়া খাতুন (রাবু),
- জাহেদ,
- সেকেন্দার,
- মালু,
- হুরমতি,
- লেকু,
- রমজান,
- রামদয়াল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য কোনটি?
  1. মধুমালতী
  2. লায়লী মজনু
  3. ইউসুফ-জোলেখা
  4. পদ্মাবতী
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ-জোলেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ-জোলেখা
ব্যাখ্যা
• 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্য:
- 'ইউসুফ-জোলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
- বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
- পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ-জোলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তবে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

অন্যদিকে, 
• 'লায়লী মজনু' দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত। 
• 'মধু মালতী' মুহম্মদ কবির অনুবাদ গ্রন্থ। 
• 'পদ্মাবতী' আলাওল রচিত অনুবাদ কাব্য।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়িা।
৩৬.
'খাই খাই' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. সুকুমার রায়
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
• সুকুমার রায়:
- সুকুমার রায় একজন শিশুসাহিত্যিক। শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

- গল্প: হযবরল।
- গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
- নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

এছাড়া তার অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে-
- অবাক জলপান,
- লক্ষণের শক্তিশেল',
-হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরী,
- ঝালাপালা ও অন্যান্য নাটক এবং
- বহুরূপী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'হ-য-ব-র-ল' গ্রন্থের ভূমিকা।
৩৭.
ইতিহাস-আশ্রিত নাটক কোনটি?
  1. নীলদর্পণ
  2. বিষাদ সিন্ধু
  3. কীর্তিবিলাস
  4. রক্তাক্ত প্রান্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তাক্ত প্রান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তাক্ত প্রান্তর
ব্যাখ্যা
• 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটক:
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- "মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।"- রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি। নাটকে উক্তিটি বলেছেন নবাব সুজাউদ্দৌলা।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- ইব্রাহিম কার্দি,
- জোহরা,
- হিরণবালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক প্রতিবাদমূলক নাটক।
• যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্তের বাংলা মৌলিক/সামাজিক নাটক 'কীর্তিবিলাস'। 
• 'বিষাদ সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ কোনটি?
  1. বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়।
  2. পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?
  3. আমারে নিবা মাঝি লগে?
  4. সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ।
সঠিক উত্তর:
পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?
ব্যাখ্যা
• 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা'। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে।

- এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য 'রোমান্স' বলা যায়। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।

- উপন্যাসে নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে নায়িকা কপালকুণ্ডলা বলেছেন, "পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?" আর এই কথাটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

- বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়।

উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• শ্রীকান্ত উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি- 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়।'
• 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি- "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে।
• হৈমন্তী গল্পের বিখ্যাত সংলাপ- "সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৯.
বাংলা সাহিত্যের রহস্যময় চরিত্র 'হোসেন মিয়া' কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. আলালের ঘরের দুলাল
  2. লালসালু
  3. হাজার বছর ধরে
  4. পদ্মা নদীর মাঝি
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদীর মাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা
• "পদ্মা নদীর মাঝি" উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
- 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের উপজীব্য জেলে জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ। পদ্মা তীরবর্তী ধীবর-জীবন এর মূল কাহিনি।
- কুবের-কপিলা এই দুই প্রধান চরিত্রের আন্তঃ-সম্পর্কও উপন্যাসটির ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' ইংরেজি, রুশ, চীনা, চেক, নরওয়েজিয়া, সুইডিশ প্রভৃতি ভাষায় অনূদিত হয়।

- এ উপন্যাসের রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া। নতুন চরে জীবনের গান শোনাতে আগ্রহী হোসেন একই সঙ্গে নির্মম ও দয়ার্দ্র, সরল ও ক্রুর, শ্রমী ও মাদক ব্যবসায়ী। ভালো-মন্দ, আলো-ছায়ায় ঘেরা হোসেন মিয়া এই উপন্যাসের এক অপরিহার্য চরিত্র। তবে তার রহস্যাবৃত চরিত্রের সন্ধান সকল মাঝির জানার সুযোগ নেই। তাই তিনি নিরীহ মাঝিদের কাছে ত্রাতার ভূমিকায় সম্মানিত।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুবের,
- কপিলা,
- মালা,
- ধনঞ্জয়,
- গণেশ,
- শীতলবাবু,
- হোসেন মিয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪০.
কবি নজরুল রচিত গানের সংকলন কোনটি?
  1. গাঙের পার
  2. মুর্শীদা গান
  3. মহুয়ার গান
  4. গীতবিতান
সঠিক উত্তর:
মহুয়ার গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহুয়ার গান
ব্যাখ্যা
• মহুয়ার গান:
- মহুয়ার গান মন্মথ রায়ের মহুয়া নাটকের জন্য কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গানের সংকলন। 
- ১৫ টি গানে সমৃদ্ধ এই মহুয়ার গান নামীয় নজরুলগীতি গ্রন্থটি ডি এম লাইব্রেরি থেকে ১ জানুয়ারি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
- মোট পৃষ্ঠা ছিল ১৩টি। মূল্য ছিল দুই আনা।

এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গানগুলো হলো:
- কে দিল খোঁপাতে ধুতুরা ফুল লো,
- একডালি ফুলে ওরে সাজাব কেমন করে,
- বউ কথা কও,
- কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে,
- কোথা চাঁদ আমার,
- ফণীর ফণায় জ্বলে মণি,
- মহুল গাছে ফুল ফুটেছে, আজি ঘুম নহে, নিশি জাগরণ,
- খোলো খোলো গো দুয়ার,
- ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান,
- (ওগো) নতুন নেশার আমার এ মদ,
- মোরা ছিনু একেলা, হইনু দুজন,
- ও ভাই আমার এ নাও যাত্রী না লয়,
- আমার গহীন জলে নদী,
- তোমায় কুলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।

অন্যদিকে, 
• জসীম উদ্‌দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। এছাড়াও উনার অন্যান্য গানের সংকলন গুলো হলো- রঙিলা নায়ের মাঝি, গাঙের পার।
• 'গীতবিতান' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমুদয় গানের সংকলন গ্রন্থ।

উৎস: 'মহুয়ার গান' কাজী নজরুল ইসলাম এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১.
'প্রভাতসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. বিহারিলাল চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• 'প্রভাতসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থ:
- প্রভাতসঙ্গীত হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক বাংলা ভাষায় রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- 'প্রভাতসঙ্গীত' (১৮৮৩) একটি কাব্যগ্রন্থ।
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, 'প্রভাতসঙ্গীত আমার অন্তর প্রকৃতির প্রথম বহির্মুখী উচ্ছ্বাস।'
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত কবিতা: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো- 
- আহ্বানসংগীত, 
- প্রভাত-উৎসব, 
- অনন্ত জীবন, 
- অনন্ত মরণ, 
- পুনর্মিলন, 
- প্রতিধ্বনি, 
- মহাস্বপ্ন, 
- সৃষ্টি স্থিতি প্রলয়, 
- স্রোত, 
- চেয়ে থাকা, 
- সাধ, 
- সমাপন, 
- স্নেহ উপহার, 
- শরতে প্রকৃতি। 

উৎস: 'প্রভাতসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থ।
৪২.
কারবর্ণ নয় কোনটি?
  1. ঊ-কার
  2. অ-কার
  3. ঔ-কার
  4. ঋ-কার
সঠিক উত্তর:
অ-কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ-কার
ব্যাখ্যা
• কারবর্ণ নয়- অ-কার।

-----------------
• কারবর্ণ:

স্বরবর্ণের মোট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলোকে কারবর্ণ বলে।
কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়। কোনো ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হশ্চিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি [অ] আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

১০টি কারবর্ণ হলো:
- আ-কার,
- এ-কার,
- ঈ-কার,
- ই-কার,
- উ-কার,
- ঊ-কার,
- ঋ-কার,
- ও-কার,
- ঔ-কার,
- ঐ-কার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
৪৩.
জাতিবাচক বিশেষ্য কোনটি?
  1. পর্বত
  2. মাটি
  3. পানি
  4. খাতা
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
• জাতিবাচক বিশেষ্য:
যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন:
মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, নদী, পর্বত, ইংরেজ ইত্যাদি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
------------------
• বস্তুবাচক বিশেষ্য:
যে পদে কোনো উপাদানবাচক পদার্থের নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন: বই, খাতা, কলম, থালা, বাটি, মাটি, চাল, পানি, চিনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।
৪৪.
উচ্চারণের স্থান অনুসারে দন্তমূলীয় ধ্বনি কোনটি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• দন্তমূলীয় ধ্বনি:
জিভের ডগা ওপরের পাটি দাঁতের মূলকে স্পর্শ করে বাতাসের নির্গম-পথে বাধা সৃষ্টি করলে দন্তমূলীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। যেমন- ন, র, ল দন্তমূলীয় ধ্বনি।
এরূপ- মান, বার, প্রাল। দন্ত্য-ন ধ্বনি উচ্চারণে কোনোক্রমেই দাঁতের স্পর্শ নেই। 'কান' শব্দ উচ্চারণ করলেই তা বুঝতে পারি।

অন্যদিকে, 
• ওষ্ঠ্য ধ্বনি:
যে ধ্বনির উচ্চারণে দুটি ঠোঁট পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বাতাসের নির্গম-পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
যেমন- প, ফ, ব, ভ, ম হলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি। যেমন- তাপ, লাফ, ডাব, সভা, নাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৫.
'চিতসাঁতার' শব্দের শুদ্ধ ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. চিত সাঁতার যে
  2. চিত রূপ সাঁতার
  3. চিতের ন্যায় সাঁতার
  4. চিত যে সাঁতার
সঠিক উত্তর:
চিত যে সাঁতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত যে সাঁতার
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল,
- যা কাঁচা তাই মিঠা = কাঁচা-মিঠা। 

কিছু কর্মধারয় সমাসের সমস্যমান পদে যে' যোজক থাকে।
যেমন:
• খাস যে জমি = খাসজমি;
• চিত যে সাঁতার = চিতসাঁতার;
• ভাজা যে বেগুন = বেগুনভাজা;
• সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ;
• কনক যে চাঁপা = কনকচাপা;
• টাক যে মাথা = টাকমাথা;
• যে চালাক সে চতুর = চালাকচতুর;
• যে শান্ত সে শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
৪৬.
'বায়ু' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. প্রভঞ্জন
  2. কান্তার
  3. বিজুরি
  4. দামিনী
সঠিক উত্তর:
প্রভঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভঞ্জন
ব্যাখ্যা
• প্রভঞ্জন (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- ঝড়ঝাপটা। 
- বায়ু। 
- পবনদেব।

• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

অন্যদিকে,
----------------
• 'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।

• 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

• জ্যোৎস্না শব্দের প্রতিশব্দ: চাঁদিনী, চন্দ্রিমা, কৌমুদী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
৪৭.
'মহৌৎসুক্য' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. মহা + ঊৎসুক্য
  2. মহা + ঔৎসুক্য
  3. মহা + ওৎসুক্য
  4. মহা + উৎসুক্য
সঠিক উত্তর:
মহা + ঔৎসুক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহা + ঔৎসুক্য
ব্যাখ্যা
• স্বরসন্ধির নিয়ম:
প্রথম পদের শেষের অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম ও-ধ্বনি বা ঔ-ধ্বনির যোগে ঔ-ধ্বনি হয়। বানানে তা ঔ-কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:

• সূত্র: আ + ঔ = ঔ:
মহা + ঔৎসুক্য = মহৌৎসুক্য,
মহা + ঔদার্য = মহৌদার্য,
মহা + ঔদাস্য = মহৌদাস্য ইত্যাদি।

