পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী (সমসাময়িক ইস্যু), জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
Vulnerable Group Feeding (VGF)-কর্মসূচি সরকার কত সালে শুরু করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা কত? (২০২৫-২০২৬ অর্থবছর)
  1. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  2. ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা
  3. ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা
  4. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:

- ​সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

.
SDG মেয়াদ শেষ হবে—
  1. ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  2. ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
  3. ৩১ ডিসেম্বর ২০৩৫
  4. ৩১ ডিসেম্বর ২০৪০
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
ব্যাখ্যা

• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২,৭২০ ডলার
  2. ২,৮০০ ডলার
  3. ২,৩২০ ডলার
  4. ২,৮২০ ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
ব্যাখ্যা

 ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫,১০৯ টাকা (৮২ ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের ধানের উৎপাদন বেশি?
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)।
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)।
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)।

• উৎপাদনের পরিমাণ (মেট্রিক টন):

- আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২৯.৭৩ লক্ষ।
- আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
- বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২১০.৬৮ লক্ষ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

.
২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪৭,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৬,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৪,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১৯টি 
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
ব্যাখ্যা

অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৩.৯৭%
  2. ৩.৫৭%
  3. ৫.৯৭%
  4. ৪.২২%
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ কত?
  1. ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
  2. ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি 
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি 
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১০.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব আয় করে?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা (অনুদান ব্যাতীত)।
- করসমূহ ৫,১৮,০০০ কোটি টাকা
- NBR নিয়ন্ত্রিত করসমূহ ৪,৯৯,০০০ কোটি টাকা।
- NBR বহির্ভূত করসমূহ ১৯,০০০ কোটি টাকা।
- কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৪৬,০০০ কোটি টাকা।
- বৈদেশিক অনুদান ৫,০০০ কোটি টাকা।
- মোট রাজস্ব ৫,৬৯,০০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস:
- মূল্য সংযোজন কর - ১,৮৮,৫১৮ কোটি টাকা।
- আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর- ১,৮২,০০১ কোটি টাকা।
- সম্পূরক শুল্ক- ৬৮,২৪৪ কোটি টাকা।
- আমদানি শুল্ক- ৫১,৪৩৮ কোটি টাকা।
- আবগারি শুল্ক- ৬,০৯১ কোটি টাকা।
- রপ্তানি শুল্ক- ৭৮ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

১১.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?  (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১২.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় কত টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে?
  1. ৩,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,০০০ কোটি টাকা
  3. ৪,০০০ কোটি টাকা
  4. ১,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
-  উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৪৫,৬০৯ + ৫,৪৪,৩৯১ = ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।

১৩.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?   (নভেম্বর-২০২৫)
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.২ শতাংশ
  2. ৭.৫ শতাংশ
  3. ৩.৫ শতাংশ
  4. ৬.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৬.৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১৫.
মূসকের আদর্শ হার কত শতাংশ?
  1. ৫%
  2. ১০.৫%
  3. ১৫%
  4. ১২.৫%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর। সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
⇒ বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
⇒ মূসকের আদর্শ হার ১৫%।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূসকের হার ১৫% এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূসকের হার ০% প্রযোজ্য।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড [লিংক]।

১৬.
BIOS কোন ধরনের সফ্টওয়্যার?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Utility software 
  4. Operating System
সঠিক উত্তর:
Firmware 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firmware 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৭.
ডিএনএ ম্যাপিং এর জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়?
  1. টেলিমেডিসিন 
  2. বায়োইনফরমেটিক্স 
  3. জেনোমিক সফটওয়্যার
  4. মেডিকেল ইমেজিং
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) বায়োইনফরমেটিক্স 

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে -
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮.
(0.105)10 = (?)8
  1. 0.065
  2. 0.056
  3. 0.061
  4. 0.055
সঠিক উত্তর:
0.065
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.065
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 0.065

