পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২ অক্টোবর, ২০২৪সময়55 minutes৯৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
খাদ্য অধিদপ্তর-১৯৯৯ পদের নাম: খাদ্য পরিদর্শক
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২ অক্টোবর, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. জহির রায়হান
  4. কবীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
- আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি -গানের রচয়িতা আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।

• আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত উপন্যাস:
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (প্রথম),
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

• গল্পগ্রন্থ:
- সম্রাটের ছবি,
- কৃষ্ণপক্ষ,
- সুন্দর হে সুন্দর।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ডানপিটে শওকত।

• তাঁর সম্পাদনা গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসের রচয়িতা-
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. শওকত ওসমান
  3. ইমদাদুল হক মিলন
  4. তসলিমা নাসরিন
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
• ক্রীতদাসের হাসি:
- শওকত ওসমানের কালােত্তীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালােচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত। এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।

-------------------------
• শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি,

• শওকত ওসমান রচিত নাটক-
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন কবি ছন্দের যাদুকর নামে পরিচিত?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মধুসূদন দত্ত
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. এদের কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- কবি ও ছান্দসিক সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারীতে।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- প্রথম জীবনে তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দেবেন্দ্রনাথ সেন, অক্ষয়কুমার বড়াল প্রমুখের দ্বারা প্রভাবিত হন। পরে রবীন্দ্রানুসারী হলেও তিনি কবিস্বভাবে হয়ে ওঠেন স্বতন্ত্র।
- তিনি নানাবিধ ছন্দোনির্মাণ ও ছন্দ উদ্ভাবনে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ-সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি-ফারসি শব্দের সমন্বিত ব্যবহার দ্বারা বাংলা কাব্যভাষার শক্তি বৃদ্ধির প্রাথমিক কৃতিত্ব তাঁরই।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন- নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায়-আরতি,
- কাব্য সঞ্চয়ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ঘেরাও' শব্দটি কোন রাজনীতিবিদ প্রথম ব্যবহার করেন?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাসানচরে বন্যার কবল থেকে বাঙালি কৃষকদের রক্ষার জন্য তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন।
- ভাসানচরের জনসাধারণ তাকে ‘ভাসানী সাহেব’ বলে অভিহিত করে এবং পরবর্তীকালে এ উপাধি তাঁর নামের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- এই মিছিল ও সমাবেশ 'ফারাক্কা লংমার্চ' হিসেবে পরিচিত।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ 'ঘেরাও' শব্দটি মাওলানা ভাসানী প্রথম ব্যবহার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'সংস্কৃতির রূপান্তর' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. গোপাল হালদার
  2. শহীদুল্লাহ কায়সার
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল হালদার
ব্যাখ্যা
• 'সংস্কৃতির রূপান্তর':
- 'সংস্কৃতির রূপান্তর' গোপাল হালদার রচিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
-  ১৯৪১ সালে সংস্কৃতির রূপান্তর এথম রচিত হয়। বিশ্ব-সংস্কৃতির ধারার একটি বাস্তব অবতরণিকা রচনাই ছিল লেখকের উদ্দেশ্য।
- সেদিকে বোধ হয় সংস্কৃতির রূপান্তরই প্রাথমিক প্রয়াস। তারপর নতুন নতুন সংস্করণে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তন-পরিবর্ধনের দ্বারা যথাসাধ্য এ গ্রন্থকে পাঠকের সহায়ক করতেও চেষ্টা করা হয়েছে।

উৎস: 'সংস্কৃতির রূপান্তর' গোপাল হালদার।
.
দাদা ভাই'র আসল নাম কি ছিল?
  1. আল-মুতী শরফুদ্দিন
  2. শওকত ওসমান
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. রোকনুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
রোকনুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকনুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• নীহাররঞ্জন গুপ্ত ও রোকনুজ্জামান খান উভয়ই 'দাদা ভাই' নামে পরিচিত ছিলেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম হলো:
• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - যাযাবর।
• বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - ক্বচিৎ প্রৌঢ়।
• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - বনফুল।
• সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - সুবচনী।
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - হাবু শর্মা।
- চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর এর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ।
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এর ছদ্মনাম - সুনন্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা স্বরবর্ণ কয়টি?
  1. নয়টি
  2. দশটি
  3. এগারটি
  4. বারোটি
সঠিক উত্তর:
এগারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারটি
ব্যাখ্যা
• ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮ টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী 'সূচনা' অনুষ্ঠানটি কোথায় হয়?
  1. ছায়ানটে
  2. মানিক মিয়া এভিনিউতে
  3. রমনার বটমূলে
  4. মতিঝিল শাপলা চত্বরে
সঠিক উত্তর:
রমনার বটমূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রমনার বটমূলে
ব্যাখ্যা
পহেলা বৈশাখ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বর্ষবরণের চমকপ্রদ ও জমজমাট আয়োজন ঘটে রাজধানী ঢাকায়।
- এখানে বৈশাখী উৎসবের অনুষ্ঠানমালা এক মিলন মেলার সৃষ্টি করে।
- নববর্ষের প্রথম প্রভাতে রমনা উদ্যান ও এর চারপাশের এলাকায় উচ্ছল জনস্রোতে সৃষ্টি হয় জাতীয় বন্ধন।
- ছায়ানটের উদ্যোগে জনাকীর্ণ রমনার বটমূলে রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’-এর মাধ্যমে নতুন বর্ষকে বরণ করা হয়।

⇒ ১৩৭২ বঙ্গাব্দে (১৯৬৫) ছায়ানট প্রথম এ উৎসব শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বকুলতলার প্রভাতী অনুষ্ঠানেও নববর্ষকে সম্ভাষণ জানানো হয়।
- এখানকার চারুশিল্পীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নববর্ষের আহবানকে করে তোলে নয়নমনোহর এবং গভীর আবেদনময়।
- এ শোভাযাত্রা উপভোগ করে সব শ্রেণীর আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা।
- এদিন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, টি.এস.সি এবং চারুকলাসহ সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
Procrastination শব্দটির অর্থ হলো-
  1. বেগবান
  2. দীর্ঘসূত্রতা
  3. ছন্দ পতন
  4. বহুপাতিক
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘসূত্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘসূত্রতা
ব্যাখ্যা
• Procrastination [প্রোউক্র্যাস্‌টিনেইশ্‌ন্] (noun) [Uncountable noun]
অর্থ:
- কালক্ষেপণ;
- দীর্ঘসূত্রতা।

• Procrastinate is the thief of time (প্রবচন) - দীর্ঘসূত্রতা কালাপহারক।

উৎস: অভিগম্য অভিধান।
১০.
'অমিত্রাক্ষর' ছন্দের প্রবর্তন করেন কে?
  1. মধুসূদন দত্ত
  2. শামসুর রাহমান
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. আসাদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন তাঁর রচিত ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দ্য ক্যাপটিভ লেডি'। এটি ইংরেজিতে রচিত।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো হলো:
- Timothy Penpoem,
- দত্তকুলোদ্ভব কবি,
- এ নেটিভ।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

• তাঁর রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী,
- মায়াকানন।

• মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত প্রহসনগুলোর নাম
- একেই কি বলে সভ্যতা
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
'বহুভাষাবিদ পণ্ডিত' বলতে কার নাম প্রথমে মনে আসে?
  1. শেক্সপিয়র
  2. আলবার্টো মোরাভিয়া
  3. চেখভ
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- দীওয়ান-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম,
- Essays on Islam,
- আমাদের সমস্যা,
- পদ্মাবতী,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা আদব কী তারিখ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- কুরআন শরীফ,
- অমরকাব্য,
- সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।

• তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

অন্যদিকে,
• উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ছিলেন একজন ইংরেজ নাট্যকার, কবি এবং অভিনেতা।
• আলবার্টো মোরাভিয়া ছিলেন একজন ইতালীয় সাংবাদিক, ছোট গল্প লেখক এবং ঔপন্যাসিক।
• আন্তন পাভলোভিচ চেখভ ছিলেন একজন রুশ চিকিৎসক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
'ক্লিওপেট্রা' ছবির নাম ভূমিকায় কে অভিনয় করেন?
  1. মেরিলিন মনরো
  2. এলিজাবেথ টেইলর
  3. সোফিয়া লরেন
  4. অড্রে হেপবার্ন
সঠিক উত্তর:
এলিজাবেথ টেইলর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলিজাবেথ টেইলর
ব্যাখ্যা
ক্লিওপেট্রা:
- ক্লিওপেট্রা ছিলেন ইতিহাসের বিখ্যাত মিশরীয় রানী।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬৯ সালে আলেকজান্দ্রিয়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা এবং পরে মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী।
- ৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তার পিতা টলেমি XII এর মৃত্যুতে রানী হয়েছিলেন।
- ক্লিওপেট্রা সক্রিয়ভাবে রোমান রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।
- অক্টাভিয়ানের রোমান বাহিনী তাদের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করার পর, অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রা আত্মহত্যা করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ‘ক্লিওপেট্রা’ সিনেমা ১৯৬৩ সালে মুক্তি পায়।
- এই সিনেমার অভিনেত্রী ছিলেন এলিজাবেথ টেইলর।
- ফিল্মটিতে রিচার্ড বার্টন , রেক্স হ্যারিসন , রডি ম্যাকডোওয়াল এবং মার্টিন ল্যান্ডউ সহ নামী ভূমিকায় এলিজাবেথ টেলর অভিনয় করেছেন।

উৎস: Britannica.
১৩.
দিলীপ কুমারের প্রকৃত নাম কি?
  1. আশোক কুমার গাঙ্গুলী
  2. ওমর হায়দার
  3. ইউসুফ খান
  4. মহেন্দ্র চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ খান
ব্যাখ্যা
দিলীপ কুমার:
- বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার।
- হিন্দি সিনেমার জগতে এই অভিনেতা দিলীপ কুমার নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান।

উল্লেখ্য,
- ১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়ারে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েছিল দিলীপ কুমারের।
- তখন তার নাম রাখা হয় মুহাম্মদ ইউসুফ খান।
- অভিনেতার বাবা লালা গোলাম সারওয়ার একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন, যিনি পেশোয়ার ও দেওলালীর মধ্যে ফলের বাগানের মালিক ছিলেন।
- তার মায়ের নাম আয়েশা বেগম।

⇒ ১৯৩০ সালে পরিবার নিয়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান দিলীপ কুমার।
- ১৯৪০ সালে অভিনেতা তাদের পুনের বাড়ি ছাড়েন, যেখানে তিনি একজন ক্যান্টিন মালিক এবং একজন শুষ্ক ফল সরবরাহকারী হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।
- ১৯৪৩ সালে ‘বম্বে টকিজ’-এর মালিকানাধীন অভিনেত্রী দেবিকা রানী ও তার স্বামী হিমাংশু রাই পুনের অন্ধ সামরিক ক্যান্টিনে দিলীপ কুমারকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
- পরের বছর ১৯৪৪ সালে ‘জোয়ার ভাটা’ চলচ্চিত্রটির জন্য দিলীপকে প্রধান চরিত্রে অন্তর্ভুক্ত করেন দেবিকা রানী ও হিমাংশু রাই।
- এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউড শিল্পে প্রবেশ করেন দিলীপ কুমার।
- তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান হলেও হিন্দি লেখক ভগবতি চরণ বর্মা পরবর্তীতে তার রুপালি পর্দার নাম দেন দিলীপ কুমার।
- সেই থেকে তিনি মৃত্যু পর্যন্ত এই নামেই ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পরিচিত ছিলেন।
- ২০২১ সালের ৭ জুলাই তিনি না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

উৎস: Britannica.
১৪.
'শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ' কে রচনা করেন?
  1. মুহম্মদ ইকবাল
  2. ওমর খৈয়াম
  3. মির্জা গালিব
  4. এদের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ ইকবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ ইকবাল
ব্যাখ্যা
• শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া:
- ‘শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া’এটি উপমহাদেশের একটি বহুল আলোচিত গ্রন্থ। আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের শ্রেষ্ঠ কাব্যগুলোর মধ্যে এটি একটি।

- শিকওয়া শব্দের অর্থ হলো অভিযোগ। আর জওয়াব-ই-শিকওয়া অর্থ হলো অভিযোগের উত্তর।বইটিতে আল্লামা ইকবাল মুসলমানদের বর্তমান দুঃখ এবং দুর্দশার জন্য আল্লাহকে দায়ী করেছেন। এককালে শক্তিশালী মুসলিম জাতির বর্তমান বেহাল দশার জন্য আল্লাহকে অভিযোগ করেছেন।

- আর জওয়াব-ই-শিকওয়াতে এই অভিযোগগুলোর কাল্পনিক উত্তর দিয়েছেন এবং দেখিয়েছেন যে মুসলমানদের বর্তমান দুঃখ-দুর্দশার জন্য আল্লাহ তায়ালা কোন অংশে দায়ী নয় বরং মুসলমানরা নিজ কর্মকাণ্ডের জন্যই বর্তমান বেহাল দশায় নিমজ্জিত।

- শিকওয়া কাব্যটিতে ছয় লাইন ছয় লাইন করে মোট ৩১ স্তবক কবিতা রয়েছে। আর জওয়াব-ই-শিকওয়াতে ছয় লাইন ছয় লাইন করে মোট ৩৬ স্তবক কবিতা আছে।

উল্লেখ্য,
• ‘শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ’ অনুবাদ গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ‘শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া’ আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল।
১৫.
'সুতরাং' ছবির নায়িকা কে ছিলেন?
  1. শবনম
  2. ববিতা
  3. শাবানা
  4. কবরী
সঠিক উত্তর:
কবরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবরী
ব্যাখ্যা
সুতরাং:
- সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত.
- তিনি এই ছবিতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
- সুভাষ দত্ত ছাড়াও ছবির প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।
- সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন.

উল্লেখ্য,
- এটি কবরী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।
- সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
- এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল।
- ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: BBC.
১৬.
'দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাপার'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. আনিসুজ্জামান
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• "দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!" পঙ্‌ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের 'কাণ্ডারী হুশিয়ার' কবিতার অংশ।

কাণ্ডারী হুশিয়ার!
কাজী নজরুল ইসলাম
দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভূলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!!

--------------------
• সর্বহারা:
- সর্বহারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯২৬ খৃষ্টাব্দে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- সর্বহারা কাব্যগ্রন্থে মোট ১০ টি কবিতা রয়েছে।

কবিতাসমূহের তালিকা:
১. সর্বহারা,
২. কৃষাণের গান,
৩. শ্রমিকের গান,
৪. ধীবরদের গান,
৫. ছাত্রদলের গান,
৬. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার,
৭. ফরিয়াদ,
৮. আমার কৈফিয়ত,
৯. প্রার্থনা,
১০. গোকুল নাগ।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘সর্বহারা কাব্যগ্রন্থ’ কাজী নজরুল ইসলাম।
১৭.
থিয়েটার নাট্যগ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা -
  1. আলী যাকের
  2. জহরত আরা
  3. আরিফুল হক
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন। 

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উল্লেখ্য,
- আবদুল্লাহ আল মামুন প্রয়াত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্মাতা।
- তিনি নাটকের দল থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
ii) কালের কন্ঠ।
১৮.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হলো-
  1. ১ বৈশাখ
  2. ৮ ফাল্গুন
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৯.
'বিষাদ সিন্ধু'র রচয়িতা কে?
  1. আশরাফ সিদ্দিকী
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. কবি কায়কোবাদ
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস:
- 'বিষাদ-সিন্ধু' একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস। মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয়নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।

- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

----------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
'পাঠকের মৃত্যু'-এর রচয়িতা বনফুলের প্রকৃত নাম-
  1. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়:
• লেখক হিসেবে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় হাজারেরও বেশি কবিতা, ৫৮৬টি ছোট গল্প, ৬০টি উপন্যাস, ৫টি নাটক, জীবনী ছাড়াও অসংখ্য প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তার রচনাবলীসমগ্র ২২ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে ।
• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম 'বনফুল'।
• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় নাটক রচনাতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। প্রহসন, একাঙ্কিকা, চিত্রনাট্য, নাটিকা ছাড়াও তিনি বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনচরিত অবলম্বন করে নাটক রচনা করেন, যাতে পাওয়া যায় তাঁর সৃজনশীল প্রতিভার অপর একটি ভিন্ন রূপের পরিচয়।

• উনিশ শতকের দুই বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা তাঁর নাটক, শ্রীমধুসূদন (১৯৪০) ও বিদ্যাসাগর (১৯৪১)।
• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এ দুটি নাটকের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে এঁদের ব্যাপকভাবে ও যথার্থরূপে পরিচিত করিয়ে দেন।
• বাংলা সাহিত্যে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়কে বলা যেতে পারে এ ধারার নাটক রচনার পথিকৃৎ।

• ‘পাঠকের মৃত্যু’ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় রচিত গল্প।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- বনফুলের গল্প,
- বিন্দুবিসর্গ,
- অদৃশ্যলোকে,
- তন্বী,
- অনুগামিনী,
- দূরবীণ,
- মণিহারী,
- বহুবর্ণ,
- বনফুলের নতুন গল্প প্রভৃতি।

উৎস: সাহিত্যপাঠ একাদশ দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
পিতা ও পুত্রের বয়সের যোগফল ৮০ বছর। পিতার বয়স পুত্রের বয়সের তিনগুণ। পিতার বয়স কত?
  1. ৪০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৭০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের যোগফল ৮০ বছর। পিতার বয়স পুত্রের বয়সের তিনগুণ। পিতার বয়স কত?

সমাধান:
ধরি
পুত্রের বয়স ক বছর
পিতার বয়স ৩ক বছর

প্রশ্নমতে
৩ক + ক = ৮০
⇒ ৪ক = ৮০
∴ ক = ২০ বছর

পিতার বয়স = (২০ × ৩) বছর
= ৬০ বছর
২২.
করিমের বেতন রহিমের বেতনের চেয়ে শতকরা ৫০ ভাগ বেশি, তাদের এক মাসের বেতনের যোগফল যদি ১০,০০০ টাকা হয়, তবে রহিমের মাসিক বেতন-
  1. ৪০০০ টাকা
  2. ৪৫০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: করিমের বেতন রহিমের বেতনের চেয়ে শতকরা ৫০ ভাগ বেশি, তাদের এক মাসের বেতনের যোগফল যদি ১০,০০০ টাকা হয়, তবে রহিমের মাসিক বেতন-

সমাধান:
ধরি,
রহিমের বেতন = ১০০ টাকা
করিমের বেতন = ১০০ + ৫০ = ১৫০ টাকা
বেতনের সমষ্টি = ১৫০ + ১০০ = ২৫০ টাকা

দুইজনের বেতনের সমষ্টি ২৫০ টাকা হলে রহিমের বেতন = ১০০ টাকা
∴ দুইজনের বেতনের সমষ্টি ১ টাকা হলে রহিমের বেতন = ১০০/২৫০ টাকা
∴ দুইজনের বেতনের সমষ্টি ১০০০০ টাকা হলে রহিমের বেতন = (১০০ × ১০০০০)/২৫০ টাকা
= ৪০০০ টাকা
২৩.
বার্ষিক ১০% মুনাফা হারে কত টাকা তিন বছর জমা রাখলে মেয়াদান্তে মুনাফাসহ ৬,৬৫৫ টাকা পাওয়া যাবে?
  1. ৪০০০
  2. ৪৫০০
  3. ৫০০০
  4. ৫৫০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফা হারে কত টাকা তিন বছর জমা রাখলে মেয়াদান্তে মুনাফাসহ ৬,৬৫৫ টাকা পাওয়া যাবে?

সমাধান:
এখানে
আসল = 
মুনাফার r = ১০%
= ১০/১০০
= ১/১০

সময় n = ৩ বছর

আমরা জানি
C = P(1 + r)n
বা, ৬৬৫৫ = P(১ + ১/১০)
বা, ৬৬৫৫ =  P(১.১)
বা, P =৬৬৫৫/১.৩৩১
∴ P = ৫০০০ টাকা

বি: দ্র: সরল মুনাফা বা চক্রবৃদ্ধি মুনাফার কথা উল্লেখ করা নাই। সরল মুনাফা দিয়ে প্রশ্নটি সমাধান করলে অপশনের উত্তর আসেনা। তাই চক্রবৃদ্ধি মুনাফার সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করা হয়েছে।

২৪.
এক ব্যক্তি একস্থান থেকে দক্ষিণ দিকে ১০ মাইল গেল। আবার সে পূর্বদিকে ৫ মাইল গেল এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে ৭ মাইল গেল। গন্তব্য ও যাত্রাস্থলের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব-
  1. ২২ মাইল
  2. ২০ মাইল
  3. ১৯ মাইল
  4. ১৭ মাইল
সঠিক উত্তর:
১৭ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মাইল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি একস্থান থেকে দক্ষিণ দিকে ১০ মাইল গেল। আবার সে পূর্বদিকে ৫ মাইল গেল এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে ৭ মাইল গেল। গন্তব্য ও যাত্রাস্থলের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব-

সমাধান:
যাত্রা শুরুর স্থান A
গন্তব্য স্থান = D
গন্তব্য ও যাত্রাস্থলের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব = AD

এখন
AD2 = AE2 + DE2
AD2 = (17)2 +(5)2
AD2 = 314
AD = 17.720



কাছাকাছি উত্তর হবে অপশন ঘ) ১৭ মাইল কে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
২৫.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৪০০ বর্গফুট; তার একটি বাহু থেকে ২ গজ কমিয়ে দিলে যে বর্গক্ষেত্র থাকবে তার ক্ষেত্রফল-
  1. ১৯৬ বর্গফুট
  2. ২০০ বর্গফুট
  3. ২০৪ বর্গফুট
  4. ২০৮ বর্গফুট
সঠিক উত্তর:
১৯৬ বর্গফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬ বর্গফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৪০০ বর্গফুট; তার একটি বাহু থেকে ২ গজ কমিয়ে দিলে যে বর্গক্ষেত্র থাকবে তার ক্ষেত্রফল-

সমাধান:
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৪০০ বর্গফুট
বর্গক্ষেত্রটির এক বাহু = √৪০০ = ২০ ফুট

বাহুর দৈর্ঘ্য ২ গজ কমালে নতুন দৈর্ঘ্য হবে = ২০ - ৬ = ১৪ফুট; [যেহেতু ২ গজ = ৬ ফুট]
সুতরাং পরিবর্তিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১৪)2 = ১৯৬ বর্গফুট।
২৬.
নিচের কোন সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট?
  1. - ২
  2. - ৪
সঠিক উত্তর:
- ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট?

সমাধান:
আমরা জানি
ঋণাত্মক সংখ্যা যত বড় হয়, তা তত ছোট হয়।
প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট - ৪
২৭.
৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে যে কাজ সম্পন্ন করতে পারে সমান দক্ষতার ২০ জন শ্রমিক সে কাজ কত দিনে শেষ করবে?
  1. ১৫ দিনে
  2. ২০ দিনে
  3. ২৫ দিনে
  4. ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে যে কাজ সম্পন্ন করতে পারে সমান দক্ষতার ২০ জন শ্রমিক সে কাজ কত দিনে শেষ করবে? 

সমাধান:
৩০ জন শ্রমিক একটি কাজ করতে পারে ২০ দিনে
১ জন শ্রমিক একটি কাজ করতে পারে ২০ × ৩০ দিনে
২০ জন শ্রমিক একটি কাজ করতে পারে (২০ × ৩০)/২০ দিনে
= ৩০ দিনে
২৮.
এ + ঐ = ১০ এবং এ - ঐ = ৪ হলে, ঐ = কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এ + ঐ = ১০ এবং এ - ঐ = ৪ হলে, ঐ = কত?

সমাধান:
এ + ঐ = ১০ .................(১)
এ - ঐ = ৪.....................(২)

(১)নং - (২)নং ⇒
এ + ঐ - (এ - ঐ) = ১০ - ৪
এ + ঐ - এ + ঐ = ৬
২ঐ = ৬
ঐ = ৩
২৯.
অ × অ × অ × অ × অ × অ = কত?
  1. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অ × অ × অ × অ × অ × অ = কত?

সমাধান:
অ × অ × অ × অ × অ × অ
= অ(১ + ১ + ১ + ১ + ১ + ১)
= অ
৩০.
+ ২ অআ + আ = ১৪৪ এবং অ - ২ অআ + আ = ৪ হলে, (অ + আ) = কত?
  1. ১৭২২
  2. ১৭২৪
  3. ১৭২৬
  4. ১৭২৮
সঠিক উত্তর:
১৭২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭২৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অ + ২ অআ + আ = ১৪৪ এবং অ - ২ অআ + আ = ৪ হলে, (অ + আ) = কত?


সমাধান:
 + ২ অআ + আ = ১৪৪
(অ + আ) = (১২)
অ + আ = ১২...............................(১)


- ২ অআ + আ = ৪
(অ - আ) = (২)
অ - আ = ২...............................(২)

(১) +  (২) ⇒ 
অ + আ + অ - আ = ১২ + ২
২অ = ১৪
অ = ৭

(১) ⇒ 
অ + আ = ১২
৭ + আ = ১২ 
আ = ৫

(অ + আ)৩ = (৭ + ৫)
= (১২)
= ১৭২৮
৩১.
'টু এভরি অ্যাকশন দেয়ার ইজ অ্যান ইকুয়্যাল অ্যান্ড অপজিট রিয়েকশন'-এ সূত্রটি কার?
  1. আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. ফ্যারাডে
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
নিউটনের গতি সংক্রান্ত সূত্র: 
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 
- নিউটনের গতি বিষয়ক সূত্র তিনটি: 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 

৩। তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে (To every action there is an equal and opposite reaction)। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২.
রংধনুতে কয়টি রং?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
রংধনু: 
- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাঁচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাতটি রঙ্গে বিশ্লিষ্ট হয়।
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু। 
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোক রশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়, আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে। 
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়। 
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
অর্থাৎ, প্রিজমে আলো প্রতিসরিত হয়। 
- প্রিজম যে দুটি তল দ্বারা আবদ্ধ থাকে, তাকে প্রিজমের প্রতিসারক তল বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
মাছের মাথা থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ডি
  2. সি
  3. বি
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- মাছের মাথা থেকে পাওয়া ভিটামিনের মধ্যে বিশেষত 'ভিটামিন এ' শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা মাছের তেল এবং মাথা থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু  মাছের মাংস বা তেল থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   

ভিটামিন এ (Vitamin A): 

- ভিটামিন এ এর রাসায়নিক নাম রেটিনল। 
- প্রাণিজ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ রেটিনল এবং উদ্ভিজ্জ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ ক্যারোটিনরূপে পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন এ বর্ণহীন, তাপে স্থিতিশীল, অম্ল ও ক্ষারে অবিকৃত থাকে। 

ভিটামিন এ এর উৎস: 
• প্রাণিজ উৎস:
- ডিমের কুসুম, মাছের তেল, যকৃত বা কলিজা, দুধ, ডিম, ঘি, মাখন ইত্যাদি ভিটামিন এ এর ভালো উৎস। 

• উদ্ভিজ্জ উৎস: 
- হলুদ, কমলা ও গাঢ় সবুজ বর্ণের শাকপাতা, ফল ও সবজি ভিটামিন এ এর ভালো উৎস। 
- উদ্ভিদে ভিটামিন এ ক্যারোটিন রূপে থাকে। 
যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, মিষ্টি আলু, পাকা পেঁপে, আম, কাঁঠাল, ধনে পাতা ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ক্যারোটিন থাকে। 
- ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে বেশি থাকে গাজরে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
কোন সালে প্রথম নভোযান আকাশে পাঠানো হয়?
  1. ১৯৫৭
  2. ১৯৫৯
  3. ১৯৬১
  4. ১৯৬৩
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৭ সালে প্রথম 'স্পুটনিক-১' নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। 
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে এই যাত্রার সূচনা করে। 
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী। 
- একই বছর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং নাসা [লিঙ্ক]।
৩৫.
পানি এ দুটোর সংমিশ্রণে একটি কম্পাউন্ড-
  1. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন ও হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানির সংকেত হলো H2O. 
- পানিতে উপস্থিত থাকে হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম) এবং অক্সিজেন।  
- ভারী পানির সংকেত হলো D2O. 
- ভারী পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। 
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। 
- সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬.
Y2K-তে K অক্ষর মানে-
  1. শত
  2. হাজার
  3. দশ হাজার
  4. লক্ষ
সঠিক উত্তর:
হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজার
ব্যাখ্যা
- Y2K বাগ, কম্পিউটারাইজড সিস্টেমের কোডিংয়ে একটি সমস্যা যা 2000 সালের শুরুতে সারা বিশ্বে কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। 
- ১ জানুয়ারী ২০০০ সালে সারা বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং ব্যবহারকারীরা যে ত্রুটির সম্মুখীন হয়েছিল, সেটি "সহস্রাব্দের বাগ" নামেও পরিচিত। 
- K অক্ষর যা কিলো (১০০০ এর একক) এর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
অর্থাৎ, সাধারণত ১০০০ সংখ্যাকে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। 
সুতরাং, Y2K এর অর্থ হলো ২০০০ বছর। 
৩৭.
উপমহাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে কে প্রথম নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
  1. সত্যেন বোস
  2. এইচ জি খোরানা
  3. সি ভি রমন
  4. আবদুস সালাম
সঠিক উত্তর:
সি ভি রমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সি ভি রমন
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সি ভি রমন।

নোবেল পুরস্কার:

- বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত নোবেল পুরস্কার।
- এটি নরওয়ে ও সুইডেন থেকে দেওয়া হয়।
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে নরওয়ে।
- নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এই পুরস্কার প্রদান করে।
- এটি নরওয়ে পার্লামেন্ট কর্তৃক গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি।
- সাহিত্য, চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে সুইডেন।
- সুইডেনের সুইডিশ একাডেমি প্রদান করে সাহিত্যে নোবেল।
- চিকিৎসায় নোবেল প্রদান করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
- পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস এ পক্ষ থেকে।

ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন:
- ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জন ব্যক্তি নোবেল পুরুষ্কার পেয়েছেন।
- তারা হলেন:
1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - সাহিত্যে (১৯১৩),
2. সিভি রমন - পদার্থবিদ্যায় (১৯৩০),
3. হর গোবিন্দ খুরানা - চিকিৎসায় (১৯৬৮),
4. মাদার টেরেসা- শান্তিতে (১৯৭৯),
5. আবদুস সালাম - পদার্থবিজ্ঞানে (১৯৭৯),
6. সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখর - পদার্থবিজ্ঞানে (১৯৮৩),
7. অমর্ত্য সেন- 1998 অর্থনীতিতে (১৯৯৮),
8. ড. মুহাম্মদ ইউনূস - শান্তিতে (২০০৬),
9. ভেঙ্কটরামন রামকৃষ্ণন - রসায়নে (২০০৯),
10. মালালা ইউসুফজাঈ - শান্তিতে (২০১৪),
11. কৈলাশ সত্যার্থী- শান্তি (২০১৪),
12. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় - অর্থনীতিতে (২০১৯)।

উৎস: Nobel Prizes ওয়েবসাইট।
৩৮.
Longest Day কোনটি?
  1. ২৩ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা
দিন-রাত্রি সমান:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯.
টেলিফোন আবিষ্কার করেন-
  1. বেল
  2. মার্কনি
  3. গ্যালিলিও
  4. ইবনে সিনা
সঠিক উত্তর:
বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেল
ব্যাখ্যা
- আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ছিলেন একজন স্কটিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানি। 
- তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে ৩ মার্চ ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন বেল বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং/অথবা উন্নত করেছিল। 
- ১৮৭৬ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন। 
- বেল ফটোফোন (১৮৮০) এবং গ্রাফোফোন (১৮৮৬) সহ বেশ কয়েকটি সোনিক প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। 
- তিনি ২ আগস্ট ১৯২২ সালে কানাডাতে মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪০.
এক মিটারে কত ইঞ্চি (আনুমানিক)?
  1. ৩৬ ইঞ্চি
  2. ৩৭ ইঞ্চি
  3. ৩৮ ইঞ্চি
  4. ৩৯ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর:
৩৯ ইঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?

সমাধান:
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
এক মিটারে ৩৯ ইঞ্চি (আনুমানিক)।
৪১.
প্রথম এটম বোমা কবে ফাটানো হয়?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র। 
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। 
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে এই বোমা বর্ষণ করে। 
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়। 
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে। 
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান। 
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন। 

উৎস: History.com.
৪২.
আর্কিমিডিসের জন্মস্থান-
  1. সিসিলি
  2. বার্সিলোনা
  3. ইস্তাম্বুল
  4. টরেন্টো
সঠিক উত্তর:
সিসিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসিলি
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও দার্শনিক আর্কিমিডিস আনুমানিক ২৮৭ খৃস্টপূর্বাব্দে তৎকালীন বৃহত্তর গ্রিসের উপনিবেশ সিসিলি দ্বীপের সিরাকিউজ নামের বন্দর নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। 

আর্কিমিডিসের নীতি: 
- বস্তুকে কোন তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ডুবালে বস্তুটির ওজন কম মনে হয়।
- বস্তুটির উপর ক্রিয়াশীল ঊর্ধ্ব চাপজনিত বল বস্তুর ওজনের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে, একে প্লবতা বলে। 
- তাই কোন কঠিন পদার্থকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবালে ওজন কম মনে হয় যার মূল কারণ প্লবতা। এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। আর্কিমিডিসের নীতি তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৪৩.
প্রকৃতিতে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা-
  1. ৮৯
  2. ৯৮
  3. ৯১
  4. ৯২
সঠিক উত্তর:
৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। 
এই মৌলিক পদার্থগুলোর মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- আর বাকী ২০টি কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থেরই একটি নাম আছে। 
- আর এদেরকে সংক্ষিপ্ত ও সুবিধাজনকভাবে প্রকাশের জন্যই আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতীক সাধারণত মৌলের ল্যাটিন, গ্রিক বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪৪.
আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রধান অবদান হলো-
  1. কম্পিউটার টেকনোলজি
  2. ল'জ অব মোশন
  3. থিওরি অব রিলেটিভিটি
  4. এরোপ্লেন আবিষ্কার
সঠিক উত্তর:
থিওরি অব রিলেটিভিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওরি অব রিলেটিভিটি
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। 
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। 
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে। 
- অইিনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আলাের বেগ যে স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান তা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। 
- স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
বাংলাদেশের আনুমানিক জনসংখ্যা (মিলিয়নে)-
  1. ১২৫
  2. ১৩৫
  3. ১৪৫
  4. ১৫৫
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

বর্তমানে আনুমানিক জনসংখ্যা ১৬৯ মিলিয়ন।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৪৬.
বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা-
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৪টি
  4. ৬৬টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
- গ্রাম ৯০০৪৯টি।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
৪৭.
বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ৪৫টি
  2. ৫০টি
  3. ৫৫টি
  4. ৬১টি
সঠিক উত্তর:
৬১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

২। অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৮.
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যা-
  1. ৩০০টি
  2. ৩১০টি
  3. ৩২০টি
  4. ৩৫০টি
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এবং ইংরেজিতে হাউস অব দ্য নেশন দেওয়া হয়েছে।
- এটি সাধারণত সংসদ নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে যারা একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতির ভিত্তিতে আইন অনুসারে পূর্বোক্ত নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৪৯.
সিলেট শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কুশিয়ারা
  2. বরাক
  3. সুরমা
  4. গোমতী
সঠিক উত্তর:
সুরমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরমা
ব্যাখ্যা
সিলেট:
- সিলেটের উত্তরে ভারতের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়, দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা।
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ। 
- ১৪ শতকে ইয়েমেনের সাধক পুরুষ হযরত শাহজালাল (র.) সিলেট জয় করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- সিলেট বা শ্রীহট্ট (সমৃদ্ধ হাট) বহু আগে থেকেই একটি বর্ধিষ্ণু বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বর্তমান ছিল।

⇒ সিলেট সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত।
- সিলেটের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী সুরমা (৩৫০ কিঃ মিঃ), অপর বৃহৎ নদী হলো কুশিয়ারা।
- এ জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি হাওর-বিল রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে সিংগুয়া বিল (১২.৬৫ বর্গ কিমি), চাতলা বিল (১১.৮৬ বর্গ কিমি) উল্লেখযোগ্য।

উৎস: সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
৫০.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছেন-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জসীমউদ্দীন
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এই গান প্রচার করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে (অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি গীতবিতানের স্বদেশ পর্বে অন্তর্ভুক্ত।
- এর চরণসংখ্যা ২৫।
- গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।
- প্রথম চার চরণের যন্ত্রসংগীত বাজানো হয় বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে।
- দেশে ১৯৭৮ সালে জাতীয় সংগীত বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল।
- ১৯০৫ সালের সঞ্জীবনী পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় গানটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী একটি সমাবেশে প্রথম গানটি গাওয়া হয়।
- গানটি গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ অংশের অর্ন্তভুক্ত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১১ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
৫১.
বাংলাদেশে বছরে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ (আনুমানিক)-
  1. ২১০ লক্ষ টন
  2. ২১৫ লক্ষ টন
  3. ২২০ লক্ষ টন
  4. ২২৫ লক্ষ টন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

মোট জমির পরিমাণ:

- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৫২.
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার ধরন -
  1. পার্লামেন্টারি
  2. প্রেসিডেন্সিয়াল
  3. রাজতান্ত্রিক
  4. কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্টারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্টারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা:
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- সংবিধানে জনগণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে বলা হয় রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এই চারটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালিত হয়।
- সঙ্গত কারণেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বেছে নেয়া হয়েছে।
- শাসন কাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- এর কোন প্রদেশ নাই।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ধরণ অনুযায়ী সরকারের কার্যাবলিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

⇒ সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২] সাক্ষরতার হার -
  1. ৭৪.৮০%
  2. ৬২%
  3. ৫৫%
  4. ৬৫.৫%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৫৪.
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল-
  1. পদ্ম
  2. শাপলা
  3. গোলাপ
  4. চামেলী
সঠিক উত্তর:
শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয়:
- বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল,
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল,
- জাতীয় ফুল: শাপলা,
- জাতীয় মাছ: ইলিশ,
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় খেলা: কাবাডি,
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা,
- জাতীয় জাদুঘর: ঢাকা জাদুঘর,
- জাতীয় শিশুপার্ক: ঢাকা শিশু পার্ক,
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম মসজিদ,
- জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল,
- জাতীয় মনোগ্রাম: লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র, বৃত্তের উপরে লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচে লেখা ‘সরকার’। বৃত্তের দু’পাশে দুটি করে চারটি তারকা।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫.
জাতিসংঘের প্রথম এশীয় সেক্রেটারি জেনারেল কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. শ্রীলংকা
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের প্রথম এশীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন মিয়ানমারের উ থান্ট। 
- জাতিসংঘের ২য় এশীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫৬.
জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা-
  1. ১৮০
  2. ১৮৪
  3. ১৮৯
  4. ১৯৩
সঠিক উত্তর:
১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

⇒ জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫৭.
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার বছর-
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫৮.
আইএমএফ-এর বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক একজন -[অক্টোবর, ২০২৪]
  1. আমেরিকান
  2. ব্রিটিশ
  3. জার্মান
  4. ফ্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ফ্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯০টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- আইএমএফ-এর বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন লাগার্ড একজন ফ্রেঞ্চ।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৫৯.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর হেড অফিস-
  1. প্যারিস
  2. জেনেভা
  3. শিকাগো
  4. ব্যাংকক
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা
ILO:
- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জুনে ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

এছাড়াও,
- তিন বছরের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
৬০.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নাম - [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. জো বাইডেন
  2. জর্জ বুশ
  3. হিলারি ক্লিনটন
  4. ডিক চেনি
সঠিক উত্তর:
জো বাইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জো বাইডেন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী/প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ/প্রথম আফ্রো-এশিয়ান এবং বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা দেবী হ্যারিস।
- তিনি দেশটির ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

উৎস: The White House (.gov) ওয়েবসাইট।
৬১.
পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ -
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ:
1. ভারত,
2. চীন,
3. যুক্তরাষ্ট্র,
4. ইন্দোনেশিয়া,
5. পাকিস্তান।

উৎস: World Population Review.
৬২.
সৌদি আরবের রাজধানী-
  1. জেদ্দা
  2. মক্কা
  3. মদীনা
  4. রিয়াদ
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ
ব্যাখ্যা
সৌদি আরব:
- আরব উপদ্বীপের সুবিশাল অংশজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অবস্থান।
- ভূখণ্ডের দিক থেকে এশিয়ার পঞ্চম বৃহৎ রাষ্ট্র সৌদি আরব।
- এর উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তর-পূর্বে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন, পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান এবং দক্ষিণে ইয়েমেন।
- এটিই একমাত্র দেশ যেখানে লোহিত সাগর ও পারস্য সাগরের উপকূল রয়েছে।
- দেশটির বেশির ভাগ ভূখণ্ডই মরুভূমি ও পার্বত্যময়।
- ১৯৩২ সালে ইবনে সাউদ সৌদি আরবে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- সৌদি আরব দুই পবিত্র মসজিদের ভূমি হিসেবেও পরিচিত (মক্কা এবং মদিনা)।
- তেল-গ্যাসের বিশাল মজুদ রয়েছে সৌদি আরবে।
- দেশটির সমৃদ্ধির প্রধান কারণ এটিই।
- রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর: রিয়াদ।
- দাপ্তরিক ভাষা : আরবি।
- মুদ্রা: সৌদি রিয়াল।
- জাতিসংঘে যোগদান: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।

উৎস: Britannica.
৬৩.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ -
  1. বাংলাদেশ
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. পাকিস্তান
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস:Britannica.
৬৪.
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
  2. আব্দুর রহমান ওয়াহিদ
  3. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
  4. এদের কেউই নন
সঠিক উত্তর:
এদের কেউই নন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের কেউই নন
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

⇒ - ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস:Britannica.
৬৫.
ফুটবলের বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন -
  1. ব্রাজিল
  2. ফ্রান্স
  3. আর্জেন্টিনা
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২:
- আয়োজক দেশ: কাতার।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর।
- সময়কাল: ২০ নভেম্বর - ১৮ ডিসেম্বর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা (৩য় বার)।
- রানার্স আপ: ফ্রান্স।
- গোল্ডেন বল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)।
- সর্বাধিক গোলদাতা/গোল্ডেন বুট: কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি)।
- গোল্ডেন গ্লাভস/সেরা গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)।
- টুর্নামেন্ট সেরা গোল: রিচার্লিসন (ব্রাজিলের হয়ে সার্বিয়ায় বিপক্ষে)।
- ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম নারী রেফারি দায়িত্ব পালন করেন এ বিশ্বকাপে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
৬৬.
২০২৩ ক্রিকেটে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন -
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. শ্রীলংকা
  3. পাকিস্তান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩:
- আয়োজক দেশ: ভারত।
- এটি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর-১৯ নভেম্বর।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।
- সর্বাধিক রান: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক উইকেট: মোহাম্মদ শামি (ভারত)।
- সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
- সর্বাধিক সেঞ্চুরি: কুইন্টন ডি' কক।

উল্লেখ্য,
- ১৩তম আসর ভারতের মোট ১০টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
- গুজরাটের আহমেদাবাদে অবস্থিত নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৩২ হাজার।
- উদ্বোধন ও ফাইনালসহ মোট পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এখানে।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
৬৭.
অলিম্পিক প্রতিযোগিতার জন্ম কোন দেশে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ইতালি
  3. গ্রিস
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিস শুরু হওয়া প্রাচীন অলিম্পিক গেমস থেকেই মূলত আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জন্ম।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.
৬৮.
আধুনিক অলিম্পিকের সূচনা এথেন্স নগরীতে কত সালে?
  1. ১৮৮৮ সালে
  2. ১৮৯২ সালে
  3. ১৮৯৬ সালে
  4. ১৯০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- প্রথম আধুনিক অলিম্পিকের আসর বসে ১৮৯৬ সালে।
- ২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অলিম্পিকের ৩১তম আসর।
- ব্রাজিলের রিও দি জেনেরিও শহরে ৫-২১ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় ৷

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ৩৩তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
- আর এর পরের আয়োজন বসবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে।

উৎস: Britannica.
৬৯.
পেলে কোন খেলার কিংবদন্তি নায়ক?
  1. ফুটবল
  2. ক্রিকেট
  3. টেনিস
  4. হকি
সঠিক উত্তর:
ফুটবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুটবল
ব্যাখ্যা
পেলে:
- এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, সারা বিশ্বে যিনি পেলে নামে বিখ্যাত।
- এ নামটি ধারণ করে এক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার।
- পেলে জন্মেছিলেন ব্রাজিলের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় শহর ট্রেস কোরাকোসে ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর। 
- ২০০০ সালে ফিফা তাকে শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করে।

⇒ ব্রাজিলের হয়ে পেলের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে।
- সময়টা ছিল ১৯৫৭ সালের ৭ জুলাই।
- সেই ম্যাচে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে গেলেও প্রথম ম্যাচেই বিশ্ব রেকর্ডটি করতে ভুল করেনটি পেলে।
- ১৬ বছর ৯ মাস বয়সে গোল করে অর্জন করেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড।

⇒ ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে পেলের বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটে।
- ম্যাচটি ছিল ১৯৫৮ বিশ্বকাপের তৃতীয় খেলা। 
- একে একে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ ও ১৯৭০-এর বিশ্বকাপে খেলেন পেলে।
- এর মধ্যে তিন বার (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) সালে বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করেন।

⇒ ১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপ।
- সেবার শেষবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে নামে পেলে।
- মাত্র ২৯ বছর বয়সে শেষ বিশ্বকাপ খেলেন। 

- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।

উৎস: i) BBC News।
ii) Britannica.
৭০.
ক্রিকেট খেলায় খেলোয়াড় ছাড়াও দু'জন লোক থাকে যারা খেলা পরিচালনা করেন, তাদের নাম কি?
  1. রেফারি
  2. কোচ
  3. আম্পায়ার
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আম্পায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম্পায়ার
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট:
- ক্রিকেট খেলার উৎপত্তি ইংল্যান্ডে।
- ১৯০৯ সালে ICC গঠিত হয়।

⇒ ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ ও প্রস্ত ১০ ফুট।
- পিচের দুই মাথায় ৩টি করে স্টাম্প থাকে।
- একে উইকেট বলে।
- স্টাম্পের মাথার উপর দুইটি বেল বসানো থাকে।
- ১০ প্রকারে ব্যাটসম্যান আউট হতে পারে।
- যে ওভারে কোনো রান হয় না তাকে মেডেন ওভার বলে।

⇒ ক্রিকেট খেলার কলাকৌশলকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়-
ক. ব্যাটিং খ. বোলিং গ. ফিল্ডিং ও ক্যাচিং ঘ. উইকেট কিপিং।

⇒ বোলার হাত থেকে বল ছেড়ে দেয়ার পর শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য কয়েক পদক্ষেপ সামনে যেতে হয়, একে ফলো থু বলে।

⇒ ক্রিকেট খেলায় খেলোয়াড় ছাড়াও দু'জন লোক থাকে যারা খেলা পরিচালনা করেন, তাদের নাম আম্পায়ার।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
কোন টেনিস তারকা বর্তমানে বিশ্বসেরা?
  1. সাম্প্রাস
  2. আগাসি
  3. ইভানভিচ
  4. মাইকেল চ্যাং
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

টেনিস:

- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

উল্লেখ্য,
- 'গ্র্যান্ড স্ল্যাম' শব্দটি টেনিস খেলার সাথে সম্পর্কিত।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বছরে চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ- অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন (উইম্বলডন) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- জেতাকে বোঝায়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি)
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে)
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে)
• ইউএস ওপেন (অআগস্ট-সেপ্টেম্বর)
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ পুরুষদের টেনিস এটিপি র‍্যাঙ্কিং ২০২৪:
1. জে. সিনার;
2. জাভেরেভ;
3. সি. আলকারাজ;
4. এন জোকোভিচ।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।
৭২.
প্রখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর পূর্বনাম ছিল -
  1. জন কনোলি
  2. রবার্ট ব্রাউন
  3. টনি লকউড
  4. ক্যাসিয়াস ক্লে
সঠিক উত্তর:
ক্যাসিয়াস ক্লে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাসিয়াস ক্লে
ব্যাখ্যা
মুহাম্মদ আলী:
- ১৯৪২-এর ১৭ই জানুয়ারি আমেরিকায় কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের লুইভিলে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ আলী।
- তখন তাঁর নাম ছিল ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে।
- ১২ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধ শুরু করেন এবং রোমে ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে লাইট হেভিওয়েটে স্বর্ণপদক জয় করেন।
- ১৯৬০ সালের অক্টোবর মাসে ১৮ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধকে পেশা হিসাবে নেন।
- ১৯৬৩ সালের জুনে প্রথম পেশাদার সফরে তিনি আসের লন্ডনে।
- তার আগেই তিনি ১৮টি মুষ্টিযুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে জিতেছেন।
- লন্ডনে আসার আগে তিনি বলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা হেনরি কুপারকে তিনি পঞ্চম রাউন্ডেই হারাবেন।

⇒ ২২ বছর বয়সে বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ানের শিরোপা জেতেন ক্লে।

⇒ সনি লিস্টনকে প্রথমবার হারানোর পর তাঁর ইসলাম ধর্মগ্রহণের ঘোষণা দেন তিনি এবং তিনি নতুন নাম নেন মুহাম্মদ আলী।

⇒ ১৯৮৪ সালে দুরারোগ্য পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত হন বিশ্বখ্যাত এই মুষ্টিযোদ্ধা।

উল্লেখ্য,
- ২০১৬ সালের ৩ জুন, শ্বাসনালীর সংক্রমণে মুহাম্মদ আলী মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: BBC.
৭৩.
মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বর্তমানে এ রোগে কাতর-
  1. হৃদরোগ
  2. পারকিনসন্স
  3. ম্যালেরিয়া
  4. এইডস
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন্স
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

মুহাম্মদ আলী:

- ১৯৪২-এর ১৭ই জানুয়ারি আমেরিকায় কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের লুইভিলে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ আলী।
- তখন তাঁর নাম ছিল ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে।
- ১২ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধ শুরু করেন এবং রোমে ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে লাইট হেভিওয়েটে স্বর্ণপদক জয় করেন।
- ১৯৬০ সালের অক্টোবর মাসে ১৮ বছর বয়সে তিনি মুষ্টিযুদ্ধকে পেশা হিসাবে নেন।
- ১৯৬৩ সালের জুনে প্রথম পেশাদার সফরে তিনি আসের লন্ডনে।
- তার আগেই তিনি ১৮টি মুষ্টিযুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে জিতেছেন।
- লন্ডনে আসার আগে তিনি বলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা হেনরি কুপারকে তিনি পঞ্চম রাউন্ডেই হারাবেন।

⇒ ২২ বছর বয়সে বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ানের শিরোপা জেতেন ক্লে।

⇒ সনি লিস্টনকে প্রথমবার হারানোর পর তাঁর ইসলাম ধর্মগ্রহণের ঘোষণা দেন তিনি এবং তিনি নতুন নাম নেন মুহাম্মদ আলী।

⇒ ১৯৮৪ সালে দুরারোগ্য পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত হন বিশ্বখ্যাত এই মুষ্টিযোদ্ধা।

উল্লেখ্য,
- ২০১৬ সালের ৩ জুন, শ্বাসনালীর সংক্রমণে মুহাম্মদ আলী মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: BBC.
৭৪.
রড লেভার ১৯৬২ সালে টেনিসে গ্র্যান্ড স্ল্যাম অর্জন করে খ্যাতি অর্জন করেন; গ্রান্ড স্লামে এক বছরে কয়টি স্বীকৃত ট্রফি জিততে হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
লন টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

উল্লেখ্য,
- 'গ্র্যান্ড স্ল্যাম' শব্দটি টেনিস খেলার সাথে সম্পর্কিত।
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম একই বছরে চারটি বৃহৎ টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ- অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন (উইম্বলডন) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- জেতাকে বোঝায়।
- প্রতিটি টুর্নামেন্ট দুই সপ্তাহ সময়সীমার পরে খেলা হয়।
- গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি)
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে)
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে)
• ইউএস ওপেন (অআগস্ট-সেপ্টেম্বর)
- গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন (ITF) দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট।
৭৫.
ঢাকা লীগে শতাব্দীর শেষ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন কোন দল?
  1. মোহামেডান
  2. আবাহনী
  3. মুক্তিযোদ্ধা
  4. ব্রাদার্স
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লীগ ২০২৪:
- ঢাকা লীগ বর্তমান নাম ঢাকা সিনিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ হলো বাংলাদেশের তৃতীয় স্তরের ফুটবল লীগ।
- ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষ বিভাগ ছিল।
- কেবল ঢাকার কয়েকটি দলকে নিয়ে এই লীগ খেলা হত।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
৭৬.
কুয়ালালামপুরে আইসিসি ট্রফি জেতার সময় বাংলাদেশ দলের হাতে কয়টি উইকেট ছিল?
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
৭৭.
বিগত ক্রিকেট বিশ্বকাপে কোন বড় দলকে পরাজিত করে বাংলাদেশ দল চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ইংল্যান্ড
  3. শ্রীলংকা
  4. পাকিস্তান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩:
- আয়োজক দেশ: ভারত।
- এটি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর-১৯ নভেম্বর।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।
- সর্বাধিক রান: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক উইকেট: মোহাম্মদ শামি (ভারত)।
- সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
- সর্বাধিক সেঞ্চুরি: কুইন্টন ডি' কক।

উল্লেখ্য,
- ১৩তম আসর ভারতের মোট ১০টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
- গুজরাটের আহমেদাবাদে অবস্থিত নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৩২ হাজার।
- উদ্বোধন ও ফাইনালসহ মোট পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এখানে।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
৭৮.
বাংলাদেশের কোন সাঁতারু ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন?
  1. মোহাম্মদ ইদ্রিস
  2. আবদুর রহমান
  3. ব্রজেন দাস
  4. কেউই না
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
ব্রজেন দাস:
- ব্রজেন দাস বাংলাদেশের একজন বাঙালি সাঁতারু।
- তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- তিনি মোট ৬ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সর্বশেষ ১৯৬১ সালে ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৯৮ সালের ১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.
৭৯.
ফুটবলে বর্তমানে [অক্টোবর, ২০২৪] সাফ চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
  1. নেপাল
  2. মালদ্বীপ
  3. শ্রীলংকা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

১৪তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:

- ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভারতকে চ্যাম্পিয়নশিপের ১৪তম সংস্করণের আয়োজক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ভারতের বেঙ্গালুরুতে ২১ জুন - ৪ জুলাই, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- আয়োজক: South Asian Football Federation (SAFF).
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- মোট ম্যাচ: ১৫টি।
- মোট গোল: ৩৮টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ভারত।
- রানার্স আপ: কুয়েত।
- সেরা খেলোয়াড়: সুনিল ছেত্রি।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: নেপাল।
- সেরা গোল রক্ষক: আনিছুর রহমান জিকো (বাংলাদেশ)।

উল্লেখ্য,
- ভারত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৩তম আসরের বিজয়ী।

উৎস: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
৮০.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক [অক্টোবর, ২০২৪] হলেন -
  1. নান্নু
  2. বুলবুল
  3. আকরাম
  4. শান্ত
সঠিক উত্তর:
শান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্ত
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:

- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

উৎস: i) Bangladesh Cricket Board।
ii) ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, বণিক বার্তা।
৮১.
আলফাজ একজন কৃতি -
  1. ফুটবলার
  2. ক্রিকেটার
  3. হকি প্লেয়ার
  4. সাঁতারু
সঠিক উত্তর:
ফুটবলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুটবলার
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ:
- মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ হলেন একজন বাংলাদেশী সাবেক পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার।
- আলফাজ তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় ঢাকা মোহামেডান এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছেন।

⇒ ১৯৯৬ এশিয়ার মাসসেরা ফুটবলার হয়েছিলেন মোহামেডানের আলফাজ।
- আলফাজের পর আর কোনো ফুটবলার এই গৌরব অর্জন করতে পারেননি।

⇒ ২০১৩ সালে অবসরে যান সাবেক জাতীয় তারকা আলফাজ আহমেদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮২.
ঢাকা ক্রিকেট লীগের বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] চ্যাম্পিয়ন দল-
  1. মোহামেডান
  2. সূর্যতরুণ
  3. বিমান
  4. আবাহনী
সঠিক উত্তর:
আবাহনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবাহনী
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগ ২০২৪:

- ২০২৪ সালের ১১ মার্চ-৬ মে এই আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- ১২টি দলের এই আসরে অংশগ্রহণ করে।
- চ্যাম্পিয়ন: আবাহনী লিমিটেড।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
৮৩.
Mohammedans and Abahani do not have the monopoly of the championship _____ themselves. শূন্যস্থানটিতে নিচের কোন শব্দটি বসবে?
  1. among
  2. between
  3. together
  4. none of these
সঠিক উত্তর:
between
উত্তর
সঠিক উত্তর:
between
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - between.
- Complete sentence: Mohammedans and Abahani do not have the monopoly of the championship between themselves.

• দুইটি জিনিসর মধ্যে তুলনা বুঝাতে between, দুইয়ের অধিক বোঝাতে / তুলনা করতে among বসে।
যেমন: 
- Distribute these mangoes between Arif and Babu.
- Bangladesh will win among 30 countries.

• Among (preposition): 

English Meaning: Happening or being included as part of a group of people or things/ to each one in a group of three or more people or things. 
Bangla Meaning: পরিবেষ্টিত; মাঝখানে/ দুইয়ের অধিক ব্যক্তিসংশ্লিষ্ট বিভাজন, বিতরণ, অধিকারিতা বা কর্মকাণ্ড নির্দেশ করে।

• Between (preposition):
English Meaning: At, into, or across the space separating (two objects or regions).
Bangla Meaning: দুই বা দুজনের অধিক ব্যক্তির অথবা বস্তুর মধ্যে সমন্বয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৮৪.
Hasibul Hossain Shanto is an excellent player; he is an all rounder in cricket, 'he' শব্দটি একটি-
  1. noun
  2. pronoun
  3. adverb
  4. adjective
সঠিক উত্তর:
pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pronoun
ব্যাখ্যা

• Hasibul Hossain Shanto is an excellent player; he is an all rounder in cricket, 'he' শব্দটি একটি - pronoun.

• Pronoun:
- Pronoun হলো noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত word.
- যে সকল শব্দ আমরা নামের পরিবর্তে ব্যবহার করি তাদেরকেই Pronoun বা সর্বনাম বলে। 
- যেমন: he, she you etc.

• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন: 
1. Personal pronoun: (I/me, you, they/them, he/him, she/her, it, we/us)
2. Demonstrative pronoun: (this, that)
3. Interrogative pronoun: (what, who)
4. Relative pronoun: (what, who, that)
5. Indefinite pronoun: (one, some, any, all, many)
6. Distributive pronoun: (each, every)
7. Reflexive pronoun: (myself, themself)
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another)

৮৫.
নিম্নোক্ত কোন সূত্র অনুসারে ব্যাড মানি ড্রাইভস এওয়ে গুড মানি আউট অব সার্কুলেশন?
  1. গ্রেশামস ল
  2. সেইজ ল
  3. মার্শাল ল র
  4. কেইনসিয়ান ল
সঠিক উত্তর:
গ্রেশামস ল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেশামস ল
ব্যাখ্যা
গ্র্যাশামের সূত্র:
- গ্র্যাশামের সূত্র অর্থনীতিতে বহুল পঠিত ও বহুল আলোচিত একটি সূত্র বা বিধি।
- এই সূত্রটি এখন আধুনিক বিশ্বে আচরণ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হয় এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশেষজ্ঞরা তাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধি হিসেবে ব্যবহার করেন।

⇒ স্যার থমাস গ্র্যাশাম ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বণিক এবং প্রথিতযশা একজন অর্থনীতিবিদ।
- তিনি বৃটিশ রাজপরিবারের উপদেষ্টাও ছিলেন এবং বৃটিশ মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ব্যাপারে রাজাদের পরামর্শ দিতেন।
- স্যার গ্র্যাশাম রাজকীয় এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং উইল করে তার যাবতীয় সম্পত্তি গ্র্যাসাম কলেজকে দান করে দিয়ে গিয়েছিলেন।
- গ্র্যাশাম কলেজ ছিল লন্ডনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রথম প্রতিষ্ঠান।

⇒ বাজারে প্রচলিত একাধিক খাদ বিশিষ্ট ধাতব মুদ্রার ব্যাপারে ভোক্তা আচরণের পূর্বাভাস হচ্ছে গ্র্যাশামের সূত্রের মূল কথা।
- গ্র্যাশামের সময় ইংল্যান্ডের বাজারে দু’ধরনের মুদ্রা ছিল।
- একটি ছিল আসল ধাতব মুদ্রা যার কোনো খাদ ছিল না, আরেকটি ছিল খাদ বিশিষ্ট মুদ্রা যা পরবর্তীকালে মুদ্রার উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সরকার প্রচলন করেছিলেন।
- সরকারিভাবে উভয় মুদ্রাকে একই মূল্যমানের বলে গণ্য করা হয়।
- ফলে বিশুদ্ধ ধাতু দিয়ে তৈরি আসল মুদ্রাকে মানুষ তথা ভোক্তা জনগণ ভালো মুদ্রা (Good Money) এবং খাদ বিশিষ্ট মুদ্রাকে খারাপ মুদ্রা (Bad Money) হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।
- এর কারণ ভালো মুদ্রা খাদমুক্ত তথা মৌলিক ধাতু দিয়ে তৈরি এবং খারাপ মুদ্রা ছিল খাদযুক্ত ধাতুর তৈরি।
- মানুষ আসল ধাতুর তৈরি টাকা বা মুদ্রা মওজুত করতে শুরু করেছে।
- এতে করে ভালো মুদ্রা বাজার থেকে উঠে গেছে এবং খারাপ বা খাদযুক্ত মুদ্রায় বাজার ভর্তি হয়ে গেছে।
- এটাকেই বলা হয় Bad Money drives Good Money out of circulation, খারাপ মুদ্রা ভালো মুদ্রাকে বাজারছাড়া করে এবং এটাই গ্র্যাশামের সূত্র নামে খ্যাতি অর্জন করে।

উৎস: Britannica.
৮৬.
'ওয়েলথ অব ন্যাশনস'-এর রচয়িতা -
  1. জন মেনিয়ার্ড কেইনস
  2. আলফ্রেড মার্শাল
  3. অ্যাডাম স্মিথ
  4. ডেভিড রিকার্ডো
সঠিক উত্তর:
অ্যাডাম স্মিথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:
- অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন।
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations'.
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

অপরদিকে,
- অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÖPrinciple of Economics |
- তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৮৭.
দুর্ভিক্ষ বিষয়ে মৌলিক অবদানের জন্য খ্যাতিমান-
  1. রেহমান সোবহান
  2. অমর্ত্য সেন
  3. লর্ড দেশাই
  4. জগদীশ ভগবতী
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

উৎস: Britannica.
৮৮.
খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি গাণিতিক হারে হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় জ্যামিতিক অনুপাতে- বলেছেন কে?
  1. চার্লস ডারউইন
  2. জগদীশচন্দ্র বসু
  3. টমাস ম্যালথাস
  4. ড্যানিয়েল কোল্ডওয়েল
সঠিক উত্তর:
টমাস ম্যালথাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস ম্যালথাস
ব্যাখ্যা
ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব:
- ম্যালথাস (১৭৬৬-১৮৩৪) ছিলেন ইংল্যান্ডের একজন অর্থনীতিবিদ এবং ধর্মযাজক।
- তিনি সর্বপ্রথম জনসংখ্যা সম্পর্কে একটি তত্ত্ব প্রকাশ করেন যেখানে জনসংখ্যা বিষয়ে তাঁর মতবাদ প্রকাশিত হয়।
- এরপর তাঁর মতবাদটিতে তিনি মোট ছয়বার পরিবর্তন এনে প্রকাশ করেন।
- তাঁর তত্ত্বের সর্বশেষ পরিমার্জিত সংস্করণ বের হয় তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৭২ সালে।
- ম্যালথাস তাঁর তত্ত্বের জন্য ধর্মতাত্ত্বিক ও মার্কসবাদীদের দ্বারা ঘৃণিত হন।
- তবে জনসংখ্যা সম্পর্কে তাঁর মতবাদ অদ্যাবধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ম্যালথাস বলেন, খাদ্যের উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা দ্রুততর হারে বৃদ্ধি পায়।
- তার মতে খাদ্য বৃদ্ধি পায় গাণিতিক হারে (Arithmetic rate) এবং নিয়ন্ত্রণ করা না হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় জ্যামিতিক হারে (Geometric rate)।

⇒ কোন একটি নির্দিষ্ট সময় মেয়াদে জনসংখ্যা কিভাবে বাড়ে এবং এই বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিভাবে প্রভাবিত করে তাই ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের মূল বিষয়বস্তু।
- এ তত্ত্বে দেশের খাদ্য যোগানের পরিপ্রেক্ষিতে জনসংখ্যার সমস্যাটি আলোচিত হয়েছে বলে দেশে খাদ্য ঘাটতির পরিস্থিতি হল জনাধিক্যের প্রধান লক্ষণ।
- সর্বোপরি এ তত্ত্বের মধ্য দিয়ে আমরা ম্যালথাসকে একজন হতাশবাদী হিসেবে দেখতে পাই।
- কারণ তাঁর তাছে অধিক জনসংখ্যা মাত্রই মানবজাতির জন্য একদিকে ত্রাস এবং নৈরাশ্য সৃষ্টি করে।
- কিন্তু তারপরও বর্তমানে বিশ্বে দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছুটা হলেও অনেকেই ম্যালথাসের তত্ত্বটি বিশ্বাস করছেন।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৮৯.
মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে -
  1. কর্মসংস্থান
  2. জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি
  3. দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা
  4. সুদের হার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
ব্যাখ্যা
আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
৯০.
ক্যাপিটাল : আউটপুট রেশিও যদি ১ : ৩.৫ হয়, তাহলে শতকরা পাঁচভাগ জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে জিডিপির কত শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে?
  1. ১৫.৫
  2. ১৬.৫
  3. ১৭.৫
  4. ১৮.৫
সঠিক উত্তর:
১৭.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.৫
ব্যাখ্যা
হারগ্রোড-ডোমার মডেল ব্যবহার করে:
g = s/v
[g = বৃদ্ধির হার, s = সঞ্চয়/বিনিয়োগের হার, v = ক্যাপিটাল-আউটপুট রেশিও]

এখানে,
g = 5% = 0.05 এবং
v = 1/3.5

প্রশ্নমতে,
0.05 = s /(1/3.5)
⇒ 0.05 = 3.5s
⇒ s = 0.05 × 3.5
⇒ s = 0.175
∴ s = 0.175 × 100 = 17.5% [শতকরায় প্রকাশ]
৯১.
বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মার্কিন ডলারে (আনুমানিক) - [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ২২৫০
  2. ২৭৮৪
  3. ২২৭০
  4. ২৮২০
সঠিক উত্তর:
২৭৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৮৪
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯২.
বাংলাদেশে জিডিপিতে কৃষির অবদান (শতকরা হারে) - [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ৩০
  2. ৩৫
  3. ১৮.০২
  4. ১১.০২
সঠিক উত্তর:
১১.০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.০২
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

খাতভিত্তিক GDP:

- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇒ সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার -
  1. ৪.৮%
  2. ৫.০%
  3. ৫.৮২%
  4. ৫.৪%
সঠিক উত্তর:
৫.৮২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৮২%
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে [অক্টোবর, ২০২৪] কোন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন -
  1. ৪র্থ
  2. ৮ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- অর্থবছর ২০২৫ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- অর্থবছর ২০২৫ মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৯৫.
UNESCO বলতে জাতিসংঘের যে সংস্থাটিকে বোঝানো হয় তা-
  1. শিক্ষা বিষয়ক
  2. বিজ্ঞান বিষয়ক
  3. সংস্কৃতি বিষয়ক
  4. উপরিউক্ত সকল বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সকল বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সকল বিষয়ক
ব্যাখ্যা
UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
৯৬.
১৯৩১ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালান কোনটি ছিল?
  1. সিয়ারস টাওয়ার
  2. ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার
  3. এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিয়ারস টাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়ারস টাওয়ার
ব্যাখ্যা
উঁচু দালান:
- ১৯৩১ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালান ছিল সিয়ারস টাওয়ার।
- ১৯৩১-৭১ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালান ছিল এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং।
- ১৯৭১-৭৩ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালান ছিল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার।

উল্লেখ্য,
⇒ বুর্জ খলিফা:
- বুর্জ খলিফা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অবস্থিত।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। 
- ১৬৩ তলাবিশিষ্ট এই ভবনের উচ্চতা ২,৭১৬.৫ ফুট বা ৮২৮ মিটার।
- এই বহুতল ভবনের নামকরণ করা হয়েছে আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের নামে।
- প্রথমে এর নাম ছিল বুর্জ দুবাই।
- পরে প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা হয়।
- ২০০৪ সালে বুর্জ খলিফা তৈরির কাজ শুরু হয়।
- ২০০৯ সালে বুর্জ খলিফার নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
- ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: Britannica.
৯৭.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন -
  1. প্রফেসর ইন্নাস আলী
  2. ড. কুদরত-এ-খুদা
  3. প্রফেসর এম. এইচ. খন্দকার
  4. ড. এম. এ. গনী
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-এ-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-এ-খুদা
ব্যাখ্যা
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ যে এলাকায় অবস্থিত তাকে বলা হয় -
  1. শহীদুল্লাহ হল
  2. এস. এম. হল
  3. কার্জন হল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কার্জন হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্জন হল
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিজ্ঞান অনুষদ এর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রথমে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত এই তিনটি বিভাগ নিয়ে এই অনুষদ যাত্রা শুরু করে।
- বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে কয়েকটি কেন্দ্র আছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ যে এলাকায় অবস্থিত তাকে বলা হয় কার্জন হল।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯৯.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] ভাইস চ্যান্সেলর একজন -
  1. পদার্থ বিজ্ঞানী
  2. রসায়নবিদ
  3. ফার্মেসি বিজ্ঞানী
  4. লোক প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
লোক প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোক প্রশাসক
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
- নিয়াজ আহমেদ খান একজন শিক্ষাবিদ, লোক প্রশাসক ও অধ্যাপক।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান উপাচার্য।
- এ পদে নিয়োগ লাভের আগে তিনি ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সভাপতি এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০০.
বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টি কোন শহরে অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- স্থলজ ও জলজ উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখাই এর কার্যক্রমভুক্ত।
- ‘পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৬১’-এর প্রেক্ষিতে ১৯৫৯ সালে জাতীয় শিক্ষা কমিশন এবং খাদ্য ও কৃষি কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্থাপিত হয়: ১৮ আগস্ট ১৯৬১ সালে।
- ১৯৬১-১৯৬২ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এটি স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য,
- ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ (চার) কিলোমিটার দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।
- যাত্রা শুরুকালে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিধি ছিল ছোট।
- ভেটেরিনারি ও কৃষি -এ দু’টি অনুষদ এবং এর অর্ন্তভূক্ত বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, সময়ের প্রয়োজনেই এর অনুষদ ও বিভাগের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
- বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদ এবং এই ৬ টি অনুষদের অর্ন্তভূক্ত ৪৪টি বিভাগ রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।