পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৬১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩০ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ৫ সাবজক্ট ফাইনাল (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৬১ প্রশ্ন

.
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ কোন দেশের অধীনস্থ অঞ্চল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. পর্তুগাল
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- 'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ যুক্তরাজ্য। এটি যুক্তরাজ্যের অধীনস্থ অঞ্চল। 

⇒ সেন্ট হেলেনা দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- দ্বীপটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের প্রায় ১,৯৫০ কিলোমিটার (১,২১০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলবর্তী শহর রিও ডি জেনেরো থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৫০০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত।
- ১৫০২ সালে পর্তুগিজরা এটি আবিষ্কার করে।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- ১৬৫৯ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এই দ্বীপে জেমস টাউন নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এই শহরটিই সেন্ট হেলেনার রাজধানী।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
 
উল্লেখ্য,
- একসময় ব্রিটিশরা এ দ্বীপে কয়েদিদের নির্বাসনে পাঠাত।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- তিনি ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.

.
প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear) কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  2. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
  3. ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া
  4. মিয়ানমার ও লাওস
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear):
- প্রেয়াহ বিহার একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির যা থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- 'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- থাইল্যান্ডও এর মালিকানা দাবি করায় দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে।
- ১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রায় দেয় যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অধীনে থাকবে।

⇒ ইংল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার অতীত এবং বর্তমানের এই দ্বন্দ্বে মন্দিরটি আর কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটা এখন সম্মানের প্রতীক, ইতিহাসের ছায়া এবং ভূখণ্ডের দাবি।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেলে এসে মিলেছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—এই তিন দেশের সীমানা।
- এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো ১১০০ শতকে তৈরি প্রেয়াহ বিহার মন্দির।
- ১৯০৭ সালে সেই উপনিবেশিক শাসকরাই তৈরি করে একটি মানচিত্র, যেখানে স্পষ্টভাবে প্রেয়াহ বিহারকে দেখানো হয় কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে। কিন্তু পরবর্তীতে থাইল্যান্ড তা মানতে চায়নি। তারা দাবি তোলে, মন্দিরটি তাদের সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে ফের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইউনেস্কো প্রেয়াহ বিহারকে কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

উৎস: i) The Economic Times.
ii) প্রথম আলো।

.
ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম আয়োজক দেশ কোনটি ছিল?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ:
- প্রথম বিশ্বকাপ (১৯৭৫ সাল): ওয়ানডে ক্রিকেট চালু হয় ১৯৭১ সালে। চার বছর পর ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপের শিরোপা নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।   

- দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (১৯৭৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

- তৃতীয় বিশ্বকাপ (১৯৮৩ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে শিরোপা জয় করে ভারত।

- চতুর্থ বিশ্বকাপ (১৯৮৭ সাল): আয়োজক ছিল ভারত ও পাকিস্তান। প্রথমবার আয়োজিত হয় ৫০ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আর এটিই ছিল লাল বলে আয়োজিত হওয়া সর্বশেষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া।

- পঞ্চম বিশ্বকাপ (১৯৯২ সাল): এই বিশ্বকাপকে আধুনিক বিশ্বকাপও বলা যায়। এই বিশ্বকাপেই প্রথম যুক্ত হয় বৃষ্টি আইন। যৌথভাবে আয়োজন করে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করে পাকিস্তান।

- ষষ্ঠ বিশ্বকাপ (১৯৯৬ সাল): আয়োজক ছিল ভারত, পাকিস্তান ও  শ্রীলঙ্কা। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করে শ্রীলঙ্কা। 

- সপ্তম বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া।

- অষ্টম বিশ্বকাপ (২০০৩ সাল): যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায়। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া।

- নবম বিশ্বকাপ (২০০৭ সাল): আয়োজক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ৪র্থ বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। 

- দশম বিশ্বকাপ (২০১১ সাল): আয়োজক ছিল ভারত, বাংলাদেশ ও  শ্রীলঙ্কা। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত।

- একাদশ বিশ্বকাপ (২০১৫ সাল): আয়োজক ছিল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পঞ্চম বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলে অস্ট্রেলিয়া।

- দ্বাদশ বিশ্বকাপ (২০১৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের জয় লাভ করে ইংল্যান্ড।

- ত্রয়োদশ বিশ্বকাপ (২০২৩ সাল): আয়োজক ছিল ভারত। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে ৬ষ্ঠ শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।

.
'MERCOSUR' কোন অঞ্চলের আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. পূর্ব ইউরোপ
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- MERCOSUR বা The Southern Common Market দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: Treaty of Asuncion.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আসুনসিয়ন, প্যারাগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা)।  
- সদরদপ্তর: মণ্টেভিডিও, উরুগুয়ে।
- সহযোগী সদস্য: ৭টি (বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, পেরু, সুরিনাম)।

⇒ বর্তমানে ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
⇒ বলিভারিয়ান রিপাবলিক অব ভেনেজুয়েলা উশুয়ায়ার প্রোটোকলের ৫ অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে, মার্কোসুর রাষ্ট্রীয় পক্ষ হিসাবে তার অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।

.
পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর কোনটি?
  1. জেরুজালেম
  2. দামেস্ক
  3. জেরিকো
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
জেরিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরিকো
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর:
- পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর জেরিকো।

⇒ জেরিকো বর্তমান ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত যা পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর হিসেবে বিবেচিত।
- প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ অনুযায়ী, এর উৎপত্তি প্রায় ৯০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- দামেস্ক এবং আলেপ্পোর মতো শহরগুলোও প্রাচীন, তবে জেরিকোর ইতিহাস তাদের তুলনায় পুরোনো।

উৎস: i) Britannica.
ii) Times of India.

