-
ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি হচ্ছে সমুদ্র সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। সাগরের জলরাশি ও এর তলদেশের বিশাল সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গ্রুন্টার পাউলি।
- ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তবে বৈশ্বিকভাবে ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে।
- বিশ্বব্যাংক আধুনিক ব্লু ইকোনোমির সংজ্ঞায় বলেছে - ব্লু ইকোনোমি হলো টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষা করে সমুদ্রের ব্যবহারযোগ্য সকল ধরণের সম্পদ সঠিকমাত্রায় ব্যবহার করা। এখানে, ইকোনোমি শুধু ব্যবসায়িক দিক বুঝায় না, বরং সমুদ্রের জীবন্ত প্রাণীদের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখাও বুঝায়।
- ২০১৪ সালে বাংলাদেশ মিয়ানমারের নিকট থেকে সমুদ্রসীমা বিজয়ের পর বঙ্গোপসাগরে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ব্লু ইকোনমির বড় অংশীদার হয়। বিশাল সমুদ্রজয়ের পর সমুদ্র অর্থনীতি ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু হয় বাংলাদেশের।
- বাংলাদেশের 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০' বাস্তবায়নে ব্লু ইকোনমির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্লু ইকোনোমির চ্যালেঞ্জসমূহ:
- শক্তিশালী সমুদ্রনীতির অভাব
- দুর্বল সমুদ্র ব্যবস্থাপনা
- সামুদ্রিক দূষণ
- অপরিকল্পিত উপকূলীয় উন্নয়ন
- প্রযুক্তি ও দক্ষ জনশক্তির অভাব
- অপরিকল্পিত মৎস শিকার
- অপরিকল্পিত ট্যুরিজম ইত্যাদি।
উৎস: SDG ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট (আর্টিকেল), ফিন্যানসিয়াল এক্সপ্রেস রিপোর্ট।