• সূত্র: অ + ঔ = ঔ:
পরম + ঔষধ = পরমৌষধ,
চিত্ত + ঔদার্য = চিত্তৌদার্য,
দিব্য + ঔষধ = দিব্যৌষধ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৮.
'গয়ংগচ্ছ' বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. অভাবগ্রস্ত লোক
  2. চাটুকার
  3. বিশিষ্ট ব্যক্তি
  4. ঢিলেমি
সঠিক উত্তর:
ঢিলেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢিলেমি
ব্যাখ্যা
• 'গয়ংগচ্ছ' বাগ্‌ধারার অর্থ - ঢিলেমি।

অন্যদিকে, 
• 'উপোসি ছারপোকা' অর্থ - অভাবগ্রস্ত লোক।
• 'কেউকেটা' অর্থ - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• 'খয়ের খাঁ' অর্থ - চাটুকার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৯.
'প্রকৃষ্ট' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. দুরকৃষ্ট
  2. কুকৃষ্ট
  3. নিকৃষ্ট
  4. সকৃষ্ট
সঠিক উত্তর:
নিকৃষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকৃষ্ট
ব্যাখ্যা
•  'প্রকৃষ্ট' শব্দের অর্থ- উত্তম, প্রশস্ত, শ্রেষ্ট।
• 'নিকৃষ্ট' শব্দের অর্থ- অপকৃষ্ট, খারাপ, জঘন্য, নীচ।

সুতরাং, 'প্রকৃষ্ট' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নিকৃষ্ট।

অন্যদিকে,
• দুরকৃষ্ট, কুকৃষ্ট ও সকৃষ্ট শব্দের বানানগুলো অশুদ্ধ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫০.
শুদ্ধ প্রয়োগ কোনটি?
  1. অর্ধরাত্রি
  2. নিরভিমান
  3. নির্দোষী
  4. পিতাহারা
সঠিক উত্তর:
নিরভিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরভিমান
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ প্রয়োগ- নিরভিমান। 

• কিছু সমাস ঘটিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:

সংস্কৃত ইন্- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ-কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়। যেমন:
- নেই ধন যার = নির্ধন,
- নেই গুণ যার = নির্গুণ,
- নেই পাপ যার = নিষ্পাপ।
[নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।]

কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫১.
সমীভবনের উদাহরণ কোনটি?
  1. লাফ > ফাল
  2. লাল > নাল
  3. মারি > মাইর
  4. কাদনা > কান্না
সঠিক উত্তর:
কাদনা > কান্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাদনা > কান্না
ব্যাখ্যা
• সমীভবন (Assimilation):
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভকরে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
জন্ম > জম্ম;
কাদনা > কান্না ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
------------------------
• ধ্বনি বিপর্যয়:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- পিশাচ > পিচাশ,
- লাফ > ফাল,
- বাক্স > বাস্ক,
- রিকসা > রিস্কা ইত্যাদি।

• বিষমীভবন:
দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
যেমন:
- শরীর > শরীল,
- লাল > নাল ইত্যাদি।

• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন-
- আজি > আইজ,
- সাধু > সাউধ,
- মারি > মাইর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫২.
তৎসম উপসর্গ নয় কোনটি?
  1. দুর
  2. নির
  3. কদ
  4. অব
সঠিক উত্তর:
কদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কদ
ব্যাখ্যা
• তৎসম উপসর্গ নয়- কদ। 
- 'কদ' বাংলা উপসর্গ। 

-----------------
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
- সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
- বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে বাংলা উপসর্গ বলা হয়। বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা:
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৩.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. দিঙ্‌নির্ণয়
  2. তফাত
  3. দিক্‌ভ্রম  
  4. তদনুসারে
সঠিক উত্তর:
দিক্‌ভ্রম  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিক্‌ভ্রম  
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বানান- দিক্‌ভ্রম।   

• শুদ্ধ বানান: দিগ্‌ভ্রম। 
বিশেষ্য পদ। 
সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- দিক নিরূপণে ভ্রান্তি।

• দিঙ্‌নির্ণয়, তফাত ও তদনুসারে শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৪.
'ক্ষত্রিয়' এর শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক্ষত্রিয়ীনি
  2. ক্ষত্রিয়ানী
  3. ক্ষত্রিয়া
  4. ক্ষত্রিয়ী
সঠিক উত্তর:
ক্ষত্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষত্রিয়া
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত স্ত্রী প্রত্যয়:
তৎসম পুরুষবাচক শব্দের পরে আ, ঈ, আনী, নী, ইকা প্রভৃতি প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।

যেমন:
আ-যোগে:
(ক) সাধারণ অর্থে: মৃত-মৃতা, বিবাহিত-বিবাহিতা, মাননীয়-মাননীয়া, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, প্রিয়-প্রিয়া, প্রথম-প্রথমা, চতুর-চতুরা, চপল-চপলা, নবীন-নবীনা, কনিষ্ঠ-কনিষ্ঠা, মলিন-মলিনা ইত্যাদি।
(খ) জাতি বা শ্রেণিবাচক : অজ-অজা, কোকিল-কোকিলা, শিষ্য-শিষ্যা, ক্ষত্রিয়-ক্ষত্রিয়া, শূদ্র-শূদ্রা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৫৫.
হুমায়ুন ও শেরশাহের মধ্যে চৌসার যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১৫৩৯ সালে
  2. ১৫৪৩ সালে
  3. ১৫৭৭ সালে
  4. ১৫৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৫৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
চৌসার যুদ্ধ:
- ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন বিহারের চৌসারে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান নেতা শের খান (পরে শের শাহ সূরি) এর মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে শের খান বিজয়ী হন এবং হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
- এর মাধ্যমে মুঘল শাসনের পতন শুরু হয় এবং সূরি বংশের উত্থান ঘটে।

⇒ সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন।
- কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে যোগদান করেন?
  1. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  2. শেরেবাংলা ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা

আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- তিনি মওলানা ভাসানী হিসেবে পরিচিত।
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।
- ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে যোগদান করেন।

⇒ বাইশ বছর বয়সে কংগ্রেস নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের আদর্শে তিনি অনুপ্রাণিত হন।
- ১৯২৪ সালে সিরাজগঞ্জে তিনি এক সভায় ভাষণ দেন।
- এই ভাষণে তিনি কৃষক সাধারণের ওপর জমিদারদের শোষণ, নিপীড়ন ও অত্যাচারের কাহিনি তুলে ধরেন। 
- আসামের ধুবড়ি জেলার ভাসানচরে তিনি এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশের আয়োজন করেন। এ সভায় তিনি বাঙালি কৃষকদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এই সমাবেশেই সাধারণ কৃষকরা তাঁকে ভাসানচরের মওলানা নাম দেয়। পরে তাঁকে ভাসানী নাম দেয়।
- তখন থেকেই তাঁর পরিচয় হয় মওলানা ভাসানী। 
- মওলানা ভাসানী তাঁর এক ভাষণে বলেছেন, 'আমি খেটে-খাওয়া মানুষের কথা বলি। এই মানুষেরা কাজ করে খেতে-খামারে, কাজ করে কলে-কারখানায়। এরা কৃষক, এরা শ্রমিক। আর এরাই জমিদার, মহাজন, মালিকের জুলুমের শিকার হয়।'
- সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। যুক্তফ্রন্ট এ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়।
- ১৯৫৭ সালে ভাসানী টাঙ্গাইলের কাগমারিতে এক বিশাল আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্মেলন আহ্বান করেন। এ সম্মেলন 'কাগমারি সম্মেলন' নামে খ্যাত। 

উৎস: i) আমার বাংলা বই, পঞ্চম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৭.
দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হবে - [মে, ২০২৫]
  1. ফেনী
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. দিনাজপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বগুড়া সিটি কর্পোরেশন:
- দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে বগুড়া। 
- ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
- স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার জন্য গণবিজ্ঞাপ্তি জারি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও আপত্তি নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ২০২৫ মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
৫৮.
ইলবার্ট বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, কোন পরিবর্তনটি ঘটানো হয়েছিল?
  1. ভারতীয়দের অস্ত্র বহনের অধিকার প্রদান
  2. ভারতীয়দের জন্য পৃথক নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. ভারতীয়দের জন্য উচ্চশিক্ষা বাধ্যতামূলক করা
  4. ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
ব্যাখ্যা
ইলবার্ট বিল:
- লর্ড রিপন তার শাসনামলে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন এবং নতুন নতুন সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- তার শাসনকালীন সময়ের অন্যতম কীর্তি হলো ইলবার্ট বিল নামে একটি আইনের পরিকল্পনা।
- এ বিলের উদ্দেশ্য ছিল বিচার ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয় ও ইউরোপীয়দের মধ্যে যে বৈষম্য ছিল তা দূর করা।
- লর্ড রিপন বিচার বিভাগের বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সচিব ইলবার্টকে একটি বিল প্রণয়নের দায়িত্ব দেন।
- যার কারণে স্যার ইলবার্ট এর নামানুসারে এ বিলটি ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।
- এ বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হয়।
- এ বিলটি ১৮৮৩ সালে পাস হয়।

⇒ লর্ড রিপন ভারতে আসার আগে কোন ভারতীয় বিচারকরা কোন অভিযুক্ত ইংরেজের বিচার করতে পারত না।
- এই বৈষম্য দূর করতে লর্ড রিপনের পরামর্শে তার আইন সচিব ইলবাট একটি বিলের খসড়া রচনা করেন।
- এই খসড়া বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইংরেজ অভিযুক্তের বিচার করার অধিকার দেওয়া হয়।
- এই খসড়া বিলই ইলবার্ট বিল (১৮৮৩) নামে পরিচিত।

⇒ ইলবার্ট বিল বিতর্ক ভারতের বিশেষত বাংলার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- তারা প্রথমবারের মতো নিজেদের অধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তিশালী ও সার্বজনীন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।
- ইলবার্ট বল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথমে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৮৩) এবং পরে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (১৮৮৫) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫৯.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতাবান করা হয়।

চতুর্থ সংশোধনী:

- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা; একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা; রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি অপসারণ পদ্ধতি জটিল করা; সংসদকে একটি ক্ষমতাহীন বিভাগে পরিণত করা; মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার বাতিল করা; বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করা ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাতিল হয়ে যায়।

⇒ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। তবে আইন সভার গৃহীত বিলে ভেটো দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- সাধারণত: রাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি।
- কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জেড ফোর্স নিম্নের কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করেনি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. জামালপুর
  3. কুমিল্লা
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় জেড ফোর্স নিম্নের কুমিল্লায় যুদ্ধ করেনি।

 ব্রিগেড সংগঠন ও অপারেশন:

- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকটা ছিল গেরিলাভিত্তিক কিন্তু এভাবে গেরিলা যুদ্ধ পাকিস্তানি বাহিনীর সুশিক্ষিত সৈন্যদের পদানত করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারছিল না।
- ফলে যুদ্ধ ক্ষেত্রে গতিশীলতা আনয়ন ও মুক্তাঞ্চল গঠনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর গঠন বিন্যাসের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- এপ্রিল মাসে মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
- সম্মুখ সমরের পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সংগে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য তিনটি নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়। এরা হচ্ছে:

