পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭১
সিলেবাস
Exam - 27 Final Model Test-1 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধানে কত অনুচ্ছেদে 'প্রচলিত আইনের হেফাজত' এর বিধান আছে ?
  1. ১৫২
  2. ১৪৯
  3. ১৫১
  4. ১৪৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.
.
"Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people." এটি বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১৮
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
 (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 

(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
.
"No one should be condemned unheard" এই নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ৪৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৪
ব্যাখ্যা
'No one should be condemned unheard' এটি  Natural justice এর প্রিন্সিপ্যাল, যার অর্থ হচ্ছে কাউকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া ছাড়া শাস্তি দেয়া যাবে না। প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদে এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। সংবিধানের ১৩৫(২) অনুচ্ছেদের মধ্যে প্রত্যেক অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের অপসারণ করার আগে তাকে কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়ার বিধান আছে।
তাই বলা যায় ১৩৫(২) এর মধ্যে এটি প্রতিফলিত হয়েছে।

সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না
----------
⇒ Article 135. Dismissal, etc. of civilian public officers:
(1) No person who holds any civil post in the service of the Republic shall be dismissed or removed or reduced in rank by an authority subordinate to that by which he was appointed. 
(2) No such person shall be dismissed or removed or reduced in rank until he has been given a reasonable opportunity of showing cause why that action should not be taken:
Provided that this clause shall not apply – 
(i) where a person is dismissed or removed or reduced in rank on the ground of conduct which has led to his conviction of a criminal offence; or 
(ii) where the authority empowered to dismiss or remove a person or to reduce him in rank is satisfied that, for a reason recorded by that authority in writing, it is not reasonably practicable to give that person an opportunity of showing cause; or 
(iii) where the President is satisfied that in the interests of the security of the State it is not expedient to give that person such an opportunity. 
 
(3) If in respect of such a person the question arises whether it is reasonably practicable to give him an opportunity to show cause in accordance with clause (2), the decision thereon of the authority empowered to dismiss or remove such person or to reduce him in rank shall be final. 
(4) Where a person is employed in the service of the Republic under a written contract and that contract is terminated by due notice in accordance with its terms, he shall not, by reason thereof, be regarded as removed from office for the purposes of this article.
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান মতে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হইবে না?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪
  2. অনুচ্ছেদ ৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৫ এর বিধান শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন:
কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর সদস্য-সম্পর্কিত কোন শৃঙ্খলামূলক আইনের যে কোন বিধান উক্ত সদস্যদের যথাযথ কর্তব্যপালন বা উক্ত বাহিনীতে শৃঙ্খলারক্ষা নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধান বলিয়া অনুরূপ বিধানের ক্ষেত্রে এই ভাগের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
----------
⇒ Article 45. Modification of rights in respect of disciplinary law:
Nothing in this Part shall apply to any provision of a disciplinary law relating to members of a disciplined force, being a provision limited to the purpose of ensuring the proper discharge of their duties or the maintenance of discipline in that force.
.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
 (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
.
কার সম্মতি ব্যতীত বাংলাদেশ কোন যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ কবে না?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. সরকারের
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩ এর বিধান যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না। 
----------
⇒ Article 63. War:
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান-
  1. Money Bills
  2. Recommendation for financial measures
  3. No taxation except by or under Act of Parliament
  4. Regulation of Public moneys
ব্যাখ্যা
⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:
 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
-----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৩ বিধান সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা: 
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।
.
সরকারী কর্ম কমিশন কার নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করবেন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ এর বিধান বার্ষিক রিপোর্ট:
(১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ;  সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

অর্থাৎ সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী কর্ম কমিশন ঘটিত হয়।
- যারা সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদের বিধান মতে রাষ্ট্রপতির নিকট বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করিবেন।
.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  2. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  3. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
  4. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা

⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
১০.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি নাকচ
  3. আরজি ফেরত
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
- (২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
১১.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. স্মল কজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
⇒ Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
১২.
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে-
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ।
----------
⇒limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29 For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
১৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারবে।
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কয়টি আদেশাত্মক প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
১৫.
"Principles of rectification" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের সময় আদালত কর্তৃক অনুসৃত নীতির বিধান রয়েছে। ৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, একটি লিখিত দলিল সংশোধনের সময় দলিল দ্বারা কি বুঝাতে চাওয়া হয়েছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল বিষয়ে পক্ষসমূহের কি অভিপ্রায় ছিল আদালত সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন। শুধুমাত্র দলিলের ভাষা দ্বারা পক্ষসমূহ কি অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে চেয়েছিল আদালত এই বিষয়েই অনুসন্ধান সীমিত রাখবেন না। অর্থাৎ দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত পক্ষগণের ইচ্ছা কি ছিল তা খুঁজে বের করবেন এবং সে ইচ্ছা কার্যকর করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দলিলের গঠনের দিকে না তাকিয়ে দলিলের মূল বিষয়ের উপর লক্ষ্য দেবেন।
--------------
The Specific Relief Act, 1877- Section 33. Principles of rectification:

 - In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be. 
১৬.
"Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, ________________."
  1. temporary and perpetual
  2. mandatory or perpetual
  3. mandatory and temporary
  4. temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52. Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
-----------
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বত্তোম পন্থা।
১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Reconciliation
  2. Mediation and Arbitration
  3. Arbitration and Reconciliation
  4. Mediation and Compromise
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক Arbitration বা  সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি আইন কার্যকর হয়-
  1. ১লা মার্চ ১৯৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ১লা জুলাই ১৮৬০
  4. ২২ মার্চ ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
১৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
- রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে । কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে যুগ্ম দায়রা জজের  রিভিশনের ক্ষমতা নেই। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  
- রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
- অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
২০.
পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অব দি পিস-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. পুলিশের আইজিপি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
⇒ অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস। দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস ।
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর থেকে লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৫ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারায় কবর থেকে লাশ তোলার বিধান রয়েছে। কবর থেকে লাশ তোলার এবং তা পরীক্ষা করার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারামতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য মৃতদেহ কবর থেকে তুলতে পারেন।

- ধারা-১৭৬(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতাঃ যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতোপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

⇒ Power to disinter corpses:

(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
২২.
কোন ব্যক্তিকে _______ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
ব্যাখ্যা
-The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা: 
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
----------
Section 320. Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
২৩.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Abduction' এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ৩৬২
  2. ৩৬৩
  3. ৩৬৫
  4. ৩৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী চুরির সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২৫.
"No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence" এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৫
  4. ২৬
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
----------
- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
২৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন স্বাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. ১৫২ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

- The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

- অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
২৭.
আদালতে কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।
-----------------------------
⇒ Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
২৮.
একটি টেবিল নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ টেবিলের নির্মাণ খরচ ৪০০ টাকা হয় তবে খুচরা বিক্রেতার বিক্রয় মূল্য কত?
  1. ৫৩২ টাকা
  2. ৫৭৬ টাকা
  3. ৬১৪ টাকা
  4. ৬২৮ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি টেবিল নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ টেবিলের নির্মাণ খরচ ৪০০ টাকা হয় তবে খুচরা বিক্রেতার বিক্রয় মূল্য কত?

সমাধান:
নির্মাতার ২০% লাভে,
নির্মাতার লাভ = ৪০০ × (২০/১০০) = ৮০ টাকা
তাহলে, খুচরা বিক্রেয়তার ক্রয়মুল্য = ৪০০ + ৮০ = ৪৮০ টাকা

আবার,
খুচরা বিক্রয়তার ২০% লাভে,
 খুচরা বিক্রয়তার  লাভ  = ৪৮০ × (২০/১০০) = ৯৬  টাকা

∴ টেবিলটির খুচরা মুল্য = ৪৮০ + ৯৬ = ৫৭৬ টাকা
২৯.
একটি ২১ মিটার দীর্ঘ ও ১৫ মিটার প্রস্থ বাগানের বাইরের দিকে ৩ মিটার প্রশস্ত রাস্তা আছে । রাস্তার ক্ষেত্রফল কত?
  1. ২৫২ বর্গমিটার 
  2. ৩১৫ বর্গমিটার 
  3. ৩৪৫ বর্গমিটার 
  4. ৫৬৭ বর্গমিটার 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ২১ মিটার দীর্ঘ ও ১৫ মিটার প্রস্থ বাগানের বাইরের দিকে ৩ মিটার প্রশস্ত রাস্তা আছে । রাস্তার ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান: 
বাগানের ক্ষেত্রফল = ২১ × ১৫ = ৩১৫ বর্গমিটার 

রাস্তাসহ বাগানের দৈর্ঘ্য = ২১ + (৩ × ২) = ২৭ মিটার 
রাস্তাসহ বাগানের প্রস্থ = ১৫ + (৩ × ২) = ২১ মিটার 
∴ রাস্তাসহ বাগানের ক্ষেত্রফল = ২৭ × ২১ = ৫৬৭ বর্গমিটার 

∴ রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫৬৭ - ৩১৫ = ২৫২ বর্গমিটার
৩০.
a - b = 2 এবং ab = 24 হলে, a + b এর ধনাত্মক মানটি কত?
  1. 6
  2. 8
  3. 10
  4. 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - b = 2 এবং ab = 24 হলে, a + b এর ধনাত্মক মানটি কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
(a + b)2 = (a - b)2 + 4ab
⇒ (a + b)2 = 22 + (4 × 24)
⇒ (a + b)2 = 4 + 96 
⇒ (a + b)2 = 100
⇒ a + b = ±√100
∴ a + b = 10
৩১.
স্রোতের বিপরীতে একটি নৌকা ৫২ মিনিটে ১৩ কি.মি. যেতে পারে। স্রোতের বেগ ৪ কি.মি./ঘণ্টা হলে স্থির পানিতে নৌকার বেগ কত?
  1. ১৫ কি.মি./ঘণ্টা
  2. ১৭ কি.মি./ঘণ্টা
  3. ১৯ কি.মি./ঘণ্টা
  4. ২১ কি.মি./ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্রোতের বিপরীতে একটি নৌকা ৫২ মিনিটে ১৩ কি.মি. যেতে পারে। স্রোতের বেগ ৪ কি.মি./ঘণ্টা হলে স্থির পানিতে নৌকার বেগ কত?

সমাধান:
স্রোতের বিপরীতে নৌকাটি ৫২ মিনিটে যায় = ১৩ কি.মি.
∴ স্রোতের বিপরীতে নৌকাটি ৬০ মিনিটে যায় = (১৩ × ৬০)/৫২ কি.মি.
= ১৫ কি.মি.

∴ স্থির পানিতে নৌকার বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ
= ১৫ + ৪ কি.মি./ঘণ্টা
= ১৯ কি.মি./ঘণ্টা
৩২.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান মডেল নয় কোনটি?
  1. অবকাঠামোগত সেবা
  2. হার্ডওয়য়ার সেবা
  3. সফটওয়্যার সেবা
  4. প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড 
- প্রাইভেট ক্লাউড
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩.
"Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে কোন পক্ষ থাকে না?
  1. জামিনদার
  2. মধ্যস্থতাকারী
  3. প্রধান দেনাদার
  4. পাওনাদার
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার

- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
কিন্তু "Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী নামে কেউ থাকে না। এখানে থাকেন জামিনদার।
-----------
Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.
৩৪.
'A Contract is an agreement creating and defining obligations between the parties.' চুক্তি সম্পর্কিত এই মতবাদটি কার?
  1. Frederik Pollock
  2. Rousseau
  3. Salmond
  4. John Locke
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি (Contract): সম্মতি থেকেই চুক্তির উৎপত্তি হয়ে থাকে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন কার্য করা বা করা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে একমত বা সম্মত হতে পারে, আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য এরূপ সম্মতিই চুক্তি।
 চুক্তির ক'টি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা হলো:
১. বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য চুক্তি আইনের ২ (জ) ধারায় বলা হয়েছে আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য সম্মতিকে চুক্তি বলে। ('An agreement enforceable by law is a contract' (Sec 2(H), Contract Act. 1872)
২. Frederik Pollock এর মতে আইনের সাহায্যে বলবৎযোগ্য প্রত্যেকটি সম্মতি ও প্রতিশ্রুতিকে চুক্তি বলে। ('Every agreement and promise enforceable at law is a contract'.)
৩. Salmond এর মতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে দায় সৃষ্টি এবং নির্দিষ্ট করে যে সম্মতি সাধিত হয় তাকে চুক্তি বলে। ('A Contract is an agreement creating and defining obligations between the parties.")

