পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
Exam - 7 Topics: F. Approaches to the study of politics (বাকি অংশ) Group Theory. Role Theory, Decision-Making Theory, Conflict Theory, Game Theory. Communication Theory, Psycho-Analytic approaches, Marxist and Neo-Marxist Approaches. Source: Class - 6 and Relavant Books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
Group theory  primarily emphasizes— (গোষ্ঠী তত্ত্ব প্রধানত জোর দেয়—)
  1. The sovereignty of the state (রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে)
  2. The role of pressure and interest groups in politics (রাজনীতিতে চাপ গোষ্ঠী ও স্বার্থ গোষ্ঠীর ভূমিকায়)
  3. The divine origin of the state (রাষ্ট্রের ঐশ্বরিক উৎপত্তিতে) 
  4. The separation of powers (ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণে) 
ব্যাখ্যা

- গোষ্ঠী তত্ত্ব (Arthur Bentley, David Truman, Earl Latham) অনুযায়ী রাজনীতি আসলে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর প্রতিযোগিতা ও সমঝোতার ফল। রাষ্ট্র এখানে সর্বোচ্চ নয়, বরং বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
- গোষ্ঠী তত্ত্ব  রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বলে যে সমাজে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী বিদ্যমান এবং এরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। নীতি-নির্ধারণ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই গোষ্ঠীগুলির প্রতিযোগিতা ও সমন্বয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই রাষ্ট্র কেবল শাসকের হাতিয়ার নয়, বরং বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষার ফলাফল।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি-সৈয়দ নুরুল হক

.
According to Arthur Bentley, politics is mainly— (আর্থার বেন্টলির মতে, রাজনীতি প্রধানত-)
  1. The will of the sovereign (সার্বভৌমের ইচ্ছা)
  2. The interaction and competition of groups (গোষ্ঠীগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়া ও প্রতিযোগিতা)
  3. The rule of the majority (সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন)
  4. The struggle of classes (শ্রেণি সংগ্রাম)
ব্যাখ্যা

- আর্থার বেন্টলি গ্রুপ তত্ত্বে বলেন, রাজনীতি মূলত বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর পারস্পরিক ক্রিয়া এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। রাষ্ট্র সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব নয়; এটি বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় ও সমঝোতার ভূমিকা পালন করে।
- আর্থার বেন্টলির (Arthur F. Bentley)  মতে, রাজনীতি আসলে কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়, বরং সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর  পারস্পরিক ক্রিয়া, প্রতিযোগিতা ও সমন্বয় প্রক্রিয়ারই নাম রাজনীতি। অর্থাৎ, রাষ্ট্র বা সরকার কেবল এই গোষ্ঠীগুলির প্রতিযোগিতা ও সমঝোতার ফলাফল। তাই রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বুঝতে হলে আমাদের গোষ্ঠীগুলোর কার্যকলাপ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করতে হবে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ আবদুস সালাম    

.
A major criticism of group theory is— (গ্রুপ তত্ত্বের একটি প্রধান সমালোচনা হলো—) 
  1. It ignores group activity in politics (এটি রাজনীতিতে গোষ্ঠীর কার্যকলাপ উপেক্ষা করে)
  2. It gives too much importance to the state (এটি রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়)
  3. It underestimates the role of power and economic inequality among groups (এটি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক অসাম্যের ভূমিকা কম মূল্যায়ন করে)
  4. It rejects pluralisma (এটি বহুগোষ্ঠীত্ব বা বহুত্ববাদ অস্বীকার করে)
ব্যাখ্যা

- সমালোচকরা বলেছেন যে গোষ্ঠী তত্ত্বে সব গোষ্ঠীকে সমান ক্ষমতাধর ধরে নেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছু শক্তিশালী অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক গোষ্ঠী প্রাধান্য বিস্তার করে, যা তত্ত্বটি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না।
- গোষ্ঠী তত্ত্ব (Group Theory) অনুযায়ী রাজনীতি মূলত বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর পারস্পরিক প্রতিযোগিতা ও সমঝোতার ফল। কিন্তু সমালোচকেরা বলেছেন—এই তত্ত্বে ধরে নেওয়া হয় যে সব গোষ্ঠীর ক্ষমতা, সম্পদ ও সুযোগ প্রায় সমান। বাস্তবে তা নয়। ধনী, প্রভাবশালী বা ক্ষমতাবান গোষ্ঠীগুলি দুর্বল গোষ্ঠীগুলির তুলনায় অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ফলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সব গোষ্ঠীর সমান অংশগ্রহণের নয়, বরং ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রতিফলন। এই সীমাবদ্ধতাই গোষ্ঠী তত্ত্বের প্রধান সমালোচনা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ 

.
Arthur Bentley is best known for his book— (আর্থার বেন্টলি তার কোন বইয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত?)
  1. The Spirit of the Laws
  2. The Process of Government
  3. Politics: Who Gets What, When, How
  4. Two Treatises of Government
ব্যাখ্যা

- আর্থার বেন্টলি ১৯০৮ সালে প্রকাশিত The Process of Government বইটির জন্য বিখ্যাত। এই বইয়ে তিনি রাজনীতিকে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর পারস্পরিক ক্রিয়া এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।
 - এই বইয়ে তিনি গোষ্ঠী তত্ত্ব (Group Theory) এর ভিত্তি স্থাপন করেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি হলো বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর পারস্পরিক প্রতিযোগিতা ও সমঝোতা। এ গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি দেখান যে রাজনীতি কেবল শাসকের সিদ্ধান্ত নয়, বরং গোষ্ঠীগুলোর ক্রিয়াকলাপের সমষ্টিগত ফলাফল।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক 

.
Earl Latham’s book The Group Basis of Politics (1952) argued that— (আর্ল ল্যাথামের বই The Group Basis of Politics (1952) বলেছে যে—)
  1. Politics is based on abstract moral principles (রাজনীতি বিমূর্ত নৈতিক নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত)
  2. The state is supreme above society (রাষ্ট্র সমাজের উপরে সর্বোচ্চ কর্তৃত্বশালী)
  3. Public policy is the equilibrium of group struggle (জননীতি গোষ্ঠী সংগ্রামের ভারসাম্যের ফল)
  4. Groups play no role in politics (রাজনীতিতে গোষ্ঠীর কোন ভূমিকা নেই)
ব্যাখ্যা

- আর্ল ল্যাথাম তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ The Group Basis of Politics (১৯৫২)-এ বলেন যে জননীতি বা Public Policy আসলে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর পারস্পরিক সংগ্রাম, প্রতিযোগিতা ও চাপ প্রয়োগের ভারসাম্যের ফলাফল। কোনো একক গোষ্ঠী বা নেতা নীতিকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বরং বিভিন্ন গোষ্ঠীর দাবি-দাওয়া, চাপ ও প্রভাবের মধ্যে একটা সমঝোতা বা সামঞ্জস্য গড়ে ওঠে, আর সেটাই জননীতি হিসেবে রূপ নেয়। অর্থাৎ, জননীতি = Group Struggle-এর Equilibrium।
- আর্ল ল্যাথামের মতে, সরকারী নীতি মূলত বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। এটি বোঝায় যে রাজনীতি গোষ্ঠীর কার্যকলাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং সরকার একটি সমন্বয়কারী বা রেফারি হিসেবে কাজ করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ 

.
According to David Truman, politics is— (ডেবিড ট্রুম্যানের মতে, রাজনীতি হচ্ছে-)
  1. A process of interaction among groups seeking to influence government (সরকারের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চাওয়া বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়ার একটি প্রক্রিয়া)
  2. Solely the rule of the majority (কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন)
  3. A class struggle between bourgeoisie and proletariat (বুড়্জোয়া ও প্রলেতারিয়েতের মধ্যে শ্রেণি সংগ্রাম)
  4. A moral activity above society (সমাজের উপরে একটি নৈতিক কার্যকলাপ)
ব্যাখ্যা

- ডেভিড ট্রুম্যান, যিনি গোষ্ঠী তত্ত্বকে (Group Theory) আধুনিক রূপ দেন, তাঁর মতে রাজনীতি হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া যেখানে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার জন্য পারস্পরিক প্রতিযোগিতা, সংঘাত ও সমঝোতায় লিপ্ত থাকে। তাঁর বিখ্যাত বই The Governmental Process (1951)-এ তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, রাষ্ট্র বা সরকার এককভাবে কাজ করে না, বরং সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন গোষ্ঠীর চাপ ও প্রভাবের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ট্রুম্যান গ্রুপ তত্ত্বে বলেন, রাজনীতি মূলত বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর মধ্যে ক্রিয়া এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সরকারী নীতি প্রভাবিত করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত থাকে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক

.
Which approach is most closely linked to Bentley, Truman, and Latham? (কোন পদ্ধতি সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে বেন্টলি, ট্রুম্যান এবং ল্যাথামের সঙ্গে সম্পর্কিত?) 
  1. Marxist approach (মার্কসীয় পদ্ধতি)
  2. Divine origin approacha)  (ঐশ্বরিক উৎপত্তি পদ্ধতি)
  3. Institutional approach (প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি)
  4. Behavioural and pluralist approach (আচরণগত এবং বহুগোষ্ঠীত্ব পদ্ধতি)
ব্যাখ্যা

- বেন্টলি, ট্রুম্যান এবং ল্যাথাম সবাই গোষ্ঠী তত্ত্বের প্রবক্তা। তারা রাজনীতিকে গোষ্ঠীগুলোর আচরণ ও প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখেছেন। তাই তাদের কাজ আচরণগত (behavioural) ও বহুগোষ্ঠীত্ব (pluralist) পদ্ধতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
- আচরণগত পদ্ধতি (Behaviouralism): রাজনৈতিক আচরণকে বাস্তবসম্মতভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে রাজনীতিকে বোঝার চেষ্টা করে। এরা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং গোষ্ঠীর কার্যকলাপ, পারস্পরিক সম্পর্ক ও প্রভাবকে গুরুত্ব দেয়।
- বহুগোষ্ঠীত্ব পদ্ধতি (Pluralism): সমাজে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী থাকে এবং রাজনীতি হলো তাদের প্রতিযোগিতা, সংঘাত ও সমঝোতার ফলাফল। রাষ্ট্র বা সরকার মূলত এই গোষ্ঠীগুলির মধ্যে equilibrium (ভারসাম্য) বজায় রাখে।
 - বেন্টলি, ট্রুম্যান ও ল্যাথাম— তিনজনই Group Theory কে কেন্দ্র করে রাজনীতিকে Behavioural এবং Pluralist Approach দিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