দশমিক ভগ্নাংশকে অক্টালে রূপান্তর:
ধাপ-১: ভগ্নাংশকে অক্টাল ভিত্তি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশ এবং ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে। এই প্রক্রিয়া যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ চালাতে হবে। যদি কমপক্ষে ৫-৬ বার গুণ করার পরও ভগ্নাংশ ০ না হয়, তবে এই অবস্থায় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ধাপ-৩: সংরক্ষিত পূর্ণ অংশগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSD থেকে LSD) সাজালে কাঙ্ক্ষিত অক্টাল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

 

সুতরাং (0.105)10 = (0.065)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৯.
রেটিনা স্ক্যান কোন ধরনের বায়োমেট্রিক সিস্টেম?
  1. মাল্টিমোডাল সিস্টেম
  2. অপটিক্যাল সিস্টেম
  3. ইউনিমোডাল সিস্টেম 
  4. ভিজ্যুয়াল রিকগনিশন সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
ইউনিমোডাল সিস্টেম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিমোডাল সিস্টেম 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ইউনিমোডাল সিস্টেম 

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

২০.
কোনটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. RAM
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ 
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) হার্ড ডিস্ক

নন-ভোলাটাইল মেমোরি:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি সেই মেমোরি যা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য বজায় রাখে।
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD) হলো এক ধরনের সহায়ক মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল, তাই এটি অ-সক্রিয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ডেটা আর্কাইভ করার জন্য উপযুক্ত।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম, যা অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা রাখে।
- এটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
-  হার্ড ডিস্ক স্থায়ীভাবে কম্পিউটারের ভিতরে বসানো থাকে, তবে বহিরাগত বা বহনযোগ্য হার্ড ডিস্কও ব্যবহার করা যায়।
- হার্ড ডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য; একটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে সংযুক্ত করে তথ্য প্রসেস করা হলে, সেটি অন্য কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক ড্রাইভেও ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে,
- RAM (Random Access Memory): এটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর ডেটা হারিয়ে যায়।
- ক্যাশ মেমোরি: এটি CPU চিপে থাকা একটি ছোট, দ্রুত SRAM যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে। RAM-এর মতোই ক্যাশ মেমোরি ভোলাটাইল।
- রেজিস্টার: এগুলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত SRAM যা CPU বর্তমান নির্দেশাবলী এবং ডেটা ধারণ করার জন্য ব্যবহার করে। রেজিস্টারও ভোলাটাইল।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা।

২১.
বস্তু ও ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করার প্রযুক্তি -
  1. AI
  2. IoT
  3. VR
  4. Robotics
সঠিক উত্তর:
IoT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IoT
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) IoT

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২২.
বাইনারি সংখ্যা (1101001.1101)2 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর -
  1. 150.74
  2. 152.65
  3. 151.64
  4. 153.66
সঠিক উত্তর:
151.64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
151.64
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 151.64

ভগ্নাংশ বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যাটির অংকগুলোকে বাম দিক থেকে ক্রমান্বয়ে ডান দিকে 3 বিটবিশিষ্ট একেকটি গ্রুপে ভাগ করতে হবে।
২। যদি সর্ব ডানের গ্রুপ তৈরিতে 3 বিট না থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুসারে ডান দিকে একটি বা দুটি, শূন্য (0) বসিয়ে 3 বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩। প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্টাল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত হবে।



সুতরাং, (1101001.1101)2 = (151.64)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩.
ROM কোন ধরনের মেমোরি
  1. ভোলাটাইল মেমোরি
  2. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
  3. প্রসেসিং মেমোরি
  4. কন্ট্রোল মেমোরি
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) প্রসেসিং মেমোরি

ROM (Read-Only Memory)
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪.
ফ্লপি ডিস্ক কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. স্টোরেজ ডিভাইস
  4. প্রসেসিং ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
স্টোরেজ ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টোরেজ ডিভাইস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) স্টোরেজ ডিভাইস
ফ্লপি ডিস্ক হলো একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম যা কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্টোরেজ ডিভাইস:
- Hard Disk, 
- Floppy Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs), 
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
কোন গেটে ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়?
  1. AND Gate
  2. OR Gate
  3. NOT Gate
  4. XOR Gate
সঠিক উত্তর:
NOT Gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT Gate
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) NOT Gate

নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে। 
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
কোনটি পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি নয়?
  1. QPS
  2. IPS
  3. EPS 
  4. XPS
সঠিক উত্তর:
XPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XPS
ব্যাখ্যা

XPS পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি নয়। 

পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে, যা মেইন পাওয়ার থাকাকালে চার্জ হয় এবং পাওয়ার চলে গেলে সেই সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্র চালু রাখে।

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility: প্রধান বিদ্যুৎ উৎস। 
- EMI/RFI Filter: ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়। 
- Surge Suppressor: হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়। 
- Transfer Switch: মেইন ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়। 
- AVR (Automatic Voltage Regulator): ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে। 
- Battery Charger: ব্যাটারি চার্জ করে রাখে। 
- Inverter: ডিসি থেকে এসি তে রূপান্তর করে।

প্রকারভেদ অনুযায়ী নাম:
- IPS (Instant Power Supply),
- UPS (Uninterrupted Power Supply),
- EPS (Emergency Power Supply),
- QPS (Quick Power Supply)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২৭.
কাউন্টার কী?
  1. একটি মেমরি স্টোরেজ সার্কিট
  2. একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
  4. একটি ডিজিটাল টাইমার সার্কিট
সঠিক উত্তর:
একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস বলা হয়) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে। কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স (Sequence) বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলা হয়।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2ⁿ-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2ⁿ হয়।
- কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
কোন শর্টকাট দিয়ে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N 
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
সঠিক উত্তর:
Ctrl + N 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + N 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + N 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

২৯.
ক্রায়োসার্জারিতে কোনটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়?
  1. তরল নাইট্রোজেন 
  2. তরল ক্লোরাইড 
  3. তরল হাইড্রোজেন
  4. তরল অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) তরল নাইট্রোজেন 

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩০.
কম্পিউটার চালু করার সময় কোন অংশ প্রথম কাজ শুরু করে?
  1. CPU
  2. RAM
  3. BIOS
  4. হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) BIOS
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর প্রধান কাজ হলো উপলব্ধ পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করা এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করা। স্টার্টআপের পর, BIOS OS এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 

BIOS (Basic Input Output System)
- কম্পিউটার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে সম্পাদন করে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এই চিপটিকে BIOS বলা হয় এবং এটি মাদারবোর্ডে থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ BIOS-এর মাধ্যমে ঘটে।
- BIOS-এর নির্দেশগুলো অনুসরণ করে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল উপাদানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৩১.
কোনটি ই-বুক রিডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. সাফারি
  2. ক্রোম
  3. কিউরিও
  4. কিন্ডল 
সঠিক উত্তর:
কিন্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিন্ডল 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) কিন্ডল 

• ই-বুক (Ebook):
- ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'।
- প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়।
- যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়।
- এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)।
- তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

• বাকি অপশনগুলো-
সাফারি এবং ক্রোম: এগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারে, তবে এগুলো ই-বুক রিডার হিসেবে পরিচিত নয়।  
কিউরিও: এটি একটি ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা ওয়েব ব্রাউজারের সাথে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৩২.
কোন ধরনের ফ্লিপ-ফ্লপকে "ডিলে ফ্লিপ-ফ্লপ" বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. SR Flip-Flop
  3. D Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
সঠিক উত্তর:
D Flip-Flop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D Flip-Flop
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - D Flip-Flop.

ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

৬.৯.২ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
Vizard সফটওয়্যার কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. VR পরিবেশ তৈরি
  2. টেক্সট এডিটিং
  3. ডেটা মাইনিং
  4. প্রিন্টার কনফিগারেশন
সঠিক উত্তর:
VR পরিবেশ তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR পরিবেশ তৈরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) VR পরিবেশ তৈরি

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৩৪.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (307)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 875
  2. 765
  3. 775
  4. 855
সঠিক উত্তর:
775
উত্তর
সঠিক উত্তর:
775
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 775

পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (307)16 = (775)10

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৫.
প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে সকল কম্পোনেন্ট সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাদারবোর্ড। 

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা।