পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes৩২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: শওকত আলী, শওকত ওসমান, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: শহীদ কাদরী, শহীদুল্লা কায়সার, শামসুজ্জামান খান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন সেন, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সমর সেন, সরদার জয়েন উদ্দিন, সানাউল হক, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - তথ্য-প্রযুক্তি ১. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ২. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৩. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৪. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৫. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ৬. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ৭. রোবটিক্স, ৮. ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। ------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
'সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন কোন সাহিত্যিক?
  1. সত্যেন সেন
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. শামসুর রাহামান
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একজন কথাশিল্পী। ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভকরেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাতটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এগুলো হলো:
- অনিলা দেবী;
- অপরাজিতা দেবী;
- শ্রী চট্টোপাধ্যায়;
- অনুরূপা দেবী;
- পরশুরাম;
- শ্রীকান্ত শর্মা ও
- সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

অন্যদিকে,
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ব্যবহৃত কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।
• শামসুর রাহমান বিভিন্ন পত্রিকায় সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লিখতে গিয়ে নানা ছদ্মনাম নিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে: সিন্দবাদ, চক্ষুষ্মান, লিপিকার, নেপথ্যে, মৈনাক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'স্মৃতির শহর' আত্মস্মৃতি গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. শওকত ওসমান
  2. শামসুর রাহমান
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. শহীদুল্লা কায়সার
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
'স্মৃতির শহর' আত্মস্মৃতি:
• শামসুর রাহমানের শৈশব-কৈশোরে বেড়ে উঠার আনন্দ বেদনার স্মৃতিনিয়ে রচিত গদ্য 'স্মৃতির শহর'।

• কবি শামসুর রাহমান জন্মেছিলেন ঢাকা শহরে (জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯২৯)। ঢাকা তখন ছিল ফাঁকা ফাঁকা। মানুষের এমন দমবন্ধ অবস্থার কথা তখন কল্পনাও করা যেত না।

এত দালানকোঠা আর পিঁপড়ের সারির মতো গাড়ি ছিল না। ছিল পাড়ায় পাড়ায় আস্তাবল, ঘোড়ার গাড়ি, গাড়োয়ান, বাতিওয়ালা, ভিস্তিওয়ালা, ফেরিওয়ালা। গলির ভেতরে ছোটবড় বাড়িতে ছিল মানুষের বাস। স্কুল ছিল, মসজিদ-মন্দির ছিল, আর ছিল পালা-পার্বণে নানা আনন্দ-উৎসব। এসবের ভেতর দিয়ে শৈশব-কৈশোরে বেড়ে উঠেছেন কবি। সেই সব দিনের আনন্দ-বেদনার স্মৃতিকথা লিখেছেন এই গদ্যে।

----------------
শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক,
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

তাঁর রচিত আত্মস্মৃতি:
- কালের ধুলোয় লেখা,
- স্মৃতির শহর।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; 'স্মৃতির শহর' আত্মস্মৃতি শামসুর রাহমান এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে কোন পত্রিকাটির আত্মপ্রকাশ ঘটে?
  1. পরিচয়
  2. সাধনা
  3. কল্লোল
  4. পূর্বাশা
সঠিক উত্তর:
পরিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয়
ব্যাখ্যা
'পরিচয়' পত্রিকা:
• বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতার আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
• 'পরিচয়' পত্রিকাটি ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক হিসেবে সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।
• ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
• 'কল্লোল' পত্রিকা বন্ধ হওয়ার পর বিষ্ণু দে-ও এই পত্রিকায় যোগ দেন। এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে একযুগ এখানে সংযুক্ত ছিলেন।

অন্যদিকে, 
- 'সাধনা' পত্রিকাটি ১৮৯১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশ ঘটে।
- কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - সঞ্জয় ভট্টাচার্য। এটি কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা। এর প্রকাশকাল ছিল ১৯৩২ সাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
.
শওকত আলী তাঁর রচিত কোন গ্রন্থটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে উৎসর্গ করেছিলেন?
  1. পিঙ্গল আকাশ
  2. ওয়ারিশ
  3. পূর্বরাত্রি পূর্বদিন
  4. প্রদোষে প্রাকৃতজন
সঠিক উত্তর:
পূর্বরাত্রি পূর্বদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বরাত্রি পূর্বদিন
ব্যাখ্যা
• 'দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত ও পূর্বরাত্রি পূর্বদিন' ত্রয়ী উপন্যাস:
- দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত ও পূর্বরাত্রি পূর্বদিন গ্রন্থ তিনটি শওকত আলীর 'ত্রয়ী উপন্যাস' বলে স্বীকৃত।

- উপন্যাস তিনটিই বিশ শতকের সত্তর দশকের শেষদিকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বিচিত্রার পর পর কয়েক বছরের (১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৭৮) ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় আরো অনেক পরে।

- ঢাকার এশিয়া পাবলিকেশন্স থেকে যে শওকত আলীর উপন্যাস শিরোনামে তিনটি খণ্ড (২০০০, ২০০১, ২০০৭ সালে) প্রকাশিত হয়েছে, তাতে রচনাকালের দিক বিবেচনায়ও এই তিন উপন্যাস সেখানে স্থান পায়নি। আবার তিনটি উপন্যাসই শুধু দক্ষিণায়নের দিন শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে ঢাকার প্রকাশনা সংস্থা বিদ্যাপ্রকাশ থেকে ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে।

- এই ত্রয়ী উপন্যাসের মধ্যে আলাদা করে শুধু "পূর্বরাত্রি পূর্বদিন" প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল মুক্তধারা (ঢাকা) থেকে ১৯৮৬ সালে। লেখক গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছিলেন কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে। উৎসর্গপত্রে শওকত আলী লিখেন, 'প্রিয় লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আপনাকে'।

------------------
• শওকত আলী রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- কুলায় কালস্রোত,
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- ওয়ারিশ,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উত্তরের খেপ,
- বসত,
- হিসাবনিকাশ,
- দলিল,
- উত্তরের ছাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'দক্ষিণায়নের দিন' উপন্যাসের ভূমিকা এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদক ছিলেন কোন কবি?
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. সোমেন চন্দ
  3. সানাউল হক
  4. সমর সেন
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
ব্যাখ্যা
• সমর সেন:
- সমর সেন ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক।  তিনি ১৯১৬ সালের ১০ অক্টোবর কলকাতার বাগবাজারে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রথিতযশা গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর পিতামহ।

- সমর সেনকে আধুনিক যুগের নাগরিক কবি বলা হয়। তিনি রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদকও ছিলেন।
- 'Frontier' (ফ্রন্টিয়ার) ও 'নাও' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- 'আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট'- এভাবেই তিনি মার্কসবাদের প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ ঘোষণা করেন।
- তাঁর কবিতায় নগর জীবনের ক্লেদ ও গ্লানি, মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট, সংশয়, নীতিহীনতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা এবং সংগ্রামী গণচেতনা বলিষ্ঠভাবে রূপায়িত হয়েছে।

---------------
• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- কয়েকটি কবিতা,
- গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা,
- নানাকথা,
- খোলাচিঠি,
- তিন পুরুষ,
- সমর সেনের কবিতা।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বাবু বৃত্তান্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
সরদার জয়েনউদ্দীন রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. অনেক সূর্যের আশা
  2. আদিগন্ত
  3. নয়ন ঢুলি
  4. বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ
সঠিক উত্তর:
নয়ন ঢুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়ন ঢুলি
ব্যাখ্যা
• সরদার জয়েনউদ্দীন:
- সরদার জয়েনউদ্দীন মূলত কথাসাহিত্যিক ছিলেন। ১৯১৮ সালে পাবনা জেলার কামারহাটি গ্রামের এক কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম।
- প্রকৃত নাম মুহম্মদ জয়েনউদ্দীন বিশ্বাস।
- তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ 'নয়ন ঢুলি' প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে এবং এর মাধ্যমেই তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- সরদার জয়েনউদ্দীনের রচনায় গণমানুষের কল্যাণ ও মুক্তিচিন্তার পাশাপাশি সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিবিষয়ক ঘটনাবলিও প্রাধান্য পেয়েছে।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭) এবং কথাসাহিত্যে আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আদিগন্ত,
- অনেক সূর্যের আশা,
- নীল রং রক্ত,
- বেগম শেফালী মির্জা,
- বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'অনেক সূর্যের আশা' উপন্যাস ও বাংলাপিডিয়া।
.
'সৈনিক বধূ' সুফিয়া কামাল রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্প
  4. দিনলিপি
সঠিক উত্তর:
গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্প
ব্যাখ্যা
• সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'সৈনিক বধূ'। রচনা হয় ১৯২৩ সালে। গ্রন্থটি বরিশালের 'তরুণ' পত্রিকায় প্রকাশ পায়।

• তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

• শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল,
- নওল কিশোরের দরবারে।

• ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী।
• আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সেলিম আল দীন রচিত নাটক-
  1. রূপার কৌটা
  2. মুনতাসীর ফ্যান্টাসি
  3. মুখরা রমণী বশীকরণ
  4. নবান্ন
সঠিক উত্তর:
মুনতাসীর ফ্যান্টাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনতাসীর ফ্যান্টাসি
ব্যাখ্যা
• 'মুনতাসীর ফ্যান্টাসি' নাটক:
- 'মুনতাসীর ফ্যান্টাসি' নাটকটির রচয়িতা বাংলাদেশের অন্যতম নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- প্রথমেই বলা দরকার রচনাকালে নাটকের নাম 'মুনতাসীর ফ্যান্টাসি' থাকলেও কয়েক বছর পর নাট্যকার এর নাম থেকে 'ফ্যান্টাসি' শব্দটি বাদ দেন।
- স্বৈরশাসনকে ব্যাঙ্গ করে সেলিম আল দীন রচনা করেন 'মুনতাসীর ফ্যান্টাসি' নাটকটি। এই নাটকে বিশ শতকের আশির দশকের স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশের কিছুই যে রক্ষিত হচ্ছিল না, সেই চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• মুনীর চৌধরী  রচিত অনুবাদ নাটক:
- রূপার কৌটা,
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

• বিজন ভট্টাচার্য রচিত 'নবান্ন' একটি নাটক। 'নবান্ন' নাটকের বিষয়বস্তু পঞ্চাশের মন্বন্তর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বন্দর থেকে বন্দরে' ভ্রমণ-কাহিনিমূলক গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. শহীদুল্লা কায়সার
  2. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. সানাউল হক
সঠিক উত্তর:
সানাউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সানাউল হক
ব্যাখ্যা
'বন্দর থেকে বন্দরে':
• 'বন্দর থেকে বন্দরে' সানাউল হক রচিত রম্যরচনা (ভ্রমণমূলক)।
• তাঁর 'বন্দর থেকে বন্দরে' (১৯৬৪) নামক অস্ট্রেলিয়ান ভ্রমণ-কাহিনিটি বেশ খ্যাতি লাভ করেছে।

---------------
• সানাউল হক:
- সানাউল হক ছিলেন কবি, অনুবাদক, সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯২৪ সালের ২৩ মে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার চাউরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- সানাউল হকের প্রকৃত নাম আল মামুন সানাউল হক।

- সানাউল হকের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় পারিবারিক আবহে। তাঁর মামা মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩-১৯৫৬) ছিলেন কবি ও লেখক। তাঁর সান্নিধ্য ও উৎসাহে সানাউল হক সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত হন।

- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর চিন্তাভাবনা সানাউল হকের সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করে। এর প্রতিফলন লক্ষ করা যায় সানাউল হকের কবিতায়, ভ্রমণবৃত্তান্তে, অনুবাদে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে। তাঁর কবিতায় প্রেমানুভূতি ও মানবতাবোধ ধ্বণিত হয়েছে।

- সাহিত্যে অবদানের জন্য সানাউল হক বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ইউনেস্কো পুরস্কার, লেখক সঙ্ঘ পুরস্কার, একুশে পদক, অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার লাভকরেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- নদী ও মানুষের কবিতা,
- সম্ভবা অনন্য,
- সূর্য অন্যতর,
- বিচূর্ণ আর্শিতে,
- পদ্মিনী শঙ্খিনী,
- উত্তীর্ণ পঞ্চাশ।

তাঁর রচিত রম্যরচনা:
- বন্দর থেকে বন্দরে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া
১০.
শহীদুল্লা কায়সারের স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাজবন্দীর রোজনামচা
  2. পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ
  3. দিগন্তে ফুলের আগুন
  4. সংশপ্তক
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দীর রোজনামচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দীর রোজনামচা
ব্যাখ্যা
রাজবন্দীর রোজনামচা:
• শহীদুল্লা কায়সারের আট বছরের কারাজীবনের আশা, আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ, বেদনায় নিয়ে রচিত স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থ 'রাজবন্দীর রোজনামচা'।গ্রন্থটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
• গ্রন্থের শুরুতে তিনি লিখেছেন- আট বছরের কারাজীবনে আশা আকাঙ্ক্ষা দুঃখ বেদনায় যারা ছিল নিত্যদিনের সাথী তাদের হাতে তুলে দিলাম বন্দী-জীবনের রোজনামচা।

• প্রথম সংস্করণের ভূমিকা:
অনুজ জহির রায়হান ডায়রি লেখার ফরমাশ জানিয়ে একখানা খাতা পাঠিয়েছিল জেলখানায়। সুদৃশ্য মলাট আর রঙিন কাগজ দেখে রীতিমতো যত্ন করেই খাতাটাকে তুলে রেখেছিলাম বেশ কিছুদিন। মাঝে মাঝে হাত বুলিয়ে মলাটের মসৃণতাটা অনুভব করেছি আর হয়ত টুকে রেখেছি দুচারটি টুকরো কথা, এঁকে রেখেছি- এক আধটি ছবির রেখা। রাজবন্দীর রোজনামচার এটাই হল উৎপত্তি।
কিন্তু এই উৎপত্তি থেকে রোজনামচা কখনো ছাপার অক্ষরে পরিণত রূপে আত্ম-প্রকাশ করতে পারত না, যদি না থাকতো কারাগারের সাথী সন্তোষ গুপ্তের অক্লান্ত শ্রম এবং বন্ধুসুলভ নিষ্ঠা। কাগজ সংগ্রহে সাহায্য করেছেন সিদু ভাই। এদের দুজনের কাছেই আমি ঋণী।
আর একজন, এ পুস্তক প্রকাশে আমার মতোই আশা উৎকণ্ঠা উদ্বেগের যার অন্ত ছিল না, আমার কৃতজ্ঞতা তার অনভিপ্রেত। তাই নামটাও তার অনুক্ত থাকল।

--------------
• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

• স্মৃতিকথা:
- রাজবন্দীর রোজনামচা।

• ভ্রমণবৃত্তান্ত:
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কোন লেখক?
  1. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সাংবাদিক, লেখক, পণ্ডিত।
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৪ সালের ২৭শে জুন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি 'Bengal Ryots: Thier Rights and Liabilities' নামের গ্রন্থ লিখে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ১২৮৪ থেকে ১২৮৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত। আর তিনি সম্পাদনা করেন 'ভ্রমর' নামের মাসিক পত্রিকা।

• তাঁর রচিত উপন্যাসগ্রন্থ:
- কণ্ঠমালা,
- মাধবীলতা,
- জলপ্রতাপ চাঁদ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- রামেশ্বরের অদৃষ্ট।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যাত্রা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
'আবোল তাবোল' কবিতার বইটি কার রচনা?
  1. সুকুমার রায়
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ফররুখ আহমদ 
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

এছাড়া তার অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে-
- অবাক জলপান,
- লক্ষণের শক্তিশেল',
- হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরী,
- ঝালাপালা ও অন্যান্য নাটক এবং
- বহুরূপী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'হ-য-ব-র-ল' গ্রন্থের ভূমিকা।
১৩.
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের উপাধি ছিল-
  1. কবিরত্ন
  2. ছন্দোরাজ
  3. কলমগীর
  4. ত্রিবিক্রম বর্মণ
সঠিক উত্তর:
ছন্দোরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছন্দোরাজ
ব্যাখ্যা
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি ও ছান্দসিক। কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি 'ছন্দের জাদুকর' ও 'ছন্দোরাজ' উপাধিতে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা 'ছন্দ-সরস্বতী' প্রকাশিত হয়।
- ১৯২২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর রচিত 'সত্যেন-প্রয়াণ' কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম লিখেন।

• সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন। যেমন:
- নবকুমার,
- কবিরত্ন,
- অশীতিপর শর্মা,
- ত্রিবিক্রম বর্মণ,
- কলমগীর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকটি কার রচনা?
  1. সানাউল হক
  2. সরদার জয়েন উদ্দিন
  3. সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌
  4. সেলিম আল দীন
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
• 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌র পাশ্চাত্যরীতি অনুসারী এবসার্ডধর্মী অস্তিত্ববাদী একটি নাটক 'তরঙ্গভঙ্গ'।
- অভাব-দারিদ্র্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাত এ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো হচ্ছে বাদী মৌলবি আব্দুস সাত্তার, সাক্ষী মতলুব আলী।
- এ নাটকের একটি সংলাপ 'ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।'

নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ- 
মৌলবি আবদুল সাত্তার নেওলাপুরী বিচারকের কাছে দরিদ্র চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী গৃহবধূ আমেনার বিরুদ্ধে শিশু স্বামী হত্যার অভিযোগ আমেনা অভাবের তাড়নায় অসুস্থ স্বামী কুতুব শেখকে চিকিৎসা করাতে না পেরে সে ধুতরার বিষ পান করিয়ে স্বামী হত্যা করে। আর চারটি শিশুর আহার সংস্থান করতে না পেরে ছোটটিকেও সে মেরে ফেলে। বিচারক এর বিচার করতে বসেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ঘুম নেই
  2. রানার
  3. পূর্বাভাস
  4. ছাড়পত্র
সঠিক উত্তর:
রানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানার
ব্যাখ্যা
• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত 'রানার' একটি কবিতা।
- তিনি শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে কবিতাটি লিখেছেন।

------------------
• সুকান্ত ভট্টাচার্য:

- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) 'কিশোর সভা' বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- গীতিগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ' গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২৮  সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯২৬ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
ব্যাখ্যা
'দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ':
- দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ (ওডিবিএল)  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ভাষাতাত্ত্বিক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় The Origin and Development of the Bengali Language নামে ইংরেজিতে গ্রন্থটি রচনা করেন। সংক্ষেপে এটি ODBL নামেই সমধিক পরিচিত।

- বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিষয়ক যে মৌলিক গবেষণার জন্য লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন, তার ওপর ভিত্তি করেই গ্রন্থখানি প্রণীত এবং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে 'ভাষাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করেন।

- প্রকাশের পর থেকেই এটি ভারতীয় ও ইউরোপীয় পণ্ডিতবর্গের উচ্চ প্রশংসা ও অনুমোদন লাভ করে আসছে। এখনও ইন্দো-আর্য ভাষার বিজ্ঞানসম্মত পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে এটি বিশিষ্ট গবেষণা কর্মরূপে বিবেচিত হয়।

- সুবৃহৎ এ গ্রন্থের প্রধানত দুটি অংশ: Part-I: Introduction, Phonology এবং Part-II: Morphology, Bengali Index। পরবর্তী সংস্করণে (১৯৭১) সংযোজিত হয় Part-III: Supplementary, Additions, Correction etc. বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশের স্বরূপ পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে এ গ্রন্থে বর্ণনা ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। 

--------------
• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম।
- সুনীতিকুমার ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৩৮০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ দি (ওডিবিএল, ১৯২৬)'।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে 'ভাষাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী ছিলো?
  1. Talon
  2. Topio
  3. Unimate 
  4. Murata
সঠিক উত্তর:
Unimate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unimate 
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা, কার্যপ্রক্রিয়া ও প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড সম্পাদন করতে পারে। 
- "রোবট" শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ শ্রমিক। 
- চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক ১৯২০ সালে প্রকাশিত তাঁর নাটকে সর্বপ্রথম 'রোবট' শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, আইজাক আসিমভ ১৯৪১ সালে প্রকাশিত তাঁর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ প্রথম 'রোবটিক্স' শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- জর্জ চার্লস ডেভল প্রথম রোবট তৈরি করেন। 
- প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল "ইউনিমেট (Unimate), যা ১৯৫০ সালে তৈরি করা হয়। 
- আমেরিকান বিজ্ঞানী জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার "ইউনিমেট" রোবট তৈরির প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে "রোবোটিক্সের জনক" বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১৮.
নিম্নলিখিত কোন সেবা কৃষকদের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করেছে? 
  1. ই-পর্চা
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-বুক
  4. ই-স্বাস্থ্যসেবা
সঠিক উত্তর:
ই-পুর্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-পুর্জি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৯.
কম্পাইলার কিভাবে কাজ করে? 
  1. শুধু প্রোগ্রামের ভুলগুলো পরীক্ষা করে
  2. প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্টকে এক এক করে পরীক্ষা করে
  3. একটি স্টেটমেন্ট একবারে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  4. পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
সঠিক উত্তর:
পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program): 
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়। 
- কম্পিউটারের প্রসেসর 1 আর 0 ছাড়া কিছু বোঝে না। তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়। 
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম। 
- নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো: 
১। কম্পাইলার (Compiler): 
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। 
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। 
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে। 

২। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম। 
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)। 
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে। 
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। 

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter): 
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে। 
অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ। 
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২০.
OTP এর মেয়াদ কীভাবে কাজ করে?
  1. OTP ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বৈধ থাকে
  2. OTP কখনও মেয়াদ শেষ হয় না
  3. OTP একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অকার্যকর হয়ে যায়
  4. OTP শুধু একবার ব্যবহারের পর পরে পুনরায় ব্যবহার করা যায়
সঠিক উত্তর:
OTP একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অকার্যকর হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OTP একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অকার্যকর হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) হল একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যেখানে ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া, বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হলে প্রথমে ব্যবহারকারীকে আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হয়, তারপর একটি এককালীন পাসওয়ার্ড (OTP), যা সাধারণত ৬ ডিজিটের হয়, ফোনে বা মেইলে পাঠানো হয়। 
- OTP সঠিকভাবে প্রদান করার পরই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব হয়, অন্যথায় এটি নিষিদ্ধ থাকে। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য বৈধ থাকে, একবার ব্যবহার করার পর OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পুনরায় একই OTP ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীদের জন্য কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। 
- সোশ্যাল মিডিয়ার বর্তমান সময়ে ব্যাপক ব্যবহার হওয়া সত্ত্বেও, ব্যবহারকারীকে খুব সতর্ক থাকতে হবে যে কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা উচিত নয়। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়া আপলোডকৃত কনটেন্টের মাধ্যমে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে, তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. ভিডিও কলিং
  2. আন্তর্জাতিক রোমিং
  3. ভয়েস কল নয়েজমুক্ত করা
  4. এসএমএস ও এমএমএস
সঠিক উত্তর:
ভিডিও কলিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও কলিং
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের বিভিন্ন প্রজন্ম: 
- মোবাইল প্রযুক্তির বিকাশ বিভিন্ন ধাপে হয়েছে, যা মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে পরিচিত। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা সীমিত ছিল এবং দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে এগুলো কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যবহৃত হতো। 
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। 
- বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোনের উৎপাদন শুরু করে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation)। 
- সময়ের সঙ্গে মোবাইল প্রযুক্তির উন্নয়ন পাঁচটি প্রজন্মে বিভক্ত হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G: 1991-2000): 
- 2G প্রযুক্তিতে অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন চালু হয়, তাই এটি ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক নামে পরিচিত। 
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার পাশাপাশি এসএমএস (SMS), এমএমএস (MMS), প্রি-পেইড সিস্টেম ও ইন্টারনেট সেবা যুক্ত করা হয়। 
- মোবাইল ফোনের আকৃতি ও ওজন ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে থাকে। 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়, যার ফলে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা নিজ দেশের কভারেজের বাইরে গিয়েও পরিষেবা পেতে পারেন। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২২.
IBM কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন বছর? 
  1. ১৯০০ সালে 
  2. ১৯১১ সালে 
  3. ১৯২৪ সালে 
  4. ১৯৩০ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে 
ব্যাখ্যা
আইবিএম: 
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পূর্ণরূপ হলো International Business Machines Corporation। 
- IBM প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট। 
- ১৯১১ সালের ১৬ জুন IBM কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- শুরুতে IBM নাম ছিল কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং (CTR) কোম্পানি। 
- ১৯২৪ সালে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (IBM) রাখা হয়। 
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- IBM কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটার ছিল মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 
- IBM কে সাধারণত বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়। 

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৩.
স্মার্ট ওয়াচ কি ধরনের ডিভাইস? 
  1. মোবাইল ফোন
  2. কম্পিউটিং ডিভাইস
  3. ট্যাবলেট
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটিং ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটিং ডিভাইস
ব্যাখ্যা
স্মার্ট ওয়াচ: 
- স্মার্ট ওয়াচ হলো একটি কম্পিউটিং ডিভাইস যা সাধারণ হাত ঘড়ির মতো হাতে পরিধান করা যায়। 
- বর্তমানে স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ সক্ষম, যা স্মার্টফোনের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন এবং নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনের কল রিসিভ বা কল করতে পারে, ইমেইল পড়তে পারে, আবহাওয়া প্রতিবেদন পেতে পারে, সঙ্গীত শুনতে পারে এবং ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন করতে পারে ঘড়ির ইন্টারফেস থেকে। 
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০-এর দশকের গোড়া থেকে আবিষ্কৃত হতে শুরু করে, এবং প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে 'হ্যামিল্টন পালসার' ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 

স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার: 
- স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ, তাপমাত্রা এবং হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করে। 
- এটি ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করে। 
- স্মার্ট ওয়াচ মেসেজিং এবং কলিং ফিচার সহ স্মার্টফোনের মতো কাজ করতে পারে। 
- বিপদে পড়লে ব্যবহারকারী জরুরি বার্তা পাঠাতে সক্ষম। 
- অবস্থান শনাক্তকরণের জন্য মানচিত্র, কম্পাস, অ্যালটিমিটার এবং জিপিএস ট্র্যাকিং সুবিধা প্রদান করে। 

উৎস: Techtarget website.
২৪.
ক্রায়োসার্জারি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রোস্টেট ক্যান্সারে
  2. যকৃতের সমস্যায়
  3. হাড়ের সমস্যায়
  4. সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারি: 
- ক্রায়োসার্জারি হল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। 
- এটি কখনো কখনো ক্রায়োথেরাপি নামেও পরিচিত। 
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ: 
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর। 
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না। 
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম। 
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। 

ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ: 
- দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল সম্পর্কে অনিশ্চয়তা রয়েছে। 
- মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে এটি কার্যকর নয়। 
- কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর SaaS মডেলটির উদাহরণ হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. Aryaka
  2. অ্যামাজন EC2
  3. Google Apps
  4. Microsoft Azure
সঠিক উত্তর:
Google Apps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Apps
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন আইটি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারেন। 
- এটি ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে তথ্য সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা এবং ভার্চুয়াল কম্পিউটিং শক্তি প্রদান করে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- 
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS - Infrastructure as a Service): 
- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো (সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক) ভাড়া দেওয়া হয়। 
- ব্যবহারকারীরা নিজেরা অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। 
উদাহরণ: অ্যামাজনের EC2 (Elastic Compute Cloud), যা বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করে। 

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS - Platform as a Service): 
- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডাটাবেস ও ওয়েব সার্ভার ভাড়া দেওয়া হয়। 
- এটি মূলত অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য উপযোগী, কারণ এতে স্বল্প ব্যয়ে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সম্ভব। 
উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine. 

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS - Software as a Service): 
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ ব্যবহার করতে পারেন। 
- ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সার্ভার পরিচালনা বা সফটওয়্যার ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না। 
উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot. 

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS - Network as a Service): 
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব নেটওয়ার্ক স্থাপন না করেও ক্লাউডের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক পরিষেবা পেতে পারেন। 
- উদাহরণ: Aryaka ও Pertino, যারা WAN ও SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বাড়তি সুবিধাসমূহ: 
✅ স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা বাড়ানো বা কমানো যায়। 
✅ অন-ডিমান্ড পরিষেবা: যখন প্রয়োজন তখনই ব্যবহার করা যায়। 
✅ ব্যবহার অনুযায়ী খরচ: যতটুকু ব্যবহার ততটুকু মূল্য পরিশোধ করতে হয়। 
✅ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৬.
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করার জন্য কোনটি সঠিক? 
  1. কেবল সংখ্যা ব্যবহার করা
  2. শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা
  3. শুধু ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
  4. শুধু বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা
ব্যাখ্যা
অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা: 
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে। 
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং 
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম। 
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। 
- পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল দেওয়া হলো- 
১। দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার: সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অধিক নিরাপদ। প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশও পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, সহজ পাসওয়ার্ড যেমন- 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি ব্যবহার করা উচিত নয়।
২। বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার: কেবল ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষরের পাশাপাশি সংখ্যা এবং প্রতীকও ব্যবহার করা উচিত। এটি পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
৩। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা: শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের মধ্যে শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা উচিত। যেমন: Z26a1$alr18a1@gmail.com।
৪। পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা: বেশিরভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করার একটি সুযোগ থাকে। নিয়মিতভাবে এই সুযোগ ব্যবহার করে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা পরীক্ষা করা এবং যদি প্রয়োজন হয়, সেটি আরও শক্তিশালী করে তোলা উচিত।
৫। সামাজিক জায়গায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন: সাইবার ক্যাফে বা ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মতো পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের সময়, ব্যবহার শেষে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা অত্যন্ত জরুরি।
৬। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার: অনেক ব্যবহারকারী পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন যেমন- LastPass, KeePass ইত্যাদি। এইসব টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার পাসওয়ার্ডগুলো নিরাপদে রাখতে পারেন।
৭। পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন: একটি নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন, যেন আপনার অ্যাকাউন্টগুলি সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২৭.
কোনটি ই-কমার্স সাইট নয়?
  1. Bing.com
  2. Olx.com
  3. Amazon.com
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
Bing.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bing.com
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক কমার্স (ই-কমার্স): 
- ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স হলো এমন একটি বাণিজ্যিক পদ্ধতি যেখানে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।
- আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- ই-কমার্সের সুবিধার কারণে ক্রেতারা ঘরে বসেই কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারি গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা উভয়ই ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়।
- ই-কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং এবং এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্যের আদান-প্রদান করে।
- তথ্য ট্রান্সমিশনের কাজটি সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন দ্রব্যের বিক্রয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- Amazon.com, Olx.com ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম, যেখানে অনলাইনে কেনাবেচা করা যায়।

অন্যদিকে, 
- Bing.com হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
২৮.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবট কোনটি? 
  1. আসিমো
  2. রোবোরো
  3. সোফিয়া
  4. আইবো
সঠিক উত্তর:
আইবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবো
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে, তাকে রোবট বলা হয়। 
- রোবটের নকশা, গঠন এবং কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় যে প্রযুক্তির শাখায়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'মুরাতা বয়'। 
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'আইবো'। 
- হোন্ডা কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'আসিমো'। 
- স্যামসাং কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'রোবোরো'। 
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'সোফিয়া'। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
টুইটার চালু হয়েছিলো কোন সালে? 
  1. ২০০৬ সালে 
  2. ২০০৪ সালে 
  3. ২০০৮ সালে 
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে 
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: 
- আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। 
অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। 
- ইন্টারনেটের ব্যবহার, ই-মেইল, মোবাইল ফোন ও মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মসমূহ ব্যবহার করে বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ। 
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ফেসবুক ও টুইটার। 

টুইটার (www.twitter.com) বা X: 
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম হলো 'X'।
- 'X' (টুইটার) একটি সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট।
- ২০২৩ সালের ৫ জুন Linda Yaccarino টুইটারের সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম 'ইন্টারনেটের এসএমএস'।
- টুইটার চালু হয়েছিল ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে।
- টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, এবং ইভান উইলিয়ামস।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টগুলো 'টুইট' নামে পরিচিত।
- বর্তমানে 'X' (টুইটার) এ একটি টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর, যা আগে ছিল ১৪০ অক্ষর।

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং টুইটারের ওয়েবসাইট।
৩০.
কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং মিশ্রিত অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়? 
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. পাবলিক ক্লাউড
  4. কমিউনিটি ক্লাউড
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড ক্লাউড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীদের দূরবর্তী বিশাল কম্পিউটার রিসোর্স ভাড়ায় ব্যবহারের সুযোগ দেয়। 
- এর মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও কম্পিউটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবসা এই ধারণার ওপর নির্ভরশীল। 
- বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে পাওয়া এই সেবায় হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে, আর ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব সুবিধা গ্রহণ করেন। 
- এটি একটি সমন্বিত প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারী ও সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ের জন্য লাভজনক। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১। প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 
- এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়। 

২। পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud): 
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড। 
- Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 

৩। হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud): 
- দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউডের (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। 
- ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩১.
সর্বপ্রথম কোন কোম্পানি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার তৈরি করে? 
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. ওপেন অফিস
সঠিক উত্তর:
অ্যাপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপল
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩২.
হাইব্রিড টপোলজির মূল বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. এটি শুধু বাস ও স্টার টপোলজি নিয়ে গঠিত হয়
  2. এটি শুধু পিয়ার-টু-পিয়ার সংযোগে কাজ করে
  3. এটি একক টপোলজির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়
  4. এটি একাধিক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি একাধিক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি একাধিক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত হয়
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড টপোলজি: 
হাইব্রিড টপোলজি হল এমন একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যা দুই বা ততোধিক বিভিন্ন ধরনের টপোলজি যেমন স্টার, রিং, বাস বা মেশ টপোলজি একত্রিত করে তৈরি করা হয়। 
- কাজের সুবিধার্থে স্বতন্ত্র টপোলজির (স্টার, রিং, বাস বা মেশ) সুবিধা গ্রহণ এবং দুর্বলতাসমূহ কমানোর জন্য হাইব্রিড টপোলজি ডিজাইন করা হয়। 

ট্রি টপোলজি: 
- ট্রি মানে হচ্ছে গাছ, কাজেই এই টপোলজিটাকে গাছের মতো দেখানোর কথা। 
- গাছে যে রকম কান্ড থেকে ডাল, এক ডাল থেকে অন্য ডাল এবং সেখান থেকে আরো ডাল বের হয়, এই ট্রি টপোলজিতেও তাই করা হচ্ছে। 
- এই টপোলজিতে অনেকগুলো স্টার টপোলজিকে একত্র করা হয়। 

মেশ টপোলজি: 
- এই টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে এবং একাধিক পথে যুক্ত হতে পারে। 
- এখানে কম্পিউটারগুলো শুধু যে অন্য কম্পিউটার থেকে তথ্য নেয় তা নয় বরং সেটি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারের মাঝে বিতরণও করতে পারে। 
- যদি এমন হয় যে একটি নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটারই সরাসরি নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য সবগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে কমপ্লিট মেশ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩৩.
মডেম কীভাবে কাজ করে?
  1. ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়
  2. ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে নেটওয়ার্কে পাঠায়
  3. অ্যানালগ সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে নেটওয়ার্কে পাঠায় ও গ) অ্যানালগ সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------------------------- 

মডেম (Modem): 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। 
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে। 
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।