উপরের সংজ্ঞাগুলো আলোচনা করে বলা যায় যে চুক্তির মৌলিক বৈশিষ্ট্য ২টি :-
১. একটি সম্মতি থাকবে (One agreement); এবং
২. সম্মতিটি আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য হবে (It is enforceable by law).
৩৫.
"সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে চুক্তি আইনের কত ধারায়?
  1. ২০১
  2. ১৯১
  3. ১৪৮
  4. ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
- Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
৩৬.
Cy-pres means-
  1. as soon as possible.
  2. as close as possible.
  3. vested interest.
  4. easement right.
ব্যাখ্যা
⇒ The term ‘cy pres’ comes from the old French phrase ‘cy pres comme possible’, which means “as near as possible.”
- Cy pres is French for "as close" and is short for cy pres comme possible, or "as close as possible."
The term cy pres doctrine refers to a legal concept that gives courts the power to interpret the terms of a will, gift, estate, or charitable trust. 
- In the legal sphere, the phrase refers to ensuring that a donor’s or testator’s desires are followed out as nearly as possible, whether in a will or as part of a charitable trust or estate. 

⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।

 ⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।
৩৭.
"Transfer by ostensible owner" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৪২
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
৩৮.
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান ________।
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. শর্ত সাপেক্ষে বাতিল হবে
  4. ভবিষ্যতে সম্পন্ন করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৪ ধারার বিধান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে।
- অর্থাৎ দানের বিষয়বস্তু অবশ্যই বর্তমান কোন জিনিস হতে হবে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।
------------------
⇒ Section 124. Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.
৩৯.
সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস-
  1. সাতশত টাকা
  2. এক হাজার দুইশত টাকা
  3. এক হাজার আটশত টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাক হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস- এক হাজার আটশত টাকা।
৪০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৭ ধারার অধীনে ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিলের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
- Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

- Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector .............................. thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.
৪১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীনে অগ্রক্রয়ের মামলা দাখিলের সময় নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২%
  2. ৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.
৪২.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
- সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের স্বীয় মালিকানাধীন ভূমিতে দখল ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় প্রতিকারের লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ সুসংহত বিধান করা এবং ভূমি বিরোধ দ্রুত নিরসন করার জন্য। বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালে "ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩" প্রণয়ন করে।
এই আইনের ৪ ধারায় " ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এবং ৫ ধারায় "ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এর বিধান হিসেবে ৭ বছর কারাদণ্ড রাখা হয়েছে। যেটা ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান।

অর্থাৎ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।
৪৩.
শিশু আইনের অধীন কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন-
  1. শিশু আদালতের বিচারক
  2. জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা
  3. সমাজসেবা কর্মকর্তা
  4. সিভিল সার্জন
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
 (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
৪৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. জাতীয় সংসদের স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার বিধান জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
 (১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ- 

(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ-সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(ঘ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; 
(ঙ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; 
(চ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; 
(ছ) মহা-পুলিশ পরিদর্শক; 
(ছছ) রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(জ) মহা-কারা পরিদর্শক; 
(ঝ) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল; 
(ঞ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি; 
(ট) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা; 
(ঠ) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বেসরকারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ড) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত নারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ঢ) পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা ১(ঠ) এবং (ড) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বছরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই কোন কারণ না দর্শাইয়া উক্তরূপ কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে: 
আরো শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাতগরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন৷

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী।
৪৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৯
  2. ৩০ক
  3. ৩১
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
------------
Section 31. Bar on trial de-novo:

- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
৪৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রাথমিক তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্ত কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, নূতনভাবে তদন্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা কত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২০ক ধারার বিধান তদন্তের সময়সীমা: 
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। 
৪৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
 যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৪৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের সর্বনিম্ন দণ্ড-
  1. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৫ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
৪৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২৮ ধারার বিধান আপীল: 
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৫০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর নিচের কোন ধারাগুলোর অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হবে?
  1. ১৭, ১৯, ২৮ ও ৩২
  2. ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
  3. ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬
  4. ২১, ২২, ২৩ ও ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৫২ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের-
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে;