⇒ জেড ফোর্স:
- লেঃ কর্নেল জিয়াউর রহমানের নামানুসারে জুলাই ৭১ সনের ৭ই জুলাই গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় জেড ফোর্স।
- এই ফোর্সের অন্তর্ভূক্ত ছিল ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৩ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ২ ফিল্ড ব্যাটারি আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী।
- জুলাই ৭১ থেকে সেপ্টেম্বর ৭১ পর্যন্ত জেড ফোর্স ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও রৌমারী এলাকায় যুদ্ধরত থাকে।
- অক্টোবর থেকে চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত তারা সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এলাকায় যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।
- জেড ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল কামালপুর যুদ্ধ, বাহাদুরাবাদ ঘাট অপারেশন, দেওয়ানগঞ্জ থানা আক্রমণ, নকসী বিওপি আক্রমন, চিলমারীর যুদ্ধ, হাজীপাড়ার যুদ্ধ, ছোটখাল, গোয়াইনঘাট, টেংরাটিলা, গোবিন্দগঞ্জ, লামাকাজি, সালুটিকর বিমানবন্দর, ধলই, ধামাই চা বাগান, জকিগঞ্জ, আলি ময়দান, সিলেট এমসি কলেজ, ভানুগাছা, কানাইঘাট, ফুলতলা চা বাগান, বড়লেখা, লাতু, সাগরনাল চা বাগান, ছাতক ও রাধানগর।

অন্যদিকে,
খ) কে ফোর্স:
- লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফের নামানুসারে সেপ্টেম্বর ৭১ সনে গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় কে ফোর্স। এই ফোর্সের অন্তর্ভূক্ত ছিল ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১০ ইস্ট বেঙ্গলরেজিমেন্ট, ১ ফিল্ড ব্যাটারি (মুজিব ব্যাটারী) আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী। কে ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল দেউশ মন্দভাগ অভিযান, শালদা নদী অভিযান, পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, নিলক্ষ্মীর যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, চাপিলতার যুদ্ধ, কুমিল্লা শহরের যুদ্ধ, নোয়াখালীর যুদ্ধ, কশবার যুদ্ধ, বারচরগ্রাম যুদ্ধ, মিয়াবাজার যুদ্ধ, গাজীপুর যুদ্ধ, সলিয়াদীঘি যুদ্ধ, ফেনী যুদ্ধ, চট্টগ্রাম বিজয় ও ময়নামতি বিজয়।

গ) এস ফোর্স:
- লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহর নামানুসারে অক্টোম্বর ৭১ সনে গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় এস ফোর্স। এই ফোর্সের অন্তর্ভূক্ত ছিল ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, এস ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল ধর্মগড় আক্রমন, মনোহরদী অবরোধ, কলাছড়া অপারেশন, বামুটিয়া অপারেশন, আশুগঞ্জ অপারেশন, মুকুন্দপুর যুদ্ধ, আখাউড়া যুদ্ধ, ব্রাহ্মণবাড়ীয় যুদ্ধ, ভৈরব ও আশুগঞ্জ যু্দ্ধ, কিশোরগঞ্জ যুদ্ধ, হরশপুর যু্দ্ধ, নরসিংদী যুদ্ধ ও বিলোনিয়ার যুদ্ধ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬১.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমতলে বসবাস করে?
  1. মারমা
  2. সাঁওতাল
  3. খুমি
  4. বম
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় অর্থাৎ সমতলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর।
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ি, দেশে মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার যা মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ।
- এদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৫৬ শতাংশ এবং সমতলে ৪৪ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস।
- পার্বত্য তিন জেলায় পার্বত্য বাঙালিসহ ১৩ টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করছে। তারা হল পার্বত্য বাঙালি, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, চাক, লুসাই, রাখাইন এবং তঞ্চঙ্গ্যা। 
- দেশের সমতল ভূমির মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস করে।
- সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সাঁওতাল, ওরাঁও, মুণ্ডা, মাহালি, পাহান, বর্মন, কোরা, মুশোর, গারো এবং হাজং।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।
৬২.
ওরস্যালাইন-এর আবিষ্কার কোন সংস্থার অবদান?
  1. ব্র্যাক
  2. আইসিডিডিআর,বি
  3. স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
ব্যাখ্যা
ওরস্যালাইন:
- ওআরএস অর্থাৎ ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট, যাকে আমরা খাওয়ার স্যালাইন বা ওরস্যালাইন বলে জানি।
- এর উদ্ভাবন ও গবেষণা করেছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বিজ্ঞানীরা।
- সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) ১৯৮৫ সাল থেকে ওআরএস বাজারজাত করছে।
- ২০১২ সালের জুন মাসে দ্য ল্যানসেট খাওয়ার স্যালাইনকে ‘বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসংক্রান্ত আবিষ্কার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

⇒ ICDDR,B:
- ICDDR,B-এর পূর্ণরূপ: International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh বা আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরি (CRL) শীঘ্রই ডায়রিয়া রোগ গবেষণায় আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করে।
- এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন।
- লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়।
- দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে।

উৎস: i) ICDDR,B ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটি কী নামে বর্ণিত রয়েছে?
  1. বার্ষিক আয়-ব্যয়
  2. বার্ষিক আর্থিক বিবরণ
  3. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বাজেট’ শব্দটিই নেই।
- সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’।
- সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে।’ এই বিবৃতিই আসলে বাজেট।

⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হতে ব্যয় করা হবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, প্রদর্শিত হবে এবং অন্যান্য ব্যয় হতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করে প্রদর্শিত হবে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানে না থাকলেও বাজেট আছে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে।
- বিধির ১১১(১)-এ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকে ‘বাজেট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে।
- বিধির ১১১(২)-এ বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী যেরূপ উপযোগী মনে করবেন, সেই আকারে বাজেট সংসদে পেশ করবেন।’
- প্রতিবছর জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করে আসছেন অর্থমন্ত্রীরা। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৪.
দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবট’-এর নাম কী?
  1. AIBanking
  2. AIInvest
  3. PrimeInvest
  4. Midlenvest
সঠিক উত্তর:
PrimeInvest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PrimeInvest
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবটঃ
- দেশের প্রথম বিনিয়োগ ব্যাংকিং চ্যাটবট’র নাম প্রাইমইনভেস্ট (PrimeInvest)।
- সম্প্রতি (নভেম্বর, ২০২৪) পিবিআইএলের প্রধান কার্যালয়ে নতুন এই চ্যাটবট উদ্বোধন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ব্যাংকিং খাতে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত চ্যাটবট ‘প্রাইমইনভেস্ট’ চালু করেছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিবিআইএল)।
- এই চ্যাটবটটি গ্রাহকদের সঙ্গে আরো সহজ, দ্রুত এবং কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপনে সাহায্য করবে।
- ‘প্রাইমইনভেস্ট’ সার্বক্ষণিকভাবে (২৪/৭) গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিবে এবং তাদের বিনিয়োগ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে।
- এটি পিবিআইএলের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো সহজ ও ইন্টারেক্টিভ সেবা নিশ্চিত করবে।

উৎস: বণিক বার্তা।
৬৫.
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন কে প্রদান করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন প্রদান করে।

- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু হয় ২০০৮ সালে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৬৬.
কোন পদ্ধতিতে চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়?
  1. PAPI
  2. CATI
  3. CAPI
  4. CAWI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
৬৭.
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার ২৫%।

করমুক্ত আয়সীমা:

- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী অর্থবছরে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বোচ্চ করের হার হবে ৩০ শতাংশ।



উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৬৮.
বাংলাদেশের ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. রাজশাহী
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর:
- বাংলাদেশের 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি নামক স্থানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরে এ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এখানে পার্বত্য অঞ্চলে ববাসরত উপজাতি সমূহের ঐতিহ্য এবং কৃষ্টি-সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে।
- জাদুঘরে রক্ষিত উপজাতীয়দের বিভিন্ন যে কাউকে মুগ্ধ করে সহজে।
- এছাড়াও জাদুঘরের অভ্যন্তরে রয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমূহের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র।
- এর ভবনটি অনন্য আধুনিক স্থাপত্য কলায় নির্মিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৯.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. শাহজালাল সার কারখানা
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
  4. চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।

⇒ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৭০.
২০২৫ সালে 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. স্বপ্না রানী ঘোষ
  4. লিপি বেগম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন -
- উল্লিখিত প্রশ্নে - "ক) বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল ও ঘ) লিপি বেগম" উভয়ই সঠিক উত্তর। 
প্রশ্নে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
===================== 

'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:

- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল

অন্যদিকে,
- স্বপ্না রানী ঘোষ, লিপি বেগম ২০২৪ সালে 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

৭১.
বাংলাদেশের মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, কত সেন্টিমিটার-এর ছোট ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ?
  1. ২০
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে।
- ১লা নভেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরের যেকোন নদ-নদীসহ সাগরে ১০ ইঞ্চির (২৫ সেন্টিমিটার) কম সাইজের ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ, পরিবহন সম্পুর্ণরুপে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। 
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

⇒ মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
৭২.
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থল 'শালবন বিহার' কোন জনপদে অবস্থিত?
  1. পুন্ড্র
  2. সমতট
  3. হরিকেল
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থল 'শালবন বিহার' সমতট জনপদে অবস্থিত।

শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য,
⇒ সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- লালমাই-ময়নামতীকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেবের আমলে (সপ্তম শতাব্দী) ময়নামতীতে শালবন বিহার তৈরি হয়।
- বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন লিপিতে ‘দেবপর্বত’কে সমতটের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাত শতকে সমতটের রাজধানী ছিল বড়কামতা।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৩.
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন OHCHR এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. বার্লিন, জার্মানি
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

OHCHR:
- OHCHR-এর পূর্ণরূপ: Office of the High Commissioner for Human Rights.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৯৩ সালে। 
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮/১৪১ রেজুলেশন মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর সদরদপ্তর: Geneva, Switzerland.
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন (World Conference on Human Rights).

সূত্র: OHCHR ওয়েবসাইট। 

৭৪.
নিচের কোন দেশ BIMSTEC-এর সদস্য নয়? [মে - ২০২৫] 
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান BIMSTEC এর সদস্য দেশ নয়।

• BIMSTEC:
- BIMSTEC বা Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation হলো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের একটি বহুমাত্রিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে BIMSTEC-এর সদস্য ছিল ৪টি দেশ, তবে বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭টি।

• এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ,
-  ভারত,
- শ্রীলঙ্কা,
- থাইল্যান্ড,
- মিয়ানমার,
- নেপাল,
- ভুটান।

সূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৭৫.
কোন দিনটি ‘World Refugee Day’ নামে আন্তর্জাতিকভাবে পালন করা হয়?
  1. ১০ ডিসেম্বর
  2. ১ অক্টোবর
  3. ২০ জুন
  4. ১২ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
২০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জুন
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব শরণার্থী দিবস (World Refugee Day) প্রতি বছর ২০ জুন তারিখে জাতিসংঘের উদ্যোগে পালিত হয়, বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের অধিকার, সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবস:
 - ২০০১ সালের ২০ জুন প্রথম বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়। 
- ২০০০ সালের ডিসেম্বরের আগে দিবসটি আফ্রিকা শরণার্থী দিবস হিসেবে পালিত হতো। 
- ১৯৫১ সালে শরণার্থীদের স্বীকৃতির বিষয়ে জাতিসংঘের সনদটি গৃহীত হয়। 
 
• গুরত্বপূর্ণ কিছু দিবস:
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস ৫ জুন;
- আন্তর্জাতিক প্রাণী দিবস পালিত হয় ৪ অক্টোবর;
- বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ১০ ডিসেম্বর;
- আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ১৫ সেপ্টেম্বর।
- আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ১৩ অক্টোবর;
- আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস পালিত হয় ১৬ সেপ্টেম্বর;
- আন্তর্জাতিক বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালিত হয় ২২ এপ্রিল;

সূত্র: Britannica ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [মে - ২০২৫] 
  1. ২৯টি
  2. ২৭টি
  3. ২৬টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭টি
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- EU ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩.
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা: ইউরো।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।[মে - ২০২৫]  

• ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন

সূত্র: EU ওয়েবসাইট।
৭৭.
আরব বসন্ত চলাকালে মিশরের কোন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা হারান?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
  3. হোসনি মুবারক
  4. মুহাম্মদ মুরসি
সঠিক উত্তর:
হোসনি মুবারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসনি মুবারক
ব্যাখ্যা

- আরব বসন্ত চলাকালে মিশরের হোসনি মুবারক ক্ষমতা হারান। 

আরব বসন্ত:

- আরব বসন্ত বলতে আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত গণজাগরণ, বিক্ষোভ এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে বোঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়ায় এই গণআন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং তা দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই আন্দোলনগুলো মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের দাবি, দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ থেকে জন্ম নেয়।  

- তিউনিসিয়া ছিল এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকেই গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়, যা পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে বিস্তার লাভ করে।
- মিশরে হোসনি মুবারকের পতন, লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনের অবসানসহ বহু দেশে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে।  

সূত্র: Britannica.