.
নিম্নের কোন দেশটি I2U2 গ্রুপের সদস্য নয়?
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান
  3. ভারত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

ইরান I2U2 গ্রুপের সদস্য নয়।

The I2U2 Group:

- I2U2 হলো চারটি দেশের মধ্যে গঠিত একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব।
- এটি তাই অনেক সময় West Asian Quad/Middle East Quad/New Quad হিসেবে পরিচিত।
- সদস্য দেশগুলো হলো: I – India (ভারত), I – Israel (ইসরায়েল), U – United Arab Emirates (সংযুক্ত আরব আমিরাত), U – United States (যুক্তরাষ্ট্র)।

⇒ পানি, জ্বালানি, পরিবহন, মহাকাশ, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তির পর I2U2 প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অবকাঠামো এবং পরিবহন সম্পর্কিত বিষয়গুলি সমাধান করা।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) 

.
Energy Transition Index রিপোর্ট প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. IEA
  2. World Economic Forum
  3. UNDP
  4. WTO
সঠিক উত্তর:
World Economic Forum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Economic Forum
ব্যাখ্যা

World Energy Transition Index- 2025:
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, শীর্ষ অবস্থানে আছে সুইডেন (স্কোর: ৭৭.৫)।
- প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬তম (স্কোর: ৫১.৮)।

⇒ World Energy Transition Index- 2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. সুইডেন,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. ডেনমার্ক,
৪. নরওয়ে,
৫. সুইজারল্যান্ড।

অন্যদিকে,
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (স্কোর: ৪২.৪)।

উৎস: World Energy Transition Index- 2025.

.
'Global Gateway' initiative নিম্নের কোন সংস্থার উদ্যোগ?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
  2. আফ্রিকান ইউনিয়ন 
  3. আসিয়ান 
  4. বিমসটেক
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
ব্যাখ্যা

'Global Gateway' initiative:
- ২০২১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করে, যা গ্লোবাল গেটওয়ে নামে পরিচিত।
- ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ইউরোপীয়ান কমিশন ও ইউরোপীয়ান হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের হাত ধরে চালু হয় গ্লোবাল গেটওয়ে।
- Global Gateway হচ্ছে ইউরোপের নতুন কৌশল, যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
- বিশেষ করে, এসব দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই গেটওয়ের লক্ষ্য।
- একই সঙ্গে যোগাযোগ, জ্বালানি ও ডিজিটাল কমিউনিকেশনকে আরো শক্তিশালী ও নিরাপদ করার মধ্য দিয়ে বিশ্বে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নকে ‘এক নতুন শক্তি’ হিসেবে হাজির করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনোর চেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
- গেটওয়ের আওতায় ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ইউরোর এক বাজেটও ঘোষণা করে।
- ২০২৩ সালের ২৫ ও ২৬ অক্টোবর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। 

⇒ গ্লোবাল গেটওয়ের রয়েছে ৬টি মূলনীতি:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং উচ্চ মান,
- সুশাসন এবং স্বচ্ছতা,
- সমান অংশীদারিত্ব,
- সবুজ এবং পরিষ্কার,
- নিরাপত্তা কেন্দ্রিক,
- বেসরকারি খাতকে অনুঘটক করা।

উৎস: European Commission ওয়েবসাইট।

.
কোরিয়া যুদ্ধের শেষে কোন অঞ্চলে Demilitarized Zone (DMZ) গঠিত হয়?
  1. ৩৫তম উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৩৯তম উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪৯তম উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

কোরিয়া বিভাজন:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- ১৯১০ সালে কোরীয় উপদ্বীপে জসন সাম্রাজ্যের ২৬তম রাজা গুজুং ছিলেন দায়িত্বে। তার শাসনামলের সময় কোরিয়া দখল করে নেয় জাপান।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়ার আক্রমণ করে।
- কোরিয়ার দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে সোভিয়েত কমিউনিস্ট-এর রেড আর্মি।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বাহিনীর কাছে জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।

⇒ ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখার উত্তর দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেনাবাহিনী কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং দক্ষিণ দিকে আমেরিকার সামরিক সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ উত্তর কোরিয়ার নেতা ১৯৫০ সালে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া দখল করার চেষ্টা করেন, দক্ষিণ কোরিয়াও পাল্টা আক্রমণ করে বসে।
- এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ–কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়।
- দুই কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া।
- প্রায় তিন বছর ধরে কোরিয়া যুদ্ধ চলে।
- ১৯৫৩ সালে দুপক্ষের মাঝে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- কোরিয়া যুদ্ধের (১৯৫০–১৯৫৩) শেষে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ বরাবর একটি নিরাপত্তা অঞ্চলের ব্যবস্থা করা হয়, যা Demilitarized Zone (DMZ) নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.

১০.
ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. লন্ডন
  3. বার্মিংহাম
  4. গ্লাসগো
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা

ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে:
- ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েস্টমিনস্টারে কলেজিয়েট চার্চ অফ সেন্ট পিটার নামে পরিচিত। 
- এটি লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার শহরের একটি অ্যাংলিকান চার্চ।
- এটি রাজ্যাভিষেক এবং জাতীয় তাৎপর্যের অন্যান্য অনুষ্ঠানের স্থান। 
- এটি ১৫৬০ সালে রানী এলিজাবেথ প্রথম দ্বারা ওয়েস্টমিনস্টারের সেন্ট পিটারের কলেজিয়েট চার্চ হিসাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল।

উৎস: Britannica.

১১.
প্রতিবছর কত তারিখে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ পালিত হয়?
  1. ১৭ নভেম্বর
  2. ২৯ নভেম্বর
  3. ২০ সেপ্টেম্বর
  4. ৭ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
২৯ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস:
- প্রতিবছর ২৯ নভেম্বর ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৯ নভেম্বরকে ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস হিসেবে গ্রহণ করে। এর ঠিক ১০ বছর পরে ১৯৮৭ সালের ২৯ নভেম্বর ‘ইউনাইটেড নেশনস পার্টিশন প্ল্যান ফর প্যালেস্টাইন’ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এরপর থেকেই মুলত এ দিনটি ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস’ হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।

⇒ জাতিসংঘের রেজ্যুলেশন ১৮১ (UN Resolution 181):
- জাতিসংঘের রেজ্যুলেশন ১৮১ "Partition Plan for Palestine" নামে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রেজুলেশন-১৮১ এর আওতায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ভাগ করে একটি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল ও একটি আরব রাষ্ট্র ফিলিস্তিন করার প্রস্তাব করা হয়। 
- গৃহীত হয়: ২৯ নভেম্বর, ১৯৪৭। 

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। 
ii) Britannica.

