পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৬ রিভিশন – সম্পূর্ণ সিলেবাস [Live Class – 1 to 20]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সিপাহী মোস্তফা কামাল কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলেন?
  1. ১নং
  2. ২নং
  3. ৩নং
  4. ৪নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাসেম খান
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:

- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর ছাড়া পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯২ পৃষ্ঠা
  3. ৯৩ পৃষ্ঠা
  4. ৯৪ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. গাজীপুর
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. সাভার
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:

- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর জনগণ পূর্বে ‘মগ’ নামে পরিচিত ছিল?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. চাকমা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:

- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
কী ধরনের শাসনব্যবস্থায় 'রাজনৈতিক জোট' গড়ে উঠার প্রবণতা দেখা যায়?
  1. বহুদলীয় ব্যবস্থায়
  2. দ্বিদলীয় ব্যবস্থায়
  3. একদলীয় ব্যবস্থায়
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বহুদলীয় ব্যবস্থা:

- 'রাজনৈতিক জোট' গড়ে উঠার প্রবণতা দেখা যায় বহুদলীয় শাসনব্যবস্থায়।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুইটির বেশি দল রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লড়াইয়ে কার্‍্যকর ভূমিকা পালন করে তাকে বহুদলীয় ব্যবস্থা বলে।
- বহুদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত সাধারণ নির্বাচনে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না।
- ফলে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য অনেক সময় সমমনা দলগুলির সমন্বয়ে 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।
- বহু দলীয় ব্যবস্থায় মতামত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা থাকে।
- জনগণ ইচ্ছামত যেকোনো দলকে সমর্থন করে তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।
.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'প্রতিরক্ষা' ঐতিহাসিক ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।