৭৮.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কত নম্বর লক্ষ্য বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট। 

৭৯.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত কে করেন?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  3. গ্রেটা থুনবার্গ
  4. লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
- 'Friday For Future' একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন। 
- গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে। 

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
৮০.
ন্যাটো প্রথমবারের মতো কখন "Article 5" প্রয়োগ করেছিল?
  1. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়
  2. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
  3. ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময়
  4. ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পরে
সঠিক উত্তর:
৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

• NATO:
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৮১.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য কোন বিজ্ঞানীরা নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন? 
  1. নিউটন, জন বারডিন ও গ্যালিলিও
  2. ওয়াল্টার ব্রাটেইন, আইনস্টাইন ও ফ্রেমিং
  3. উইলিয়াম শকলি, ম্যারি কুরি ও পিয়েরে কুরি
  4. জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি
সঠিক উত্তর:
জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- 1947 সালে বেল ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- এই ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। 
- এই ট্রানজিস্টর কত দ্রুত এবং কত ব্যাপকভাবে পুরো পৃথিবীকে পাল্টে দেবে সেটি তখনো কেউ অনুমান করতে পারেনি। 
- ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতোই কাজ করতে পারে কিন্তু ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় এটি অতি ক্ষুদ্র এবং ওজন খুবই কম, এটি ব্যবহার করতে খুব অল্প বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, এটি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে বড় কথা এটি অনেক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব। 
- কাজেই ট্রানজিস্টর খুব দ্রুত ভ্যাকুয়াম টিউবকে সরিয়ে তার স্থান দখল করে নিতে শুরু করল এবং পৃথিবীর মানুষ স্বল্প মূল্যে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে তৈরি নানা ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পেতে শুরু করল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২.
খাদ্যের প্রকৃতিতে নিম্নলিখিত কোনটি একটি বিশুদ্ধ খাদ্য? 
  1. গ্লুকোজ
  2. খিচুড়ি
  3. দুধ
  4. পেয়ারা
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
পুষ্টির উপাদানে তাপশক্তি নির্ণয়: 
- প্রতিদিন নানা রকম পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা হয়। 
- ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, মাংস থেকে শুরু করে ফলমূল, শাকসবজি, পানীয় ইত্যাদির কোনোটিই বাদ যায় না, তাই পুষ্টি উপাদানে শক্তি পরিমাপ করতে হলে এর প্রকৃতি জেনে নিতে হবে। 
যেমন- 
পুষ্টির প্রকৃতি, মিশ্রখাদ্য ও বিশুদ্ধ খাদ্য: 
- খাদ্যের প্রকৃতি বলতে এটা কি মিশ্রখাদ্য, নাকি বিশুদ্ধ খাদ্য তাকে বোঝায়। 
- মিশ্রখাদ্যে একের অধিক পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকে। 
যেমন: দুধ, ডিম, খিচুড়ি, পেয়ারা ইত্যাদি। 
- অন্যদিকে বিশুদ্ধ খাদ্যে শুধু একটি উপাদান থাকে। 
যেমন: চিনি, গ্লুকোজ ইত্যাদি যাতে শর্করা ছাড়া অন্য কিছু থাকে না। 

পুষ্টি উপাদান ও তার পরিমাণ নির্ণয়: 
- পুষ্টি উপাদানের প্রকৃতি জানার পর ঐ খাদ্যে কী কী উপাদান কী পরিমাণে আছে তা জেনে নিতে হবে। 
- তবে বিভিন্ন খাদ্যের পুষ্টি উপাদান ও তার পরিমাণ খাদ্য মূল্যতালিকা দেখে জেনে নিতে হয়। 

ক্যালরি নির্ণয়: 
- খাদ্যের পুষ্টি উপাদান ও তার পরিমাণ জানার পর শর্করা, প্রোটিন ও চর্বির ক্যালরি বের করতে হয়। 
- এক্ষেত্রে ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানির ক্যালরি মূল্য শূন্য ধরে হিসাব করতে হবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩.
কোন পদার্থ পাত্রের সম্পূর্ণ আয়তন পূরণ করে? 
  1. গ্যাসীয় পদার্থ
  2. কঠিন পদার্থ
  3. তরল পদার্থ
  4. কঠিন ও তরল উভয়ই
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ (Solids): 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে, একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। 
- এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে, ফলে কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার হয়। 
- কঠিন পদার্থের উপর চাপ প্রয়োগ করলে এরা সংকুচিত হয় না। 
- আবার, তাপমাত্রা বাড়ালে কঠিন পদার্থের আয়তন খুবই কম পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো চলাচল বা স্থান ত্যাগ করতে পারেনা, তবে নিজস্ব স্থানে কম্পন সৃষ্টি করতে পারে। 

তরল পদার্থ (Liquids): 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করলে আয়তন হ্রাস পায় না। 
- তবে তাপ প্রয়োগ করলে তরল পদার্থের আয়তন বৃদ্ধি পায়, এই আয়তন বৃদ্ধির পরিমাণ কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ (Gases): 
- গ্যাসীয় পদার্থের নিদিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন আয়তনের পাত্রে রাখলে পদার্থটি ধারক পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরল পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 
- চাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক কমে যায়। আবার, তাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৪.
ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা কোন উদ্ভিদের মধ্যে অনুপস্থিত? 
  1. ফার্ন
  2. নগ্নবীজী
  3. দ্বিবীজপত্রী
  4. একবীজপত্রী
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু (Complex tissues): 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দুই ধরনের। যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে। 

ফ্লোয়েম (Phloem): 
- উদ্ভিদ কাণ্ডে এরা জাইলেমের সাথে একত্রে পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ তৈরি করে। 
- সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু নিয়ে ফ্লোয়েম টিস্যু গঠিত হয়। 
- জাইলেম যেমন খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে, তেমনি ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করে। 

(i) সিভকোষ (Sieve cell): 
- এগুলো বিশেষ ধরনের কোষ। দীর্ঘ, পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত এবং জীবিত এ কোষগুলো লম্বালম্বিভাবে একটির উপর একটি সজ্জিত হয়ে সিভনল (Sieve tube) গঠন করে। এ কোষগুলো চালুনির মতো ছিদ্রযুক্ত সিভপ্লেট দিয়ে পরস্পর থেকে আলাদা থাকে। 
- সিভকোষে প্রোটোপ্লাজম প্রাচীর ঘেঁষে থাকে বলে একটি কেন্দ্রীয় ফাঁপা জায়গার সৃষ্টি হয়, যেটা খাদ্য পরিবহনের নল হিসেবে কাজ করে। 
- এদের প্রাচীর লিগনিনযুক্ত, পরিণত সিভকোষে কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- সকল ধরনের গুপ্তবীজী উদ্ভিদের ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ এবং সিভনল থাকে। 
- পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা এদের প্রধান কাজ। 

(ii) সঙ্গীকোষ (Companion cell): 
- প্রতিটি সিভকোষের সাথে একটি করে প্যারেনকাইমা জাতীয় কোষ অবস্থান করে, এদের কেন্দ্রিকা বা নিউক্লিয়াস বেশ বড়। 
- ধারণা করা হয় এই নিউক্লিয়াস সিভকোষের কার্যাবলি কিছু পরিমাণে হলেও নিয়ন্ত্রণ করে। এ কোষ প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ এবং পাতলা প্রাচীরযুক্ত। 
- ফার্ন ও ব্যক্তবীজী উদ্ভিদে এদের উপস্থিতি নেই। 

(iii) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা (Phloem parenchayma): 
- ফ্লোয়েমে উপস্থিত প্যারেনকাইমা কোষগুলোই ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা, এদের কোষ সাধারণ প্যারেনকাইমার মতো পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজমযুক্ত। 
- এরা খাদ্য সঞ্চয় করে এবং খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। 
- ফার্ন জাতীয় (Pteridophyta) উদ্ভিদ, নগ্নবীজী (Gymnosperm) উদ্ভিদ এবং দ্বিবীজপত্রী (Dicotyledonous) উদ্ভিদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে। একবীজপত্রী উদ্ভিদে ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে না। 

(iv) ফ্লোয়েম ফাইবার বা তন্তু (Phloem fibre): 
- স্ক্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে ফ্লোয়েম ফাইবার তৈরি হয়, এগুলো এক ধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এদের বাস্ট ফাইবারও বলে, পাটের আঁশ এক ধরনের বাস্ট ফাইবার। 
- উদ্ভিদ অঙ্গের গৌণবৃদ্ধির সময় এ ফাইবার উৎপন্ন হয়, এসব কোষের প্রাচীরে কূপ দেখা যায়। 
- ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে পাতায় উৎপাদিত শর্করা এবং মূলে সঞ্চিত খাদ্য একই সাথে উপরে নিচে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫.
পরিবাহী পদার্থের মাধ্যমে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে কোন কণার মাধ্যমে? 
  1. ফোটন
  2. প্রোটন
  3. ইলেকট্রন
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬.
স্টার্চ থেকে অ্যালকোহল কোন প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয়? 
  1. ফার্মেন্টেশন
  2. ডিস্টিলেশন
  3. ক্লোরিনেশন
  4. ক্রিস্টালাইজেশন
সঠিক উত্তর:
ফার্মেন্টেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্মেন্টেশন
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- মিথানল বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। 
- মিথানল মূলত অন্য রাসায়নিক পদার্থ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- রাসায়নিক শিল্পে ইথানয়িক এসিড, বিভিন্ন জৈব এসিডের এস্টার প্রস্তুত করা হয়। 
- ইথানলকে প্রধানত পারফিউম, কসমেটিকস ও ওষুধ শিল্পে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রেডের ইথানলকে ওষুধ শিল্পে এবং রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলের ৯৬% জলীয় দ্রবণকে রেকটিফাইড স্পিরিট (rectified spirit) বলে। 
- পারফিউম শিল্পেও ইথানলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। পারফিউমে ইথানল ব্যবহারের পূর্বে তাকে গন্ধমুক্ত করা হয়। 

