অন্যদিকে, - কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ- 'নতুন চাঁদ'। - 'গড্ডলিকা' রাজশেখর বসু রচিত গল্পগ্রন্থ। - 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত নাটক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'কন্যাকুমারী' উপন্যাস রাশিদা আখতার।
২.
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা কে?
ক
আলাওল
খ
কোরেশী মগন
গ
দৌলত কাজী
ঘ
সৈয়দ সুলতান
সঠিক উত্তর: গ
দৌলত কাজী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
দৌলত কাজী
গ
ব্যাখ্যা
• লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা - দৌলত কাজী।
• দৌলত কাজী: - লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা দৌলত কাজী। - দৌলত কাজী মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। - তিনি ষোল শতকের অন্যতম কবি। - সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। - এটি তার রচিত শ্রেষ্ঠকাব্যগ্রন্থ যা তিনখণ্ডে রচিত। - এতে সামন্তপতি লোরের সঙ্গে অপর সামন্তবধূ চন্দ্রানীর পরকীয়া প্রেমের বর্ণনা আছে। - এই কাব্যখানি মানবিক জীবনরসে সিক্ত।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৩.
সাপ্তাহিক 'সুধাকর'-এর সম্পাদক কে?
ক
মুন্সি মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ
খ
মুন্সি মোহাম্মদ মেহের উল্লা
গ
শেখ আব্দুর রহিম
ঘ
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর: গ
শেখ আব্দুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
শেখ আব্দুর রহিম
গ
ব্যাখ্যা
• ‘সুধাকর’ পত্রিকা: - সুধাকর কলকাতা থেকে ১৮৮৯ সালের ৮ নভেম্বর (১২৯৬ বঙ্গাব্দের ২৩ কার্তিক) প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা। - রেয়াজুদ্দীন আহমদ, মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ ও শেখ আবদুর রহিমের প্রচেষ্টায় এটি প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন শেখ আবদুর রহিম (মতান্তরে মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ)।
- পত্রিকা প্রকাশের লক্ষ ও উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের অতীত গৌরব ও ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার করা। এক পর্যায়ে এটি মিহির ও সুধাকর নামে প্রকাশিত হয়। - খ্রিস্টান মিশনারিদের পরিচালিত খ্রিস্টীয় বান্ধব পত্রিকার সঙ্গে সুধাকরের ধর্মবিষয়ে বহু বিতর্ক হয়; এমনকি গো-হত্যার ব্যাপারে টাঙ্গাইলের মৌলবি নইমুদ্দীনের পক্ষে এবং মীর মশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে এটি প্রচারাভিযান চালায়। ধর্ম, সমাজ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ইত্যাদি ছাড়াও সাহিত্যবিষয়ক মৌলিক রচনাও এতে প্রকাশিত হতো। - ১৯১০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত ছিল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪.
মাসিক মোহাম্মদী কোন সালে প্রকাশিত হয়?
ক
১৯২৬
খ
১৯২৭
গ
১৯২৮
ঘ
১৯২৯
সঠিক উত্তর: খ
১৯২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯২৭
খ
ব্যাখ্যা
• 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা: - মোহাম্মদী একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা। - ১৯০৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়। - কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়। - পরে আবার দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি ঢাকা থেকে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে। - আকরম খাঁর পরে মুজিবুর রহমান খাঁ ও বদরুল আনাম খাঁ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। - আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, আখতারুল আলম, আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ তরুণ সাংবাদিক-সাহিত্যিক এর সম্পাদনা-সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫.
কোন পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়?
ক
কালিকলম
খ
প্রগতি
গ
কল্লোল
ঘ
সবুজপত্র
সঠিক উত্তর: গ
কল্লোল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কল্লোল
গ
ব্যাখ্যা
• 'কল্লোল' পত্রিকা: - ১৯২৩ সালে প্রথম কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। - এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। - 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
অন্যদিকে, • কালিকলম' সাহিত্য পত্রিকা: - কলকাতা থেকে ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে মাসিক ‘কালিকলম' সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়। - এর সম্পাদক ছিলেন প্রেমেন্দ্র মিত্র। - যে চেতনা ও সাহিত্যবোধ থেকে ‘কল্লোল' প্রকাশিত হয়েছিল, ‘কালিকলম’ও একই বোধ সম্পন্ন পত্রিকা ছিল। তবে পত্রিকাটি দীর্ঘায়ু হতে পারে নি। 'কল্লোল' ও ‘কালিকলমে'র লেখককুল ছিল মূলত একই।
• সবুজপত্র: - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম। - বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন। - সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। - ১৯২৭ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।
• প্রগতি: - 'প্রগতি' ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। - মাসিকপত্র ‘প্রগতি’ র সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত। - বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, ‘প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকাটি?
ক
অরণি
খ
পরিচয়
গ
নবশক্তি
ঘ
ক্রান্তি
সঠিক উত্তর: ঘ
ক্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ক্রান্তি
ঘ
ব্যাখ্যা
• 'ক্রান্তি' পত্রিকা: - ১৯৪০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। - এটি ঢাকার প্রগতি লেখক সংঘের মুখপাত্র। - এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন রণেশ দাশগুপ্ত। - 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- দীনেশরঞ্জন দাশ। - 'অরণি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার। - এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা। - 'পরিচয়' পত্রিকাটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত।
অন্যদিকে, - 'অরণি' সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার সম্পাদিত কলকাতা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা। - 'পরিচয়' পত্রিকাটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭.
গ্রিক শব্দ কোনটি?
ক
তুফান
খ
লুঙ্গী
গ
কুশন
ঘ
দাম
সঠিক উত্তর: ঘ
দাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দাম
ঘ
ব্যাখ্যা
• দাম, - গ্রিক শব্দ। অর্থ: মূল্য, দর, মর্যাদা, গুরুত্ব।
অন্যদিকে, লুঙ্গি - ফারসি শব্দ। তুফান - আরবি শব্দ। কুপন - ফরাসি শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান
৮.
বাংলা ভাষায় কয়টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আছে?
ক
উনিশ
খ
কুড়ি
গ
একুশ
ঘ
বাইশ
সঠিক উত্তর: গ
একুশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
একুশ
গ
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং ৩. বিদেশি উপসর্গ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• বিদেশি উপসর্গ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমন: - আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের। - ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। - উর্দু উপসর্গ: হর। - ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৯.
'শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
ক
একরাত্রি
খ
শুভা
গ
সমাপ্তি
ঘ
পোস্টমাস্টার
সঠিক উত্তর: গ
সমাপ্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সমাপ্তি
গ
ব্যাখ্যা
• 'শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।'- উক্তিটি সমাপ্তি গল্পে 'মৃন্ময়ী' চরিত্র সম্পর্কে বলা হয়েছে।
--------------------- • ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্প: - 'সমাপ্তি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি ছোটগল্প। - তাঁর সৃষ্ট 'মৃন্ময়ী' এই ছোটগল্পের চরিত্র। - এই ছোটগল্পের বিখ্যাত উক্তি- 'শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।'
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৫টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হলো: • গল্পগুচ্ছ, • লিপিকা, • সে, • তিন সঙ্গী, • গল্পসল্প।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অতিপ্রাকৃতিক গল্প: - ক্ষুধিত পাষাণ, - নিশীতে, - মণিহার, - কঙ্কাল।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: - রবিবার, - শেষকথা, - ল্যাবরেটরি।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: - দেনাপাওনা, - রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা, - যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ, - অনধিকার প্রবেশ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও সমাপ্তি ছোটগল্প।
১০.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি?
ক
বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
খ
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
গ
বাংলা সাহিত্যের কথা
ঘ
বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
সঠিক উত্তর: খ
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ- বঙ্গভাষা ও সাহিত্য।
• বঙ্গভাষা ও সাহিত্য: - 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' (১৮৯৬) দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক প্রথম ইতিহাসমূলক গ্রন্থ। - বঙ্গভাষা ও বঙ্গলিপির উৎপত্তি, সংস্কৃত-প্রাকৃত ও বাংলার সম্পর্ক, প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, মধ্যযুগের ধর্মগোষ্ঠী ও তাদের সাথে সাহিত্যের যোগ ইত্যাদি বিষয়ের মনোজ্ঞ বিবিরণ লিপিবদ্ধ আছে এই গ্রন্থে। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ যেখানে সাহিত্য ও সমাজের গূঢ় সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়া হয়।
--------------------------- • দীনেশচন্দ্র সেন: - তিনি ১৮৬৬ সালের ৩ নভেম্বর মাতুলালয়, বগজুড়ি গ্রাম, ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি পল্লী অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে প্রাচীন বাংলা পুঁথি ও লোককথা সংগ্রহ করেন। - তাঁর সংগৃহীত পুঁথি থেকে উপকরণ সংগ্রহ করে 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' রচনা করেন। - 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক প্রথম ইতিহাসমূলক গ্রন্থ। - তাঁর রচিত একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ - 'বঙ্গসাহিত্য পরিচয়' (১৯১৪)। - তিনি 'মৈমনসিংহ-গীতিকা' (১৯২৩) ও 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা (১৯২৬)' সম্পাদনা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। - ১৯৩৯ সালের ২০ নভেম্বর বেহালায় তাঁর মৃত্যু হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'জগত্তারিণী' পদক লাভ করেন?
