পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩সময়45 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩ (সুরমা) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৪.০৪.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এল বান। পঙক্তির রচিয়তা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) কবি সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দিনের আলো নিবে এল,
        সুয্যি ডোবে - ডোবে।
আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে
        চাঁদের লোভে লোভে।
মেঘের উপর মেঘ করেছে—
        রঙের উপর রঙ,
মন্দিরেতে কাঁসর ঘন্টা।
        বাজল ঠঙ ঠঙ।
ও পারেতে বিষ্টি এল,
        ঝাপসা গাছপালা।
এ পারেতে মেঘের মাথায়
        একশো মানিক জ্বালা।
বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে
        ছেলেবেলার গান—
‘বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
        নদেয় এল বান।’
.
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপধ্যায় রচিত একটি-
  1. ক) নাটক
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) গল্প
  4. ঘ) প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা
 - বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। এর কাহিনীর পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক 'সব্যসাচী' এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- নিঃসন্দেহে এই কাহিনীতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবের আন্তরিক সমর্থন আছে। গ্রন্থটি প্রকাশের সাথে সাথে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়।
- ‘আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতা আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা’ এই বক্তব্য ছিল উপন্যাসের শেষে।
- উপন্যাসটি ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
গ্রীক ট্রাজেডি ‘ইডিপাস’ বাঙলায় কে অনুবাদ করেন?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) কবীর চৌধুরী
  3. গ) সৈয়দ আলী আহসান
  4. ঘ) লিলি চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• ‘ইডিপাসের’ বাংলা অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান।
• সৈয়দ আলী আহসান (১৯২০-২০০২) শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হলো
কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ ।
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।

প্রবন্ধ:
- গবেষণা।
- নজরুল ইসলাম।
- কবিতার কথা।
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা।
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা
- কবি মধুসূদন।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।

অনুবাদ:
হুইট্ম্যানের কবিতা।
ইডিপাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) উম্মিলিত
  2. খ) উন্মীলিত
  3. গ) উম্মীলীত
  4. ঘ) উন্মিলীত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - উন্মীলিত (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [উদ্+√মীল্+ত]
অর্থ: বিকশিত, প্রস্ফুটিত, উন্মোচিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) ক্ষীণজীবী
  2. খ) ক্ষীণজীবি
  3. গ) ক্ষীনজিবী
  4. ঘ) ক্ষীণজীবি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ক্ষীণজীবী (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত প্রত্যয় = [ক্ষীণ+√জীব্+ইন্]
অর্থ: দীর্ঘজীবী নয় এমন, অল্পজীবী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নদীর মাছ সুস্বাদু’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় ষষ্ঠী
  2. খ) কর্মে ষষ্ঠী
  3. গ) অধিকরণে ষষ্ঠী
  4. ঘ) অপাদানে ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
• ষষ্ঠী বিভক্তি হচ্ছে - র, এর।

- 'নদীর মাছ সুস্বাদু' বাক্যে 'নদী' স্থানকে বুঝায় এবং এর সাথে 'র' যুক্ত আছে;
তাই এটি অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় ১মা
  2. খ) কর্তায় ২য়া
  3. গ) কর্তায় ৭মী
  4. ঘ) কর্মে ২য়া
ব্যাখ্যা
 • “ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল” বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটিতে- কর্তৃকারকে/কর্তাকারকে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।

• বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে 'কে/ কারা' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক। (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)

কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ-
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তি
- পাছে লোকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
- ঘোড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
- মানুষ ভাবে এক হয় আর এক = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘বইপড়া’- (বইকে পড়া) কোন সমাস?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) কর্মধারয়
  3. গ) তৎপুরুষ
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
• বইকে পড়া = বইপড়া, এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।

• পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তির (কে, রে) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
- দুঃখকে প্রাপ্ত দুঃখপ্রাপ্ত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘দিগম্বর’ (দিক অম্বর যার) কোন সমাস?
  1. ক) তৎপুরুষ
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
• যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে ।
যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন,
- চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
- পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার,
- দিগম্বর = দিক অম্বর যার,
- নীলাম্বর = নীল অম্বর যার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না’- এক কথায় কী হবে?
  1. ক) পতিত
  2. খ) বন্ধ্যা
  3. গ) অনুর্বর
  4. ঘ) ঊষর
ব্যাখ্যা
“যে জমিতে ফসল জন্মায় না” এক কথায় বলে - ঊষর।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক খথায় প্রকাশ হলো:
- ‘যে জমিকে দু-বার ফসল জন্মায়’ - দো-ফসলি।
- ‘যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই’ - অবিসংবাদী।
- ‘যে আলোতে কুমুদ ফোটে’ - কৌমুদী।
- ‘যে সর্বত্র গমন করে’ - সর্বগ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘যার কোন উপায় নেই’- এক কথায় কী হবে?
  1. ক) নাচার
  2. খ) নিরুপায়
  3. গ) অনন্যোপায়
  4. ঘ) অনুপায়
ব্যাখ্যা
• ‘যার কোন উপায় নেই’- এক কথায় বলে - নিরুপায়
অন্যদিকে,
- যার অন্য উপায় নেই - অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে - প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই - অকুতোভয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
‘বৃষ্টি’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) বৃষ্ + তি
  2. খ) বৃষ + টি
  3. গ) বিষ + তি
  4. ঘ) বৃ + ষ্টি
ব্যাখ্যা
• বৃষ্টি = বৃষ্+তি

অনুরূপ কিছু সন্ধি বিচ্ছেদ হলো:
- বীরেন্দ্র = বীর+ইন্দ্র
- বিদ্যালয় = বিদ্যা+আলয়
- বিচ্ছেদ = বি+চ্ছেদ 
- বাগদান = বাক্+দান

