পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৪৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৮
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪৬ প্রশ্ন

.
"Shall I compare thee to a summer’s day?" is a poem penned by-
  1. William Shakespeare
  2. Andrew Marvell
  3. Edmund Spenser
  4. Elizabeth Barrett Browning
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
ব্যাখ্যা

• "Shall I Compare Thee to a Summer's Day?" is a poem penned by William Shakespeare.

• Sonnet 18: Shall I compare thee to a summer’s day?:
- এটি William Shakespeare -এর অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রেমময় সনেট।
- Shakespeare এই সনেটে প্রিয়জনকে গ্রীষ্মের দিনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন— "তোমাকে কি গ্রীষ্মের দিনের সঙ্গে তুলনা করব? না, তুমি তার চেয়েও সুন্দর এবং শান্ত।"
- এই কবিতার মূলভাব হলো- প্রকৃতি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু প্রেম ও সৌন্দর্য কবিতার মাধ্যমে অমর হয়ে উঠতে পারে।

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous Sonnet:
- Sonnet 18 – "Shall I compare thee to a summer’s day?",
- Sonnet 29 – "When in disgrace with fortune and men’s eyes",
- Sonnet 130 – "My mistress’ eyes are nothing like the sun".

• Narrative Poems:
- The Rape of Lucrece,
- A Lover's Complaint,
- Venus and Adonis, etc.

• Poems:
- The Phoenix and Turtle (an allegorical poem).

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Who wrote the play 'A Doll’s House'?
  1. T. S. Eliot
  2. G. B. Shaw
  3. Henrik Ibsen
  4. John Masefield
সঠিক উত্তর:
Henrik Ibsen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henrik Ibsen
ব্যাখ্যা

• The play 'A Doll's House' was written by Henrik Ibsen.

.• A Doll's House:
- 'A Doll's House' হলো প্রখ্যাত নরওয়েজিয়ান নাট্যকার এবং কবি Henrik Ibsen -এর একটি বিখ্যাত নাটক, যা ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয় ৷
- এটি আধুনিক নাট্যকলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত এবং নারীবাদের প্রতি নির্দেশিত একটি সমালোচনা ৷
নাটকটির কেন্দ্রবিন্দু একটি সাধারণ পরিবার – Torvald Helmer, একজন ব্যাংকের আইনজীবী, এবং তার স্ত্রী, Nora, এবং তাদের
তিনটি ছোট সন্তান ৷
- A Doll's House নারীর স্বাধীনতার জন্য একটি শক্তিশালী মেসেজ প্রদান করে এবং এটি আধুনিক নাটকের একটি পাথেয় হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

• Main characters:
- Nora Helmer (Heroine),
- Torvald Helmer (Husband of Nora ),
- Krogstad,
- Mrs. Linde, etc.

 • Henrik Ibsen (1828-1906):
- তার পুরো নাম Henrik Johan Ibsen.
- Henrik Ibsen ছিলেন একজন প্রখ্যাত নরওয়েজিয়ান নাট্যকার এবং কবি, যিনি আধুনিক নাট্যকলার জনক হিসেবে পরিচিত।
- Henrik Ibsen আধুনিক নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

• Notable Works (plays):
- A Doll's House,
- An Enemy of the People,
- Ghosts,
- Love's Comedy,
- The Lady from the Sea,
- The Master Builder,
- The Pretenders,
- The Wild Duck, etc.

Source: Britannica.

.
"He is a walking dictionary."
This is an example of –
  1. Metaphor
  2. Simile
  3. Hyperbole
  4. Personification
সঠিক উত্তর:
Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Metaphor
ব্যাখ্যা

• "He is a walking dictionary."
- This is an example of – Metaphor.
 - He is compared to a dictionary without using 'like' or 'as'.

​• Metaphor (রূপকালংকার):
- A metaphor is a direct comparison between two unlike things without using “like” or “as”.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

​• Metaphor এর কিছু উদাহরণ হলো-
- "Life is but a walking shadow."
- "Revenge is a wild justice."
- "All the world's a stage, And all the men and women merely players

অন্যদিকে,
খ) Simile (উপমা):
• An explicit comparison between two different things is called a simile.
- Usually, as and like are used in it. In simile, the resemblance is explicitly indicated by the words.
- অর্থাৎ, দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: Love is like a battlefield.

গ) Hyperbole (অতিশয়োক্তি):
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।
- যেমন: Ten thousand saw I at a glance.

ঘ) Personification (ব্যক্তিরূপ দান):
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ, নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: The wind whispered through the trees.

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
"No Second Troy" is a famous-
  1. play
  2. poem
  3. novel
  4. short story
সঠিক উত্তর:
poem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
poem
ব্যাখ্যা

• 'No Second Troy' is a famous poem.

• No Second Troy:
- এটি  W. B. Yeats রচিত একটি কবিতা,
- এই কবিতাটি Yeats তার প্রেমিকা Maud Gonne এর কাছ থেকে পাওয়া final rejection এর পর লিখা।
- ‘No Second Troy’ was written after the final rejection of Yeats’s love offer and sudden marriage to John MacBride, who, ironically, was later made the martyr of the Irish Freedom Movement by the efforts of Yeats himself.
- কবিতাটি blank verse এ রচিত দুই স্তবক বিশিষ্ট একটি কবিতা।
- এতে মোট ১২টি লাইন রয়েছে।

• কবিতাটির শেষ দুটি পঙক্তি হচ্ছে-
- "Why, what could she have done, being what she is?
Was there another Troy for her to burn?"

• William Butler Yeats (1865-1939):
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে তিনি এবং তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable poems:
- Easter 1916,
- September 1913,
- No Second Troy,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- The Stolen Child,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
"September on Jessore Road" is a poem written by-
  1. Irish poet
  2. American poet
  3. South-Asian poet
  4. British poet
সঠিক উত্তর:
American poet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
American poet
ব্যাখ্যা

• "September on Jessore Road" is a poem written by an American poet.

• September on Jessore Road:
- এটি একটি long poem.
- এই patriotic poem টি রচনা করেন American poet ও activist Allen Ginsberg.
- তিনি 1971 সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব বাংলা শরণার্থীদের দুর্দশা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- গিন্সবার্গ এটি লিখেছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যশোর সড়কের শরণার্থী শিবিরগুলো পরিদর্শন করার পর।

• Allen Ginsberg (1926-1997):
- ছিলেন একজন মার্কিন কবি এবং বিট প্রজন্মের (Beat Generation) অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।
- অ্যালেন গিন্সবার্গ আমেরিকার সাহিত্যে Beat Movement-এর অন্যতম কণ্ঠস্বর।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা হলো “Howl” (1956), যেখানে তিনি আধুনিক সমাজের ভণ্ডামি, যুদ্ধ, ভোগবাদ, মানসিক অস্থিরতা ও যৌন স্বাধীনতা নিয়ে প্রতিবাদ করেন।
- তিনি কবিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা, প্রতিবাদ এবং মুক্তচিন্তার প্রতীক হয়ে ওঠেন।

• Notable works:
- Howl (Epic poem),
- The Letters of Allen Ginsberg,
- Planet News,
- Reality Sandwiches,
- Wait Till I’m Dead: Uncollected Poems,
- The Fall of America: Poems of These States, 1965-1971, etc.

Source: Britannica.

.
Which of the following is written by Harold Pinter?
  1. Waiting for Godot
  2. Murder in the Cathedral
  3. Exiles
  4. The Birthday Party
সঠিক উত্তর:
The Birthday Party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Birthday Party
ব্যাখ্যা

• The play 'The Birthday Party' is written by Harold Pinter.

• The Birthday Party:
- এটি ১৯৫৮ সালে লিখা এবং ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- The Birthday Party হচ্ছে Harold Pinter এর প্রথম full-length play যা তাঁর trademark 'comedy of menace,' সাহিত্য জগতে প্রতিষ্ঠা করে।
- এই নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র Stanley যে একটি সস্তা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে একটি  বাড়িতে ভাড়া থাকে।
- সে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা করে এবং ভাবে যে Goldberg and McCann নামের দুইজন মানুষ অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তাকে অনুসরণ করছে এবং তার ক্ষতি করতে চায়।
- তার বাড়ীওয়ালা মহিলা একটি জন্মদিনের পার্টি আয়োজন করে।
- পুরো সময় জুড়ে Stanley এর আতঙ্ক, এবং তার মানসিক অবস্থার বিবরণ দিয়ে নাটকের কাহিনি এগিয়ে চলে।

• Main Characters:
- Stanley Webber,
- Meg Boles,
- Petey Boles,
- Goldberg (also called Nat),
- McCann,
- Lulu, etc.

• Harold Pinter (1930-2008):
- তিনি একজন ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং নাট্যকারদের একজন হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরুষ্কার লাভ করেন।

• Notable works:
- Moonlight,
- The Birthday Party,
- The Caretaker,
- The Dumb Waiter,
- The Homecoming,
- The Room, etc.

অন্যদিকে,
ক) Waiting for Godot is a play written by Samuel Beckett.

খ) Murder in the Cathedral is a play written by T.S. Eliot.

গ) Exiles is a play written by James Joyce.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
"The Excursion" is a _______ poem.
  1. Modern
  2. Romantic
  3. Victorian
  4. Metaphysical
সঠিক উত্তর:
Romantic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic
ব্যাখ্যা

• "The Excursion" is a Romantic poem.

• The Excursion:
- "The Excursion" William Wordsworth এর একটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা, যা প্রথম প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- কবিতাটির প্রতিটি চরিত্র জীবনের বিভিন্ন দর্শন, সমাজ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- কবিতার পটভূমি ইংল্যান্ডের Lake District, যা চরিত্রগুলোর ভাবনার প্রেক্ষাপট এবং প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে।
- পুরো কবিতায় মানুষের জীবন, প্রকৃতির চিকিৎসাশক্তি, এবং কল্পনা ও স্মৃতির ভূমিকা নিয়ে গভীর দার্শনিক আলোচনা রয়েছে।

• William Wordsworth (1770-1850):
- William Wordsworth একজন ইংরেজ কবি ছিলেন।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period এর একজন অন্যতম কবি।
- তিনি স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের সঙ্গে মিলিত হয়ে Lyrical Ballads (১৭৯৮) রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।
- Lyrical Ballads এর দ্বিতীয় সংস্করণের (১৮০০) ভূমিকায় তিনি যে নীতিমালা ব্যাখ্যা করেন, তা ছিল বিপ্লবাত্মক।
- Wordsworth সাধারণ মানুষের জীবনের ঘটনা ও পরিস্থিতি নিয়ে কবিতা লিখতে চেয়েছিলেন এবং সেই কবিতাগুলোতে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত ভাষা প্রয়োগের চেষ্টা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে তারা ইংরেজি ভাষার সাহিত্যকে আমূল পরিবর্তন করেন।

• Famous poems:
- Tintern Abbey,
- The Solitary Reaper,
- The Daffodils,
- Ode: Intimations of Immortality,
- The Excursion,
- Rainbow,
- The Prelude or Growth of a Poet’s Mind,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- The Ruined Cottage,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- Michael, 
- The World Is Too Much with Us (sonnet), etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
The idiom "Hold water" means-
  1. Carry the bad
  2. Keep patience
  3. To seem reasonable
  4. To be full of emotion
সঠিক উত্তর:
To seem reasonable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To seem reasonable
ব্যাখ্যা

• The idiom 'Hold water' means- To seem reasonable.

• Hold water (idiom)
- English Meaning: to seem to be true or reasonable; (of a statement, theory, or line of reasoning) appear to be valid, sound, or reasonable.
- Bangla Meaning: ধোপে টেকা; সত্য বা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হওয়া।

• Ex. Sentence: Her argument just does not hold water.
- Bangla Meaning: তার যুক্তিটি ধোপে টেকে না।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Dictionary.

.
Which of the following words is masculine?
  1. Orphan
  2. Wizard
  3. Duck
  4. Silver
সঠিক উত্তর:
Wizard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wizard
ব্যাখ্যা

• 'Wizard' is masculine.

• Wizard [masculine]:
- English Meaning: one skilled in magic: sorcerer.
- Bangla Meaning: জাদুকর। (২) বিস্ময়কর ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি।

• 'Witch' (মহিলা জাদুকর) is the feminine form of- Wizard.

অন্যদিকে,
ক) Orphan হলো common gender (ছেলে/মেয়ে দুজনকেই বোঝায়).

গ) Duck (পাতিহাঁসী) হলো feminine gender.
- এর masculine gender হচ্ছে Drake (পাতিহাঁস).

ঘ) Silver (রূপা) হলো neuter gender.

Source: 
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১০.
The library is full today. Students _______ for exams.
  1. must prepare
  2. must have prepared
  3. must be preparing
  4. must be prepare
সঠিক উত্তর:
must be preparing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
must be preparing
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The library is full today. Students must be preparing for exams.
- Bangla meaning: আজ লাইব্রেরি ভর্তি। শিক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

• Must/mustn't -এর ব্যবহার:
- Must is used to show that it is necessary or very important that something happens in the present or future.
- অর্থাৎ, কোনো কিছু করা খুব জরুরি দরকার, কোনো নিশ্চিত অনুমান, বাধ্যবাধকতা বোঝাতে Must ব্যবহার করা হয়।

- আবার "Mustn't" (must not) ব্যবহার করা হয় কিছু কঠোরভাবে নিষিদ্ধ বা অনুমোদিত নয় তা বোঝাতে।
- যেমন: It's a hospital. You mustn't smoke.

• আবার,
- কোনো ঘটনা (জানা/পূর্বে উল্লিখিত) থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, কোনো কিছু বর্তমানে অবশ্যই ঘটছে এরকম ক্ষেত্রে "Must be + verb-ing" বসে।
- প্রদত্ত বাক্যে "The library is full today" দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাই "must be preparing" ব্যবহার করতে হবে।
- Must be + verb-ing indicates a strong certainty about an ongoing action in the present.
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হিসেবে শূন্যস্থানে "must be preparing" বসবে।

অন্যদিকে,
ক) must prepare:
- এটি দ্বারা সাধারণ বাধ্যবাধকতা বুঝাচ্ছে, কিন্তু (why the library is full today) এর ব্যাখ্যা দিচ্ছে না।
- অর্থাৎ, বাক্যে ongoing action বুঝাচ্ছে তাই present continous ব্যবহার করতে হবে।

খ) must have prepared:
- অতীতে কোনো কাজ অবশ্যই ঘটে থাকবে এমন নিশ্চিত অনুমান বোঝাতে must have + V3 ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত must -এর past form নেই, তাই past tense হিসেবে must have + V3 ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: They must have prepared well for the exam last week.

ঘ) must be prepare:
- Grammatically incorrect; after "must be," we use the present participle (verb + -ing), not the base form.

Source:
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. Cambridge Dictionary.

১১.
The movement quickly gained a following among young people.
Here, 'following' is-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Preposition
  4. Adjective
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

• The movement quickly gained a following among young people.
- Here, 'following' is- Noun.

• Following (noun)
- English Meaning: a group of followers, adherents, or partisans; what follows or comes next.
- Bangla Meaning: সমর্থকমণ্ডলী; অনুগামীবৃন্দ।

- যেমন: The movement quickly gained a following among young people.
- আন্দোলনটি দ্রুত তরুণদের মধ্যে একটি অনুসারী গোষ্ঠী অর্জন করেছিল।

তাছাড়া,
- 'Following' শব্দটি adjective ও preposition হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 

• Following (adjective): being next in order or time.
- যেমন: The following day, morning, etc.

• Following (preposition): after"পরবর্তী", "পরে", বা "অনুসরণ করে"।
- সাধারণত noun/pronoun বা noun phrase -এর পূর্বে preposition বসে।
- যেমন: Following the lecture, refreshments were served.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২.
"A utopian community in which all rule equally" is called-
  1. Plutocracy
  2. Pantisocracy
  3. Timocracy
  4. Meritocracy
সঠিক উত্তর:
Pantisocracy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pantisocracy
ব্যাখ্যা

• "A utopian community in which all rule equally" is called 'Pantisocracy'.

• Pantisocracy (Noun)
- English Meaning: a utopian community in which all rule equally.
- Bangla Meaning: ইউটোপিয়ান ঘরানার সামাজিক সংগঠন, যেখানে সবাই সমান, পদ ও দায়িত্বও সমান; সমকক্ষ ব্যক্তিদের কল্পিত সমাজ।

• Other options:
ক) Plutocracy:
- English Meaning: A system of government in which the richest people in a country rule or have power.
- Bangla Meaning: ধনিকগোষ্ঠী; ধনিকতন্ত্র।

গ) Timocracy:
- English Meaning: A government in which a certain amount of property is necessary for office.
- Bangla Meaning: সম্পত্তি বা সম্মানের ভিত্তিতে শাসন।

ঘ) Meritocracy:
- English Meaning: A government or the holding of power by people selected according to merit.
- Bangla Meaning:  যে সরকার বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উচ্চ ব্যবহারিক যোগ্যতা ও ধীসম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
Please look into the matter.
Here, the meaning of the verbal phrase ‘look into’ is-
  1. To improve
  2. To take care of
  3. To investigate
  4. To observe
সঠিক উত্তর:
To investigate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To investigate
ব্যাখ্যা

• Please look into the matter. (দয়া করে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখুন।)
- Here, the meaning of the verbal phrase ‘look into’ is - to investigate.

• Look into something
- English Meaning: investigate something; to examine the facts about a problem or situation.
- Bangla Meaning: তদন্ত করা; পরীক্ষা করা; খতিয়ে দেখা; গভীরে প্রবেশ করা।

- It is often used in formal or professional contexts to indicate a need for inquiry or analysis.
-যেমন: The police will look into the case. (Meaning: They will investigate the case.)