ক
১৯১৬
খ
১৯২৩
গ
১৯৩৩
ঘ
১৯০৩
সঠিক উত্তর: খ
১৯২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯২৩
খ
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: - বাংলা কথা-সাহিত্যে দুর্লভ জনপ্রিয়তার অধিকারী। - ১৯০৩ সালে ভাগ্যের সন্ধানে তিনি বার্মা যান এবং রেঙ্গুনে অ্যাকাউন্ট্যাট অফিসে কেরানি পদে চাকরি করেন । - প্রবাস জীবনেই তার সাহিত্য সাধনা শুরু হয় এবং তিনি খ্যাতি লাভ করেন। - ১৯১৬ সালে তিনি কলকাতা ফিরে আসেন এবং নিয়মিতভাবে সাহিত্য সাধনা শুরু করেন। - তিনি ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী পদক’ এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি লাভ করেন। - শরৎচন্দ্র ১৬ই জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তার উল্লেখযোগ্য কিছু গ্রন্থ: - বড়দিদি, - বিরাজ বৌ, - গৃহদাহ, - পল্লিসমাজ, - চরিত্রহীন, - পথের দাবী, - দেনা পাওনা।
উল্লেখ্য, • বাংলাপিডিয়া অনুসারে, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩ সালে) লাভ করেন। • বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর অনুসারে, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩ সালে) লাভ করেন। • উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা বই অনুসারে,জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩ সালে) লাভ করেন। • বাংলা একাডেমি চরিতাবিধান অনুসারে, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩ সালে) লাভ করেন। • তবে, বাংলা সাহিত্য ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর বইয়ে ১৯২০ সাল দেওয়া আছে। যদিও তথ্যটি ভুল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা একাডেমি চরিতাবিধান, বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?
ক
মাগ্ধীয় ব্যাকরণ
খ
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
গ
মাতৃভাষা ব্যাকরণ
ঘ
ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: খ
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
খ
ব্যাখ্যা
• রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম- 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। - এর রচয়িতা রাজা রামমোহন রায় এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে।
-------------------------------- • রাজা রামমোহন রায়: - রাজা রামমোহন রায় ছিলেন একাধারে সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক। - তিনি প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। - তাঁর রচিত বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম- 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। - সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে তিনি জোর প্রচারণা চালান ।
তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ: - বেদান্ত গ্রন্থ, - বেদান্তসার, - পথ্য প্রদান, - গোস্বামীর সহিত বিচার (সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে)।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
• নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি: কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ হলো: - বন + পতি = বনস্পতি, - আ + চর্য = আশ্চর্য, - গো + পদ = গোষ্পদ, - পর + পর = পরস্পর, - ষট্ + দশ = ষোড়শ, - এক+ দশ = একাদশ, - পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।
অন্যদিকে, • সম + সার = সংসার; এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। • 'উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ; এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। • বাক্ + দান = বাগদান; এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?
ক
মধুসূদন দত্ত
খ
দীনবন্ধু মিত্র
গ
জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ
তারাচরণ শিকদার
সঠিক উত্তর: ঘ
তারাচরণ শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
তারাচরণ শিকদার
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন' প্রকাশিত হয় ১৮৫২ সালে। - নাটকটির রচয়িতা তারাচরণ শিকদার যা একটি কমেডি নাটক। - তারাচরণ শিকদারের হাত ধরেই বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয়।
উল্লেখ্য, • ১৮৫২ সালেই প্রকাশিত হয় প্রথম ট্রাজেডি নাটক কীর্তিবিলাস। - কীর্তিবিলাস নাটকের রচয়িতা যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত।
• ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক কৃষ্ণকুমারী। - এই নাটকের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
১৬.
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় -
ক
উপমিত
খ
উপমান
গ
উপমেয়
ঘ
রূপক
সঠিক উত্তর: গ
উপমেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
উপমেয়
গ
ব্যাখ্যা
• উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। • প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়। • আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। • উপমান এবং উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৭.
'পাখী সব করে রব রাতি পোহাইল' পঙ্ক্তির রচয়িতা_
ক
রামনারায়ণ তর্করত্ন
খ
বিহারী লাল
গ
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ঘ
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
সঠিক উত্তর: ঘ
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ঘ
ব্যাখ্যা
• 'পাখী-সব করে রব, রাতি পোহাইল।'- চরণটির রচয়িতা 'মদনমোহন তর্কালঙ্কার'।
--------------------------------- • মদনমোহন তর্কালঙ্কার: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার কবি, সমাজসেবক। - পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বিল্বগ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পারিবারিক উপাধি ‘চট্টোপাধ্যায়’ হলেও প্রাপ্ত উপাধি ‘তর্কালঙ্কার’ হিসেবেই তিনি সুপরিচিত। - মদনমোহন বিদ্যাসাগরের সহযোগিতায় ‘সংস্কৃত-যন্ত্র’ (১৮৪৭) নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। - সেখান থেকে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যটি সর্বপ্রথম গ্রন্থাকারে মুদ্রিত হয়। - কবি-প্রতিভার জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনি ‘কাব্যরত্নাকর’ এবং পাণ্ডিত্যের জন্য ‘তর্কালঙ্কার’ উপাধি লাভ করেন। - ১৮৫৮ সালের ৯ মার্চ কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর মৌলিক কাব্যগ্রন্থ: - রসতরঙ্গিণী, - বাসবদত্তা।
তাঁর রচিত কবিতা সংক্ষেপ-
পাখী সব করে রব, – মদনমোহন তর্কালঙ্কার। পাখী-সব করে রব, রাতি পোহাইল। কাননে কুসুমকলি, সকলি ফুটিল।। রাখাল গরুর পাল, ল’য়ে যায় মাঠে। শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে।।
উৎস: পাখি সব করে রব- কবিতা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'-এর রচয়িতা কে?
ক
সিকান্দার আবু জাফর
খ
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ
ফররুখ আহমদ
ঘ
আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর: খ
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
খ
ব্যাখ্যা
• আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। - গ্রন্থটিতে ৩৯টি কবিতা স্থান পেয়েছে। - বাঙালি জাতিসত্তার মৃত্তিকামূলে শিকড় সঞ্চার করে এ কাব্যগ্রন্থে কবি ঐক্যবদ্ধ চেতনায় সাহসী মানুষের সম্ভাবনার ছবি এঁকেছেন।
- এই কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা হচ্ছে ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’:
‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি তার বুকে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল-'।
------------------------------- • আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন কবি ও সরকারি কর্মকর্তা। - ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: - সাত নরীর হার, - কখনো রং কখনো সুর, - কমলের চোখ, - আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, - সহিষ্ণু প্রতীক্ষা, - প্রেমের কবিতা, - নির্বাচিত কবিতা, - আমার সকল কথা, - মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
'জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি' সহ্য করতে পারতেন না-
ক
বঙ্কিমচন্দ্র
খ
সৈয়দ মুজতবা আলী
গ
প্রমথ চৌধুরী
ঘ
প্রমথনাথ বিশী
সঠিক উত্তর: গ
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
প্রমথ চৌধুরী
গ
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী: - প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। - তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। - প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।' - প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। - বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। - তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।
• তাঁর কিছু বিখ্যাত উক্তি: - ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ (বইপড়া)। - ‘ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে'-(ভাষার কথা)। - ‘জীবনে জ্যাঠামি, সাহিত্যে ন্যাকামি সহ্য করতে পারতেন না।’- প্রমথ চৌধুরী (সাহিত্যের খেলা)। - ‘কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।’- (সাহিত্যের খেলা)। - ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্যে সকলকে আনন্দ দান করা কারো মনোরঞ্জনের বিষয় নহে’- (সাহিত্যে খেলা)।
--------------------------- • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: - সনেট পঞ্চাশৎ, - পদচারণ।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: - তেল নুন লকড়ি, - বীরবলের হালখাতা, - নানাকথা, - আমাদের শিক্ষা, - রায়তের কথা, - নানাচর্চা, - আত্মকথা, - প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ: - চার ইয়ারী কথা, - আহুতি, - নীললোহিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সাহিত্যের খেলা’ প্রবন্ধ ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
'এ মাটি সোনার বাড়া'-এ উদ্ধৃতিতে 'সোনা' কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?
ক
বিশেষণের অতিশায়ন
খ
রূপবাচক বিশেষণ
গ
উপাদান বাচক বিশেষণ
ঘ
বিধেয় বিশেষণ
সঠিক উত্তর: ক
বিশেষণের অতিশায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বিশেষণের অতিশায়ন
ক
ব্যাখ্যা
• বিশেষণের অতিশায়ন: বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য পদের মধ্যে গুণ, অবস্থা, পরিমাণ, প্রভৃতি বিষয়ে তুলনায় একটির উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বুঝিয়ে থাকে, তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলে।
বাংলা শব্দের অতিশায়ন: ১. বাংলা শব্দের অতিশায়নে দুয়ের মধ্যে চাইতে, চেয়ে, হইতে, হতে, অপেক্ষা, থেকে ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে দুয়ের মধ্যে তারতম্য বোঝাতে প্রথম বিশেষ্যটি প্রায়ই যষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত হয়ে থাকে এবং মূল বিশেষণের পর কোনো পরিবর্তন সাধিত হয় না। যথা- - গরুর থেকে ঘোড়ার দাম বেশি। - বাঘের চেয়ে সিংহ বলবান।
২. বহুর মধ্যে অতিশায়ন: অনেকের মধ্যে একের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বোঝাতে মূল বিশেষণের কোনো পরিবর্তন হয় না। মূল বিশেষণের পূর্বে সবচাইতে, সবচেয়ে, সব থেকে, সর্বাপেক্ষা, সর্বাধিক প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার হয়। যথা- - নবম শ্রেণির ছাত্রদের মধ্যে করিম সবচেয়ে বুদ্ধিমান। - ভাইদের মধ্যে বিমলই সবচাইতে বিচক্ষণ। - পশুর মধ্যে সিংহ সর্বাপেক্ষা বলবান।
৩. দুটি বস্তুর মধ্যে অতিশায়নে জোর দিতে হলে মূল বিশেষণের আগে অনেক, অধিক, বেশি, অল্প, কম, অধিকতর প্রভৃতি বিশেষণীয় বিশেষণ যোগ করতে হয়। যথা- - পদ্মফুল গোলাপের চাইতে অনেক সুন্দর। - ঘিয়ের চেয়ে দুধ বেশি উপকারী। - কমলার চাইতে পাতিলেবু অল্প ছোট।
৪. কখনো কখনো ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দে ষষ্ঠী বিভক্তিই চেয়ে, থেকে প্রভৃতি শব্দের কার্যসাধন করে। যেমন- - এ মাটি সোনার বাড়া।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম -দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২১.
