পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
Exam -14: The Evidence Act, 1872 Topic: Section 101-167
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
'Estoppel' এর উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনকে অস্বীকার করা
  2. অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া
  3. অতীতের কর্মের বিরোধিতা থেকে বিরত রাখা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায়, যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতির বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
.
কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য?
  1. মানসিক ব্যাধিসম্পন্ন ব্যক্তি
  2. অতি বৃদ্ধ বয়সী ব্যক্তি
  3. প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
  4. যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.– A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
.
রাষ্ট্রীয় বিষয় সংক্রান্ত অপ্রকাশিত দলিলপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য দিতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারি আইনজীবীর অনুমতি নিতে হবে
  2. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে
  4. উল্লিখিত যে কেউর অনুমতি নিলে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। এক্ষেত্রে তিনি যথাযথ মনে করলে, অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section-123: Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
.
একটি মামলার প্রমাণের জন্য আদালতে কি নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষী বাধ্যতামূলক?
  1. হ্যাঁ, কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী প্রয়োজন
  2. শুধুমাত্র একজন প্রয়োজন
  3. না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
  4. কমপক্ষে ৩ জন সাক্ষী প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
.
'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that 'A' had a ticket is on-
  1. 'A'
  2. Ticket Checker
  3. Railway authority
  4. Railway Police
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে। এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
.
প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof) সম্পর্কিত বিধান সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কত ধারা থেকে কত ধারা পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত?
  1. ধারা ৯০ থেকে ১০০
  2. ধারা ৭৫ থেকে ৯০
  3. ধারা ১০১ থেকে ১১৪
  4. ধারা ১১৫ থেকে ১২৫
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২২ এর অধীনে কখন বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যায়?
  1. আদালত চাইলে
  2. বার্তা প্রদানকারীর সম্মতি ব্যতীত
  3. বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানি মামলা চললে
  4. বার্তা প্রদানকারী অপরাধে অভিযুক্ত হলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেই ক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
.
ধারা ১৩২ অনুযায়ী, একজন সাক্ষী কোন কারণে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার থেকে অব্যাহতি পাবে না?
  1. সাক্ষীর উত্তর তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে
  2. উত্তরটি গোপন তথ্য প্রকাশ করতে পারে
  3. উত্তরটি সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে
  4. উত্তরটি আদালতের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
.
রেজিনা একটি গাড়ির দখলে আছেন। সাহেল বলছেন যে, রেজিনা গাড়ির মালিক নন। ১১০ ধারার অধীনে, এই দাবির প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. রেজিনার
  2. সাহেলের
  3. আদালতের
  4. সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
১০.
সাক্ষ্য আইনের ________ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের (Impeaching credit of witness) পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. ১৫০
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৫৮
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।

Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১১.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায় কোন ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ভাড়াটিয়া এবং মালিক
  2. অপরাধী এবং আদালত
  3. বীমা দাবি ও রাজস্ব প্রদান
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।

Section 116- Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession:
No tenant of immovable property, or person claiming through such tenant, shall, during the continuance of the tenancy, be permitted to deny that the landlord of such tenant had, at the beginning of the tenancy, a title to such immovable property; and no person who came upon any immovable property by the license of the person in possession thereof shall be permitted to deny that such person had a title to such possession at the time when such license was given.
১২.
দেওয়ানি মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী 'যোগ্য সাক্ষী' হওয়ার বিধান কী?
  1. শুধুমাত্র পক্ষের স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. শুধুমাত্র পক্ষের স্বামী যোগ্য সাক্ষী হবে
  3. স্বামী বা স্ত্রী উভয়ে যোগ্য সাক্ষী হবে
  4. স্বামী বা স্ত্রী কেউ যোগ্য সাক্ষী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trial:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
১৩.
জেরা (Cross Examination) কী?
  1. সাক্ষীর নিজস্ব বক্তব্য
  2. বিরোধী পক্ষের প্রশ্ন
  3. আদালতের নিজস্ব প্রশ্ন
  4. সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
 
