পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৬ মানবদেহ (রেচনতন্ত্র, পৌষ্টিকতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র, মানব দেহে রোগের কারণ ও প্রতিকার, HIV, TV, পোলিও, করোনা ইত্যাদি, রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ, সংক্রামক রোগ। [ক্লাস ২৩]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
মানুষের মুখবিবরে কোন খাদ্য উপাদানটির পরিপাক ঘটে?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) স্নেহপদার্থ
  3. গ) প্রোটিন
  4. ঘ) শর্করা
ব্যাখ্যা
পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা:
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে।
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
- মূলত তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে:
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ।
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ।
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরিপক্ক ডিম্বাণুর অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) নিউক্লিয়াস
  2. খ) ডিম্বাণু ঝিল্লী
  3. গ) গ্রীবা
  4. ঘ) সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা
মানুষের ডিম্বাণুর গঠন:
- গ্রীবা পরিপক্ক ডিম্বাণুর অংশ নয়।
- স্ত্রী জননকোষের নাম ডিম্বাণু। এটি মোটামুটি গোলাকার এবং ১২০-১৫০ মাইক্রন ব্যাসবিশিষ্ট ।
- ডিম্বাশয়ের গ্রাফিয়ান ফলিকলের উওসাইট (oocyte) বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে পরিপক্ক ডিম্বাণুতে পরিণত হয়।
- প্রতিটি পরিপক্ক ডিম্বাণুকে তিনটি অংশে ভাগ করা যায়। যথা-
(ক) ডিম্বাণু ঝিল্লী।
(খ) নিউক্লিয়াস।
(গ) সাইটোপ্লাজম।

• ডিম্বাণু ঝিল্লি:
- লিপোপ্রোটিন সমৃদ্ধ প্লাজমা মেমব্রেন দ্বারা ডিম্বাণু আবৃত থাকে।
- প্লাজমা মেমব্রেনের বাইরে জোনা পেলুসিডা নামক একটি প্রাইমারি আবরণ বিদ্যমান।

• সাইটোপ্লাজম:
- ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম উত্তপ্লাজম নামে পরিচিত।
- এতে প্রচুর গলগি বড়ি, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ও কর্টিক্যাল গ্রানিউল থাকে।

• নিউক্লিয়াস:
- ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস বেশ বড়, তবে কেন্দ্র থেকে একটু সরে অবস্থান করে।
- নিষেকের সময় নিউক্লিয়াসটি কেন্দ্রে আসে।
- এতে হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক (n) ক্রোমোসোম থাকে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বৃহদন্ত্র কতটি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১) সিকাম।
২) কোলন।
৩) মলাশয়।

সিকাম:
- সিকাম বৃহদন্ত্রের প্রথম, বড় স্ফীত ও গোলাকার থলের মতো অংশ।
- লম্বায় ৬ সে. মি. এবং চওড়ায় ৭.৫ সে.মি.।
- সিকাম থেকে একটি ক্ষুদ্র আঙ্গুল ও বন্ধ থলের ন্যায় প্রসারিত অংশকে অ্যাপেনডিক্স বলা হয়।

কোলন:
- সিকামের পরবর্তী মোটা নলাকার অংশের নাম কোলন।
- এটি ৪টি অংশে বিভক্ত।
- কোলন প্রায় ১৫০-১৯০ সে.মি. লম্বা।

মলাশয়:
- বৃহদন্ত্রের শেষ প্রান্ত শ্রোণিদেশে অবস্থিত প্রশস্ত অংশটিকে মলাশয় বলে।
- এটি প্রায় ৫ সে.মি. লম্বা।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানুষের প্রতিটি বৃক্কে নেফ্রনের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২-৪ লাখ
  2. খ) ৬-৮ লাখ
  3. গ) ১০-১২ লাখ
  4. ঘ) ১২-১৪ লাখ
ব্যাখ্যা
মানুষের বৃক্ক:

- বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক এককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
.
এইডসের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
  2. এটি যক্ষ্ম এবং কিছু ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়া সহজ করে তোলে।
  3. এটি চুম্বন ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়।
  4. এইচআইভি অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
এইডস:
- এইচআইভি নামক ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
- এইচআইভি এর পূর্ণরূপ হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস।
- এ ভাইরাস মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়।
- এটি যক্ষ্মা, সংক্রমণ এবং কিছু ক্যান্সারের মতো রোগে অসুস্থ হওয়া সহজ করে তোলে।
- রক্ত, বুকের দুধ, বীর্য এবং যোনিপথের তরল সহ সংক্রামিত ব্যক্তির শরীরের তরল থেকে এইচআইভি ছড়ায়।
- এটি চুম্বন, আলিঙ্গন বা খাবার ভাগ করে ছড়ায় না।
- এটি একজন মা থেকে তার শিশুর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- এইচআইভি অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) দিয়ে চিকিত্সা এবং প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

এইচআইভির লক্ষণ:
- ১০ দিনের বেশি সময় ধরে জ্বর।
- দীর্ঘমেয়াদে ডায়রিয়া।
- মুখে বা জরায়ুমুখে ছত্রাকের সংক্রমণ (মুখে বা জিহ্বায় পুরু, সাদাটে স্তর কিংবা জরায়ুমুখ থেকে সাদাটে তরল নিঃসরণ এবং জরায়ুমুখে চুলকানি)।
- মুখ, গলা, যৌনাঙ্গ বা মলদ্বারে ঘা।
- কোনো কারণ ছাড়াই ওজন হ্রাস।
- ঘাড় বা কুঁচকিতে গোটা গোটা, ফোলা।
- কোনো কারণ ছাড়াই শরীরের কোনো স্থান থেকে রক্তক্ষরণ।
- অকারণে সব সময় অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ।

তথ্যসূত্র - WHO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ ডিসেম্বর ২০২২।
.
স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) ডিম্বনালি
  2. খ) জরায়ু
  3. গ) ডিম্বাশয়
  4. ঘ) যোনি
ব্যাখ্যা
স্ত্রী প্রজননতন্ত্র:
- ডিম্বাশয় স্ত্রী জননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ।
- স্ত্রীদেহে যে তন্ত্রের সাহায্যে ডিম্বাণু উৎপাদন পুরুষ দেহ থেকে আগত শুক্রাণু দ্বারা ডিম্বাণুর নিষেক, জাইগোট ও ভ্রুণ বিকাশ সম্পন্ন হয় তাকে স্ত্রী প্রজননতন্ত্র বলে।
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্রে নিম্নলিখিত অংশগুলো থাকে-
১। ডিম্বাশয়। 
২। ডিম্বনালি।
৩। জরায়ু।
৪। যোনি।

স্ত্রী সেক্স হরমোনের প্রভাব-
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের ডিম্বাশয় থেকে প্রধানতঃ দু'ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। যথা-
• ইস্ট্রোজেন (Oestrogen)।
• প্রোজেস্টেরন (Progesterone)।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সর্বপ্রথম পোলিওমাইলিটিস কে আবিষ্কার করেন?
  1. সার্জন জ্যাকব হেইন
  2. সার্জন রজার পাওয়েল
  3. সার্জন হেইরী কেইন
  4. সার্জন জ্যাকলিন হ্যারিস
ব্যাখ্যা
পোলিও:

- পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ।
- এই রোগের পুরো নাম পোলিওমাইলাইটিস।
- ১৮৪০ সালে জার্মান অর্থোপেডিক সার্জন জ্যাকব হেইন সর্বপ্রথম পোলিওমাইলিটিস আবিষ্কার করেন।
- মানুষ হচ্ছে পোলিও ভাইরাসের একমাত্র প্রাকৃতিক পোষক।
- পোলিও ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে অন্য সুস্থ ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে।
- ভাইরাসটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং মাংসপেশিকে নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুকোষকে আক্রান্ত করে। এর ফলে ব্যক্তির শরীর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়।
- আক্রান্ত স্থানটি সাধারণত পায়ে হয়ে থাকে।
- পোলিও শিশুদেরই অধিক আক্রান্ত করে, তাই এটি অপরিপক্ব পক্ষাঘাত নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৯ জুন, ২০২২।
.
গ্যামেটোজেনেসিস কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
গ্যামিটোজেনেসিস বা গ্যামিট সৃষ্টি (Gametogenesis):

- যৌন জননক্ষম মানুষের জননকোষ বা গ্যামিট সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্যামেটোজেনেসিস বলে।
- গ্রিক gamos জননকোষ এবং genesis-উৎপত্তি হওয়া এর সমন্বয়ে gametogenesis শব্দটি গঠিত।
- যৌন জননক্ষম পরিণত পুরুষের শুক্রাশয় এবং স্ত্রীর ডিম্বাশয়ের জার্মিনাল এপিথেলিয়াম কোষ থেকে গ্যামেটোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় যথাক্রমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
- গ্যামেটোজেনেসিস দু'প্রকার। যথা-
১) স্পার্মাটোজেনেসিস। 
২) উওজেনেসিস।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাশিয়ার তৈরী করোনা টিকা নিচের কোনটি?
  1. স্পুটনিক টু
  2. স্পুটনিক থ্রী
  3. স্পুটনিক ফোর
  4. স্পুটনিক ফাইভ
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
১০.
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কত?
  1. ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg)
  2. ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)
  3. ৮০-১২০ মিলিমিটার (mm Hg)
  4. ১০০-১৫০ মিলিমিটার (mm Hg)
ব্যাখ্যা
রক্তচাপ:

- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত ধর্মনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধর্মনিপ্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, সেটাকে রক্তচাপ বলে।
- নিলয়ের সিস্টোল অবস্থায় ধর্মনিতে যে চাপ থাকে, তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ এবং ডায়াস্টোল অবস্থায় যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলে।
- স্বাভাবিক এবং সুস্থ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg) এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)।
- মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপকে ১২০/৮০ (mm Hg) এভাবে প্রকাশ করা হয়।
- স্ফিগমোম্যানোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বৃক্কের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) রক্ত থেকে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য অপসারণ করা।
  2. খ) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
  3. গ) রক্ত উৎপাদন করা।
  4. ঘ) দেহের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
ব্যাখ্যা
বৃক্কের কাজ:

- রক্ত উৎপাদন করা বৃক্কের কাজ নয়।
- রক্ত থেকে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য অপসারণ করা।
- রক্তে অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
- রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
- দেহে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।
- দেহের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. প্লেগ
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. পীতজ্বর
  4. জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা


তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
মানবদেহে মূত্র তৈরির পদ্ধতি কতটি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহে মূত্র তৈরির পদ্ধতি:
- মানবদেহের বৃক্কে তিনটি পদ্ধতিতে মূত্র তৈরি হয়। যথা-
১) অতিসূক্ষ্ম পরিস্রাবন (ultrafiltration).
২) নির্বাচিত পুনঃশোষণ (Selective reabsorption).
৩) নালিকা কর্তৃক ক্ষরণ (Tubular secretion).

• অতিসূক্ষ্ম পরিস্রাবন:
- নেফ্রনের গ্লোমেরুলাস আল্ট্রাফিল্টার বা অতিসূক্ষ্ম পরিস্রাবন যন্ত্র হিসেবে কাজ করে।
- এ অংশে যে পরিস্রাবন কৌশল সংঘটিত হয় তা সাধারণ পরিস্রাবন থেকে আলাদা। এক্ষেত্রে পরিস্রাবন প্রক্রিয়াটি চাপ প্রয়োগের ফলে সম্পন্ন হয় বলে একে আল্ট্রাফিলট্রেশন বলে।

• নির্বাচিত পুনঃশোষণ:
- নিকটবর্তী প্যাচানো নালিকা দিয়ে পরিসুত তরল থেকে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় নানা উপাদান যেমন- গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফেট, ভিটামিন ইত্যাদি সক্রিয় পদ্ধতিতে পুনঃশোষিত হয়।

• নালিকা কর্তৃক ক্ষরণ:
- বিপাকে সৃষ্ট কিছু অপ্রয়োজনীয় উপজাত পদার্থ, যথা- ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, সেরোটোনিন ইত্যাদি নিকটবর্তী প্যাচানো নালিকার চারপাশে রক্তজালক থেকে সক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে গ্লোমেরুলার পরিস্রুতের সাথে যুক্ত হয় এবং মূত্রের সাথে অপসারিত হয়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি স্নায়বিক রোগ?
  1. এনজাইনা
  2. মায়োকার্ডাইটিস
  3. অ্যাজমা
  4. স্ট্রোক
ব্যাখ্যা
স্ট্রোক:
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়।
- স্ট্রোক একটি স্নায়বিক রোগ।

• স্ট্রোকের কারণ:
- সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্ত চাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ হতে পারে।
- অনেক সময় অত্যধিক স্নায়ুবিক চাপ, যেমন- উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
- নির্গত রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে, রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বরে ও মাথার খুলিতে ঢুকে গেলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

• লক্ষণ:
- প্রচন্ড মাথা ব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারিয়ে যাওয়া, মাংস পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া, শ্বসন ও নাড়ির স্পন্দন কমে যাওয়া, মুখমন্ডল লালবর্ণ ধারণ করা ইত্যাদি।

• প্রতিরোধের উপায়:
- ধূমপান চিরতরে পরিহার করা।
- উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, সুষম খাবার, পরিমিত ঘুম এবং ব্যায়াম করা।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।