What would have happened if__________?
ক
the bridge is broken
খ
the bridge would break
গ
the bridge had broken
ঘ
the bridge had been broken
সঠিক উত্তর: ঘ
the bridge had been broken
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
the bridge had been broken
ঘ
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - the bridge had been broken? - Complete sentence: What would have happened if the bridge had been broken? - বাক্যটি মূলত perfect conditional/3rd conditional এর উদাহরণ।
• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী, - If-এর পর Past Perfect Tense থাকলে পরবর্তী Sentence টিতে Past Perfect Conditional বসে। - অর্থাৎ, would have/could have + verb-এর Past Participle form হয়। - আর যদি বাক্যটি passive sense প্রকাশ করে তবে - If + had been + Verb এর past participle form হয়।
• Structure: - If + Past Perfect Tense (had + verb এর past participle form) + would have/could have + verb-এর Past Participle form.
Example: - If you had come, I would have gone there. - What would have happened if the train had been missed?
• উল্লিখিত বাক্যে clause গুলো স্থান পরিবর্তন করেছে। - প্রথম clause টি would have + verb-এর Past Participle form broken বসেছে। - তাই if clause তি গঠিত হবে - If + Past Perfect Tense যোগে।
• Bridge যেহেতু নিজে নিজে ভেঙে যেতে পারে না তাই অবশ্যই passive হবে। - সে কারণে If clause টি If + had been + Verb এর past participle form হবে।
২২.
Explain the meaning of 'Bring to pass'.
ক
Cause to destroy
খ
Cause to happen
গ
Cause to carry out
ঘ
Cause to convince
সঠিক উত্তর: খ
Cause to happen
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Cause to happen
খ
ব্যাখ্যা
• The meaning of 'Bring to pass.'- খ) cause to happen.
• Bring to pass English Meaning: To cause to come about or happen. Bangla Meaning: কোনো কিছু ঘটানো, বাস্তবায়িত করা বা সংঘটিত করা।
• Example sentence: - His wife's death brought to pass a change in his attitude toward religion. - He worked hard to bring the project to pass.
Source: Collins Dictionary.
২৩.
Which of the following sentences is the correct one?
ক
Paper is made of wood.
খ
Paper is made from wood.
গ
Paper is made by wood.
ঘ
Paper is made on wood.
সঠিক উত্তর: খ
Paper is made from wood.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Paper is made from wood.
খ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হচ্ছে - Paper is made from wood.
• কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা গেলে made of বসে। - The table is made of wood. - The ring is made of gold. - এখানে table বা ring তৈরি করার পরও এগুলোর উপাদান wood/gold অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।
• আর কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা না গেলে বা উপাদান পরিবর্তিত হলে made from বসে। - The paper is made from wood. - Glass is made from sand. - এখানে paper বা Glass তৈরি করার পর এগুলোর উপাদান wood/sand আর দেখা যাচ্ছে না বা উপাদান পরিবর্তন হয়েছে।
২৪.
The word bounty is closest in meaning to
ক
generosity
খ
familiar
গ
dividing line
ঘ
sympathy
সঠিক উত্তর: ক
generosity
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
generosity
ক
ব্যাখ্যা
• The word 'bounty' is close to the meaning of - generosity.
• Bounty (noun) (plural bounties) (১) [Uncountable noun] (আনুষ্ঠানিক) অকৃপণ দান; উদারতা। (২) [Countable noun] বদান্য; দয়ার্দ্র হয়ে কাউকে বিশেষত গরিবদের দান। (৩) কোনো কাজে উৎসাহ দিতে (যেমন উৎপাদন বৃদ্ধি, বিপজ্জনক বন্যপ্রাণী হত্যা) কর্তৃপক্ষ বা সরকার প্রদত্ত পুরস্কার বা অর্থ।
• Generosity (noun) - উদারতা; মহত্ত্ব; সহৃদয়তা।
• প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - - familiar - সুপরিচিত বা সুবিদিত। - dividing line - বিভাজক সীমা, - sympathy - সহানুভূতি; সমবেদনা; দরদ; কারুণ্য; অনুকম্পা; অনুবেদনা।
• সুতরাং বোঝা যাচ্ছে অর্থগত দিক থেকে, The word 'bounty' is close to the meaning of - generosity.
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
Give the correct passive form of 'My teacher embodies all the good qualities'.
ক
All the good qualities are embodied by my teacher.
খ
All the good qualities are embodied in my teacher.
গ
All the good qualities are embodied to my teacher.
ঘ
All the good qualities are embodied on my teacher.
সঠিক উত্তর: খ
All the good qualities are embodied in my teacher.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
All the good qualities are embodied in my teacher.
খ
ব্যাখ্যা
• Active থেকে passive রূপান্তর করার প্রক্রিয়া: - Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়ে যায়। - Active voice এর object টি passive voice এর subject এ রুপান্তর হয়। - মূল verb এর past participle হয় এবং subject ও tense অনুসারে auxiliary verb/be verb হয়।
• সাধারণত, আমরা জানি passive voice এ obj. এর পূর্বে by বসে। - তবে কখনো কখনো অন্যান্য preposition ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। - কিছু verb আছে যেগুলোর পরে passive এ in বসে। - যেমন: Embody, Contain, Include ইত্যাদি।
• Present indefinite tense কে passive voice করতে হলে am/is/are + মূল verb এর past participle ব্যবহৃত হয়।
• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, Active: 'My teacher embodies all the good qualities'. Passive: 'All the good qualities are embodied in my teacher.'
২৬.
Choose the correct indirect speech- She asked me, 'Are you happy in your new job?'
ক
She asked me if I was happy in my new job.
খ
She asked me if I have been happy in my new job.
গ
She asked me whether I am happy in my new job.
ঘ
She asked me if I had been happy in my new job.
সঠিক উত্তর: ক
She asked me if I was happy in my new job.
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
She asked me if I was happy in my new job.
ক
ব্যাখ্যা
• Interrogative Sentence যুক্ত Direct Speech কে Indirect Speech করার নিয়ম: - Subject + ask + object + if/whether + reported speech এর subject + Tense অনুসারে verb + extension.
• উক্ত বাক্যে reported verb টি present indefinite tense এ রয়েছে। - তাই, indirect speech এ reported verb টি past indefinite tense হবে।
• সঠিক উত্তর হবে - Direct: She asked me, ‘Are you happy in your new job? Indirect: She asked me if I was happy in my new job.
২৭.
The meaning of the word 'obese' is-
ক
very fat
খ
ugly
গ
tardy
ঘ
obnoxious
সঠিক উত্তর: ক
very fat
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
very fat
ক
ব্যাখ্যা
• Obese (Adjective): English Meaning: extremely fat in a way that is dangerous for health/ Very fat. Bangla Meaning: ভীষণ মোটা।
• Example Sentence: - She was not just overweight; she was clinically obese.
• অন্য অপশন গুলোর অর্থ - - Ugly - কুৎসিত; কুদর্শন; বিশ্রী; কুরূপ; অসুন্দর; কদর্য। - Tardy - ধীর; ধীরগতিসম্পন্ন; দেরিতে আগত বা দেরিতে সম্পন্ন। - Obnoxious - নোংরা; অত্যন্ত আপত্তিকর।
Source: 1. Cambridge Dictionary 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
A person who writes about his own life writes-
ক
a diary
খ
a biography
গ
an autobiography
ঘ
a chronicle
সঠিক উত্তর: গ
an autobiography
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
an autobiography
গ
ব্যাখ্যা
• An Autobiography English meaning: A person who writes about his own life. Bangla Meaning: আত্মজীবনী, আত্মচরিত।
• অন্যদিকে, • A Biography English meaning: A person who writes about one's life. Bangla meaning: (জীবনী).
• A diary English meaning: A book in which the events of each day are recorded. Bangla Meaning: দিনলিপি
• A chronicle English meaning: A written record of historical events. Bangla Meaning: কালানুক্রমিক ঘটনাপঞ্জি।
Source: 1. Applied English Grammar and Composition by P. C. Das. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
Which of the following sentences is correct?
ক
Why have you done this?
খ
Why you had done this?
গ
Why you have done this?
ঘ
Why did you done this?
সঠিক উত্তর: ক
Why have you done this?
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Why have you done this?
ক
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: Why have you done this?
• WH -question-এর structure: - WH + + auxiliary verb + subject + principal verb + object or others + question mark. - Why দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে এবং বাক্যটি interrogative এ আছে, - তাই Why + auxiliary verb (have) + subject (you) + principal verb (done) + object or others + question mark এসেছে।
• Example: • Where has she gone for the vacation? - (WH-word: Where, Auxiliary: has, Subject: she, Principal Verb: gone)
• Why have they not completed their assignments? - (WH-word: Why, Auxiliary: have, Subject: they, Principal Verb: completed)
• How long have you lived in this city? - (WH-word: How long, Auxiliary: have, Subject: you, Principal Verb: lived)
• Who has helped you with your project? - (WH-word: Who, Auxiliary: has, Subject: you, Principal Verb: helped)
৩০.
What will be the correct preposition to complete the sentence?
'I am not good _________ translation'.
ক
in
খ
about
গ
with
ঘ
at
সঠিক উত্তর: ঘ
at
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
at
ঘ
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at. - Complete sentence: 'I am not good at translation'.
• Good at: (দক্ষ) - skilled at doing or dealing with a specified thing. - দক্ষতা/অদক্ষতা বুঝাতে শব্দের সাথে at ব্যবহৃত হয়। - যেমন- good at, bad at etc.
• যেমন: - He is bad/good at cricket. [a bad/good player] - I am not bad at tennis. - He is good at chess.
৩১.
Which is the noun of the word 'beautiful'?
ক
Beauty
খ
Beautify
গ
Beauteous
ঘ
Beautifully
সঠিক উত্তর: ক
Beauty
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Beauty
ক
ব্যাখ্যা
• Beautiful: [adjective] - English meaning: Very attractive. - Bangla meaning: সুন্দর, চমৎকার; মন ও ইন্দ্রিয়কে আনন্দ দেয় এমন। - Example: She was wearing a beautiful dress. - এর noun form হচ্ছে - Beauty.
• Beauty: [noun] - English meaning: The quality of being pleasing and attractive, especially to look at. - Bangla meaning: সৌন্দর্য, শ্রী, রূপ, লাবণ্য। - Example: The piece of music he played had a haunting beauty.
• Other forms: • Beautify (verb) - English meaning: to improve the appearance of someone or something: - Bangla meaning: সুন্দর করা। - Example: Money has been raised to beautify the area.
• Beauteous (adjective) - English meaning: Very attractive to look at - Bangla meaning: (কাব্য) সুন্দর; রূপবান; শোভাময়। - Example: The day ended with a beauteous sunset.
• Beautifully (adverb) - English meaning: in a way that is very attractive - Bangla meaning: সুন্দরভাবে,চমৎকারভাবে। - Example: She carried her wedding dress so beautifully.
Fill in the blank with appropriate perposition.
'Hurry up! we have to go________ five minutes.'
ক
in
খ
on
গ
by
ঘ
for
সঠিক উত্তর: ক
in
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
in
ক
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর: in - Complete sentence: Hurry up! We have to go in five minutes - এই sentence টিতে 'Period of time' বুঝাচ্ছে, তাই appropriate preposition হিসেবে 'in' ব্যবহৃত হবে।
• ভবিষ্যত কালের Period of time (গণনাযোগ্য সময়) বুঝাতে 'in' ব্যবহৃত হয়। Example: - We shall finish the work in a week.
• ভবিষ্যত কালের Point of time (নির্দিষ্ট সময়) বুঝাতে 'by' ব্যবহৃত হয়। Example: - I will be back by five o'clock.
Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
৩৩.
Identify the imperative sentence.
ক
I shall go to college.
খ
Matin is singing a song.
গ
Stand up.
ঘ
It has been raining since morning.
সঠিক উত্তর: গ
Stand up.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Stand up.
গ
ব্যাখ্যা
• Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য): - যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। - এই ধরনের বাক্যে Subject (you) গোপন থাকে।
• Subject উহ্য রেখে Verb দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য imperative sentence হয়ে থাকে। - তাছাড়া Imperative Sentence বাক্যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ বুঝায়। - তাই 'Stand up .' হচ্ছে Imperative Sentence.
• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - ক) I shall go to college গ) Matin is singing a song ঘ) It has been raining since morning - এগুলো হচ্ছে বিবৃতিমূলক বা assertive sentences.
• অর্থানুসারে বাক্য ৫ ধরনের হয়ে থাকে। যথা- 1. Assertive Sentence (বর্ণনামূলক বাক্য) - যে Sentence দ্বারা কোন কিছুর বর্ননা বা বিবৃতি প্রকাশ করে তাকে Assertive sentence বলে। - An assertive sentence is a simple statement or assertion, and it may be affirmative or negative. - structure: “subject + verb + object/complement/adverb”.
2. Interrogative Sentence (প্রশ্নবোধক বাক্য) যে Sentence দ্বারা কোন প্রশ্ন করা হয় অথবা কোন কিছুর প্রত্যুত্তর পাওয়ার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তাকে Interrogative Sentence বলে।
3. Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) - যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। এই ধরনের বাক্যে Subject (you) গোপন থাকে। - যেমন - Never tell a lie.
4. Optative Sentence (প্রার্থনা সূচক বাক্য) - যে Sentence দ্বারা মনে ইচ্ছা কিংবা প্রার্থনা প্রকাশ করে তাকে Optative Sentence বলে। - যেমন -May Allah bless you.
5. Exclamatory Sentence (বিস্ময়সূচক বাক্য) - এই ধরণের বাক্য দ্বারা হঠাৎ আকস্মিকভাবে মনের কোন পরিবর্তন যেমন হর্ষ, বিষাদ, আনন্দ, আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। - How charming the sight is!
৩৪.
Fill in the gap with the suitable word:
To stay healthy, we must plan to have a balanced_____.
ক
diet
খ
food
গ
drink
ঘ
environment
সঠিক উত্তর: ক
diet
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
diet
ক
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -diet. - Complete sentence: To stay healthy, we must plan to have a balanced diet.
• Diet - নিজেকে বা অন্যকে একটি নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকায় সীমাবদ্ধ করা - স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য সুষম খাদ্য বা balanced diet এর প্রয়োজন।
Choose the correct alternative and mark its letter on your answer sheet.
The rich should not look down_________ the poor.
ক
at
খ
for
গ
towards
ঘ
upon
সঠিক উত্তর: ঘ
upon
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
upon
ঘ
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - upon. - Complete sentenec: The rich should not look down upon the poor.
• Look down on/upon English Meaning: to feel that someone is less important than them or does not deserve respect: to think that you are better than someone: Bangla Meaning: নিজের থেকে অন্যদের ছোট ভাবা।
Example sentence: - She thinks they look down on her because she doesn't have a job.
Source: 1. Cambridge Dictionary. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
I took a map with me, as I didn't want to _____ my way on the journey.
ক
loose
খ
lose
গ
lost
ঘ
loss
সঠিক উত্তর: খ
lose
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
lose
খ
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - lose. - Complete sentence: I took a map with me, as I didn't want to lose my way on the journey. - Bangla Meaning: আমি আমার সাথে একটি মানচিত্র নিয়েছিলাম, কারণ আমি যাত্রায় আমার পথ হারাতে চাইনি।
• To এর পর মূল verb এর present form বসবে। - এখানে, lose (verb) - হারিয়ে ফেলা; মৃত্যু হওয়া। - যা বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
• অন্যদিকে, ক) loose (adjective, verb) - মুক্ত; ছাড়া; বাঁধনমুক্ত, বন্ধনমুক্ত করা অথবা ছেড়ে দেওয়া।
গ) lost - lose-এর past tense, past participle
ঘ) loss (noun) [uncountable noun] - ক্ষতি; ক্ষয়; হানি।
Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৭.
Every driver must be held _________ his own actions.
ক
responsible for
খ
responsible to
গ
liable to
ঘ
blamed for
সঠিক উত্তর: ক
responsible for
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
responsible for
ক
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - responsible for. - Complete sentence: Every driver must be held responsible for his own actions. - Bangla Meaning: প্রত্যেক ড্রাইভারকে তার নিজ কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী হতে হবে।
• Responsible for: - বাংলা অর্থ: কোন কাজের জন্য দায়ী। - সাধারণত Responsible এর পরে For ব্যবহৃত হয় । - অধিকাংশ সময় Responsible for দ্বারা কোন Particular reason বোঝানো হয়।
অন্যদিকে, Responsible to শব্দের বাংলা অর্থ: কোন ব্যাক্তির নিকট দায়ী।
Source: - Merriam-Webster Dictionary.
৩৮.
'Through thick and thin' means-
ক
under all conditions
খ
to make thick and thin
গ
not clear in understanding
ঘ
of great density
সঠিক উত্তর: ক
under all conditions
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
under all conditions
ক
ব্যাখ্যা
• Through thick and thin English Meaning: under all circumstances/conditions, no matter how difficult. Bangla Meaning: যত কঠিন পরিস্থিতিই হোক না কেন / যেকোন পরিস্থিতেই হোক।
Ex. Sentence: They stuck together through thick and thin Bangla Meaning: তারা সকল বাধা বিপত্তি সামলে একত্রে ছিলো।
Source: Live MCQ Lecture
৩৯.
'Prior to' means
ক
after
খ
before
গ
immediately
ঘ
during the period of
সঠিক উত্তর: খ
before
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
before
খ
ব্যাখ্যা
• 'Prior to' means before.
• Prior to English Meaning: Before a particular time or event: Bangla Meaning: পূর্ব, পৌর্বিক বা পূর্ববর্তী ইত্যাদি।
• Before English meaning: At or during a time earlier than (the thing mentioned): in the past. Bangla Meaning: আগে বা পূর্বে।
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - - during the period of অর্থ কাল বা যুগের মধ্যে। - immediately অর্থ তৎক্ষণাৎ; অবিলম্বে; অচিরে এবং - after অর্থ পরে এবং
Source: 1. Cambridge Dictionary. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪০.
Nobody knocked him down; it was an ____
ক
incident
খ
occurrence
গ
accident
ঘ
event
সঠিক উত্তর: গ
accident
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
accident
গ
ব্যাখ্যা
• knock somebody down English Meaning: especially of a vehicle) strike or collide with someone so as to cause them to fall to the ground. Bangla Meaning: কাউকে ভূপাতিত করা, ফেলে দেয়া।
• knock something down English Meaning: Demolish a building or other structure. Bangla Meaning: ভেঙে ফেলা; ধূলিসাৎ করা।
• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -accident. - Complete sentenec: Nobody knocked him down; it was an accident. - Bangla Meaning: কেউ তাকে ফেলেদেয়নি; এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল।
সুতরাং সর্বশেষ মূল্য প্রথম মূল্যের তুলনায় কম = (১০০ - ৯৩.৭৫) টাকা। = ৬.২৫।
৪৪.
যদি একটি কাজ ৯ জন লোক ১২ দিনে করতে পারে, অতিরিক্ত ৩ জন লোক নিয়োগ করলে কাজটি কতদিনে শেষ হবে?
ক
৭
খ
৯
গ
১০
ঘ
১২
সঠিক উত্তর: খ
৯
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৯
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি কাজ ৯ জন লোক ১২ দিনে করতে পারে, অতিরিক্ত ৩ জন লোক নিয়োগ করলে কাজটি কতদিনে শেষ হবে?
সমাধান: অতিরিক্ত ৩ জন আসলে মোট লোকসংখ্যা = (৯ + ৩) জন = ১২ জন
৯ জন লোক একটি কাজ করে ১২ দিনে ১ জন লোক ঐ কাজ করে (১২ × ৯) দিনে ১২ জন লোক ঐ কাজ করে (১২ × ৯)/১২ দিনে = ৯ দিনে
৪৫.
শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য ২৪০০ টাকায় বাস ভাড়া করা হলো এবং প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রী সমান ভাড়া বহন করবে ঠিক হলো। অতিরিক্ত ১০ জন ছাত্র/ছাত্রী যাওয়ায় প্রতি জনের ভাড়া ৮ টাকা কমে গেল। বাসে কতজন ছাত্র/ছাত্রী গিয়েছিল?
ক
৪০
খ
৪৮
গ
৫০
ঘ
৬০
সঠিক উত্তর: ঘ
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৬০
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য ২৪০০ টাকায় বাস ভাড়া করা হলো এবং প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রী সমান ভাড়া বহন করবে ঠিক হলো। অতিরিক্ত ১০ জন ছাত্র/ছাত্রী যাওয়ায় প্রতি জনের ভাড়া ৮ টাকা কমে গেল। বাসে কতজন ছাত্র/ছাত্রী গিয়েছিল?
সমাধান: ধরি, প্রথম ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ছিলো ক জন ∴ প্রতিজনের ভাড়া ২৪০০/ক অতিরিক্ত দশজন যাওয়াতে এখন প্রতিজনের ভাড়া ২৪০০/(ক + ১০)
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-
ক
৮
খ
১২
গ
১৮
ঘ
১৪০
সঠিক উত্তর: গ
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৮
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-
সমাধান: ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৭৯ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৬১
৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে, ৭৯ - ৬১ = ১৮
৫১.
NIPORT কি?
ক
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
খ
পোলট্রি ফার্ম বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
গ
নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ঘ
বন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর: ক
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ক
ব্যাখ্যা
নিপোর্ট: • NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ — National Institute of Population Research and Training. • ইহা হলো বাংলাদেশের — জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। • এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত। • স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। • নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।
উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন' বলা আছে?
ক
১০ নং অনুচ্ছেদে
খ
২১ (২) নং অনুচ্ছেদে
গ
২৭ নং অনুচ্ছেদে
ঘ
২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর: ঘ
২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
ঘ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান: - সংবিধানের ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবেন।
এছাড়াও - ২৮ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন। ২৮ (৩) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না। ২৮ (৪) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
অন্যদিকে, - ১০ নং অনুচ্ছেদে ‘সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি’ এর কথা বলা আছে। - সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে - আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে। - ২১(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়, “সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।”
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৩.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।)
UNDP রিপোর্ট সেপ্টেম্বর ২০০৫ সাল মোতাবেক বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?
ক
৪৪৪ ডলার
খ
৭৭০ ডলার
গ
১০৭০ ডলার
ঘ
১৭৭০ ডলার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] ------------------ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: - বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন। - জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%। - গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর। - মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার। - মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার। - স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%। - মোট রপ্তানি আয়: মিলিয়ন ডলার। - মোট আমদানি ব্যয়: মিলিয়ন ডলার। - মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%। - সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%। - দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%। - চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কতজন?
ক
৭ জন
খ
৬৮ জন
গ
১৭৫ জন
ঘ
৪২৬ জন
সঠিক উত্তর: ঘ
৪২৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৪২৬ জন
ঘ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট — ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো: - সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন - দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন - তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন - চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন। ================== উল্লেখ্য, - গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে। এরা হলেন: - লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) - লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম) - লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক) - নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।
অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য, - বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন - বীর উত্তম: ৬৭ জন - বীরবিক্রম : ১৭৪ জন - বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)।
৫৫.
বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
ক
দিনাজপুর
খ
গোপালপুর
গ
পাকশী
ঘ
ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর: ঘ
ঈশ্বরদী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঈশ্বরদী
ঘ
ব্যাখ্যা
• ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট: - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত। - পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়। - এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে 'ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে। - মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়, (ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন। (খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইক্ষু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৬.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
ক
হামিদুর রহমান
খ
মৃণাল হক
গ
শামিম শিকদার
ঘ
নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর: খ
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মৃণাল হক
খ
ব্যাখ্যা
• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।
তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য: - মতিঝিলের - ‘বলাকা’ - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’, - হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’, - পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’, - ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’, - সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’, - এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য, - নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।
সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট।
৫৭.
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কত দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে?
ক
৭০০ কিমি
খ
৫৭০ কিমি
গ
৩০০ কিমি
ঘ
১৭০ কিমি
সঠিক উত্তর: ঘ
১৭০ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১৭০ কিমি
ঘ
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ১৭০ কিমি দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে।
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি): - বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যা বাংলাদেশে সাবমেরিন ক্যাবল এর চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে। - এটি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক তথ্য সুপারহাইওয়ে এর সাথে সংযুক্ত রেখেছে। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটর। - বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৮ এর ৫বি ধারাবলে কক্সবাজারস্থ ল্যান্ডিং স্টেশনসহ এসএমডব্লিউ-৪ সাবমেরিন ক্যাবলকে বিলুপ্ত বিটিটিবি থেকে আলাদা করে “বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)” নামক একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা হয়। - এটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে আরজেএসসি হতে ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে “বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)” এ পরিবর্তিত হয়।
উৎস: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট, Submarine communication।
৫৮.
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী?
• বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি: - বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি — রাজশাহীতে অবস্থিত। - এটি ১৯৮২ সালে স্থাপিত হয়। - ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপ লাভ করে। - জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে পোস্টাল একাডেমি স্থাপিত হয়।
সূত্র: বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।
৬০.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে আপডেট তথ্য দেখে নিন।)
প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিমি?
ক
৫.০৩
খ
৬.০৩
গ
৪.৮
ঘ
৬.৮
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• পদ্মা সেতু: - পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। - সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। - এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। - সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি। - পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে। - পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। - পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি। - পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার। - ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়। - ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়। - ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৬১.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
ক
পারভীন ফাতেমা
খ
ফিরোজা বেগম
গ
রওশন জাহান
ঘ
কানিজ ফাতেমা
সঠিক উত্তর: খ
ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ফিরোজা বেগম
খ
ব্যাখ্যা
• টেস্ট টিউব বেবি নেওয়ার পদ্ধতি: - টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ। - এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। - এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু। - ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়।
• বাংলাদেশে টেস্ট টিউব বেবি: - বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে। - দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন। উল্লেখ্য, - পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।
সূত্র: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।
৬২.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
ক
তানভীর কবীর
খ
হামিদুর রহমান
গ
হামিদুজ্জামান
ঘ
অস্কার বাদল
সঠিক উত্তর: খ
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
হামিদুর রহমান
খ
ব্যাখ্যা
• ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান।
• কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার: - শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। - এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত। - বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়। - এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।
- এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। - বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। - তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। - ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।
উল্লেখ্য, - শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। - শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া। - ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। - ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
৬৩.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি কে?
ক
বি এ সিদ্দিকী
খ
খাজা ওয়াসিউদ্দিন
গ
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ঘ
শমসের মবিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর: গ
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
গ
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ: - জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত। - সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। - সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর। - সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে। - ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে। - এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত। - বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে। - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
উৎস: UN General Assembly, প্রথম আলো।
৬৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
ক
৫ জন
খ
৭ জন
গ
২ জন
ঘ
৬ জন
সঠিক উত্তর: গ
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২ জন
গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়- - বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, - বীর উত্তম - ৬৮ জন, - বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, - বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।
• তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য — ২ জন নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন। - ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও - তারামন বিবি।
• মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান: - ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ। - নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে। - মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন। - বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন। - এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন। - ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৬৫.
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে?
