পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৪: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) -তে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
Fourth Primary Education Development Program বা চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) 
- পিইডিপি-৪ প্রোগ্রামের লক্ষ্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুকে একটি অন্তর্ভুক্তি ও সমতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। 
- কর্মসূচীটি শিক্ষার গুণগত মান জোরদার, শিক্ষায় প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার উন্নতির উপর দৃঢ় মনোযোগ দিয়ে পূর্ববর্তী কর্মসূচির অর্জনের উপর ভিত্তি করে গড়ে তুলবে।
- কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে জাইকা, এডিবি, বিশ্বব্যাংক সহ ৬টি সহযোগী সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার। 
- পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে পিইডিপি-২ এবং পিইডিপি-৩ কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাইকা।
- পিইডিপি-৪ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
- প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৮ হাজার ২৯১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। 
- পিইডিপি-৪সহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৪,৫৮৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,০৯,৯৮১ টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
- পিইডিপি-৪-এর  আওতায় ১,৬৫,১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে।
- এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যাকে সংক্ষেপে আমরা ডিপিই বলে থাকি। 

তথ্য - প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
.
১৯৮৮ সালের কোন মিশনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়?
  1. UNTSO
  2. UNIIMOG
  3. UNTAG
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ
- ২৯ মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস।
- ১৯৪৮ সালের ২৯ মে জাতিসংঘ প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রম শুরু করে।
- জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনের নাম- UN Truce Supervision Organization।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম নারী শান্তিরক্ষী গ্রহণ হয় ২০০৭ সালে, লাইবেরিয়ায়।

- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন UNIIMOG ও UNTAG -এ যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই মিশনে যোগদানের সূচনা হয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের এশীয় কার্যালয় অবস্থিত- ঢাকায়।
- ১৯৮৮ সালে সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল লাভ করে।
- বাংলাদেশ এই পর্যন্ত ৪৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে।
- এই শান্তিরক্ষা মিশনে এই পর্যন্ত ১৬৮ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন।

তথ্য - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  2. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা
  3. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। 

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ- 
১. আত্মরক্ষা। 
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।  
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।  
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।  
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা। 

সূত্র- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অধ্যায়, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি নয় কোনটি?
  1. স্মার্ট সিটিজেন
  2. স্মার্ট ইকোনোমি
  3. স্মার্ট গভর্নমেন্ট
  4. স্মার্ট এডুকেশন
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট এডুকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট এডুকেশন
ব্যাখ্যা
স্মার্ট বাংলাদেশ
- ২০৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন কাঠামো পরিকল্পনা হলো - স্মার্ট বাংলাদেশ।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর ২০২২ -এ  ২০৪১ সালের মধ্যে 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার ঘোষণা দেন।
- স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস - ১২ ডিসেম্বর।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স এর চেয়ারপারসন - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

- স্মার্ট বাংলাদেশ এর ভিত্তি ৪টি। যথা-
১.স্মার্ট সিটিজেন,
২.স্মার্ট ইকোনমি,
৩.স্মার্ট গভর্নমেন্ট,
৪.স্মার্ট সোসাইটি।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
২০২২ সালে বাংলাদেশে কততম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি হয় ১৯৮১ সালে।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে আদমশুমারি হয়েছিল।
-  সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন জনশুমারি ও গৃহগণনা নামে অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। 

উল্লেখ্য, 
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন এবং তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের নাগরিকতা নির্ণয়ের প্রধান উপায় কোনটি?
  1. অনুমোদনসূত্রে
  2. জন্মসূত্রে
  3. উভয়টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জন্মসূত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মসূত্রে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়। 
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 
- নাগরিকত্ব  সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর  সংবিধান বলবৎ হওয়ার পূর্বে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব (অস্থায়ী বিধান) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১৪৯ নং আদেশ) জারি করেন এবং এই আদেশ দ্বারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে দেশের নাগরিকত্ব নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

- আদেশটির দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয় যে, এমন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে গণ্য হবেন:
(১) যিনি বা যার পিতা বা পিতামহ বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং যিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এ এলাকার কোনো স্থানের স্থায়ী বাশিন্দা ছিলেন এবং এখনও বাশিন্দা আছেন;
অথবা (২) যিনি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্ভুক্ত এলাকায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্থায়ী বাশিন্দা ছিলেন, এখনও আছেন এবং দেশে বলবৎ কোনো আইনের দ্বারা নাগরিক হওয়ার অযোগ্য ঘোষিত হন নি।

সূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সুনাগরিকের প্রধান গুণ কোনটি? 
  1. দায়িত্ববোধ
  2. অর্থ
  3. সুশিক্ষা
  4. বিবেক
সঠিক উত্তর:
বিবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেক
ব্যাখ্যা
সুনাগরিকের প্রধান গুণ তিনটি। যথা- বুদ্ধি, বিবেক এবং আত্মসংযম। 

- বুদ্ধি- একজন সুনাগরিকের অন্যতম মৌলিক গুণ হচ্ছে বুদ্ধি। বুদ্ধির পর্যাপ্ত ব্যবহারের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সহযোগিতা করতে পারে।
- বিচার- একজন সুনাগরিকের শুধু বুদ্ধিমানও আত্মসংযমী হলেই হয় না তাকে অবশ্যই বিচারের সঠিক ব্যবহার জানতে হয়। বিবেক বিচার হলো ভালো-মন্দের জ্ঞান ও দায়িত্ব কর্তব্যের জ্ঞান।
- আত্মসংযম: একজন সুনাগরিকের আরেকটি অন্যতম গুণ হচ্ছে আত্মসংযম। ‌ নাগরিককে অসৎ কার্যাবলী যেমন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বার্থপরতা, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে।

- রাষ্ট্রের যে নাগরিক সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে। এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।

সূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৪
  2. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৩
  4. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য, 
-মিয়ানবার ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২ এ স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
.
কোন আদালতে ভারত-বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে?
  1. সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল
  2. স্থায়ী সালিশি আদালত
  3. সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী সালিশি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী সালিশি আদালত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ,ITLOS এবং
- ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে স্থায়ী সালিশি আদালত, PCA  সমুদ্রসীমা নিয়ে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা অর্জন করে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপান বা সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা - উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উল্লেখ্য, 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে।

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে।
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ।
১১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় ১৯৭৩ সালে।

- ২২শে মে, ২০০১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে ইইউ এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার।
- বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ সম্পন্ন হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে।

সূত্র- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তিটি কত বছর মেয়াদী ছিল?
  1. ১৫ বছর মেয়াদী
  2. ২০ বছর মেয়াদী
  3. ৩০ বছর মেয়াদী
  4. ২৫ বছর মেয়াদী
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর মেয়াদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর মেয়াদী
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদী ছিল।

- ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ২৫ বছর মেয়াদী একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটিতে মোট ১২টি ধারা ছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং অতঃপর আর এ চুক্তির নবায়ন করা হয় নি।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশ কয়টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল এ বিভিক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ১২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়। 
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা এবং এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি ও মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
-  মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
কত সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন ও নারী
১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীতে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগের মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হয়।
- ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ষষ্ঠ বিসিএস এর মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসে ফাতেমা বেগম প্রথম নারী সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম পুলিশ সুপার হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলায় পদায়ন পান রওশন আরা বেগম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।