.
Which scholar is most associated with the development of role theory? (ভূমিকা তত্ত্বের বিকাশের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যুক্ত কোন চিন্তাবিদ?)
  1. Gabriel Almond (গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড)
  2. Talcott Parsons (ট্যালকট পার্সন্স)
  3. David Easton (ডেভিড ইস্টন)
  4. Karl Marx (কার্ল মার্কস)
ব্যাখ্যা

- গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড রাজনীতিশাস্ত্রে ভূমিকা তত্ত্বকে প্রয়োগ করে, বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিশ্লেষণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায়। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে রাজনৈতিক অভিনেতাদের সামাজিকভাবে প্রত্যাশিত ভূমিকা তাদের আচরণকে প্রভাবিত করে।
- ভূমিকা তত্ত্ব (Role Theory) রাজনৈতিক বিজ্ঞানে সর্বাধিকভাবে যুক্ত গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড (Gabriel Almond) এর সঙ্গে। যদিও এর সমাজতাত্ত্বিক ভিত্তি টালকট পারসন্সের Structural-Functionalism থেকে এসেছে, কিন্তু রাজনীতিতে এর প্রয়োগ ও বিকাশ ঘটিয়েছেন আলমন্ড।
- আলমন্ড দেখান যে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ভূমিকা (political roles) পালন করে— যেমন আইন প্রণেতার ভূমিকা, নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা, ভোটারের ভূমিকা ইত্যাদি। এই ভূমিকাগুলির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেই রাজনৈতিক আচরণ ও প্রক্রিয়া বোঝা যায়।
- অতএব, ভূমিকা তত্ত্বের সমাজতাত্ত্বিক শিকড় পারসন্সে হলেও, এর রাজনৈতিক বিজ্ঞানভিত্তিক বিকাশ ও জনপ্রিয়তার জন্য মূলত দায়ী গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

.
According to role theory, the “role” of an actor means— (ভূমিকা তত্ত্ব অনুযায়ী, একজন রাজনৈতিক অভিনেতার “role” বলতে বোঝায়—)
  1. Personal hobbies and habits (ব্যক্তিগত শখ ও অভ্যাস)
  2. Socially expected behavior and functions (সামাজিকভাবে প্রত্যাশিত আচরণ ও কার্যক্রম)
  3. Political ideology (রাজনৈতিক মতাদর্শ)
  4. Economic status (অর্থনৈতিক অবস্থান)
ব্যাখ্যা

>ভূমিকা তত্ত্বে “role” মানে হলো একজন রাজনৈতিক বা সামাজিক অভিনেতার সামাজিকভাবে নির্ধারিত এবং প্রত্যাশিত আচরণ ও কর্তব্য, যা তার অবস্থান বা পদ অনুযায়ী সমাজ তাকে প্রয়োগ করে।
>ভূমিকা তত্ত্ব (Role Theory) অনুসারে, একজন রাজনৈতিক অভিনেতার “role” হলো সেই আচরণ, দায়িত্ব ও কার্যক্রম, যা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা তার কাছ থেকে প্রত্যাশা করে।যেমন—
- একজন সংসদ সদস্যের ভূমিকা হলো আইন প্রণয়ন করা, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা।
- একজন ভোটারের ভূমিকা হলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করা।
- একজন আমলার ভূমিকা হলো নীতি বাস্তবায়ন করা।
>অতএব, “role” মানে হলো কেবল ব্যক্তির ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, বরং সমাজ-স্বীকৃত প্রত্যাশিত আচরণ যা রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নির্দিষ্ট করা থাকে।

সূত্রঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি- এম রফিকুল ইসলাম 

১০.
Role conflict occurs when— (ভূমিকা দ্বন্দ্ব ঘটে যখন—)
  1. An individual faces conflicting expectations from multiple roles (একজন ব্যক্তি একাধিক ভূমিকায় বিপরীত প্রত্যাশার সম্মুখীন হয়)
  2. A political party dissolves (একটি রাজনৈতিক দল ভেঙে যায়)
  3. There is an economic crisis (অর্থনৈতিক সংকট ঘটে)
  4. Parliament is dissolved (সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়)
ব্যাখ্যা

ভূমিকা দ্বন্দ্ব তখন ঘটে যখন একজন ব্যক্তি বিভিন্ন সামাজিক বা রাজনৈতিক ভূমিকায় থাকে এবং প্রতিটি ভূমিকা থেকে তার ভিন্ন বা বিপরীত আচরণের প্রত্যাশা করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ, একজন রাজনীতিবিদ একই সময়ে পার্টি নেতা এবং পরিবারের দায়িত্ব পালন করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন আচরণ মানতে হতে পারে।
একজন ব্যক্তি একদিকে সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে, অন্যদিকে নিজের রাজনৈতিক দলের আদর্শ মেনে চলতে হবে।
একজন সরকারি কর্মকর্তা একই সঙ্গে কর্মচারী এবং নাগরিক হিসেবে ভিন্ন দায়িত্ব ও প্রত্যাশার সম্মুখীন হতে পারে।
এই ধরনের দ্বন্দ্বে ব্যক্তির আচরণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া জটিল হয়ে যায়।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১১.
In political systems analysis, role theory helps to— (রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্লেষণে, ভূমিকা তত্ত্ব সাহায্য করে—)
  1. Explain the state as a divine institution (রাষ্ট্রকে একটি দৈব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাখ্যা করতে)
  2. Understand the behavior of political actors (রাজনৈতিক অভিনেতাদের আচরণ বোঝতে)
  3. Explain economic development (অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাখ্যা করতে)
  4. Determine military power (সামরিক শক্তি নির্ধারণে)
ব্যাখ্যা

- ভূমিকা তত্ত্ব মূলত রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে অভিনেতাদের আচরণ ও প্রত্যাশিত ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এটি দেখায় কিভাবে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাদের সামাজিক বা রাজনৈতিক ভূমিকা অনুযায়ী কাজ করে এবং রাজনীতির ফলাফল প্রভাবিত করে।
- ভূমিকা তত্ত্ব (Role Theory) রাজনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয় রাজনৈতিক অভিনেতাদের আচরণ, দায়িত্ব এবং প্রত্যাশা বোঝার জন্য।
- এটি দেখায় যে প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট ভূমিকা (role) পালন করে।
- রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় এদের আচরণ বোঝার জন্য তাঁদের সমাজ ও ব্যবস্থার থেকে প্রত্যাশিত আচরণ বিশ্লেষণ করা হয়।
- উদাহরণ: একজন নেতা ভোটারদের চাহিদা মেনে নীতি প্রণয়ন করতে পারে, আর একই সঙ্গে দলীয় আদর্শ মেনে চলার চেষ্টা করে—এভাবে ভূমিকা তত্ত্বের মাধ্যমে বিভিন্ন_actor-এর আচরণ এবং পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝা যায়।
- অতএব, রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্লেষণে ভূমিকা তত্ত্ব actor-centered দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১২.
Role theory is closely linked with— (ভূমিকা তত্ত্ব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত—)
  1. Structural-functionalism (কাঠামো-কার্যগত দৃষ্টিভঙ্গি)
  2. Marxism (মার্কসবাদ)
  3. Realism (বাস্তববাদ)
  4. Liberal institutionalism (উদার প্রতিষ্ঠানবাদ)
ব্যাখ্যা

- ভূমিকা তত্ত্ব মূলত structural-functionalism এর সঙ্গে যুক্ত, কারণ এটি সমাজ বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশের ভূমিকা এবং কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করে। এটি দেখায় কিভাবে প্রত্যাশিত আচরণ এবং সামাজিক ভূমিকা সমষ্টিগত রাজনৈতিক সিস্টেমকে কার্যকর রাখে।
- Structural-Functionalism মতে, সমাজ ও রাজনীতি একটি সংগঠিত কাঠামো যার প্রতিটি অংশের একটি নির্দিষ্ট কার্য (function) থাকে।
- ভূমিকা তত্ত্ব অনুযায়ী, রাজনৈতিক অভিনেতারা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রত্যাশিত ভূমিকা (roles) পালন করে।
অর্থাৎ, রাজনীতিকে বোঝার জন্য actor-এর আচরণকে কাঠামোর প্রেক্ষাপটে ফাংশন হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়।
- উদাহরণ: সংসদ সদস্যের ভূমিকা, ভোটারের ভূমিকা, সরকারি কর্মকর্তার ভূমিকা—all are parts of the political system functioning in balance.  Role Theory রাজনীতিতে Structural-Functionalism এর actor-centered এবং system-oriented বিশ্লেষণকে শক্তিশালী করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ 

১৩.
Almond used role theory to— (আলমন্ড ভূমিকা তত্ত্ব ব্যবহার করেছিলেন—)
  1. Explain how revolutions occur (কীভাবে বিপ্লব ঘটে তা ব্যাখ্যা করতে)
  2. Predict political behavior based on social roles (সামাজিক ভূমিকার ভিত্তিতে রাজনৈতিক আচরণ পূর্বানুমান করতে)
  3. Promote democracy (গণতন্ত্র প্রচার করতে)
  4. Justify authoritarian rule (স্বৈরশাসনকে বৈধতা দিতে)
ব্যাখ্যা

