পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে- এ মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কেপলার
  2. খ) কোপারনিকাস
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
-“পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।” - এই মতবাদের প্রবক্তা ১৬ শতকের অন্যতম জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস।

-কোপারনিকাসকে বলা হয়ে থাকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক।  
-পরবর্তীতে গ্যালিলিও এবং কেপলার এ মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্টিফেন হকিং 
  2. খ) জি.লেমেটার
  3. গ) জর্জ গ্যামো
  4. ঘ) কোপারনিকাস
ব্যাখ্যা
জি.লেমেটারকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক বলা হয়। তিনি একজন বেলজিয়ামের নাগরিক, ক্যাথোলিক ধর্মযাজক যাকে "Father of Big Bang Theory" নামে অভিহিত করা হয়।  

বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুসারে,মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি একক কণার বিস্ফোরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
একক বস্তুটিই মহাবিশ্বের মূল বস্তু যার পরবর্তী কালে প্রসারণের ফলে সম্প্রসারণ শীল মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এবং বস্তুটিও শীতল হতে থাকে। এই সময় থেকেই প্রসারণের শুরু যা বিগ ব্যাং নামে পরিচিত। মহাজাগতিক বস্তু প্রসারণের ফলে ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে এবং গামা রশ্মি মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে ও পরমাণুর ছোট কণার উদ্ভব হয়। 
-পরবর্তীতে স্টিফেন হকিং আধুনিক বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। 
- A Brief History of time গ্রন্থের লেখক হলেন স্টিফেন হকিং। 

সূত্র: American Museum of Natural History Website. [লিঙ্ক]
.
মহাশূন্যে সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ -
  1. ক) হাবল টেলিস্কোপ
  2. খ) জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ
  3. গ) স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ
  4. ঘ) গ্যালাক্সি ইভোলিউশন এক্সপ্লোরার
ব্যাখ্যা
-মহাশূন্যে সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপের নাম হচ্ছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। 

-জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এতে ৬.৫ মিটার চওড়া সোনার প্রলেপ লাগানো প্রতিফলক আয়না আছে এবং আছে অতি সংবেদনশীল ইনফ্রারেড তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের যন্ত্রপাতি।
-মহাবিশ্বকে আরো স্পষ্টভাবে দেখার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এটি নেক্সট জেনারেশন স্পেস টেলিস্কোপ (Next Generation Space Telescope বা NGST)। 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট।
.
Milky Way কী?
  1. ক) সুপারনোভা
  2. খ) সৌরজগত
  3. গ) তারা
  4. ঘ) ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
অন্ধকার রাতে পরিষ্কার আকাশে জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর দিকে তাকালে আকাশে সাদা মেঘের মতো বিস্তীর্ণ এলাকা দেখা যায়, যা উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে চলে গেছে, একে ছায়াপথ বলে।
- ছায়াপথ  আসলে লক্ষকোটি নক্ষত্র ও তাদের গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গঠিত।
-মহাজাগতিক বস্তুর দূরত্ব পরিমাপ করতে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। 
-এক বছরে আলো যত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে তাই হল আলোকবর্ষ এক আলোকবর্ষ সমান নয় লক্ষ কোটি কিলোমিটার। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
.
মহাজাগতিক রশ্মিতে শতকরা কত ভাগ প্রোটন থাকে?
  1. ক) ৮৮%
  2. খ) ৮৯%
  3. গ) ৯০%
  4. ঘ) ৯১%
ব্যাখ্যা
-মহাজাগতিক রশ্মিতে থাকে শতকরা ৮৯ ভাগ প্রোটন, ৯ ভাগ বিকিরণ এবং ২ ভাগ থাকে কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও লোহার ভারি নিউক্লিয়াস। 
-Cosmic Ray এর বাংলা হলো মহাজাগতিক রশ্মি।
-মহাজাগতিক রশ্মি হলো অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার স্রোত। বহির্বিশ্ব থেকে ওই সব কণা এসে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে। কণার ওই বারিবর্ষণ এক অবিশ্রান্ত প্রক্রিয়া। 

সূত্র: Science Direct Website.
.
নাসা প্রথম কত সালে ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০২১
ব্যাখ্যা
নাসা ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে।

একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না। ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে। 

সূত্র: NASA Website. 
.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজন গ্যাস রয়েছে?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমন্ডল স্তরে ওজন নামক গ্যাস রয়েছে। 

ট্রপোমন্ডলের উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত। স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রা স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোপজ বলে। 

স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১। এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে অবস্থান করে। ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। 
২। এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাস্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুস্ক। ঝড়, বৃষ্টি থাকে না বলে এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
৩। প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

সূত্র: সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার 
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি প্রায় বায়ুশুন্য। এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। তাপমণ্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

- ট্রপোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নীচের স্তরটিকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার- ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটিকে বলা হয় স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere)। 
- মেসোস্ফিয়ার- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয় মেসােস্ফিয়ার (Mesosphere)। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
.
একটি ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাস সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ক) ৩০০ কিলোমিটার
  2. খ) ৪০০ কিলোমিটার
  3. গ) ৫০০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৬০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
একটি ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাস ৩০০ হতে সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। 

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)  ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলী ঝড় বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়। এটি সাধারণ  প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের একটি। ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় (Tropical cyclone) বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়।

ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘সাইক্লোন’ গ্রিক শব্দ ‘কাইক্লোস’ (Kyklos) থেকে এসেছে। কাইক্লোস শব্দের অর্থ কুন্ডলী পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের উপগ্রহ চিত্র থেকে এমনতর নামকরণের যথার্থতা বোঝা যায়। ব্রিটিশ-ভারতীয় বিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ  হেনরী পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত সামুদ্রিক দুর্যোগ বিষয়ক পুস্তক The Sailor’s Horn-book for the Law of Storms -এ প্রথমবারের মতো সাইক্লোন শব্দটি ব্যবহার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১০.
আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকে কী বলে?
  1. ক) ভুমিকম্প
  2. খ) সুনামি
  3. গ) বন্যা
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে। 

সুনামি (Tsunami)  ‘সুনামি’  জাপানি শব্দ। বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’। সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।

সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্র তলদেশের মাটিকে যেমন নাড়া দেয়, তেমনি স্বাভাবিকভাবেই পানিতেও কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূমির কম্পন যখন পানিতে সঞ্চালিত হয়, তখন তার ফলে সুনামির উৎপত্তি হতে পারে। গভীর জলে সুনামি প্রতি ঘন্টায় ৬০০ মাইল (১০০০ কিলোমিটার) গতির হতে পারে। সুনামির ঢেউ সাধারণত হয় ধারাবাহিক এবং একটি ঢেউয়ের চূঁড়া থেকে আরেকটি ঢেউয়ের চূড়ার দূরত্ব ১০০ মাইলের (১৬০ কিলোমিটার) মতো হতে পারে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১১.
ট্রানজিস্টর কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে (Bell Laboratory) প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টার ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক সাধারণ ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক (Charge carrier) থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টার বলে ।
- পয়েন্ট কন্টাক্ট (Point contact) এবং জাংশন তৈরি পদ্ধতিতে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দু'ধরনের। যথা- n-p-n এবং এ p-n-p।
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় দুটি p-n জাংশন পাশাপাশি সংযোগ করলে n-p-n বা p-n-p ট্রানজিস্টর পাওয়া যায়।

সূত্র: ৩৫৪ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
১২.
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান -
  1. ক) 1.5 V
  2. খ) 1.7 V
  3. গ) 0.5 V
  4. ঘ) 0.7 V
ব্যাখ্যা
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান 0.7 V.

- জার্মেনিয়াম ডায়োডের ক্ষেত্রে নী ভোল্টেজের মান 0.3 V.
- একটি p-n জাংশনে বাহ্যিক ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয়।
- এটি নির্ভর করে p-n জাংশনে বিভব পার্থক্য কীভাবে প্রয়োগ করা হয়, তার ওপর।
- একটি p-n জাংশনকে দুই ভাবে বায়াসিং বা ঝোঁক প্রদান করা যায়। এগুলো হলো
১। সম্মুখী ঝোঁক (Forward Bias)
২। বিমুখী ঝোঁক (Reverse Bias)
১। সম্মুখী ঝোঁক- যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যার ফলে এটি বিভব প্রাচীরকে হ্রাস করে বা নিষ্ক্রিয় করে তড়িৎপ্রবাহ চালু করে তখন একে সম্মুখী ঝোঁক বলা হয়। বহিঃস্থ ভোল্টেজ যদি p-n জাংশনে এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যে, কোষের ধনাত্মক প্রাক্ড p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রার্ল্ড n-টাইপ অর্ধপরিবাহী সাথে সংযুক্ত করা হয় তাহলে তাকে সম্মুখী ঝোঁক বলে।  
২। বিমুখী ঝোঁক-  যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে বিভব প্রাচীর-এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তখন একে বিমুখী ঝোঁক বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
জোয়ার ও ভাটার সময়ের পার্থক্য-
  1. ক) ৮ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
  2. খ) ৬ ঘণ্টা ৫০ মিনিট
  3. গ) ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে বিভিন্ন অংশে প্রতিদিন দু'বার করে জোয়ার ও দু'বার করে ভাঁটা হয়ে থাকে ।
- পশ্চিম থেকে পূর্বে পৃথিবী ২৪ ঘন্টায় একবার নিজ অক্ষের ওপর ঘোরে।
- চন্দ্রও নিজ কক্ষপথে অবস্থান করে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে এবং পৃথিবীর চারদিকে পরিক্রমণ করে।
- পৃথিবীর একবার আবর্তন সময়ে অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় চন্দ্র নিজ কক্ষের প্রায় ১৩° পথ অগ্রসর হয়। 
- এক মুখ্য জোয়ার চলে যাবার ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সাড়ে বার ঘন্টা পরে সেই জায়গায় গৌণ জোয়ার এবং ঐ স্থানের প্রত্যেক জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়।

সূত্র: ২১৫ পৃষ্ঠা, ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Internal Circuit
  2. খ) Intorvert Circuit
  3. গ) Integrated Circuit
  4. ঘ) Inverted Circuit
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ- Integrated Circuit.

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ নামেও অভিহিত করা হয়। 

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
১৫.
কোয়ান্টাম তত্ত্ব মতবাদের প্রবক্তা -
  1. ক) আইনস্টাইন 
  2. খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. গ) হাইগেন
  4. ঘ) রন্টজেন
ব্যাখ্যা
-কোয়ান্টাম তত্ত্ব মতবাদের প্রবক্তা ম্যাক্স প্লাঙ্ক। 

-কোয়ান্টাম থিওরির দুই প্রতিষ্ঠাতা নিলস বোর এবং ম্যাক্স প্লাঙ্ক। 
- আলোকশক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তি সম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে। ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।

সূত্র: American Museum of Natural History Website.