(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; এবং

(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে।
৫১.
কোরানিক অংশীদার কত জন?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদী (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)
৫২.
স্বামী কত বছর যাবত কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৫৩.
হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
৫৪.
হিন্দু বিয়ে এক প্রকার-
  1. পার্থিব বন্ধন
  2. দেওয়ানী চুক্তি
  3. আংশিক চুক্তি
  4. পবিত্র বন্ধন
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিয়ে একটি ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন (Sacrament) বিধায় ইহা একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধন যা ইহলোক ও পরলোকেও স্থায়ী। মুসলিম বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি। কাজেই আইন মোতাবেক যেমন এরুপ চুক্তি করা যায়, তেমনি এর পরিসমাপ্তিও ঘটানোও যায়। হিন্দু বিয়ে এরুপ পর্যায়ভূক্ত নয়।
তাই শাস্ত্রীয় বিধান মতে কোন পক্ষই তালাকের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে না। তবে পরবর্তীকালে বিধিবদ্ধ আইন দ্বার এর কিছু ব্যতিক্রম করা হয়েছে। ১৮৮৬ সালে ধর্মান্তরের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ আইন প্রবর্তিত হয়।

এই আইনে বলা হয়েছে যে, যদি কোন নারী বা পুরুষ ধর্ম ত্যাগ করে, খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে, তবে আদালত তাদের পূর্ব অুনষ্ঠিত বিয়ের বন্ধন ছিন্ন হয়েছে ঘোষণা প্রদান করতে পারেন। কলকাতা হাইকোর্ট গবর্ধন বনাম জাসোদমনি মামলায় এই মর্মে রায় প্রদান করেন যে, যদি কোন হিন্দু নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তখন তার উপর আর হিন্দু আইনের কোন অধিকার থাকে না। ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে তার বিয়ের বন্ধন সঙ্গে সঙ্গেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯৫৫ সালে ভারতের হিন্দুদের জন্য আদালতের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদের আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু তা বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য প্রযোজ্য নয়। যে কোনও রূপ, বিবাহবিচ্ছেদ বা অন্য কোনওভাবে হিন্দু বিবাহের বিচ্ছেদ বাংলাদেশে অনুমোদিত নয়।
ধারণাটি হল স্বামী এবং স্ত্রী চিরকাল একসাথে থাকবে এবং একসাথে সমস্ত ধর্মীয় এবং পার্থিব কার্য সম্পাদন করবে। বিয়ের পর তারা একটি নিখুঁত সংযোগে পরিণত হয়, দেহ ও আত্মায় উভয়ই মিলিত হয়, যা বিচ্ছিন্ন উচিত নয়।
৫৫.
যদি কোন সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ২/৫ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/১২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

i) ১/৪ অংশ।

ii)  ১/৮ অংশ।

ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৫৬.
মৃত্যুর পর কার্যকর হয়-
  1. অসিয়ত
  2. দান
  3. ওয়াক্‌ফ
  4. উত্তরাধিকার বন্টন
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

⇒ আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

⇒ যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-

ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।

খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।

গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।
৫৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- এ নতুন কোন বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. আপিলে আপোষ ডিক্রি
  2. রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
  3. পক্ষগণের অনুপস্থিতির ফলাফল
  4. আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ৯ ধারায় আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন

এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।
৫৮.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার কয়টি?
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার: 
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার এই ৫টি উল্লেখ্য আছে। 
৫৯.
Please send me the document. (Make it passive)
  1. You are requesting to send me the document.
  2. You are requested to send me the document.
  3. You were requested to send me the document.
  4. None of these.
ব্যাখ্যা
• Active Voice: Please send me the document.
Passive Voice: You are requested to send me the document.