- ওষুধ ও খাদ্য শিল্প ব্যতীত অন্য শিল্পে রেকটিফাইড স্পিরিট সামান্য মিথানল যোগে বিষাক্ত করে ব্যবহার করা হয়, একে মেথিলেটেড স্পিরিট (methylated spirit) বলে। 
- কাঠ এবং ধাতুর তৈরি আসবাবপত্র বার্নিশ করার জন্য মেথিলেটেড স্পিরিট ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে ব্রাজিলে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- স্টার্চ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া চিনি শিল্পের উপজাত উৎপাদ (by-product) চিটাগুড় থেকে একই প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল (ইথানল) পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশের দর্শনায় কেরু এন্ড কেরু কোম্পানিতে ইথানল প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা পূরণ করা হয়। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে একদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমে, অপরদিকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭.
মানুষের অস্থায়ী (দুধ) দাঁতের সংখ্যা কত? 
  1. ১৬ টি
  2. ১৮ টি
  3. ২০ টি
  4. ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
২০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ টি
ব্যাখ্যা
দাঁত (Tooth): 
- মাছ, সরিসৃপ এবং সমস্ত মেরুদন্ডী প্রাণির (স্তন্যপায়ী বাদে) দাঁত আজীবন অসংখ্যবার পড়তে ও উঠতে থাকে কিন্তু স্তন্যপায়ীদের (যেমন: মানুষ) দাঁত সারা জীবন মাত্র দুবার গজায়। 
- মানব শিশুদের অস্থায়ী দাঁত বা দুধদাঁতের সংখ্যা ২০ টি, যেগুলো পড়ে গিয়ে পরবর্তীতে ১৮ বছরের মধ্যে উপরে ও নিচের চোয়ালে ১৪-১৬ টি করে মোট ২৮-৩২ টি পর্যন্ত স্থায়ী দাঁত ওঠে। 
- মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। 
যেমন: 
(i) কর্তন দাঁত (Incisor): এই দাঁত দিয়ে খাবার কেটে টুকরা করা হয়। 
(ii) ছেদন দাঁত (Canine): এই দাঁত দিয়ে খাবার ছেঁড়া হয়। 
(iii) অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar): এই দাঁত দিয়ে চর্বণ, পেষণ উভয় কাজ করা হয়। 
(iv) পেষণ দাঁত (Molar): এই দাঁত খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- মাড়ির সবচেয়ে পেছনের বা শেষের দাঁত দুটোকে আক্কেল দাঁত বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের 8 টি কর্তন দাঁত, 4 টি ছেদন দাঁত, 8 টি অগ্রপেষণ দাঁত, 8 টি পেষণ দাঁত এবং 0-4 টি আক্কেল দাঁত থাকে। 

দাঁতের গঠন: 
- প্রতিটি দাঁতের তিনটি অংশ থাকে। 
(i) মুকুট: মাড়ির উপরের অংশ; 
(ii) মূল: মাড়ির ভিতরের অংশ এবং 
(iii) গ্রীবা: দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
তেজস্ক্রিয় কোন রশ্মিকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
-  আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- কাজেই গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

অন্যদিকে, 
- আলফা রশ্মি কিংবা বিটা রশ্মিকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
উদ্ভিদের কোন খনিজের অভাবে ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়?
  1. লৌহ
  2. বোরন
  3. সালফার
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা
বোরন (B): 
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়। 
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে। 
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

লৌহ (Fe): 
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

সালফার (S): 
- সালফার উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই শুধু নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- কাণ্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০.
স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর প্রাপ্ত বেগ কিসের সমানুপাতিক? 
  1. সময়ের
  2. ভরের
  3. উচ্চতার
  4. দূরত্বের
সঠিক উত্তর:
সময়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- এ ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। 
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। 
সূত্রগুলো হচ্ছে: 
প্রথম সূত্র: স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 
দ্বিতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক
অর্থাৎ, v ∝ t  । 
তৃতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১.
নিচের কোনটি ধাতু বিশুদ্ধকরণের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়?
  1. লোহা
  2. সোনা
  3. কপার
  4. প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার
ব্যাখ্যা
ধাতু বিশুদ্ধকরণ: 
- আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের পর প্রাপ্ত ধাতুতে যথেষ্ট পরিমাণে ভেজাল দ্রব্য মিশ্রিত থাকে। 
- এ সকল ধাতুকে বিশুদ্ধ করতে তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। 
- কপার, জিংক, লেড, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ধাতুকে বিশুদ্ধকরণের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- যে ভেজাল মিশ্রিত ধাতু থেকে ভেজাল অপসারণ করে বিশুদ্ধ ধাতু তৈরি করা হয় সেই ভেজাল মিশ্রিত ধাতুর দণ্ডকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুকে বিশুদ্ধ করতে চাওয়া হয় ঐ ধাতুর একটি বিশুদ্ধ দণ্ড ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে ভেজাল মিশ্রিত অবিশুদ্ধ ধাতুর দণ্ড থেকে ধাতব আয়ন দ্রবণে চলে যায় এবং দ্রবণ থেকে ঐ ধাতব আয়ন বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ডে জমা পড়ে, ফলে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড মোটা হতে থাকে। 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ চলাকালে একদিকে ভেজাল মিশ্রিত অবিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড ক্ষয় হতে থাকে, অন্যদিকে বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড মোটা হতে থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২.
পেপটিক আলসার রোগ শনাক্ত করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. সিটি স্ক্যান
  2. এন্ডোসকপি
  3. আল্ট্রাসাউন্ড
  4. এমআরআই স্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার (Gastric and Peptic ulcer): 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। 
- নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন (উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। 
- খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। 
- আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এ রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো: 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩.
H.323 ভয়েস, ভিডিও, এবং ডেটা পাঠাতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ?
  1. Hypertext Transfer Protocol (HTTP)
  2. User Datagram Protocol (UDP)
  3. Transmission Control Protocol (TCP)
  4. Real-Time Transport Protocol (RTP)
সঠিক উত্তর:
Real-Time Transport Protocol (RTP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real-Time Transport Protocol (RTP)
ব্যাখ্যা
⚪ H.323 - ভয়েস, ভিডিও, এবং ডেটা পরিবহনের জন্য Real-Time Transport Protocol (RTP) ব্যবহার করে। RTP একটি প্রোটোকল যা রিয়েল-টাইম মিডিয়া, যেমন ভয়েস এবং ভিডিও, লাইভ ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:

B) Transmission Control Protocol (TCP): TCP একটি কনভারজেন্ট প্রোটোকল যা ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে, কিন্তু এটি রিয়েল-টাইম ট্রান্সমিশনের জন্য আদর্শ নয়।

C) User Datagram Protocol (UDP): UDP একটি কনফার্মেশন প্রোটোকল না হলেও এটি রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযুক্ত হতে পারে, তবে RTP এর তুলনায় এটি কম নির্ভরযোগ্য।

D) Hypertext Transfer Protocol (HTTP): HTTP মূলত ওয়েব পেজগুলি ট্রান্সফার করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি রিয়েল-টাইম মিডিয়া ট্রান্সমিশনের জন্য উপযুক্ত নয়।

⚪ ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।
- VoIP (Voice Over Internet Protocol), যাকে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, সাউন্ডকে একটি ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে কাজ করে, যা তারপর একটি ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে পাঠানো হয়।
-ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস :
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৯৪.
নিচের কোন প্রযুক্তি সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স ব্যবহারের জন্য পরিচিত?
  1. Ethernet
  2. Wi-Fi
  3. Bluetooth
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⚪ ফুল ডুপ্লেক্স হল একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যেখানে একসাথে দুদিকেই ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়।

⚪ অপশন আলোচনা:

a) Ethernet - ইথারনেট সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স ব্যবহার করে, বিশেষ করে আধুনিক ইথারনেট কনফিগারেশনে যেখানে একযোগে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা সম্ভব।

b) Wi-Fi - Wi-Fi সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স ব্যবহার করে। Wi-Fi-তে একসাথে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা সম্ভব।

c) Bluetooth - ব্লুটুথও সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স ব্যবহার করে, যেখানে একযোগে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়।

সঠিক উত্তর: উপরের সবগুলো।

⚪ ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল, Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth.

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৯৫.
নিচের তালিকায় কোনটি একটি জনপ্রিয় SaaS পণ্যের উদাহরণ?
  1. Google Drive
  2. Microsoft Word
  3. Linux
  4. Apache HTTP Server
সঠিক উত্তর:
Google Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Drive
ব্যাখ্যা
⚪ SaaS একটি ক্লাউড-বেসড সেবা, যেখানে সফটওয়্যারটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড বা ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

⚪ অপশন আলোচনা:

A) Microsoft Word – এটি একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার, যেটি সাধারণত আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

B) Google Drive – এটি একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা, যেখানে আপনি ফাইল সংরক্ষণ এবং শেয়ার করতে পারেন। এটি একটি উদাহরণ SaaS পণ্যের।

C) Linux – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা সাধারণত ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

D) Apache HTTP Server – এটি একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার, যা সাধারণত সিস্টেমে ইনস্টল করা হয় এবং একটি সার্ভার পরিচালনা করতে ব্যবহার হয়। এটি SaaS নয়।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সমস্ত ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে না?
  1. OR
  2. XNOR
  3. NAND
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NAND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND
ব্যাখ্যা
⚪ অপশন আলোচনা:
ক) OR গেইট: OR গেইটে যদি সব ইনপুট 1 থাকে, তবে আউটপুট হবে 1। কারণ OR গেইটে কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 থাকলেই আউটপুট 1 হয়।

খ) XNOR গেইট: XNOR গেইটে ইনপুটগুলো একে অপরের সমান হলে আউটপুট 1 হয়। সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুট হবে 1, কারণ 1 এবং 1 একে অপরের সমান।

গ) NAND গেইট: NAND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0। NAND গেইটের আউটপুট হচ্ছে NOT-AND, অর্থাৎ AND গেইটের বিপরীত। AND গেইটের আউটপুট 1 হলে, NAND গেইটের আউটপুট 0 হয়।

ঘ) AND গেইট: AND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 1, কারণ AND গেইটে সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুটও 1 হয়।

• AND + NOT = NAND গেট।
• NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা বৃদ্ধির সময় দুই দেশই পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।
এ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

⚪ সুপার কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার যা জটিল গাণিতিক গণনা, সিমুলেশন, এবং রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, টার্গেটিং সিস্টেম এবং ট্র্যাকিংয়ের মতো কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে অতি দ্রুত এবং নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রয়োজন।

⚪ সুপার কম্পিউটার কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।

১. রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং:
- ক্ষেপণাস্ত্র যখন উৎক্ষেপণ করা হয়, তখন এটি নিজ অবস্থান, গতি, লক্ষ্যবস্তুর গতি ইত্যাদি অনেক সেন্সরের তথ্য পাঠায়। সুপার কম্পিউটার এই সব তথ্য খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয় - কোথায় গেলে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।

২. টার্গেটিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম:
- লক্ষ্যবস্তু চলমান থাকলে (যেমন যুদ্ধবিমান), সুপার কম্পিউটার তা ট্র্যাক করে ও হিসাব করে কোথায় ক্ষেপণাস্ত্রটি যেতে হবে। এটি করার জন্য জটিল অ্যালগরিদম ও তীব্র গতির গণনার প্রয়োজন হয়।

৩. সিমুলেশন ও পরীক্ষা:- 
সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা আগে থেকেই ভার্চুয়াল সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। এর ফলে যুদ্ধের আগেই বোঝা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি কেমন কাজ করবে।

৪. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Missile Defense):
- বিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র এলে সেটি শনাক্ত করা ও ধ্বংস করার জন্যও সুপার কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এটি ক্ষণিকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়—কোন ক্ষেপণাস্ত্র পাঠালে সেটি প্রতিহত করা যাবে।

সংক্ষেপে বলা যায় - ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্লেষণাত্মক সিদ্ধান্ত নিতে সুপার কম্পিউটার অপরিহার্য।

⚪ আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

⚪ সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস:
১) IEEE [লিংক]
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Oracle
  2. Windows 10
  3. Linux
  4. macOS
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
⚪ অপশন আলোচনা:
- Windows 10:
Windows 10 হল মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) সহ সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং বহুল জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।

- Linux:
Linux একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত ফ্রি এবং কাস্টমাইজযোগ্য। এটি বিভিন্ন সংস্করণে (যেমন: Ubuntu, Fedora, Debian) পাওয়া যায় এবং সার্ভার, কম্পিউটার এবং মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। এটি নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য বিখ্যাত।