ক
১৯৯৫
খ
১৯৯৬
গ
১৯৯৮
ঘ
২০০১
সঠিক উত্তর: গ
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৯৯৮
গ
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলী ব্যাংক: - যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না। - মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি। • আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, • কর্মসংস্থান ব্যাংক, • গ্রামীণ ব্যাংক, • জুবিলি ব্যাংক, • পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
কর্মসংস্থান ব্যাংক: সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে — ১৯৯৮ সনে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে। - ২০২২-২৩ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২৩৫৮.৯৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। - দেশের বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছে এই ব্যাংকটি।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট,বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৬.
লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্থানে?
ক
৫ম
খ
৭ম
গ
৮ম
ঘ
১০ম
সঠিক উত্তর: গ
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৮ম
গ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] ---------------- • ২০২৪ সালে জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান — ৮ম। (২০২৪ সাল)
• এক নজরে বাংলাদেশ: - সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। - আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড : +৮৮০। - আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা)। - মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। - এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান: ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০° ৩৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮° ০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- আয়তন: ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কি.মি.। - সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার। - রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল। - অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল। - সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি। - জেলা রয়েছে ৬৪টি। - পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি। - উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি। - ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
উল্লেখ্য, - জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ। - বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
উৎস: i) World Population Review ওয়েবসাইট। ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। iii) worldometers.info
৬৭.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
ক
৮
খ
১০
গ
১২
ঘ
১৪
সঠিক উত্তর: ক
৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৮
ক
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: - সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং - মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। - প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। - ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান।
টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, - সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, - সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় — ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে - - সেন্টমার্টিন দ্বীপ — ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে - - সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে। - তবে গবেষণায় বলা হয়েছে — ৮ বর্গকিলোমিটার।
⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, - সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি — ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।
সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট, কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৬৮.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে?
ক
১৯৭২
খ
১৯৭৩
গ
১৯৭৫
ঘ
১৯৯৭
সঠিক উত্তর: খ
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯৭৩
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন: - বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় — ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। - ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। - বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা। - এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
৬৯.
কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে?
ক
পেট্রোল ইঞ্জিনে
খ
ডিজেল ইঞ্জিনে
গ
রকেট ইঞ্জিনে
ঘ
বিমান ইঞ্জিনে
সঠিক উত্তর: ক
পেট্রোল ইঞ্জিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
পেট্রোল ইঞ্জিনে
ক
ব্যাখ্যা
- মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। - বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। - সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না, শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩টি কার্বুরেটর থাকে।
- Carburetor prepares a mixture of air and fuel (which is suitable for combustion) for a spark ignition engine. - Carburetor is also used to control the speed of the vehicle. - It converts petrol into fine droplets and mixes it in air in such a way that it burns smoothly in engine, without any problem.
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
৭০.
সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে-
ক
আলফা রশ্মি
খ
বিটা রশ্মি
গ
গামা রশ্মি
ঘ
রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর: গ
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গামা রশ্মি
গ
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি: - জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। - গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। - গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। - আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর। - গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। - পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। - বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।
উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৭১.
মানুষের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?
ক
দুইটি
খ
চারটি
গ
ছয়টি
ঘ
আটটি
সঠিক উত্তর: খ
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চারটি
খ
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড: - হৃৎপিণ্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত এক ধরনের পাম্প। - হৃৎপিণ্ড অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। - মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরে ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার ওপরে অবস্থিত। - হৃৎপিণ্ডের প্রশস্ত প্রান্তটি উপরের দিকে এবং ছুঁচালো প্রান্তটি নিচের দিকে বিন্যস্ত থাকে। - হৃৎপিণ্ডটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দিয়ে বেস্টিত থাকে। - উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যেটি হৃৎপিণ্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত। - উপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান এবং বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান এবং বাম নিলয় ( Ventricles) বলে। - দুটি অলিন্দের ভেতরকার প্রাচীর পাতলা কিন্তু নিলয় দুটির প্রাচীর পুরু এবং পেশিবহুল। - ডান অলিন্দের সঙ্গে একটি ঊর্ধ্ব মহাশিরা এবং একটি নিম্ন মহাশিরা যুক্ত থাকে। - বাম নিলয়ের সঙ্গে চারটি পালমোনারি শিরা যুক্ত থাকে। ডান নিলয় থেকে ফুসফুসীয় ধমনি এবং বাম নিলয় থেকে মহাধমনি উৎপত্তি হয়েছে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭২.
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়, কারণ-
ক
রান্নার জন্য শুধু তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
খ
বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
গ
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
ঘ
সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক
সঠিক উত্তর: গ
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
গ
ব্যাখ্যা
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। - স্থির আয়তনে প্রেসার কুকারে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে পানির স্ফুটনাংক বেড়ে যায়। - প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ, কুকারের ভেতরের পানি ফুটন্ত অবস্থায় বাষ্পে পরিণত হয়েই বাইরে আসতে পারে না। - প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৩.
বিলিরুবিন তৈরি হয়-
ক
পিত্তথলিতে
খ
কিডনীতে
গ
প্লীহায়
ঘ
যকৃতে
সঠিক উত্তর: ঘ
যকৃতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
যকৃতে
ঘ
ব্যাখ্যা
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে ও অস্থিমজ্জায় এবং জমা হয় প্লীহাতে। - যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়। - হিমগ্লোবিনের লৌহযুক্ত প্রস্থেটিক গ্রুপ ভেঙে যে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয় হলুদ বিলিরুবিন তাদের মধ্যে অন্যতম। - রক্তের বিলিরুবিন যকৃতে গ্লুকো-ইউরোনিক অ্যাসিডযুক্ত হয়ে জল দ্রাব্য হয় এবং পিত্তের মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছায়। - সেখানে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা অর্ধেক বিলিরুবিন থেকে ইউরোবিলিনোজেন উৎপন্ন হয় যা অন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে শেষে হলুদ ইউরোবিলিন হিসাবে মূত্রে পৌছায় বলে মূত্রের রং হলুদ হয়। - দেহে বিলিরুবিন বেশি হলে তাকে জন্ডিস বলে।
উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
ক
মেলানিন
খ
থায়ামিন
গ
ক্যারোটিন
ঘ
হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর: ক
মেলানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মেলানিন
ক
ব্যাখ্যা
- মানুষের ত্বকে উপস্থিত মেলানোসাইট নামক কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উৎপন্ন করে যা গায়ের রঙ ফর্সা বা কালো হওয়ার জন্য দায়ী। - পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নামক রাসায়নিক উৎপন্ন হতে পারে যা ঘুমের উপর প্রভাব বিস্তার করে। - মেলানিনের অনুপস্থিতিতে চামড়ায় কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ফলে চামড়া সাদা হয়। এটাই অ্যালবিনিজম নামে পরিচিত।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৭৫.
বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে কিভাবে?
ক
তীক্ষ্ণ দৃষ্টিসম্পন্ন চোখের সাহায্যে
খ
ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে
গ
সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
ঘ
অলৌকিকভাবে
সঠিক উত্তর: গ
সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
গ
ব্যাখ্যা
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করে তার প্রতিধ্বনির মাধ্যমে বাদুড় পথ চলে। - কিন্তু বাদুড়ের তৈরি এই প্রতিধ্বনির শব্দ আমরা শুনতে পাই না কারণ, বাদুড় অন্ধকারে চলার সময় আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে দিক নির্ণয় করে। - আলট্রাসাউন্ড মূলত আমাদের শোনার বাহিরের শব্দ। - বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে। - আল্টাসনিক শব্দ ২০,০০০ থেকে বেশি কম্পাংকের হয়ে থাকে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭৬.
গাছের খাদ্য তালিকায় আছে-
ক
N, P, K, S ও Zn
খ
Na, P, K, S ও Zn
গ
N, B, K, S ও Al
ঘ
N, P, K, S ও Al
সঠিক উত্তর: ক
N, P, K, S ও Zn
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
N, P, K, S ও Zn
ক
ব্যাখ্যা
- গাছের খাদ্য তালিকায় আছে- N, P, K, S ও Zn.
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। - এই উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। - অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন - ১। ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। - ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ বা আয়রন (Fe)।
২। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। - মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৭.
নিচের কোনটি DNA-এর নাইট্রোজেন বেস?
ক
ইউরাসিল
খ
গোয়ানিন
গ
পিরিডক্সিন
ঘ
অ্যাসপারাজিন
সঠিক উত্তর: খ
গোয়ানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
গোয়ানিন
খ
ব্যাখ্যা
ডিএনএ (DNA): - Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। - ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। - এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে। - DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। - নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গোয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড।
আরএনএ (RNA): - RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. - এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। - ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। - প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। - এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত। - RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে। - এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। - ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
নিচের কোনটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে না?
ক
meson
খ
neutron
গ
proton
ঘ
electron
সঠিক উত্তর: ঘ
electron
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
electron
ঘ
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: - যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। - পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। যেমন - ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। - পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। - আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। - ইলেকট্রন (electron) নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে। - পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করার কথা কোন সময়ে?