• 'Please' যুক্ত Imperative Sentence কে active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
→ active voice এর শুরুতে Please থাকলে passive voice- এ "you are requested to" বসেছে।
→ active voice টি present- এ রয়েছে তাই passive voice "present tense"- এ হয়েছে।
→ requested to- এর পরে verb- এর base form বসেছে।

• Active voice কে Passive voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
→ Active Voice এর object‌ টি Passive Voice এর subject হয়।
→ Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
→ মূল verb এর past participle + active voice এর subject টি passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in) বসে।
৬০.
We had a horrific journey, but we lived to tell the tale.
Find out the meaning of the idiom: 'Live to tell the tale'.
  1. To achieve what is expected.
  2. To behave or do as people expect one to.
  3. Survive a dangerous experience and be able to tell others about it.
  4. To have just enough money to live on and nothing extra.
ব্যাখ্যা
Live to tell the tale

English Meaning: survive a dangerous experience and be able to tell others about it.
Bangla Meaning: সফলতার সাথে একটি কঠিন / বিপদজনক পরিস্থিতি সামলানো।

Ex. Sentence: We had a horrific journey, but we lived to tell the tale.
Bangla Meaning: আমাদের যাত্রা খুব বিপদসংকুল ছিলো, কিন্তু আমরা সফলতার সাথে তা সম্পন্ন করেছি।

Other Options:

Live up to something

English Meaning: to achieve what is expected, esp. high standards.
Bangla Meaning: বিশেষত উচ্চাভিলাষী প্রত্যাশা পুরণে সমর্থ হওয়া।

Live up to one’s reputation

English Meaning: to behave or do as people expect one to.
Bangla Meaning: সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে চলা।

Live (from) hand to mouth

English Meaning: to have just enough money to live on and nothing extra.
Bangla Meaning: দিন এনে দিন খাওয়া / কোন রকমে খেয়ে পড়ে বাঁচা।

Source: Live MCQ Lecture.
৬১.
What kind of parts of speech is the word 'Usury'?
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
Usury (Uncountable noun)

English Meaning: the practice of lending money to people at unfairly high rates of interest
Bangla Meaning: সুদখোরি; সুদের কারবার; কুসীদ ব্যবহার; চড়া সুদ।

Other Forms: 
- Usurer (Noun) 
- Usurious (Adjective) 

Synonyms:
Interest (সুদ),
Exploitation (শোষণ করা),
Stealing (আত্মসাৎ করা)। 

Antonyms:
Generosity (উদারতা),
Unselfishness (নি:স্বার্থ),
Honest (সৎ),
Benevolent (পরোপকারী),
Righteous (ন্যায়পরায়ণ)। 

Example Sentence: 
1. He used to practice usury frequently.
2. Delaware wasted no time in trashing its usury law as well.

Source: Live MCQ Lecture.
৬২.
Transform the given sentence into complex:
The journey was challenging, but the destination was rewarding.
  1. The journey was challenging and the destination was rewarding.
  2. Since the journey was challenging, the destination was rewarding.
  3. Though the journey was challenging, the destination was rewarding.
  4. As the journey was challenging, the destination was rewarding.
ব্যাখ্যা
• Compound Sentence: The journey was challenging, but the destination was rewarding.
Complex Sentence: Though the journey was challenging, the destination was rewarding. 

→ Compound Sentence এ but থাকলে Complex Sentence এর ক্ষেত্রে Though/Although ব্যবহৃত হয়।

Complex Sentence: 
→ যে sentence- এ একটি Principal Clause এবং এক বা একাধিক Subordinate Clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
→ Complex Sentence এর Subordinate Clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

More Examples:
Compound sentence: He is poor but he is honest.
Complex Sentence: Though he is poor, he is honest.

Compound Sentence: The weather was gloomy, but the atmosphere was cheerful. 
Complex Sentence: Though the weather was gloomy, the atmosphere was cheerful.
 
৬৩.
Choose the correct sentence:
  1. It is important to persuade the patient to abstain completely in alcohol.
  2. It is important to persuade the patient to abstain completely over alcohol.
  3. It is important to persuade the patient to abstain completely from alcohol.
  4. It is important to persuade the patient to abstain completely to alcohol.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে preposition এর উপর ভিত্তি করে।
- বাক্যে appropriate preposition এর সঠিক ব্যবহার। 
 
Abstain from:
Meaning: কোনোকিছু থেকে বিরত থাকা।
Example: It is important to persuade the patient to abstain completely from alcohol.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Abstain এর সাথে 'কোনোকিছু থেকে বিরত থাকা' অর্থ বুঝাতে from বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে from বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে from বসবে।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য বাক্য গুলো সঠিক নয়, কারণ সেখানে appropriate preposition এর সঠিক ব্যবহার হয়নি।

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain. 
৬৪.
Fill in the gap with appropriate word:
Rimi is worried about visiting a foreign country for the first time but the amiable people he met there helped __________ his fears.
  1. allay
  2. incite
  3. intensify
  4. exacerbate
ব্যাখ্যা
• Ema is worried about visiting a foreign country for the first time but the amiable people he met there helped allay his fears.

Allay [Transitive verb]

English Meaning: to make something, especially a feeling, less strong.
Bangla Meaning: ভয়, উত্তেজনা ইত্যাদি লাঘব করা।।

Other Forms: 
Allayer (Noun)

Synonyms:
Mitigate (প্রশমন করা),
Lessen (কমানো),
Alleviate (লাঘব করা),
Ease (সহজ করা),
Relieve (উপশম করা)। 

Antonyms:
Increase (বৃদ্ধি পাওয়া),
Intensify (তীব্রতর),
Aggravate (অধিকতর খারাপ করা)
Exacerbate (প্রকোপ বৃদ্ধি করা),
Incite (প্ররোচিত করা)।  

Example Sentence: 
1. Elisabeth stood at the piano which did nothing to allay his anxiety.
2. A gentle breeze would allay the heat. 

Source: Live MCQ Lecture.
৬৫.
"জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর"- কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১৩টি।

১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো;
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর;
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক;
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস;
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড;
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট;
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল;
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ;
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ;
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ;
১৩. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬৬.
বর্তমানে বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কয়জন?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৫ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ১৭২ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ ধরনে বিভক্ত।

যথা -
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
বীর উত্তম ৬৭ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
বীর বিক্রম ১৭৪ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

উল্লেখ্য,
পূর্বে মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন ছিল, কিন্তু ৪ জনের খেতাব বাতিল হওয়ায় বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৬৭.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট কোনটি?
  1. WTO
  2. EU
  3. APEC
  4. NATO
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):

- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭ টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

অন্যদিকে -
- WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- NATO একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- APEC এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক জোট।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৬৮.
‘মরি মরি, কী সুন্দর প্রভাতের রূপ।’ - এখানে অনন্বয়ী অব্যয় কী প্রকাশ করছে?
  1. উচ্ছ্বাস
  2. সম্মতি
  3. বিরক্তি
  4. যন্ত্রণা
ব্যাখ্যা
অনন্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোন সমন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।

যেমন:
• কী আপদ! লোকটা যে পিছু ছাড়ে না' - বিরক্তি প্রকাশে।
মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ - উচ্ছ্বাস প্রকাশে।
• হ্যাঁ, আমি যাব না। না, আমি যাব না। - স্বীকৃতি জ্ঞাপনে।
• আমি আজ আলবত যাব। নিশ্চয়ই পারব - সম্মতি প্রকাশে।
• উঃ! পায়ে বড্ড লেগেছে- যন্ত্রণা প্রকাশে।
• 'ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে - সম্বোধনে।
• ছি ছি, তুমি এত নীচ! - ঘৃণা বা বিরক্তি প্রকাশে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০১৯)।
৬৯.
'দরবার' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. আরবি
  2. তুর্কি
  3. ফারসি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
• 'দরবার’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।

• কিছু ফারসি শব্দ:
- আসমান,
- কশিদা,
- কয়েদি,
- কাগজ,
- কাজি, 
- কারিগর,
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি,
- রোজ,
- রোজা,
- রোজগার,
- রোজনামা,
- রোজনামচা,
- লাল,
- লুঙ্গি, 
- সাদা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৭০.
‘ম’ কোন ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
  3. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  4. দন্ত্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরচিত।
 যেমন: 
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে
- দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের ডগা উপরের পাটি দাতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:
- ত, থ, দ, ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৭১.
‘বদরাগী’ শব্দটি কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
  1. নিত্য সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাের কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনাে পদকে বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
- পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার ইত্যাদি।

সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়ে থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- কালাে বরণ যার = কালােবরণ;
- পােড়া কপাল যার = পােড়াকপালে,
- সমান উদর যার = সহোদর,
- বদ রাগ যার = বদরাগী,
- সুন্দর বর্ণ যার = সুবর্ণ।

উৎস:
১) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২) বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।