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
 
জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে
 
পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।
১৪.
রাহুল ৭ বছর ধরে নিখোঁজ। তার পরিবার দাবি করে যে, তিনি জীবিত। ১০৮ ধারার অধীনে-
  1. আদালত রাহুলকে জীবিত হিসেবে বিবেচনা করবে
  2. তার পরিবারকে তার জীবিত থাকার প্রমাণ বের করতে হবে
  3. আদালতকে তার জীবিত থাকার প্রমাণ বের করতে হবে
  4. আদালত নতুন তদন্ত শুরু করবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১৫.
According to the rule given under Section 135, what regulates the order of witnesses being produced and examined?
  1. The discretion of the witnesses
  2. The preference of the plaintiff
  3. The availability of the witnesses
  4. The law and practice relating to civil and criminal procedure
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
১৬.
বোবা ব্যক্তি আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য কোন পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র লিখিত সাক্ষ্য
  2. শুধুমাত্র ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  3. লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য
  4. বোবা ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে উপযুক্ত নয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
১৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার অধীনে, আদালত কিসের ভিত্তিতে একটি প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. প্রশ্নের মৌলিক গুরুত্ব না থাকা
  2. প্রশ্নের প্রাসঙ্গিকতা না থাকা
  3. প্রশ্নের বিষয় স্পষ্ট না হওয়া
  4. প্রশ্ন অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক মনে হওয়া
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১৮.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কোন তথ্যের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. তাদের আদালতের রায়
  2. অপরাধের সংঘটনের তথ্য
  3. তাদের চাকরির মেয়াদ
  4. তাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
১৯.
আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা-
  1. বেআইনী হবে
  2. বেআইনী হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. পর্যালোচনা করা হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
২০.
আদালতে যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই-
  1. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  2. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
  3. তাকে জেরা করা যাবে
  4. নথি গ্রহণের পর সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• Section 139: Cross-examination of person called to produce a document:
A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.

বাংলা অর্থ:
যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না। আর যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করা হয়, ততক্ষণ তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
নথি উপস্থাপনকারী ব্যক্তি সাক্ষী নয়, শুধুমাত্র নথি উপস্থাপনকারী। তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না। নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে স্বতঃই সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না।
২১.
একজন সাক্ষীকে পূর্বের লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা করা যায় কত ধারায়?
  1. ১৪০ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৫ ধারায়
  4. ১৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫: পূর্বের লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা:
যখন একজন সাক্ষী তার পূর্বের লিখিত বিবৃতিগুলির ভিত্তিতে জেরা করা হয়, যা মামলার বিষয়গুলির সাথে সম্পর্কিত, তখন সেই লেখাগুলি তাকে দেখানো বা প্রমাণ করা ছাড়াই জেরা করা যেতে পারে। কিন্তু, যদি সাক্ষীকে তার পূর্বের লিখিত বিবৃতি দ্বারা বিপরীতভাবে প্রদর্শন করা হয়, তাহলে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে এবং সেই অংশগুলি দেখাতে হবে যেগুলি বিপরীতভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে।

[A witness may be cross-examined as to previous statements made by him in writing or reduced into writing, and relevant to matters in question, without such writing being shown to him, or being proved; but, if it is intended to contradict him by the writing, his attention must, before the writing can be proved, be called to those parts of it which are to be used for the purpose of contradicting him.]
২২.
The Evidence Act, 1872 এর ১২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এরকম যোগাযোগ প্রকাশ করতে কোনো ________ বাধ্য করা যাবে না।
  1. রাষ্ট্রকে
  2. সরকারি কর্মকর্তাকে
  3. যেকোনো ব্যক্তিকে
  4. সরকারকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]
২৩.
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য অন্য ব্যক্তির লেখা নথি দেখতে হলে, একজন সাক্ষীকে কী করতে হবে?
  1. নথিটি আদালতে জমা দিতে হবে
  2. নথিটি আদালতে পড়তে হবে
  3. নথি পুনরায় লেখার নির্দেশ দিতে হবে
  4. নথির সঠিকতা নিশ্চিত করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারা-স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory):
একজন সাক্ষী, যখন সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নিজে দ্বারা লিপিবদ্ধ কোনো লেখা দেখতে পারে, যদি তা ঘটনার সময় বা ঘটনার পর এত তাড়াতাড়ি লেখা হয়ে থাকে যে আদালত মনে করে ঘটনার স্মৃতি তখনও তাজা ছিল।

সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা লেখা এমন কোনো লেখাও দেখতে পারে এবং তা পড়ে যদি সাক্ষী জানে যে লেখা সঠিক ছিল।

Section 159- Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
২৪.
কোন অবস্থায় সাক্ষীকে 'বৈরী সাক্ষী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. সাক্ষী মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর না দিলে
  4. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
২৫.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর পরিবারের সদস্য
  4. যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গ মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section 104- Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

Illustrations:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
২৬.
According to Section 143: Leading questions may be asked in __________.
  1. re-examination
  2. cross-examination
  3. examination-in-chief
  4. all of above
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।

অর্থাৎ, যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে।। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান-
জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
[Leading questions may be asked in cross-examination.]
২৭.
ধারা ১৩০ অনুযায়ী কোন ধরনের সাক্ষীকে দলিল উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ
  2. যে ব্যক্তি সম্পত্তি বন্ধক রেখেছে
  3. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
  4. যে ব্যক্তি মামলা শুরু করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০ অনুসারে,
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়, তাকে জোর করে তার সম্পত্তির মালিকানা সংক্রান্ত দলিল বা অন্য কোনো দলিল, যা দ্বারা সে বন্ধকী বা প্রতিজ্ঞা করা সম্পত্তি ধারণ করে, আদালতে উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এছাড়াও, যদি কোনো দলিল উপস্থাপন করলে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ ওঠার সম্ভাবনা থাকে, তাও উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে যদি ওই সাক্ষী লিখিতভাবে সম্মতি দিয়ে থাকে যে, তিনি দলিল উপস্থাপন করবেন, তখন তিনি তা আদালতে জমা দিতে বাধ্য থাকবেন।

[No witness who is not a party to a suit shall be compelled to produce his title-deeds to any property or any document in virtue of which he holds any property as pledgee or mortgagee or any document the production of which might tend to criminate him, unless he has agreed in writing to produce them with the person seeking the production of such deeds or some person through whom he claims.]
২৮.
মোকদ্দমার এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোনো দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দিলে এবং সেই দলিল উপস্থাপন করা হলে, তাহলে কার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. আদালত
  2. দলিল পর্যালোচনাকারী পক্ষ
  3. নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ
  4. দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৩ ধারা:
"যদি এক পক্ষ অন্য পক্ষকে একটি দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দেয় এবং সেই দলিল উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়, তাহলে প্রথম পক্ষকে সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে দিতে হবে, যদি দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ সেটা চায়।"

[When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so.]
২৯.
What type of communications are protected under Section 129?
  1. Only written communications
  2. All communications between individuals
  3. Any communication made in a public place
  4. Confidential communications with legal advisers
ব্যাখ্যা
Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:

কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সেই ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
৩০.
What does Section 140 state about 'witnesses to character'?
  1. They cannot be cross-examined.
  2. They can only be examined once.
  3. They may be cross-examined and re-examined.
  4. They must provide character references in writing.
ব্যাখ্যা
Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।
৩১.
'ক' বলছে 'খ' অপরাধী এবং আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করে। তাহলে 'খ' যে সত্যিই অপরাধটি করেছে, তা এর প্রমাণ করার দায়িত্ব-
  1. 'ক' এর
  2. 'খ' এর
  3. আদালতের
  4. 'ক' এবং আদালত উভয়ের
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ, 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustration-
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার ক্ষমতা সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষীকে জেরা করা যাবে
  2. বিচারক শুধুমাত্র রায় প্রদানের আগে প্রশ্ন করতে পারেন
  3. এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্গত
  4. পক্ষগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে আপত্তি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৩৩.
ধারা ১০৭ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি মৃত হওয়ার প্রমাণের দায়ভার কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. জীবিত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  3. মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  4. সংশ্লিষ্ট এলাকার আইন দ্বারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায়,
বিগত ৩০ বৎসরের মধ্যে জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।

Section 107- Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
৩৪.
'The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case.'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৬২ ধারায়
  2. ১৬৫ ধারায়
  3. ১৬৬ ধারায়
  4. ১৬৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
৩৫.
একটি দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়া হলে এবং তা দাখিল না করা হলে, তবে সেই দলিল কিভাবে আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়ে
  3. শুধুমাত্র অপর পক্ষের অনুমতি নিয়ে
  4. অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
৩৬.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রমের সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. জেরা → পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি গ্রহণ
  2. পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা
  3. জবানবন্দি গ্রহণ → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
  4. জেরা → জবানবন্দি গ্রহণ → পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।

Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৩৭.
ধারা ১৫০-এর অধীনে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার জন্য কার বিরুদ্ধে আদালত রিপোর্ট করতে পারে?
  1. সাক্ষী
  2. বিচারক
  3. অভিযুক্ত
  4. আইনজীবী
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০- যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে কোনো প্রশ্ন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে আদালত সেই প্রশ্নটি যদি কোনো অ্যাডভোকেট (আইনজীবী) করে থাকে, তাহলে আদালত উক্ত বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগে বা সেই কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে পারে, যাদের কাছে উক্ত আইনজীবী তার পেশাগত কার্যক্রমের জন্য দায়বদ্ধ।

Article 150- Procedure of Court in case of question being asked without reasonable grounds:
If the Court is of opinion that any such question was asked without reasonable grounds, it may, if it was asked by any Advocate, report the circumstances of the case to the High Court Division or other authority to which such Advocate is subject in the exercise of his profession.