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) তনয়া
  2. খ) অক্ষমা
  3. গ) অংশু
  4. ঘ) পরভূত
ব্যাখ্যা
• কিরণ’ এর সমার্থক শব্দ - অংশু, রশ্মি, প্রভা, দীপ্ত, জ্যোতি, আলোকচ্ছবি , শিখা, কর।
 কিছু প্রতিশব্দ হলো:
‘কবুতর’ এর সমার্থক শব্দ - কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।
‘তনয়া’ এর সমার্থক শব্দ -  তনয়া, মেয়ে, দুহিতা, আত্মাজা, নন্দিনী, পুত্রী, ঝি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
‘চিরন্তন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) পুরাতন
  2. খ) ক্ষণকালীন
  3. গ) তিরোভাব
  4. ঘ) পরলোক
ব্যাখ্যা
• ‘চিরন্তন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - ক্ষণকালীন

অন্যদিকে, 
- পুরাতন = নব
- পরলোক = ইহলোক
- তিরোভাব = আবির্ভাব

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
‘হঠাৎ ধনী হওয়া’- কোন বাগধারা দিয়ে বুঝানো হয়েছে?
  1. ক) আঙ্গুলে ফুলে কলাগাছ
  2. খ) পোয়া বারো
  3. গ) ছেলের হাতে মোয়া
  4. ঘ) অমাবশ্যার চাঁদ
ব্যাখ্যা
•  `আঙ্গুলে ফুলে কলাগাছ’ বাগধারার অর্থ - হঠাৎ ধনী হওয়া

কয়েকটি বাগধার হলো:
• কৈয় মাছের প্রাণ - যা সহজে মরে না
• পুটি মাছের প্রাণ - ছোটো মন
• তানকানা - কাণ্ডজ্ঞানহীন
• তিলকে তাল করা - ছোটকে বড় করা

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) Accesible
  2. খ) Accessible
  3. গ) Acsesible
  4. ঘ) Accissable
ব্যাখ্যা
• Accessible (adjective) access (to)
English Meaning: easily understood or appreciated, (of a place) able to be reached or entered.
Bangla Meaning: অভিগম্য; কোনো কিছুর দ্বারা প্রাভাবিত করার উপযোগী।
১৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান-
  1. ক) Exilaration
  2. খ) Exilaretion
  3. গ) Exhilaretion
  4. ঘ) Exhilaration
ব্যাখ্যা
Exhilaration (noun)
English Meaning: The act of enlivening the spirits; the act of making glad or cheerful; a gladdening.
Bangla Meaning: উল্লাস।

Source: Bangla Academy Dictionary.
১৮.
`You must adhere ______ your principle' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে _____
  1. ক) to
  2. খ) with
  3. গ) at
  4. ঘ) in
ব্যাখ্যা
– Adhere (to) দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা, সেঁটে থাকা; বিশ্বস্ত/ অনুগত/ অবিচল থাকা; বিচ্যুত না-হওয়া; দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা।

Example:
- I shall adhere to my plan
- You must adhere to your principles.

সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to.
১৯.
'I always confide ______ you' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) at
  2. খ) on
  3. গ) in
  4. ঘ) of
ব্যাখ্যা
• Confide এর অর্থ বিশ্বাস করা; নির্ভর করা। 
- Confide এর পর preposition হিসেবে in বসে। 
Example Sentence: I can confide in his honesty.

তাই শূন্যস্থানের সঠিক উত্তর হবে - in.
Complete Sentence: I always confide in you.
২০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Mr. Aref in not on the commitlee
  2. খ) Mr. Aref in not in the committee
  3. গ) Mr. Aref in not on the commitlee
  4. ঘ) Mr. Aref in not on the committee
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনের কোন বাক্যই সঠিক নয়।
তাই পর্যসনটি বাতি করা হয়েছে।

সঠিক বাক্য:
Mr. Aref is not on the committee
সদস্য বুঝাতে on বসে।
২১.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) The Lake Chilka is in Orissa.
  2. খ) The Lake Chilka is in the Orissa.
  3. গ) Lake Chilka is in Orissa.
  4. ঘ) Lake Chilka is in the Orissa.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে একমাত্র সঠিক উত্তর হচ্ছে -  Lake Chilka is in Orissa.
- কারণ Lake/ হ্রদ  এবং কোন স্থানের নামের পূর্বে সাধারণত কোনো article বসে না।
২২.
কোনটি ‘Panic' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Calmness
  2. খ) Horror
  3. গ) Serenity
  4. ঘ) Tranquility
ব্যাখ্যা
• Panic -  দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এমন অবুঝ নিয়ন্ত্রণহীন আতঙ্ক।

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Calmness - শান্ত; নির্বাত;  স্থির
খ) Horror - বিভীষিকা; আতঙ্ক; আতঙ্কবোধ
গ) Serenity - প্রশান্তি।
ঘ) Tranquility - প্রশান্তি; শান্ত অবস্থা।

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Horror শব্দটি Panic এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই সঠিক উত্তর Horror.

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৩.
কোনটি ‘Gain' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Advantage
  2. খ) Fulfil
  3. গ) Promote
  4. ঘ) Loss
ব্যাখ্যা
• Gain - বিত্তসঞ্চয়; লাভ; মুনাফা; প্রাপ্তি; বিষয়বৃদ্ধি।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Advantage - উপকারী বা দরকারি কিছু; সুবিধা; সুযোগ।
খ) Fulfil -  পালন/প্রতিপালন করা; সম্পন্ন/নিষ্পন্ন করা; পূরণ/পূর্ণ করা
গ) Promote - পদোন্নতি দান করা; সংবর্ধিত করা
ঘ) Loss -  ক্ষতি; ক্ষয়; হানি।
- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Advantage শব্দটি Gain এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হবে - Advantage.