- Oracle:
Oracle একটি সফটওয়্যার কোম্পানি, যারা ডেটাবেজ সফটওয়্যারের জন্য বিখ্যাত। "Oracle" বলতে সাধারণত Oracle Database বোঝানো হয়, যা একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)। এটি বড় বড় কোম্পানিতে ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- macOS:
macOS হল অ্যাপল কোম্পানির তৈরি অপারেটিং সিস্টেম, যা শুধুমাত্র অ্যাপল কম্পিউটার (MacBook, iMac) গুলোতে চলে। এটি একটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক, নিরাপদ এবং স্টাইলিশ অপারেটিং সিস্টেম।

⚪ অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
কোন ACID গুণটি নিশ্চিত করে যে লেনদেনের আগে এবং পরে ডাটাবেসের অবস্থা সঠিক থাকবে?
  1. Isolation
  2. Atomicity
  3. Durability
  4. Consistency
সঠিক উত্তর:
Consistency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consistency
ব্যাখ্যা
⚪ ACID গুণাবলী (properties) হল একটি ট্রানজেকশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা ডেটাবেসের স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। প্রশ্নে যে ACID বৈশিষ্ট্যটি ডেটাবেসের বৈধ অবস্থান (valid state) বজায় রাখার জন্য ট্রানজেকশনের পূর্ব এবং পরের অবস্থায় সাহায্য করে, তা হল Consistency।

Consistency বৈশিষ্ট্যটি নিশ্চিত করে যে, ট্রানজেকশনের পূর্বে এবং পরে ডেটাবেস একটি বৈধ অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ, ট্রানজেকশন সম্পন্ন হলে ডেটাবেসের সঠিকতা (correctness) এবং এক্সপেকটেড অবস্থান বজায় থাকবে।

⚪ ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
১০০.
কোন উপাদানটি বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করে এবং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ পরিচালনা করে?
  1. USB Port
  2. Monitor
  3. Power Supply
  4. CPU
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা
⚪ CPU বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হলো কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক"। এটি প্রোগ্রামের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে এবং বিভিন্ন গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করে। ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, যেমন যোগ, বিয়োগ, তুলনা করা ইত্যাদি- সব কিছুই CPU সম্পাদন করে।

⚪ অপশন আলোচনা:
- Power Supply: বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে না।
- Monitor: তথ্য প্রদর্শনের কাজ করে।
- USB Port: বাহ্যিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ CPU ( Central Processing Unit):
CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা “ব্রেইন”। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে আসা তথ্য নিয়ে গণনা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।

CPU-এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে:
১। CU (Control Unit)- পুরো কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দেশ দেয় কে কখন কী করবে।
২। ALU (Arithmetic Logic Unit)- গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে। যেমন: যোগ, বিয়োগ, তুলনা ইত্যাদি।
৩️। Memory unit - সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রসেসিংয়ের সময়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০১.
ইন্টেলের ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স প্রযুক্তির নাম কী?
  1. Radeon
  2. CUDA
  3. Adreno
  4. Iris
সঠিক উত্তর:
Iris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Iris
ব্যাখ্যা
⚪ ইন্টেলের নিজস্ব ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স প্রযুক্তির নাম Iris। এটি ইন্টেলের প্রসেসরের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ের কাজ করে।

⚪ অপশন আলোচনা:
- Adreno হচ্ছে কোয়ালকমের গ্রাফিক্স প্রযুক্তি।
- Radeon হলো AMD-এর গ্রাফিক্স ব্র্যান্ড।
- CUDA হলো NVIDIA-এর একটি প্রোগ্রামিং প্ল্যাটফর্ম ও API, যা জিপিইউ-ভিত্তিক কম্পিউটেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

⚪ ইনটেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।

- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: intel.com [লিংক]
১০২.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক কে?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. Guido van Rossum
  3. James Gosling
  4. Dennis Ritchie
সঠিক উত্তর:
Guido van Rossum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guido van Rossum
ব্যাখ্যা
⚪ পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক হলেন গুইডো ভ্যান রসুম (Guido van Rossum)।

তিনি ১৯৮০-এর দশকে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষাটি তৈরি করেছিলেন এবং ১৯৯১ সালে প্রথম এটি প্রকাশিত হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
ক) Bjarne Stroustrup:
- Bjarne Stroustrup হলেন C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৭৯ সালে C++ এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন, যা C ভাষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। C++ একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সমর্থন করে এবং সিস্টেম সফটওয়্যার, গেম ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স, এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

গ) James Gosling:
- James Gosling হলেন Java প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৯০ এর দশকে Sun Microsystems-এ কাজ করার সময় Java ভাষার উন্নয়ন করেন। Java একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যা প্ল্যাটফর্ম-স্বাধীন (platform-independent) এবং "Write Once, Run Anywhere" নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম, এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।

ঘ) Dennis Ritchie:
- Dennis Ritchie ছিলেন C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক এবং তিনি Unix অপারেটিং সিস্টেমের এক সহ-উদ্ভাবক। ১৯৭২ সালে C ভাষা তৈরি করেন, যা কম্পিউটার সিস্টেম সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং সিস্টেম প্রোগ্রামিংয়ের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। C ভাষা আজও অনেক আধুনিক ভাষার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০৩.
(159.69)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 531.322
  2. 571.644
  3. 854.511
  4. 893.533
সঠিক উত্তর:
531.322
উত্তর
সঠিক উত্তর:
531.322
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (159.69)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?

সমাধান:

১০৪.
কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিবার ২ অবশিষ্ট থাকবে?
  1. ৫৮
  2. ৪৮
  3. ৬২
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিবার ২ অবশিষ্ট থাকবে?

সমাধান:
ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর ল.সা.গু থেকে ২ বেশি
৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর ল.সা.গু = ৬০

∴ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৬০ + ২ = ৬২
১০৫.
5x - 3 = 4 হলে, 125x3 - 27 - 180x এর মান কত?
  1. 64
  2. 128
  3. 60
  4. 125
সঠিক উত্তর:
64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5x - 3 = 4 হলে, 125x3 - 27 - 180x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
5x - 3 = 4

প্রদত্ত রাশি = 125x3 - 27 - 180x
= (5x)3 - 33 - 180x
= (5x - 3)3 + 3. 5x. 3(5x - 3) - 180x
= 43 + 45x. 4 - 180x
= 64 + 180x - 180x
= 64
১০৬.
যদি x = 5 হয়, তবে log(x2 - 9) - log(x - 3) = ?
  1. log5
  2. log2
  3. log10
  4. log8
সঠিক উত্তর:
log8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
log8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x = 5 হয়, তবে log(x2 - 9) - log(x - 3) = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x = 5

প্রদত্ত রাশি = log(x2 - 9) - log(x - 3)
= log(52 - 9) - log(5 - 3)
= log(25 - 9) - log(2)
= log(16) - log(2)
= log(16/2)
= log8
১০৭.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ৮ মিটার এবং অপর দুই বাহু প্রতিটি ৫ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১০ বর্গমিটার
  2. ১২ বর্গমিটার
  3. ১৫ বর্গমিটার
  4. ২০ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১২ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ৮ মিটার এবং অপর দুই বাহু প্রতিটি ৫ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য a = ৫ মিটার
ভূমির দৈর্ঘ্য b = ৮ মিটার

আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/4)√(4a2 - b2) বর্গএকক
= (৮/৪)√{(৪ × ৫) - ৮} বর্গমিটার
= ২√{(৪ × ২৫) - ৬৪} বর্গমিটার
= ২√(১০০ - ৬৪) বর্গমিটার
= ২√৩৬ বর্গমিটার
= ২ × ৬ বর্গমিটার
= ১২ বর্গমিটার
১০৮.
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∩ B = কত?
  1. {3, 5, 7}
  2. {1, 3, 4, 5, 6, 7}
  3. {1, 3, 5, 7, 9}
  4. {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
সঠিক উত্তর:
{3, 5, 7}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{3, 5, 7}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∩ B = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9}
= {1, 3, 5, 7, 9}

∴ A ∩ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∩ {1, 3, 5, 7, 9}
= {3, 5, 7}
১০৯.
যদি 2/x = 4, 2/y = 8 হয় তাহলে, x2 - y2 = ?
  1. 1/2
  2. 1/4
  3. 3/8
  4. 3/16
সঠিক উত্তর:
3/16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 2/x = 4, 2/y = 8 হয় তাহলে, x2 - y2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2/x = 4
⇒ 4x = 2
⇒ x = 2/4
⇒ x2 = (1/2)2
∴ x2 = 1/4

এবং,
2/y = 8
⇒ 8y = 2
⇒ y = 2/8
⇒ y2 = (1/4)2
∴ y2 = 1/16

∴ x2 - y2 = 1/4 - 1/16
= (4 - 1)/16
= 3/16
১১০.
যদি ax = b, by = c এবং cz = a2 হয়, তবে xyz = ?
  1. 1
  2. 2
  3. 0
  4. abc
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ax = b, by = c এবং cz = a2 হয়, তবে xyz = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ax = b , by = c এবং cz = a2

এখানে,
cz = a2
⇒ (by)z = a2
⇒ byz = a2
⇒ (ax)yz = a2
⇒ axyz = a2
∴ xyz = 2
১১১.
একটি খুঁটির নিচের প্রান্ত থেকে আনুভূমিক তলে 4√3 মিটার দূরের একটি বিন্দুতে খুঁটিটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 60° হলে, খুঁটিটির উচ্চতা কত?
  1. 12√3 মিটার
  2. 8√3 মিটার
  3. 6 মিটার
  4. 12 মিটার
সঠিক উত্তর:
12 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটির নিচের প্রান্ত থেকে আনুভূমিক তলে 4√3 মিটার দূরের একটি বিন্দুতে খুঁটিটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 60° হলে, খুঁটিটির উচ্চতা কত?

সমাধান:

ধরি,
AB খুঁটির নিচের প্রান্ত B থেকে 4√3 মিটার দূরে C বিন্দুতে খুঁটিটির শীর্ষের অর্থাৎ A বিন্দুর উন্নতি কোণ ∠ACB = 60°

এখন সমকোণী ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রে,
tan∠ACB = AB/BC
⇒ tan60°= AB/4√3
⇒ √3 = AB/4√3
⇒ AB = 4√3 × √3
∴ AB = 12

∴ খুঁটিটির উচ্চতা 12 মিটার
১১২.
বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাযুক্ত বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৭/১১
  2. ২/৫
  3. ৪/১১
  4. ৫/১১
সঠিক উত্তর:
৪/১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪/১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাযুক্ত বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি।
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ৪টি।
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ৭টি।

∴ দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে, মাত্রাযুক্ত নয় এমন বর্ণ (অর্থাৎ মাত্রাহীন) হওয়ার সম্ভাবনা = ৪/১১
১১৩.
একটি মিশ্রণে সিমেন্ট ও বালির অনুপাত ৭ : ১। যদি সিমেন্টের পরিমাণ বালির চেয়ে ১২ কেজি বেশি হয়, তবে বালির পরিমাণ কত কেজি?
  1. ২ কেজি
  2. ৫ কেজি
  3. ৬ কেজি
  4. ৪ কেজি
সঠিক উত্তর:
২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মিশ্রণে সিমেন্ট ও বালির অনুপাত ৭ : ১। যদি সিমেন্টের পরিমাণ বালির চেয়ে ১২ কেজি বেশি হয়, তবে বালির পরিমাণ কত কেজি?

সমাধান:
মিশ্রণে সিমেন্ট ও বালির অনুপাত ৭ : ১
মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণ = ”৭ক” কেজি
মিশ্রণে বালির পরিমাণ = ”ক” কেজি

প্রশ্নমতে
৭ক - ক = ১২
⇒ ৬ক = ১২
∴ ক = ২

∴ মিশ্রণে বালির পরিমাণ = ২ কেজি
১১৪.
যদি |2x - 3| ≤ 1 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m ≤ 3x - 2 ≤ n হবে?
  1. m = - 1 এবং n = 2
  2. m = 2 এবং n = 8
  3. m = - 3 এবং n = 5
  4. m = 1 এবং n = 4
সঠিক উত্তর:
m = 1 এবং n = 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
m = 1 এবং n = 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি |2x - 3| ≤ 1 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m ≤ 3x - 2 ≤ n হবে?

সমাধান:
|2x - 3| ≤ 1
⇒ - 1 ≤ 2x - 3 ≤ 1
⇒ - 1 + 3 ≤ 2x - 3 + 3 ≤ 1 + 3
⇒ 2 ≤ 2x ≤ 4
⇒ 1 ≤ x ≤ 2
⇒ 3 ≤ 3x ≤ 6
⇒ 3 - 2 ≤ 3x - 2 ≤ 6 - 2
∴ 1 ≤ 3x - 2 ≤ 4

m ≤ 3x - 2 ≤ n এর সাথে তুলনা করে পাই,
m = 1 এবং n = 4
১১৫.
একটি গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদ - 48 এবং সাধারণ অনুপাত - 1/4 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?
  1. 192
  2. 1/2
  3. - 1/2
  4. 32
সঠিক উত্তর:
192
উত্তর
সঠিক উত্তর:
192
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদ - 48 এবং সাধারণ অনুপাত - 1/4 হলে, ধারাটির প্রথম পদ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
কোন গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a, সাধারণ অনুপাত r হলে, n তম পদ = arn-1

দেওয়া আছে,
সাধারণ অনুপাত r = - 1/4
অনুক্রমের দ্বিতীয় পদ ar(2 - 1) = - 48

প্রশ্নমতে,
ar(2 - 1) = - 48
⇒ ar = - 48
⇒ a × (- 1/4) = - 48
⇒ - (a/4) = - 48
⇒ (a/4) = 48
∴ a = 192
১১৬.
একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কিছু সংখ্যক অতিথি উপস্থিত ছিল। প্রত্যেক অতিথি একে-অন্যের সাথে একবার করে করমর্দন করলো। যদি মোট করমর্দনের সংখ্যা 45 হয়, তাহলে অনুষ্ঠানে কতজন অতিথি উপস্থিত ছিল?
  1. 12 জন
  2. 10 জন
  3. 11 জন
  4. 13 জন
সঠিক উত্তর:
10 জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কিছু সংখ্যক অতিথি উপস্থিত ছিল। প্রত্যেক অতিথি একে-অন্যের সাথে একবার করে করমর্দন করলো। যদি মোট করমর্দনের সংখ্যা 45 হয়, তাহলে অনুষ্ঠানে কতজন অতিথি উপস্থিত ছিল?

সমাধান:
ধরি,
অনুষ্ঠানে n সংখ্যক অতিথি উপস্থিত ছিল।

প্রশ্নমতে,
nC2 = 45
⇒ n(n - 1)/2 = 45
⇒ n(n - 1) = 90
⇒ n2 - n - 90 = 0
⇒ n2 - 10n + 9n - 90 = 0
⇒ n(n - 10) + 9(n - 10) = 0
⇒ (n - 10)(n + 9) = 0
∴ n = 10 এবং - 9 [-9 ঋণাত্মক তাই গ্রহণযোগ্য নয়]

∴ অনুষ্ঠানে 10 জন অতিথি উপস্থিত ছিল।
১১৭.
নৌকার বেগ ঘণ্টায় ৯ কি.মি. এবং স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ৩ কি.মি.। নৌকাটির ৩৬ কি.মি. পথ গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৭ ঘণ্টা
  3. ৮ ঘণ্টা
  4. ৯ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৯ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নৌকার বেগ ঘণ্টায় ৯ কি.মি. এবং স্রোতের বেগ ঘণ্টায় ৩ কি.মি.। নৌকাটির ৩৬ কি.মি. পথ গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলে কার্যকরী বেগ ঘণ্টায় (৯ + ৩) = ১২ কি.মি.
স্রোতের প্রতিকূলে কার্যকরী বেগ ঘণ্টায় (৯ - ৩) = ৬ কি.মি.

স্রোতের অনুকূলে ৩৬ কি.মি. যেতে সময় লাগে ৩৬/১২ ঘণ্টা = ৩ ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে ৩৬ কি.মি. যেতে সময় লাগে ৩৬/৬ ঘণ্টা = ৬ ঘণ্টা

মোট সময় লাগে = (৩ + ৬) ঘণ্টা = ৯ ঘণ্টা
১১৮.
ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রম কোনটি?
Read, Ready, Reaction, Reactive
  1. Ready, Read, Reaction, Reactive
  2. Reaction, Reactive, Read, Ready
  3. Reactive, Reaction, Ready, Read
  4. Reaction, Reactive, Ready, Read
সঠিক উত্তর:
Reaction, Reactive, Read, Ready
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reaction, Reactive, Read, Ready
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রম কোনটি?
Read, Ready, Reaction, Reactive

সমাধান:
অভিধান অনুযায়ী হবে,
Reaction
Reactive
Read
Ready
১১৯.
গত পরশু শনিবার হলে আগামী পরশুর পরের দিন কী বার হবে?
  1. রবিবার
  2. বৃহস্পতিবার
  3. মঙ্গলবার
  4. শুক্রবার
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: গত পরশু শনিবার হলে আগামী পরশুর পরের দিন কী বার হবে?

সমাধান:
⇒ গত পরশু ছিল শনিবার।
⇒ গতকাল ছিল রবিবার।
⇒ আজকে সোমবার।
⇒ আগামী কাল হবে মঙ্গলবার।
⇒ আগামী পরশু হবে বুধবার।
⇒ আগামী পরশুর পরের দিন হবে বৃহস্পতিবার।
১২০.
৪০ এর কত % = ৩২
  1. ৮০%
  2. ৭০%
  3. ৬০%
  4. ৮৫%
সঠিক উত্তর:
৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ এর কত % = ৩২

সমাধান:
ধরি,
৪০ এর ক% = ৩২
⇒ ৪০ × (ক/১০০) = ৩২
⇒ ক = (৩২ × ১০০)/৪০
∴ ক = ৮০
১২১.
'NUCLEAR' শব্দটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'NUCLEAR' শব্দটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?

সমাধান:
১২২.
What is the tenth consonant letter from the beginning of the sentence?
  1. s
  2. h
  3. t
  4. c
সঠিক উত্তর:
h
উত্তর
সঠিক উত্তর:
h
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: What is the tenth consonant letter from the beginning of the sentence?

সমাধান:
Sentence বলতে এখানে প্রশ্নটাকেই বুঝাচ্ছে।

প্রশ্নোক্ত বাক্যটি - 
What is the tenth consonant letter from the beginning of the sentence?

Vowel (a, e, i, o, u) বাদ দিয়ে শুধু consonant রেখে বাক্যটি -
=> Wht s th tnth cnsnnt lttr frm th bgnnng f th sntnc?

এখানে ১০ম consonant হচ্ছে h.

∴ The tenth consonant from the beginning of the sentence is h.
১২৩.
আয়নায় প্রতিফলিত হলে কোন শব্দটি কোনো পরিবর্তন হবে না?
  1. BOX
  2. DEED
  3. AXE
  4. MOM
সঠিক উত্তর:
MOM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MOM
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়নায় প্রতিফলিত হলে কোন শব্দটি কোনো পরিবর্তন হবে না?

সমাধান:
আয়নায় প্রতিফলন হওয়ার পরেও A, H, I, M, O, T, U, V, W, X এবং Y এর পরিবর্তন হবে না।

তাই এদের মধ্য থেকে অক্ষর নিয়ে গঠিত শব্দ MOM এর কোনো পরিবর্তন হবে না।
১২৪.
যদি LOVE এর কোড MQYI হয়, তাহলে HATE এর কোড কী হবে?
  1. ROPI
  2. DYVL
  3. ICWI
  4. UQRW
সঠিক উত্তর:
ICWI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICWI
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি LOVE এর কোড MQYI হয়, তাহলে HATE এর কোড কী হবে?

সমাধান:

'LOVE' = 'MQYI'
L + 1 = M
O + 2 = Q
V + 3 = Y
E + 4 = I

∴ HATE এর ক্ষেত্রে,
H + 1 = I
A + 2 = C
T + 3 = W
E + 4 = I

∴ ‘HATE’ = 'ICWI'
১২৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অন্যপুর্বা
  2. স্বায়ত্ব
  3. উর্ধ্ব
  4. সমীচীন
সঠিক উত্তর:
সমীচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমীচীন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
সঠিক বানান: 'সমীচীন'।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
⇒ অন্যপুর্বা এর শুদ্ধ বানান - অন্যপূর্বা।
⇒ স্বায়ত্ব এর শুদ্ধ বানান- স্বায়ত্ত।
⇒ উর্ধ্ব এর শুদ্ধ বানান - ঊর্ধ্ব।
১২৬.
324, 225, 144, 81,..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. 64
  2. 49
  3. 36
  4. 25
সঠিক উত্তর:
36
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 324, 225, 144, 81,..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে,
18 × 18 = 324
15 × 15 = 225
12 × 12 = 144
9 × 9 = 81
6 × 6 = 36

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি = 36
১২৭.
PERMUTATION শব্দটির বর্ণগুলির মধ্যে স্বরবর্ণের অবস্থান পরিবর্তন না করে বর্ণগুলিকে কত রকমে পুনরায় সাজানো যেতে পারে?
  1. 480
  2. 410
  3. 360
  4. 359
সঠিক উত্তর:
359
উত্তর
সঠিক উত্তর:
359
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: PERMUTATION শব্দটির বর্ণগুলির মধ্যে স্বরবর্ণের অবস্থান পরিবর্তন না করে বর্ণগুলিকে কত রকমে পুনরায় সাজানো যেতে পারে?

সমাধান:
PERMUTATION শব্দটিতে মোট 11 টি অক্ষর আছে, যার মধ্যে 5 টি স্বরবর্ণ এবং 6 টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।
যেহেতু স্বরবর্ণগুলি এদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না, কাজেই এদের স্থান নির্দিষ্ট করে 6 টি ব্যঞ্জনবর্ণ দ্বারা সাজানোর সংখ্যা বের করতে হবে যার মধ্যে t দুই বার থাকবে।

সুতরাং সাজানোর সংখ্যা = 6!/2! = 360 টি
এবং PERMUTATION শব্দটি নিজেই একটি সাজানো সংখ্যা।
∴ পুনরায় সাজানো যেতে পারে= 360 - 1 = 359 ভাবে।

উল্লেখ্য যে, পুনরায় সাজানো কথাটি না বলে যদি বলা হতো মোট কতভাবে সাজানো যেতে পারে, তাহলে সঠিক উত্তর হতো 360 উপায়ে।
১২৮.
ভূমিকম্পের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
  2. শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি
  3. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে। ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়।
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচণ্ড হয়।

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ (Main causes of earthquake): 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয়।

অপ্রধান কারণ: 
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয়।
২। তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচন্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়।
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়।
৫। হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প
হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২৯.
পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?
  1. ১২,৮০০ কিলোমিটার
  2. ৪,০০০ কিলোমিটার
  3. ৬,৪০০ কিলোমিটার
  4. ৪০,০০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬,৪০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,৪০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকার-আকৃতি (Size and shape of the Earth): 
- পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি হলো অনেকটা অভিগত গোলকের (Oblate spheriod) মতো।
- পৃথিবীর নিরক্ষীয় 'পূর্ব-পশ্চিম' ব্যাস ও মেরুদেশীয় 'উত্তর-দক্ষিণ' ব্যাস ভিন্ন।
- মেরুদেশীয় ব্যাস হলো ১২,৭১৪ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় ব্যাস হলো ১২,৭৫৭কিলোমিটার।
- এদের মধ্যে পার্থক্য হলো ৪৩ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর গড় ব্যাস হলো ১২,৭৩৪.৫ কিলোমিটার।
- গণনার সুবিধার জন্য একে ১২,৮০০ কিলোমিটার ধরা হয়।
- এই হিসেবে পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হলো ৬,৪০০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর পরিধির মধ্যে নিরক্ষীয় পরিধি ৪০,০৭৭ কিলোমিটার।
- এটাই সর্ববৃহৎ পরিধি এবং মেরুদেশীয় পরিধি ৪০,০০৯ কিলোমিটার।
- গণনার সুবিধার জন্য গড় পরিধি ৪০,০০০ কিলোমিটার ধরা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩০.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন ধরনের বৃষ্টি হয়ে থাকে?
  1. পরিচলন বৃষ্টি
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণি বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। 

- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।
- এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে।
- এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমন্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।
- জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
- নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট উত্তপ্ত হলেও উপরের বায়ুমন্ডল বেশ শীতল থাকে।
- ফলে ভূপৃষ্ঠের জলাশয়গুলো থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে পতিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩১.
মেরুরেখার উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে কী বলে?
  1. সুমেরু
  2. নিরক্ষবৃত্ত
  3. কুমেরু
  4. কর্কটক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
ব্যাখ্যা
অক্ষরেখা (Latitude):
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০০ ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩২.
ট্রপোমণ্ডলে সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় কত তাপমাত্রা হ্রাস পায়?
  1. ৪.৫° সেলসিয়াস
  2. ৬.৫° সেলসিয়াস
  3. ৭.৫° সেলসিয়াস
  4. ৫.৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ট্রপোমণ্ডল: 
- এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)।
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

ট্রপোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
(ক) ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়
(খ) উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।
(গ) নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে।
(ঘ) ধূলিকণার অবস্থানের ফলে সমগ্র বায়ুমন্ডলের ওজনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে।
(ঙ) যে উচ্চতায় তাপমাত্রা বন্ধ হয়ে যায় তাকে ট্রপোবিরতি বলে। এখানে তাপমাত্রা-৫৪° সেলসিয়াসের নিচে হতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৩.
সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যাওয়াটা কী নামে পরিচিত?
  1. বাইস ব্যালট সূত্র
  2. কোরিওলিস প্রভাব
  3. ফেরেলের সূত্র
  4. বয়েলের সূত্র
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
ফেরেলের সূত্রের সাহায্যে: 
- সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
- এই বেঁকে যাওয়াটা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।
- বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোতের এই গতিবেগ প্রমাণ করে যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। 

উল্লেখ্য,
- বাইস ব্যালট সূত্রানুযায়ী উত্তর গােলার্ধে বায়ুপ্রবাহের দিকে পিছন করে দাঁড়ালে ডানদিকের তুলনায় বামদিকে বায়ুর চাপ কম অনুভূত হয় এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঠিক এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।
- কোরিওলিস প্রভাব বলতে বোঝায় পৃথিবীর পৃষ্ঠের সাপেক্ষে একটি সরল পথে চলমান বস্তুর (যেমন বিমান) আপাত বিচ্যুতি।
- বয়েলের সূত্র হল একটি গ্যাস আইন , যা বলে যে গ্যাসের চাপ এবং আয়তনের মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৪.
জিপিএস দ্বারা কোনটি জানা যায়?
  1. অক্ষাংশ
  2. দ্রাঘিমাংশ
  3. উচ্চতা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মানচিত্রে জিপিএস ও জিআইএস (GPS and GIS in Maps): 
- বর্তমানে মানচিত্র তৈরি, পঠন এবং ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে আধুনিক ব্যবহার হচ্ছে জিপিএস এবং জিআইএস।
- জিপিএস-এর ইংরেজি হলো Global Positioning System (GPS)।
- কোনো একটি স্থানের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে চাইলে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে জিপিএস-এর মাধ্যমে জানা।
- জিপিএস দ্বারা কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা ও দূরত্ব জানা যায়।
- এছাড়া ঐ স্থানের উত্তর দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৫.
খৈয়াছড়া ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
খৈয়াছড়া ঝর্ণা:
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় অবস্থিত। 
- স্থানীয়রা এই ঝর্ণাকে চতল বলে ডাকেন।
- খৈয়াছড়া চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ঝর্ণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

এছাড়া,
- নাফাখুম জলপ্রপাত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত।
- হিমছড়ি ঝর্ণা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পর্যটনস্থল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
The Daily Star বাংলা
১৩৬.
কে বলেছেন, "মানুষ স্বভাবতই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব। যে সমাজে বাস করে না, সে হয় পশু না হয় দেবতা”?
  1. এরিস্টটল
  2. ম্যাকাইভার
  3. প্লেটো
  4. জিসবার্গ
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
- সমাজ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Society'।
- শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ 'Socious' থেকে যার অর্থ-সহযোগিতা বা পারস্পরিক বন্ধুত্ব।
- গ্রীক দার্শনিক এরিস্টটল বলেছেন, "মানুষ স্বভাবতই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব। যে সমাজে বাস করে না, সে হয় পশু না হয় দেবতা।”
- সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার বলেন, 'সমাজ মানুষের বহুবিধ সামাজিক সম্পর্কের এক সামগ্রিক পদ্ধতি'।
- সমাজবিজ্ঞানী জিসবার্গ বলেন, "সমাজ হল সামাজিক সম্পর্কের সেই জাল, যা দ্বারা প্রত্যেক মানুষ তাদের সঙ্গীদের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই বলা যায়, সমাজের সাথে মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।”

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩৭.
মূল্যবোধের উপাদান নয় কোনটি?
  1. নীতিবোধ
  2. শৃঙ্খলা
  3. সৌজন্যবোধ
  4. অমানবিকতা
সঠিক উত্তর:
অমানবিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমানবিকতা
ব্যাখ্যা
- অমানবিকতা মূল্যবোধের উপাদান নয়। 

মূল্যবোধের উপাদান: 

- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- নিম্নে মূল্যবোধের কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-
ক. নীতিবোধ: নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়। 
খ. শৃঙ্খলা: শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। 
গ. সহমর্মিতা: মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। 
ঘ. সৌজন্যবোধ: ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। 
চ. মানবিকতা: মানবিকতা মানুষের শ্রেষ্ঠ গুণ। মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তি অবশ্যই মানবিক গুনাবলির অধিকারী হবে।
ছ. শ্রমের মর্যাদা: শ্রমের মর্যাদা দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য। এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩৮.
রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে কোন মতবাদ সবচেয়ে প্রাচীন মতবাদ?
  1. ঐশ্বরিক মতবাদ
  2. বল প্রয়োগ মতবাদ
  3. সামাজিক চুক্তি মতবাদ
  4. ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ
সঠিক উত্তর:
ঐশ্বরিক মতবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐশ্বরিক মতবাদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত মতবাদ: 
- সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ অতীত ইতিহাস, সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনাবলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ বা তত্ত্ব ব্যক্ত করেছেন।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মতবাদগুলো হচ্ছে:
১। ঐশ্বরিক বা বিধাতার সৃষ্টিমূলক মতবাদ, 
২। বল প্রয়োগ মতবাদ, 
৩। পিতৃতান্ত্রিক মতবাদ, 
৪। মাতৃতান্ত্রিক মতবাদ, 
৫। সামাজিক চুক্তি মতবাদ, 
৬। ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ। 

ঐশ্বরিক বা বিধাতার সৃষ্টিমূলক মতবাদ:
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে ঈশ্বর বা বিধাতার সৃষ্টিমূলক মতবাদই সবচেয়ে প্রাচীন মতবাদ।
- এ মতবাদের মূল কথা হল ঈশ্বর বা বিধাতা রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছেন।
- রাষ্ট্রের রাজা বা শাসক বিধাতার প্রেরিত প্রতিনিধি।
- শাসক বিধাতার নির্দেশেই শাসন কাজ পরিচালনা করে থাকেন।
- তাই শাসকের আদেশ অমান্য করা রাষ্ট্রীয় অপরাধ।
- কেননা তাঁর আদেশ-নির্দেশ স্বয়ং বিধাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত।
- শাসকের আদেশ অমান্য করার অর্থ হল বিধাতাকে অমান্য করা।
- রাজা জনগণের প্রতিনিধি নয় বরং ঈশ্বরের প্রতিনিধি।
- রাজা তাঁর কাজকর্মের জন্য জনগণের কাছে নয়, ঈশ্বরের কাছে দায়ী থাকবেন।
- এ মতবাদের সমর্থক ছিলেন মধ্যযুগের রাষ্ট্রচিন্তাবিদ সেন্ট অগাস্টিন, সেন্ট টমাস এ কুইনাস, ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই, ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস এবং তাঁর পুত্র প্রথম চার্লস।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
জীবন ধারণের অধিকার কোন ধরনের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সামাজিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. রাজনৈতিক অধিকার
  4. ধর্মীয় অধিকার
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা
সামাজিক অধিকার:
- যে সকল অধিকার সভ্য সমাজে বাস করার জন্য প্রয়োজন তাকে সামাজিক অধিকার বলে।
- যেমন-জীবন ধারণের অধিকার, সম্পত্তি রক্ষার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি।
- এ অধিকার ছাড়া নাগরিকের সমাজ জীবন চিন্তা করা যায় না।

অর্থনৈতিক অধিকার:
- অর্থনৈতিক অধিকার বলতে সেই সকল সুযোগ-সুবিধা বোঝায় যা নাগরিকের জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমে জীবন ধারণের নিশ্চয়তা দেয়।
- অর্থনৈতিক অধিকার ছাড়া নাগরিক জীবন চিন্তা করা যায় না।
- যেমন-কর্মের অধিকার, ন্যায্য মুজুরি পাবার অধিকার, পেশা পছন্দের অধিকার।
- অর্থনৈতিক অধিকার অন্যান্য অধিকারের পূর্বশর্ত।

রাজনৈতিক অধিকার:
- প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকার কে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- রাজনৈতিক অধিকার ভোগের মাধ্যমে নাগরিকগণ রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।
- তাছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক অধিকার ভোগের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করা যায়।
- যেমন-ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার। 
- রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করলে নাগরিকদের মাঝে সচেতনা ও দেশপ্রেম জাগ্রত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪০.
"স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই" - কে বলেছেন?
  1. হার্বার্ট
  2. আর্নেস্ট বার্কার
  3. এ ভি ডাইসি
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
আর্নেস্ট বার্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্নেস্ট বার্কার
ব্যাখ্যা
আইন ও স্বাধীনতা (Law and Liberty):
- নাগরিক জীবনে আইন ও স্বাধীনতার অনেক প্রভাব রয়েছে।
- আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় এবং পরস্পর নির্ভরশীল।
- কোন কোন ক্ষেত্রে আইনকে স্বাধীনতার পরিপন্থীও মনে হয়।
- আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক সংক্রান্ত দুটি পরস্পর বিরোধী মতবাদ প্রচলিত রয়েছে।
- প্রথম দলটি মনে করেন, আইন ও স্বাধীনতা গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।
- এরিস্টটল, মন্টেস্কু, রিচি, উইলোবি, আর্নেস্ট বার্কার, জন লক প্রমুখ মনীষী এই মতের সমর্থক।
- আর্নেস্ট বার্কারের ভাষায়, "স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই" (Liberty and law do not quarrel).
- আবার কেউ কেউ মনে করেন যে, আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর বিরোধী।
- হার্বার্ট, এ ভি ডাইসি প্রমুখ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এই দলের অন্তর্গত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।