১২.
ভার্সাই নগরী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. পর্তুগাল
  3. গ্রীস
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ভার্সাই নগরী:
- ভার্সাই (Versailles) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক নগরী।
- এখানে অবস্থিত বিখ্যাত ভার্সাই প্রাসাদ (Palace of Versailles) ইউরোপের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা।
- ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির সাথে স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles) এই প্রাসাদেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। 
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়। 

উৎস: History.com

১৩.
NATO সনদে কোন ধারা সমষ্টিগত প্রতিরক্ষা নীতি ঘোষণা করে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৪.
কোন দেশকে  'The Tiger of Bicycle' বলা হয়?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. আলজেরিয়া
  3. জাম্বিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

The Tiger of Bicycle:
- 'The Tiger of Bicycle' বলা হয় ভিয়েতনামকে।

অন্যদিকে,
- Country of copper: জাম্বিয়া।
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Land of palms: ব্রাজিল।
- land of Fertile fields: আলজেরিয়া।

উৎস: Britannica.

১৫.
বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করেছিল কারা?
  1. সুমেরীয়রা
  2. ব্যাবিলনীয়রা
  3. ক্যালেডীয়রা 
  4. অ্যাশেরীয়রা
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয়রা
ব্যাখ্যা

মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান:
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা। জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা। তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা। সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়। সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে। ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা। প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা। ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।

⇒ মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত। এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।

⇒ মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি। যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬.
'Loss and Damage Fund' গঠিত হয় কোন কপ সম্মেলনে?
  1. COP-15
  2. COP-21
  3. COP-27
  4. COP-29
সঠিক উত্তর:
COP-27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-27
ব্যাখ্যা

Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৭.
পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশ শীর্ষ স্থানে রয়েছে?
  1. বাংলাদেশ 
  2. ভারত
  3. চীন 
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৪:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৪' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৪: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: জুলাই, ২০২৫।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন এবং বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন (১৬৫%), 
২. বাংলাদেশ (৩৮%),
৩. ভিয়েতনাম (৩৪%),
৪. তুরস্ক (১৮%),
৫. ভারত (১৬%)।

এছাড়াও,
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট। 

১৮.
হাইফা কোন দেশের গভীর সমুদ্রবন্দর?
  1. জর্ডান
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক 
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

হাইফা:
- হাইফা ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রধান গভীর সমুদ্রবন্দর।
- ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফা।
- ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার হাইফা এলাকায় অবস্থিত।
- ইসরায়েলের সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এখান থেকে পরিচালিত হয়।
- ইসরায়েলের মোট পণ্য পরিবহনের প্রায় অর্ধেকই এই বন্দর দিয়ে পরিবাহিত হয়।

⇒ বিশ্বের কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর:
- আকাবা: জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া: সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব: মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প: বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা: ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।

উৎস: Britannica.

১৯.
জাতিসংঘ সনদের কোন ধারা অনুসারে 'ন্যাটো এবং ওয়ারশ চুক্তি' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ৪৬
  3. ধারা ৪৯
  4. ধারা ৫১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
ব্যাখ্যা

ধারা ৫১:
- জাতিসংঘের কোনো সদস্যের ওপর কোনো আক্রমণ ঘটলে যতক্ষণ পর্যন্ত না আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি নিরাপত্তা পরিষদ গ্রহণ করছে ততক্ষণ সেই রাষ্ট্রের একক সহজাত অধিকার বা যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার সম্বন্ধে বর্তমান সনদের কোনো অংশই অন্তরায় হবে না। আত্মরক্ষার এই অধিকার কার্যকর করার জন্য সদস্যগণ কর্তৃক অবলম্বিত ব্যবস্থাদি সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পেশ করতে হবে এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংরক্ষণ বা পুনরুদ্ধারের জন্য এই সনদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিধিব্যবস্থা গ্রহণে নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব কোনো মতেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

⇒ জাতিসংঘ সনদ অনুসারে, 'ন্যাটো' (North Atlantic Treaty Organization) এবং 'ওয়ারশ চুক্তি' (Warsaw Pact) দুটি মূলত জাতিসংঘ সনদের ধারা ৫১ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ধারা ৫১ জাতিসংঘ সনদের আত্মরক্ষা সম্পর্কিত ধারা, যা রাষ্ট্রগুলোর জন্য তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মূলত একটি সামরিক নিরাপত্তা চুক্তি হিসেবে, যার উদ্দেশ্য ছিল একে অপরকে বাহ্যিক আক্রমণের বিরুদ্ধে রক্ষা করা।
- ওয়ারশ চুক্তি ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়, যা ন্যাটোর বিপরীতে পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট দেশগুলোর সামরিক জোট ছিল।

অন্যদিকে,
- ধারা ৪৯: নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক স্থিরীকৃত কর্মপন্থা অনুসরণ করার জন্য জাতিসংঘের সদস্যরা পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদানে স্বীকৃত থাকবে।
- ধারা ৪৬: সামরিক বাহিনী নিয়োগ-সম্পর্কিত পরিকল্পনাদি সামরিক স্টাফ কমিটির সহায়তায় নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রণীত হবে।
- ধারা ২৫: বর্তমান সনদ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্যরা নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত মেনে চলতে এবং তা কার্যকর করতে সম্মত হচ্ছে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২০.
Economic Cooperation Organization-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম 
  2. তেহরান 
  3. আঙ্কারা
  4. জেনেভা
সঠিক উত্তর:
তেহরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেহরান 
ব্যাখ্যা

ECO:
- ECO-এর পূর্ণরূপ: Economic Cooperation Organization.
- ECO হলো প্রধানত মধ্য এশিয়া অঞ্চলের মুসলিম দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম।
- এটি ১৯৬৪ সালে Regional Cooperation for Development (RCD) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে Economic Cooperation Organization (ECO) নামধারণ করে।
- সদরদপ্তর: তেহরান, ইরান।
- বর্তমান মহাসচিব: ডঃ আসাদ এম খান (পাকিস্তান)।
- সদস্য: ১০টি।
- সদস্যগুলো হলো: তুরস্ক, আজারবাইজান, পাকিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান।

উৎস: Economic Cooperation Organization ওয়েবসাইট।

২১.
সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত বিশ্ব দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর কী পরিমাণ সহায়তার অঙ্গীকার করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ২৮০ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩০০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব একটি বৈশ্বিক সমস্যা।
- তাই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের (UNFCCC) আওতায় ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর Conference of Parties (COP) অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

⇒ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯–এর সভাপতিত্ব করেন মুখতার বাবায়েভ (Mukhtar Babayev)।
- এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
- যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ফ্রান্সের মতো বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন।

⇒ এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে
- পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

২২.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়টি দেশ শেনজেন ভুক্ত?
  1. ২২টি
  2. ২৫টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি [ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত]।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।
- ২০২৪ সালের মার্চে ইউরোপে অবাধ চলাচলের শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। 

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

২৩.
ডমিনো তত্ত্ব দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথম কোন প্রেসিডেন্ট প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

ডমিনো তত্ত্ব:
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।

⇒ ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল। 

উৎস: History.com

২৪.
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের কত শতাংশ পরিবহন হয়?
  1. এক-পঞ্চমাংশ
  2. দুই-পঞ্চমাংশ
  3. এক-তৃতীয়াংশ
  4. দুই-তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

⇒ মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ, অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ও বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত গ্যাস পরিবহন করা হয়।

⇒ বৈশ্বিক তেল–বাণিজ্যের অপরিহরণীয় পথ হচ্ছে হরমুজ প্রণালি। 
- ইরানের উপকূলঘেঁষা এই চ্যানেলের মাধ্যমে জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর সংযুক্ত হয়েছে। শুধু ইরানই নয়, পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানির প্রায় পুরোটাই নির্ভর করে এ পথের ওপর।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২১ শতাংশ।
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এবং তেল পণ্য পরিবহন করা হয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

২৫.
জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?
  1. ঋষভনাথ
  2. মহাবীর
  3. পার্শ্বনাথ
  4. গোপীনাথ
সঠিক উত্তর:
ঋষভনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋষভনাথ
ব্যাখ্যা

জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম। এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।

⇒ জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী। যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়। জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি। 

২৬.
বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম পরিবেশ সম্মেলন:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।

⇒  স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

২৭.
Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী লিঙ্গসমতায় শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. আইসল্যান্ড
  2. সুইডেন 
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা

Global Gender Gap Report-2025:
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, লিঙ্গসমতায় শীর্ষ অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড।
- প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২৪তম।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

⇒ Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী লিঙ্গসমতায় শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. নরওয়ে,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. নিউজিল্যান্ড।

অন্যদিকে,
- লিঙ্গসমতায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।

উৎস: Global Gender Gap Report 2025.

২৮.
Great Depression কত সালে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা

Great Depression:
- Great Depression বা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে।
- প্রায় ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস।
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica.

২৯.
ব্যালন ডি'অর ২০২৫-এর বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড় জিতেছেন কে?
  1. রবার্ট লেফানডভস্কি
  2. কিলিয়ান এমবাপ্পে
  3. জুড বেলিংহাম
  4. উসমান দেম্বেলে
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
ব্যাখ্যা

ব্যালন ডি'অর:
- ফুটবলারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হলো ব্যালন ডি'অর।
- ফুটবল বিষয়ক সাময়িকী 'ফ্রান্স ফুটবল' এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- ফিফা ব্যালন ডি'অর পুরস্কারটি ২০১০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।
- ২০২৫ সালে ৬৯তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ Ballon d'Or 2025:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)।
- বর্ষসেরা পুরুষ কোচ: লুইস এনরিকে (পিএসজি)।
- বর্ষসেরা নারী কোচ: সারিনা ভিগমান (ইংল্যান্ড)।
- বর্ষসেরা পুরুষ গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)।
- বর্ষসেরা নারী গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)।
- কোপা ট্রফি (পুরুষ): লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)
- কোপা ট্রফি (নারী): ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা, স্পেন)
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: জানা ফাউন্ডেশন।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: পিএসজি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: আর্সেনাল।

উৎস: i) Goal.com.
ii) FIFA.

৩০.
নিম্নের কোন সীমারেখাটি ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ওডার-নীস লাইন
  3. সনোরা লাইন
  4. ম্যাজিনো লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- ম্যাকমোহন লাইন: ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা। ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়।
- ওডার-নীস লাইন: ওডার-নীস লাইন হলো জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা। পটসডাম সম্মেলনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি টানা হয়েছিল।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন। এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে। ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

উৎস: Britannica.

৩১.
Vulnerable 20 (V20) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

Vulnerable 20 (V20):
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- এটি গঠিত হয়: ৮ অক্টোবর, ২০১৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লিমা, পেরু।
- সদরদপ্তর: আক্রা, ঘানা।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭০টি।
- বর্তমান সভাপতি: মিয়া আমোর মোটলি/Mia Amor Mottley (বার্বাডোস)।

⇒ ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।

৩২.
আলজিয়ার্স চুক্তি বাতিলের পরে কোন যুদ্ধ শুরু হয়েছিল?
  1. ইরান-ইরাক যুদ্ধ
  2. আফগান যুদ্ধ
  3. ছয় দিনের যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। 

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে। এরপর ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। 

⇒ শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়। বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

উৎস: Britannica.