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৪.
'He made me drive his car' বাক্যটির Passive form হবে-
  1. ক) I am made to drive his car by him.
  2. খ) I was made driven his car to him.
  3. গ) I was made drive his car by him.
  4. ঘ) I was made to drive his car by him
ব্যাখ্যা
• 'He made me drive his car' বাক্যটির Passive form হবে - I was made to drive his car by him
- 'He made me drive his car.' এখানে ‘make’ verb এর পরে ‘to’ bare infinitive উহ্য আছে।
- কিন্তু Passive voice এ এটা bare infinitive থাকবেনা, to যুক্ত infinitive হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

তাই সঠিক voice change হলো - I was made to drive his car by him
২৫.
'My uncle looks after me' বাক্যটির Passive form হবে-
  1. ক) I am look after by my uncle
  2. খ) I am looked after by my uncle
  3. গ) I was looked after by my uncle
  4. ঘ) I am being looked after by my uncle
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - I am looked after by my uncle.
- Assertive sentence এর passive করার নিয়ম -
Active এর object বসে subject রূপে + tense অনুযায়ী auxiliary verb am/is/are + মূল verb এর past participle form + by + active এর subject, object রূপে বসে + other words.
২৬.
কোনটি Common Noun?
  1. ক) February
  2. খ) Jute
  3. গ) Mouth
  4. ঘ) Class
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে - Mouth হচ্ছে Common noun.
• Common Noun:
- নির্দিষ্ট কোনকিছুর নামকে নির্দেশ না করে কোনকিছুর সাধারণ নামকে নির্দেশ করে।

Mouth - a general word for the opening through which a human or an animal eats and breathes.
সুতরাং এটি দ্বারা কোনো কিছুর সাধারণ নামকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি common noun.

প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক)February দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর নামকে নির্দেশ করছে সুতরাং এটি Proper Noun.
খ) Jute হচ্ছে Material Noun কারণ বস্তুবাচক বা উপাদান জাতীয় যেকোন  কিছুর নামকেই Material noun বলে।
গ) Class হচ্ছে  a group of students who are taught together অর্থাৎ এটি Collective Noun. কারণ collective noun যার দ্বারা নির্দিষ্ট কোনকিছুর দল বা সমষ্টিকে বোঝায়।
২৭.
'Accept' শব্দটি Noun হবে-
  1. ক) Acceptance
  2. খ) Acception
  3. গ) Accepted
  4. ঘ) Acceptable
ব্যাখ্যা
• Accept (verb) - ) নেওয়া; গ্রহণ করতে•  সম্মত হওয়া।
- এর noun form হচ্ছে - Acceptance - গ্রহণ; স্বীকার।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
খ) Acception - বলে কোনো শব্দ হয় না। 
গ) Accepted (adjective) গৃহীত, স্বীকৃত, প্রচলিত।
ঘ) Acceptable (adjective) গ্রহণযোগ্য; সন্তোষজনক।

Source: Bangla Academy Dictionary.
২৮.
I said to you. "He has done his duty." বাক্যটির Indirect Speech হবে-
  1. ক) I said to you that you have done your duty.
  2. খ) I said to you that he had done his duty.
  3. গ) I told you that you had done your duty.
  4. ঘ) I told you that he has done his duty.
ব্যাখ্যা
• Reported Speech -এর অন্তর্গত Third Person এর কোন পরিবর্তন হয় না।। 
- has এর past participle form 'had' বসবে। 
- তারপর object বসবে।

নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - I said to you that he had done his duty.
২৯.
‘The Captain ordered the soldiers to march on'- বাক্যটিতে direct speech হবে-
  1. ক) The Captain asked "Soldiers, I ask you to march".
  2. খ) The Captain said to the soldiers, "Please march on".
  3. গ) The Captain said, "Soldiers, I ask you to march on".
  4. ঘ) The Captain said to the soldiers, "March on".
ব্যাখ্যা
• ‘The captain ordered the soldiers to march on' এই বাক্যটি হচ্ছে একটি imperative sentence. 
- কারণ imperative sentence দ্বারা আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ ইত্যাদি নির্দেশ করে এবং প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে order করা হয়েছে। অর্থাৎ, আদেশ প্রদান করা হয়েছে। 
- তাই Direct speech এর reported speech টি Imperative sentence হবে, কিন্তু এতে asked বা please বসবে না।
- soldiers দের বলা হচ্ছে বিধায় reporting verb টি হবে said to.

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - The Captain said to the soldiers, "March on".
৩০.
"To push somebody to the wall" এর অর্থ কি?
  1. ক) To defeat him
  2. খ) To heckle him
  3. গ) To humilite him
  4. ঘ) To knock him
ব্যাখ্যা
Push/drive somebody to the wall -
To force one into a desperate position in which one's options are limited and typically require desperate actions.

- To knock: to hit, especially forcefully, and cause to move or fall./ a situation in which something is badly affected / to criticize something or someone.

- To defeat: to win against someone in a fight, war, or competition.
- To heckle: to interrupt a public speech or performance with loud, unfriendly statements or questions.
- To humiliate: make (someone) feel ashamed and foolish by injuring their dignity and pride.

Source: Cambridge Dictionary
৩১.
ক: খ = ৫ : ৬ এবং খ : গ =৩ : ১০ হলে ক : গ =কত?
  1. ক) ৬ : ১২
  2. খ) ১০ : ২০
  3. গ) ৫ : ২০
  4. ঘ) ৫ : ১২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক: খ = ৫ : ৬ এবং খ : গ =৩ : ১০ হলে ক : গ =কত?

সমাধান: 
ক : খ = ৫ : ৬ = ৫ : ৬
খ : গ =৩ : ১০ = ৬ : ২০ [২ দ্বারা গুণ করে]

ক : গ = ৫ : ২০ 

৩২.
একটি জিনিস ১২০ টাকায় ক্রয় করে ১৪৪ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ও লাভের অনুপাত কত হবে?
  1. ক) ৫ : ১
  2. খ) ১২ : ৫
  3. গ) ১৩ : ৭
  4. ঘ) ১৫ : ৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি জিনিস ১২০ টাকায় ক্রয় করে ১৪৪ টাকায় বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ও লাভের অনুপাত কত হবে?

সমাধান: 
ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য = ১৪৪ টাকা 
লাভ = (১৪৪ - ১২০) টাকা = ২৪ টাকা 

ক্রয়মূল্য ও লাভের অনুপাত = ১২০ : ২৪
= ৫ : ১ 

৩৩.
পিতা ও দুই পুত্রের গড় বয়স ২০ বছর। দুই বছর পূর্বে দুই পুত্রের গড় বয়স ছিল ১২ বছর। পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ক) ২৬ বছর
  2. খ) ২৮ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩২ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও দুই পুত্রের গড় বয়স ২০ বছর। দুই বছর পূর্বে দুই পুত্রের গড় বয়স ছিল ১২ বছর। পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান: 
 পিতা ও দুই পুত্রের গড় বয়স ২০ বছর। 
 পিতা ও দুই পুত্রের মোট বয়স ২০ × ৩ বছর = ৬০ বছর 

দুই বছর পূর্বে দুই পুত্রের গড় বয়স ছিল ১২ বছর
দুই বছর পূর্বে দুই পুত্রের মোট বয়স ছিল ১২ × ২ বছর = ২৪  বছর

বর্তমানে  দুই পুত্রের মোট বয়স = (২৪ + ২ + ২) বছর = ২৮ বছর 
পিতার বর্তমান বয়স = ৬০ - ২৮ = ৩২ বছর 

৩৪.
লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৬ কি.মি. ও ৪ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কি.মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে-
  1. ক) ৭/২ ঘণ্টা
  2. খ) ৪ ঘণ্টা
  3. গ) ৯/২ ঘণ্টা
  4. ঘ) ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৬ কি.মি. ও ৪ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কি.মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে-

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের বেগ ঘণ্টায় = লঞ্চের বেগ + স্রোতের বেগ
= (১৬ + ৪) কি.মি./ঘণ্টা
= ২০ কি.মি./ঘণ্টা

∴ ৩০ কি.মি. যেতে সময় লাগবে = ৩০/২০ ঘণ্টা
= ৩/২ ঘণ্টা

স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের বেগ ঘণ্টায় = লঞ্চের বেগ - স্রোতের বেগ
= (১৬ - ৪) কি.মি./ঘণ্টা
= ১২ কি.মি./ঘণ্টা

∴ ৩০ কি.মি. যেতে সময় লাগবে ৩০/১২ = ৫/২ ঘণ্টা।

∴ মোট সময় লাগবে = (৩/২) + (৫/২) ঘণ্টা।
= (৩ + ৫)/২ ঘণ্টা
= ৮/২  ঘণ্টা
= ৪ ঘণ্টা

৩৫.
ক ও খ একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে শেষ করতে পারে। ক একা ১২ দিনে কাজটি শেষ করতে পারলে খ একা কতদিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
  1. ক) ১৮ দিনে
  2. খ) ২২ দিনে
  3. গ) ২৪ দিনে
  4. ঘ) ২৬ দিনে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক ও খ একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে শেষ করতে পারে। ক একা ১২ দিনে কাজটি শেষ করতে পারলে খ একা কতদিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
ক ও খ ৮ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ 
ক ও খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৮ অংশ 

খ ১২ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ 
খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/১২ অংশ 

ক ১ দিনে করতে পারে কাজটির = (১/৮) - (১/১২) অংশ 
= (৩ - ২)/২৪
= ১/২৪ অংশ 

ক ১/২৪ অংশ  কাজ করতে পারে ১ দিনে 
ক  ১ বা সম্পূর্ণ কাজ করতে পারে (১ × ২৪)/১ = ২৪ দিনে

৩৬.
৫৬ জন শ্রমিক একটি কাজ ২১ দিনে শেষ করতে পারে। ১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে হলে নতুন কত জন শ্রমিক লাগবে?
  1. ক) ২৪ জন
  2. খ) ২৬ জন
  3. গ) ২৮ জন
  4. ঘ) ৩০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  ৫৬ জন শ্রমিক একটি কাজ ২১ দিনে শেষ করতে পারে। ১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে হলে নতুন কত জন শ্রমিক লাগবে?

সমাধান:
২১ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে ৫৬ জন শ্রমিকে 
১ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে ৫৬ × ২১ জন শ্রমিকে 
১৪ দিনে একটি কাজ শেষ করতে পারে (৫৬ × ২১)/১৪ জন শ্রমিকে 
= ৮৪ জন শ্রমিকে 

নতুন শ্রমিক লাগবে = (৮৪ - ৫৬)জন = ২৮ জন 

৩৭.
একটি কলম ২৭০ টাকায় বিক্রি করাতে ১০% ক্ষতি হয়; কলমটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ২৫০ টাকা
  2. খ) ৩০০ টাকা
  3. গ) ৩১৫ টাকা
  4. ঘ) ৩২৫ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কলম ২৭০ টাকায় বিক্রি করাতে ১০% ক্ষতি হয়; কলমটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
 ১০% ক্ষতিতে 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা 

বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০/৯০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ২৭০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ × ২৭০/৯০ টাকা  = ৩০০ টাকা 

৩৮.
২৫ কেজি চাল যে দরে কেনা যায়, ২০ কেজি চাল সে দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হয়?
  1. ক) ২৫%
  2. খ) ২০%
  3. গ) ২২%
  4. ঘ) ৩০%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৫ কেজি চাল যে দরে কেনা যায়, ২০ কেজি চাল সে দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হয়?

সমাধান:
২৫ কেজি চালের ক্রয়মূল্য ক টাকা 
১ কেজি চালের ক্রয়মূল্য ক/২৫ টাকা 

২০ কেজি চালের বিক্রয়মূল্য ক টাকা 
১ কেজি চালের বিক্রয়মূল্য ক/২০ টাকা 

লাভ = (ক/২০) - (ক/২৫)
= (৫ক - ৪ক)/১০০
= ক/১০০

ক/২৫ টাকায় লাভ হয় = ক /১০০ টাকা 
১ টাকায় লাভ হয় = (ক /১০০) × (২৫/ক) টাকা 
১০০ টাকায় লাভ হয় = {(ক /১০০) × (২৫/ক) × ১০০} টাকা =২৫%

৩৯.
বার্ষিক শতকরা ৭.৫০ টাকা হার সুদে কত টাকা ৩ বছরে সুদ-আসলে ১২২৫ টাকা হবে?
  1. ক) ৮০০ টাকা
  2. খ) ১০০০ টাকা
  3. গ) ১০৫০ টাকা
  4. ঘ) ১১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ৭.৫০ টাকা হার সুদে কত টাকা ৩ বছরে সুদ-আসলে ১২২৫ টাকা হবে?

সমাধান:
আসল P = ?
মুনাফার হার r = ৭.৫০%
= ৭.৫০/১০০ 
= ৭৫০/(১০০ × ১০০)
= ৩/৪০

সুদ-আসল A = ১২২৫ টাকা

আমরা জানি 
A  = P + I 
A = P  + Pnr 
A = P (১ + nr)
১২২৫ = P {১ + ৩ (৩/৪০)}
১২২৫ = P(৪০+ ৯)/৪০
১২২৫ = P(৪৯/৪০)
P(৪৯/৪০) = ১২২৫
P = ১২২৫ × ৪০/৪৯
P = ১০০০ টাকা 

৪০.
নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি ক্ষুদ্রতম?
  1. ক) ৩/৪
  2. খ) ৫/৬
  3. গ) ৭/৯
  4. ঘ) ৯/১৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি ক্ষুদ্রতম?

সমাধান:
৩/৪ = ০.৭৫
৫/৬ = ০.৮৩
৭/৯ = ০.৭৭
৯/১৩ = .৬৯ 

৪১.
(০.০০২) =কত?
  1. ক) ০.০০৪
  2. খ) ০.০০০৪
  3. গ) ০.০০০০৪
  4. ঘ) ০.০০০০০৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (০.০০২) =কত?

সমাধান:
(০.০০২) = ০.০০০০০৪

৪২.
x2 + y2 = 8 এবং xy =7 হলে (x + y)2 এর মান কত?
  1. ক) 14
  2. খ) 16
  3. গ) 22
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 + y2 = 8 এবং xy =7 হলে (x + y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x2 + y2 = 8
xy = 7

এখন
(x + y)2 = x2 + y2 + 2xy 
= 8 + 2 × 7
= 8 + 14 
= 22

৪৩.
4x2 - 12x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?
  1. ক) 4
  2. খ) 16
  3. গ) 9
  4. ঘ) 25
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4x2 - 12x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান:
4x2 - 12x
= (2x)2 - 2.2x.3 + 32 - 32
= (2x - 2)2 - 9
∴  4x2 - 12x এর সাথে 9 যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।

৪৪.
কোন ত্রিভুজের মধ্যমা তিনটি যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে-
  1. ক) ভরকেন্দ্র
  2. খ) পরিকেন্দ্র
  3. গ) অন্তঃকেন্দ্র
  4. ঘ) লম্ববিন্দু
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের মধ্যমা তিনটি যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে-

সমাধান:
ভরকেন্দ্র (Centroid):
ত্রিভুজের মধ্যমাগুলো যে বিন্দুতে ছেদ করে ঐ বিন্দুকে ত্রিভুজটির ভরকেন্দ্র বলে।
- ভরকেন্দ্র প্রতিটি মধ্যমাকেই 2 : 1 অনুপাতে বিভক্ত করে।

৪৫.
ত্রিভুজের দুইটি কোণের সমষ্টি তৃতীয় কোণের সমান হলে ত্রিভুজটি-
  1. ক) সমবাহু
  2. খ) সমদ্বিবাহু
  3. গ) সমকোণী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কোনো ত্রিভুজের একটি কোণ অপর দুইটি কোণের সমষ্টির সমান হলে, ত্রিভুজটিকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে।

৪৬.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৬০ জন
  2. খ) ৬২ জন
  3. গ) ৬৪ জন
  4. ঘ) ৬৮ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

অতএব বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্নেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত - ৬৮ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট প্রথম আলো রিপোর্ট)
৪৭.
জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
  1. ক) অ্যামোনিয়া
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জিয়া সার কারখানা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এ অবস্থিত।
এ সার কারখানা তে ইউরিয়া উৎপাদিত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর তত্ত্বাবধানে ৬টি কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হচ্ছে।
এ সার কারখানাগুলি হচ্ছে:
১) ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত এনজিএফএফ (NGFF),
২) ঘোড়াশালে অবস্থিত ইউএফএফএল (UFFL),
৩) আশুগঞ্জে অবস্থিত জেডএফসিএল (ZFCL),
৪) নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত পলাশ সার কারখানা,
৫) চট্টগ্রামে অবস্থিত সিইউএফএল (CUFL) এবং
৬) জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত

উৎস: প্রথম আলো
৪৮.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
  1. ক) মহেশখালী
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) সেন্টমার্টিন
  4. ঘ) সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪৯.
সর্বশেষ বাংলাদেশের যে জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়-
  1. ক) সিরাজগঞ্জ
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
৫০.
প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন নগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহাস্থানগড়
  2. খ) ময়নামতি
  3. গ) বিক্রমপুর
  4. ঘ) পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী ।
প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
প্রাচীন নগরী পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড় বগুড়ায় অবস্থিত করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৫১.
কোন মোঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) মীর জুলমা
  3. গ) ইলিয়াস শাহ্
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
- মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুই পর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।

শায়েস্তা খানের কীর্তি -
- চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
- তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৫২.
লালবাগ শাহী মসজিদটি কে নিমার্ণ করেন?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
সুবাদার শাহজাদা আজম বেশ কিছু ইমারত তৈরি করেছিলেন। বুড়িগঙ্গার তীরঘেঁষে তিনি এক বিশাল কাটারা তৈরি করেছিলেন।
তাঁর আমলেই 'লালবাগের শাহি মসজিদ' তৈরি হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩.
মূল্য সংযোজন কর কত সালে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯১-৯২ সালে
  2. খ) ১৯৯২-৯৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ -৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৪- ৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট
৫৪.
ব্যবিলনের শূন্য উদ্যান কে গড়ে তোলেছিল?
  1. ক) নেবুচাদনেজার
  2. খ) দারিউস
  3. গ) র‍্যামজেজ
  4. ঘ) সাইরাস
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে মেসোপটেমীয়ায় গড়ে উঠা সভ্যতা নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামে পরিচিত। অ্যাসেরীয়দের পরাজিত করে সামন্তরাজা নেবুচাদনেজার এ সভ্যতা গড়ে তোলেন।
নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ নৃপতি নেবুচাদনেজার তার রাণীর সন্তুষ্টির জন্যে ব্যাবিলন নগরের দেয়ালের উপর যে এক মনোরম বাগান নির্মাণ করেন তা ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান নামে পরিচিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৫.
তাপে কোন ভিটামিন নষ্ট হয়?
  1. ক) ভিটামিন- ‘এ’
  2. খ) ভিটামিন- ‘বি’
  3. গ) ভিটামিন- ‘সি’
  4. ঘ) ভিটামিন- ‘ডি’
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন- সি তাপ, আলো ও বাতাসের প্রতি সংবেদনশীল তাই অতিরিক্ত তাপে এটি নষ্ট হয়ে যায়।
- অ্যাসকরবিক এসিড হল ভিটামিন- সি এর অপর নাম। 
- এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- ভিটামিন- সি একটি জৈব অম্ল, যা টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল প্রভৃতিতে পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?
  1. ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. খ) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  3. গ) রোগ প্রতিরোধ করা
  4. ঘ) উল্লেখিত সব কয়টিই
ব্যাখ্যা
- হিমোগ্লোবিন ফুসফুস হতে অক্সিজেন দেহের বাকি অংশে পরিবহন করে।
- প্রতি গ্রাম হিমোগ্লোবিন ১.৩৬ হতে ১.৩৭ মিলিলিটার অক্সিজেন ধারণ করতে পারে।
- এটি অন্যান্য গ্যাস পরিবহন যেমন, এটি কোষকলা হতে CO2 পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (প্রাণীবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ ঊন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বায়ুর-
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন (N)।
- মাটিতে নাইট্রোজেন (N) এর পরিমাণ বৃদ্ধি হয় রাইজোবিয়াম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- মাটিতে নাইটোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড সহ ইত্যাদি বায়ুবীয় পদার্থ উপস্থিত থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
পাতা পীত বর্ণ ধারণ করে কিসের অভাব?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) ম্যাগনেশিয়াম
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) আয়রন
ব্যাখ্যা
- গাছের পাতা পীত বর্ণ ধারণ করে নাইট্রোজেনের অভাবে।
- নাইট্রোজেনের অভাবে গাছের ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- গাছের পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়।
- ধীরে ধীরে কচি পাতা গুলো হলুদ হয় এবং পীতবর্ণ ধারণ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ ঊন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
নিচের কোন যৌগটি ভিটামিন ‘সি’?
  1. ক) অ্যাসকরবিক এসিড
  2. খ) সাইট্রিক এসিড
  3. গ) অ্যাসিটিক এসিড
  4. ঘ) অক্সালিড এসিড
ব্যাখ্যা
- অ্যাসকরবিক এসিড হল ভিটামিন- সি এর অপর নাম। 
- কমলা লেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবু, আনারস, আম, জাম, মাছ ও মাংস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন সি এর অভাবে বিভিন্ন রোগ হয়।
যেমন-স্কার্ভি, শিশুদের মাড়ি ফুলে যাওয়া, দেহের ওজন হ্রাস হওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি রোগ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৬০.
সংকর ধাতু ব্রোঞ্জের উপাদান হলো-
  1. ক) তামা ও লোহা
  2. খ) তামা ও টিন
  3. গ) টিন ও দস্তা
  4. ঘ) লোহা ও দস্তা
ব্যাখ্যা
• সংকর ধাতু ব্রোঞ্জের উপাদান হলাে তামা ও টিন।
• ২৫ - ১০ % টিন ও ৭৫ - ৯০ % কপার এর সমন্বয়ে এই সংকর ধাতুটি তৈরি।
• ব্রোঞ্জ ধাতু কাঁসা নামেও বহুল পরিচিত।
• সংকর ধাতু হলো একাধিক ধাতু বা একটি ধাতুর সাথে বিভিন্ন উপাদানের মিশ্রণ।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬১.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি?
  1. ক) সাদা
  2. খ) বেগুনি
  3. গ) লাল
  4. ঘ) কালো
ব্যাখ্যা
- সূর্যের আলো সাতটি রঙের সমষ্টিতে সৃষ্টি হয়। আর কালো রঙ সেই সাতটি রঙই শোষণ করতে সক্ষম। 
- তাই অন্যান্য কাপড়ের তুলনায় কালো কাপড় তাড়াতাড়ি গরম হয়ে ওঠে।
- কোন বস্তুর উপর আপতিত আলো থেকে বস্তু যে তরঙ্গ রশ্মিটা ফিরিয়ে দেয় বস্তুর রঙ হিসেবে আমরা তাই দেখতে পাই। ফিরিয়ে দেয়া আলোক তরঙ্গের শক্তি সে বস্তু সঞ্চয় করে না।
- কালো বস্তুর ক্ষেত্রে সে সব তরঙ্গের আলো শোষন করে নেয়। ফলে কালো বস্তুর তাপ শোষন ক্ষমতা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬২.
একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল কত হবে?
  1. ক) শূন্য
  2. খ) অসীম
  3. গ) ভূ-পৃষ্ঠের সমান
  4. ঘ) ভূপৃষ্ঠ থেকে কম
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। তাই একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে।
- একটি পূর্ণ দোলন এর জন্য সরল দোলকের যে সময় লাগে তাকে দোলনকাল বলে।
- দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ১ম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়রন
  2. খ) আয়োডিন
  3. গ) ফসফরাস
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
- হাড়ের ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে।
- রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।
- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস খাদ্যের উৎস: ম্যাকরেল মাছ, স্যামন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, সয়া মিল্ক, দুধ, মাশরুম, চিজ, কমলালেবুর রস ইত্যাদি। 

(অপশনে শুধুমাত্র ফসফরাস উল্লেখ আছে, ক্যালসিয়াম নেই। তাই সঠিক উত্তর হবে ফসফরাস)

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৪ এপ্রিল ১৯৮৬
  2. খ) ১৪ এপ্রিল ১৯৮৭
  3. গ) ১৪ এপ্রিল ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৪ এপ্রিল ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
কোন সালে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট ম্যাচ জিতে?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সাল পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট:

১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ আই সি সি ট্রফি। পুরো প্রতিযোগিতা কৃত্রিম টার্ফ বসানো পীচে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে তৎকালীন অধিনায়ক আকরাম খানের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় হল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ( সেরা ৩টি দল এই সুযোগ পায় )।
- বৃষ্টি বিঘ্নিত ফাইনালে কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- একই বছরে (১৯৯৭ সালে) বাংলাদেশকে আই সি সি ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রদান করে।

- ১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের প্রথম জয় লাভ করে।
- ঐ বছরের অক্টোবর মাসে সব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে বাংলাদেশে আয়োজিত হয় নকআউট ধাঁচের মিনি বিশ্বকাপ।

- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত হয় ৭ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
- এতে বাংলাদেশে ২৪ মে স্কটল্যান্ডকে ২২ রানে এবং ৩১ মে ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে।

- ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে এদেশে প্রথম শ্রেণীর জাতীয় ক্রিকেট লীগ শুরু হয়, যাতে অংশ নেয় সকল বিভাগীয় দল।
- ২৬ জুন, ২০০০-এ বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- সেই বছরের ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ ও শিক্ষক বাতায়ন।
৬৬.
একদিনের ক্রিকেট কবে থেকে শুরু হয়?
  1. ক) ১৯৭১ সাল
  2. খ) ১৯৭২ সাল
  3. গ) ১৯৭৩ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ১৯৭১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। 
- ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে মেলবোর্ন ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
 
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৯৭ সালের ১৫ জুন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে এবং ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস লাভের মাধ্যমে সংস্থাটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস এবং ২০২১ সালের ২ এপ্রিল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
 
সূত্র: The Cambridge Companion to Cricket, Cambridge University Press, আইসিসি ও বিসিবি ওয়েবসাইট।
৬৭.
মেক্সিকো দেশটি কোন মহাদেশের অন্তর্গত?
  1. ক) ইউরোপ
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
মেক্সিকোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী হলো কানকুন।
মেক্সিকো এর রাজধানী হলো - মেক্সিকো সিটি। 

Source: worldatlas
৬৮.
বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা হয়েছিল কবে?
  1. ক) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারী ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর হয়।

উৎস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া
৬৯.
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রদূত কে?
  1. ক) তাহমিনা খান ডলি
  2. খ) জাকিয়া আকতার
  3. গ) সুরাইয়া বেগম
  4. ঘ) মাহমুদা হক চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মাহমুদা হক চৌধুরী হলেন একজন বাংলাদেশী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর পত্রিকা
৭০.
কার কর্তৃত্বের উপর আদালতের কোন এখতিয়ার নেই?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) সেনাপ্রধান
ব্যাখ্যা
পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
তার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁর উপর প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭১.
‘জেনেভা কনভেনশন’ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৭ সালে
  3. গ) ১৯৪৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ১৯৪৯ সালে (অপশনে নেই)
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তর বাতিল করা হয়েছে।

জেনেভা কনভেনশন 
(Geneva Convention) - ১৯৪৯
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
• এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)


স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  
৭২.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ক) ৭.৬ সে.মি.
  2. খ) ৭২ সে.মি.
  3. গ) ৭৬ সে.মি.
  4. ঘ) ৭৭ সে.মি.
ব্যাখ্যা
বায়ুর চাপ হচ্ছে ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বল।
সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
৭৩.
‘শীতনিদ্রা’ দেখা যায়-
  1. ক) সীল মাছে
  2. খ) তিমি মাছে
  3. গ) ব্যাঙে
  4. ঘ) কুমীরে
ব্যাখ্যা
- যে প্রাণীর শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের সাথে ওঠানামা করে তাকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে।
যেমন- ব্যাঙ একটি শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী।

- শীতকালে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন করে। একে শীতনিদ্রা বলে।
- শীতনিদ্রায় যাওয়া প্রাণীর বিপাক, শ্বসন, রক্ত সঞ্চালন অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ের থাকে। এ সময় এরা খাদ্য গ্রহণ না করে দেহে সঞ্চিত স্নেহ পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে থাকে।
- যে সকল প্রানীর তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার তারতম্যের সাথে ওঠানামা করে না, তাদেরকে উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- মানুষ, বানর, গরু, ছাগল, ভেড়া, বাদুড় ইত্যাদি প্রানী।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৭৪.
মানুষ কোন পর্বের অর্ন্তভুক্ত?
  1. ক) মলাস্কা
  2. খ) কর্ডাটা
  3. গ) পরিফেরা
  4. ঘ) অ্যামফিবিয়া
ব্যাখ্যা
মানুষ (Homo Sapiens) হলো কর্ডাটা (Chordata) পর্বের প্রাণি।

কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১. ভ্রূণ অবস্থায় অথবা সারা জীবন পৃষ্ঠ মধ্যরেখা বরাবর নিরেট (Solid), দণ্ডাকৃতির (Rod-shaped) ও স্থিতিস্থাপক (Elastic) নটোকর্ড (Notochord) বর্তমান যা মেরুদণ্ডীদের (Vertebrates) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
২. নটোকর্ডের (Notochord) পৃষ্ঠদেশ (Dorsal side) বরাবর ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ু-রজ্জু (Nerve cord) উপস্থিত। মেরুদণ্ডীদের ক্ষেত্রে এটির অগ্রপ্রান্তে মস্তিষ্ক (Brain) এবং এর পশ্চাতে সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal cord) গঠিত হয়।
৩. উন্নত কর্ডেট (Higher Chordates) ছাড়া অধিকাংশ প্রাণীতে সারা জীবন অথবা জীবনের যে কোন দশায় গলবিলে পার্শ্বীয়ভাবে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র (Gill slits) বর্তমান।
৪. মেরুদণ্ডীদের অন্তঃকঙ্কাল বিশিষ্ট দু’জোড়া পদ (অগ্রপদ ও পশ্চাৎ পদ) বর্তমান।
৫. এন্ডোস্টাইল (Endostyle) উপস্থিত যা পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে (Thyroid glands) রূপান্তরিত হয়।
৬. পায়ু (Anus) পরবর্তী পেশীবহুল ও স্থিতিস্থাপক লেজ (Tail) উপস্থিত।
৭. উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিপাক গ্রন্থিবিশিষ্ট এবং পাকস্থলী (Stomach) ও অন্ত্র (Intestine) সুস্পষ্টভাবে আলাদা।
৮. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির। অঙ্কীয় দিকে অবস্থিত হৃদযন্ত্র, পৃষ্ঠীয় ও অঙ্কীয় রক্তনালী নিয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত। হেপাটিক পোর্টাল তন্ত্র (Hepatic portal system) উন্নত প্রকৃতির।
৯. জলজ শ্বসন (Aquatic respiration) ফুলকার (Gill) সাহায্যে এবং বায়বীয় শ্বসন (Arial respiration) ফুসফুসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
১০. অধিকাংশ প্রাণীতে কোমলাস্থি (Cartilage) অথবা অস্থি (Bone) নির্মিত কঙ্কাল দৈহিক অবকাঠামো তৈরি করে।
১১. বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া সকলেই একলিঙ্গ (Dioecious) প্রাণী।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৭৫.
পৃথিবী তৈরীর প্রধান উপাদান হচ্ছে-
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কার্বন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন আবরণকে ভূত্বক বলা হয়।
ভূত্বকের গড় গভীরতা ২০ কি.মি.।

ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ হলো:
- অক্সিজেন : ৪৬.৬ ভাগ
- সিলিকন : ২৭.৭ ভাগ
- অ্যালুমিনিয়াম : ৮.১ ভাগ
- লোহা : ৫ ভাগ
- ক্যালসিয়াম : ৩.৬ ভাগ
- সোডিয়াম : ২.৮ ভাগ
- পটাশিয়াম : ২.৬ ভাগ
- ম্যাগনেসিয়াম : ২.১ ভাগ।

অপশনে যেহেতু অক্সিজেন নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে সিলিকন নেয়া হয়েছে।
কারণ প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ভূত্বক গঠনে সিলিকনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

তথ্যসূত্র: space.com
৭৬.
সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়-
  1. ক) সবুজ আলোতে
  2. খ) নীল আলোতে
  3. গ) বেগুনী আলোতে
  4. ঘ) লাল আলোতে
ব্যাখ্যা
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশ থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় আর সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় না। একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়। সাধারনত ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৭.
মালদ্বীপের মুদ্রা কোনটি?
  1. ক) রুপি
  2. খ) টাকা
  3. গ) রুপিয়া
  4. ঘ) বাথ
ব্যাখ্যা
 মালদ্বীপের মুদ্রা- রুপিয়া (rufiyaa)

এছাড়াও–
-  লিরা : তুরস্কের মুদ্রা
- র‌্যান্ড : দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রা
- রুবল : রাশিয়ার মুদ্রা
- পাউন্ড : মিশর, সিরিয়া, সুদান, দ. সুদান ও লেবাননের মুদ্রার নাম।
- ক্রোনা : সুইডেন ও  ডেনমার্ক

উৎস: ব্রিটানিকা
৭৮.
শিল্প বিপ্লব যে দেশে শুরু হয়েছিল-
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):
আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

➮ প্রথম শিল্প বিপ্লব
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
⤇ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব’ (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।
⤇ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
⤇ শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

➮ দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব
⤇ দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৮৭০ সাল থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত।
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লবে শিল্পায়ন শুরু হয়। কিন্তু দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়। এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়। এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন - এর মান বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।


উৎসঃ হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম
৭৯.
কিসের সাহায্যে সমুদ্রের ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) প্রতিধ্বনি
  4. ঘ) প্রতিসরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সাধারণত দূরত্ব পরিমাপ করা হয়।
যেমন সমুদ্রের গভীরতা, কূপের গভীরতা ইত্যাদি।
কূপের গভীরতা বলতে ভূমি তল থেকে কূপের মধ্যে পানি পৃষ্ঠের দূরত্বকে বুঝানো হয়েছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৮০.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি কোনটি?
  1. ক) গারো
  2. খ) হাজং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মগ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা। মারমারা মগ নামে পরিচিত।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।

অন্যদিকে– 
সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮।
চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।
তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক রিপোর্ট এবং প্রথম আলো।