- ভূমিকা তত্ত্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানে থাকা ব্যক্তির আচরণ বুঝতে এবং পূর্বানুমান করতে পারেন।
- গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড (Gabriel Almond) রাজনৈতিক বিজ্ঞানে Role Theory প্রয়োগ করে দেখান যে প্রতিটি রাজনৈতিক অভিনেতা। যেমন নেতা, ভোটার বা সরকারি কর্মকর্তা—নির্দিষ্ট সামাজিক ভূমিকা (social roles) পালন করে। একজন অভিনেতার ভূমিকা থেকে বোঝা যায় তাঁর আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং প্রতিক্রিয়া কেমন হবে।
- উদাহরণ: একজন সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক ভূমিকা অনুযায়ী তিনি আইন প্রণয়ন, জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও দলীয় আদর্শ মেনে নীতি তৈরি করবেন। এইভাবে, Role Theory-এর মাধ্যমে রাজনৈতিক আচরণ পূর্বানুমানযোগ্য (predictable) হয়ে ওঠে।
- আলমন্ডের মূল অবদান হলো ভূমিকা বিশ্লেষণের মাধ্যমে রাজনৈতিক আচরণ বোঝা ও পূর্বানুমান করা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ আবদুস সালাম    

১৪.
Political stability, according to Almond, depends on— (আলমন্ড অনুযায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে—)
  1. The strength of the military (সামরিক শক্তির উপর)
  2. Proper performance of political roles(রাজনৈতিক ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করার উপর)
  3. Economic growth alone (শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর)
  4. Popular ideology (জনপ্রিয় মতাদর্শের উপর)
ব্যাখ্যা

- যখন রাজনৈতিক অভিনেতারা তাদের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করে, তখন রাজনৈতিক ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে কাজ করে এবং স্থিতিশীল থাকে।
- গ্যাব্রিয়েল আলমন্ড (Gabriel Almond) তাঁর Role Theory অনুযায়ী মনে করেন যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা  নির্ভর করে রাজনৈতিক_actor-এর সঠিক ভূমিকা পালন করার উপর।প্রতিটি রাজনৈতিক অভিনেতা—যেমন নেতা, ভোটার, সরকারি কর্মকর্তা—নির্দিষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করে। যদি অভিনেতারা তাদের প্রত্যাশিত ভূমিকা যথাযথভাবে সম্পন্ন করে, তাহলে রাজনৈতিক ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে।
- উদাহরণ: সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নীতি বাস্তবায়ন সঠিকভাবে হলে জননীতি কার্যকর হয় এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১৫.
According to Herbert Simon, decision-making is— (হার্বার্ট সাইমনের মতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হলো—)
  1. The heart of administration (প্রশাসনের হৃদয়)
  2. A legislative function (একটি আইন প্রণয়ন কার্য)
  3. Only a technical process (কেবল একটি কারিগরি প্রক্রিয়া)
  4. Merely an economic process (কেবলমাত্র একটি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া)
ব্যাখ্যা

- হার্বার্ট সাইমন প্রশাসনে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে কেন্দ্রীয় বা "হৃদয়" বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর মতে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের মূল চালিকাশক্তি হলো সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
- হার্বার্ট সাইমন (Herbert Simon) এর মতে, decision-making বা সিদ্ধান্ত গ্রহণই প্রশাসনের মূল কেন্দ্র বা “হৃদয়”, কারণ প্রশাসনের সব কার্যকলাপ—নীতি প্রণয়ন, সম্পদ বরাদ্দ, সমস্যা সমাধান—সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপর নির্ভরশীল। প্রশাসনের যেকোনো স্তরে কার্যকরতা ও সফলতা নির্ভর করে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে তার উপর।
- সাইমন দেখান যে প্রশাসনিক কাঠামো বা নিয়ম কেবল আংশিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ; প্রকৃত কার্যক্ষমতা আসে যুক্তিসম্পন্ন এবং কাঠামোবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। অতএব, প্রশাসনের মূল কাজ হলো সঠিক, কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১৬.
In the Rational Model, the final stage is— (যৌক্তিক মডেলে, চূড়ান্ত ধাপ হলো—)
  1. Selection of the best alternative (সর্বোত্তম বিকল্প নির্বাচন)
  2. Feedback and evaluation (প্রতিক্রিয়া ও মূল্যায়ন)
  3. Policy formulation (নীতি প্রণয়ন)
  4. Information gatheringa (তথ্য সংগ্রহ)
ব্যাখ্যা

যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সমস্যার সনাক্তকরণ থেকে শুরু করে বিকল্প নির্ধারণ, সর্বোত্তম বিকল্প নির্বাচন ও বাস্তবায়ন শেষে শেষ ধাপ হলো মূল্যায়ন ও প্রতিক্রিয়া, যাতে দেখা যায় সিদ্ধান্তটি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করেছে কিনা।
Rational Model of Decision-Making অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ একটি ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া:
- সমস্যা চিহ্নিত করা (Problem identification): কোন সমস্যা সমাধান করতে হবে তা সনাক্ত করা।
- লক্ষ্য নির্ধারণ (Goal setting): সমস্যার সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা।
- বিকল্প বিকল্প তৈরি ও বিশ্লেষণ (Alternative generation and evaluation): সম্ভাব্য সমাধানগুলো তৈরি ও তুলনা করা।
- নির্বাচন (Choice): সবচেয়ে উপযুক্ত সমাধান বেছে নেওয়া।
- বাস্তবায়ন (Implementation): সিদ্ধান্ত কার্যকর করা।
- প্রতিক্রিয়া ও মূল্যায়ন (Feedback and evaluation): সিদ্ধান্তের ফলাফল বিশ্লেষণ করা এবং প্রয়োজনে সংশোধন করা। চূড়ান্ত ধাপ Feedback and evaluation কারণ এর মাধ্যমে প্রশাসন বা নেতা জানতে পারে সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয়েছে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে পারে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১৭.
The Incremental Model is particularly useful in— (পর্যায়ক্রমিক মডেল বিশেষভাবে কার্যকর—)
  1. Highly complex policy areas with uncertainty (অত্যন্ত জটিল নীতিগত ক্ষেত্রে যেখানে অনিশ্চয়তা থাকে)
  2. Situations with complete and perfect knowledge (সম্পূর্ণ ও নিখুঁত জ্ঞানের পরিস্থিতিতে)
  3. Short-term military decisions (স্বল্পমেয়াদি সামরিক সিদ্ধান্তে)
  4. Judicial rulings (বিচারিক রায় প্রদানে)
ব্যাখ্যা

- চার্লস লিন্ডব্লমের Incremental মডেল অনুযায়ী নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যখন সমস্যা জটিল ও অনিশ্চিত হয়, তখন বড় কোনো পরিবর্তনের পরিবর্তে ছোট ছোট ধাপে সিদ্ধান্ত নিলে ঝুঁকি কমে এবং বাস্তবায়ন সহজ হয়।
- Incremental Model (পর্যায়ক্রমিক বা Incremental Decision-Making Model) অনুযায়ী, সিদ্ধান্তগুলো ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে গৃহীত হয়।এই মডেলটি জটিল নীতিগত ক্ষেত্র এবং যেখানে ভবিষ্যৎ ফলাফল অনিশ্চিত, সেখানে বিশেষভাবে কার্যকর।কারণ এতে একসঙ্গে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি কমে এবং ছোট ছোট পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ফলাফল পর্যবেক্ষণ ও সংশোধন করা যায়।
- উদাহরণ: নতুন অর্থনৈতিক নীতি, স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার বা পরিবেশ নীতি যেখানে অনেক অজানা ফ্যাক্টর রয়েছে। Incremental Model জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে নিরাপদ ও প্রয়োগযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া প্রদান করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

১৮.
The Economic Model of decision-making is based on the assumption that decision-makers— (সিদ্ধান্ত গ্রহণের অর্থনৈতিক মডেল এর ভিত্তি হলো এই ধারণা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা—)
  1. Act on emotions (আবেগের উপর কাজ করে)
  2. Maximize utility through rational choice (যৌক্তিক পছন্দের মাধ্যমে সর্বোচ্চ লাভ অর্জন করে)
  3. Depend only on traditions (কেবলমাত্র ঐতিহ্যের উপর নির্ভর করে)
  4. Avoid alternatives (বিকল্পগুলো এড়িয়ে যায়)
ব্যাখ্যা

- অর্থনৈতিক মডেল অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা পূর্ণাঙ্গ তথ্য ব্যবহার করে খরচ-লাভ (cost-benefit) বিশ্লেষণ করে এবং সর্বাধিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে যৌক্তিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- Economic Model of Decision-Making ধারণা করে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা যৌক্তিক (rational) এবং স্বার্থনিষ্ঠ (self-interested)।এ মডেলের মূল ধারা হলো Rational Choice Theory, যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি বা কর্মকর্তা সর্বোচ্চ সুবিধা (maximum utility) অর্জনের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়।অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, বিভিন্ন বিকল্পের মূল্য, লাভ ও ক্ষতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- উদাহরণ: সরকারি প্রকল্পে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত, যেখানে খরচ-লাভ বিশ্লেষণ করে সর্বোত্তম বিকল্প বাছাই করা হয়। অতএব, Economic Model অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা সর্বোচ্চ সুবিধা এবং যৌক্তিক ফলাফলের দিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক 

১৯.
According to the Political Model, policy outcomes are best seen as— (রাজনৈতিক মডেল অনুযায়ী, নীতিগত ফলাফলকে সর্বোত্তমভাবে দেখা যায়—)
  1. Results of perfect rational choice (নিখুঁত যৌক্তিক সিদ্ধান্তের ফলাফল হিসেবে)
  2. Products of negotiation among competing interests (প্রতিদ্বন্দ্বী স্বার্থগোষ্ঠীগুলোর দরকষাকষি ও সমঝোতার ফলাফল হিসেবে) 
  3. Purely administrative processes (সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে)
  4. Random occurrences (আকস্মিক ঘটনার ফলাফল হিসেবে)  
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক মডেলে নীতি নির্ধারণকে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়, যেখানে বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী, রাজনৈতিক শক্তি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দরকষাকষি ও সমঝোতার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে রূপ নেয়।
- Political Model of Decision-Making অনুসারে নীতিগত ফলাফল (policy outcomes) একক সিদ্ধান্ত বা যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি হয় না। বরং এটি বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর মধ্যে দরকষাকষি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সমঝোতার ফল। বিভিন্ন গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে চাপ সৃষ্টি করে এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। রাষ্ট্র বা প্রশাসন এই স্বার্থগুলির ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করে, যার মাধ্যমে final policy outcome আসে।
- উদাহরণ: অর্থনৈতিক নীতি তৈরি বা পরিবেশ সংরক্ষণ নীতি প্রণয়নে বিভিন্ন শিল্প, সামাজিক গোষ্ঠী ও সরকারি সংস্থা একে অপরের সঙ্গে দরকষাকষি করে। অতএব, Political Model দেখায় যে policy-making হলো গোষ্ঠীগুলির রাজনৈতিক প্রভাব ও সমঝোতার একটি প্রক্রিয়া।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক 

২০.
Critics argue that Decision-Making Theory— (সমালোচকরা দাবি করেন যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত্ত্ব হচ্ছে —)
  1. Gives excessive importance to individual decision-makers (ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়)
  2. Ignores personal choice (ব্যক্তিগত পছন্দকে উপেক্ষা করে)
  3. Rejects the role of institutions (প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অস্বীকার করে)
  4. Believes only in Marxism (শুধুমাত্র মার্কসবাদে বিশ্বাস করে)
ব্যাখ্যা

- সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত্ত্ব প্রায়শই প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ব্যক্তির ভূমিকাকে বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবকে কম দেখায়।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত্ত্ব (Decision-Making Theory) সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে কারণ এটি মূলত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের ক্ষমতা, যুক্তি ও প্রভাব উপর অতিরিক্ত জোর দেয়। তত্ত্বটি ধরে নেয় যে প্রশাসক বা নেতা রational বা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাস্তবে রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংগঠনিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ, যা এই তত্ত্ব প্রায়ই উপেক্ষা করে।
- অর্থাৎ, Decision-Making Theory কখনও কখনও সিস্টেম বা গোষ্ঠী প্রভাবকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয় না। অতএব, সমালোচকরা মনে করেন যে এটি ব্যক্তিবিশেষের ভূমিকার উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

২১.
Conflict Theory is primarily associated with— (সংঘাত তত্ত্ব মূলত সম্পর্কিত—) 
  1. Max Weber
  2. Karl Marx
  3. Emile Durkheim
  4. Talcott Parsons
ব্যাখ্যা

- কার্ল মার্কসের সংঘাত তত্ত্ব (Conflict Theory) অনুযায়ী সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল চালিকা শক্তি হলো শ্রেণী সংগ্রাম ও অর্থনৈতিক বৈষম্য, যা সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান উৎস।
- মার্কসের মতে, সমাজ হলো বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য সংঘাতের মঞ্চ। ইতিহাস এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনকে মূলত শ্রেণী সংঘাত (class conflict) দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
- উদাহরণ: পুঁজি-ধারক (bourgeoisie) ও শ্রমিক (proletariat) শ্রেণীর মধ্যে অর্থ, ক্ষমতা ও সম্পদকে কেন্দ্র করে সংঘাত। রাষ্ট্বিজ্ঞানেও এই তত্ত্ব দেখায় যে রাষ্ট্র ও নীতি প্রণয়ন প্রায়ই শক্তিশালী শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষার জন্য তৈরি হয়। Conflict Theory-এর মূল কেন্দ্র হলো শ্রেণী-ভিত্তিক সংঘাত ও ক্ষমতার অসমতা, যা সমাজ ও রাজনীতির পরিবর্তন চালিত করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

২২.
According to Conflict Theory, social change occurs mainly due to— (সংঘাত তত্ত্ব অনুযায়ী, সামাজিক পরিবর্তন প্রধানত ঘটে—)
  1. Consensus and shared values (ঐক্য ও সাধারণ মূল্যবোধের মাধ্যমে)
  2. Economic inequality and class struggle (অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যমে)
  3. Divine intervention (ধর্মীয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে)
  4. Legal procedures (আইন ও বিধান মেনে চলার মাধ্যমে) 
ব্যাখ্যা

- মার্কসের সংঘাত তত্ত্ব অনুযায়ী, সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন আসে শ্রেণী সংগ্রাম এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রভাবে, কারণ এটি বিদ্যমান সামাজিক কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে এবং নতুন কাঠামো সৃষ্টি করে।
Conflict Theory (সংঘাত তত্ত্ব) অনুসারে সমাজের পরিবর্তন ও রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শ্রেণী সংঘাতের মাধ্যমে।কার্ল মার্কসের ধারণা অনুযায়ী, সমাজে প্রধানত দুটি শ্রেণী থাকে—পুঁজি-ধারক (bourgeoisie) এবং শ্রমিক (proletariat)।যখন এই শ্রেণীর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসাম্য বৃদ্ধি পায়, তখন সামাজিক বৈষম্য ও দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পায়। এই দ্বন্দ্বই সামাজিক পরিবর্তন, বিপ্লব বা রাজনৈতিক সংস্কারের মূল চালিকা শক্তি।
সমাজের নীতি ও কাঠামো প্রায়শই শক্তিশালী শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা ও দুর্বল শ্রেণীর প্রতিবাদের মধ্যে ভারসাম্যের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়। Conflict Theory অনুসারে social change = economic inequality + class struggle।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ আবদুস সালাম    

২৩.
Which of the following is a key feature of Conflict Theory? (নিম্নলিখিতগুলোর মধ্যে কোনটি সংঘাত তত্ত্বের একটি মূল বৈশিষ্ট্য?)
  1. Emphasis on harmony (ঐক্য ও সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়া)
  2. Focus on power, inequality, and exploitation (ক্ষমতা, বৈষম্য ও শোষণের ওপর জোর প্রদান)
  3. Avoidance of political issues (রাজনৈতিক ইস্যুগুলো এড়িয়ে চলা)
  4. Belief in static society (স্থির ও অপরিবর্তনীয় সমাজে বিশ্বাস রাখা)
ব্যাখ্যা

- সংঘাত তত্ত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রে ক্ষমতা সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য, এবং শ্রেণী বা গোষ্ঠী শোষণকে মূল হিসেবে বিবেচনা করে।
- Conflict Theory (সংঘাত তত্ত্ব) মূলত ক্ষমতা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং শোষণের ওপর জোর দেয়। এটি মনে করে যে সমাজে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে স্বার্থের সংঘাত বিদ্যমান।
- রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো প্রায়শই শক্তিশালী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে তৈরি হয়, যা দুর্বল গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্য ও শোষণ সৃষ্টি করে। এই বৈষম্য ও সংঘাতই সামাজিক পরিবর্তন, বিপ্লব বা নীতি সংস্কারের প্রধান চালিকা শক্তি।
- Conflict Theory-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো সমাজে ক্ষমতা ও সম্পদের অসম বণ্টন এবং তা থেকে উদ্ভূত সংঘাত ও শোষণকে বিশ্লেষণ করা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

২৪.
In Marxist Conflict Theory, the two main classes are— (মার্কসীয় সংঘাত তত্ত্ব অনুযায়ী প্রধান দুটি শ্রেণী হলো—)
  1. Government and citizens (সরকার ও নাগরিক)
  2. Bourgeoisie (owners) and Proletariat (workers) (পুঁজিপতি ও শ্রমিক)
  3. Clergy and laity (পুরোহিত ও সাধারণ মানুষ)
  4. Upper caste and lower caste (উচ্চবর্ণ ও নিম্নবর্ণ)
ব্যাখ্যা

- কার্ল মার্কসের সংঘাত তত্ত্ব অনুযায়ী, সমাজের মূল সংঘাত পুঁজিপতি (মালিক) এবং শ্রমিক (শ্রমজীবী) শ্রেণীর মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শ্রেণী সংগ্রামের কারণে হয়।
- মার্কসীয় সংঘাত তত্ত্ব (Marxist Conflict Theory) অনুসারে সমাজকে দুটি প্রধান শ্রেণীতে ভাগ করা যায়: 
পুঁজিপতি (Bourgeoisie): যারা উৎপাদনমূলক সম্পদ যেমন ফ্যাক্টরি, মেশিন, জমি ইত্যাদির মালিক। তারা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখে।
শ্রমিক (Proletariat): যারা তাদের শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কাজ করে, কিন্তু সম্পদের কোনো মালিকানা নেই।
- মার্কস মনে করতেন যে এই শ্রেণী বৈষম্য ও স্বার্থের সংঘাত সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি। শ্রমিক শ্রেণী যখন তাদের শোষণ ও অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবে, তখনই সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটবে। Marxist Conflict Theory-এর কেন্দ্রীয় ধারণা হলো Bourgeoisie বনাম Proletariat সংঘাত।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

২৫.
A major criticism of Conflict Theory is— (সংঘাত তত্ত্বের একটি প্রধান সমালোচনা হলো—)
  1. It overemphasizes social harmony (এটি সামাজিক ঐক্যের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়)
  2. It ignores inequality (এটি বৈষম্যকে উপেক্ষা করে)
  3. It rejects the concept of power (এটি ক্ষমতার ধারণাকে অস্বীকার করে)
  4. It overemphasizes conflict and neglects consensus (এটি সংঘাতকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয় এবং ঐক্যের দিক উপেক্ষা করে)
ব্যাখ্যা

- সমালোচকরা বলেন যে সংঘাত তত্ত্ব প্রায়শই সমাজে সংঘাতকে বেশি গুরুত্ব দেয় এবং সামাজিক একতা ও সমন্বয়কে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয় না।  Conflict Theory (সংঘাত তত্ত্ব) মূলত সমাজে বিদ্যমান সংঘাত, বৈষম্য ও শক্তির লড়াই-কে অত্যধিক গুরুত্ব দেয়।
- এই তত্ত্ব প্রায়ই সমাজে থাকা ঐক্য, সমঝোতা এবং সহযোগিতার দিককে উপেক্ষা করে।বাস্তবে সমাজে শুধুমাত্র সংঘাত নয়, বরং সমষ্টিগত স্বার্থ, নীতি ও সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ঐক্য ও স্থিতিশীলতাও বিদ্যমান।অতিরিক্ত সংঘাতের ওপর জোর দেয়ার কারণে কখনও কখনও সমাজের স্থিতিশীলতা ও সমন্বয় ব্যাখ্যা করা কঠিন হয়।
- Conflict Theory-এর প্রধান সমালোচনা হলো এটি consensus বা ঐক্যের ভূমিকার অবমূল্যায়ন করে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

২৬.
Who is considered the father of modern Game Theory? (আধুনিক ক্রীড়া তত্ত্বের জনক হিসেবে কাকে ধরা হয়?)
  1. John von Neumann
  2. Karl Marx
  3. Herbert Simon
  4. Charles Lindblom
ব্যাখ্যা

- আধুনিক ক্রীড়া তত্ত্বের সূচনা করেন John von Neumann এবং Oskar Morgenstern, যিনি কৌশলগত পরিস্থিতিতে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিশ্লেষণের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৯৪৪ সালে von Neumann এবং Oskar Morgenstern যৌথভাবে Theory of Games and Economic Behavior বইটি প্রকাশ করেন, যা গেম থিওরির ভিত্তি স্থাপন করে।
- Game Theory হলো কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের গাণিতিক বিশ্লেষণ, যেখানে বিভিন্ন খেলোয়াড় (players) তাদের স্বার্থ রক্ষা ও সর্বোত্তম ফলাফল পাওয়ার জন্য কৌশল নির্বাচন করে। এটি রাজনৈতিক বিজ্ঞান, অর্থনীতি, যুদ্ধনীতি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আধুনিক গেম তত্ত্বের পিতৃপুরুষ হিসেবে John von Neumann-এর নাম সর্বাধিক স্বীকৃত।

২৭.
A key feature of the Hawk-Dove Game is— (হক-ডাভ গেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো—)
  1.  Mixed strategies may emerge to avoid mutual destruction (উভয় পক্ষের ক্ষতি এড়াতে মিশ্র কৌশল উদ্ভূত হতে পারে)
  2. It ignores payoffs (এটি খরচ-লাভ) উপেক্ষা করে)
  3. Outcomes are purely random (ফলাফল সম্পূর্ণ র‍্যান্ডম)
  4. Both players always cooperate (উভয় খেলোয়াড় সবসময় সহযোগিতা করে)
ব্যাখ্যা

- হক-ডাভ গেম-এ কখনও কখনও উভয় পক্ষ আক্রমণাত্মক ও আপোষমূলক কৌশল মিশ্রণ ব্যবহার করে, যাতে উভয় পক্ষের জন্য পরিপূর্ণ ক্ষতি (mutual destruction) এড়ানো যায়।
Hawk-Dove Game হলো Game Theory-এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ, যা কনফ্লিক্ট ও প্রতিযোগিতার মধ্যে কৌশলগত আচরণ বিশ্লেষণ করে। “Hawk” মানে আক্রমণাত্মক কৌশল এবং “Dove” মানে শান্তিপ্রিয় বা উদার কৌশল। 
- যদি দুজন খেলোয়াড়ই Hawk কৌশল ব্যবহার করে, তাহলে উভয়ই ক্ষতি হয়। যদি একজন Hawk আর অন্যজন Dove হয়, তাহলে Hawk লাভ পায়, Dove ক্ষতি পায় না। ফলস্বরূপ, উভয় পক্ষই প্রায়ই Mixed Strategies (মিশ্র কৌশল) গ্রহণ করে—কখনো আক্রমণ, কখনো শান্তিপ্রিয়—যাতে Mutual Destruction (উভয় পক্ষের ক্ষতি) এড়ানো যায়।
- হক-ডাভ গেমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো Mixed Strategies এবং কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা।

সূত্রঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি- এম রফিকুল ইসলাম 

২৮.
Game of Chicken is often used to model— (Game of Chicken প্রায়ই কোন পরিস্থিতি মডেল করতে ব্যবহৃত হয়—)
  1. Cooperative teamwork (সহযোগী টিমওয়ার্ক)
  2. Legal disputes (আইনি বিরোধ)
  3. Market equilibrium (বাজারের সমতা)
  4. Strategic conflicts and brinkmanship (কৌশলগত সংঘাত এবং সীমারেখার কৌশল)
ব্যাখ্যা

- Game of Chicken হলো Game Theory-এর একটি উদাহরণ, যা দুই পক্ষের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: দুই গাড়ি ধেয়ে আসে এবং যদি কেউ সড়ক থেকে না সরে, তাহলে দুজনই দুর্ঘটনার শিকার হবে। খেলোয়াড়দের মধ্যে সাহস এবং ঝুঁকি গ্রহণের ভারসাম্য পরীক্ষা করা হয়।
- এটি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, সামরিক সংঘাত, বা পারস্পরিক হুমকি-নির্ভর পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।  উভয় পক্ষই ক্ষতি এড়াতে কখনো সাহস দেখাবে, কখনো পিছু হটবে, যাতে কৌশলগত ফলাফল সর্বাধিক সুবিধাজনক হয়। Game of Chicken প্রায়ই strategic conflict এবং brinkmanship-এর মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২৯.
In Game Theory, a “Zero-Sum Game” means— (ক্রীড়া তত্ত্বের “Zero-Sum Game” বলতে বোঝায়—)
  1. One player’s gain is exactly equal to the other player’s loss (একজন খেলোয়াড়ের লাভ অন্য খেলোয়াড়ের ক্ষতির সমান)
  2. All players gain equally (সব খেলোয়াড় সমানভাবে লাভ করে)
  3. All players lose equally (সব খেলোয়াড় সমানভাবে ক্ষতি করে)
  4. No player gains or loses (কোনো খেলোয়াড় লাভ বা ক্ষতি করে না)
ব্যাখ্যা

- Zero-Sum Game-এ একজনের লাভই অপরজনের ক্ষতি হিসেবে ধরা হয়, অর্থাৎ মোট লাভ-ক্ষতি যোগফল শূন্য হয়। একটি পক্ষ যা জিতে তার লাভ ঠিক সমান পরিমাণে অন্য পক্ষের ক্ষতি হবে।
- উদাহরণ: চেস খেলা, পকেটমনি বা সরাসরি প্রতিযোগিতামূলক খেলায় যেখানে একজনের জয় অন্যের পরাজয়।
- রাজনীতি বা অর্থনীতিতে, Zero-Sum Game বোঝায় যে এক পক্ষের সুবিধা অন্য পক্ষের জন্য ক্ষতি। এখানে সীমিত সম্পদ এবং একজনের লাভ অন্যজনের ক্ষতি দ্বারা নির্ধারিত ফলাফল। Zero-Sum Game হলো পরস্পরের ক্ষতি ও লাভের সমানতার ভিত্তিতে কৌশলগত প্রতিযোগিতা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৩০.
The “Prisoner’s Dilemma” is an example of— (“Prisoner’s Dilemma” হলো কিসের উদাহরণ-)
  1. A cooperative game (একটি সহযোগী খেলা)
  2. A non-cooperative game একটি অসহযোগী খেলা)
  3. A zero-sum game (একটি Zero-Sum খেলা)
  4. A game with perfect information (সম্পূর্ণ তথ্যযুক্ত খেলা)
ব্যাখ্যা

- Prisoner’s Dilemma-এ খেলোয়াড়রা নিজস্ব স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেয়, অন্য খেলোয়াড়ের সাথে সহযোগিতা না করে। এটি কৌশলগত দ্বন্দ্ব ও বিশ্বাসের অভাব প্রদর্শন করে।
- প্রতিটি খেলোয়াড় (অপরাধী) নিজের সর্বাধিক সুবিধার জন্য স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়। সমস্যাটি হলো যে, পরস্পরের সাথে সহযোগিতা করলে উভয়ই কম শাস্তি পেতে পারত, কিন্তু স্বার্থান্বেষী আচরণের কারণে উভয়ই ক্ষতি ভোগ করতে পারে।
- এটি দেখায় যে কোনো খেলোয়াড়ের ভালো ফলাফল শুধুমাত্র অন্য খেলোয়াড়ের অবজ্ঞা বা অসহযোগিতার কারণে প্রভাবিত হয়। Prisoner’s Dilemma অসহযোগী কৌশলগত পরিস্থিতির উদাহরণ, যেখানে প্রত্যেক খেলোয়াড় স্বার্থের জন্য স্বাধীনভাবে কাজ করে।
- উদাহরণ: দুই অপরাধীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করা হয়, তারা একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা না করলে দুজনেরই শাস্তি বেশি হবে।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ আবদুস সালাম    

৩১.
A common criticism of Game Theory is that— (ক্রীড়া তত্ত্বের একটি সাধারণ সমালোচনা হলো—)
  1. It ignores strategic interaction (এটি কৌশলগত পারস্পরিক ক্রিয়াকে উপেক্ষা করে)
  2. It assumes players are perfectly rational (এটি ধরে নেয় যে খেলোয়াড়রা সম্পূর্ণ যৌক্তিক)
  3. It cannot model conflict situations (এটি দ্বন্দ্বপূর্ণ পরিস্থিতি মডেল করতে পারে না)
  4. It rejects utility maximization (এটি ইউটিলিটি (লাভ/সুবিধা) সর্বাধিক করার ধারণা অস্বীকার করে)
ব্যাখ্যা

- বাস্তবে মানুষ সবসময় যৌক্তিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয় না। ক্রীড়া তত্ত্ব অনেক সময় perfect rationality ধরে নেয়, যা বাস্তব জীবনের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। Game Theory প্রায়ই সমালোচনার মুখোমুখি হয় কারণ এটি ধরে নেয় যে সব খেলোয়াড় পরিপূর্ণ যৌক্তিক (perfectly rational) এবং সবসময় নিজের সর্বাধিক সুবিধা অর্জনের জন্য কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেবে। 
- বাস্তবে, মানুষের আচরণ প্রায়ই আবেগ, সীমিত তথ্য, অস্পষ্টতা বা সামাজিক প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়। ফলে, Game Theory-এর কিছু পূর্বানুমান বাস্তব জীবনের সিদ্ধান্তগ্রহণের সাথে পুরোপুরি মিলে না। প্রধান সমালোচনা হলো এটি খেলোয়াড়দের মানবিক সীমাবদ্ধতা ও অনিয়মিত আচরণকে উপেক্ষা করে।
- উদাহরণ: Prisoner’s Dilemma-এ বাস্তবিকভাবে মানুষ কখনও কখনও অসামাজিক বা সহযোগী আচরণ করে, যা তত্ত্ব অনুযায়ী যৌক্তিক নয়।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক।

৩২.
Communication Theory helps policymakers by— (যোগাযোগ তত্ত্ব নীতিনির্ধারকদের সাহায্য করে—)
  1. Providing feedback for policy adjustment and improvement (নীতিমালা সংশোধন এবং উন্নতির জন্য ফিডব্যাক প্রদান করে)
  2. Ignoring media effects (মিডিয়ার প্রভাব উপেক্ষা করে)
  3. Overemphasizing rationality (যৌক্তিকতাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়)
  4. Focusing only on legislation (শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের ওপর কেন্দ্রীভূত হয়)
ব্যাখ্যা

 - যোগাযোগ তত্ত্ব নীতিনির্ধারকদের প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা বোঝার জন্য ফিডব্যাক প্রদান করে এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও উন্নতির সুযোগ তৈরি করে।
- Communication Theory (যোগাযোগ তত্ত্ব) রাজনৈতিক বিজ্ঞানে মূলত তথ্য ও বার্তা বিনিময় প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে। নীতিনির্ধারকরা যখন কোনো নীতি বা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে, তখন জনগণ, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে। এই প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে তারা নীতিকে সংশোধন, উন্নতি বা সমন্বয় করতে পারে।
- Communication Theory নীতিনির্ধারকদের জন্য ফিডব্যাক লুপ তৈরি করে, যা নীতি প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করে।
- উদাহরণ: কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও অভিভাবকদের মতামত সংগ্রহ করে নীতি উন্নত করা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক। 

৩৩.
A key limitation of Communication Theory in is— (যোগাযোগ তত্ত্বের একটি প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো—)
  1. It overemphasizes legal structures (এটি আইনি কাঠামোর ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়)
  2. It sometimes oversimplifies complex political realities (এটি কখনও কখনও জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতাকে সহজীকরণ করে)
  3. It ignores information flow (এটি তথ্য প্রবাহকে উপেক্ষা করে)
  4. It rejects media influence (এটি মিডিয়ার প্রভাবকে অস্বীকার করে)
ব্যাখ্যা

- বাস্তব রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং তথ্যের জটিলতা অনেক বেশি; যোগাযোগ তত্ত্ব প্রায়ই এই জটিলতাকে সহজীকরণ করে, যা বাস্তব পরিস্থিতি পুরোপুরি প্রতিফলিত করতে পারে না।
- Communication Theory (যোগাযোগ তত্ত্ব) রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তথ্য বিনিময় এবং বার্তা প্রেরণ ও গ্রহণের ভূমিকা বিশ্লেষণ করে। কিন্তু এই তত্ত্বের একটি সীমাবদ্ধতা হলো এটি জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ক্ষমতার ভারসাম্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব প্রায়ই সহজীকৃত বা সরলীকৃত আকারে বিশ্লেষণ করে।
- বাস্তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা অনেক বেশি বহুমুখী ও পারস্পরিক প্রভাবশীল, যা শুধু তথ্য প্রবাহের মডেল দ্বারা পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।  Communication Theory-এর সীমাবদ্ধতা হলো এটি কখনও কখনও বাস্তব জটিলতাকে অত্যধিক সরলীকরণ করে।- উদাহরণ: একটি নীতি প্রচারণা সফল না হওয়ার পেছনে শুধু বার্তা সংযোগের সীমাবদ্ধতাকে দেখানো, কিন্তু ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সামাজিক বিশ্বাস ও আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ।

৩৪.
Communication Theory studies— (যোগাযোগ তত্ত্ব অধ্যয়ন করে—)
  1. Legal frameworks (আইনগত কাঠামো)
  2. How information is transmitted and received in political systems (কিভাবে তথ্য রাজনৈতিক ব্যবস্থা মধ্যে প্রেরণ ও গ্রহণ হয়)  
  3. Economic models (অর্থনৈতিক মডেল)
  4. Class structures (শ্রেণী কাঠামো)
ব্যাখ্যা

- যোগাযোগ তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে কিভাবে রাজনৈতিক বার্তা, তথ্য ও নীতি জনগণ বা সরকারি সংস্থার মধ্যে প্রবাহিত হয়, এবং এটি নীতিনির্ধারণ, জনমত ও রাজনৈতিক আচরণ বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- Communication Theory (যোগাযোগ তত্ত্ব) মূলত বিশ্লেষণ করে তথ্য বা বার্তা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সমাজে কীভাবে প্রেরণ, গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ হয়।
- এটি দেখায় যে, নীতিনির্ধারক, সরকার, মিডিয়া এবং জনগণ কিভাবে একে অপরের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করে।
- তথ্যের সঠিক এবং কার্যকর প্রবাহ নিশ্চিত করলে নীতি প্রণয়ন, প্রশাসন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও কার্যকর হয়। Communication Theory রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তথ্য প্রবাহ এবং ফিডব্যাকের ভূমিকা বোঝায়।
- উদাহরণ: নির্বাচনী প্রচারণা, জনমত জরিপ, সরকারি ঘোষণা—সবই যোগাযোগ প্রক্রিয়ার অংশ।

৩৫.
Who is considered a key theorist in Communication Theory? (যোগাযোগ তত্ত্বের একজন প্রধান তাত্ত্বিক হিসেবে কাকে ধরা হয়?)
  1. Harold Lasswell
  2. Karl Marx
  3. Charles Lindblom
  4. Robert Dahl
ব্যাখ্যা

- Harold Lasswell-এর “Who says What in Which Channel to Whom with What Effect?” সূত্রটি আধুনিক Political Communication এবং Communication Theory-এর ভিত্তি স্থাপন করেছেন ,  যা যোগাযোগ প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ সহজভাবে বোঝায়।
- তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে সূত্র (source), বার্তা (message), মাধ্যম (channel), গ্রাহক (receiver) এবং প্রভাব (effect) রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তার মডেলটি নীতিনির্ধারণী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য তথ্য প্রবাহ এবং জনমতের প্রভাব বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
- Harold Lasswell হলো Communication Theory-এর কেন্দ্রিয় তাত্ত্বিক, বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে।

৩৬.
Lasswell’s model of communication focuses on— (Lasswell-এর যোগাযোগ মডেল মূলত ফোকাস করে—)
  1. Source, message, channel, receiver, effect (উৎস, বার্তা , মাধ্যম , গ্রাহক এবং প্রভাব)
  2. Economic outcomes (অর্থনৈতিক ফলাফলে)
  3. Institutional structure (প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে) 
  4. Decision-making only (শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণে)
ব্যাখ্যা

- Lasswell-এর মডেলটি রাজনৈতিক এবং সামাজিক কমিউনিকেশনের বিশ্লেষণের জন্য পাঁচটি মূল উপাদান চিহ্নিত করে:কে বলছে (Who), কী বলছে (Says What), কোন মাধ্যমে বলছে (In Which Channel), কাকে বলছে (To Whom), কী প্রভাব সৃষ্টি করছে (With What Effect)। 
-Source (উৎস): তথ্য বা বার্তা প্রেরণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।
-Message (বার্তা): প্রেরিত তথ্য বা কনটেন্ট।
-Channel (মাধ্যম): বার্তা পৌঁছানোর মাধ্যম, যেমন সংবাদপত্র, টিভি, সোশ্যাল মিডিয়া।
-Receiver (গ্রাহক): বার্তা গ্রহণকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী।
-Effect (প্রভাব): বার্তার ফলে জনমত, আচরণ বা সিদ্ধান্তে যে পরিবর্তন ঘটে।
- এই মডেলটি মূলত নীতিনির্ধারক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সাহায্য করে বোঝার জন্য যে কিভাবে বার্তা জনগণের মনোভাব এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। Lasswell-এর মডেল যোগাযোগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার একটি কাঠামোগত বিশ্লেষণ প্রদান করে।
- উদাহরণ: নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ 

৩৭.
Who is considered the founder of psychoanalysis? (মনোসমীক্ষণের  প্রবর্তক কে?)
  1. Carl Jung
  2. Sigmund Freud
  3. Alfred Adler
  4. Erik Erikson
ব্যাখ্যা

- সিগমুন্ড ফ্রয়েডকে আধুনিক মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির জনক বলা হয়। তিনি মানুষের মনের গঠনকে তিন ভাগে ভাগ করেন— Id (প্রবৃত্তি বা অচেতন তাড়না), Ego (বাস্তবতার নীতি মেনে চলা অংশ), এবং Superego (নৈতিকতা বা বিবেকবোধ)।
-তার মতে, মানুষের আচরণ ও ব্যক্তিত্ব গঠনের মূল চালিকা শক্তি হলো অবচেতন মন (Unconscious mind)। স্বপ্ন বিশ্লেষণ, মুক্ত সহযোগিতা (Free Association) এবং প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়া (Defense Mechanism) নিয়ে তার গবেষণাই মনোসমীক্ষণের ভিত্তি গড়ে তোলে। তাই মনোসমীক্ষণ বা Psychoanalysis-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সর্বজনবিদিত নাম হলো সিগমুন্ড ফ্রয়েড।

৩৮.
What is the main focus of the psychoanalytic approach? (মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য কী?)
  1. Analyzing political behavior and decisions through the unconscious mind (রাজনৈতিক আচরণ ও সিদ্ধান্তকে অবচেতন মন দিয়ে বিশ্লেষণ করা)
  2. Explaining only state structures (কেবল রাষ্ট্রের কাঠামো ব্যাখ্যা করা)
  3. Explaining economic development (অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাখ্যা করা)
  4. Measuring military power (সামরিক শক্তি পরিমাপ করা)
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক বিজ্ঞানে মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির (Psychoanalytic approach) মূল লক্ষ্য হলো রাজনীতির সঙ্গে মানুষের অবচেতন মন (Unconscious mind)-এর সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা।
- এই দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে নেতাদের সিদ্ধান্ত, ভোটারদের আচরণ, কিংবা রাজনৈতিক প্রতীকের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সবসময় যুক্তি (Rationality) দিয়ে বোঝা যায় না।
- অনেক সময় মানুষের অবদমিত আবেগ, মানসিক দ্বন্দ্ব, ভয়-ভীতি বা প্রতীকী আকর্ষণ রাজনৈতিক আচরণকে প্রভাবিত করে।
- উদাহরণস্বরূপ, হ্যারল্ড লাসওয়েল (Harold Lasswell) দেখিয়েছিলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব অনেক সময় অবচেতন প্রেরণা থেকে উৎসারিত হয়।
- তাই এই পদ্ধতির প্রধান ফোকাস হলো— রাজনৈতিক আচরণ ও সিদ্ধান্তকে অবচেতন মানসিক প্রক্রিয়ার আলোকে ব্যাখ্যা করা।
সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৩৯.
How does the psychoanalytic approach help in understanding political leaders? (রাজনৈতিক নেতাদের আচরণ বোঝার ক্ষেত্রে মনোসমীক্ষণ পদ্ধতি কীভাবে সহায়ক?)
  1. By explaining only legal structures (কেবল আইনি কাঠামো ব্যাখ্যা করে)
  2. By analyzing unconscious drives, mental conflicts, and personality (নেতার অবচেতন প্রবৃত্তি, মানসিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ করে)
  3. By studying electoral systems (নির্বাচনী ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে)
  4. By emphasizing class struggle (সমাজের শ্রেণীসংগ্রাম তুলে ধরে)
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক নেতাদের আচরণ অনেক সময় শুধুমাত্র যুক্তি, আইন বা কাঠামোগত বিশ্লেষণ দিয়ে বোঝা যায় না। মনোসমীক্ষণ পদ্ধতি মনে করে—অবচেতন প্রেরণা (Unconscious motives): নেতাদের ভেতরে লুকানো ভয়, আকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ বা প্রতীকের প্রতি আকর্ষণ তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। 
- মানসিক দ্বন্দ্ব (Psychological conflicts): নেতারা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, হীনমন্যতা বোধ, বা অতীত অভিজ্ঞতার কারণে অচেতনভাবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। 
- ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ (Personality analysis): নেতার চরিত্র, ব্যক্তিত্বের গঠন এবং মানসিক বৈশিষ্ট্য রাজনৈতিক আচরণ বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই মনোসমীক্ষণ পদ্ধতি আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে নেতার মানসিক জগৎ বিশ্লেষণ করে তার রাজনৈতিক আচরণ ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করে।
সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৪০.
Which of the following is a limitation of the psychoanalytic approach? (নিচের কোনটি মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির একটি সীমাবদ্ধতা?)
  1. It does not explain psychological aspects of humans (এটি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দিক ব্যাখ্যা করে না)
  2. It depends only on statistics (এটি শুধু পরিসংখ্যানের উপর নির্ভরশীল)
  3. It neglects complex political structures (এটি জটিল রাজনৈতিক কাঠামোকে অবহেলা করে)
  4. It is fully evidence-based (এটি সম্পূর্ণভাবে প্রমাণভিত্তিক)
ব্যাখ্যা

- মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির মূল ফোকাস হলো নেতার অবচেতন প্রেরণা, মানসিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ করা। কিন্তু এর ফলে এটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সংবিধান, আইন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ইত্যাদি জটিল কাঠামোগত দিককে অনেক সময় অবহেলা করে। - রাষ্ট্রব্যবস্থা বা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার কাঠামোগত বিশ্লেষণের বদলে এটি মূলত ব্যক্তিকেন্দ্রিক (leader-centric) ও মনস্তাত্ত্বিক দিককে প্রাধান্য দেয়। এজন্য অনেক সমালোচক মনে করেন, এটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক বিশ্লেষণ দিতে পারে না।
- মনোসমীক্ষণ পদ্ধতির একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটি জটিল রাজনৈতিক কাঠামোকে যথাযথ গুরুত্ব দেয় না।
সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৪১.
“Politics is the study of influence and the influential” — Who said this? (“Politics is the study of influence and the influential” —এই উক্তিটি কার?)
  1. Sigmund Freud
  2. Harold Lasswell
  3. Erik Erikson
  4. Alfred Adler
ব্যাখ্যা

- হ্যারল্ড লাসওয়েল মনে করেন, রাজনীতি বোঝার জন্য শুধু আইন, প্রতিষ্ঠান বা অর্থনৈতিক কাঠামো যথেষ্ট নয়; বরং মানুষের ক্ষমতার প্রতি আকাঙ্ক্ষা, প্রভাব বিস্তার ও নেতৃত্বের মানসিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করতে হবে।
- তার মতে, রাজনীতি মূলত হলো কে কাকে প্রভাবিত করছে এবং কে প্রভাবশালী — এই সম্পর্কের অধ্যয়ন। তাই তিনি রাজনীতিকে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন এইভাবে: “Politics is the study of influence and the influential.”
- এই দৃষ্টিভঙ্গি রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞান ও আচরণবাদী গবেষণার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই উক্তিটি করেছেন হ্যারল্ড লাসওয়েল, যিনি রাজনৈতিক আচরণ বিশ্লেষণে অবচেতন মন, প্রতীক ও প্রভাবের বিষয়টিকে সামনে এনেছিলেন।

৪২.
Which Marxist thinker emphasized the role of the state in revolutionary transition from capitalism to socialism?
(কোন মার্কসবাদী চিন্তাবিদ রাষ্ট্রের ভূমিকাকে পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে বিপ্লবী রূপান্তরের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন?
  1. Karl Marx
  2. Mao Zedong
  3. Friedrich Engels
  4. Vladimir Lenin
ব্যাখ্যা

- লেনিন মনে করতেন, শোষিত শ্রেণিকে ক্ষমতায় আসার জন্য রাষ্ট্রের প্রাথমিক ব্যবহার প্রয়োজন। তিনি প্রলেতারিয়ার বিপ্লব এবং দলীয় নেতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
- ভ্লাদিমির লেনিন (Vladimir Lenin) মার্কসবাদী চিন্তাবিদদের মধ্যে বিশেষভাবে রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ভূমিকা উপর জোর দিয়েছেন।- লেনিনের মতে, পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে রূপান্তর তখনই সফল হবে যখন রাষ্ট্রকে একটি বিপ্লবী যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা শ্রমিক শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করবে।
- তিনি দেখিয়েছেন যে, রাষ্ট্র কেবল শাসন ও নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র নয়, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবশালী মাধ্যম।
- উদাহরণ: বলশেভিক বিপ্লবের পর লেনিন সরকারের মাধ্যমে পুঁজিবাদী প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ ও সমাজতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করেন।
সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৪৩.
Which concept explains the conflict between different economic classes in society? (কোন ধারণা সমাজের বিভিন্ন অর্থনৈতিক শ্রেণির মধ্যে সংঘাত বোঝায়?) 
  1. Class struggle (শ্রেণি সংগ্রাম)
  2. Separation of powers (ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ)
  3. Social contract (সামাজিক চুক্তি)
  4. Political legitimacy (রাজনৈতিক বৈধতা)
ব্যাখ্যা

- সমাজে শোষক ও শোষিত শ্রেণির মধ্যে সংঘাতকে শ্রেণি সংগ্রাম (Class Struggle) বলা হয়। এটি মার্কসবাদে রাজনীতির মূল চালিকা শক্তি।
- Class struggle (শ্রেণি সংগ্রাম) হলো মার্কসীয় সমাজতত্ত্বের একটি মূল ধারণা, যা বোঝায় যে সমাজে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে সংঘাত বিদ্যমান।
- মার্কসের মতে, এই শ্রেণী সংগ্রামই সামাজিক পরিবর্তন এবং বিপ্লবের মূল চালিকা শক্তি। রাষ্ট্বিজ্ঞানে class struggle বোঝায় যে, রাষ্ট্র ও নীতিমালা প্রায়শই শক্তিশালী শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা এবং দুর্বল শ্রেণীর দাবির মধ্যে সংঘাতের ফলাফল। Class struggle সমাজের অর্থনৈতিক শ্রেণীর মধ্যে সংঘাত এবং সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান ব্যাখ্যা।
- উদাহরণ: পুঁজিপতি (Bourgeoisie) এবং শ্রমিক (Proletariat) শ্রেণীর মধ্যে সম্পদ ও ক্ষমতার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৪৪.
In Marxist theory, the state is primarily seen as— (মার্কসবাদী তত্ত্বে রাষ্ট্রকে মূলত কিভাবে দেখা হয়?)
  1. A neutral institution (নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান)
  2. A tool for class domination (শ্রেণি আধিপত্যের হাতিয়ার)
  3. A moral authority (নৈতিক কর্তৃপক্ষ)
  4. A religious institution(ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান)
ব্যাখ্যা

- মার্ক্সবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা নয়; এটি শাসক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা এবং প্রভাব বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মার্কসবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্র কেবল একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান নয়। এটি শ্রেণি আধিপত্য (class domination) বজায় রাখার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- সমাজে প্রধানত দুটি শ্রেণী থাকে: পুঁজিপতি (Bourgeoisie) এবং শ্রমিক (Proletariat)। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান, আইন, প্রশাসন এবং নীতি মূলত শক্তিশালী শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা এবং দুর্বল শ্রেণীকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। অতএব, Marxist theory-তে রাষ্ট্র হলো শ্রেণি আধিপত্য রক্ষার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
- উদাহরণ: কর নীতি, শ্রম আইন বা সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা প্রায়ই শ্রেণী বৈষম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৪৫.
Which of the following best represents Marx’s view on law and state? (নিচের কোনটি মার্ক্সের দৃষ্টিতে আইন ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি প্রকাশ করে?)
  1. Law is independent of class interests (আইন শ্রেণি স্বার্থ থেকে স্বাধীন)
  2. Law is purely moral (আইন সম্পূর্ণভাবে নৈতিক)
  3. Law is irrelevant in class society (আইন শ্রেণি সমাজে অপ্রাসঙ্গিক)
  4. Law reflects and protects ruling class interests (আইন শাসক শ্রেণির স্বার্থ প্রতিফলিত করে)
ব্যাখ্যা

- আইন এবং রাষ্ট্র মূলত শাসক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করে। শ্রমিক শ্রেণির শোষণকে বৈধ দেখানোর জন্য আদর্শ ও আইন ব্যবহৃত হয়।
- মার্কসের মতে, রাষ্ট্র এবং আইন নিরপেক্ষ নয়, বরং তারা শাসক শ্রেণীর ক্ষমতা ও স্বার্থ রক্ষা করে। আইন, প্রশাসন এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মূলত শক্তিশালী শ্রেণীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়।
- মার্কস বিশ্বাস করতেন যে আইন ও রাষ্ট্রের কাঠামো শ্রেণী বৈষম্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত এবং বৈধতা দেয়। Marx-এর দৃষ্টিতে আইন হলো শাসক শ্রেণীর স্বার্থের প্রতিফলন।
- উদাহরণ: পুঁজিপতি শ্রেণীর সম্পদ সুরক্ষা, শ্রমিকদের অধিকার সীমিত করা, কর ব্যবস্থা ইত্যাদি।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ সানাউল্যাহ 

৪৬.
What is “false consciousness” in Marxist theory? (মার্কসবাদে “False Consciousness” বা মিথ্যা সচেতনতা কী বোঝায়?)
  1. Awareness of one’s true class interests (নিজের প্রকৃত শ্রেণি স্বার্থ বোঝা)
  2. Misunderstanding of social and economic realities by the working class (শোষিত শ্রেণির সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা ভুলভাবে বোঝা)
  3. Ideological clarity (আদর্শগত স্পষ্টতা)
  4. Political empowerment (রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন)
ব্যাখ্যা

- False Consciousness হলো শ্রমিক বা শোষিত শ্রেণির নিজেদের স্বার্থ, অবস্থা ও শোষণ বুঝতে অক্ষমতা, যা শাসক শ্রেণির সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়।
-এটি বোঝায় যে শ্রমিক বা শোষিত শ্রেণী নিজের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার প্রকৃত স্বার্থ এবং শোষণ বোঝে না। ফলে তারা শাসক শ্রেণীর স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করে বা ক্ষমতা ও সম্পদের অসাম্য স্বাভাবিক বলে মনে করে।
- মার্কস মতে, এই False Consciousness দূর করলে শ্রমিক শ্রেণী নিজেদের স্বার্থ রক্ষা ও বিপ্লবী পরিবর্তন ঘটাতে পারে। False Consciousness হলো শোষিত শ্রেণীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার ভুল বা বিকৃত বোঝাপড়া।
- উদাহরণ: শ্রমিকরা বিশ্বাস করে যে তাদের শোষণ “স্বাভাবিক” বা “প্রাকৃতিক,” ফলে তারা শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে একত্রিত হয় না।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক  

৪৭.
Neo-Marxist theory primarily focuses on— (নব্য-মার্কসবাদী তত্ত্ব মূলত কী ওপর গুরুত্ব দেয়?)
  1. Only economic factors (শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কারণ)
  2. Religious authority (ধর্মীয় কর্তৃত্ব)
  3. Military power (সামরিক শক্তি)
  4. Economic factors, culture, ideology, and political institutions (অর্থনীতি, সংস্কৃতি, আদর্শ এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান)
ব্যাখ্যা

- নব্য-মার্কসবাদ শুধুমাত্র অর্থনীতিকে নয়, বরং সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও  আদর্শকে শ্রেণি আধিপত্য বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখায়। Neo-Marxist theory (নব্য-মার্কসবাদী তত্ত্ব) মূলত মার্কসের মৌলিক অর্থনৈতিক ভিত্তি তত্ত্বকে সম্প্রসারিত করে।
- এটি কেবল অর্থনীতির ওপর নয়, সংস্কৃতি, আদর্শ (ideology), রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক প্রক্রিয়া-র ওপরও গুরুত্ব দেয়। সমাজের পরিবর্তন এবং ক্ষমতার কাঠামো বোঝার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানের সমন্বিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
- নব্য-মার্কসবাদী তত্ত্ব হলো অর্থনীতি, সংস্কৃতি, আদর্শ ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান একত্রিতভাবে বিশ্লেষণ করার একটি বিস্তৃত তত্ত্ব।
- উদাহরণ: Antonio Gramsci-এর hegemony ধারণা দেখায় যে কিভাবে শাসক শ্রেণী সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজের প্রভাব বজায় রাখে, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক শক্তি নয়।

সূত্রঃ রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক 

৪৮.
Which thinker combined Marxist theory with civil society and culture? (কোন চিন্তাবিদ মার্কসবাদকে সমাজ এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন?)
  1. Karl Marx
  2. Friedrich Engels
  3. Antonio Gramsci
  4. Vladimir Lenin
ব্যাখ্যা

- গ্রামসি দেখিয়েছিলেন, রাষ্ট্র ও শ্রেণি আধিপত্য বোঝার জন্য সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সমাজকে বিশ্লেষণ করা জরুরি। Antonio Gramsci হলো নব্য-মার্কসবাদী চিন্তাবিদ, যিনি মার্কসবাদকে কেবল অর্থনীতি নয়, সমাজ এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন।
- গ্রামসি দেখিয়েছেন যে শাসক শ্রেণীর ক্ষমতা কেবল বাহ্যিক শোষণ দ্বারা নয়, বরং সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং মতাদর্শের মাধ্যমে জনগণের মানসিকতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বজায় থাকে।
- তিনি “cultural hegemony” (সাংস্কৃতিক আধিপত্য) ধারণা প্রবর্তন করেন, যা বোঝায় যে শাসক শ্রেণী সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে নিজের স্বার্থের প্রভাব সম্প্রসারিত করে।
- সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে কেবল অর্থনৈতিক সংগ্রাম নয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনও প্রয়োজন।

সূত্র: রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – মোহাম্মদ আবদুস সালাম।  

৪৯.
Neo-Marxists differ from classical Marxists because they— (নব্য-মার্কসবাদ ক্লাসিক্যাল মার্কসবাদ থেকে ভিন্ন কারণ-) 
  1. Consider ideology, culture, and political institutions along with economics (অর্থনীতির পাশাপাশি আদর্স, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকেও গুরুত্ব দেয়)
  2. Focus only on class conflict (শুধুমাত্র শ্রেণি সংঘাতে মনোযোগ দেয়)
  3. Reject materialist analysis (বস্তুবাদের বিশ্লেষণ প্রত্যাখ্যান করে)
  4. Emphasize individual morality (ব্যক্তিগত নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেয়)
ব্যাখ্যা

- নব্য-মার্কসবাদ শুধু অর্থনীতি নয়, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকেও বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত করে। Classical Marxism (ক্লাসিক্যাল মার্কসবাদ) মূলত অর্থনৈতিক ভিত্তি (economic base) এবং শ্রেণী সংগ্রামের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিল।
- Neo-Marxism (নব্য-মার্কসবাদ) এটি সম্প্রসারিত করে এবং শক্তি ও ক্ষমতা বিশ্লেষণে অর্থনীতির পাশাপাশি আদর্শ , সংস্কৃতি  ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকেও অন্তর্ভুক্ত করে।
- নব্য-মার্কসবাদ সমাজ ও রাজনীতির বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ প্রদান করে, যেখানে শুধুমাত্র অর্থনীতি নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। Neo-Marxists classical Marxists-এর তুলনায় আরও বিস্তৃত এবং সমন্বিত বিশ্লেষণ দেয়।
- উদাহরণ: Antonio Gramsci দেখিয়েছেন যে শাসক শ্রেণী শুধু অর্থনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমেও ক্ষমতা বজায় রাখে।

সূত্র: রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক।

৫০.
Which concept is central in Neo-Marxist analysis of society? (সমাজ বিশ্লেষণে নব্য-মার্কসবাদে কোন ধারণা কেন্দ্রীয়?)
  1. Collective unconscious (সমষ্টিগত অবচেতন)
  2. Electoral competition (নির্বাচনী প্রতিযোগিতা)
  3. Hegemony (আধিপত্য)
  4. Separation of powers (ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ) 
ব্যাখ্যা

- নব্য-মার্কসবাদে সাংস্কৃতিক আধিপত্য গুরুত্বপূর্ণ, যা দেখায় কিভাবে শাসক শ্রেণির ধারণা ও সংস্কৃতি শ্রেণি আধিপত্য বজায় রাখে। 
- Hegemony (আধিপত্য) হলো Neo-Marxist theory-এর একটি কেন্দ্রীয় ধারণা, যা Antonio Gramsci প্রবর্তন করেছিলেন।এটি বোঝায় কিভাবে শাসক শ্রেণী শুধু অর্থনৈতিক শক্তি নয়, বরং সংস্কৃতি, শিক্ষা, ধর্ম ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে নিজের ক্ষমতা বজায় রাখে।
 - জনগণ প্রায়শই শাসক শ্রেণীর স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করতে রাজি থাকে, এমনকি তা তাদের নিজের স্বার্থের বিরোধী হলেও।Hegemony ধারণা দেখায় যে শক্তি শুধুমাত্র জোর বা বাহ্যিক শোষণ নয়, সাংস্কৃতিক ও মানসিক প্রভাবের মাধ্যমে বজায় থাকে।
- উদাহরণ: শিক্ষা, মিডিয়া এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি এমনভাবে পরিচালিত হয় যাতে শাসক শ্রেণীর প্রভাব স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য মনে হয়।

সূত্র: রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি – সৈয়দ নুরুল হক।