৩৩.
রাইডার কাপ ট্রফি কোন খেলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. দাবা 
  2. গলফ
  3. টেনিস
  4. ব্যাডমিন্টন
সঠিক উত্তর:
গলফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলফ
ব্যাখ্যা

রাইডার কাপ ট্রফি (Ryder Cup):
- রাইডার কাপ ট্রফি গলফ খেলার সাথে সম্পর্কিত।

⇒ রাইডার কাপ হলো গলফ খেলার একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট যা প্রতি দুই বছর পর পর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের শীর্ষ পেশাদার গলফারদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ১৯২৭ সালে শুরু হয়। 
- এই টুর্নামেন্টের নামকরণ করা হয়েছে ইংরেজ ব্যবসায়ী স্যামুয়েল রাইডার-এর নামে, যিনি এই প্রতিযোগিতার জন্য ট্রফি দান করেছিলেন।
- প্রতিটি দল (যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ) ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে রোমে অনুষ্ঠিত রাইডার কাপে ইউরোপ ১৬.৫-১১.৫ পয়েন্টে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করে।
- ২০২৫ সালে ৪৫তম রাইডার কাপ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: i) Ryder Cup ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৩৪.
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP)-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1.  রোম
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. নাইরোবি
সঠিক উত্তর:
 রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 রোম
ব্যাখ্যা

WFP:
- WFP-এর পূর্ণরূপ: World Food Programme বা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সহায়তা সংস্থা।
- সংস্থাটি জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: সিন্ডি ম্যাককেইন (Cindy H. McCain)।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে করার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০২০ সালে লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম উন্নয়ন কর্মসূচী চালু হয় ১৯৬৩ সালে সুদানে।

⇒ সংস্থাটি জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দ্বিতীয়, জিরো হাঙ্গার অর্জনের জন্য কাজ করে, যা ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং পুষ্টির উন্নতি এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই কৃষিকে উন্নীত করার অঙ্গীকার করে।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় ধরনের দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের খাদ্য সংগ্রহ ও সংকটপূর্ণ এলাকায় পরিবহন করে সহায়তা করে।
- এটি যুদ্ধ এবং অন্যান্য সংঘাত, মহামারী এবং মহামারী, ফসলের ব্যর্থতা এবং বন্যা, খরা, ভূমিকম্প এবং ঝড়ের মতো বিপর্যয় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্য করে।

উৎস: World Food Programm ওয়েবসাইট।

৩৫.
Federal Bureau of Investigation কোন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

FBI:
- FBI-এর পুর্ণরূপ: Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ২৬ জুলাই, ১৯০৮। 
- প্রতিষ্ঠাতা: অ্যাটর্নি জেনারেল চার্লস জে. বোনাপার্ট। 
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংগঠিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশী যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।

৩৬.
দক্ষিণ মেরু (South Pole) কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2. ওশেনিয়া
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অ্যান্টার্কটিকা
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
ব্যাখ্যা

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিরল এবং শীতল মহাদেশ।
- এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ এবং প্রায় পুরোপুরি বরফে ঢাকা।
- এর আয়তন ১,৪২,০০,০০০ বর্গ কি.মি.।
- অ্যান্টার্কটিকার আবহাওয়া অত্যন্ত শীতল, গড় তাপমাত্রা -২০°C থেকে -৫০°C এর মধ্যে থাকে। 
- এখানে মানব বসতি নেই, তবে বিভিন্ন দেশের গবেষণা স্টেশনগুলো থাকে যেখানে বিজ্ঞানীরা জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য এবং অন্যান্য পরিবেশগত বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।

⇒ দক্ষিণ মেরু (South Pole):
- দক্ষিণ মেরু (South Pole) পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
- দক্ষিণ মেরু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত
- উত্তর মেরুর ঠিক বিপরীতে এর অবস্থান।
- দক্ষিণ মেরু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পৌঁছানোর কৃতিত্বের দাবি করেছিলেন নরওয়ের অভিযাত্রী রোয়াল্ড আমুন্ডসেন (১৯১১ সালে)। তাঁর পরে, ব্রিটিশ অভিযাত্রী রবার্ট ফালকন স্কট দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান, তবে তিনি ও তাঁর দলের সদস্যরা মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: World Atlas.

৩৭.
নিম্নের কোন অঞ্চলের প্রভাব শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact) গঠিত হয়েছিল?
  1. পূর্ব ইউরোপ 
  2. পশ্চিম ইউরোপ 
  3. উত্তর আমেরিকা 
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
পূর্ব ইউরোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব ইউরোপ 
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৩৮.
UNHCR-এর মতে, বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দেয় কোন দেশ? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত 
  2. ইরান 
  3. জার্মানি
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান 
ব্যাখ্যা

UNHCR:
- UNHCR-এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees বা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- UNHCR শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থীদের এবং বিভিন্ন ধরনের বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার রক্ষা ও তাদের সহায়তা প্রদানে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে UNHCR গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজাল্যান্ড।
- বর্তমান হাইকমিশনার: ফিলিপ্পো গ্রান্ডি।
- কার্যক্রম: বিশ্বের ১৩৫টি দেশে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ, সংঘাত, অত্যাচার, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের নিরাপত্তা এবং সহায়তা নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটি ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- UNHCR-এর মতে, বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দেয় ইরান।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি UNHCR-এর তথ্যমতে, যুদ্ধ, সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বিশ্বের ১২৩.২ মিলিয়ন মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা এখন জাপানের জনসংখ্যার সমান।

⇒ UNHCR-এর মতে, শীর্ষ শরণার্থী আশ্রয় দেয়া দেশ:
১. ইরান – ৩.৫ মিলিয়ন,
২. তুরস্ক – ২.৯ মিলিয়ন,
৩. কলম্বিয়া – ২.৮ মিলিয়ন,
৪. জার্মানি – ২.৭ মিলিয়ন,
৫. উগান্ডা – ১.৮ মিলিয়ন।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট। [link]

৩৯.
Cartagena Protocol-এর আলোচ্য বিষয় কী?
  1. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
  3. বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল-এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর আলোচ্য বিষয় হলো জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে -
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়েটো প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস।
- নাগোয়া প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৪০.
কোন স্থানটি গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত?
  1. কুশিনারা
  2. সারনাথ
  3. লুম্বিনী
  4. বুদ্ধগয়া
সঠিক উত্তর:
লুম্বিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুম্বিনী
ব্যাখ্যা

গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে। 
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

৪১.
যে বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয় -
  1. রোজ বিপ্লব
  2. জেসমিন বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. ভেলভেট বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
জেসমিন বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জেসমিন বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
- পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়।
- এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের মোট ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৪২.
কোন দেশটি ASEAN Plus Three (ASEAN+3 )-এর সদস্য নয়?
  1. বাংলাদেশ
  2. জাপান
  3. চীন
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ASEAN Plus Three (ASEAN+3 )-এর সদস্য নয়।

ASEAN:

- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমান সভাপতি: আনোয়ার ইব্রাহিম (মালয়েশিয়া)।
- মহাসচিব: কাও কিম হৌর্ন।
- আসিয়ান এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি যার মোট দেশজ উৎপাদন ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীন আসিয়ানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৯৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- মে, ২০২৫ সালে ৪৬তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ ASEAN+3 (APT):
- ASEAN Plus Three (APT) হলো ১০টি আসিয়ান সদস্য দেশ এবং চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া নিয়ে গঠিত।
- APT সহযোগিতা প্রক্রিয়া ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল।
- এর মূল লক্ষ্য পূর্ব এশীয় সম্প্রদায় গঠন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, যেখানে ASEAN প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- APT ASEAN Community Vision 2025 বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৪৩.
'Earth Hour' কোন সংস্থা দ্বারা আয়োজিত হয়?
  1. UNEP
  2. IUCN
  3. WMO
  4. WWF
সঠিক উত্তর:
WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WWF
ব্যাখ্যা

Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচির আয়োজক সংস্থা WWF (World Wide Fund for Nature).
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন, যা পরিবেশ রক্ষার জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে। 

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hour ওয়েবসাইট। 

৪৪.
কোন দেশে সর্বপ্রথম মেধাভিত্তিক আধুনিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা চালু হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

চীনের সিভিল সার্ভিস:
- চীনের সিভিল সার্ভিস একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা ঐতিহ্যগতভাবে চীনের সরকারের বেসামরিক কাজ সম্পাদনার জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগীতার মাধ্যমে বিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- যোগ্যতার ভিত্তিতে সিভিল সার্ভিসের প্রাচীনতম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হলো চীনের ইম্পেরিয়াল আমলাতন্ত্র।
- চীনে সিভিল সার্ভিসের চাকরিকে ‘Iron Rice Bowl’ বলা হয়।
- চাকরির নিরাপত্তা ও উচ্চ বেতনের জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।
- চীনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা মান্দারিন ভাষায় হয় ‘Guako’।

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চীনের হান রাজবংশের রাজা গাওজু (Gaozu) এর শাসনামলে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের উন্মেষ ঘটে। তিনি প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে রাজকর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করেন। এই সময়ে ইম্পেরিয়াল পরীক্ষা ব্যবস্থা (Keju বা Civil Service Examination) চালু হয়, যা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উপর নির্ভরশীল ছিল। এই ব্যবস্থা পরবর্তীতে সুই (৫৮১-৬১৮) এবং তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময়ে আরও উন্নত হয়।
- পরবর্তীতে অন্যান্য রাজবংশের শাসনের সময় তা বিভিন্ন সংশোধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে থাকে ও অধিক সুসংগঠিত হয়।
- সং সাম্রাজ্য (Song Dynasty – 960–1279) প্রথম যোগ্যতা (jinshi degree) ও পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলন ঘটায়।
- মিং সাম্রাজ্যের (Ming dynasty – 1368–1644) সময় সিভিল সার্ভিস সিস্টেম চূড়ান্ত রূপে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে কিং সাম্রাজ্যও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করে। এই সময় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ নিজের এলাকায় নিয়োগ না পাওয়া, এক স্থানে তিনবছরের বেশি দায়িত্ব পালন না করা ইত্যাদি নিয়ম অন্তর্ভূক্ত হয়। তাছাড়া, উচ্চপদের জন্য যোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু জিনিস অন্তর্ভূক্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়।
- আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টার মাঝে ১৯০৫ সালে কিং রাজবংশ কর্তৃক শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয় এবং পূর্বে বিদ্যমান সিভিল সার্ভিস সিস্টেমটি 1911/12 সালে রাজবংশের সাথে উৎখাত করে দেওয়া হয়েছিল।
- চীনে ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর মূলত বর্তমান রাষ্ট্রীয় সিভিল সার্ভিসের প্রচলন ঘটে। সাধারণত কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টরাই এই সার্ভিসে যোগদান করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪৫.
কত সালে হামাস ফিলিস্তিনের নির্বাচনে জয়লাভ করে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- দের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।
- ২০০৬ সালে গাজার সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস।
- ২০০৭ সালে গোটা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ পায় দলটি।

উল্লেখ্য,
- আরব বিশ্বের প্রথম ব্যালট বাক্সের নির্বাচনে জিতেছে হামাস।
- গাজা, পশ্চিম তীর এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমে ফিলিস্তিনিরা ২০০৬ সালের ২৫শে জানুয়ারি ভোট দেয় কয়েক দশকের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচনে।
- সেবারই প্রথমবারের মত ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস অংশ নেয় ফিলিস্তিনের কোন সংসদীয় নির্বাচনে।
- সংসদের ১৩২টি আসনের মধ্যে হামাস জয়লাভ করে ৭৪টি আসনে। 
- ক্ষমতাসীন ফাতাহ পার্টি পায় মাত্র ৪৫টি আসন।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.

৪৬.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট Strategic Defense Initiative-এর প্রস্তাবক ছিলেন?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. জিমি কার্টার 
  4. জন এফ কেনেডি
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা

তারকা যুদ্ধ:
- Strategic Defense Initiative-এর প্রস্তাবক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করার মাধ্যমে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।
⇒ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকে (Reykjavík) এক শীর্ষ বৈঠকে বসেছিলেন।
- এটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকে তারা পরমাণু অস্ত্র সীমিতকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের “Strategic Defense Initiative (SDI)” বা ‘তারকাযুদ্ধ’ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

উলেখ্য, 
- বৈঠকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি কারণ রোনাল্ড রিগ্যান SDI বা ‘তারকাযুদ্ধ’ প্রকল্প পরিত্যাগ করতে রাজি হননি।
- তবে, এর সরাসরি ফলশ্রুতিতে ১৯৮৭ সালে INF Treaty (Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty) স্বাক্ষরিত হয় যা ইউরোপ থেকে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়।
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.

৪৭.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সম্পর্কিত?
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় 
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৪৮.
'পার্পল লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. জর্ডান-ইসরাইল
  2. লেবানন-ইসরাইল
  3. ইসরাইল-ফিলিস্তিন
  4. সিরিয়া-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি। 
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

⇒ গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে  গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

উৎস: Britannica.

৪৯.
সম্প্রতি কোন মানবাধিকার সংস্থাকে রাশিয়া 'অবাঞ্ছিত' ঘোষণা করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. Article 19
  2. Amnesty International
  3. Human Rights Watch
  4. Oxfam International
সঠিক উত্তর:
Amnesty International
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amnesty International
ব্যাখ্যা

Amnesty International:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাতা: ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসেন।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- নীতিবাক্য: "Better to light a candle than to curse the darkness" (অন্ধকারকে গালি দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানো ভালো)।
- সদস্য সংখ্যা: ১০ মিলিয়ন+ (বিশ্বব্যাপী)। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (মে, ২০২৫) রাশিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেল জানিয়েছেন, মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে 'অবাঞ্ছিত সংস্থা' ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাশিয়ার অভিযোগ, ইউক্রেনকে সমর্থন করে সংস্থাটি তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে।

উৎস: Amnesty International ওয়েবসাইট।

৫০.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা -
  1. গোল্ডেন ডোম 
  2. আয়রন ডোম 
  3. এস-৫০০
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ডোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ডোম 
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ডোম:
- গোল্ডেন ডোম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

⇒ এই ব্যবস্থার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা, বিশেষত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি থেকে।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুত চলে, তার আঘাত প্রতিরোধ করতে গোল্ডেন ডোম তৈরি করা হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার আকাশ ও ভূখণ্ডকে এমন শক্তিশালী সুরক্ষা দেবে, যা বর্তমানে কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতে সক্ষম নয়।
- এটি মহাকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে, ইনফ্রারেড লেজারের মাধ্যমে সেগুলোকে ধ্বংস করবে।
- গোল্ডেন ডোমের লেজার প্রযুক্তির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এটি আয়রন ডোমের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী হবে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংস্থা ৪৪টি ভূমিভিত্তিক প্রতিরোধব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে।
- সেগুলো আলাস্কা ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। এগুলো শুধু সীমিত হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

অন্যদিকে,
- আয়রন ডোম হলো ইসরায়েলের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- S-500 হলো রাশিয়ার তৈরি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যা উচ্চগতির, উচ্চ-উচ্চতা লক্ষ্য ধ্বংস করতে সক্ষম।

উৎস: i) Lockheed Martin.
ii) প্রথম আলো।

৫১.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা কোন অঞ্চলের জঙ্গি সংগঠন?
  1. কাশ্মীর
  2. বেলুচিস্তান
  3. আসাম
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত । 
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার শাখা হিসেবে পরিচিত 'দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট'কে (টিআরএফ) 'বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন' ঘোষণা করেছে।
- ২০১৯ সালে গঠিত টিআরএফ'কে লস্কর-ই-তৈয়বার ‘ছদ্মবেশী ও প্রতিনিধি সংগঠন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন রুবিও। দিল্লিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টালের ভাষ্য, টিআরএফ লস্কর-ই-তৈয়বার একটি শাখা। 
- প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীর রেজিস্ট্যান্স’ নামেও পরিচিত ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ পেহেলগামে হামলার দায় প্রথমে স্বীকার করে। তবে কয়েক দিন বাদে এই দায় অস্বীকার করে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. 

৫২.
পরিবেশ বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় কোন প্রটোকল গৃহীত হয়েছে?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

৫৩.
‘সিয়াচেন হিমবাহ’ কোন দুটি দেশের একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান 
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত ও মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান 
ব্যাখ্যা

সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৫৪.
'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন -
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. বেনিতো মুসোলিনি
  3. এডলফ হিটলার 
  4. কোয়ামে নক্রুমা
সঠিক উত্তর:
বেনিতো মুসোলিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনিতো মুসোলিনি
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।

⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- 'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন বেনিতো মুসোলিনি।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

৫৫.
'Bangkok Vision 2030' কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. BIMSTEC
  2. ASEAN
  3. BRICS
  4. APEC
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
ব্যাখ্যা

BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক সংস্থা।
- এটি একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation), পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।
- ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।

⇒ Bangkok Vision 2030 হলো BIMSTEC-এর একটি কৌশলগত নথি, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
- মূল উদ্দেশ্য: "A Prosperous, Resilient and Open BIMSTEC by 2030 for our people and future generations" অর্থাৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক ও উন্মুক্ত BIMSTEC গঠন করা, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কল্যাণকর হবে। এছাড়া সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে মানবসম্পদের উন্নতি ও তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমূলক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

৫৬.
‘Great Leap Forward’ মূলত কোন দেশের নীতি ছিল?
  1. চীন 
  2. দক্ষিণ কোরিয়া 
  3. ভিয়েতনাম
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

‘Great Leap Forward’ মূলত চীনের নীতি ছিল। এর প্রবক্তা ছিলেন মাও সেতুং।

মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

⇒ Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

৫৭.
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে কোন সংস্থা?
  1. সুইডিশ একাডেমি
  2. ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট
  3. রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স
  4. নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স
ব্যাখ্যা

নোবেল পুরস্কার:
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল-এর নামে ও তার রেখে যাওয়া অর্থে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে দেয়া হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার।
- ১৮৯৫ সালে এক উইলে ‘মানবজাতির সর্বোচ্চ সেবায় অবদান রাখা’ ব্যক্তিদের জন্য এই পুরস্কার নিবেদিত করেছেন তিনি।

- নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা ৪ টি। যথা:
ক। নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট (নরওয়ে): শান্তি,
খ। সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন): সাহিত্য, 
গ। রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন): পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতি,
ঘ। ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন): চিকিৎসা শাস্ত্র।

• Nobel Prize in Economic Sciences:
- ১৯৬৮ সাল থেকে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Sveriges Riksbank) অর্থনীতিতে অবদানের কথা স্মরণ করে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু করে। এই পুরস্কারটিও রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সে নির্ধারণ করে।
- ১৯৬৯ সালে প্রথমবার এই পুরস্কার Ragnar Frisch এবং Jan Tinbergen-কে প্রদান করা হয়।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট। 

৫৮.
বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কী পরিমাণ কমাতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৩৭%
  3. ৪৩%
  4. ৫১%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

পারিস চুক্তি (Paris Agreement): 
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি । 
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ২১তম কপ সম্মেলনে 'পারিস চুক্তি' গ্রহণ করা হয়।
- এটি বিশ্বের ১৯৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- এটি কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ২০১৬।
- পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে চেষ্টা করা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানোর দিকে পদক্ষেপ নেয়া

⇒ পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো।
- তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্ব নেতারা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমার মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

⇒ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪৩% হ্রাস করতে হবে।
- পারিস চুক্তির উদ্দেশ্য মূল্যায়ন করার জন্য এবং দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার জন্য, প্রতি ৫ বছর অন্তর একটি বিশ্বব্যাপী পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হবে। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৫৯.
‘International Atomic Energy Agency (IAEA)’ এর প্রস্তাবক ছিলেন কে?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. হ্যান্স ব্লিক্স 
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক। 
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার 'International Atomic Energy Agency (IAEA)'- এর প্রস্তাবক ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘে 'Atoms for Peace' নামক একটি উদ্যোগের আওতায় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরমাণু শক্তি শুধুমাত্র অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

৬০.
ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরায়েলি রণনীতি কী নামে পরিচিত?
  1. দাহিয়া ডকট্রিন
  2. হাইফা ডকট্রিন
  3. বৈরুত ডকট্রিন
  4. আশদূদ ডকট্রিন
সঠিক উত্তর:
দাহিয়া ডকট্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাহিয়া ডকট্রিন
ব্যাখ্যা

দাহিয়া ডকট্রিন (Dahiya doctrine):
- Institute for Middle East Understanding (IMEU)-এর মতে, দাহিয়া ডকট্রিন হলো ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরায়েলি রণনীতি।
- মূলত কোনো সরকার বা গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারে সেখানকার জনগণকে বাধ্য করতেই যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের এই ‘দাহিয়া ডকট্রিন‘ প্রয়োগ করে থাকে ইসরায়েল। 
- ‘দাহিয়া ডকট্রিনের’ প্রবর্তক ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৎকালীন নর্দান কমান্ডের প্রধান জেনারেল গাদি আইজেনকট।

⇒ বেশ কয়েকটি কারণে যুদ্ধে ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ প্রয়োগ করে আসছে ইসরায়েল।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো কোনো সরকার বা গোষ্ঠীকে পরাস্ত করতে পুরো জনগোষ্ঠীকে শাস্তি দেওয়া। 
- আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলার আরেকটি উদ্দেশ্য হলো বিরোধী পক্ষকে সার্বিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া বা পরনির্ভরশীল করে দেওয়া। 
- সর্বোপরি, একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রাখতে ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ প্রয়োগ করছে ইসরায়েল। 

উল্লেখ্য,
- লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়াতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর।
- ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ২০০৬ সালের যুদ্ধে দাহিয়াকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়।
- ওই যুদ্ধে বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানিশোধন কেন্দ্র, সেতু, বন্দর অবকাঠামোসহ লেবাননের বেসামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল ইসরায়েল।

উৎস: i) Institute for Middle East Understanding (IMEU).
ii) প্রথম আলো।

৬১.
ICAN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Campaign Against Nuclear
  2. International Campaign to Abolish Nuclear Weapons
  3. International Council for Atomic Nations
  4. International Committee for Arms Negotiation
সঠিক উত্তর:
International Campaign to Abolish Nuclear Weapons
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Campaign to Abolish Nuclear Weapons
ব্যাখ্যা

ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ: International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: এপ্রিল, ২০০৭ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।
- ICAN মূলত ৬৫০ টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত।
- বর্তমানে ১১০ টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

⇒ সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।

উৎস: ICAN এর ওয়েবসাইট।