• অন্যদিকে,
ক) To improve - উন্নত করা।

খ) To take care of - দেখাশোনা করা; তত্ত্বাবধান করা।
- it does not imply investigation.

ঘ) To observe - লক্ষ করা; মনোযোগসহকারে দেখা; পর্যবেক্ষণ করা।
- It lacks the active inquiry implied by "look into".

 Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.

১৪.
What is the adjective of 'Laugh'?
  1. Laughingly
  2. Laughter
  3. Laugh
  4. Laughable
সঠিক উত্তর:
Laughable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Laughable
ব্যাখ্যা

• The adjective of 'Laugh'' is - Laughable.

• Laugh (verb, noun)
- English Meaning: the act of laughing; to smile while making sounds with your voice that show you think something is funny or you are happy.
- Bangla Meaning: শব্দ করে হাসা; হাসার শব্দ; হাস্যধ্বনি; হাসা।

• Laughable (Adjective)

- English meaning: Silly and not worth taking seriously.
- Bangla meaning: হাস্যকর; কৌতুকজনক।

• Other forms:
- Laughter (Noun) - হাস্য; সশব্দ হাসি।
- Laughably (Adverb) - হাস্যকরভাবে।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫.
Rajib has read ________ Shakespeare's Hamlet.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. No article
সঠিক উত্তর:
No article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No article
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Rajib has read Shakespeare's Hamlet.
- Bangla meaning: রাজীব শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট পড়েছেন।

• ​Article এর নিয়মানুযায়ী,
- লেখকের নাম যদি তার রচিত সাহিত্যকর্ম বুঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাহলে এর পূর্বে কোনো article বসে না।
- আবার গ্রন্থের নামের পূর্বে লেখকের নাম থাকলে তার পূর্বে কোনো article বসে না।

- প্রদত্ত প্রশ্নে গ্রন্থের (Hamlet) নামের পূর্বে লেখকের নাম Shakespeare আছে, তাই এর পূর্বে কোনো article বসবে না।

• More examples:
- She reads Nazrul's Agnibina.
- I have read Rabindranath.

১৬.
Which word is similar to 'Infrequent'?
  1. Dismay
  2. Occasional
  3. Solicit
  4. Ordinary
সঠিক উত্তর:
Occasional
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Occasional
ব্যাখ্যা

• The word 'occasional' is similar to 'Infrequent'.

• Infrequent (adjective)
- English Meaning: seldom happening or occurring: rare.
- Bangla Meaning: বিরল; বিরলাগত; অনৈত্যিক; অপৌনঃপুনিক।

• Given options:
ক) Dismay - হতাশার অনুভূতি বা আতঙ্ক; আতঙ্কিত করা।

খ) Occasional - নিয়মিত নয়; মাঝেমধ্যে ঘটে, আসে, দেখা যায় এমন; আকস্মিক।

গ) Solicit - (কোনো কিছুর জন্য) সনির্বন্ধ আবেদন করা; অনুরোধ করা।

ঘ) Ordinary - স্বাভাবিক; সাধারণ; গড়পড়তা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The word 'occasional' is similar to 'Infrequent'.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৭.
Do you mind _______ the window?
  1. open
  2. my opening
  3. me to open
  4. mine opening
সঠিক উত্তর:
my opening
উত্তর
সঠিক উত্তর:
my opening
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: Do you mind my opening the window?
- Bangla: আমার জানালা খুলায় আপনার আপত্তি আছে কি?

• Gerund (verb+ing) এর পূর্বে Possessive Adjective বসে।
- অর্থাৎ, Preposition এবং gerund (verb+ing) এর মাঝে Possessive Adjective বসে।

• Structure: preposition + Possessive Adjective + gerund (verb+ing).

• More Examples:
- Do you mind my using your phone?
- I appreciate your coming early to help me.

অন্যদিকে,
 ক) open: After "mind," we need a gerund (opening), not the base form of the verb.

 গ) me to open: The infinitive ("to open") is not used after "mind".
- "mind" এর পরে সাধারণত Gerund বসে infinitive বসে না।

ঘ) mine opening: "Mine" is a possessive pronoun and cannot be used before a verb.
- অর্থাৎ, Gerund -এর পূর্বে possessive adjective ব্যবহৃত হয়, possessive pronoun নয়।

১৮.
She completed the project with utmost care and attention.
Here, the underlined part is-
  1. Verbal phrase
  2. Noun phrase
  3. Adverb phrase
  4. Adjective phrase
সঠিক উত্তর:
Adverb phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb phrase
ব্যাখ্যা

- She completed the project with utmost care and attention.
- Here, the underlined part is an Adverb phrase.

- এখানে "with utmost care and attention" অংশটি একটি Adverb Phrase.
- এটি "completed" verb কে modify করে এবং বোঝায় কীভাবে সে project টি করেছে।
- এই Phrase-টি একটি preposition ("with") এবং noun phrase (utmost care and attention) নিয়ে গঠিত।
- It answers the question: "How did she complete the project?" → "With utmost care and attention."

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে।
- সাধারণত বাক্যকে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

অন্যদিকে,
ক) Verbal phrase:
- যে phrase - verb-এর কাজ করে তাকে Verbal Phrase বলে।
- A verbal phrase would include a verb form.
- Example: You ought to respect your elders.

খ) Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- A noun phrase acts as a subject or object.
- Example: The tall man entered the room. 

ঘ) Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun/noun phrase -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Example: The pond in front of our building is full of garbage.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৯.
Which word means the opposite of 'Churlishness'?
  1. Rudeness
  2. Gentility
  3. Abundance
  4. Irascibility
সঠিক উত্তর:
Gentility
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gentility
ব্যাখ্যা

• 'Gentility' means the opposite of 'Churlishness'.

• Churlishness (noun)
- English Meaning: The quality of being rude, unfriendly, and unpleasant.
- Bangla Meaning: অসভ্যতা, অভদ্রতা, অমার্জিত ব্যবহার, রুক্ষতা।

• Given options:
ক) Rudeness - (কোনো ব্যক্তি এবং তার বাক্য ও আচরণ) অভদ্র; অমার্জিত; রূঢ়।

খ) Gentility - ভদ্রতা; পরিশীলতা।

গ) Abundance - অতিপ্রাচুর্য।

ঘ) Irascibility - ক্রোধিষ্টতা; স্বভাবকোপিত্ব; ক্রুদ্ধ আচরণ।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে,  'Gentility' means the opposite of 'Churlishness'.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২০.
The police officer saw a thief ______ on a bicycle.
  1. escaping
  2. to escape
  3. escaped
  4. escapes
সঠিক উত্তর:
escaping
উত্তর
সঠিক উত্তর:
escaping
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The police officer saw a thief escaping on a bicycle.
- Bangla meaning: পুলিশ অফিসার একজন চোরকে সাইকেলে করে পালাতে দেখলেন।

• Hear, see, etc. + object + Bare infinitive or verb+ing:
- Hear, see, notice, watch ইত্যাদি verb গুলোর object এর পরে Bare infinitive এবং verb+ing উভয়ের ব্যবহার থাকলেও verb+ing -এর ব্যবহার বেশি প্রচলিত।

- The bare infinitive often emphasises the whole action or event which someone hears or sees.
- অর্থাৎ, পুরো কাজ বা ঘটনাটা দেখার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে bare infinitive বসে।

- The -ing form usually emphasises an action or event which is in progress or not yet completed.
- কিন্তু, চলমান বা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি এরকম কাজের ক্ষেত্রে verb+ing বসে।

অন্যদিকে,
খ) to escape:
- "see" এর পরে ongoing actions এর ক্ষেত্রে the infinitive ("to escape") ব্যবহার হয় না।

গ) escaped:
- এটি past tense, এবং "saw a thief escaped" is grammatically incorrect.

ঘ) escapes: 
- This is the present simple tense, which is used for habits or general truths, not for actions observed in progress.
- অর্থাৎ, "action that was in progress" এর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হয় না।

Source: 
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge English Grammar.

২১.
Choose whichever option seems best.
This is an example of-
  1. Simple sentence
  2. Compound sentence
  3. Complex sentence
  4. Optative sentence
সঠিক উত্তর:
Complex sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Complex sentence
ব্যাখ্যা

• Choose whichever option seems best.
- This is an example of a Complex sentence.

- প্রদত্ত বাক্যটি মূলত একটি জটিল বাক্য বা Complex sentence.
- Choose এখানে একটি imperative main clause.
- এবং এর সাথে dependent clause (whichever option seems best) বসেছে।
- Dependent clause এখানে object of the verb “choose” হিসাবে কাজ করছে।

• Complex sentence:
- Complex sentence এ প্রধানত একটি prinicpal clause থাকে এবং এক বা একাধিক subordinate clause থাকে।
- Dependent clause বা subordinate clause টি prinicpal clause/main clause -এর উপর নির্ভরশীল থাকে।
- Complex sentence এর subordinate clause -এর শুরুতে সাধারণত if, lest, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, whatever ,while, ইত্যাদি বসে।

• অন্যদিকে,
• Simple sentence:
- A simple sentence has only one independent clause and no dependent clauses.
- অর্থাৎ, একটি Simple sentence -এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে।
- যেমন: I saw him running.

• Compound sentence:
- Requires two independent clauses joined by a coordinating conjunction like "and," "but," etc.
- অর্থাৎ, Compound sentence -এ একের অধিক prinicpal clause থাকে যেগুলো coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে তাদেরকে coordinate clause বলা হয়।
- যেমন: Do or die.

• Optative sentence:
- An optative sentence expresses a wish or prayer.
- যেমন: May you succeed!

Source:
1. Cliff's TOEFL.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hossain.

২২.
Fill in the blank:
Just as I started my story, he broke __ to give his opinion.
  1. out
  2. in
  3. off
  4. down
সঠিক উত্তর:
in
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Just as I started my story, he broke in to give his opinion.
- Bangla: যখনই আমি আমার গল্প শুরু করলাম, আর অমনি সে কথার মাঝেই নিজের মতামত দিতে শুরু করল।

• Break-in [phrasal verb]
- English Meaning: to enter something without consent or by force; to interrupt when someone else is talking.
- Bangla Meaning: বলপূর্বক প্রবেশ করা; কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে কথা বলা।

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -in.

• অন্যদিকে,
- break out (of) - পলায়ন করা।
- break out in (ক) আচ্ছাদিত হওয়া (খ) কথা বা আচরণে হঠাৎ উগ্রতা প্রদর্শন করা
- Break off - কথা বলতে বলতে থেমে যাওয়া।
- Break down - ভেঙ্গে পড়া। 
- Break into- কোন কিছু ভেঙ্গে বলপূর্বক প্রবেশ করা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৩.
What is the indirect form of: The headmistress says, "The school will remain closed tomorrow."?
  1. The headmistress says that the school would remain closed the next day.
  2. The headmistress told that the school would remain closed the next day.
  3. The headmistress says that the school will be remain closed the next day.
  4. The headmistress says that the school will remain closed the next day.
সঠিক উত্তর:
The headmistress says that the school will remain closed the next day.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The headmistress says that the school will remain closed the next day.
ব্যাখ্যা

- Direct: The headmistress says, "The school will remain closed tomorrow."
- Indirect: The headmistress says that the school will remain closed the next day.​

​• Assertive sentence -এর Direct speech থেকে Indirect speech করা নিয়ম:
- প্রথমে Reporting verb-এর Subject বসে এবং তারপর Reporting verb (say/said, tell/told) বসে (যদি থাকে)।
- Reporting verb টি present/future tense -এ থাকলে Reported speech -এর tense -এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তারপর Inverted comma (" ") উঠিয়ে দিয়ে conjunction হিসেবে that বসানো হয়।
- Reported speech-এর person পরিবর্তন করতে হয়।
- নৈকট্যবাচক শব্দ Indirect speech -এ দূরত্ববাচক শব্দে পরিবর্তিত হয় ("tomorrow" becomes "the next day")।

অন্যদিকে,
ক) এখানে reporting verb "says" present tense -এ আছে, তাই Reported speech -এ "would" (past tense) হবে না।

খ) Direct speech -এ reporting verb "says" present tense -এ আছে, তাই reporting verb to "told" (past tense) হবে না।

গ) Uses "will be remain", which is grammatically incorrect (should be "will remain").

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৪.
If they practice daily, they’ll improve, ________?
  1. don't they
  2. won't they
  3. do they
  4. will they
সঠিক উত্তর:
won't they
উত্তর
সঠিক উত্তর:
won't they
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: If they practice daily, they’ll improve, won't they?

• Complex sentence -এর Tag question করার নিয়ম:
- Complex sentence -এ Clause marker (if, unless, that, etc.) থাকলে main clause -এর sub ও verb অনুযায়ী tag question হয়।
- কিন্তু Clause marker না থাকলে subordinate clause অনুসারে tag question হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে যেহেতু If আছে, তাই tag question টি main clause (they’ll improve) অনুযায়ী হবে।
- আবার, Statement positive হলে tag question টি negative হবে।
- আর statement negative হলে tag question টি positive হবে।
- এখানে main clause হলো positive, তাই tag টি negative ("won't they?") হবে।

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক tag question টি হবে- won't they?

২৫.
Identify the correct sentence:
  1. He described about the painting in detail.
  2. He described on the painting in detail.
  3. He described the painting in detail.
  4. He described about the painting in details.
সঠিক উত্তর:
He described the painting in detail.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He described the painting in detail.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: He described the painting in detail.

• "describe’’ verb টি যখন transitive verb হিসেবে থাকে তখন এর পরে সাধারণত preposition বসে না, direct object বসে । 
- প্রদত্ত বাক্যে "describe’’ -এর পরে object হলো the painting.
- সুতরাং এর পূর্বে আর কোন preposition বসবে না।

• এরকম আরও কিছু verb হলো-
- discuss, order, request, approach, enter, etc.

• More examples:
- Wrong: We discussed about the matter yesterday.
- Right: We discussed the matter yesterday.

অন্যদিকে,
ক) He described about the painting.
- এখানে "described’’ -এর পরে "about" বসেছে তাই ভুল।

খ) He described on the painting...: "On" is unnecessary and incorrect.
- এখানে "described’’ -এর পরে "on" বসেছে তাই ভুল।

ঘ) He described about the painting in details:
- এখানে "described’’ -এর পরে "about" বসেছে আবার "in detail" এর পরিবর্তে "in details" বসেছে তাই ভুল।

২৬.
Which of the following is correct?
  1. Would you please tell us when will the next bus come?
  2. Would you please tell us when the next bus comes?
  3. Would you please tell us when does the next bus come?
  4. Would you please tell us when the next bus does come?
সঠিক উত্তর:
Would you please tell us when the next bus comes?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Would you please tell us when the next bus comes?
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: Would you please tell us when the next bus comes?

• Embedded question এর নিয়মানুযায়ী:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য (indirect question) সন্নিবেশিত করা হয়।
- অর্থাৎ, wh-word দ্বারা subordinate clause শুরু হয় এবং subordinate clause টি কখনোই Interrogative হয় না, সর্বদাই assertive হয়ে থাকে।
- এরা প্রশ্নের মত কিন্তু প্রশ্ন নয়।
- Wh words সমূহ sentence এর মাঝে বসলে প্রশ্ন করার যোগ্যতা হারায়।
- এমন বাক্যের প্রথম অংশে যেকোনো বাক্য এমনকি প্রশ্নবোধক বাক্য ও বসতে পারে।
- প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং না থাকলে full stop হয়।

- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যের প্রথম অংশে প্রশ্ন বোধক বাক্য বসেছে, তাই এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসবে এবং subordinate clause এ wh word এর পর subject + verb +ext. বসবে।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে- Would you please tell us when the next bus comes?

• Embedded question -এর Structure:
1. Interrogative + assertive + question mark:
- Example: Can you tell me where he is?
2. Imperative sentence + subordinate clause + full stop:
- Example: Tell me how you are.
3. Assertive sentence + subordinate clause + full stop:
- Example: I don't know who he is.

অন্যদিকে,
ক) "when will the next bus come?": Uses question word order (auxiliary "will" before subject "the next bus"), তাই এটি ভুল।

গ) "when does the next bus come?": Similarly, uses question word order ("does" before subject).

ঘ) "when the next bus does come?": এখানে "does" এর ব্যবহার ভুল।

২৭.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের চরিত্র কোনটি?
  1. পাটানী
  2. বড়াই 
  3. ভাঁড়ুদত্ত 
  4. রাম
সঠিক উত্তর:
বড়াই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়াই 
ব্যাখ্যা

• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য:
- বড়ু চণ্ডীদাস আনুমানিক ১৩০৯ খ্রিষ্টাব্দে ছাতনা, বাঁকুড়া মতান্তরে বীরভূমের নানুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

- 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' বড়ু চণ্ডীদাসের রাধাকৃষ্ণনের প্রণয় বর্ণনার মাধ্যমে ঈশ্বরতত্ত্ব প্রকাশ করে রচিত কাব্যগ্রন্থ। এটি মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি/বড়াই।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
• অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র- ঈশ্বরী পাটনী। 
• 'ভাঁড়ুদত্ত' চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র। 
• 'রামায়ণ' কাব্যের চরিত্র রাম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৮.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. কালো বরফ
  2. জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল
  3. আর্তনাদ
  4. খেলাঘর
সঠিক উত্তর:
খেলাঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খেলাঘর
ব্যাখ্যা

'খেলাঘর' উপন্যাস:
- 'খেলাঘর' (১৯৮৮) মাহমুদুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
-  ‘খেলাঘর’ অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলাম ২০০৬ সালে  একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।
 চরিত্র: রেহানা, মুকল ও ইয়াকুব।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'কালো বরফ' (১৯৭৭): এটি ছেচল্লিশের দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে রচিত। উপন্যাসটিতে হিন্দু- মুসলমানের বিরোধ-দাঙ্গা, দ্বেষ-ক্ষোভ এবং মিলন-বিরহ পরিস্ফুটিত হয়েছে। চরিত্র: আব্দুল খালেক।

• জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোট গল্পগ্রন্থ।

• শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস- আর্তনাদ।

উৎস: 'খেলাঘর' উপন্যাস এবং  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৯.
'সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা? 
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  3. কামিনী রায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
ব্যাখ্যা

'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' পঙ্‌ক্তিদ্ব কামিনী রায় রচিত 'সুখ' কবিতার অন্তর্গত।

'সুখ' কবিতার কিছু অংশ সংক্ষেপে দেয়া হলো-

সুখ
- কামিনী রায়
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী 'পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা,
প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।

----------------------
• কামিনী রায়: 
- কামিনী রায় ছিলেন কবি ও সমাজকর্মী। ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- তিনি 'জনৈক বঙ্গমহিলা' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তিনি ১৯২৯ সালে 'জগত্তারিণী স্বর্ণপদক' লাভ করেন।
- তিনি 'নারী শ্রম তদন্ত কমিশন' (১৯২২-২৩) এর সদস্য ছিলেন।
- তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৩ সালে হাজারীবাগ, বিহারে মৃত্যুবরণ করেন।
- 'আলো ও ছায়া' (১৮৮৯): এটি তাঁর ১৫ বছর বয়সে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এ গ্রন্থের ভূমিকা লেখেন হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধৰ্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাটক)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং 'সুখ' কবিতা।

৩০.
সেলিম আল দীন রচিত নাটক- 
  1. দণ্ডকারণ্য
  2. চাকা
  3. অবরোধ
  4. রাণী পালঙ্ক
সঠিক উত্তর:
চাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকা
ব্যাখ্যা

• ‘চাকা’ নাটক:
- নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও গণতন্ত্রের ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘চাকা’।

- গরুর গাড়িতে একটি লাশ যায় গ্রামের বাড়িতে। কিন্তু ঠিকানা খুঁজে না পেয়ে সেটি ঘুরতেই থাকে। লোকনাট্য ধারায় রচিত কথানাট্যটিকে অবিরাম পথচলার এক অপূর্ব আখ্যান বলা যায়।

- ১৯৯৩ সালে এই নাটকটি নিয়ে পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম সিনেমা নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে, 
• 'দণ্ডকারণ্য' (১৯৬৬) নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এই নাটকে তিনটি পর্ব আছে। যথা-দণ্ড, দণ্ডধর, দণ্ডকারণ্য।  
• মুনাফাখোর মিল-মালিক ও শোষিত শ্রমিকদের নিয়ে 'অবরোধ' (১৯৪৭) বিজন ভট্টাচার্য রচিত একটি নাটক।
• দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক ‘রাণী পালঙ্ক’।

--------------------
• সেলিম আল দীন রচিত অন্যান্য নাটকগুলো হলো-
- ঘুম নেই,
- সর্প বিষয়ক গল্প,
- মুনতাসির’ 
- কীত্তনখোলা,
- হরগজ,
- হাতহদাই,
- ধাবমান‘সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- পুত্র,
- জুলান,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- যৈবতী কন্যার মন,
- বনপাংশুল,
- প্রাচ্য,
- নিমজ্জন,
- স্বর্ণবোয়াল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং ‘চাকা’ নাটক । 

৩১.
নিচের কোন নরবাচক শব্দের সাথে নারীবাচক শব্দের গঠনগত মিল নেই?
  1. বেদে
  2. সুন্দর
  3. বুদ্ধিমান
  4. বাদশা
সঠিক উত্তর:
বাদশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদশা
ব্যাখ্যা

কিছু নারীবাচক শব্দের সঙ্গে নরবাচক শব্দের গঠনগত মিল থাকে না।
যেমন:
- ভাই - বোন,
- পিতা - মাতা,
- ছেলে- মেয়ে,
- বর - কনে,
- বাদশা - বেগম।

অন্যদিকে,
----------------
• 'ঈ' প্রত্যয়: কিশোর-কিশোরী, নর-নারী, সুন্দর-সুন্দরী।
• 'নি' প্রত্যয়: জেলে-জেলেনি, বেদে-বেদেনি, ধোপা-ধোপানি।
• 'মতী' প্রত্যয়: বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী, শ্রীমান-শ্রীমতী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ)।

৩২.
অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি?
  1. প্রতিকূল
  2. যথাসাধ্য
  3. নিরামিষ
  4. উচ্ছৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
নিরামিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরামিষ
ব্যাখ্যা

• অব্যয়ীভাব সমাস:
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:

• অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে:
- বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল,
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল।

• অভাব (নিঃ = নির) অর্থে:
- আমিষের অভাব = নিরামিষ,
- ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা,
- জলের অভাব- = নির্জল, 
- উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ।

• অনতিক্রম্যতা (যথা) অর্থে:
- রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
- সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য

• সাদৃশ্য অর্থে:
- বনের সদৃশ = উপবন,
- শহরের সদৃশ = উপশহর।

• পশ্চাৎ অর্থে:
- পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন।

• বিরোধ (প্রতি) অর্থে:
- বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ,
- বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।

৩৩.
বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত অনুসর্গ কোনটি?
  1. মধ্যে
  2. বিনা
  3. পর্যন্ত
  4. ভিন্ন
সঠিক উত্তর:
মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যে
ব্যাখ্যা

• অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
- অনুসর্গগুলো কখনো প্রতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।

বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে এগুলো হলো:
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, পর্যন্ত, মতো, নামে, পানে, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, ভিতর, পাছে, চেয়ে ইত্যাদি।

- এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক (তৃতীয়া বিভক্তি), হইতে, হতে, চেয়ে (পঞ্চমী বিভক্তি), অপেক্ষা, মধ্যে - প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৩৪.
'যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই' এক কথায় কী বলে?
  1. অসংবৃত
  2. অবিসংবাদী
  3. অবিদীর্ণ
  4. বিবাদবিসংবাদ
সঠিক উত্তর:
অবিসংবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিসংবাদী
ব্যাখ্যা

• 'যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই' এক কথায় বলে - অবিসংবাদী।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'বসন আগলা যার' - অসংবৃত।
• 'ভেদ করা হয়নি এমন' - অবিদীর্ণ।
• 'বিবাদ বা বিরোধের অবসান' - বিবাদবিসংবাদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৫.
'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. অনিল
  2. সমীর
  3. অনল
  4. প্রভঞ্জন
সঠিক উত্তর:
অনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনল
ব্যাখ্যা

অনল (বিশেষ্য পদ),
অর্থ: অগ্নি; আগুন

• 'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ:

অনল, বহ্নি, হুতাশন, পাবক, বৈশ্বানর, দহন, সর্বভুক, শিখা, হোমাগ্নি, কৃশানু।

অন্যদিকে,
•'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান।

৩৬.
ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপটে রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. যাপিত জীবন
  2. উৎস থেকে নিরন্তর
  3. কাঁটাতারে প্রজাপতি
  4. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
সঠিক উত্তর:
উৎস থেকে নিরন্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎস থেকে নিরন্তর
ব্যাখ্যা

• ‘উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ:  
- 'উৎস থেকে নিরন্তর' সেলিনা হোসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ভাষা আন্দোলন, নারী-পুরুষের সমতা প্রত্যাশা, গ্রামীণ পারিবারিক পরিমণ্ডলের ভাঙ্গন ইত্যাদি বিষয়বস্তুর পেক্ষাপটে গল্পগুলো রচিত। 
- গৈরিক বাসনা, বৈশাখী গান, রতি বিলাস, মাস্টার, কান্নার তৃতীয় দিন, গোলাপ ফোঁটা সকাল -ইত্যাদি গল্প সংকলিত হয়েছে এই গল্পগ্রন্থে।

----------------------
সেলিনা হোসেন রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পরজন্ম,
- মানুষটি,
- মতিজানের মেয়েরা,
- অনূঢ়া পূর্ণিমা। 

তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহ:
• ‘জলোচ্ছ্বাস' (১৯৭২): দক্ষিণ বাংলার মেঘনা, তেঁতুলিয়া, আগুনমুখা, কাজল নদীর কূলে প্রতিকূল প্রকৃতি ও সামাজিক অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামশীল মানুষের জীবনধারা এ উপন্যাসের আলেখ্য।

• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬): এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন। পরবর্তীতে এটি উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন ।

• ‘যাপিত জীবন' (১৯৮১): এ উপন্যাসে ১৯৪৭-৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যাবতীয় ঘটনা কেন্দ্রীয় চরিত্র জাফর এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

• ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি' (১৯৮৬): উপন্যাস বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরী দ্বীপ নামক এক ছোট দ্বীপের ধীবর শ্রেণির মানুষের জীবন সংগ্রাম এর বাস্তব রূপায়ণ । চরিত্র: মালেক, সাফিয়া।

‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ (১৯৮৭): চল্লিশের দশকের পটভূমিতে রচিত।

• ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি' (১৯৮৯): নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।

• ‘কাকতাড়ুয়া’ (১৯৯৬): এটি শিশুতোষ উপন্যাস। এটি বুধা নামে এক এতিম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি ।

• 'যুদ্ধ' (১৯৯৮): ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। এ উপন্যাসে ১১ নম্বর সেক্টরের নারী মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক তারামন বিবির প্রসঙ্গ এসেছে।

• ‘কাঠকয়লার ছবি' (২০০১): এটি চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং ‘উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ।

৩৭.
'এ লাশ আমরা রাখব কোথায়' কবিতাটি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
  2. বন্দী শিবির থেকে
  3. নিজ বাসভূমে
  4. বিধ্বস্ত নীলিমা
সঠিক উত্তর:
নিজ বাসভূমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ বাসভূমে
ব্যাখ্যা

• 'এ লাশ আমরা রাখব কোথায়' শামসুর রাহমান রচিত একটি কবিতা। এই কবিতার মাধ্যমে কবি তৎকালীন সমাজের অস্থিরতা, রাজনৈতিক সংকট এবং মানুষের অসহায়ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন।
- ১৯৭০ সালে শামসুর রাহমানের 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থে কবিতাটি ছাপা হয়।

'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কিছু কবিতা হলো-
- বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা,
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯,
- পুলিশ রিপোর্ট,
- হরতাল,
- এ লাশ আমরা রাখব কোথায়?,
- আসাদের শার্ট ইত্যাদি।

------------------------
শামসুর রাহমান রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থ।

৩৮.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. দিকশূণ্য ভট্টাচার্য
  2. ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা
  3. শ্রীমতি মধ্যমা
  4. অনুরূপা দেবী
সঠিক উত্তর:
অনুরূপা দেবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরূপা দেবী
ব্যাখ্যা

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাতটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এগুলো হলো:
- অনিলা দেবী;
- অপরাজিতা দেবী;
- শ্রী চট্টোপাধ্যায়;
- অনুরূপা দেবী;
- পরশুরাম;
- শ্রীকান্ত শর্মা ও
- সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, 
--------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূণ্য ভট্টাচার্য,
- নবীনকিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা,
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা,
- শ্রীমতি মধ্যমা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৯.
মঙ্গলকাব্যের কবি নন কে? 
  1. বলরাম দাস
  2. ঘনরাম চক্রবর্তী
  3. বিপ্রদাস পিপিলাই
  4. নারায়ণ দেব
সঠিক উত্তর:
বলরাম দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলরাম দাস
ব্যাখ্যা

• মঙ্গলকাব্যের কবি নন- বলরাম দাস। 

• 'বলরাম দাস' বৈষ্ণব সাহিত্য-রচয়িতা। বলরাম দাস ব্রজবুলি ও বাংলা উভয় ভাষাতে পদ রচনা করলেও তার বাংলা পদগুলিই সর্বোৎকৃষ্ট। 

• বৈষ্ণব পদাবলির উল্যেখযোগ্য কবি হলেন- বিদ্যাপতি, চণ্ডিদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস। পদাবলি সাহিত্যের বিস্তৃত অঙ্গনে পরবর্তী কালে দীর্ঘদিন ধরে অগণিত পদকর্তা কবিতা রচনা করে গেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন- বাসুঘোষ, জগদানন্দ, শশিশেখর, রায় শেখর, রায় বসন্ত, কবিরঞ্জন বা ছোট বিদ্যাপতি প্রমুখ।

---------------------
• মঙ্গলকাব্য:

- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য 'মঙ্গলকাব্য' নামে পরিচিত। এগুলো খ্রিস্টীয় পনের শতকের শেষ ভাগ থেকে আঠার শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত পৌরাণিক, লৌকিক ও পৌরাণিক-লৌকিক সংমিশ্রিত দেবদেবীর লীলামাহাত্ম্য, পূজাপ্রচার ও ভক্তিকাহিনি অবলম্বনে রচিত সম্প্রদায়গত প্রচারধর্মী ও আখ্যানমূলক কাব্য।

- দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। এই কাব্য রচনার মূল উল্লেখিত কারণ, প্রায় সব কবিই স্বপ্নে দেবতাদের নির্দেশ পেয়ে রচনা করেছেন।

- এর প্রধান শাখা ৩টি- মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল/অন্নদামঙ্গল। মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি।

- একটি সার্থক মঙ্গলকাব্যে ৫টি অংশ থাকে: বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখণ্ড, মর্ত্যখণ্ড এবং শ্রুতিফল।
- মঙ্গলকাব্যে ৬২ জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নারায়ণ দেব, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, কানাহারি দত্ত, মানিক দত্ত, ভারতচন্দ্র, দ্বিজমাধম, ঘনরাম চক্রবর্তী প্রমুখ।

- মঙ্গলকাব্যের দেব দেবীরা মূলত অনার্যদের দেব-দেবী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৪০.
'ধনঞ্জয় বৈরাগী' চরিত্রের আবির্ভাব ঘটেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকে? 
  1. ডাকঘর 
  2. প্রায়শ্চিত্ত
  3. বিসর্জন
  4. রক্তকরবী 
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা

• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক 'প্রায়শ্চিত্ত'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই নাটকেই ধনঞ্জয় বৈরাগী চরিত্রের আবির্ভাব। 
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। নাটকটি পঞ্চাঙ্কের।
- টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে।
-'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের নতুন ও পরিবর্তিত সংস্করণ 'পরিত্রাণ' নাটক। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।

'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- ধনঞ্জয় বৈরাগী,
- সুরমা,
- উদয়াদিত্য,
- বিভা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-------------------
• 'ডাকঘর' (১৯১২ খ্রিস্টাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- মাধব দত্ত, 
অমল, সুধা। 

• 'বিসর্জন' (১৮৯১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক। 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়। এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জয়সিংহ, রঘুপতি, অর্পনা।

• 'রক্তকরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: নন্দিনী, রঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪১.
জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. জাপানে পারস্যে
  2. জাপান যাত্রী
  3. জার্মানির শহরে বন্দরে
  4. পথের সঞ্চার
সঠিক উত্তর:
জার্মানির শহরে বন্দরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানির শহরে বন্দরে
ব্যাখ্যা

'জার্মানির শহরে বন্দরে' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।

গ্রন্থের মুখবন্ধে কবি লেখেন-
অবশেষে 'জার্মানির শহরে বন্দরে' পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইল। এই পুস্তক প্রকাশে পলাশ মুদ্রণের মালিক সোদরপ্রতিম মোঃ রুহুল আমীন যেভাবে আমাকে সাহায্য করিয়াছে কৃতজ্ঞতা জানাইয়া আমার প্রতি তাহার সম্পর্ককে স্নান করিতে চাহি না।

অন্যদিকে, 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- ইউরোপপ্রবাসীর পত্র,
- ইউরোপযাত্রীর ডায়রি,
- জাপান যাত্রী,
- যাত্রী,
- রাশিয়ার চিঠি,
- জাপানে পারস্যে,
- পথের সঞ্চার।

-------------------
জসীম উদ্‌দীন রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না,
- সকিনা।

• নাটক:
- বেদের মেয়ে,
- পদ্মাপাড়,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ।

• ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পীরের দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়,
- জার্মানির শহরে ও বন্দরে।

• উপন্যাস:
- বোবাকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪২.
'ফুড কনফারেন্স' আবুল মনসুর আহমেদ রচিত কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. গল্পগ্রন্থ
  2. স্মৃতিকথা
  3. উপন্যাস 
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ 
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

'ফুড কনফারেন্স' গল্পগ্রন্থ:
- আবুল মনসুর আহমদ রচিত ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪) একটি গল্পগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৩৫০ সালের (পঞ্চাশের মন্বন্তর) দুর্ভিক্ষের বাস্তব করুণ চিত্র বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আকার চেষ্টা করেছেন।
- এই গ্রন্থে মোট ৯টি গল্প রয়েছে।

----------------------
• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি খিলাফত, অসহযোগ, স্বরাজ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• গল্পগ্রন্থ:
- আয়না,
- ফুড কনফারেন্স,
- আসমানী পর্দা।

• স্মৃতিকথা:
- আত্মকথা (১৯৭৮- আত্মজীবনী),
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর,
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু।

• উপন্যাস:
- সত্যমিথ্যা,
- জীবন ক্ষুধা,
- আবে-হায়াৎ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৩.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কবিতা নয় কোনটি?
  1. বাদল প্রাতের শরাব
  2. মেহের নেগার
  3. মোহররম
  4. বোধন
সঠিক উত্তর:
মেহের নেগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহের নেগার
ব্যাখ্যা

• 'মেহের নেগার':
- 'মেহের-নেগার' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্প।
- গল্পটি তাঁর 'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
গায়ক হওয়ার বাসনায় ওয়াজিরিস্তানের বিখ্যাত ওস্তাদের কাছে তালিম নিতে আসা এক তরুণের সাথে দেখা হয় প্রসিদ্ধ বাঈজি খুরশীদ জানের কন্যা গুলশানের, ভিন্ন গোত্রের হৃদয় দুটির পবিত্র ভালোবাসায় জন্ম হয় অমর এক প্রেমগাথার।

----------------------
কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য রচনা:
করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ (সওগাত, মে ১৯১৯) নামক প্রথম গদ্য রচনা, প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯) এবং অন্যান্য রচনা: গল্প- ‘হেনা’, ‘ব্যথার দান’, ‘মেহের নেগার’, ‘ঘুমের ঘোরে’; কবিতা- ‘আশায়’, ‘কবিতা সমাধি’ প্রভৃতি।

• প্রথম মহাযুদ্ধ শেষে ১৯২০ সালের মার্চ মাসে কবি নজরুল দেশে ফিরে কলকাতায় সাহিত্যিক-সাংবাদিক জীবন শুরু করেন। কলকাতায় তাঁর প্রথম আশ্রয় ছিল ৩২নং কলেজ স্ট্রীটে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি-র অফিসে সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা মুজফ্ফর আহমদের সঙ্গে। শুরুতেই  মোসলেম ভারত, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, উপাসনা  প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর সদ্যোরচিত বাঁধন-হারা উপন্যাস এবং ‘বোধন’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘বাদল প্রাতের শরাব’, ‘আগমনী’, ‘খেয়া-পারের তরণী’, ‘কোরবানী’, ‘মোহররম’, ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ্দহম্’ প্রভৃতি কবিতা প্রকাশিত হলে বাংলা সাহিত্য ক্ষেত্রে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাংলা সাহিত্যের এ নবীন প্রতিভার প্রতি সাহিত্যানুরাগীদের দৃষ্টি পড়ে।

কবি-সমালোচক  মোহিতলাল মজুমদার মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত এক পত্রের মাধ্যমে নজরুলের ‘খেয়া-পারের তরণী’ এবং ‘বাদল প্রাতের শরাব’ কবিতাদুটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন এবং বাংলার সারস্বত সমাজে তাঁকে স্বাগত জানান।

উৎস: 'মেহের-নেগার' গল্প এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৪.
'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে।' বিখ্যাত গানটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. প্রতুল মুখোপাধ্যায়
  4. লালন শাহ্
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ্
ব্যাখ্যা

লালন শাহ্:
- লালন শাহ্ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না। তাই তিনি গেয়েছে 'সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে/ লালন কয় জাতির কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।'
- "বাড়ির কাছে আরশিনগর সেথা এক পড়শি বসত করে আমি একদিনও না দেখিলাম তাঁরে"- লালন শাহ্ রচিত বিখ্যাত একটি গান।

তাঁর রচিত কয়েকটি জনপ্রিয় গান হচ্ছে:
- আমার ঘরের চাবি পরের হাতে।
- আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে।
- খাচার ভিতর অচিন পাখি।
- সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে।
- সময় গেলে সাধন হবে না।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৫.
'আটমেসে > আটাসে' কোন ধরনের পরিবর্তন?
  1. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  2. বিষমীভবন
  3. সম্প্রকর্ষ
  4. অভিশ্রুতি
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।
যেমন:
- আটমেসে > আটাসে,
- কুটুম্ব > কুটুম,
- জানালা > জান্না ইত্যাদি।

 স্বরলোপ তিন প্রকার:
যেমন
ক. আদিস্বরলোপ (Aphesis): অলাবু > লাবু > লাউ, উদ্ধার > উধার > ধার।
খ. মধ্যস্বর লোপ (Syncope): অগুরু > অশ্রু, সুবর্ণ > স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বর লোপ (Apocope): আশা > আশ, আজি > আজ, চারি > চার (বাংলা), সন্ধ্যা > সঞঝা > সাঁঝ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪৬.
'লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার!'- বাক্যে 'হুঁশিয়ার' কোন ভাষার শব্দ?
  1. উর্দু 
  2. আরবি 
  3. পর্তুগিজ 
  4. ফারসি 
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
ব্যাখ্যা

হুঁশিয়ার (বিশেষণ পদ),
- এটি ফারসি ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- সতর্ক,
- সাবধান
- চতুর।

ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, দারোয়ান, সাদা, খরগোশ, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪৭.
'বেকার' শব্দে 'বে' কোন ধরনের উপসর্গ?
  1. বাংলা
  2. ফারসি 
  3. তৎসম 
  4. আরবি 
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
ব্যাখ্যা

'বে'  ফারসি উপসর্গ যোগে না অর্থে গঠিত শব্দ- বেআদব, বেআক্কেল, বেকসুর, বেকায়দা, বেগতিক, বেতার, বেকার। 

• বিদেশি উপসর্গ:

আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে। বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
• আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে।
ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
• উর্দু উপসর্গ: হর।
• ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪৮.
'পঙ্কিল' কোন ধরনের প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
  2. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  3. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
ষ্ণ, ফি, ফিক, ষ্ণ্য, ইত, ইমন, ইল, তর, তা, ত্ব, ইষ্ঠ, ঈন, বতুপ্‌, নীন, নীয়, বিন, র, ল প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত কিছু শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো:
- মধুর + ষ্ণ = মাধুর্য;
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী;
- পুষ্প + ইত = পুষ্পিত;
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক;
- কুসুম + ইত = কুসুমিত;
- পঙ্ক + ইল্ = পঙ্কিল;
- সর্বজন + নীন = সর্বজনীন;
- নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
--------------------
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ব্যতীত বাকি প্রত্যয়গুলোকে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বাঘ + আ = বাঘা;
- ঘর + আমি = ঘরামি ইত্যাদি।

---------------------
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের শেষে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা,
- ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

---------------------
• বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন:
নাচ্ + অন = নাচন;
ডুব্‌ + অন্ত = ডুবন্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪৯.
স্বভাবতই 'মূর্ধন্য-ষ' ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. ভবিষ্যৎ
  2. চক্ষুষ্মান
  3. ষড়ঋতু
  4. কৃষক
সঠিক উত্তর:
ষড়ঋতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়ঋতু
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

'ষ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের 'স' 'ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ" হয়। যেমন- অভিসেক> অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৫০.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বনানে লেখা?
  1. জগৎপিতা
  2. জগৎজ্জয়ী
  3. জগদ্‌বাসী
  4. জগন্নাথ
সঠিক উত্তর:
জগৎজ্জয়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগৎজ্জয়ী
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান- জগৎজ্জয়ী। 

• শুদ্ধ রূপ- জগজ্জয়ী। 
- শব্দটি বিশেষণ পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- বিশ্ববিজয়ী;
- দিগবিজয়ী।

অন্যদিকে, 
জগদ্‌বাসী, জগৎপিতা, জগন্নাথ শব্দগুলো শুদ্ধ বানানে লেখা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৫১.
'ভাবুক' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ভাব + উক 
  2. ভা + উক 
  3. ভো + উক
  4. ভৌ + উক
সঠিক উত্তর:
ভৌ + উক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৌ + উক
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত:
এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।
 যেমন:
নে + অন = নয়ন;
শে + অন = শয়ন;
নৈ + অক = নায়ক;
গৈ + অক = গায়ক;
পো + অন = পবন;
লো + অন = লবণ;
পৌ+ অক = পাবক;
গো + আদি = গবাদি;
গো + এষণা = গবেষণা;
পো + ইত্র = পবিত্র;
নৌ + ইক = নাবিক;
ভৌ + উক = ভাবুক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৫২.
'নদের চাঁদ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. সুখের সংসার
  2. দুর্লভ
  3. সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ
  4. বিশিষ্ট ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ
ব্যাখ্যা

• 'নদের চাঁদ' অর্থ- সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ। 
বাক্য- তুমি তো বাবা নদের চাঁদ-তোমাকে দিয়ে এ কাজ হবে না।

অন্যদিকে, 
------------
• 'চাঁদের হাট' অর্থ- সুখের সংসার। 
• 'অমাবস্যার চাঁদ' অর্থ - দুর্লভ। 
• 'কেউকেটা' অর্থ - বিশিষ্ট ব্যক্তি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৩.
'ফল' শব্দের 'ফ' উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কোন ধরনের ব্যঞ্জন?
  1. মূর্ধন্য
  2. ওষ্ঠ্য
  3. তালব্য
  4. কণ্ঠনালীয়
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য
ব্যাখ্যা

• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধানি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধানি নামেও পরিচিত। পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্যব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
মূর্ধন্য ব্যাঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিজ্যের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধানির উদাহরণ।

তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে। হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

৫৪.
'Dirge' শব্দের বাংলা পারিভাষিক কোনটি?
  1. লোকগীতি
  2. গীতিকাব্য
  3. গীতিনাট্য
  4. শোক গীতি
সঠিক উত্তর:
শোক গীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোক গীতি
ব্যাখ্যা

• 'Dirge/ Elegy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক- শোক গাথা, শোক গীতি। 

অন্যদিকে, 
'Folksong' অর্থ - লোকগীতি।
'Lyric poetry' অর্থ - গীতিকাব্য।
'Musical drama' অর্থ - গীতিনাট্য। 

উৎস: অভিগম্য অভিধান। 

৫৫.
'প্রগতি' প্রথমে কী ধরনের পত্রিকা হিসেবে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. বার্ষিক 
  2. দৈনিক 
  3. মাসিক
  4. সাপ্তাহিক
সঠিক উত্তর:
মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসিক
ব্যাখ্যা

'প্রগতি' পত্রিকা:
- প্রগতি ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় মাসিকপত্র 'প্রগতি'।
- সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, 'প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ।
- কল্লোল- কালিকলম-প্রগতি একই সঙ্গে উচ্চারিত হওয়ার যোগ্য তিনটি নাম। বাংলাদেশে আধুনিক সাহিত্যের বিকাশে এ পত্রিকার অবদান কম নয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "কবিগুরু" উপাধি দেন-
  1. বুদ্ধদেব বসু 
  2. ক্ষিতিমোহন সেন
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষিতিমোহন সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষিতিমোহন সেন
ব্যাখ্যা

• 'কবিগুরু':
ক্ষিতিমোহন সেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "কবিগুরু" উপাধি দেন, যা তাঁর কাব্যিক প্রজ্ঞা এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থেকেই দেওয়া হয়েছিল।  

উল্লেখ্য,
------------------
• 'গুরুদেব':
মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "গুরুদেব" বলে সম্বোধন করেছিলেন, যা ছিল তাঁর নৈতিক ও বৌদ্ধিক নেতৃত্ব ও প্রতি সম্মানের প্রকাশ।

• 'বিশ্বকবি': 
"বিশ্বকবি" পণ্ডিত ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় প্রথম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে "বিশ্বকবি" উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট রোমান ক্যাথলিক পণ্ডিত, সমাজ সংস্কারক এবং জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ।

• 'ভারতের মহাকবি':
'ভারতের মহাকবি' উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে চীনের কবি চি লিজন দিয়েছিলেন। এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথের বিশ্বব্যাপী সাহিত্যিক অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাকে দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, 
• বুদ্ধদেব বসু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কোনো বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেননি, বরং তিনি তাঁর সাহিত্যিক অবদানের জন্য রবীন্দ্রনাথকে 'আদিগন্ত ব্যাপ্ত' এবং 'স্বরাট' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; 'আমর ছেলেবেলা' বুদ্ধদেব বসু।

৫৭.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. জন্ম যদি তব বঙ্গে- গল্পগ্রন্থ (আবু ইসহাক)
  2. মহাপতঙ্গ- উপন্যাস (বুদ্ধদেব বসু)
  3. খোঁয়ারি- গল্পগ্রন্থ (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)
  4. রেখাচিত্র- নাটক (শওকত ওসমান)
সঠিক উত্তর:
খোঁয়ারি- গল্পগ্রন্থ (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোঁয়ারি- গল্পগ্রন্থ (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)
ব্যাখ্যা

• 'খোঁয়ারি' গল্পগ্রন্থ:
- 'খোঁয়ারি' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ছোটগল্প সংকলন, যা ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ। এই গ্রন্থ প্রকাশের পর তিনি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সাহিত্যিকদের একজন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- এতে চারটি গল্প রয়েছে: "খোঁয়ারি", "অসুখ বিশুখ", "তারাবিবির মরদ পোলা" এবং "পিতৃবিয়োগ"। 

- এই গ্রন্থভুক্ত চারটি গল্পে ইলিয়াস সময়ের ভেতরে থেকেও সময়কে অতিক্রম করা চিরকালের কিছু প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন- নৈঃসঙ্গ, যৌনতা, বার্ধক্য, মৃত্যু। তাঁর নিজস্ব সময় এই গল্পগুলোতে যথার্থ রুক্ষ শুকনো ভাষায় জীবন্ত-স্থির হয়ে পরিণত হয়েছে বাংলা ভাষার চিরায়ত সম্পদে।

অন্যদিকে,
------------------
• 'মহাপতঙ্গ' আবু ইসহাক রচিত গল্পগ্রন্থ।
• শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্পগ্রন্থ- জন্ম যদি তব বঙ্গে।
• 'রেখাচিত্র' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা বুদ্ধদেব বসু। আবার 'রেখাচিত্র' নামে আবুল ফজল রচিত একটি দিনিলিপি রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'খোঁয়ারি' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৮.
ত্রিশোত্তর বাংলা নব্যধারার আন্দোলনের কোন কবি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. বিষ্ণু দে
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা

• ত্রিশোত্তর বাংলা নব্যধারার আন্দোলনের মধ্যে বিষ্ণু দে মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় সমাজবাদী ও মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

------------------
• বিষ্ণু দে:

- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে 'পরিচয়' পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে 'সাহিত্যপত্র'।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিস্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

অন্যদিকে,
-------------------
• অমিয় চক্রবর্তী: তিনি আধ্যাত্মিকতা ও রোমান্টিকতার দিকে ঝুঁকেছিলেন। মার্কসবাদের সঙ্গে তাঁর কবিতার সরাসরি যোগাযোগ ছিল না; তাঁর লেখায় ব্যক্তিগত অনুভূতি ও দার্শনিক চিন্তা প্রাধান্য পেত।

• জীবনানন্দ দাশ: জীবনানন্দ প্রকৃতি, নিসর্গ ও অস্তিত্বের সূক্ষ্ম অনুভূতির কবি। তাঁর কবিতায় মার্কসবাদী চেতনার চেয়ে ব্যক্তিগত ও প্রকৃতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বেশি প্রকাশ পায়।

• বুদ্ধদেব বসু: তিনি আধুনিকতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের উপর জোর দিয়েছিলেন। তাঁর কবিতা ও লেখায় মার্কসবাদের পরিবর্তে পাশ্চাত্য আধুনিকতা ও নান্দনিকতার প্রভাব বেশি ছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
কোনটি মর্সিয়া সাহিত্যের গ্রন্থ?
  1. কলিমা জালাল
  2. গুলে বকাওলী
  3. ইমামগণের কেচ্ছা
  4. সিকান্দারনামা
সঠিক উত্তর:
ইমামগণের কেচ্ছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমামগণের কেচ্ছা
ব্যাখ্যা

• মর্সিয়া সাহিত্য:
- কারবালা-কেন্দ্রিক কাব্যের অপর নাম মর্সিয়া সাহিত্য। আরবি ‘মর্সিয়া’ শব্দের অর্থ শোক। শোকবিষয়ক রচনাকে মর্সিয়া সাহিত্য বা শোককাব্য বলা হয়। 
আরবি সাহিত্যে মর্সিয়ার উদ্ভব নানা ধরনের শোকাবহ ঘটনা থেকে হলেও পরে তা কারবালা প্রান্তরে নিহত ইমাম হোসেন ও অন্যান্য শহীদকে উপজীব্য করে লেখা কবিতা মর্সিয়া নামে আখ্যাত হয়। জঙ্গনামা ও মর্সিয়া সাহিত্য প্রথমত আরবে, পরে পারস্যে বিকাশ লাভ করে এবং মধ্যযুগে মুসলিম শাসনামলে এ সাহিত্যধারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলায় এ কাব্যধারা মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।

- মর্সিয়া কাব্য বা শোক কাব্যের পটভূমিকা বর্ণনা করতে গিয়ে ড. আহমদ শরীফ লিখেছেন, 'যুদ্ধ কাব্যের মধ্য কারবালাযুদ্ধ কাব্যই ষোল-সতের শতক থেকে বাংলার মুসলিম সমাজে বিশেষ জনপ্রিয় হতে থাকে।

- শেখ ফয়জুল্লাহকে মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি বলা হয়। তাঁর রচিত কাব্য 'জয়নবের চৌতিশা'। এটি মর্সিয়া সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ। এটি কারবালার কাহিনি নিয়ে রচিত। এটি ১৫৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

-  মর্সিয়া সাহিত্যে একজন হিন্দু কবি হলেন- রাধারমণ গোপ। রাধারমণ গোপ রচিত গ্রন্থ হলো: ইমামগণের কেচ্ছা, আফৎনামা।

অন্যদিকে,
'গুলে বকাওলী' মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের একটি ধারা। সতেরো শতকের কবি নওয়াজিস খান প্রথম 'গুলে বকাওলী' কাব্য রচনা করেন।

• অন্ধকার যুগে রামাই পণ্ডিত রচিত গ্রন্থ ‘কলিমা জালাল’। 

'সিকান্দারনামা' হলো মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি আলাওল-এর লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তিনি পারস্যের কবি নিজামি-এর 'সিকান্দারনামা' অবলম্বনে বাংলায় অনুবাদ করেন। এই কাব্যটি মূলত আলেক্সান্ডার দ্য গ্রেট বা সিকান্দার-এর জীবন ও কর্ম, বিশেষ করে তাঁর চীন ও ভারত বিজয় অভিযান নিয়ে রচিত

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৬০.
বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন কে?
  1. ডা. কাজী হোসেন আহমেদ
  2. ডা. আনোয়ার হোসেন
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. ডা. নূর উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

উৎস: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
৬১.
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ সচিব
  2. চেয়ারম্যান
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. মেম্বার
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ -
- ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হলেন চেয়ারম্যান।
- তিনি পরিষদের প্রধান নির্বাহী, পরিষদের যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যানের অনুমোদন দরকার হয়।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর। মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।
- এরা হলেন:
- ১ জন চেয়ারম্যান
- ৯ জন সাধারণ সদস্য
- ৩ জন নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সদস্য।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বেতনভুক্ত একজন সচিব থাকেন।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল ৫ বছর। অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্য ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।[লিংক]

৬২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮নং
  2. ১১৭নং
  3. ১২০নং
  4. ১১৪নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে।

বিচারবিভাগ:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

অন্যদিকে,
- ১১৪ নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত প্রতিষ্ঠা।
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬৩.
মারমা জাতিগোষ্ঠী গ্রামকে তাদের ভাষায় কী বলে?
  1. পুঞ্জি
  2. কার্বারি
  3. রোয়াজা
  4. রোয়া
সঠিক উত্তর:
রোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়া
ব্যাখ্যা

মারমা:
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ভিন্ন নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে মারমাদের অবস্থান দ্বিতীয়। 
​- মারমা নৃগোষ্ঠীর অধিকাংশই রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে। 'মারমা' শব্দটি 'ম্রাইমা' শব্দ থেকে উদ্ভূত।
- পাবর্ত্য অঞ্চলে বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত মারমা সমাজের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।
- প্রত্যেক মৌজায় কতগুলো গ্রাম রয়েছে। গ্রামবাসী গ্রামের প্রধান মনোনীত করে। 
​- মারমারা গ্রামকে তাঁদের ভাষায় 'রোয়া' এবং গ্রামের প্রধানকে 'রোয়াজা' বলে।
- মারমাদের জীবিকার প্রধান উপায় হচ্ছে কৃষি। তাঁদের চাষাবাদের প্রধান পদ্ধতিকে জুম বলা হয়।
- মারমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাঁরা এ ধর্মেরই অনুষ্ঠানাদি উদযাপন করে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৮ম শ্রেণি।

৬৪.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান ভূমি জরিপের কাজে LANDSAT ও NOAA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে?
  1. আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. ভূমি জরিপ অধিদপ্তর
  3. দূরসম্পর্ক অধ্যয়ন কেন্দ্র
  4. স্পারসো
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁও- এ অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদানে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সংস্থাটি LANDSAT ও NOA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট ইমেজারিগুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো), sparrso.gov.bd.
৬৫.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  2. বেনাপোল, যশোর
  3. করমজল, খুলনা
  4. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
করমজল, খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করমজল, খুলনা
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৬.
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী ধরনের আয় পাওয়া যায়?
  1. ব্যয়যোগ্য আয়
  2. জাতীয় আয়
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় - 
  1. ১৩ ফাল্গুন ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
  2. ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  4. ১৮ কার্তিক ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
-বসংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে ও ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

উৎস - বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৮.
নিচের কোনটি বেগুনের উন্নত জাত?
  1. নয়নতারা
  2. ঝুমকা
  3. সোনালিকা
  4. সিন্দুরী
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
ব্যাখ্যা
বেগুনের উন্নত জাত:-
• শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়।
• শিংনাথ- একটি বারমাসী জাত। গাছ বেশ উঁচু, পাশেও অধিক, শাখা প্রশাখার সংখ্যা প্রচুর। পাতা সরু ধরনের। এর ফল সরু, লম্বায় প্রায় ৩০ সেমি. ও বেগুনী রংয়ের।

এছাড়াও,
• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী, মহুয়া, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে,  
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী   
• আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৬৯.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ড. মুহাম্মদ আজিজ
  3. সফিকুল হক চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বে আধুনিক ক্ষুদ্রঋণের জনক তিনি।
- বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

অন্যদিকে,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।
 ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের স্থপতি সফিউল কাদের।

উৎস -  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা।
৭০.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছে কে?
  1. সীমা আক্তার
  2. রুবানা হক
  3. পিংকি দাস
  4. ফারজানা হক
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান:
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।
- নিজের ৫৩তম ওয়ানডে ইনিংসে এই মাহেন্দ্রক্ষণের দেখা পেলেন ফারজানা।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের মিরপুর স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান। 
- ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের।
- ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে লাল সবুজের দল।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- অপরদিকে ওয়ানডে ক্রিকেটে মেহরাব হোসেন অপি।
- এছাড়া টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবাল খান।

অন্যদিকে-
- বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন শারমীন আক্তার।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৭১.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. বেকারত্ব
  2. কার্বন নিঃসরণ
  3. সামাজিক ব্যবসা
  4. দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
-  ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

উৎস: Yunus Centre.
৭২.
সংবিধানের দশম ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন
  2. সংবিধান সংশোধন
  3. বিবিধ বিষয়াবলি
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
দেশের নবম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. সিলেট
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

ইপিজেড - 
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

সূত্র- বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৭৪.
কোন ব্যাংক সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে?
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।

এছাড়াও, 
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

সূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭৫.
বারো ভূঁইয়াদের নেতা কে ছিলেন?
  1. ঈসা খান
  2. শেরশাহ
  3. শায়েস্তা খান
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বারো ভূঁইয়া বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
- বারো-ভূঁইয়া শব্দটির অর্থ বারোজন ভূঁইয়া।
-  প্রকৃতপক্ষে বাংলায় আফগান শাসনামল ও মুগল শক্তির উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে এদেশের বিভিন্ন এলাকা বহু সামরিক প্রধান, ভূঁইয়া এবং জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- তারা কখনও যৌথভাবে এবং বেশিরভাগ সময় পৃথকভাবে মুগল আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন এবং স্বাধীন বা অর্ধ-স্বাধীন শাসকরূপে তাঁদের নিজ নিজ এলাকা শাসন করেছিলেন।
- ঈসা খান সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।

আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের তালিকা:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা,
(২) ইবরাহিম নরল,
(৩) করিমদাদ মুসাজাই,
(৪) মজলিস দিলওয়ার,
(৫) মজলিস প্রতাপ,

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশে বাংলাদেশের কাঁচাপাট রপ্তানি হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

কাঁচাপাট রপ্তানি:
- বাংলাদেশের কাঁচাপাট বর্তমানে বিশ্বের ১২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- এই ১২টি দেশের মধ্যে রয়েছে- ভারত, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, তিউনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, আইভরি কোস্ট, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড।
- এর মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতে সবচেয়ে বেশি পাট রপ্তানি হয়েছে।
- দেশের বন্দরগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর, বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পরিমাণ কাঁচাপাট বিদেশে রপ্তানি হয়।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের মে মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৯৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা মূল্যের ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৯ বেল পাট রপ্তানি হয়েছে।

সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ' শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৭ নং সেক্টর 
  2. ৯ নং সেক্টর
  3. ১১ নং সেক্টর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

⇒ সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ, 
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ, 
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ, 
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭৮.
সম্প্রতি, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কয় দফা প্রস্তাব দিয়েছেন? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৭ দফা
  2. ৮ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ৪ দফা
সঠিক উত্তর:
৭ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দফা
ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রস্তাব:
- বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখ, যা কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থীশিবিরে পরিণত করেছে।
- গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অংশীজন সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে যে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।
- তার মধ্যে রয়েছে: 
- রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন, 
-  দাতাদের অব্যাহত সমর্থন,
-  মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির কাছে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করার আহ্বান,
-  রোহিঙ্গাদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা,
-  আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা,
-  গণহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং
-  আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহি ত্বরান্বিত করা।

সূত্র- কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রতিবেদন। 

৭৯.
মায়াদের ধর্মীয় ক্যালেন্ডারের নাম কী?
  1. হাব
  2. টজলকিন
  3. সানস্টোন
  4. সোলারিস
সঠিক উত্তর:
টজলকিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টজলকিন
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

৮০.
IUCN মূলত কোন বিষয়ে কাজ করে?
  1. স্বাস্থ্যসেবা
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. বাণিজ্য উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮১.
ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে কাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল?
  1. লিওন ট্রটস্কি
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. জোসেফ স্টালিন
  4. দ্বিতীয় আলেকজান্ডার
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় নিকোলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় নিকোলাস
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

৮২.
UNWTO-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. United Nations Worldwide Travel Organization
  2. Universal Nations World Tourism Office
  3. United Nations World Travel Organization
  4. United Nations World Tourism Organization
সঠিক উত্তর:
United Nations World Tourism Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations World Tourism Organization
ব্যাখ্যা

UNWTO:
- জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা UNWTO.
- UNWTO এর পূর্ণরূপ - United Nations World Tourism Organization.
- পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কোড চালু করেছে UNWTO।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়- ২৭ সেপ্টেম্বর।
- UNWTO আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৬ সালে।
- এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।
- জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে - ২০০৩ সালে।
- বর্তমান সদস্য - ১৬০ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - UNWTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৩.
OIC-এর বর্তমান মহাসচিব কে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ইয়াসির আল-হাদার
  2. হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
  3. রাশিদ আল-ফায়েদ
  4. মাহমুদ আল-খান
সঠিক উত্তর:
হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
ব্যাখ্যা

ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৪.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (Interpol) এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ১৯৪টি
  2. ১৯৫টি
  3. ১৯৬টি
  4. ১৯৭টি
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৫.
BIMSTEC এর প্রতিষ্ঠার স্থান কোনটি?
  1. ঢাকা, বাংলাদেশ
  2. কলম্বো, শ্রীলংকা
  3. ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
  4. নয়াদিল্লি, ভারত
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- বিমসটেক এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সংগঠনটির সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - BIMSTEC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৬.
সম্প্রতি, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত প্রথম দেশ হিসেবে ইসরায়েলে সব ধরনের অস্ত্র রপ্তানি, আমদানি ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে - (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. চেক প্রজাতন্ত্র
  2. স্লোভেনিয়া
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. স্লোভাকিয়া
সঠিক উত্তর:
স্লোভেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্লোভেনিয়া
ব্যাখ্যা

- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত প্রথম দেশ হিসেবে ইসরায়েলে সব ধরনের অস্ত্র রপ্তানি, আমদানি ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্লোভেনিয়া।
- ৩১ জুলাই, ২০২৫ এ এক সরকারি বৈঠকের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলোব এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।
- সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরায়েল থেকে এবং ইসরায়েলের উদ্দেশে যে কোনো ধরনের অস্ত্র আমদানি, রপ্তানি ও পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
- সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজায় মানবিক সহায়তা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের উচিত পদক্ষেপ নেওয়া।
- ২০২৪ সালের জুনে স্লোভেনিয়া পার্লামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। 
- ইইউ’র সদস্য দেশ আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৭.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Dillon Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৮৮.
RAM ইনস্টল করার জন্য মাদারবোর্ডে কী ধরনের মেমরি স্লট থাকে?
  1. DIMM
  2. PCIe
  3. SATA
  4. HDMI
সঠিক উত্তর:
DIMM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DIMM
ব্যাখ্যা

• RAM ইনস্টল করার জন্য মাদারবোর্ডে DIMM (Dual Inline Memory Module) ধরনের মেমরি স্লট থাকে। DIMM স্লট হলো দীর্ঘ আকারের, যেখানে RAM মডিউল উল্লম্বভাবে বসানো হয়। এটি মাদারবোর্ডের প্রসেসরের সাথে সরাসরি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে PCIe স্লট মূলত গ্রাফিক্স কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ডের জন্য, SATA পোর্ট স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডড্রাইভ বা SSD সংযোগের জন্য, এবং HDMI পোর্ট ভিডিও আউটপুটের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, মাদারবোর্ডে RAM স্থাপন করতে DIMM স্লটের উপস্থিতি অপরিহার্য। RAM ঠিকমতো কাজ করার জন্য স্লট এবং মডিউলের ধরণ মেলাতে হবে।

উত্তর: ক) DIMM.

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

​অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা। 

৮৯.
ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং করার জন্য প্রধানত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন?
  1. Keyboard
  2. Trackball
  3. Graphics tablet
  4. Scanner
সঠিক উত্তর:
Graphics tablet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphics tablet
ব্যাখ্যা

• ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং বা ইলেকট্রনিক আর্ট তৈরি করার জন্য প্রধানত গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics tablet) ব্যবহার করে থাকেন। এটি একটি স্পেশালাইজড ইনপুট ডিভাইস, যা হাতে ধরে রাখার পেন বা স্টাইলাসের মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে সরাসরি আঁকার অনুভূতি দেয়। এর মাধ্যমে আকার, রেখার ঘনত্ব, চাপের মাত্রা এবং রঙের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়, যা মাউস বা কীবোর্ডের মাধ্যমে করা কঠিন। অন্যান্য ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, ট্র্যাকবল বা স্ক্যানার সরাসরি আঁকার জন্য নয়, বরং কমান্ড দেওয়া বা প্রাপ্ত কাজ ডিজিটাল আকারে ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজিটাল আর্টে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট সবচেয়ে কার্যকর।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard)
- ওএমআর (OMR)
- মাউস (Mouse)
- ওসিআর (OCR)
- ট্যাকবল (Trackball)
- স্ক্যানার (Scanner)
- জয়স্টিক (Joystick)
- ডিজিটাইজার (Digitizer)
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
- লাইটপেন (Lightpen)
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
- ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।

যেমন:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি বা ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০.
প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে আধুনিক পিসিতে সাধারণত কোন ধরনের BIOS ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. GPT
  2. DOS
  3. CMOS
  4. UEFI
সঠিক উত্তর:
UEFI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UEFI
ব্যাখ্যা

• আধুনিক পিসিতে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি পুরোনো Legacy BIOS-এর তুলনায় অনেক উন্নত এবং নিরাপদ। UEFI দ্রুত বুটিং করতে সাহায্য করে, বড় স্টোরেজ ডিভাইসকে সমর্থন করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করতে সক্ষম। এছাড়াও, UEFI Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে সিস্টেমে অযাচিত বা ম্যালওয়্যার বুট হওয়া প্রতিরোধ করা যায়। এটি আরও মডুলার এবং কনফিগারেশন সুবিধাজনক, যা পিসি নির্মাতাদের জন্য কাস্টমাইজেশন সহজ করে। ফলে, আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে Legacy BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।

সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯১.
চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প পরিচিত নাম কী?
  1. CHI
  2. ILOVEYOU
  3. Melissa
  4. CIH
সঠিক উত্তর:
CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CIH
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) CIH.
- উল্লেখ্য, অপশন (ক) CHI - the twenty-second letter of the Greek alphabet.
- Computer-Human Interaction (CHI): কম্পিউটার বিজ্ঞানে মানুষের ও কম্পিউটারের ইন্টারঅ্যাকশন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র।
- অপশন দাগানোর পূর্বে চারটি অপশন অবশ্যই ভালোভাবে পড়বেন, প্রশ্ন এবং অপশনে কোনো প্রকার ট্র্যাপ আছে কিনা - তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। 

• চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প নাম হলো CIH. এটি ১৯৯৮ সালে প্রথম সনাক্ত হয়েছিল এবং মূলত উইন্ডোজ ৯৫ এবং উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। ভাইরাসটি কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমকে ক্ষতি করার পাশাপাশি হার্ডওয়্যার, বিশেষ করে মাদারবোর্ডের BIOS-ও নষ্ট করতে পারে। CIH ভাইরাসের নামকরণ চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার কারণে করা হয়েছে, কারণ এটি সিস্টেমের জন্য তেমন ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে, যেমন চেরনোবিল দুর্ঘটনা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসাত্মক ছিল। ILOVEYOU এবং Melissa ভাইরাসের সাথে এটি সম্পর্কিত নয়; সেগুলো আলাদা ধরনের ভাইরাস যা প্রধানত ইমেইল বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সঠিক বিকল্প নাম হলো CIH.

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এই ধরনের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৫০ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা উদ্ভাবিত হয়।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকেন।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ সিস্টেমকে সংক্রমিত করে অচল করে দিতে পারে।
- ইন্টারনেট, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা CIH ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ চালায়।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
Notebook LM-এ 'LM' বলতে কী বোঝায়?
  1. Learning Module
  2. Linear Mapping
  3. Language Model
  4. Logic Manager
সঠিক উত্তর:
Language Model
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Language Model
ব্যাখ্যা

• Notebook-এ "LM" বলতে সাধারণত Language Model বোঝায়। এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা মেশিন লার্নিং সিস্টেম, যা ভাষা বোঝার, তৈরি করার ও প্রক্রিয়াজাত করার ক্ষমতা রাখে। Language Model টেক্সটের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে এবং ভবিষ্যতের শব্দ বা বাক্য অনুমান করতে পারে। এটি বিভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন: লেখার সহায়তা, অনুবাদ, প্রশ্নোত্তর, সংলাপ সিস্টেম এবং টেক্সট জেনারেশন। Notebook-এর প্রেক্ষাপটে LM নির্দেশ করে সেই ফিচার বা মডেল যা ব্যবহারকারীর লিখিত বা প্রশ্ন করা ভাষা অনুযায়ী কার্যকর আউটপুট প্রদান করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) Language Model.

Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
- এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।
 
Source: Britannica.

৯৩.
কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যবহারকারী এবং একটিমাত্র কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে?
  1. Batch OS
  2. Single-user, single-task OS
  3. Multi-user OS
  4. Real-time OS
সঠিক উত্তর:
Single-user, single-task OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Single-user, single-task OS
ব্যাখ্যা

• একজন ব্যবহারকারী এবং একটিমাত্র কাজের জন্য তৈরি অপারেটিং সিস্টেম হলো Single-user, single-task OS। এই ধরনের OS শুধুমাত্র একটি ব্যবহারকারীকে সমর্থন করে এবং একই সময়ে একটি মাত্র কাজ বা প্রক্রিয়া সম্পাদনের ক্ষমতা রাখে। এটি সাধারণত সরল এবং সীমিত হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়। ব্যবহারকারী যখন একটি প্রোগ্রাম চালায়, তখন অন্যান্য কাজগুলো অপেক্ষা করতে হয়। প্রাথমিক কম্পিউটারগুলোর জন্য এই OS ব্যবহার করা হতো, যেখানে মাল্টি-টাস্কিং বা একাধিক ব্যবহারকারী সমর্থন করা সম্ভব ছিল না। এর সুবিধা হলো সহজতা, কম জটিলতা এবং সিস্টেম রিসোর্সের ন্যূনতম ব্যবহার।

⚪ অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:

1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
ল্যাপটপ আর ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য
  2. ডেস্কটপ সহজে বহনযোগ্য
  3. ল্যাপটপ ইন্টারনেটে যোগাযোগ করতে পারে না
  4. ডেস্কটপে সিপিইউ নেই
সঠিক উত্তর:
ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য
ব্যাখ্যা

• ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো তাদের বহনযোগ্যতা এবং ব্যবহার সুবিধা। ল্যাপটপ একটি কম্প্যাক্ট, হালকা ও ব্যাটারি-চালিত ডিভাইস, যা সহজে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। এর মধ্যে মনিটর, কীবোর্ড, মাউস ও সিপিইউ একত্রে থাকে, তাই অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে ডেস্কটপ স্থিরভাবে ব্যবহারের জন্য তৈরি এবং সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও কনফিগারযোগ্য, তবে এটি সহজে বহনযোগ্য নয়। ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ উভয়ই ইন্টারনেটে সংযোগ করতে সক্ষম এবং উভয়েই সিপিইউ থাকে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো – ক) ল্যাপটপ সহজে বহনযোগ্য।

ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫.
ASCII-এর তুলনায় Unicode-এর মূল সুবিধা কী?
  1. ফাইল সাইজ কম
  2. একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
  3. দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  4. উন্নত ভিজ্যুয়াল
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন
ব্যাখ্যা

• ASCII-এর তুলনায় Unicode-এর প্রধান সুবিধা হলো এটি একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন করতে পারে। ASCII কেবল ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যাসূচক অঙ্ক এবং কিছু সীমিত নিয়ন্ত্রণ চিহ্নের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তাই এটি অন্যান্য ভাষার অক্ষর বা বিশেষ চিহ্ন রাখতে সক্ষম নয়। Unicode hingegen বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, প্রতীক, ইমোজি এবং বিশেষ চিহ্নের বিস্তৃত সমর্থন দেয়। ফলে, বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার, ওয়েব পেজ এবং ডকুমেন্টে বহুভাষিক তথ্য বিনিময় সহজ হয়। এটি ফাইল সাইজ বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য মূলভাবে অপ্টিমাইজ করা নয়, বরং বৈচিত্র্যময় অক্ষর সমর্থনের জন্য তৈরি। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) একাধিক ভাষা ও চিহ্ন সমর্থন।

ইউনিকোড:
উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৬.
কোন সংখ্যাটি অক্টাল ফরম্যাটে রয়েছে?
  1. 812
  2. 931
  3. 489
  4. 276
সঠিক উত্তর:
276
উত্তর
সঠিক উত্তর:
276
ব্যাখ্যা

• 276 - অপশন (ঘ) - সংখ্যাটি অক্টাল ফরম্যাটে রয়েছে। 

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ভিত্তি (base) হলো 8 এবং কেবলমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় 8 বা তার বেশি কোনো অঙ্ক (যেমন 8, 9) থাকা চলবে না।

অক্টাল বা অষ্টমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল ০ থেকে ৭ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, কোনো সংখ্যার মধ্যে যদি ৮ বা ৯ থাকে, সেটি অক্টাল হতে পারে না।
এবার প্রতিটি অপশন দেখা যাক:
ক) 812 – এখানে ‘8’ আছে, যা অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে নেই, তাই এটি অক্টাল নয়।
খ) 931 – এখানে ‘9’ আছে, যা অক্টাল নয়।
গ) 489 – এখানে ‘8’ এবং ‘9’ আছে, যা অক্টাল নয়।
ঘ) 276 – এখানে সব সংখ্যা (2, 7, 6) 0 - 7 এর মধ্যে, তাই এটি অক্টাল সংখ্যা। সুতরাং, দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল ‘ঘ) ২৭৬’ অক্টাল ফরম্যাটে আছে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- “Digital Logic and Computer Design” by M. Morris Mano

৯৭.
স্প্রেডশিটে, সারি ও কলামের সংযোগকে বলা হয়:
  1. Record
  2. Field
  3. Table
  4. Cell
সঠিক উত্তর:
Cell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cell
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশিটে ডেটা সন্নিবেশ করার সময় মূল উপাদানগুলো হলো সারি (Row) এবং কলাম (Column)। একটি সারি হল অনুভূমিকভাবে সাজানো তথ্যের সমষ্টি এবং একটি কলাম হল উল্লম্বভাবে সাজানো তথ্যের সমষ্টি। যখন একটি নির্দিষ্ট সারি এবং কলামের সংযোগ স্থাপন করা হয়, তখন এটি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকা তথ্যকে বোঝায়। এই সংযোগস্থলকে সেল (Cell) বলা হয়। প্রতিটি সেল একটি স্বতন্ত্র ডেটা ধারণ করতে পারে, যেমন সংখ্যা, লেখা বা সূত্র। অন্যদিকে, সারি এবং কলামের পুরো অংশকে মিলিয়ে তৈরি হয় টেবিল (Table)। সারি বা কলামের নামভিত্তিক আলাদা অংশকে রেকর্ড (Record) বা ফিল্ড (Field) বলা হয়। সুতরাং, সারি ও কলামের সংযোগ হলো সেল।

সঠিক উত্তর: ঘ) Cell.

Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
"Mozilla Foundation" কর্তৃক কোন ব্রাউজারটি ডেভেলপ করা হয়েছে?
  1. Firefox
  2. Safari
  3. Opera
  4. Internet Explorer
সঠিক উত্তর:
Firefox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firefox
ব্যাখ্যা

• Mozilla Foundation কর্তৃক Firefox ব্রাউজারটি ডেভেলপ করা হয়েছে। এটি একটি ওপেন সোর্স ও ক্রস-প্ল্যাটফর্ম ওয়েব ব্রাউজার, যা ব্যবহারকারীদের দ্রুত, নিরাপদ এবং ব্যক্তিগত ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে। Firefox ২০০২ সালে প্রাথমিকভাবে "Phoenix" নামে পরিচিত ছিল এবং পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে Firefox রাখা হয়। এটি JavaScript, HTML, CSS-এর মতো ওয়েব স্ট্যান্ডার্ড সমর্থন করে এবং বিভিন্ন এক্সটেনশন ও থিম ব্যবহার করে ব্রাউজারের কার্যক্ষমতা ও ব্যক্তিগতকরণ বাড়ানো যায়। Mozilla Foundation এর উদ্দেশ্য হল ইন্টারনেটকে মুক্ত, স্বচ্ছ ও ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক রাখা। Firefox এর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ফিচার ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• অপশন আলোচনা: 
ক) Firefox – এটি Mozilla Foundation দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
খ) Safari – এটি Apple Inc. এর তৈরি।
গ) Opera – এটি Opera Software দ্বারা তৈরি।
ঘ) Internet Explorer –  এটি Microsoft এর তৈরি।

​Browser:
- ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, যেটি ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেটে সক্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর ওয়েব সার্ভার এর সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো ওয়েবপেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোনো ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের অনুসন্ধান করতে পারে, দেখতে পারে।

​কিছু উল্লেখযোগ্য ব্রাউজার হল:
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Microsoft Edge,
- Apple Safari,
- Opera,
- Tor Browser,
- UC Browser,
- Waterfox,
- DuckDuckGo Browser (Known for its privacy features, it automatically blocks hidden third-party trackers.)

​উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯৯.
ডিভাইসগুলির মধ্যে সাধারণত কোনটিতে NFC ফিচার ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ডেস্কটপ মনিটর
  3. স্মার্টফোন
  4. ইলেকট্রিক কেটল
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
ব্যাখ্যা

• NFC (Near Field Communication) হলো একটি শর্ট-রেঞ্জ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা ছোট দূরত্বে ডেটা আদানপ্রদান করতে সক্ষম। সাধারণত এটি মোবাইল পেমেন্ট, কন্ট্যাক্টলেস কার্ড রিডার, বা ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত জোড়াবন্ধন তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ডিভাইসটি অবশ্যই মোবাইল বা পোর্টেবল হতে হবে এবং এতে সিকিউর ডেটা ট্রান্সফারের সুবিধা থাকতে হবে। মাইক্রোওয়েভ, ডেস্কটপ মনিটর বা ইলেকট্রিক কেটলের মতো ডিভাইসগুলোতে NFC ব্যবহারের প্রয়োজন বা সুবিধা থাকে না। তাই সাধারণত NFC ফিচার ব্যবহার করা হয় স্মার্টফোনে, কারণ এটি পোর্টেবল, ব্যবহার বান্ধব এবং ডেটা ট্রান্সফারের জন্য উপযুক্ত।

​NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

​NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

​সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০০.
একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ এবং সাধারণ DoS আক্রমণের মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. কেবল ওয়েবসাইটকে টার্গেট করে
  2. ফাইল এনক্রিপ্ট করে
  3. একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
  4. সবসময় ক্ষতিকর নয়
সঠিক উত্তর:
একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
ব্যাখ্যা

• ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ এবং সাধারণ DoS আক্রমণের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো আক্রমণের উৎস। সাধারণ DoS আক্রমণে একক সিস্টেম বা সার্ভার থেকে লক্ষ্যবস্তু সার্ভার বা নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সেটি ধীরে ধীরে অপ্রাপ্য বা ধীর গতির করা হয়। অন্যদিকে DDoS আক্রমণে একাধিক উৎস, সাধারণত সংক্রমিত কম্পিউটার বা “বটনেট” ব্যবহার করে একই সময়ে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানো হয়। এই কারণে DDoS আক্রমণ অনেক বেশি শক্তিশালী এবং প্রতিরোধ করা কঠিন। সুতরাং, একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয় (গ) এই বৈশিষ্ট্য DDoS-কে সাধারণ DoS থেকে আলাদা করে। অন্যান্য অপশন যেমন ক, খ বা ঘ DDoS-র মূল বৈশিষ্ট্যকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করে না।

সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
-
প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)

- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০১.
জীবাশ্ম জ্বালানির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো—
  1. ক্লোরিন-সমৃদ্ধ
  2. সোডিয়াম-সমৃদ্ধ
  3. সিলিকন-সমৃদ্ধ
  4. কার্বন-সমৃদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কার্বন-সমৃদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা

◉ জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, টার স্যান্ড, অয়েল শেল ইত্যাদি) জৈব উৎস থেকে গঠিত হাইড্রোকার্বন; তাই এদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো কার্বন-সমৃদ্ধতা।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস, ইত্যাদি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

১০২.
ফুলের কোন কোন অংশ সরাসরি প্রজনন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে?
  1. দল ও বৃতি
  2. দল ও বৃন্ত
  3. বৃন্ত ও পুষ্পাধার
  4. পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
ব্যাখ্যা

◉ ফুলের প্রজনন অঙ্গ হলো পুংস্তবক (Androecium) এবং স্ত্রীস্তবক (Gynoecium)।

প্রজনন অঙ্গ (ফুল):  
- প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ (Shoot) হলো ফুল। 
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ। 
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি স্তবকের মধ্যে দুটি স্তবক (পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক) প্রজননের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ যারা সরাসরি প্রজননে অংশ নেয়, কিন্তু অন্য স্তবকগুলো সরাসরি অংশ না নিলেও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করে। 
- যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- এই পাঁচটি স্তবকের যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া। 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক যেমন- জবা, কুমড়া এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলে যেমন- হাতীশুঁড়। 
- যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তাকে উভলিঙ্গ ফুল (Bisexual flower) যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল (Unisexual flower) যেমন লাউ, কুমড়া এবং দুটোই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল (Neuter flower) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৩.
গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর কত? 
  1. 0.0005–0.15 nm
  2. 0.01-10 nm
  3. 10–400 nm
  4. 10–400 m
সঠিক উত্তর:
0.0005–0.15 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.0005–0.15 nm
ব্যাখ্যা

◉ গামা রশ্মি হলো Electromagnetic Spectrum-এর সবচেয়ে ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.0005–0.15 nm, যা এক্স-রে থেকেও ছোট।

তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ: 
- যেসব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয় তাদের একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। 
- দৃশ্যমান আলো হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 
- এ সব তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণকে একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় স্পেকট্রাম ( spectrum) বা বর্ণালি বলা হয়। 

তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালির অঞ্চলসমূহ: 
- তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মিসমূহকে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম বৃদ্ধি অনুসারে প্রধান সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যথা- 

১. গামা (γ) রশ্মি অঞ্চল: 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.0005-0.15 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় এ তরঙ্গ অধিক শক্তিসম্পন্ন। 
- গামা রশ্মি জৈব যৌগের বিশ্লেষণে বর্ণালিমিতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। 

২. রঞ্জন রশ্মি (X-ray) অঞ্চল: 
- রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.01-10 nm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রঞ্জন রশ্মির ব্যবহার ব্যাপক। 
যেমন- এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফি, এক্সরে নিঃসরণ পদ্ধতিতে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

৩. অতিবেগুনি রশ্মি (UV) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10–380 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন, 300-320 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV-রশ্মি চিকিৎসাক্ষেত্রে লাইট থেরাপি, 270–360 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি প্রোটিন বিশ্লেষণের কাজে, 200-400 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি ড্রাগ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। 

৪. দৃশ্যমান (Visible) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলটি 400-700 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চল VIBGYOR অঞ্চলরূপে চিহ্নিত। 
- পরমাণুর সর্ববহিঃস্তরের ইলেকট্রন এ অঞ্চলের রশ্মি শোষণ বা বিকিরণ করে বর্ণালি সৃষ্টি করে। 

৫. অবলোহিত অঞ্চল: 
- অবলোহিত অঞ্চলটি Near-IR; Middle-IR এবং Far-IR এ তিনটি অংশে বিভক্ত। 
- জৈব যৌগের গঠন নির্ণয়ে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর নিম্নরূপ: 
• Near-IR অঞ্চল: 0.8-2.5 µm, 
• Middle-IR অঞ্চল: 2.5-25 µm, 
• Far-IR অঞ্চল : 25-1000 µm (1µm = 1×10-6 m).  

৬. মাইক্রোওয়েভস (Microwaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 µm হতে 1.0 cm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 

৭. রেডিও ওয়েভস (Radiowaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 cm হতে 5 m পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রেডিও এন্টেনাতে উচ্চ কম্পাঙ্কের পর্যায়ক্রমিক বিদ্যুৎ (AC) প্রবাহ দ্বারা এসব তরঙ্গের সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৪.
কোন যন্ত্র হিগস কণা (Higgs Boson) আবিষ্কারে ব্যবহৃত হয়েছে? 
  1. Hubble Space Telescope
  2. Spitzer Space Telescope
  3. Large Hadron Collider
  4. Kepler Space Observatory
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Large Hadron Collider
ব্যাখ্যা

◉ হিগস বোসন (Higgs Boson), যাকে অনেক সময় “God Particle” বলা হয়, এটি ২০১২ সালে CERN-এর Large Hadron Collider (LHC)-এ আবিষ্কৃত হয়। LHC হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় কণাত্বরণযন্ত্র (particle accelerator), যা প্রোটনকে আলোর কাছাকাছি গতিতে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নতুন কণা সনাক্ত করে।

হিগস বোসন: 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। 
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্ডরিত হয়। 
- এই হিগস বোসন কণাই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

১০৫.
নিউটনের গতির প্রথম সূত্র কী নামে পরিচিত?
  1. জড়তার সূত্র
  2. ত্বরণের সূত্র
  3. ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সূত্র
  4. মহাকর্ষের সূত্র
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
ব্যাখ্যা

◉ নিউটনের প্রথম সূত্র:
“কোনো বস্তুর উপর বাহ্যিক বল প্রয়োগ না হলে, স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং গতি সম্পন্ন বস্তু একই বেগে সরলরেখায় চলতে থাকবে।”
এই সূত্রকে “জড়তার সূত্র (Law of Inertia)” বলা হয়।

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 

সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
কোন গ্যাসটি নোবেল গ্যাস নয়?
  1. আর্গন
  2. জেনন
  3. রেডন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

ক্লোরিন (Cl) হলো হ্যালোজেন গ্যাস, নোবেল গ্যাস নয়। 

নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এ গ্রুপের মৌল গুলো হলো—
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

১০৭.
DNA এর দুটি স্ট্র্যান্ড কোন রাসায়নিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত?
  1. আয়নিক বন্ধন
  2. সমযোজী বন্ধন
  3. হাইড্রোজেন বন্ধন
  4. ভ্যান ডার ওয়ালস বল
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বন্ধন
ব্যাখ্যা

◉ DNA-তে প্রতিটি নিউক্লিওটাইড শর্করা (deoxyribose) + ফসফেট এর মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন (covalent bond) দ্বারা যুক্ত থাকে। কিন্তু দুটি বিপরীতমুখী স্ট্র্যান্ডকে একসাথে ধরে রাখে নাইট্রোজেন বেসের মধ্যে গঠিত হাইড্রোজেন বন্ধন।

DNA: 
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA. 
- এটি একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid. 

DNA-এর ভৌত গঠন: 
১। DNA দ্বিসূত্রক, বিন্যাস ঘুরানো সিড়ির ন্যায়।
২। সিড়ির দু'দিকের ফ্রেম তৈরি হয় স্যুগার ও ফসফেটের পর্যায়ক্রমিক (Alternate) সংযুক্তির মাধ্যমে।
৩। দু'দিকের ফ্রেমের মাঝখানের প্রতিটি ফ্রেম তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজিনাস বেস দিয়ে (A=T, G≡C)।
৪। দুটি বেস হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে যুক্ত হয়। কাজেই সিড়ির বাইরের দিকে থাকে ফসফেট এবং ভেতরের দিকে থাকে নাইট্রোজিনাস বেস।
৫। সিড়ির দু'পাশের ফ্রেম পরস্পর উল্টোভাবে অবস্থান করে। এ ধরনের বিন্যাসকে অ্যান্টিপ্যারালেল (Antiparallel) বিন্যাস বলে।
৬। এক ফ্রেমের গুয়ানিন অপর পাশের ফ্রেমের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে যুক্ত হয় (G≡C)। এক ফ্রেমের অ্যাডিনিন অপর পাশের ফ্রেমের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে সংযুক্ত থাকে (A=T)।
৭। সিড়ির (প্রকৃত পক্ষে ডবল হেলিক্স-এর) প্রতিটি ঘূর্ণন ৩৪৪ দূরত্ব বিশিষ্ট এবং এ দূরত্ব ১০টি মনোনিউক্লিয়োটাইড দিয়ে তৈরি হয়। কাজেই প্রতিটি মনোনিউক্লিয়োটাইডের দৈর্ঘ্য ৩.৪৪।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০৮.
CFC গ্যাস কোন স্তরের ক্ষতি করে?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

◉ CFC (Chlorofluorocarbon) গ্যাস মূলত ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ও স্প্রে ক্যান থেকে নির্গত হয়। CFC গ্যাস স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 

CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অনিশ্চয়তা নীতির প্রবক্তা কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. হাইজেনবার্গ
  3. বোর
  4. শ্রোডিঞ্জার 
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
ব্যাখ্যা

◉ ভার্নার হাইজেনবার্গ (Heisenberg) ১৯২৭ সালে Uncertainty Principle (অনিশ্চয়তা নীতি) প্রবর্তন করেন।

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Uncertainty Principle): 
- জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ভার্নার হাইজেনবার্গ ১৯২৭ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- কোনো কণার অবস্থান (position) এবং বেগ/ভরবেগ (velocity/momentum) একসাথে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। প্রকৃতিতে “একই সাথে সঠিক অবস্থান ও সঠিক ভরবেগ”-এর ধারণাটির কোনো বাস্তব অর্থ নেই।
- পরমাণু বা পরমাণু কণার (যেমন: ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করতে গেলে অবস্থান পরিবর্তিত হয়, আর অবস্থান মাপতে গেলে বেগের তথ্য অনিশ্চিত হয়।
- অনিশ্চয়তা নীতির ধারণা থেকেই তৈরি হয়েছে কণা ত্বরক বা পার্টিকল অ্যাকসিলারেটর যন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার।

গাণিতিক রূপ:
Δx⋅Δp ≥ h/4π

এখানে, 
Δx = অবস্থান নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
Δp = ভরবেগ নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
আলবার্ট আইনস্টাইন (Einstein): আপেক্ষিকতার বিশেষ ও সাধারণ তত্ত্বের প্রবক্তা।
নিলস বোর (Bohr): পরমাণুর গঠন ও বোর মডেলের প্রবক্তা।
এরউইন শ্রোডিঙ্গার (Schrödinger): তরঙ্গ যান্ত্রিকতায় (wave mechanics) অবদান ও Schrödinger সমীকরণ প্রদান করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১১০.
মিথেন অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুর অনুপাত কত?
  1. 1 : 1
  2. 1 : 2
  3. 1 : 3
  4. 1 : 4
সঠিক উত্তর:
1 : 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 : 4
ব্যাখ্যা

হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন। 

• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH4
এখানে- 
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি

সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
একটি গ্লাসে পানি ভর্তি করে তার উপর কাগজ রেখে উল্টিয়ে দিলে কাগজটি পড়ে যায় না। এর মূল কারণ কী?
  1. পানির চৌম্বকীয় শক্তি
  2. বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তারতম্য
  3. পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
  4. কাগজের আঠালো ধর্ম
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তারতম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তারতম্য
ব্যাখ্যা

◉ যখন একটি গ্লাসে পানি ভর্তি করে তার মুখে কাগজ রেখে উল্টানো হয়, তখন কাগজটি পড়ে যায় না। এর মূল কারণ হলো বায়ুমণ্ডলীয় চাপ (Atmospheric Pressure)।

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ: 
- বায়ুমণ্ডলের চাপ বাড়লে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা বেড়ে যায়, আবার চাপ কমলে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা কমে যায়। এভাবে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করা যায়। 
- পৃথিবীর সর্বত্র বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান নয়, আবার একই স্থানে সবসময় বায়ুমণ্ডলীয় চাপও সমান থাকে না। 
- স্থান ও সময় ভেদে বায়ুমণ্ডলের চাপ বিভিন্ন হয়। এ কারণে বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব, বায়ু প্রবাহের দিক তাপমাত্রা প্রভাবিত হয়। 
- তাই কোন স্থানের বায়ুমণ্ডলের চাপের সাথে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। 
- চাপ পরিমাপ যন্ত্র বা ব্যারোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করে কোন স্থানের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া যায়। 

যেমন- 
• কোনো স্থানে ব্যারোমিটারে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বুঝা যায় বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কারণ জলীয় বাষ্প বায়ু থেকে হালকা। এক্ষেত্রে ঐস্থানে বা এলাকায় বৃষ্টি পাতের সম্ভাবনা। 
• যদি কোনো স্থানে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা হঠাৎ খুব কমে যায় তাহলে বুঝতে হবে চারিদিকে বায়ুমণ্ডলের চাপ সহসা কমে গেছে এবং নিম্ন চাপের সৃষ্টি হয়েছে। তখন পার্শ্ববর্তী উচ্চ চাপের এলাকা থেকে বায়ু প্রবল বেগে ঐ স্থানে ছুটে আসবে। সুতরাং ঐ স্থানে দ্রুত ঝড়ের সম্ভাবনা। 
• ব্যারোমিটারের পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে বুঝতে হবে ঐ স্থানে বা এলাকায় বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প অপসারিত হয়ে শুষ্ক বাতাস বৃদ্ধি পাচ্ছে, সুতরাং আবহাওয়া শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকবে। এভাবে ব্যারোমিটারের পাঠ দেখে আহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়। 

Science Museum Group-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী:
গ্লাস উল্টানোর পর কাগজের নিচে বাইরের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পানি ও কাগজকে উপরের দিকে ঠেলে ধরে রাখতে সক্ষম হয়, যার ফলে পানি বের হয় না। 

উৎস:
১। পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। The Science Museum Group.

১১২.
উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়নের বৈশিষ্ট্য হলো—
  1. নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়
  2. জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
  3. প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
  4. প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে
সঠিক উত্তর:
প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
ব্যাখ্যা

◉ স্ব-পরাগায়নে একই ফুল বা একই গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে। ফলে বাহকের প্রয়োজন হয় না, পরাগরেণুর অপচয়ও তুলনামূলকভাবে কম হয়। এর ফলে যে নতুন উদ্ভিদ জন্মে, তার বৈশিষ্ট্য প্রায় একই থাকে, অর্থাৎ প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। তবে অসুবিধা হলো—এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে অভিযোজন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

পরাগায়ন (pollination): 
- পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফুল এবং বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুধরনের, স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। 

স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে, তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে থাকে। 
- স্ব-পরাগায়নের ফলে পরাগরেণুর অপচয় কম হয়, পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না এবং পরাগায়ন নিশ্চিত হয়। এর ফলে নতুন যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, তাতে বৈশিষ্ট্যেরও কোনো পরিবর্তন আসে না এবং কোনো একটি প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। 
- তবে এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে। 
- এই বীজের থেকে জন্ম নেওয়া নতুন গাছের অভিযোজন ক্ষমতা কমে যায় এবং অচিরেই প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। 

পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে, তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 
- পর-পরাগায়নের ফলে নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অংকুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। 
- দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয় এবং বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ কারণে এসব গাছে নতুন বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। 
- তবে এটি বাহকনির্ভর প্রক্রিয়া হওয়ায় পরাগায়নের নিশ্চয়তা থাকে না, এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে। ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হওযার সম্ভাবনা থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৩.
কোনো সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ৬ যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেই সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ৩৯ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?
  1. ২৬
  2. ৩০
  3. ৩২
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ৬ যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেই সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ৩৯ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে
(ক/২) + ৬ = ২ক - ৩৯
⇒ ৬ + ৩৯ = ২ক - (ক/২)
⇒ ৪৫ = (৪ক - ক)/২
⇒৪৫ = ৩ক/২
⇒ ৩ক = ৪৫ × ২
⇒ ক = (৪৫ × ২)/৩
⇒ ক = ৩০

১১৪.
সুমন সাহেব প্রতি বছর তার আয়ের ২০% সঞ্চয় করেন। যদি পরের বছর তার আয় ১০% বৃদ্ধি পায়, তবে ঐ বছর তার সঞ্চয় শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. ২% 
  2. ৫%
  3. ১০% 
  4. ১২%
সঠিক উত্তর:
১০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০% 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সুমন সাহেব প্রতি বছর তার আয়ের ২০% সঞ্চয় করেন। যদি পরের বছর তার আয় ১০% বৃদ্ধি পায়, তবে ঐ বছর তার সঞ্চয় শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান: 
মনে করি, 
সমুনের আয় = ১০০ টাকা
সঞ্চয় করেন = ১০০ এর ২০%
= ১০০ এর ২০/১০০
= ২০ টাকা

২য় বছর সুমনের আয় = ১০০ + ১০০ এর ১০%
= ১০০ + ১০০ এর ১০%
= ১০০ + ১০০ এর ১০/১০০
= ১০০ + ১০
= ১১০ টাকা

২য় বছর সুমনের সঞ্চয় = ১১০ এর ২০%
= ১১০ এর ২০/১০০
= ২২ টাকা

∴ সঞ্চয় বৃদ্ধি = ২২ - ২০ = ২ টাকা

∴ সঞ্চয় শতকরা বৃদ্ধি পাবে = {(২/২০) × ১০০%}
= ১০% 

১১৫.

  1. 232
  2. 332
  3. 134
  4. 234
সঠিক উত্তর:
234
উত্তর
সঠিক উত্তর:
234
ব্যাখ্যা


প্রশ্ন:


সমাধান:
দেওয়া আছে, 
x = √10 + 3
1/x = 1/(√10 + 3)
= (√10 - 3)/{(√10 + 3)(√10 - 3)}
= (√10 - 3)/(10 - 9)
= √10 - 3

∴ x + 1/x = √10 + 3 + √10 - 3 = 2√10

x3 + 1/x3
= (x + 1/x)3 + 3.x.(1/x)(x + 1/x)
= (2√10)3 + 3 × 2√10
= 74√10
= 234.0085
≈ 234

১১৬.
16 টি বিন্দু দিয়ে কতটি ত্রিভুজ গঠন করা যাবে? 
  1. 268
  2. 560
  3. 220
  4. 720
সঠিক উত্তর:
560
উত্তর
সঠিক উত্তর:
560
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 16 টি বিন্দু দিয়ে কতটি ত্রিভুজ গঠন করা যাবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
একটি ত্রিভুজ গঠন করতে 3 টি বিন্দু প্রয়োজন হয়।
তাহলে,
16 টি বিন্দু দিয়ে গঠিত ত্রিভুজের সংখ্যা,
16C3
= 16!/{3! × (16 - 3)!}
= 16!/(3! × 13!)
= (16 × 15 × 14 × 13!)/(3 × 2 × 1 × 13!)
= (16 × 15 × 14)/(3 × 2 × 1)
= 560

১১৭.
যদি x2 + px + 6 = 0 এর মূল দুটি সমান হয় এবং p > 0. তবে p এর মান কত?
  1. √12
  2. 1
  3. √20
  4. √24
সঠিক উত্তর:
√24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√24
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x2 + px + 6 = 0 এর মূল দুটি সমান হয় এবং p > 0. তবে p এর মান কত?

সমাধান:
x2 + px + 6 = 0 প্রদত্ত সমীকরণটির নিশ্চায়ক, p2 - 4 × 1 × 6 = p2 - 24
যেহেতু সমীকরণের মূল দুটি সমান, তাই নিশ্চায়কের মান শূন্য
p2 - 24 = 0
⇒ p2 = 24
∴ p = √24

১১৮.
নিম্নের ABCD সামান্তরিকের বাহুগুলো চিহ্নিত করা আছে। AD বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 25 একক
  2. 20 একক
  3. 10 একক
  4. 15 একক
সঠিক উত্তর:
15 একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 একক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নের ABCD সামান্তরিকের বাহুগুলো চিহ্নিত করা আছে। AD বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।
∴ AB = CD
⇒ 6x - 10 = 3x + 5
⇒ 3x = 15
∴ x = 5

∴ AD = 4x - 5 = 4 × 5 - 5 = 20 - 5 = 15

১১৯.
১০টি নীল ও ১৫ টি লাল মার্বেল একটি বক্সে রাখা আছে। তমাল দৈবভাবে ২টি মার্বেল উঠালে ২টি একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?
  1. ১/২
  2. ২/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৩
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০টি নীল ও ১৫ টি লাল মার্বেল একটি বক্সে রাখা আছে। তমাল দৈবভাবে ২টি মার্বেল উঠালে ২টি একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?

সমাধান:
নীল মার্বেল = ১০টি
লাল মার্বেল = ১৫টি
মোট মার্বেল = ১০ + ১৫ = ২৫ টি

২টি মার্বেলই নীল হওয়ার সম্ভাবনা = (১০/২৫) × (৯/২৪)
= ৩/২০

২টি মার্বেলই লাল হওয়ার সম্ভাবনা = (১৫/২৫) × (১৪/২৪)
= ৭/২০

∴ মোট সম্ভাবনা = (৩/২০) + (৭/২০)
= ১০/২০
= ১/২

১২০.
log8x = 25 এবং log2y = 5 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?
  1. x3 = y11
  2. x = y15
  3. x = y5
  4. x3 = y2
সঠিক উত্তর:
x = y15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x = y15
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log8x = 25 এবং log2y = 5 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
log8x = 25 এবং log2y=5
⇒ x = 825 এবং y = 25
⇒ x = (23)25 এবং y = 25 
⇒ x = 275 এবং y = 25 
⇒ x = (25)15 এবং y = 25
 x = y15

১২১.
যদি sin(θ + 15°) = 3/√12 হয়, তাহলে sin2θ = ?
  1. 1/4
  2. 2
  3. 1/2
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি sin(θ + 15°) = 3/√12 হয়, তাহলে sin2θ = ?

সমাধান:
sin(θ + 15°) = 3/√12
⇒ sin(θ + 15°) = 3/(2√3)
⇒ sin(θ + 15°) = √3/2
⇒ sin(θ + 15°) = sin60°
⇒ θ + 15° = 60°
⇒ θ = 45°

এখন,
sin2θ = (sin 45°)2
= (1/√2)2
= 1/2

১২২.
x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8 এর উৎপাদক- 
  1. (x - 2y + 1) (x - 2y - 1)
  2. (x - y + 2) (x - 2y - 4)
  3. (x + 2y + 2) (x + 2y - 4)
  4. (x - 2y + 2) (x - 2y - 4)
সঠিক উত্তর:
(x - 2y + 2) (x - 2y - 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - 2y + 2) (x - 2y - 4)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8 এর উৎপাদক- 

সমাধান: 
x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8
= x2 - 4xy + 4y2- 2x + 4y - 8 
= (x - 2y)2 - 2(x - 2y) - 8
=  (x - 2y)2 - 4(x - 2y) + 2(x - 2y) - 8
= (x - 2y) (x - 2y - 4) + 2 (x - 2y - 4)
= (x - 2y + 2) (x - 2y - 4)

১২৩.
৮, ২৫, ১৭, ১২, ৯, ১৫, ৫, ২০, ২১, ২৩, ১১ উপাত্তগুলো গড় ও মধ্যকের মাঝে সম্পর্ক কী?
  1. গড় < মধ্যক
  2. গড় = মধ্যক
  3. গড় > মধ্যক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গড় > মধ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গড় > মধ্যক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮, ২৫, ১৭, ১২, ৯, ১৫, ৫, ২০, ২১, ২৩, ১১ উপাত্তগুলো গড় ও মধ্যকের মাঝে সম্পর্ক কী?

সমাধান:
উপাত্তগুলোকে ঊর্ধ্ব ক্রম অনুসারে সাজালে পাওয়া যায় - ৫, ৮, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৭, ২০, ২১, ২৩, ২৫

আমরা জানি,
উপাত্তের সংখ্যা n হয় এবং n যদি বিজোড় সংখ্যা হয় তবে মধ্যক হবে (n + 1)/2 তম পদের মান।

এখানে
n = ১১
মধ্যক = (১১ + ১)/২ তম পদের মান
= ৬ তম পদের মান
= ১৫

গড় = (৫ + ৮ + ৯ + ১১ + ১২ + ১৫ + ১৭ + ২০ + ২১ + ২৩ + ২৫)/১১
= ১৬৬/১১
= ১৫.০৯০৯

∴ গড় > মধ্যক

১২৪.
|3x - 2| < 37 হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. - 5 < x < (13/3)
  2. - 35 < x < 39
  3. - 37 < x < (13/3)
  4. (- 35/3) < x < 13
সঠিক উত্তর:
(- 35/3) < x < 13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(- 35/3) < x < 13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |3x - 2| < 37 হলে নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
|3x - 2| < 37

(3x - 2) অঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায় (3x - 2) < 37 
3x - 2 + 2 < 37 + 2
3x < 39
 x < 13

আবার,
(3x - 2) ঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায়, - (3x - 2) < 37
(3x - 2) > - 37
3x - 2 + 2 > - 37 + 2
3x > - 35
x > - 35/3

∴ নির্ণেয় অসমতা:  - 35/3 < x < 13

১২৫.
কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 54° বড় হয়, তাহলে ১ম কোণটি কত ডিগ্রি?
  1. 34°
  2. 56°
  3. 96°
  4. 124°
সঠিক উত্তর:
56°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
56°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 54° বড় হয়, তাহলে ১ম কোণটি কত ডিগ্রি?

সমাধান:
ধরি,
২য় কোণ = a
∴ ১ম কোণ = 4a
৩য় কোণ = 4a + 54°

প্রশ্নমতে,
a + 4a + 4a + 54° = 180°
বা, 9a = 180° - 54°
বা, 9a = 126°
বা, a = 126°/9
∴ a = 14°

∴ ১ম কোণ = 4 × 14° = 56°

১২৬.
নিম্নের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক্ষতচিহ্ণ
  2. ক্ষণজন্মা
  3. ক্ষতিগ্রস্থ
  4. ক্ষতিপুরণ
সঠিক উত্তর:
ক্ষণজন্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষণজন্মা
ব্যাখ্যা

◉ সঠিক বানান: ক্ষণজন্মা,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
এর অর্থ: শুভক্ষণে জন্মেছে এমন, সৌভাগ্যবান, বিরল ভাগ্যযুক্ত, মহামানব।

অন্যান্য শব্দগুলোর শুদ্ধ বানান হলো:
◉ সঠিক বানান: ক্ষতচিহ্ন,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ক্ষতস্থান শুকিয়ে যাওয়ার পরেও যে দাগ থেকে যায়, আঘাতের দাগ।

◉ সঠিক বানান: ক্ষতিগ্রস্ত,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ক্ষতি হয়েছে এমন, অপকৃত।

◉ সঠিক বানান: ক্ষতিপূরণ,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: লোকসানের জন্য মূল্যদান, খেসারত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৭.
নিম্নের চিত্রে y° এর মান কত?
  1. 15° 
  2. 30° 
  3. 45° 
  4. 60° 
সঠিক উত্তর:
30° 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30° 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নের চিত্রে y° এর মান কত?
 

সমাধান: 
x° + 2x° = 180°
বা, 3x° = 180°
বা, x° = 60°

আবার,
x° = 60° = 2y°
বা, y° = 60°/2
∴ y° = 30° 

১২৮.
যদি ইংরেজি বর্ণমালাকে উল্টোদিক থেকে লেখা হয়, তাহলে বামদিক থেকে ১৪ তম অক্ষরের ডান পাশের ৮ম অক্ষর কোনটি হবে?
  1. H
  2. F
  3. D
  4. E
সঠিক উত্তর:
E
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ইংরেজি বর্ণমালাকে উল্টোদিক থেকে লেখা হয়, তাহলে বামদিক থেকে ১৪ তম অক্ষরের ডান পাশের ৮ম অক্ষর কোনটি হবে?

সমাধান:
উল্টো দিক থেকে ইংরেজি অক্ষর:
Z Y X W V U T S R Q P O N M(14) L K J I H G F E(14+8) D C B A
 বামদিক থেকে ১৪ তম অক্ষরের ডান পাশের ৮ম অক্ষর হলো E.

১২৯.
তিনটি সংখ্যার গড় ৫৫। দ্বিতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ১ বেশি আবার তৃতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যাটির তিন গুণের চেয়ে ৪ কম। বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ৬০
  2. ৭০
  3. ৮০
  4. ৭৫
সঠিক উত্তর:
৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি সংখ্যার গড় ৫৫। দ্বিতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ১ বেশি আবার তৃতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যাটির তিন গুণের চেয়ে ৪ কম। বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩ক - ৪

প্রশ্নমতে,
ক + ২ক + ১ + ৩ক - ৪ = ৩ × ৫৫
⇒ ৬ক = ১৬৫ + ৩
⇒ ক = ১৬৮/৬
∴ ক = ২৮

বড় সংখ্যাটি = (৩ × ২৮) - ৪
=  ৮০

১৩০.
নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
19648, 1728, 112, ?
  1. 56
  2. 2
  3. 12
  4. 26
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
19648, 1728, 112, ?

সমাধান:
19648
1 × 9 × 6 × 4 × 8 = 1728
1 × 7 × 2 × 8 = 112
1 × 1 × 2 = 2

১৩১.
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের ১ তারিখ মঙ্গলবার হয়, তাহলে একই বছরের নভেম্বর মাসে ১ তারিখ কী বার হবে?
  1. বুধবার
  2. মঙ্গলবার
  3. শুক্রবার
  4. বৃহস্পতিবার
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের ১ তারিখ মঙ্গলবার হয়, তাহলে একই বছরের নভেম্বর মাসে ১ তারিখ কী বার হবে?

সমাধান:
৭ দিন পর ৮ম দিনে পুনরায় একই বার আসে।
তাই অক্টোবর মাসের ১ম দিন মঙ্গলবার হলে ৮ম, ১৫তম, ২২তম, ২৯তম দিন মঙ্গলবার হবে।

অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখ হবে বুধবার।
অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ হবে বৃহস্পতিবার।
নভেম্বর মাসের ১ তারিখ হবে শুক্রবার।

১৩২.
যদি L = +, M = -, এবং N = ÷ হয়, তবে ১৮০৩৬ N ১২ M ৬ L ৭ = কত?
  1. ১৪৯৬
  2. ১৫০০
  3. ১৫০৪
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৫০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি L = +, M = -, এবং N = ÷ হয়, তবে ১৮০৩৬ N ১২ M ৬ L ৭ = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
 L = +, M = -, এবং N = ÷ 

প্রদত্তরাশি,
= ১৮০৩৬ N ১২ M ৬ L ৭ 
= ১৮০৩৬ ÷ ১২ - ৬ + ৭ 
= ১৫০৩ - ৬ + ৭
= ১৫০৩ + ১
= ১৫০৪

১৩৩.
  1. ০.৩
  2. ০.০০৩
  3. ০.০৩
  4. ০.০০০৩
সঠিক উত্তর:
০.০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
(০.৪ × ০.০৫ × ০.০৩)/০.০২
= ০.০০০৬০/০.০২
= ৬০/২০০০
= ০.০৩

১৩৪.
1. Zebra, 2. Zodiac, 3. Zootomy, 4. Zenith, 5. Zoology
উপরের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?
  1. 14235
  2. 14523
  3. 12453
  4. 14253
সঠিক উত্তর:
14253
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14253
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1. Zebra, 2. Zodiac, 3. Zootomy, 4. Zenith, 5. Zoology
উপরের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?

সমাধান:
শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধানের ক্রমানুসারে সাজালে পাই 
1. Zebra
4. Zenith
2. Zodiac 
5. Zoology 
3. Zootomy

∴ সঠিক উত্তর 14253

১৩৫.
ঢাকা অভিমুখী একটি ট্রেন ৩০ মিনিটে ২৪ কি.মি. যেতে পারে। ট্রেনটি ২১ সেকেন্ডে ১৮০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু অতিক্রম করলে ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১২০ মিটার
  2. ১০০ মিটার
  3. ১৫০ মিটার
  4. ৮০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঢাকা অভিমুখী একটি ট্রেন ৩০ মিনিটে ২৪ কি.মি. যেতে পারে। ট্রেনটি ২১ সেকেন্ডে ১৮০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু অতিক্রম করলে ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ট্রেনটি ৩০ মিনিটে যায় = ২৪ কি.মি.
∴ ট্রেনটি ১ মিনিটে যায় = ২৪/৩০ কি.মি.
∴ ট্রেনটি ৬০ মিনিটে যায় = (২৪ × ৬০)/৩০ কি.মি.
= ৪৮ কি.মি.

ট্রেনটি ৩৬০০ সেকেন্ডে যায় = ৪৮০০০ মিটার
∴ ট্রেনটি ১ সেকেন্ডে যায় = ৪৮০০০/৩৬০০ মিটার
∴ ট্রেনটি ২১ সেকেন্ডে যায় = (৪৮০০০ × ২১)/৩৬০০ মিটার
= ২৮০ মিটার

∴ ট্রেনের দৈর্ঘ্য = (২৮০ - ১৮০) মিটার
= ১০০ মিটার

১৩৬.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ঘরে-বাইরে
  2. যোগাযোগ
  3. দোলনচাঁপা
  4. শেষের কবিতা
সঠিক উত্তর:
দোলনচাঁপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোলনচাঁপা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?

সমাধান:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস
- শেষের কবিতা
- চোখের বালি
- গোরা
- যোগাযোগ
- চতুরঙ্গ
- ঘরে-বাইরে
- চার-অধ্যায়
- মালঞ্চ

অন্যদিকে,
- দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ।
তাই, এটি অপশনের অন্যান্যগুলো থেকে ব্যাতিক্রম।

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।]

১৩৭.
X বিন্দু থেকে শুরু করে, রাতুল পশ্চিম দিকে 17 মিটার হাঁটলো। সে বাম দিকে ঘুরলো এবং 23 মিটার হাঁটলো। সে তারপর বাম দিকে ঘুরলো এবং 17 মিটার হাঁটলো। এর পরে সে ডানদিকে ঘুরে 13 মিটার হাঁটলো। X থেকে রাতুল এখন কত দূরে আছে?
  1. 34 মিটার
  2. 30 মিটার
  3. 36 মিটার
  4. 40 মিটার
সঠিক উত্তর:
36 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: X বিন্দু থেকে শুরু করে, রাতুল পশ্চিম দিকে 17 মিটার হাঁটলো। সে বাম দিকে ঘুরলো এবং 23 মিটার হাঁটলো। সে তারপর বাম দিকে ঘুরলো এবং 17 মিটার হাঁটলো। এর পরে সে ডানদিকে ঘুরে 13 মিটার হাঁটলো। X থেকে রাতুল এখন কত দূরে আছে?

সমাধান:

যাত্রাশুরুর স্থান X এবং গন্তব্যস্থান D
∴ নির্ণেয় দূরত্ব = (23 + 13) = 36 মিটার

১৩৮.
নিচের কোনটি বৃহত্তম সংখ্যা?
  1. 1/5
  2. 3/10
  3. 2/7
  4. 4/9
সঠিক উত্তর:
4/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4/9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি বৃহত্তম সংখ্যা?

সমাধান:
1/5 = 0.2
3/10 = 0.3
2/7 = 0.2857
4/9 = 0.4444

∴ 4/9 সবচেয়ে বৃহত্তম

১৩৯.
উত্তর গোলার্ধে কোন দিনটিকে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে ২১ মার্চ দিনটিকে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়।

মহাবিষুব:

- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়। বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ শে মার্চ দিনটিকে উত্তর গোলার্ধে মহাবিষুব বলে।
- ২৩ শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

উল্লেখ্য,
উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪০.
নিম্নের কোনটি UDMC-এর কাজ? 
  1. দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
  2. দুর্যোগের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি
  3. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

UDMC:
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১৪১.
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত কোন স্কেলটি অনুসরণ করা হয়?
  1. ব্রিটিশ স্কেল
  2. আমেরিকান স্কেল
  3. জাপানি স্কেল
  4. ফরাসি স্কেল
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
ব্যাখ্যা

মানচিত্র:
- কোনো স্থানের অবস্থান থেকে শুরু করে ঐ স্থানের খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য মানচিত্রের কোনো বিকল্প নেই। খুব কম সময়ে সহজ উপায়ে ঘরে বসে সারা বিশ্বকে জানার জন্যই মানচিত্রের উৎপত্তি। একটি মানচিত্রের মধ্যে কী ধরনের তথ্য থাকবে তা নির্ভর করবে- (ক) স্কেল, (খ) অভিক্ষেপ, (গ) কনভেনশনাল সাইন, (ঘ) মানচিত্র অঙ্কনকারীর দক্ষতা এবং (ঙ) মানচিত্র অঙ্কনের ধরনের উপর। একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রের মধ্যে একটি স্থানকে বেশি তথ্য দিয়ে দেখানো যায়।
- বাংলাদেশে সাধারণত ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করা হয়, যা সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পুরাতন মানচিত্রকে কমনওয়েলথের ১:৫০,০০০ স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

⇒ ভূসংস্থানিক মানচিত্র (Topographic map):
- ভূসংস্থানিক- এর আরেক নাম হচ্ছে স্থানীয় বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র।
- এই মানচিত্রগুলো প্রকৃত জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
- সাধারণত এর মধ্যে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক দুই ধরনের উপাদান দেখতে পাওয়া যায়।
- ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে পাহাড়, মালভূমি, সমভূমি, নদী, উপত্যকা, হ্রদ প্রভৃতি দেখানো হয়।
- অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য হিসেবে রেলপথ, হাটবাজার, পোস্ট অফিস, সরকারি অফিস, খেলার মাঠ, মসজিদ, মন্দির প্রভৃতি নিখুঁতভাবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্রের স্কেল ১:২০,০০০ হলে ভালোভাবে বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়।
- বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে এই মানচিত্র তৈরি করে।
- সবচেয়ে আদর্শ ও জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রিটিশদের তৈরি করা মানচিত্র যার স্কেল ছিল ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০ এবং আমেরিকাতে এই মানচিত্রের স্কেল থাকে সাধারণত ১:৬২,৫০০ এবং ১:১২৫,০০০।
- সাধারণত ব্রিটিশ স্কেলটি অনুসরণ করে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
​ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪২.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে?
  1. তাপমণ্ডল
  2. ট্রপোমন্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

 মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।
- মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
- সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়। 

​⇒ ভূ-পৃষ্ঠ ও তার আশেপাশে যে বায়বীয় মন্ডল আবর্তিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কনিকা দ্বারা গঠিত।
- মূলত বায়ুমন্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য অর্থাৎ অন্যান্য সকল বৈশিষ্ট্যের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে নানা স্তরে ভাগ করা যায়।
- এই সকল স্তর মূলত ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে মোট পাঁচটি পর্যায়ে রয়েছে।
- বায়ুমন্ডলের এই স্তরসমূহ হলো: ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৩.
সেন্ট লরেন্স নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

সেন্ট লরেন্স নদী:
​- সেন্ট লরেন্স নদী উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

​⇒ এটি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
​- এর উৎপত্তির স্থল অন্টারিও হ্রদ।
​- কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কানাডার কুইবেক প্রদেশ অতিক্রম করে।
​- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট লরেন্স উপসাগরে পতিত হয়।

​উৎস: Britannica.

১৪৪.
ঘূর্ণিঝড় হারিকেন পরিমাপের স্কেলের নাম কী?
  1. রিখটার স্কেল
  2. বিউফোর্ট স্কেল
  3. স্যাফির-সিম্পসন স্কেল
  4. মোহস স্কেল
সঠিক উত্তর:
স্যাফির-সিম্পসন স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাফির-সিম্পসন স্কেল
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় হারিকেন:
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

​⇒ ঘূর্ণিঝড় হারিকেন পরিমাপের স্কেলের নাম স্যাফির-সিম্পসন স্কেল।
- সাফির -সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হল ১ থেকে ৫ রেটিং বা বিভাগ, হারিকেনের সর্বাধিক স্থায়ী বাতাসের উপর ভিত্তি করে।
- ক্যাটাগরি যত বেশি, হারিকেনের সম্পত্তির ক্ষতির সম্ভাবনা তত বেশি।

​অন্যদিকে,
​- রিখটার স্কেল ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
​- বিউফোর্ট স্কেল বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
​- মোহস স্কেল খনিজ পদার্থের কঠোরতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) NOAA ওয়েবসাইট।

১৪৫.
সিলেট এলাকায় কোন প্রকারের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ঘূর্ণিবাত
  2. পরিচলন
  3. শৈলোৎক্ষেপ
  4. সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা

বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ:
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।
- বৃষ্টিপাতের ৪টি প্রকারভেদ হলো: পরিচলন বৃষ্টিপাত, শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত, সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত।
​ 
⇒ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
​ 
এছাড়াও
​- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে নভেম্বর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- বর্ষাকালেও অধিক সূর্যতাপ থাকার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। তবে আকাশে মেঘ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অধিক তাপমাত্রা উপলব্ধি করা যায় না।
- বর্ষাকালে অধিক জলীয়বাষ্পের কারণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে।
- বছরে মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এসময় হয়।
- বর্ষার শেষ দিকে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
জোনাথান হেইট -এর মতে কয়টি উৎস থেকে নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা:
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি।
- নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়।
- নৈতিকতা বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।
- নৈতিকতা মানুষের মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার।
- নৈতিকতাকে বলা হয় মানবজীবনের নৈতিক আদর্শ।

​⇒ জোনাথান হেইট -এর মতে, “ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ এই তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।