ক
২০১০ সাল
খ
২০১৫ সাল
গ
২০২০ সাল
ঘ
২০২৫ সাল
সঠিক উত্তর: খ
২০১৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২০১৫ সাল
খ
ব্যাখ্যা
মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করার কথা ২০১৫ সালে।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG): - MDG-এর পূর্ণরূপ: Millennium Development Goals বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য। - বিশ্বব্যাপী চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত কয়েকটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে MDG বলা হয়। - ২০০০ সালের ৬-৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন সম্মেলন (UN Millennium Summit) অনুষ্ঠিত হয় এবং ৮টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। - এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ১৫ বছর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। - মূলত তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের তুলনামূলক উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করার জন্য এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। - ২০১৫ সালে এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের মেয়াদ শেষ হয়।
⤇ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো (MDG) হচ্ছে - - চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল, - সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন, - শিক্ষার মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ, - শিশু মৃত্যু হ্রাসকরণ, - মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, - এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ, - পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ এবং, - উন্নয়নের জন্য একটি বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের বিকাশ ঘটানো।
উল্লেখ্য, - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারণ করা হয়। - এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮০.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
ক
১৩৬তম
খ
১৩৭তম
গ
১৩৮তম
ঘ
১৩৯তম
সঠিক উত্তর: ক
১৩৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৩৬তম
ক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়। - বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে। - ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। - স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
⇒ ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে। - বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল। - বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। - বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮১.
২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সর্বপ্রথম কোন হারিকেনটি আঘাত হানে?
ক
ডেনিস
খ
ক্যাটরিনা
গ
আইভান
ঘ
রিটা
সঠিক উত্তর: খ
ক্যাটরিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ক্যাটরিনা
খ
ব্যাখ্যা
২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানার 'গ্র্যান্ড ইল' এলাকায় প্রথম আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় 'ক্যাটরিনা'।
হারিকেন: - সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়। - যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে। - এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়। - একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে। - সাফির -সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হল ১ থেকে ৫ রেটিং বা বিভাগ, হারিকেনের সর্বাধিক স্থায়ী বাতাসের উপর ভিত্তি করে। - ক্যাটাগরি যত বেশি, হারিকেনের সম্পত্তির ক্ষতির সম্ভাবনা তত বেশি।
উল্লেখ্য, - হারিকেন ক্যাটরিনা ছিল একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় যা ২০০৫ সালের আগস্টের শেষের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানে। - হারিকেন এবং এর পরবর্তী সময়ে ১৮০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়। - এটি মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে স্থান পায়।
উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট। ii) NOAA ওয়েবসাইট।
৮২.
কোন দেশটি স্ক্যানডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
ডেনমার্ক
খ
ফিনল্যান্ড
গ
নেদারল্যান্ডস
ঘ
যুক্তরাষ্ট্র
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
স্ক্যান্ডিনেভিয়া: - স্ক্যান্ডিনেভিয়া ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিয়া, উত্তর ইউরোপের অংশ। - স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। - স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। - যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। - দেশ তিনটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।
⇒ তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, ⇒ নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়। - স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। - যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
উল্লেখ্য, - তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে পাতলা জনবহুল উত্তর অঞ্চল, মৎস্য সম্পদের একটি আপেক্ষিক সম্পদ, দীর্ঘ আয়ু এবং উচ্চ স্তরের সাক্ষরতা।
উৎস: i) Worldatlas. ii) Britannica.
৮৩.
মুসলমান প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্য?
ক
নাইজেরিয়া
খ
লেবানন
গ
নাইজার
ঘ
উগান্ডা
সঠিক উত্তর: ঘ
উগান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উগান্ডা
ঘ
ব্যাখ্যা
OIC: - OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation. - এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা। - এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। - গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে। - ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি। - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। - সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব। - বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। - এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। - প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি। - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। - সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব। - বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। - এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
উল্লেখ্য, - দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC- এর সদস্য। - ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC-এর সদস্য। - বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। - মুসলমান প্রধান না হয়েও উগান্ডা ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য।
উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৮৪.
কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কটের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
ক
রিচার্ড এম নিক্সন
খ
জন এফ কেনেডি
গ
লিন্ডন বেইনস জনসন
ঘ
হ্যারি এস ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর: খ
জন এফ কেনেডি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
জন এফ কেনেডি
খ
ব্যাখ্যা
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট: - কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি ৩৫ দিনের সংঘর্ষ, যা একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পরিণত হয়েছিল। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক শক্তি, সামরিক ও বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নামে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। - সেসময় কিউবায় অর্থনৈতিক সংকটের জেরে বাড়তে থাকে সমাজতান্ত্রিক ধারণার প্রভাব। - কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ১৯৬২ সালের অক্টোবরে হয়েছিল। - ইতালি ও তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর জবাবে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায় রাশিয়া। - ফ্লোরিডা উপকূল থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে রুশ এই হুমকি মেনে নিতে না পেরে, ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। - ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়। - এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত। - এই ঘটনা শীতল যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
উৎস: Britannica.
৮৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন?
ক
হ্যারি এস ট্রুম্যান
খ
ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
গ
জেমস মনরো
ঘ
তথ্যটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর: খ
ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
খ
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। - তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন। - রুজভেল্ট দীর্ঘ ১২ বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - রুজভেল্ট বিংশ শতাব্দীর দুটি সর্বশ্রেষ্ঠ সংকট: গ্রেট ডিপ্রেশন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ- এই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, - যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। - নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল। - তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয় - ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি'র প্রবক্তা। - ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন। - ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনেই ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট প্রথমবারের মতো 'জাতিসংঘ (United Nations)' নামটি ব্যবহার করেন।
উৎস: Britannica.
৮৬.
ভারতীয় লোকসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত?
ক
৫৪৩
খ
৫৪৫
গ
৪১৪
ঘ
৫৪০
সঠিক উত্তর: ক
৫৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৫৪৩
ক
ব্যাখ্যা
ভারত: - দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত। - ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে। - সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে। - প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
উল্লেখ্য, - জাতীয় প্রতীক: অশোকচক্র। - অঙ্গরাজ্য: ২৮টি। - আইনসভা: দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। যথা: রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ) ও লোকসভা (নিম্নকক্ষ)। - ভারতের লোকসভার আসন সংখ্যা: ৫৪৩টি। - ভারতের রাজ্যসভার আসন সংখ্যা: ২৪৫টি।
উৎস: Ministry of External Affairs.
৮৭.
কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
খ
নিউজিল্যান্ড
গ
বাহামা
ঘ
সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর: খ
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নিউজিল্যান্ড
খ
ব্যাখ্যা
নারীর ভোটাধিকার লাভ: - বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
পরবর্তীতে, - ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। - ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। - ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। - ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। - ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
অন্যদিকে - - মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে। - ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। - পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।
উৎস: Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।
৮৮.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি নুমো (Chemical Weapons Convention) কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
ক
১৯৯০
খ
১৯৯৩
গ
১৯৯৬
ঘ
১৯৯৯
সঠিক উত্তর: খ
১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯৯৩
খ
ব্যাখ্যা
Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW): - রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা। - প্রতিষ্ঠাকাল:২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭। - সদস্য দেশ: ১৯৩টি। - সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড। - OPCW নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৩ সালে।
উল্লেখ্য, - অস্ত্র ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র নীরস্ত্রীকরণ করাই এ সংস্থার প্রধান কাজ। - এছাড়াও সংস্থাটি রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত সম্মেলনের আয়োজন করে। - এটি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ ও প্রয়োজনে অস্ত্রগুলো ধ্বংসের ব্যবস্থা করে থাকে।
⇒ রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি এক ধরনের অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি। - চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩। - কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭। - চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW). - জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল। - এই চুক্তির আওতাধীন থাকলেও মিশর, ইসরাইল, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ বাংলাদেশ OPCW চুক্তি স্বাক্ষর করে - ১৪ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে। - চুক্তি অনুমোদন করে - ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে। - চুক্তি কার্যকর করে - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
৮৯.
কোন পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘে নতুন সদস্য গ্রহণ করা হয়?
ক
অছি পরিষদ
খ
সাধারণ পরিষদ
গ
নিরাপত্তা পরিষদ
ঘ
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
সঠিক উত্তর: গ
নিরাপত্তা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নিরাপত্তা পরিষদ
গ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি: • সাধারণ পরিষদ (the General Assembly), • নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council), • অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council), • আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice), • অছি পরিষদ (the Trusteeship Council), • জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।
⇒ নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council): - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। - স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। - এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়। - নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে। - নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে। - মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে। - জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।
অন্যদিকে - - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য। - বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৯০.
কোন মুসলিম মনীষী সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার পান?
ক
ইয়াসির আরাফাত
খ
নাগীব মাহফুজ
গ
আনোয়ার সাদাত
ঘ
প্রফেসর আব্দুস সালাম
সঠিক উত্তর: গ
আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আনোয়ার সাদাত
গ
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত মুসলিম মনীষী: - আনোয়ার সাদাত সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার পান।
⇒ মিশর ও ইসরায়েল এর বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ও শান্তিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে। - যার ফলশ্রুতিতে মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাহেন বেগিন ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনিই প্রথম মুসলিম মনীষী যিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
অন্যদিকে - - প্রফেসর আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। - মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইয়াসির আরাফাত ও শিমন পেরেজ যৌথভাবে ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - নাগিব মাহফুজ ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
উৎস: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৯১.
বাদশা ফাহাদের পর সৌদি বাদশা কে হন?
ক
খালেদ
খ
ফয়সাল
গ
আব্দুল আজিজ
ঘ
আবদুল্লাহ
সঠিক উত্তর: ঘ
আবদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আবদুল্লাহ
ঘ
ব্যাখ্যা
বাদশা ফাহাদের পর সৌদি বাদশা হন আবদুল্লাহ।
আবদুল্লাহ: - ফাহাদ ইবনে আবদুল আজিজ আল সৌদ ১৯৮২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের রাজা ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর পর তার সৎ ভাই আবদুল্লাহ আবদুল আজিজ আল সৌদ রাজা ও প্রধানমন্ত্রী হন।
উল্লেখ্য, - ২০১৫ সালে আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর তার সৎ ভাই সালমান আবদুল আজিজ আল সৌদ রাজা ও প্রধানমন্ত্রী হন। - তার ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের বর্তমান ক্রাউন প্রিন্স।
⇒ সৌদি আরব: - আরব উপদ্বীপের সুবিশাল অংশজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অবস্থান। - এর উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তর-পূর্বে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন, পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান এবং দক্ষিণে ইয়েমেন। - ১৯৩২ সালে ইবনে সাউদ সৌদি আরবে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। - সৌদি আরব দুই পবিত্র মসজিদের ভূমি হিসেবেও পরিচিত (মক্কা এবং মদিনা)। - তেল-গ্যাসের বিশাল মজুদ রয়েছে সৌদি আরবে। - দেশটির সমৃদ্ধির প্রধান কারণ এটিই। - রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর: রিয়াদ। - দাপ্তরিক ভাষা : আরবি। - মুদ্রা: সৌদি রিয়াল। - জাতিসংঘে যোগদান: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫। - সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই। - সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে। - পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
উৎস: Britannica.
৯২.
অক্সফাম (Oxfam)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
ক
নিউইয়র্ক
খ
নাইরোবি
গ
লন্ডন
ঘ
হেগ
সঠিক উত্তর: খ
নাইরোবি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নাইরোবি
খ
ব্যাখ্যা
অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল: - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা। - এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। - অক্সফ্যাম ইন্টারন্যাশনাল বেসরকারীভাবে অর্থায়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা। - এটি বিশ্বব্যাপী দরিদ্র বা দুর্যোগ-পীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য ত্রাণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে। - এটি ১৯৪২ সালে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত গ্রীসের ক্ষুধার্ত শিশুদের ত্রাণ তহবিল সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ 'অক্সফাম' নামটি ১৯৪২ সালে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফামিন রিলিফ থেকে এসেছে। - Oxford Committee for Famine Relief (Oxfam) ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যে গঠিত হলেও ১৯৯৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৯টি বেসরকারি স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল গঠিত হয় যা একটি কনফেডারেশন।
উৎস: অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
৯৩.
কোনটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে উপনিবেশবাদের নিগড় থেকে মুক্ত হয়?
ক
হংকং
খ
শ্রীলংকা
গ
ম্যাকাউ
ঘ
বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর: গ
ম্যাকাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ম্যাকাউ
গ
ব্যাখ্যা
ম্যাকাও: - 'ম্যাকাও' হলো চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। - 'ম্যাকাও' দ্বীপটি পর্তুগালের কলোনি ছিল। - দ্বীপটি চীন সাগরে অবস্থিত। - ম্যাকাও ছিলো এশিয়ায় ইউরোপের সর্বশেষ উপনিবেশ।
⇒ দ্বৈত অর্থনীতি: - চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ - কে নিজেদের অধিভুক্ত করে। - ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে হংকং এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগালের কাছ থেকে ম্যাকাওকে ৫০ বছরের জন্য নিজেদের অধিভুক্ত করে। - হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়। - বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে উপনিবেশ উপনিবেশবাদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া সর্বশেষ অঞ্চল ম্যাকাও ।
উৎস: i) Britannica. ii) World Atlas.
৯৪.
নিচের কোন চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুমোদিত হয়নি?
ক
এবিএম চুক্তি (ABM)
খ
সল্ট-১ চুক্তি (SALT-1)
গ
সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
ঘ
স্টার্ট-২ চুক্তি (START-2)
সঠিক উত্তর: গ
সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
গ
ব্যাখ্যা
SALT: - SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks। - আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা। - এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে। - আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল। - পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। - দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত। - SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে। - SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
উল্লেখ্য, - ১৮ জুন, ১৯৭৯ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনভের মধ্যে স্বাক্ষরিত SALT-2 চুক্তিটি মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করেনি। - ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক আফগানিস্তান সৈন্য প্রেরণ করলে তার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট SALT-2 চুক্তিটি অনুমোদন করে নি।
অন্যদিকে, - ABM Treaty (Anti Ballistic Missile ) ১৯৭২ সালের ৩ আগস্ট মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয়। - SALT-I (Strategic Arms Limitation Talks) ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করে। - START-2 (Strategic Arms Reduction Traty) চুক্তি মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয় ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৯৫.
Amnesty International কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল?
ক
১৯৭৭
খ
১৯৭৮
গ
১৯৭৯
ঘ
১৯৮১
সঠিক উত্তর: ক
১৯৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৯৭৭
ক
ব্যাখ্যা
Amnesty International: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে। - সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য। - বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। - সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
উল্লেখ্য, - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ফ্রান্সের। - তিনি ২০২১ সালে Amnesty International-এর মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন।
উৎস: Amnesty International ওয়েবসাইট।
৯৬.
START-2 কী?
ক
টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
খ
বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
গ
কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ঘ
এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ
কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
গ
ব্যাখ্যা
START চুক্তি: - START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty। - এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি। - চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে। - চুক্তির বিষয়বস্তু: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস। - START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ৩১ শে জুলাই ১৯৯১। - START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।
উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৯৭.
আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (ARF)-এর সদস্য সংখ্যা কত?
ক
২১
খ
২২
গ
২৭
ঘ
২৬
সঠিক উত্তর: গ
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২৭
গ
ব্যাখ্যা
ASEAN: - ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations. - এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট। - প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে। - এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া। - এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি। - সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া। - ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।
⇒ আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum- ARF) এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি। - দেশগুলো হলো: ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, লাওস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, পূর্ব তিমুর, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা (সর্বশেষ সদস্য)। - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
উল্লেখ্য, - ২০২৩ সালে ৪৩তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হয়। - ২০২৪ সালে ৪৪তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন লাওসে অনুষ্ঠিত হবে।
উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
৯৮.
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ কত বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
ক
২১ বছর
খ
২২ বছর
গ
২৪ বছর
ঘ
২৫ বছর
সঠিক উত্তর: গ
২৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২৪ বছর
গ
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ: - ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি। - তিনি ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল পর পর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। - অবসর গ্রহণের দীর্ঘ পনের বছর পর ৯২ বছর বয়েসে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ব্যাপক দুর্নীতি সংশ্লিষ্টতার কারণে মাহাথির মোহাম্মদ আবারও আসেন রাজনীতিতে।
⇒ মাহাথির মোহাম্মদ একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও। - দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত। - সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি। - রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি। - ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন। - ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।
⇒ মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। - ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়। - পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। - মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোট পাকাতান হারাপান।
⇒ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। - তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।
উৎস: Britannica.
৯৯.
বাংলাদেশ কত সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
ক
১৯৭২ সালে
খ
১৯৭৩ সালে
গ
১৯৭৪ সালে
ঘ
১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর: গ
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৯৭৪ সালে
গ
ব্যাখ্যা
OIC: - OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation. - এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা। - এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। - গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে। - ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি। - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। - সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব। - বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। - এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। - প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি। - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। - সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব। - বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। - এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।
উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১০০.
ইরাকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি কোন সম্প্রদায়ের?
ক
সুন্নি
খ
শিয়া
গ
কুর্দি
ঘ
খ্রিস্টান
সঠিক উত্তর: গ
কুর্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কুর্দি
গ
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি কুর্দি সম্প্রদায়ের।
ইরাক: - ইরাক একটি মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র। - ইরাকের দক্ষিণে কুয়েত এবং সৌদি আরব, পশ্চিমে জর্ডান, উত্তর-পশ্চিমে সিরিয়া, উত্তরে তুরস্ক এবং পূর্বে ইরান অবস্থিত। - ইরাকের পূর্ব নাম: মেসোপটেমিয়া। - রাজধানী: বাগদাদ। - ভাষা: আরবি। - মুদ্রা: দিনার। - বর্তমান প্রেসিডেন্ট: আব্দুল লতিফ রশীদ।
⇒ ইরাক ব্রিটেনের উপনিবেশে ছিল। - স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৩২ সালে।
উল্লেখ্য, - ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ইরাকে অবস্থিত। - ইরাকের প্রথম বাদশাহ ছিলেন বাদশা ফাইসাল। - No fly zone অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকে। - ইরাকের বাগদাদ নগরীর প্রতিষ্ঠাতা- খলিফা আল মনসুর।
⇒ সাদ্দাম হোসেন ১৯৭৯ সালে ইরাকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। - তেলের কারনে ইরাক অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধি অর্জন করে। - ১৯৭৯ সালে সাদ্দাম হোসেন যখন ইরাকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয় তখন ইরাকের বৈদেশিক মুদ্রার শতকরা ৯৫ ভাগ পেট্রোলিয়াম রপ্তানী থেকে আসত । - সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এর ফাঁসি কার্যকর করা হয় ২০০৬ সালে।
⇒ 'অপারেশন ডেজার্ট ফক্স' ১৯৯৮ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সামরিক অভিযান। - অপারেশন ডেজার্ট স্ট্রম/শেইল্ড ১৯৯০ সালে বহুজাতিক বাহিনী কর্তৃক ইরাকের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলা।