১.
LAN এবং WAN এর মধ্যে পার্থক্য হলো-
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক বা ওয়ান WAN বলে।
এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভের মত পাবলিক কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
WAN মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়।
যথা-
রাউটার
WAN কানেকশন ও
সিকিউরিটি পলিসি।
সাধারণত ১কিমি বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্যকোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান LAN বলে।
এটি সাধারণত স্কুল - কলেজ ক্যাম্পাসে, কোনো বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোনো ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি - মোঃ মজিবুর রহমান]
এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভের মত পাবলিক কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
WAN মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়।
যথা-
রাউটার
WAN কানেকশন ও
সিকিউরিটি পলিসি।
সাধারণত ১কিমি বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্যকোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান LAN বলে।
এটি সাধারণত স্কুল - কলেজ ক্যাম্পাসে, কোনো বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোনো ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি - মোঃ মজিবুর রহমান]